আল্লাহ তাআলার হক বা প্রাপ্য পর্ব -1


আল্লাহ তাআলার হক বা প্রাপ্য পর্ব (১)আল্লাহ তাআলা স্বীয় বান্দাদের জলে-স্থলে,শরীরে ও দিগন্ত জুড়ে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্যনেয়ামতরাজি দ্বারা আবৃত করে রেখেছেন। তিনিএরশাদ করেন—‘তোমরা কি দেখ না আল্লাহ তাআলা নভোমন্ডল ওভূ-মণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তোমাদের কাজেনিয়োজিত করে দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতিতার প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ণকরে দিয়েছেন ?’ [১]অন্যত্র বলেন—‘যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তারপ্রত্যেকটি-ই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদিআল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষকরতে পারবে না। আফসোস ! মানুষ সীমাহীনঅন্যায় পরায়ন, অকৃতজ্ঞ।’ [২]‘যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষকরতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল,দয়ালু।’ [৩]তবে বান্দার উপর সবচেয়ে বড় নেয়ামত : রাসূলসা.-কে প্রেরণ করা, কিতাব অবতীর্ণ করা ওইসলামের হেদায়াত দান করা। এ জন্য বান্দা হিসেবেআমাদের উপর ওয়াজিব আল্লাহ তাআলার প্রাপ্য অধিকারবা হকসমূহ জানা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আবশ্যকীয় ওবাধ্যতামূলক হকসমূহ আদায়ের প্রতি যত্নবান থাকা।নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হক তথা অধিকারেরবিবরণ তুলে ধরা হলো :—প্রথম অধিকার : আল্লাহ তাআলার উপর ঈমান আনাআল্লাহ তাআলার উপর ঈমান চারটি জিনিস অন্তর্ভুক্তকরে :—এক :আল্লাহ তাআলার অস্তিত্বের ঈমান বা বিশ্বাস:দলিল-প্রমাণাদির ভিত্তিতে বিশ্বাস স্থাপন করা, অবোধকিংবা অন্ধ ভাবে নয় : যেমন—আল্লাহ তাআলার মাখলুকাত তথা সৃষ্টি জগত দেখে তাঁরপ্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। যেহেতু স্রষ্টা ছাড়া কোনসৃষ্টি নিজেকে নিজে সৃষ্টি করতে কিংবা অস্তিত্বেআনতে পারে না—কারণ প্রত্যেক জিনিসই তারঅস্তিত্বের পূর্বে বিলুপ্ত, অবিদ্যমান ওঅস্তিত্বহীন থাকে—বিধায় সৃষ্টি করার প্রশ্নই আসেনা। আবার কোন জিনিস হঠাৎ বা আকস্মিকভাবেঅস্তিত্বে বা দৃশ্যপটে চলে আসবে তাও সম্ভবনয়। কারণ প্রতিটি ঘটমান বস্তু বা সম্পাদিত কাজেরনেপথ্যে সংঘটক বা সম্পাদনকারী থাকা জরুরি।অতএব, যখন আমরা জানতে পারলাম এ বিশ্বজগতনিজে-নিজেই দৃশ্যপটে চলে আসেনি, আবারঅকস্মাৎ তৈরি হয়েও যায়নি, তাই আমাদের কাছেসুনির্দিষ্টভাবে পরিষ্কার হয়ে গেল,এর একজনস্রষ্টা রয়েছেন। আর তিনি হলেন আল্লাহ রাব্বুলআলামিন।দুই :রুবুবিয়্যাতের ঈমান :আল্লাহ তাআলার রুবুবিয়্যাতের উপর ঈমান রাখা—অর্থাৎসৃষ্টি তার, মালিকানা তার, পরিচালনার দায়িত্ব তার, তিনি ছাড়াকেউ মালিক নয়, কেউ পরিচালনাকারী নয়। এরশাদহচ্ছে—‘শুনে রেখ, তারই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশকরা।’ [৪]আরো বলেন—‘তিনিই আল্লাহ ! তোমাদের পালনকর্র্তা, সাম্রাজ্যতারই। তার পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারাতুচ্ছ খেজুর আটিরও অধিকারী নয়।’ [৫]দুনিয়ার ইতিহাসে এমন কাউকে পাওয়া যায়নি যে,অন্তরের সাক্ষ্য, প্রাকৃতিক বাস্তবতার প্রতি দৃষ্টিপাতকরে আল্লাহ তাআলার রুবুবিয়্যাতকে অস্বীকারকরেছে। তবে এমন অনেকেই আছে, যারাজেদ ধরে অহংকার বশত, নিজের কথায় আস্থা না থাকাসত্ত্বেও আল্লাহ তাআলার রুবুবিয়্যাত অস্বীকারকরেছে। যেমন- ফেরআউন তার সম্প্রদায়কেবলেছিল—‘আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।’ [৬]অন্য জায়গায় বলেন—‘হে পরিষদবর্গ, আমি জানি না যে আমি ব্যতীততোমাদের কোন উপাস্য আছে কি-না। [৭]ফেরআউন নিজের উপর আস্থা কিংবা বিশ্বাস রেখেএকথা বলেনি, কারণ আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন—‘তারা অহংকার করে নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করল,যদিও তাদের অন্তর এগুলোকে সত্য বলে বিশ্বাসকরেছিল।’ [৮]মূসা আ. ফেরআউনকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন—‘তুমি জান, যে আসমান ও জমিনের পালনকর্তাই এসবনিদর্শনাবলী প্রত্যক্ষ প্রমাণ স্বরূপ নাজিলকরেছেন। হে ফেরআউন, আমার ধারণা তুমি ধ্বংসহতে চলেছ।’[৯]এর দ্বারা প্রমাণিত হলো যে মুশরিকরা আল্লাহতাআলার ‘উলুহিয়্যাতে’ শরিক করেও ‘রুবুবিয়্যাতে’-কে স্বীকার করতো। আল্লাহ তাআলা বলেন—‘বলুন, পৃথিবী এবং পৃথিবীতে যারা আছে, তারা কারা ?যদি তোমরা জান, তবে বল। এখন তারা বলবে : সবইআল্লাহর। বলুন, তবুও কি তোমরা চিন্তা করো না ?বলুন : সপ্ত আকাশ ও মহা-আরশের মালিক কে ?এখন তারা বলবে : আল্লাহ। বলুন, তবুও কি তোমরাভয় করবে না ? বলুন : তোমাদের জানা থাকলে বল,কার হাতে সব বস্তুর কর্তৃত্ব,যিনি রক্ষা করেন এবংযার কবল থেকে কেউ রক্ষা করতে পারে না।এখন তারা বলবে আল্লাহর। বলুন : তাহলে কোথাথেকে তোমাদেরকে জাদু করা হচ্ছে ?’ [১০]অন্যত্র এরশাদ হচ্ছে—‘আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন কেনভোমন্ডল ও ভূ-মণ্ডল সৃষ্টি করেছে ? তারাঅবশ্যই বলবে, এগুলো সৃষ্টি করেছেনপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহ।’ [১১]আরো এরশাদ হচ্ছে—‘আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, কেতাদেরকে সৃষ্টি করেছে ? তবে অবশ্যই তারাবলবে আল্লাহ।’ [১২]তিন :আল্লাহ তাআলার উলুহিয়্যাতের ঈমান :—অর্থাৎ ‘আল্লাহ সুবহানাহু ও তাআলাই একমাত্র উপাস্য’ একথার উপর ঈমান রাখা। যথা তিনি সত্যিকারার্থে প্রভু।বিনয় ও মহব্বত সম্বলিত এবাদতের উপযুক্ত। তিনি ছাড়াকেউ এবাদতের উপযুক্ত নয়। এরশাদ হচ্ছে—‘আর তোমাদের উপাস্য একমাত্র তিনিই। তিনি ছাড়া মহানকরুণাময় দয়ালু কেউ নেই।’ [১৩]আরো এরশাদ হচ্ছে—‘পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভাল, না পরাক্রমশালী একআল্লাহ ? তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে নিছককতগুলো নামের এবাদত কর, সেগুলো তোমরাএবং তোমাদের বাপ-দাদারা সাব্যস্ত করে নিয়েছ।আল্লাহ এদের ব্যাপারে কোন প্রমাণ অবতীর্ণকরেননি।’ [১৪]আল্লাহ তাআলা উল্লেখিত জিনিসগুলোর প্রভুত্ব কিছুযুক্তির মাধ্যমে খণ্ডন করেছেন :—১. মুশরিকরা যে সমস্ত বস্তুকে প্রভু বানিয়েছিল,তাদের ভিতর প্রভুত্বের কোন গুণ বিদ্যমান নেই।