10. সুরা ইউনূস (01- 109)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺍﻟﺮ ۚ ﺗِﻠﻚَ ﺀﺍﻳٰﺖُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ
ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢِ
[1] আলিফ-লাম-র, এগুলো হেকমতপূর্ণ
কিতাবের আয়াত।
[1] Alif-Lâm-Râ. [These letters are one of
the miracles of the Qur’ân, and none but
Allâh (Alone) knows their meanings].
These are the Verses of the Book (the
Qur’ân) Al-Hakîm.
[2] ﺃَﻛﺎﻥَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻋَﺠَﺒًﺎ ﺃَﻥ
ﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺟُﻞٍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺃَﻥ
ﺃَﻧﺬِﺭِ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ ﻗَﺪَﻡَ ﺻِﺪﻕٍ
ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۗ ﻗﺎﻝَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ ﺇِﻥَّ
ﻫٰﺬﺍ ﻟَﺴٰﺤِﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[2] মানুষের কাছে কি আশ্চর্য লাগছে যে,
আমি ওহী পাঠিয়েছি তাদেরই মধ্য থেকে
একজনের কাছে যেন তিনি মানুষকে সতর্ক
করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন
ঈমনাদারগণকে যে, তাঁদের জন্য সত্য মর্যাদা
রয়েছে তাঁদের পালনকর্তার কাছে।
কাফেররা বলতে লাগল, নিঃসন্দেহে এ
লোক প্রকাশ্য যাদুকর।
[2] Is it wonder for mankind that We
have sent Our Revelation to a man from
among themselves (i.e. Prophet
Muhammad SAW) (saying): “Warn
mankind (of the coming torment in Hell),
and give good news to those who believe
(in the Oneness of Allâh and in His
Prophet Muhammad SAW) that they shall
have with their Lord the rewards of
their good deeds?” (But) the disbelievers
say: “This is indeed an evident sorcerer
(i.e. Prophet Muhammad SAW and the
Qur’ân)!
[3] ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻓﻰ ﺳِﺘَّﺔِ
ﺃَﻳّﺎﻡٍ ﺛُﻢَّ ﺍﺳﺘَﻮﻯٰ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻌَﺮﺵِ ۖ
ﻳُﺪَﺑِّﺮُ ﺍﻷَﻣﺮَ ۖ ﻣﺎ ﻣِﻦ ﺷَﻔﻴﻊٍ ﺇِﻟّﺎ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺇِﺫﻧِﻪِ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﻓَﺎﻋﺒُﺪﻭﻩُ ۚ ﺃَﻓَﻼ
ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[3] নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি
তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে ছয়
দিনে, অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত
হয়েছেন। তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ
সুপারিশ করতে পাবে না তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া
ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। অতএব,
তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা
কর না ?
[3] Surely, your Lord is Allâh Who
created the heavens and the earth in six
Days and then rose over (Istawâ) the
Throne (really in a manner that suits His
Majesty), disposing the affair of all
things. No intercessor (can plead with
Him) except after His Leave. That is
Allâh, your Lord; so worship Him
(Alone). Then, will you not remember?
[4] ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣَﺮﺟِﻌُﻜُﻢ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۖ
ﻭَﻋﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺣَﻘًّﺎ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻳَﺒﺪَﺅُﺍ۟
ﺍﻟﺨَﻠﻖَ ﺛُﻢَّ ﻳُﻌﻴﺪُﻩُ ﻟِﻴَﺠﺰِﻯَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺑِﺎﻟﻘِﺴﻂِ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻬُﻢ ﺷَﺮﺍﺏٌ ﻣِﻦ ﺣَﻤﻴﻢٍ
ﻭَﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻜﻔُﺮﻭﻥَ
[4] তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে
তোমাদের সবাইকে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য,
তিনিই সৃষ্টি করেন প্রথমবার আবার পুনর্বার
তৈরী করবেন তাদেরকে বদলা দেয়ার
জন্য যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ
করেছে ইনসাফের সাথে। আর যারা কাফের
হয়েছে, তাদের পান করতে হবে ফুটন্ত
পানি এবং ভোগ করতে হবে যন্ত্রনাদায়ক
আযাব এ জন্যে যে, তারা কুফরী করছিল।
[4] To Him is the return of all of you. The
Promise of Allâh is true. It is He Who
begins the creation and then will repeat
it, that He may reward with justice those
who believed (in the Oneness of Allâh –
Islâmic Monotheism) and did deeds of
righteousness. But those who disbelieved
will have a drink of boiling fluids and
painful torment because they used to
disbelieve.
