তাবলীগ জামায়াতের কিছু ইমান ধ্বংসকারী আকিদাহ! পার্ট -1:


তাবলীগ জামাত এড় কিছু
ঈমাণধ্বংসকারী বিশ্বাস — ১
সাবধান মুসলিম।
ফাজায়েল সাদাকাত, ২য় খণ্ড, ২৮০
পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
“আবু আলি রোদবারি (রঃ) বলেন, ঈদের
দিন একজন ফকির
আসিয়া আমাকে বলিল
যে এখানে কি কোন পরিস্কার
জায়গা যেখানে একজন ফকির
মরিতে পারে?
আমি ইহা বাজে কথা মনে করিয়া বলিলাম,
ভিতরে এসে যেখানে এসে মর।
সে ভিতরে আসিয়া ওযু করিয়া দুই
রাকাত নামাজ পড়িল ও মারা গেল।
আমি তাহার কাফন দাফনের
ব্যবস্থা করার পরে দেখিবার জন্য
কাফন হটাইয়া দেখিতেই সে চোখ
খুলিয়া ফেলিল। আমি তাকে বলিলাম,
মৃত্যুর পরেও জীবন? সে বলিল
আমি জীবিত ও আল্লাহর প্রত্যেক
আশেকই জীবিত থাকেন। আমি তোমায়
কাল কিয়ামতে স্বীয়
প্রতিপত্তিতে সাহায্য করিব”।
এখানে লক্ষণীয়-
১. ফকির আগে থেকেই তার মৃত্যুর খবর
জেনে সে তার মৃত্যুর
জায়গা নিজে নিজেই ঠিক করল।
২. সে মারা যাওয়ার পরেও একজন
জীবিত মানুষ তাকে তাকে কিছু
জিজ্ঞাস করল ও সে শুনল।
৩. কথা শুনার পর সে তার উত্তরও
দিল।
এখন দেখা যাক কুরআন কি বলে-
১. আল্লাহ বলেন,
“… কেউ জানেনা আগামীকাল
সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ
জানেনা কোন স্থানে সে মৃত্যুবরন
করবে।” (সূরা লুকমানঃ ৩৪)
এই আয়াতের ব্যখায় নবী (সঃ) বলেন,
“এগুলো গায়িবের
কথা এবং এগুলো আল্লাহ ছাড়া আর
কেউ জানেনা।” (সহিহ বুখারি)
কুরআন আমাদের শিক্ষা দেয়, আল্লাহ
ছাড়া কেউ জানেনা সে কোথায়
মারা যাবে। আর
তাবলীগরা শিক্ষা দেয় ফকির
বুজুর্গরা জানতে পারে তারা কোথায়
মারা যাবে !!!
২. আল্লাহ বলেন,
“মৃতকে তো তুমি (নবী)
কথা শুনাতে পারবে না”।
(সূরা নামলঃ ৮৪)
তাহলে কিভাবে ঐ ব্যক্তি মৃত
ফকিরকে প্রশ্ন করল এবং সে শুনল?
৩. আল্লাহ বলেছেন, “জীবিত ও মৃত
কখনো সমান না”।
(সুরা আল ফাতিরঃ ২২)
অর্থাৎ, কিন্তু গল্পে জীবিত ও মৃত-
উভয়েই কথা বলছে অর্থাৎ উভয়েই
সমান।
হাদিসে আছে (প্রথম অংশ
দেওয়া হল), “একদিন রাসুল (সঃ) ও
একজন ইহুদী বসে ছিলেন। এমন সময়
একটি জানাজা অতিক্রম
করতে থাকলে সে জিজ্ঞাসা করে,
“হে মুহম্মদ, এই লাশ
কি কথা বলতে পারে?” রাসুল (সঃ)
জবাব দেন, “এই বিষয়ে আল্লাহ অধিক
অবগত।.।”
(আবু দাউদঃ ৩৬০৫, ইসলামিক
ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুদিত)
শুধু একটি ঘটনা না, আরও অসংখ্য এমন
আজগুবি অনেক
কিচ্ছা রয়েছে তাবলীগি ভাইদের
একমাত্র পঠিত বইগুলোতে।
এখন দেখতে পাচ্ছি-
১. তাবলীগ ও তাদের আমলের বই এক
কথা বলছে।
২. কোরআন হাদিস তার ভিন্ন আর এক
কথা বলছে।
যেহেতু দুটো বিপরীত কথা,
তাহলে এখানে যেকেউ একজন অবশ্যই
মিথ্যাবাদী। যেহেতু, কোরআন ও রাসুল
(সঃ) কখনো মিথ্যা বলতে পারেনা,
সেহেতু যে গল্পটি বলেছে সে অবশ্যই
মিথ্যাবাদী। আর
যে বইয়ে মিথ্যাবাদীদের
দ্বারা তৈরি আজগুবি গল্প,
কিচ্ছা কাহিনী দিয়ে ভরা সে বই
অনুযায়ী আমল করতেই কি রাসুল (সঃ)
আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন?
