নারী যদি আকর্ষনীয় রূপে সেজে চলাফেরা করে তবে পুরুষের সমস্যা কোথায়???


অশ্লীল নারী ও সংস্কৃত

নারী যদি আকর্ষনীয় রূপে সেজে চলাফেরা করে তবে পুরুষের সমস্যা কোথায়???

বাংলাদেশে নারীবাদীদের ( রোকেয়া প্রাচী, সারা যাকের,মুন্নিসাহা,  সুলতানা কামাল, তানিয়া আমির) যদি প্রশ্ন করা হয়ঃ

 

– আপনাদের সামনে যদি এক বাটি তেঁতুল কেউ খুব স্বাদ করে খায় তাহলে কিআপনাদের জ্বি-বে জল আসবে?

 

এটা নিশ্চিত যে, নির্দ্বিধায় তারা উত্তর দিবে, ”জ্বিবে পানি কারনা আসবে!” অবশ্যই জ্বিবে পানি আসবে! জ্বীবে পানি আসাটাই তো স্বাভাবিক!

 

এর কারন কি? এটা কি তেঁতুলের দোষ নাকি প্রাকৃতিক বিষয়?

 

কারন এটি প্রাকৃতিক বিষয়! যারা জীবনে তেঁতুল খেয়েছে, তেঁতুলেরগুনাগুণ বা গল্প শুনেছে তাদের সামনে তেঁতুল বা কাঁচা আম বা এই ধরনের টক জাতীয় ফলখেলে অবশ্যই পানি আসবে! প্রাকৃতিক ভাবে ব্যতিক্রমী ব্যাতিত।

 

তেতুল দেখলে জ্বীবে পানি আসা যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে একজন নারী যদিআকর্ষনের নিমিত্তে আকর্ষনীয় রূপে সাজে আর নিজেকে প্রকাশ করে এবং পুরুষের জ্বীবেপানি আসে তাহলে সেটা কেন পুরুষের দোষ?

 

জ্বী! নারীবাদীগুলো বলতে চাচ্ছে তারা পুরুষদের নিকট নিজেদের সৌন্দর্যপ্রকাশ করবে, আঁকা-বাঁকা ভঙ্গিতে, অর্ধনগ্ন অবস্থায় পুরুষের সামনে দিয়ে চলা ফেরাকরবে, কিন্তুপুরুষরা আকর্ষন বোধ করতে পারবে না !

কিন্তু সত্যি কথা বলতে ঐ সমস্ত নারীরা বিভিন্ন কসমেটিক দিয়ে ঘষে-মেজেনিজেদেরকে পুরুষের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে চায়। তারা চায় পুরুষরা তাদের প্রতিআকর্ষিত হোক। তাদের রূপের প্রশংসা করুক। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই আকর্ষণ অতিমাত্রায় হয়ে গেলেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কিন্তু তারা হয়ত ধর্ষণ হতে চায় না। এটাঅনাকাঙ্ক্ষিত। কিন্তু এটাই বাস্তব, এটাই প্রাকৃতিক, এটাই বৈজ্ঞানিক।

আর এই বিষয়টা সবচেয়ে ভাল বলতে পারবেন যে বিজ্ঞানী তিনি হলেন আল্লাহ্‌সুবানাহুতায়ালা। আর এজন্যই তিনি এ অবক্ষয় ঠেকাতে কিছু সু-নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন বলেদিয়েছেন। কত মহান তিনি যে তিনি আমাদের আমদের কিছু বিধি-বিধান দিয়ে দিলেন যাতে আমরাএই অবক্ষয়কে ঠেকাতে পারি।

 

এই বিষয়টা আমাদের ভালভাবে বুঝে নিতে হবে যে-

ওরা কিন্তু সাজগোঁজ এবং নিজেদের শরীর প্রদর্শন করে পুরুষদের দেখানোরউদ্দেশ্যেই আর অন্য নারীর সামনে নিজের অহংকার বাড়ানর জন্য যে সবচেয়ে বেশি পুরুষকার দিকে তাকায় বেশি !!

যদিও একজন নারীর উচিৎ তাঁর স্বামীর জন্য সাজগোঁজ করা। স্বামীরসামনে   আপনি আপনার বিয়ে করে স্ত্রীকে যেকোন সেক্সি পোশাকে দেখতে ভালবাসেন তাকে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আপনি চাইলে তাকেইন্ডিয়ান মডেলদের পোশাকও কিতে দিতে পারেন। তবে আপনার স্ত্রী যেন ঐ পোশাক পরে অন্যকাউকে নিজের সৌন্দর্য না দেখায়। কেননা তার সৌন্দর্য একমাত্র আপনার জন্যই। সে যেপোশাকই পরিধান করুক না কেন তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আপনার স্ত্রী যদি শুধুবিকিনিও পরে তাতেও আমাদের কোন আপত্তি নেই। সে আপনার মন জয় করার জন্য আপনাকে বিনদোনদেয়ার জন্য যে কোন পোশাক পরতে পারে তাতে কারো কোন আপত্তি থাকবে না। আপনার স্ত্রীররূপ-সৌন্দর্য একমাত্র আপনার জন্য। সে তার রূপ-সৌন্দর্য অন্য কারো সামনে প্রদর্শনকরার অর্থ কি?

 

এছাড়া বর্তমানে রাস্তা-ঘাটে, বিভিন্ন পার্কে,গার্ডেনে,বীচে,বিভিন্নদর্শনীয় স্থানে দেখা যায় অসংখ্য জোড়ায়-জোড়ায় তরুন-তরুনী প্রকাশ্যে অনৈতিককার্যকলাপ লিপ্ত রয়েছে।  এরা সবাইস্বামী-স্ত্রীর মত খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এই সমস্ত পার্ক/লেক গুলো কি এজন্যইদেয়া হয়েছে?