এগুলো সৃষ্টি করতে পারে না, কল্যাণ বয়েআনতে পারে না এবং তাদেরকে অনিষ্ট হতে রক্ষাকরতে পারে না। এরা তাদের জীবন-মৃত্যুর মালিকনয়। আসমান-জমিনের মাঝে কোন জিনিসের মালিকনয় এবং এতে তাদের অংশীদারিত্বও নেই। এরশাদহচ্ছে—‘তারা তার পরিবর্তে কত উপাস্য গ্রহণ করেছে, যারাকিছুই সৃষ্টি করে না এবং তারা নিজেরাই সৃষ্ট,নিজেদের ভালও করতে পারে না, মন্দও করতেপারে না। জীবন, মরণ এবং পুনরুজ্জীবনেরওমালিক নয় তারা।’ [১৫]আরো এরশাদ হচ্ছে—‘তারা কি এমন কাউকে শরিক সাব্যস্ত করে যে একটিবস্তুও সৃষ্টি করেনি বরং তাদেরকে সৃষ্টি করাহয়েছে ? আর তারা না তাদের সাহায্য করতে পারে,না নিজের সাহায্য করতে পারে !’ [১৬]তাদের বানানো প্রভুদের এমন অসহায়ত্ব ওদুরবস্থা প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তাআলাকেবাদ দিয়ে এগুলোকে প্রভু বানানো নিরেটবোকামি, চরম বাতুলতা।২. মুশরিকরা বিশ্বাস করতো—আল্লাহ তাআলাইপ্রতিপালক, সৃষ্টিকর্তা, তার হাতেই সমস্ত জিনিসেরমালিকানা, তিনি রক্ষা করেন, তার কবল হতে কেউরক্ষা করতে পারে না।এরশাদ হচ্ছে—‘আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন কেতাদেরকে সৃষ্টি করেছে ? তাহলে অবশ্যই তারাবলবে, আল্লাহ।’ [১৭]আরো এরশাদ হচ্ছে—‘তুমি জিজ্ঞেস কর, কে রুজি দান করেতোমাদেরকে আসমান থেকে ও জমিন থেকে,কিংবা কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক ?তাছাড়া কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকেবের করেন ? এবং কেইবা মৃতকে জীবিতেরমধ্য থেকে বের করেন ? কে করেন কর্ম-সম্পাদনের ব্যবস্থাপনা ? তখন তারা বলে উঠবে,আল্লাহ ! তুমি বল, তারপরেও ভয় করছ না ?’ [১৮]তারা যখন নিজেরাই এর সাক্ষ্য প্রদান করল, যুক্তিরভিত্তিতে এখন তাদের অবশ্য কর্তব্য একমাত্রপ্রভু, একমাত্র প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার এবাদত করা।ধারণা প্রসূত ঐ সমস্ত প্রভুদের নয়—যারা নিজেদেরকোন উপকার করতে পারে না। নিজেদেরথেকে কোন বিপদ হটাতে জানে না।চার :আল্লাহ তাআলার নাম ও সিফাতের ঈমান :—বান্দা হিসেবে আল্লাহ তাআলার প্রতি ঈমান আনবে।যে সমস্ত নাম ও সিফাত (বিশেষ্য ও বিশেষণ)আল্লাহ তাআলা স্বীয় কিতাব অথবা রাসূল সা. স্বীয়হাদিসে উল্লেখ করেছেন,সেগুলোকেআল্লাহ তাআলার নাম ও সিফাত হিসেবে আল্লাহতাআলার অবস্থান মোতাবেক বিশ্বাস করবে,একমাত্র তার জন্য প্রযোজ্য বলে জ্ঞান করবে।কোন ধরনের অপব্যাখ্যা, নিষ্কর্ম করণ, আকৃতিপ্রদান ও সামঞ্জস্য বিধান করবে না। এরশাদ হচ্ছে—‘আর আল্লাহর রয়েছে উত্তম নাম সমূহ, কাজেইসে নাম ধরেই তাকে আহ্বান কর। আর তাদেরকেবর্জন কর, যারা তার নামের ব্যাপারে বাঁকা পথেচলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রইপাবে।’ [১৯]অন্যত্র এরশাদ হচ্ছে—‘কোন কিছুই তার অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন,দেখেন।’ [২০]দ্বিতীয় অধিকার :পূর্ণ এখলাস ও আন্তরিকতাসহ একমাত্র আল্লাহতাআলার জন্য এবাদত উৎসর্গ করা : যার পদ্ধতি হলো—বান্দা তার আমলের মাধ্যমে একমাত্র তাআলারসন্তুষ্টি কামনা করবে। যেমন আল্লাহ তাআলা এরপ্রতি নির্দেশ দিয়ে বলেছেন—‘আমি আপনার উপর এ কিতাব যথার্থ-ই নাজিল করেছি।