[5] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ
ﺿِﻴﺎﺀً ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ﻧﻮﺭًﺍ ﻭَﻗَﺪَّﺭَﻩُ
ﻣَﻨﺎﺯِﻝَ ﻟِﺘَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﻋَﺪَﺩَ ﺍﻟﺴِّﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﺤِﺴﺎﺏَ ۚ ﻣﺎ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ ﻳُﻔَﺼِّﻞُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[5] তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন
সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে
স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর
নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ,
যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর
সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু
এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার
সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে
সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।
[5] It is He Who made the sun a shining
thing and the moon as a light and
measured out for it stages, that you might
know the number of years and the
reckoning. Allâh did not create this but
in truth. He explains the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) in detail for people who
have knowledge.
[6] ﺇِﻥَّ ﻓِﻰ ﺍﺧﺘِﻠٰﻒِ ﺍﻟَّﻴﻞِ
ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ﻭَﻣﺎ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺘَّﻘﻮﻥَ
[6] নিশ্চয়ই রাত-দিনের পরিবর্তনের মাঝে
এবং যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও
যমীনে, সবই হল নিদর্শন সেসব
লোকের জন্য যারা ভয় করে।
[6] Verily, in the alternation of the night
and the day and in all that Allâh has
created in the heavens and the earth are
Ayât (proofs, evidences, verses, lessons,
signs, revelations, etc.) for those people
who keep their duty to Allâh, and fear
Him much.
[7] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳَﺮﺟﻮﻥَ
ﻟِﻘﺎﺀَﻧﺎ ﻭَﺭَﺿﻮﺍ ﺑِﺎﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺍﻃﻤَﺄَﻧّﻮﺍ ﺑِﻬﺎ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻫُﻢ ﻋَﻦ ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ﻏٰﻔِﻠﻮﻥَ
[7] অবশ্যই যেসব লোক আমার সাক্ষাৎ
লাভের আশা রাখে না এবং পার্থিব জীবন
নিয়েই উৎফুল্ল রয়েছে, তাতেই প্রশান্তি
অনুভব করেছে এবং যারা আমার নির্দশনসমূহ
সম্পর্কে বেখবর।
[7] Verily, those who hope not for their
meeting with Us, but are pleased and
satisfied with the life of the present
world, and those who are heedless of Our
Ayât (proofs, evidences, verses, lessons,
signs, revelations, etc.),
[8] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ ﺑِﻤﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[8] এমন লোকদের ঠিকানা হল আগুন
সেসবের বদলা হিসাবে যা তারা অর্জন
করছিল।
[8] Those, their abode will be the Fire,
because of what they used to earn.
[9] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻳَﻬﺪﻳﻬِﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ
ﺑِﺈﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ۖ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬِﻢُ
ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ﻓﻰ ﺟَﻨّٰﺖِ ﺍﻟﻨَّﻌﻴﻢِ
[9] অবশ্য যেসব লোক ঈমান এনেছে এবং
সৎকাজ করেছে, তাদেরকে হেদায়েত
দান করবেন তাদের পালনকর্তা, তাদের
ঈমানের মাধ্যমে। এমন সুসময় কানন-
কুঞ্জের প্রতি যার তলদেশে প্রবাহিত হয়
প্রস্রবণসমূহ।
[9] Verily, those who believe and do
deeds of righteousness, their Lord will
guide them through their Faith; under
them will flow rivers in the Gardens of
Delight (Paradise).
[10] ﺩَﻋﻮﻯٰﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻚَ
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻭَﺗَﺤِﻴَّﺘُﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺳَﻠٰﻢٌ ۚ
ﻭَﺀﺍﺧِﺮُ ﺩَﻋﻮﻯٰﻬُﻢ ﺃَﻥِ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ
ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[10] সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র
তোমার সত্তা হে আল্লাহ’। আর শুভেচ্ছা হল
সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত
প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে।
[10] Their way of request therein will be
Subhânaka Allâhumma (Glory to You, O
Allâh!) and Salâm (peace, safety from
evil) will be their greetings therein
(Paradise)! and the close of their request
will be: Al-Hamdu Lillâhi Rabbil-‘Alamîn
[All the praises and thanks are to Allâh,
the Lord of ‘Alamîn (mankind, jinn and
all that exists)].
[11] ۞ ﻭَﻟَﻮ ﻳُﻌَﺠِّﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﺍﻟﺸَّﺮَّ ﺍﺳﺘِﻌﺠﺎﻟَﻬُﻢ
ﺑِﺎﻟﺨَﻴﺮِ ﻟَﻘُﻀِﻰَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﺃَﺟَﻠُﻬُﻢ ۖ
ﻓَﻨَﺬَﺭُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳَﺮﺟﻮﻥَ
ﻟِﻘﺎﺀَﻧﺎ ﻓﻰ ﻃُﻐﻴٰﻨِﻬِﻢ ﻳَﻌﻤَﻬﻮﻥَ
[11] আর যদি আল্লাহ তা’আলা মানুষকে
যথাশীঘ্র অকল্যাণ পৌঁছে দেন যতশীঘ্র
তার কামনা করে, তাহলে তাদের আশাই শেষ
করে দিতে হত। সুতরাং যাদের মনে আমার
সাক্ষাতের আশা নেই, আমি তাদেরকে
তাদের দুষ্টুমিতে ব্যতিব্যস্ত ছেড়ে দিয়ে
রাখি।
[11] And were Allâh to hasten for
mankind the evil (they invoke for
themselves and for their children, while
in a state of anger) as He hastens for
them the good (they invoke) then they
would have been ruined. So We leave
those who expect not their meeting with
Us, in their trespasses, wandering
blindly in distraction. (Tafsir At-Tabarî).
[12] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻣَﺲَّ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﺍﻟﻀُّﺮُّ
ﺩَﻋﺎﻧﺎ ﻟِﺠَﻨﺒِﻪِ ﺃَﻭ ﻗﺎﻋِﺪًﺍ ﺃَﻭ
ﻗﺎﺋِﻤًﺎ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻛَﺸَﻔﻨﺎ ﻋَﻨﻪُ ﺿُﺮَّﻩُ
ﻣَﺮَّ ﻛَﺄَﻥ ﻟَﻢ ﻳَﺪﻋُﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺿُﺮٍّ
ﻣَﺴَّﻪُ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺯُﻳِّﻦَ ﻟِﻠﻤُﺴﺮِﻓﻴﻦَ
ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[12] আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়,
শুয়ে বসে, দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে
থাকে। তারপর আমি যখন তা থেকে মুক্ত
করে দেই, সে কষ্ট যখন চলে যায় তখন
মনে হয় কখনো কোন কষ্টেরই সম্মুখীন
হয়ে যেন আমাকে ডাকেইনি। এমনিভাবে
মনঃপুত হয়েছে নির্ভয় লোকদের যা তারা
করেছে।
[12] And when harm touches man, he
invokes Us, lying down on his side, or
sitting or standing. But when We have
removed his harm from him, he passes
on as if he had never invoked Us for a
harm that touched him! Thus it is made
fair-seeming to the Musrifûn that which
they used to do.