এই উশৃঙ্খল, অসভ্য, পশু স্বভাবতরুন-তরুনীদের সম্পর্কে ঐ সমস্ত নারীবাদীরা বলে এটা মিউচুয়াল রিলেশান। কিন্তু এরপরিণাম কি তা কি একটু ভেবে দেখেছে ঐ সমস্ত নারীবাদীরা। এমনটা চলতে থাকে আমাদের দেশপশ্চিমাদের মত নোংরামিতে ভরে যাবে। একটা সতী নারীও থাকবে না। এদের কু-কর্ম ওনোংরামির ফলেই জন্ম নেয় পথশিশু, টোকাই। কেননা এরা এদের কু-কর্ম লুকাতে এদের পেটেজন্ম নেয়া সন্তানকে রাস্তায় ফেলে দেয়। এবং ঐ সমস্ত নিষ্পাপ শিশু গুলোই পরবর্তীতে পথশিশু/টোকাইহিসেবে অবহেলাই লালিত হতে থাকে। এখন আপনারাই বলুন এই নিষ্পাপ শিশুটি কি অপরাধ করেছিল যে তাকে এত কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। পরবর্তীতেক্ষুধার যন্ত্রণায় সে হবে চোর, সে হবে সন্ত্রাসী। সমাজের প্রতি তার থাকবে তীব্রক্ষোভ। এর জন্য কে দায়ী?

এটা তো কেবল নারী-পুরুষ অবাধ মেলা-মেশা জনিত একটা সমস্যা উল্লেখকরলাম। এছাড়া আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এই পোষ্টটি এই বিষয়ের উপর নয়।পরবর্তীতে এই বিষয়ের উপর লিখব ইনশাল্লাহ।

 

 

 

আমাদের ভালো করে মনে রাখতে হবে।

ইসলামে গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড বলতে কিছু নেই। বিবাহপূর্ব প্রেমসম্পূর্ণ হারাম।

যদি বিবাহপূর্ব প্রেম-ভালবাসায় কোন কল্যাণ থাকত তবে মহান আল্লাহ্‌এটা আমাদের জন্য হারাম করতেন না। যদি এটাতে কোন কল্যাণ, অকল্যাণ কিছুই না থাকততখনও মহান আল্লাহ্‌ এটা আমাদের জন্য হারাম করতেন না। কিন্তু বস্তুত এতে রয়েছে চরমঅকল্যাণ, শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই নয় সামাজিক পর্যায়েও রয়েছে চরম অকল্যাণ তাই আমাদেরদয়ালু পালনকর্তা এটাকে সম্পূর্ণ হারাম করে দিয়েছেন।

মহান আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ “তোমাদের কাছে হয়তোকোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচতা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আরহয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যেঅকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।(সুরা বাকারাঃ ২১৬)

 

আর এইক্ষতি থেকে বাঁচতেই আল্লাহ্‌ কিছু বিধান দিয়ে দিয়েছেন।

“তোমরাঅনুসরণ কর,  যাতোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যসাথীদের অনুসরণ করো না।  আরতোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে থাক। (সুরা আ’রাফঃ ৩-৪)

 

মহান আল্লাহ্‌ আদেশ দিয়েছেনঃ “যদি তোমরাআল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তিকু-বাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে। তোমরাগৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে। মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না।নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। আল্লাহকেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্ররাখতে। (সুরা আল আহযাবঃ ৩২-৩৩)

 

““ঈমানদার পুরুষদেরকেবলুন, তারাযেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে”। (সুরা আন নুরঃ ৩০)

“ঈমানদারনারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে।তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবংতারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী,পিতা,শ্বশুর,পুত্র,স্বামীরপুত্র, ভ্রাতা,ভ্রাতুস্পুত্র,ভগ্নিপুত্র,স্ত্রীলোকঅধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদেরগোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশনা করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা নাকরে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরাসফলকাম হও। (সুরা আন নুরঃ ৩১)

 

আর যদি আপনার স্ত্রীর/কন্যার/বোনের একান্ত কোন প্রয়োজনে বাইরে বের হতেইতবে ইসলাম এর অনুমোদন করে। কারন মানুষের প্রয়োজন থাকতেই পারে। কিন্তু নারী-পুরুষমেলা মেশা ইসলাম কখনোই অনুমোদন করে না, যতই প্রয়োজন হোক না কেন।

 

এর সমাধান আল্লাহ্‌সুবহানাহূতায়ালা বলে দিয়েছেনঃ

“হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকেবলুন, তারাযেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলেতাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সুরা আল আহজাবঃ ৫৯)

 

সামগ্রিকভাবে নারীরা কখনোই পুরুষের সমকক্ষ হবে না, আবার পুরুষেরাও কখনোইনারীর সমকক্ষ হবে না এটাই প্রাকৃতিক। সৃষ্টিগত ভাবেই এটা এরকম!

আল্লাহ্‌ এভাবেই আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

এই প্রাকৃতিক নীতিকে তারা উল্টে দিতে চায়।

 

মুমিন নারীরা যদি এই নিয়ম সমূহ মেনে চলে এবং মুমিন পুরুষেরাও যদিতাদের দৃষ্টিকে অবনিমীত রাখে তবে কি দেশ তালেবানি রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যাবে?

মুমিন নারীরা যদি এই নিয়ম সমূহ মেনে চলার পরেও যদি কোন লম্পট কোননারীকে ধর্ষণ করে তবে ইসলামী শারিয়াহ অনুযায়ী ঐ লম্পটকে পাথর মেরে হত্যা কর্তাহবে। এই আইন যদি দেশে বাস্তবায়িত করা হয়ে তবে কি দেশে ধর্ষণের হার কমবে নাকি দেশ তালেবানিরাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যাবে?

যে সমস্ত আরবদেশ গুলোতে এই ইসলামী শারিয়াহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে সেসমস্ত দেশের  হিসেব করে দেখুনতো তাদের ধর্ষণের হার কেমন?

 

কিছু মানুষমানবাধিকারের কথা বলে। তারা বলে এই হত্যা নাকি খুব নির্মম। তারা আরো বলে সামান্যধর্ষণের কারনে মৃত্যুদন্ড! আমি বলব তারা আসলে ভণ্ড। যদি ইসলামী আইনে শাস্তি দিয়ে হত্যাকরা বর্বর হয় তাহলে ভারতের নারীরা আজ রাস্তায় নেমেছে কেন ধর্ষকের ফাঁসীর দাবিতে?