অতএব আপনি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ তাআলার এবাদতকরুন।’ [২১]আরো বলেন—‘আপনি বলুন : আমার নামাজ, আমার কুরবানি এবং আমারজীবন-মরণ বিশ্ব প্রতিপালকের জন্য। তার কোনঅংশীদার নেই। আমি তাই আদিষ্ট হয়েছি এবং আমিপ্রথম আনুগত্য পোষণকারী।’ [২২]সহিহ হাদিসে কুদসীতে আছে, আল্লাহ তাআলাবলেন—.‘আমি সমস্ত অংশীদারদের ভিতর বেশিঅমুখাপেক্ষী, যে এমন আমল করল, যার ভিতর সেআমার সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করেছে, সেআমল ঐ অংশীদারের জন্য, আমি তার থেকেমুক্ত।’মুআয ইবনে জাবাল রা. বলেন, আমি একটি গাধার পিঠেরাসূলের সঙ্গী ছিলাম। যে উটকে ‘উফাইর’ বলা হয়।রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন—‘হে মুআয, তুমি কি জান বান্দার উপর আল্লাহ তাআলার কিকি হক রয়েছে ? এবং আল্লাহ তাআলার উপর বান্দার কিকি হক রয়েছে ? আমি উত্তর দিলাম—আল্লাহ এবং তাররাসূল সা. ভাল জানেন। তিনি বললেন, বান্দার উপরআল্লাহ তাআলার হক হচ্ছে : তারা তাঁর এবাদত করবে,তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করবে না। আল্লাহতাআলার উপর বান্দার হক হচ্ছে, যে তার সাথেকাউকে শরিক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দেবেননা। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সা. আমি কিসকলকে এর সুসংবাদ দেব না ? তিনি বললেন তাদেরসুসংবাদ দিওনা, তাহলে তারা কর্মহীন হয়েযাবে।’ [২৩]রাসূল সা. আরো বলেন—‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের শরীর ও চেহারারদিকে তাকান না। তবে তিনি তোমাদের অন্তর ওআমলের দিকে তাকান। রাসূল সা. আরো বলেছেন—কেয়ামতের দিবসে—যে দিবসের ব্যাপারেকোন সন্দেহ নেই—যখন আল্লাহ তাআলা সকলমানুষকে জমা করবেন, একজন ঘোষণাকারীঘোষণা দেবে, যে ব্যক্তি তার আমলের ভিতরঅন্য কাউকে শরিক করেছে, সে যেন তার সওয়াবআল্লাহ তাআলা ছাড়া যাকে শরিক করেছে তার কাছথেকে চেয়ে নেয়। কারণ, আল্লাহ তাআলা সমস্তশরিকদের থেকে অমুখাপেক্ষী। [২৪]একজন বান্দা হিসেবে সকলের জন্য জরুরি—এবাদতবিষয়ে আন্তরিকতার প্রতি গুরুত্বারোপ করা এবংসেভাবে আল্লাহ তাআলার প্রাপ্য আদায় করা, এরবিপরীত অর্থাৎ শিরক হতে বিরত থাকা ।চলবে ইনশা’আল্লাহ।লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদসম্পাদনাঃ কাউসার বিন খালেদ[১] সূরা লোকমান : ২০।[২] সূরা ইবরাহিম : ৩৪।[৩] সূরা নাহাল : ১৮।[৪] সূরা আল আরাফ : ৫৪[৫] সূরা ফাতের : ১৩[৬] সূরা আন নাযেআত : ৩৮[৭] সূরা আল কাসাস : ৩৮[৮] সূরা আন নামল : ১৪[৯] সূরা বনী ইসরাইল : ১০২[১০] মুমিনুন : ৮৪-৮৯[১১] সূরা যুখরুফ : ৯[১২] সূরা যুখরুফ : ৮৭[১৩] সূরা আল বাক্বারা : ১৬৩[১৪] সূরা ইউসুফ : ৩৯-৪০[১৫] সূরা আল ফুরকান-৩[১৬] সূরা আল আরাফ : ১৯১-১৯২[১৭] সূরা আদ দুখান : ৮৭[১৮] সূরা ইউনুস : ৩১[১৯] সূরা আল আরাফ-১৮০[২০] সূরা আশ শুরা : ১১[২১] সূরা আয যুমার : ২।[২২] সূরা আল আনআম-১৬১-১৬২।[২৩] বোখারি ও মুসলিম[২৪] হাদিসটি ইমাম তিরমিজি রহ. বর্ণনা করেছেন এবংবলেছেন হাসান গরিব