বরং রাসুল বলেছেন,
“নেতা, উপনেতা বা দাম্ভিক
ধোঁকাবাজ লোক ছাড়া আর কেউ
কিচ্ছা কাহিনী বর্ণনা করেনা”। (আবু
দাউদঃ ৩৬২৪)
———————————————
———————————————
———————————————————-
শায়েখ আবুল খায়ের বলেন, একবার
মদীনা মোনাওয়ারায় হাজির হইয়া পাঁচ
দিন পর্যন্ত আমাকে উপবাস
থাকতে হয়। খাওয়ার জন্য কিছুই
না পেয়ে অবশেষে আমি হুজুর
এবং শায়ইখানের কবরের মধ্যে সালাম
পড়িয়া আরজ করলাম, হে আল্লাহর
রাসুল। আমি আজ রাতে আপনার
মেহমান হবো।
এই কথা আরজ করে মিম্বর শরীফের
নিকট গিয়ে আমি শুইয়া পড়লাম।
স্বপ্নে দেখি, হুজুরে পাক (সাঃ)
তাশরীফ এনেছেন। ডানে হযরত আবু
বকর, বাম দিকে হজরত ওমর
এবং সামনে হজরত আলী রাঃ। হযরত
আলী রাঃ আমাকে ডেকে বলেন, এই
দেখ, হুজুর সাঃ তাশরীফ এনেছেন।
আমি উঠা মাত্রই
মহানবী সাঃ আমাকে একটা রুটি দিলেন,
আমি অর্ধেক খেয়ে ফেলি।
তারপর যখন আমার চোখ খুলিল তখন
আমার হাতে বাকী অর্ধেক ছিল
(রুটি অবশিষ্টাংশ)।
সূত্রঃ ফাজায়েলে হজ্জ্ব-২৫৬ পৃষ্ঠা।
সম্মানিত মুসলিম ভাইগণ!
=> আল্লাহকে ছেড়ে মৃতু্র পর নবীর
মাজারে গিয়ে খাদ্যের
প্রার্থনা করা স্পষ্ট শিরক নয় কি?
=> মৃতুর পর নবী কবরে থেকেও
খাওয়াতে পারেন এ আক্বিদাহ পোষন
করা শিরক নয় কি?
=> এই রকম শিরকী আকিদাহ
কি মানুষকে জান্নাতের
দিকে নিয়ে যায়, নাকি জাহান্নামের
দিকে?
অথচ মহান আল্লাহ সুবহানাহু
তায়ালা বলেন,
ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণকারী সকলের
জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর।
(সূরা হুদ-৬)
এখান থেকেই সূফীদের
শিরকি আক্বিদাহ
“””কেউ ফেরে না খালি হাতে,
খাজা বাবার দরবার হতে”” টাইপের
গান শুরু হইছে। নবীর রওজায়
যদি গিয়ে রুটি পাওয়া যায়।
তবে ওলী আউলিয়ার মাজারে কেন
চুইংগাম পাওয়া যাবে না। এই
কাহিনী নিশ্চিত নিশ্চিত
ভাবে মানুষকে শিরক ও মাজার
মুখি করার শিক্ষা দেয়।
==============================
===============

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s