ইসলাম পন্থিরা যখন উচিত কথা বলে তখনই তাদের শরীরে জ্বালাতন শুরু হয়।

 

আসলে ইসলামেই রয়েছে শান্তি। এই বিধি-বিধান অন অনুসরণেই শান্তিপ্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদেরকে বুঝতে হবে ইসলাম অর্থই হল শান্তি। এটা বর্বর নয়, এটাতালেবানি নয় এটাই শান্তির জীবন বিধান। তবে এর পিছনে কিছু লোক লেগে থাকবেই। কেয়ামতপর্যন্ত এরকমই হবে।

ইসলামেই আল্লাহ্‌ শান্তি নিহিত রেখেছেন। শান্তি আল্লাহ্‌ রেখেছেন কষ্টকরে ভোরে উঠে ফজরের সালাতে, শান্তি আল্লাহ্‌ রেখেছেন সারাদিন না খেয়ে নাপান করে সিয়াম পালনে, শান্তি রেখেছেন নিজের দেহকে ঢেকে রাখার মধ্যে, শান্তি রেখেছেন নিজের দৃষ্টিকে অবনিমিত করার মধ্যে, শান্তি রেখেছেন নিজ সম্পদ থেকে যাকাত বের করারমধ্যে, শান্তিরেখেছেন নিজ পকেটের টাকা গরিবের মাঝে বিলিয়ে গরিবের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করাতে।

 

মুলঃ Fazlay Rabby

Share করুন :

Like this:

অশ্লীল নারী ও সংস্কৃতি

বিক্রয়ের জন্য নহে! [ Not for sale ! ! ! ]

এক ক্যানাডিয়ান নওমুসলিমা ছাত্রী আয়শা (নতুন নাম)- বয়স ১৯, অত্যান্ত সুন্দরী, সৌন্দর্য নিয়ে পড়াশোনা করছে। আমার কাছে আরবী পড়া শেখার পাশাপাশি ইসলাম সম্পর্কে কিছু কিছু তথ্য জেনে নেয়।

ওর সাথে পরিচয় এই রামাদানে। সেদিন ইফতার পার্টি ছিল, রাতে কিয়ামুল লাইল। ইফতারের পর আমরা পাশাপাশি নামাজে দাড়ালাম। সামনে, পেছনে, পাশে এত মহিলা এবং বাচ্চারা গিজ গিজ করছে যে নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা যুদ্ধসম কঠিন ব্যাপার। লক্ষ্য করলাম এর মাঝেই সে একমনে স্রষ্টার সাথে বাক্যালাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এই ময়দানের মধ্যে সে যেন একাই দাঁড়িয়ে! জানতে পারলাম পাঁচ ওয়াক্তের পাশাপাশি সে এমন অনেক এক্সট্রা নামাজ পড়ে যার নামও অনেক জন্মগত মুসলিমের অজানা।

ইসলামের প্রতি ওর আগ্রহ আমাকে চমৎকৃত করল। সে ইসলাম গ্রহণ করেছে দু’বছর। কিন্তু সে ইসলামকে গ্রহণ করেছে আন্তরিকভাবে, ফলে সে এর সবটুকুই পালন করার জন্য আগ্রহী এবং যত্নশীল। দেখলাম সে এর মাঝেই ভারী সুন্দর বোরকা এবং স্কার্ফের কালেকশন করে নিয়েছে। ওর পোশাক আশাক থেকে সবকিছুতে রুচিশীলতার বহিঃপ্রকাশ। তবে এর সবটুকুই ইসলামের দৃষ্টিতে যতটুকু গ্রহণযোগ্য সে বিবেচনা মাথায় রেখে। যেমন যেখানে ক্যানাডায় নেইল পলিশ ছাড়া কোন স্টাইলিশ মেয়ের দেখা পাওয়া অস্বাভাবিক, ওর হাতে পায়ে কোথাও নেইল পলিশ নেই। স্কার্ফ বা ওড়না যখন যাই পরে কোনটিতেই একটি চুলও কোনদিন বেরিয়ে থাকতে দেখিনি।

 

রাতে কুর’আনের আলোচনার সময় বাংলায় আলোচনা হওয়ায় বেচারী বুঝতে পারছিলোনা। আমি তখন ওর আগ্রহ দেখে কিছু অংশ মুখে এবং কিছু অংশ লিখে বুঝিয়ে দিতে লাগলাম। সে কৃতজ্ঞচিত্তে সব শুষে নিতে লাগল এবং মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে সঠিকভাবে বুঝে নিল। যখন আলোচনা শেষে নামাজ শুরু হবে সে এসে আমাকে বলল, “আমি কি আপনার পাশে দাঁড়াতে পারি? তাহলে আমি আপনাকে দেখে আমার posture গুলো ঠিক হচ্ছে কি’না ঠিক করে নিতে পারব”।

আমি তো হতবাক! অনেক সময় অনেক আত্মীয় বন্ধুবান্ধবকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিশেষ করে রুকু এবং সিজদায় posture এর ভুলের ব্যাপারে বলতে গিয়ে তাদের বিরাগভাজন হয়েছি। আর সে কি’না বলে নামাজ সঠিকভাবে পড়ার জন্য posture ঝালাই করে নেবে! ওর আগ্রহ আবারও আমাকে চমৎকৃত করল।

এর পর থেকে কুর’আনের লিঙ্ক নেয়া থেকে শুরু করে ভ্রূ তোলার মাসয়ালা পর্যন্ত নানান বিষয়ে ওর সাথে আলাপ হয়েছে। ভাল লেগেছে যে সে কোন বিষয়ে জানার সাথে সাথে তাকে গ্রহণ করেছে, কুতর্কের আশ্রয় নেয়নি। অথচ এতটা স্বতঃস্ফুর্তভাবে ইসলামের সকল হুকুম আহকামকে আঁকড়ে ধরার আগ্রহ আমি অনেক ইসলাম জানা মানুষের মাঝেও দেখিনি!