[13] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﻫﻠَﻜﻨَﺎ ﺍﻟﻘُﺮﻭﻥَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻟَﻤّﺎ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ۙ ﻭَﺟﺎﺀَﺗﻬُﻢ
ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻟِﻴُﺆﻣِﻨﻮﺍ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ
ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[13] অবশ্য তোমাদের পূর্বে বহু দলকে
ধ্বংস করে দিয়েছি, তখন তারা জালেম হয়ে
গেছে। অথচ রসূল তাদের কাছেও এসব
বিষয়ের প্রকৃষ্ট নির্দেশ নিয়ে
এসেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তারা ঈমান আনল
না। এমনিভাবে আমি শাস্তি দিয়ে থাকি পাপি
সম্প্রদায়কে।
[13] And indeed, We destroyed
generations before you, when they did
wrong while their Messengers came to
them with clear proofs, but they were
not such as to believe! Thus do We
requite the people who are Mujrimûn
(disbelievers, polytheists, sinners,
criminals).
[14] ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻠﻨٰﻜُﻢ ﺧَﻠٰﺌِﻒَ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻫِﻢ ﻟِﻨَﻨﻈُﺮَ
ﻛَﻴﻒَ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[14] অতঃপর আমি তোমাদেরকে যমীনে
তাদের পর প্রতিনিধি বানিয়েছি যাতে দেখতে
পারি তোমরা কি কর।
[14] Then We made you successors after
them, generations after generations in
the land, that We might see how you
would work.
[15] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺗُﺘﻠﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺀﺍﻳﺎﺗُﻨﺎ
ﺑَﻴِّﻨٰﺖٍ ۙ ﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳَﺮﺟﻮﻥَ
ﻟِﻘﺎﺀَﻧَﺎ ﺍﺋﺖِ ﺑِﻘُﺮﺀﺍﻥٍ ﻏَﻴﺮِ ﻫٰﺬﺍ
ﺃَﻭ ﺑَﺪِّﻟﻪُ ۚ ﻗُﻞ ﻣﺎ ﻳَﻜﻮﻥُ ﻟﻰ ﺃَﻥ
ﺃُﺑَﺪِّﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﺗِﻠﻘﺎﺉِ ﻧَﻔﺴﻰ ۖ ﺇِﻥ
ﺃَﺗَّﺒِﻊُ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻳﻮﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻰَّ ۖ ﺇِﻧّﻰ
ﺃَﺧﺎﻑُ ﺇِﻥ ﻋَﺼَﻴﺖُ ﺭَﺑّﻰ
ﻋَﺬﺍﺏَ ﻳَﻮﻡٍ ﻋَﻈﻴﻢٍ
[15] আর যখন তাদের কাছে আমার প্রকৃষ্ট
আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে সমস্ত
লোক বলে, যাদের আশা নেই আমার
সাক্ষাতের, নিয়ে এসো কোন কোরআন এটি
ছাড়া, অথবা একে পরিবর্তিত করে দাও। তাহলে
বলে দাও, একে নিজের পক্ষ থেকে
পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে
নির্দেশেরই আনুগত্য করি, যা আমার কাছে
আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের
নাফরমানী করি, তবে কঠিন দিবসের
আযাবের ভয় করি।
[15] And when Our Clear Verses are
recited unto them, those who hope not
for their meeting with Us, say: Bring us a
Qur’ân other than this, or change it.”Say
(O Muhammad SAW): “It is not for me to
change it on my own accord; I only
follow that which is revealed unto me.
Verily, I fear the torment of the Great
Day (i.e. the Day of Resurrection). if I
were to disobey my Lord.”
[16] ﻗُﻞ ﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣﺎ ﺗَﻠَﻮﺗُﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻭَﻻ ﺃَﺩﺭﻯٰﻜُﻢ ﺑِﻪِ ۖ ﻓَﻘَﺪ
ﻟَﺒِﺜﺖُ ﻓﻴﻜُﻢ ﻋُﻤُﺮًﺍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻪِ ۚ
ﺃَﻓَﻼ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[16] বলে দাও, যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে
আমি এটি তোমাদের সামনে পড়তাম না, আর
নাইবা তিনি তোমাদেরেকে অবহিত করতেন এ
সম্পর্কে। কারণ আমি তোমাদের মাঝে
ইতিপূর্বেও একটা বয়স অতিবাহিত করেছি।
তারপরেও কি তোমরা চিন্তা করবে না?
[16] Say (O Muhammad SAW): “If Allâh
had so willed, I should not have recited it
to you nor would He have made it known
to you. Verily, I have stayed amongst you
a life time before this. Have you then no
sense?”
