বাস্তবতা : নারী নষ্টের মুলে দায়ী কারা???


বাস্তবতা : নারী নষ্টের মুলে দায়ী কারা????
নারী না পুরুষ??? আসসালামু আলাইকুম. প্রিয়
দ্বীনী ভাই ও বোন. নারীদের এত নির্লজ্জতা,
বেহায়াপনা,উলংগপনা, এর জন্য দায়ী মুলত
পুরুষরাই,কারণ এই
নারী হয়তোবা কারো মা,বোন, স্ত্রী, ও
মেয়ে.আমরাই
তাদেরকে ঠিকমতো দ্বীনী শিক্ষা দেইনা.ছোট
বেলা থেকেই তাদেরকে শেখানো হয় তবলার
তালে তালে নাচ গান.আজ আমাদের সমাজের
যারা ছবি, নাটক, গান ও বিভিন্ন
মডেলিং করতেছে তাদের 99%
নামধারী মুসলিম.তাদের পিতামাতা ও
নামধারী মুসলিম.যদি তারা নিজেদের
মা,মেয়ে,স্ত্রী ও বোন কে ইসলামী শিক্ষায়
শিক্ষিত করতো তাহলে তারা এই পাপের
পথে পা বাড়াতো না.বুঝা যাচ্ছে নারী নষ্টের
মুলে পুরুষরাই.আজ যদি সমাজের
দিকে তাকাই,অর্ধ উলংগো নারীর অভাব নাই,
রাস্তা ঘাটে এই বেপর্দা নারীদের জন্য বের
হওয়া কষ্টকর.এখন নিজের ইমান কে ঠিক
রাখা কষ্টকর. এই নির্লজ্জ নারীদের
অভিভাবকরা যদি তাদের মা,মেয়ে,স্ত্রী ও
বোনদের কে পর্দায়
রাখতো তাহলে তারা এভাবে দেহ প্রদর্শন
করে বেড়াতে না.এখানেও পুরুষরাই দ্বায়ী. আজ
দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন পিকনিকের অনুষ্ঠান,ভ্রমণে
র স্থান, বিয়ের অনুষ্ঠান এখানে ও
নারীরা নিজেকে অর্ধ উলংগো ভাবে প্রদর্শন
করে,তারা চায় অন্যরা তাদের
প্রসংশা করুক,কিন্তু দেখা যায় এদের সাথে এই
সব স্থানে তাদের অভিভাবকও থাকে. নিজে পাচ
ওয়াক্ত নামাজ পড়ে মাথায় টুপিও আছে. কিন্তু
তার সাথের মেয়ে,স্ত্রী, মা, ও বোনকে অর্ধ
উলংগ করে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে. মনে রাখবেন এই
সব লোক জান্নাতে প্রবেশ
করতে পারবে না.কারণ দাইয়ুস জান্নাতে প্রবেশ
করতে পারবে না.কিয়ামতে এই নারীরাই
অভিযোগ করবে এরুপ পুরুষদের বিপক্ষে কারণ
তারা তাদেরকে পর্দার কথা বলেন নি.আললাহর
হুকুম অমান্য করে কেউ
কখনো সুখী হতে পারেনি পারবেও না.আর যাদের
অভিভাবক নারীদের কে পর্দার কথা বলা,ও
বোঝানোর পরেও বেপর্দা হয়ে চলবে তারাও
জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা. আসুন
আমরা যারা পুরুষ আছি,আমরা আমাদের
মা,বোন,স্ত্রী ও মেয়েকে পরিপূর্ণ পর্দা পালন
করতে বলি ও ছোট বেলা থেকেই
ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করি.নিজেরাও অন্য
নারীদের কে দেখা থেকে বিরত থাকি. হে বোন
ফিরে আসুন আললাহর পথে, বেহায়াপনা,
নির্লজ্জতা উলংগপনার পরিহার করে ইসলামের
ছায়া তলে ফিরে আসুন,
যেখানে দুনিয়াতে আছে সুখ ও শান্তি. পরকালেও
আছে মুক্তি তা হচ্ছে চিরস্থায়ী জাননাত.পক্ষান
ে আললাহর এই হুকুম অমান্য
করলে আছে যন্ত্রনাদায়ক
শাস্তি তা হচ্ছে চিরস্থায়ী জাহান্নাম. দুনিয়ার
এই সৌন্দর্য চিরস্থায়ী নয়, আজ যারা আপনার
সৌন্দর্য দেখে বাহবা দিচ্ছে তারা কিন্তু
আপনার কোন উপকারে আসবে না.সুযোগ
পেলেই ভোগ করে স্বারথপরের মত
ভেগে যাবে.যা আজ হরহামেশাই ঘটছে.
যারা দুনিয়া চায় আললাহ তাকে দুনিয়া থেকেই
সামান্য কিছুই দিয়ে দেন কিন্তু পরকালে এদের
জন্য কিছুই নেই পক্ষানতরে যারা পরকাল চায়
আললাহ তাদের পরকালের সম্পদ
বাড়িয়ে দেয়.আর এরাই সফলকাম. প্রিয় ভাই ও
বোন আসুন দুনিয়ার মুহাববাত
কমিয়ে দিয়ে পরকালের আমল
বাড়িয়ে দেই.আললাহ যেন আমাদেরকে তার দ্বীন
পরিপূর্ণ ভাবে পালন করার তৌফিক দান করেন
আমিন.

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s