ক’দিন আগে নতুন করে ওর ইসলামের বোধ এবং অনুভূতির পরিচয় পেয়ে আবারও মুগ্ধ হলাম। ক্যানাডার একটি বৃহৎ ফ্যাশন হাউজ একটি ফ্যাশন শোর আয়োজন করছে। একপর্বে সমাপ্য শোটিতে মডেলিং করার জন্য ওকে ৪০,০০০ ক্যানাডিয়ান ডলার অফার করা হয়। সে স্রেফ না করে দেয় এই বলে, ”আমার ধর্ম আমাকে নিজেকে পুঁজি করার অনুমতি দেয়না”। শুনে এত ভাল লাগল! মনে হল এই মেয়েটি খানিকটা দেরীতে ইসলামকে খুঁজে পেয়েছে, কিন্তু সেই তো পেয়েছে এর আসল আস্বাদ! দোকানে, লাইব্রেরীতে, মসজিদে ওর মত এমন আরো অনেক নওমুসলিমা বোনকে দেখে পুলকিত হই, আশা জাগে আগামী দিনে ইসলামের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যত নিয়ে।

আবার ভয় হয় আমরা যারা জন্মগতভাবে একে পেয়েও হেলায় হারিয়েছি তারা বুঝি আবার অপ্রয়োজনীয় এবং অপাংক্তেয় হয়ে পড়ি!

*****************

ফ্রান্সে একজন মহিলা, যিনি কিনা ইসলামী পোশাকের বিধান মেনে হিজাব-নিকাব পরেছিলেন, একটা সুপারমার্কেটে গেলেন। তিনি কিছু জিনিস নিয়ে কাউন্টারে সেগুলো চেক করিয়ে মূল্য পরিশোধের জন্য গেলেন। কাউন্টারে ক্যাশিয়ার হিসেবে একজন মুসলিম মহিলা বসা ছিলেন। যা হোক, ক্যাশিয়ার মহিলাটি কিন্তু খুব স্বাভাবিক পোশাক পরেছিলেন আর তার চুলও ছিল খোলা এবং চেহারায় অনেক সাঁজ-গোছ করা ছিল। স্বাভাবিকভাবেই ক্যাশিয়ার মহিলাটি নিকাব পরা মহিলাটিকে দেখে একটু বিব্রতবোধ করলেন, আর তার নিয়ে আসা জিনিসগুলো তাচ্ছিল্যভরে চেক করতে লাগলেন।
কয়েক মিনিট পর, ক্যাশিয়ার মহিলাটি নিকাব পরা মহিলার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ কেন আপনি এখানে আসলেন? আপনি যদি নিকাব পরতেই চান, তো নিজের দেশে গিয়ে নিজের ঘরে বসেই তো ধর্ম কর্ম করতে পারতেন। আমরা তো ফ্রান্সে এসেছি আমাদের নিজেদের উন্নতির জন্য।
নিকাব পরা ভদ্র মহিলাটি খুব শান্তভাবে তার নিকাবটি খুলে ক্যাশিয়ার মহিলার সামনে তার চেহারা উন্মুক্ত করলেন। ক্যাশিয়ার মহিলাটি তখন হতভম্ব হয়ে গেলেন ! তিনি দেখলেন বাদামী চামড়া ও রঙ্গীন চোখ বিশিষ্ট এক মহিলাকে। জী হ্যাঁ তিনি ফ্রান্সেরই অধিবাসীনী।
নিকাব পরা মহিলাটি তখন ক্যাশিয়ার মহিলাটিকে বললেনঃ তোমরা এখানে এসছো নিজদের ধর্ম বিক্রি করতে , আর আমরা তা ক্রয় করে নিচ্ছি!
দুইটা পথ! 
রঙ্গিন আর সাদাকালো 
মাসুমার সামনে দুইটা পথ.. 
ও বেছে নিতে পারে এমন একটা জীবন যেখানে হাসি-ঠাট্টা-গান আছে, আড্ডা-বন্ধুবান্ধব-মজা আছে! 
অথবা এমন একটা জীবন যেখানে ছেলেমেয়ে একসাথে গল্প করাও নিষিদ্ধ! 

মাসুমা ঢাকা ইউনিভার্সিটির মেয়ে। কয় মাস হলো স্কার্ফ পড়া শুরু করেছে, এক বড় আপুর দেখাদেখি। সেই আপুটা কী সুন্দর করে কথা বলে! ইসলাম মেনে চলতে চায়। তাঁর দেখাদেখি মাসুমাও একদিন স্কার্ফ পরলো। ব্যাস তারপর থেকে চলছে। 

কিন্তু সেই রঙ্গিন লাইফটা মাসুমাকে খুব টানে। জীবন নিয়ে এতো সিরিয়াস হয়ে কি হবে মাঝে মাঝে ও বুঝতে পারে না! এই যে মৃত্যু-জান্নাত-জাহান্নাম এসব কথা এতো ভাবার দরকার টা কি??? 

নববর্ষ গেলো, ইসলাম মানতে গেলে তো নববর্ষের অনুষ্ঠানটা তেও যাওয়া যাবে না, উহহ অসহ্য, মনে মনেই ভাবে মাসুমা! 
মাসুমার খুব শখ শাড়ি পরে হাতে চুড়ি দিয়ে বেড়াতে যাবে…। 
বোরকা পরলে কি এসব সম্ভব? তাই ও এখনো বোরকা পরছে না। আস্তে আস্তে ভেবে দেখবে একসময়… 

মাসুমার মত এমন হাজারো মুসলিমাহ আছে। তারা ডাইলেমায় ভুগছে! দ্বিধা! আইডেন্টিটি ক্রাইসিস! কোন পথ নিব-? এই পথ নাকি ঐ পথ?? তারা ইসলামও মানতে চায়, আবার যারা ইসলাম মানে না, তাদের মতোও হতে চায়!!! দুই নৌকায় একসাথে পা দেয়া তো সম্ভব না! ইসলাম নিলে যে ওটা ছাড়তেই হবে… 

হে আমার মুসলিম বোন, 
পথ একটাই- আমাদেরকে মরতে হবে। তোমার কাছে এই দুনিয়ার রং-চং এতো রঙ্গিন লাগে! চিন্তা করো তো, জান্নাতে আল্লাহ কতো রঙ রেখেছেন! 