[17] ﻓَﻤَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭ ﻛَﺬَّﺏَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻪِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﻔﻠِﺢُ
ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻮﻥَ
[17] অতঃপর তার চেয়ে বড় জালেম, কে
হবে, যে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ
করেছে কিংবা তাঁর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে
অভিহিত করছে? কস্মিনকালেও পাপীদের
কোন কল্যাণ হয় না।
[17] So who does more wrong than he
who forges a lie against Allâh or denies
His Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations, etc.)? Surely,
the Mujrimûn (criminals, sinners,
disbelievers and polytheists) will never
be successful!
[18] ﻭَﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣﺎ ﻻ ﻳَﻀُﺮُّﻫُﻢ ﻭَﻻ ﻳَﻨﻔَﻌُﻬُﻢ
ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﺷُﻔَﻌٰﺆُﻧﺎ
ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻗُﻞ ﺃَﺗُﻨَﺒِّـٔﻮﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺑِﻤﺎ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻻ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻭَﺗَﻌٰﻠﻰٰ
ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[18] আর উপাসনা করে আল্লাহকে বাদ দিয়ে
এমন বস্তুর, যা না তাদের কোন ক্ষতিসাধন
করতে পারে, না লাভ এবং বলে, এরা তো
আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। তুমি
বল, তোমরা কি আল্লাহকে এমন বিষয়ে
অবহিত করছ, যে সম্পর্কে তিনি অবহিত নন
আসমান ও যমীনের মাঝে ? তিনি পুতঃপবিত্র ও
মহান সে সমস্ত থেকে যাকে তোমরা
শরীক করছ।
[18] And they worship besides Allâh
things that hurt them not, nor profit
them, and they say: “These are our
intercessors with Allâh.” Say: “Do you
inform Allâh of that which He knows not
in the heavens and on the earth?”
Glorified and Exalted is He above all that
which they associate as partners (with
Him)!
[19] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺇِﻟّﺎ ﺃُﻣَّﺔً
ﻭٰﺣِﺪَﺓً ﻓَﺎﺧﺘَﻠَﻔﻮﺍ ۚ ﻭَﻟَﻮﻻ ﻛَﻠِﻤَﺔٌ
ﺳَﺒَﻘَﺖ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ﻟَﻘُﻀِﻰَ
ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﻓﻴﻤﺎ ﻓﻴﻪِ ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ
[19] আর সমস্ত মানুষ একই উম্মতভুক্ত ছিল,
পরে পৃথক হয়ে গেছে। আর একটি কথা যদি
তোমার পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে
পূর্ব নির্ধারিত না হয়ে যেত; তবে তারা যে
বিষয়ে বিরোধ করছে তার মীমাংসা হয়ে
যেত।
[19] Mankind were but one community
(i.e. on one religion – Islâmic
Monotheism), then they differed (later),
and had not it been for a Word that
went forth before from your Lord, it
would have been settled between them
regarding what they differed
[20] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻟَﻮﻻ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﺀﺍﻳَﺔٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻪِ ۖ ﻓَﻘُﻞ ﺇِﻧَّﻤَﺎ
ﺍﻟﻐَﻴﺐُ ﻟِﻠَّﻪِ ﻓَﺎﻧﺘَﻈِﺮﻭﺍ ﺇِﻧّﻰ
ﻣَﻌَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﻨﺘَﻈِﺮﻳﻦَ
[20] বস্তুতঃ তারা বলে, তাঁর কাছে তাঁর
পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে কোন
নির্দেশ এল না কেন? বলে দাও গায়েবের
কথা আল্লাহই জানেন। আমি ও তোমাদের
সাথে অপেক্ষায় রইলাম।
[20] And they say: “How is it that not a
sign is sent down on him from his
Lord?” Say: “The unseen belongs to Allâh
Alone, so wait you, verily I am with you
among those who wait (for Allâh’s
Judgement).”
