বিদআতী ইমামের পিছনে কখন ছলাত্ আদায় করা যাবে আর কখন যাবেনা?


বিদ’আতী ইমামের পিছনে স্বালাত
আদায় করা কখন যাবে এবং কখন যাবে
না?
Bidat
বিদ’আতী ইমামের পিছনে স্বালাত আদায়
করা কখন যাবে এবং কখন যাবে না?
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্র জন্য।
এটি কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে…
১. বিদ’আতী ইমাম, সলাত ছাড়া অন্যান্য
স্থানে বিদ’আত করে:
বিদ’আতী ইমাম সলাতে কোন বিদ’আত করেন
না, কিন্তু সলাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত
ইত্যাদি করে থাকেন তবে তার পিছনে সলাত
আদায় করা যাবে।
২. বিদ’আতী ইমাম বড় শিরক্ করেন:
বিদ’আতী ইমামের যদি শিরকী আকিদা
থাকে, যেমন কোন পীরের মুরিদ, তাবীয দেয়,
মিলাদে শিরকী কথা বলে, তবে এরূপ ইমামের
পিছনে সলাত আদায় করা যাবে না। কেননা
তিনি তাওহীদ বুঝেন না বা মানেন না। ইমাম
হওয়ার নুন্নতম সর্ত হচ্ছে তাকে মুসলিম হতে
হবে, শিরকে আকবর বা বড় শিরক তার দ্বারা
সংগঠিত হয় বলে জানলে তার পিছনে সলাত
আদায় করা যাবে না। কারণ বড় শিরক্ যার
দ্বারা হয় তিনি মুসলিম নন, যতক্ষণ না তিনি
তাওবাহ্ করেন এবং সেই কাজ চির দিনের
জন্য ছেরে দেন।
৩. বিদ’আতী ইমাম সলাতে বিদ’আত করে:
ইমাম সলাতের মধ্যে যদি বিদ’আত করেন,
তাহলে আল্লাহ্র দরবারে সেই সলাত কবুল
হবে না। যেমন জানাযার সলাতে ইমাম যদি
সূরা ফাতিহা না পড়েন তবে সলাত হবে না,
যেহেতু সূরা ফাতিহা পড়া রুকুন এবং কোন
রুকুন যদি ছুটে যায় তবে সেই সলাত
প্রত্যাখ্যাত।
আমরা অনেকেই বলে থাকি মাযহাবীদের
পিছনে সলাত হবে না, এই কথাটি এক অর্থে
সত্য আবার সত্যও নয়। কেনন এমন অনেক
হানাফি ইমাম আছেন যাদের আকীদাতে
কোন ত্রুটি নেই, কিন্তু কোন এক কারণে সে
নিজেকে মাযহাবী বলে থাকে, তবে এরূপ
ব্যক্তির পিছনে সলাত হবে।
আমাদের লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, ইমাম
শিরক্ করেন কি না এবং তিনি সলাতের
মধ্যে বিদ’আত করেন কিনা। যদি এরূপ খুঁজে
পাওয়া যায় তবে তার পিছনে সলাত হবে না।
অন্য কথায় যদি ইমাম এরূপ না করেন তবে তার
পিছনে সলাত আদায় করা যাবে। কেননা
জামাআতে সলাত আদায় করা ওয়াজীব।
আল্লাহ্ আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন,
সালাম ও দরূদ বর্ষিত হোক মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু’আলাইহী’ওয়াসাল্লাম এর উপর,
তার পরিবার এবং সাথীদের উপর।