আরেহ আপু, জান্নাতে তো তোমাকে বানানো হবে চিরকুমারী। হুরদের কথা শুনেছ? মায়াকাড়া ডাগর চোখ, অপরূপ চেহারা! কোন পুরুষ একবার তাদের দিকে তাকালে আর চোখ ফেরাতে পারে না! 
আপু, আল্লাহ তোমাকে তারচেয়েও সুন্দরি বানাবে! 

এই পৃথিবী টা খুব অল্পদিনের রে বোন খুব অল্প! তুমি এর মায়ায় আটকে যাও!? একটু কষ্ট করো আপু, বৃথা যাবে না। আল্লাহর রাহে তোমার একটা বিন্দু কষ্ট কেয়ামতের দিন রহমতের বারিধারা হয়ে তোমার উপর ঝরে পড়বে! 

বোন আমার! 
এই হাসি-আড্ডা-গানে জীবনটা ভাসিয়ে দেয়া বোকামি… শয়তানের ওয়াদা মনে নেই তোমার? সে তাঁর ষড়যন্ত্রের কথা কতো আগেই ফাঁস করে দিয়েছে! হায়রে আপু, তুমি তার ধোঁকায় পাড়া দিবে?? তোমার কি বিবেক-বুদ্ধি নাই? আত্মসম্মান নাই? আপু, তুমি যে বয়ফ্রেন্ডের জন্য এতো কষ্ট সহ্য করো, সে আখিরাতে তোমার কি উপকারে আসবে? সে তো এখনই তোমাকে কতো কষ্ট দেয়! 

আপু, তোমার স্বামীর কথা শুনে তুমি হিজাব খুলে ফেলো, তোমার এই স্বামী সেদিন কি সাহায্য করতে আসবে, যেদিন তোমার ত্বক জাহান্নামের আগুনে ঝলসে যাবে? 

ভয় করো আপু, ভয় করো! 
এ দুনিয়ার জীবন কয়দিনের? আখিরাতের জীবন আরো দীর্ঘ, আরো দীর্ঘ!! 

কে বলেছে, ইসলাম মানতে চাইলে সুখ নেই? 
আল্লাহর সামনে মাথাটা ঠুকে দেখো কতো শান্তি! আর কেউ না শুনুক, আল্লাহ তোমার সব কথাই শুনে। আল্লাহ তোমার অনুশোচনার অপেক্ষা করছে, একটা বার ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করে দিবে! আল্লাহ তোমাকে সম্মান দিয়েছে বোন। হিজাব তোমার সম্মান! কঠিন লাগুক, আল্লাহর জন্য, শুধু আল্লাহর জন্য একটা বার ইসলামের পথে চলে দেখো, দেখবে শান্তি-ই শান্তি! 

আনন্দ-হাসি-মজা সব পাবে ইনশা আল্লাহ। এই আমি, তোমার মুসলিম বোন তোমাকে কথা দিচ্ছি। আল্লাহর বন্ধু হও রে আপু, শয়তানের চামচা হয়ো না! জান্নাত তোমার জন্য অপেক্ষা করছে…!!! কেন তুমি জাহান্নামকে নিজের বসতি বানিয়ে নিবে?

(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)

 

By Fazlay Rabby

Share করুন :

Like this:

নারী যদি আকর্ষনীয় রূপে সেজে চলাফেরা করে তবে পুরুষের সমস্যা কোথায়???

বাংলাদেশে নারীবাদীদের ( রোকেয়া প্রাচী, সারা যাকের,মুন্নিসাহা,  সুলতানা কামাল, তানিয়া আমির) যদি প্রশ্ন করা হয়ঃ

 

– আপনাদের সামনে যদি এক বাটি তেঁতুল কেউ খুব স্বাদ করে খায় তাহলে কিআপনাদের জ্বি-বে জল আসবে?

 

এটা নিশ্চিত যে, নির্দ্বিধায় তারা উত্তর দিবে, ”জ্বিবে পানি কারনা আসবে!” অবশ্যই জ্বিবে পানি আসবে! জ্বীবে পানি আসাটাই তো স্বাভাবিক!

 

এর কারন কি? এটা কি তেঁতুলের দোষ নাকি প্রাকৃতিক বিষয়?

 

কারন এটি প্রাকৃতিক বিষয়! যারা জীবনে তেঁতুল খেয়েছে, তেঁতুলেরগুনাগুণ বা গল্প শুনেছে তাদের সামনে তেঁতুল বা কাঁচা আম বা এই ধরনের টক জাতীয় ফলখেলে অবশ্যই পানি আসবে! প্রাকৃতিক ভাবে ব্যতিক্রমী ব্যাতিত।

 

তেতুল দেখলে জ্বীবে পানি আসা যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে একজন নারী যদিআকর্ষনের নিমিত্তে আকর্ষনীয় রূপে সাজে আর নিজেকে প্রকাশ করে এবং পুরুষের জ্বীবেপানি আসে তাহলে সেটা কেন পুরুষের দোষ?

 

জ্বী! নারীবাদীগুলো বলতে চাচ্ছে তারা পুরুষদের নিকট নিজেদের সৌন্দর্যপ্রকাশ করবে, আঁকা-বাঁকা ভঙ্গিতে, অর্ধনগ্ন অবস্থায় পুরুষের সামনে দিয়ে চলা ফেরাকরবে, কিন্তুপুরুষরা আকর্ষন বোধ করতে পারবে না !

কিন্তু সত্যি কথা বলতে ঐ সমস্ত নারীরা বিভিন্ন কসমেটিক দিয়ে ঘষে-মেজেনিজেদেরকে পুরুষের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে চায়। তারা চায় পুরুষরা তাদের প্রতিআকর্ষিত হোক। তাদের রূপের প্রশংসা করুক। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই আকর্ষণ অতিমাত্রায় হয়ে গেলেই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কিন্তু তারা হয়ত ধর্ষণ হতে চায় না। এটাঅনাকাঙ্ক্ষিত। কিন্তু এটাই বাস্তব, এটাই প্রাকৃতিক, এটাই বৈজ্ঞানিক।

আর এই বিষয়টা সবচেয়ে ভাল বলতে পারবেন যে বিজ্ঞানী তিনি হলেন আল্লাহ্‌সুবানাহুতায়ালা। আর এজন্যই তিনি এ অবক্ষয় ঠেকাতে কিছু সু-নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন বলেদিয়েছেন। কত মহান তিনি যে তিনি আমাদের আমদের কিছু বিধি-বিধান দিয়ে দিলেন যাতে আমরাএই অবক্ষয়কে ঠেকাতে পারি।

 

এই বিষয়টা আমাদের ভালভাবে বুঝে নিতে হবে যে-

ওরা কিন্তু সাজগোঁজ এবং নিজেদের শরীর প্রদর্শন করে পুরুষদের দেখানোরউদ্দেশ্যেই আর অন্য নারীর সামনে নিজের অহংকার বাড়ানর জন্য যে সবচেয়ে বেশি পুরুষকার দিকে তাকায় বেশি !!