[21] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺃَﺫَﻗﻨَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﺭَﺣﻤَﺔً
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺿَﺮّﺍﺀَ ﻣَﺴَّﺘﻬُﻢ ﺇِﺫﺍ
ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻜﺮٌ ﻓﻰ ﺀﺍﻳﺎﺗِﻨﺎ ۚ ﻗُﻞِ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺳﺮَﻉُ ﻣَﻜﺮًﺍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺭُﺳُﻠَﻨﺎ
ﻳَﻜﺘُﺒﻮﻥَ ﻣﺎ ﺗَﻤﻜُﺮﻭﻥَ
[21] আর যখন আমি আস্বাদন করাই স্বীয়
রহমত সে কষ্টের পর, যা তাদের ভোগ
করতে হয়েছিল, তখনই তারা আমার শক্তিমত্তার
মাঝে নানা রকম ছলনা তৈরী করতে আরম্ভ
করবে। আপনি বলে দিন, আল্লাহ সবচেয়ে
দ্রুত কলা-কৌশল তৈরী করতে পারেন।
নিশ্চয়ই আমাদের ফেরেশতারা লিখে রাখে
তোমাদের ছল-চাতুরী।
[21] And when We let mankind taste
mercy after some adversity has afflicted
them, behold! they take to plotting
against Our Ayât (proofs, evidences,
verses, lessons, signs, revelations, etc.)!
Say: “Allâh is more Swift in planning!”
Certainly, Our Messengers (angels)
record all of that which you plot.
[22] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳُﺴَﻴِّﺮُﻛُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺒَﺮِّ ﻭَﺍﻟﺒَﺤﺮِ ۖ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻟﻔُﻠﻚِ ﻭَﺟَﺮَﻳﻦَ ﺑِﻬِﻢ ﺑِﺮﻳﺢٍ
ﻃَﻴِّﺒَﺔٍ ﻭَﻓَﺮِﺣﻮﺍ ﺑِﻬﺎ ﺟﺎﺀَﺗﻬﺎ
ﺭﻳﺢٌ ﻋﺎﺻِﻒٌ ﻭَﺟﺎﺀَﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤَﻮﺝُ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜﺎﻥٍ ﻭَﻇَﻨّﻮﺍ
ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺃُﺣﻴﻂَ ﺑِﻬِﻢ ۙ ﺩَﻋَﻮُﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻣُﺨﻠِﺼﻴﻦَ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺪّﻳﻦَ ﻟَﺌِﻦ
ﺃَﻧﺠَﻴﺘَﻨﺎ ﻣِﻦ ﻫٰﺬِﻩِ ﻟَﻨَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺸّٰﻜِﺮﻳﻦَ
[22] তিনিই তোমাদের ভ্রমন করান স্থলে ও
সাগরে। এমনকি যখন তোমরা নৌকাসমূহে
আরোহণ করলে আর তা লোকজনকে
অনুকূল হাওয়ায় বয়ে নিয়ে চলল এবং তাতে তারা
আনন্দিত হল, নৌকাগুলোর উপর এল
তীব্র বাতাস, আর সর্বদিক থেকে
সেগুলোর উপর ঢেউ আসতে লাগল এবং তারা
জানতে পারল যে, তারা অবরুদ্ধ হয়ে
পড়েছে, তখন ডাকতে লাগল আল্লাহকে
তাঁর এবাদতে নিঃস্বার্থ হয়ে যদি তুমি
আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করে
তোল, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা কৃতজ্ঞ
থাকব।
[22] He it is Who enables you to travel
through land and sea, till when you are
in the ships and they sail with them with
a favourable wind, and they are glad
therein, then comes a stormy wind and
the waves come to them from all sides,
and they think that they are encircled
therein, Then they invoke Allâh, making
their Faith pure for Him Alone, (saying):
“If You (Allâh) deliver us from this, we
shall truly be of the grateful.”
