বিদআত মুক্ত সুন্নাতের অনুসরণই সঠিক মহব্বত বা ভালবাসার পরিচায়ক।


“বিদ’আতমুক্ত সুন্নাতের অনুসরণ ই সঠিক
মহব্বত বা ভালবাসার পরিচায়ক”
Rasul
বিদ’আতকারীর রাসুলুল্লাহ ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ) এর
প্রতি মহব্বত বা ভালবাসার দাবী বাতুলতা বা প্রতারনা মাত্র।
একজনের মহব্বতের বা ভালবাসার দাবী করে
আরেক জনের অনুসরণ কিভাবে করা করা যায়। পরিপূর্ণ
অনুসরণ ই মহব্বতের বা ভালবাসার দাবী। একজন
আশেকে-রাসুল ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ) কখন ই
রাসুলুল্লাহ ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ) এর সুন্নাতের বাইরে
কোন কর্ম বা পদ্ধতির প্রতি আকৃষ্ট হতে পারে না, তা
যত ভালো ই হোক না কেন। যে জন যাহার প্রেমে
নিমজ্জিত হয়, সে জন তাহার বাধ্য হইবে নিশ্চয়।
¤¤¤ তিনটি কারণে বিদ’আত পরিত্যাগ করতে হবে।
(১) বিদ’আত যত ভালো ই বা যত নির্মল দেখাক তার
মধ্যে শয়তানের প্রবেশের পথ থাকে, কারণ তা
মানুষের আবিষ্কার, মানুষের উদ্ভাবন। আর সুন্নাতের
মধ্যে শয়তানের ধোঁকার কোনো সম্ভাবনা
থাকে না, কারণ তা রাসুলুল্লাহ ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ )-এর
প্রচলিত ও আচরিত। কাজেই, সকল প্রকার বিদ’আত
পরিত্যাগ করে শুধু মাত্র সুন্নাত মোতাবেক পালন করা
প্রয়োজন।
(২) সুন্নাতের মধ্যেই রয়েছে নিরাপত্তা; কারণ
যে ব্যক্তি কোনো আমল শুধু মাত্র সুন্নাত পরিমাণ
পালন করবে সে নিশ্চিত মনে আশা করতে পারবে
যে, সে একটি সাওয়াবের কাজ আঞ্জাম দিল।
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি কোনো বিদ’আতের
উপর আমল করল সে এই নিরাপত্তা পাবে না। তাঁর
কর্মটির পক্ষে বিপক্ষে কথা আছে।
(৩) বিদ’আত পরিহার করে শুধু সুন্নাত পরিমাণ আমল
করলে সুন্নাতকে জীবিত করার সাওয়াব পাওয়া যাবে,
যা বিদ’আত পালন করলে পাওয়া যাবে না, বরং বিদ’আত
পালন করলে সুন্নাত বিনষ্ট করার শাস্তি হবে, কারণ
বিদ’আত সুন্নাতকে বিনষ্ট করে।
¤¤ সুতরাং : যে কোনো বিদ’আত পালন করা মানে
রাসুলুল্লাহ ( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ) কে অপমান করা এবং
শয়তানের দলকে শক্তিশালী করার নামান্তর।

Advertisements