যদিও একজন নারীর উচিৎ তাঁর স্বামীর জন্য সাজগোঁজ করা। স্বামীরসামনে   আপনি আপনার বিয়ে করে স্ত্রীকে যেকোন সেক্সি পোশাকে দেখতে ভালবাসেন তাকে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আপনি চাইলে তাকেইন্ডিয়ান মডেলদের পোশাকও কিতে দিতে পারেন। তবে আপনার স্ত্রী যেন ঐ পোশাক পরে অন্যকাউকে নিজের সৌন্দর্য না দেখায়। কেননা তার সৌন্দর্য একমাত্র আপনার জন্যই। সে যেপোশাকই পরিধান করুক না কেন তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। আপনার স্ত্রী যদি শুধুবিকিনিও পরে তাতেও আমাদের কোন আপত্তি নেই। সে আপনার মন জয় করার জন্য আপনাকে বিনদোনদেয়ার জন্য যে কোন পোশাক পরতে পারে তাতে কারো কোন আপত্তি থাকবে না। আপনার স্ত্রীররূপ-সৌন্দর্য একমাত্র আপনার জন্য। সে তার রূপ-সৌন্দর্য অন্য কারো সামনে প্রদর্শনকরার অর্থ কি?

 

এছাড়া বর্তমানে রাস্তা-ঘাটে, বিভিন্ন পার্কে,গার্ডেনে,বীচে,বিভিন্নদর্শনীয় স্থানে দেখা যায় অসংখ্য জোড়ায়-জোড়ায় তরুন-তরুনী প্রকাশ্যে অনৈতিককার্যকলাপ লিপ্ত রয়েছে।  এরা সবাইস্বামী-স্ত্রীর মত খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এই সমস্ত পার্ক/লেক গুলো কি এজন্যইদেয়া হয়েছে?

এই উশৃঙ্খল, অসভ্য, পশু স্বভাবতরুন-তরুনীদের সম্পর্কে ঐ সমস্ত নারীবাদীরা বলে এটা মিউচুয়াল রিলেশান। কিন্তু এরপরিণাম কি তা কি একটু ভেবে দেখেছে ঐ সমস্ত নারীবাদীরা। এমনটা চলতে থাকে আমাদের দেশপশ্চিমাদের মত নোংরামিতে ভরে যাবে। একটা সতী নারীও থাকবে না। এদের কু-কর্ম ওনোংরামির ফলেই জন্ম নেয় পথশিশু, টোকাই। কেননা এরা এদের কু-কর্ম লুকাতে এদের পেটেজন্ম নেয়া সন্তানকে রাস্তায় ফেলে দেয়। এবং ঐ সমস্ত নিষ্পাপ শিশু গুলোই পরবর্তীতে পথশিশু/টোকাইহিসেবে অবহেলাই লালিত হতে থাকে। এখন আপনারাই বলুন এই নিষ্পাপ শিশুটি কি অপরাধ করেছিল যে তাকে এত কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। পরবর্তীতেক্ষুধার যন্ত্রণায় সে হবে চোর, সে হবে সন্ত্রাসী। সমাজের প্রতি তার থাকবে তীব্রক্ষোভ। এর জন্য কে দায়ী?

এটা তো কেবল নারী-পুরুষ অবাধ মেলা-মেশা জনিত একটা সমস্যা উল্লেখকরলাম। এছাড়া আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এই পোষ্টটি এই বিষয়ের উপর নয়।পরবর্তীতে এই বিষয়ের উপর লিখব ইনশাল্লাহ।

 

 

 

আমাদের ভালো করে মনে রাখতে হবে।

ইসলামে গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড বলতে কিছু নেই। বিবাহপূর্ব প্রেমসম্পূর্ণ হারাম।

যদি বিবাহপূর্ব প্রেম-ভালবাসায় কোন কল্যাণ থাকত তবে মহান আল্লাহ্‌এটা আমাদের জন্য হারাম করতেন না। যদি এটাতে কোন কল্যাণ, অকল্যাণ কিছুই না থাকততখনও মহান আল্লাহ্‌ এটা আমাদের জন্য হারাম করতেন না। কিন্তু বস্তুত এতে রয়েছে চরমঅকল্যাণ, শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই নয় সামাজিক পর্যায়েও রয়েছে চরম অকল্যাণ তাই আমাদেরদয়ালু পালনকর্তা এটাকে সম্পূর্ণ হারাম করে দিয়েছেন।

মহান আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ “তোমাদের কাছে হয়তোকোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচতা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আরহয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যেঅকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না।(সুরা বাকারাঃ ২১৬)

 

আর এইক্ষতি থেকে বাঁচতেই আল্লাহ্‌ কিছু বিধান দিয়ে দিয়েছেন।

“তোমরাঅনুসরণ কর,  যাতোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যসাথীদের অনুসরণ করো না।  আরতোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ করে থাক। (সুরা আ’রাফঃ ৩-৪)

 

মহান আল্লাহ্‌ আদেশ দিয়েছেনঃ “যদি তোমরাআল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তিকু-বাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে। তোমরাগৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে। মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না।নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। আল্লাহকেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্ররাখতে। (সুরা আল আহযাবঃ ৩২-৩৩)

 

““ঈমানদার পুরুষদেরকেবলুন, তারাযেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে”। (সুরা আন নুরঃ ৩০)

“ঈমানদারনারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে।তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবংতারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী,পিতা,শ্বশুর,পুত্র,স্বামীরপুত্র, ভ্রাতা,ভ্রাতুস্পুত্র,ভগ্নিপুত্র,স্ত্রীলোকঅধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদেরগোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশনা করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা নাকরে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরাসফলকাম হও। (সুরা আন নুরঃ ৩১)

 

আর যদি আপনার স্ত্রীর/কন্যার/বোনের একান্ত কোন প্রয়োজনে বাইরে বের হতেইতবে ইসলাম এর অনুমোদন করে। কারন মানুষের প্রয়োজন থাকতেই পারে। কিন্তু নারী-পুরুষমেলা মেশা ইসলাম কখনোই অনুমোদন করে না, যতই প্রয়োজন হোক না কেন।

 

এর সমাধান আল্লাহ্‌সুবহানাহূতায়ালা বলে দিয়েছেনঃ

“হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকেবলুন, তারাযেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলেতাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সুরা আল আহজাবঃ ৫৯)

 

সামগ্রিকভাবে নারীরা কখনোই পুরুষের সমকক্ষ হবে না, আবার পুরুষেরাও কখনোইনারীর সমকক্ষ হবে না এটাই প্রাকৃতিক। সৃষ্টিগত ভাবেই এটা এরকম!

আল্লাহ্‌ এভাবেই আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

এই প্রাকৃতিক নীতিকে তারা উল্টে দিতে চায়।

 

মুমিন নারীরা যদি এই নিয়ম সমূহ মেনে চলে এবং মুমিন পুরুষেরাও যদিতাদের দৃষ্টিকে অবনিমীত রাখে তবে কি দেশ তালেবানি রাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যাবে?

মুমিন নারীরা যদি এই নিয়ম সমূহ মেনে চলার পরেও যদি কোন লম্পট কোননারীকে ধর্ষণ করে তবে ইসলামী শারিয়াহ অনুযায়ী ঐ লম্পটকে পাথর মেরে হত্যা কর্তাহবে। এই আইন যদি দেশে বাস্তবায়িত করা হয়ে তবে কি দেশে ধর্ষণের হার কমবে নাকি দেশ তালেবানিরাষ্ট্রে পরিণত হয়ে যাবে?

যে সমস্ত আরবদেশ গুলোতে এই ইসলামী শারিয়াহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে সেসমস্ত দেশের  হিসেব করে দেখুনতো তাদের ধর্ষণের হার কেমন?

 

কিছু মানুষমানবাধিকারের কথা বলে। তারা বলে এই হত্যা নাকি খুব নির্মম। তারা আরো বলে সামান্যধর্ষণের কারনে মৃত্যুদন্ড! আমি বলব তারা আসলে ভণ্ড। যদি ইসলামী আইনে শাস্তি দিয়ে হত্যাকরা বর্বর হয় তাহলে ভারতের নারীরা আজ রাস্তায় নেমেছে কেন ধর্ষকের ফাঁসীর দাবিতে?

ইসলাম পন্থিরা যখন উচিত কথা বলে তখনই তাদের শরীরে জ্বালাতন শুরু হয়।

 

আসলে ইসলামেই রয়েছে শান্তি। এই বিধি-বিধান অন অনুসরণেই শান্তিপ্রতিষ্ঠিত হবে। আমাদেরকে বুঝতে হবে ইসলাম অর্থই হল শান্তি। এটা বর্বর নয়, এটাতালেবানি নয় এটাই শান্তির জীবন বিধান। তবে এর পিছনে কিছু লোক লেগে থাকবেই। কেয়ামতপর্যন্ত এরকমই হবে।

ইসলামেই আল্লাহ্‌ শান্তি নিহিত রেখেছেন। শান্তি আল্লাহ্‌ রেখেছেন কষ্টকরে ভোরে উঠে ফজরের সালাতে, শান্তি আল্লাহ্‌ রেখেছেন সারাদিন না খেয়ে নাপান করে সিয়াম পালনে, শান্তি রেখেছেন নিজের দেহকে ঢেকে রাখার মধ্যে, শান্তি রেখেছেন নিজের দৃষ্টিকে অবনিমিত করার মধ্যে, শান্তি রেখেছেন নিজ সম্পদ থেকে যাকাত বের করারমধ্যে, শান্তিরেখেছেন নিজ পকেটের টাকা গরিবের মাঝে বিলিয়ে গরিবের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করাতে।

 

মুলঃ Fazlay Rabby

Share করুন :

Like this:

যে সমস্ত নারীরা আল্লাহ্‌র দেয়া নিয়ামত রূপ-সৌন্দর্যকে অবজ্ঞা করে তাদের দেহ প্রদর্শন করতেই থাকে তাদের প্রতি বিনীত আবেদন. . . . .

 

 

মেয়েটা যে রূপবতী,
এটা নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। দেশের নামকরা ভার্সিটিতে হিস্ট্রিতে অনার্স করছে সে। থার্ড ইয়ার। সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে রূপের চমক দেখিয়ে সবাইকে পেছনে ফেলে প্রথম হয়ে গেল সে! সেই সুবাধে মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লো তার সুনাম! কয়েকটা নাটক-সিনেমায় অভিনয়ও করে ফেললো! অবশ্য অভিনয়ে চান্স পাওয়ার জন্য তার সুন্দর শরীরটাকে কয়েকটা পশুর ভোগবস্তু বানাতে হল। কিন্তু তবুও সে হ্যাপি! তার বিশ্বাস এই শরীরটা কিছুদিনের মধ্যেই তাকে বিখ্যাত করে তুলবে! কিন্তু তার কপাল খারাপ! সেদিন রাতে বাসায় ফেরার পথে খুন হলো সে! বাবা-মা ও আত্নীয় স্বজনদের চোখের পানি ঝরিয়ে মাটির নিচে জায়গা হলো তার।
তিনদিন পর তদন্তের স্বার্থে তার লাশটা কবর থেকে উঠানো হল।
কিন্তু একি! তার লাশটা উঠানোর পর উপস্থিত কয়েকজন বমি করে দিলো! এমনকি তার জন্মদাতা মা-বাবাও লাশের দুর্গন্ধে নাকে রুমাল চাপা দিলো!
যে আবেদনময়ী শরীরটা দেখার জন্য হাজার হাজার চোখ পলকহীন চেয়ে থাকতো, সেই শরীরটার একি অবস্থা! অথচ এই শরীরটার জন্যই সে বিখ্যাত হওয়ার স্বপ্ন দেখতো! তাই বুঝি তার বিখ্যাত শরীরটা সবাইকে দুর্গন্ধ বিলিয়ে শেষ বিদায় জানালো! (সত্য ঘটনা অবলম্বনে লিখিত)

কিছুদিন আগে লাক্স চ্যানেল আই সুন্দরী সুমাইয়া আজগার রাহা (২০) রাহা আত্মহত্যা।

আজ আরেকটি ঘটনা ঘটলঃ
বলিউডের উঠতি অভিনেত্রী জিয়া খান (২৫)। সোমবার ৩ জুন রাতে মুম্বাইয়ের জুহু বিচ সংলগ্ন এলাকার নিজের ফ্ল্যাটে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

মন্তব্যঃ- বেঁচে থাকতেই যাদের জীবন একেবারে Hell হয়ে গেছে যে যন্ত্রণা সইতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মুক্তি (??) হিসেবে আত্মহত্যাকে বেঁচে নেয়, পরকালে তাঁদের জন্যে কি অপেক্ষা করছে একমাত্র আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন।

এইসব লাক্স সুন্দরী, বলিউড অভিনেত্রীদের লাইফ স্টাইল দেখে যারা পুলকিত হন, ঈর্ষান্বিত হন, নিজের জীবনকে এদের জীবনের মতো করে সাজানোর পরিকল্পনা বা মনে মনে ইচ্ছে পোষণ করেন তাঁদের জন্যে রাহা, জিয়া খানদের এইরকম অপমান জনক মৃত্যুতে গভীরভাবে চিন্তার খোরাক আছে!!!

যে সমস্ত দুর্বল ঈমানদার আপুরা এদের পার্থিব সফলতা দেখে বিগলিত হয়ে যাবেন তাদের প্রতি সতর্ক বার্তাঃ

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- দুই শ্রেণীর জাহান্নামী এখনও আমি দেখিনি। (কারণ তারা এখন নেই, ভবিষ্যতে আত্মপ্রকাশ করবে) এক শ্রেণী হচ্ছে ঐ সকল মানুষ, যাদের হাতে ষাঁড়ের লেজের মতো চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা মানুষকে প্রহার করবে।
আর দ্বিতীয় শ্রেণী হচ্ছে- ঐ সকল নারী, যারা হবে পোশাক পরিহিতা কিন্তু তারপরেও তারা থাকবে নগ্ন, তারা পর পুরুষকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হবে; তাদের মাথা হবে উটের হেলানো কুঁজের ন্যায়।
এরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের সু-ঘ্রাণও পাবে না অথচ জান্নাতের সু-ঘ্রাণ তো এত এত দূর থেকে পাওয়া যাবে। (মুসলিম ২/২০৫, হাদীস: ২১২৮)

মহানবী (সাঃ) বলেন, ‘সুগন্ধি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কোন মহিলা যদি তা ব্যবহার করে পুরুষদের সামনে যায়, তবে সে একটি বেশ্যা মেয়ে বলে পরিগণিত হবে।’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত নং ১০৬৫)

পরকালে এদের কি পরিণাম হবে?
যেখানে আল্লাহ্‌ বললেনঃ “এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা খারাপ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। এবং তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।” [সুরা নিসাঃ  ১৮]

এদের মাগফিরাতের জন্য দুয়া করাও হারাম। এরা এতই অভাগী এদের পিতা-মাতা বা যে কেউ এদের জন্য দুয়া করলে আল্লাহ্‌ এদের কবরে ঐ দুয়া পৌছাবেন না।

আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ ” নবী ও মুমিনের উচিত নয় মুশরেকদের মাগফেরাত কামনা করে, যদিও তারা আত্নীয় হোক একথা সুস্পষ্ট হওয়ার পর যে তারা জাহান্নামী। (সুরা আত তওবাঃ ১১৩)

এজন্যই আল্লাহ্‌ বলেছেনঃ “অধিকাংশ মানুষ ঈমান আনা সত্ত্বেও মুশরিক”। (সুরা ইউসুফঃ ১০৬)

# লেখাটি ‘তথাকথিত ‘ সকল আধুনিক মেয়েকে উৎসর্গ করা হলো। #

 

মুলঃ Fazlay Rabby

Share করুন :

Like this:

খবরঃ বলিউড নায়িকা জিয়া খানের নিজের ফ্ল্যাটে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা!

অর্থ, খ্যাতি আর গ্ল্যামার এর আড়ালে নারীদেরকে পণ্যে রুপান্তরিত করা হচ্ছে ।

কিছুদিন আগেও আমাদের দেশের মেয়েরা যথেষ্ট শালীন ও সংযত হয়েই রাস্তা ঘাটে চলাফেরা করতো। কিন্তু বর্তমান সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এমন একটা পর্যায়ে পৌছেছে যার প্রভাবে অতি আধুনিকতার নাম করে নিজেদেরে অজান্তেই তারা নিজেদেরকে কাম-ভোগ এর সামগ্রীতে পরিনত করছে। আর এর পুর্নাঙ্গ সুযোগটা ব্যবহার করছে মিডিয়া, ফ্যাশন-মডেলিং এর নামে পুজিবাদীরা।

উন্নতি, গ্ল্যামার আর অর্থবিত্তের প্রলোভন দেখিয়ে এদেশের অনেক অনেক অবলা নারী, বিশেষ করে কিশোরিদেরকে ব্রেইন ওয়াশ করে চলছে ক্রমাগত। সেই কিশোরী বা নারী আদো বুঝে উঠতেই পারছেনা অর্থ, খ্যাতি আর গ্ল্যামার এর আড়ালে তাদেরকে পণ্যে রুপান্তরিত করা হচ্ছে, সেই সব পুজিবাদী সুবিধাভোগী শয়তানদের ভোগ বিলাশ আর অর্থ উপার্জনের জন্য।

এর নামই কি সফলতা?
এটাই কি জীবনের মুল লক্ষ্য?
একটু ভেবে দেখবেন কি?

Share করুন :

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s