[23] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﻧﺠﻯٰﻬُﻢ ﺇِﺫﺍ ﻫُﻢ
ﻳَﺒﻐﻮﻥَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺑِﻐَﻴﺮِ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ۗ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺇِﻧَّﻤﺎ
ﺑَﻐﻴُﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ۖ ﻣَﺘٰﻊَ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﺛُﻢَّ ﺇِﻟَﻴﻨﺎ
ﻣَﺮﺟِﻌُﻜُﻢ ﻓَﻨُﻨَﺒِّﺌُﻜُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[23] তারপর যখন তাদেরকে আল্লাহ বাঁচিয়ে
দিলেন, তখনই তারা পৃথিবীতে অনাচার করতে
লাগল অন্যায় ভাবে। হে মানুষ! শোন,
তোমাদের অনাচার তোমাদেরই উপর পড়বে।
পার্থিব জীবনের সুফল ভোগ করে নাও-
অতঃপর আমার নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
তখন আমি বাতলে দেব, যা কিছু তোমরা
করতে।
[23] But when He deliveres them, behold!
they rebel (disobey Allâh) in the earth
wrongfully. O mankind! Your rebellion
(disobedience to Allâh) is only against
your ownselves, – a brief enjoyment of
this worldly life, then (in the end) unto
Us is your return, and We shall inform
you that which you used to do.
[24] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻛَﻤﺎﺀٍ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻓَﺎﺧﺘَﻠَﻂَ ﺑِﻪِ ﻧَﺒﺎﺕُ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣِﻤّﺎ ﻳَﺄﻛُﻞُ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻭَﺍﻷَﻧﻌٰﻢُ
ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺃَﺧَﺬَﺕِ ﺍﻷَﺭﺽُ
ﺯُﺧﺮُﻓَﻬﺎ ﻭَﺍﺯَّﻳَّﻨَﺖ ﻭَﻇَﻦَّ ﺃَﻫﻠُﻬﺎ
ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻗٰﺪِﺭﻭﻥَ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﺃَﺗﻯٰﻬﺎ
ﺃَﻣﺮُﻧﺎ ﻟَﻴﻠًﺎ ﺃَﻭ ﻧَﻬﺎﺭًﺍ ﻓَﺠَﻌَﻠﻨٰﻬﺎ
ﺣَﺼﻴﺪًﺍ ﻛَﺄَﻥ ﻟَﻢ ﺗَﻐﻦَ
ﺑِﺎﻷَﻣﺲِ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧُﻔَﺼِّﻞُ
ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[24] পার্থিব জীবনের উদাহরণ তেমনি,
যেমনি আমি আসমান থেকে পানি বর্ষন
করলাম, পরে তা মিলিত সংমিশ্রিত হয়ে তা
থেকে যমীনের শ্যামল উদ্ভিদ বেরিয়ে
এল যা মানুষ ও জীব-জন্তুরা খেয়ে থাকে।
এমনকি যমীন যখন সৌন্দর্য সুষমায় ভরে
উঠলো আর যমীনের অধিকর্তারা ভাবতে
লাগল, এগুলো আমাদের হাতে আসবে, হঠাৎ
করে তার উপর আমার নির্দেশ এল রাত্রে
কিংবা দিনে, তখন সেগুলোকে কেটে
স্তুপাকার করে দিল যেন কাল ও এখানে
কোন আবাদ ছিল না। এমনিভাবে আমি খোলাখুলি
বর্ণনা করে থাকি নিদর্শণসমূহ সে সমস্ত
লোকদের জন্য যারা লক্ষ্য করে।
[24] Verily, the likeness of (this) worldly
life is as the water (rain) which We send
down from the sky, so by it arises the
intermingled produce of the earth of
which men and cattle eat until when the
earth is clad in its adornments and is
beautified, and its people think that they
have all the powers of disposal over it,
Our Command reaches it by night or by
day and We make it like a clean-mown
harvest, as if it had not flourished
yesterday! Thus do We explain the Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, laws, etc.) in detail for the
people who reflect.
[25] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺪﻋﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﺩﺍﺭِ
ﺍﻟﺴَّﻠٰﻢِ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﺇِﻟﻰٰ
ﺻِﺮٰﻁٍ ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[25] আর আল্লাহ শান্তি-নিরাপত্তার আলয়ের
প্রতি আহবান জানান এবং যাকে ইচ্ছা সরলপথ
প্রদর্শন করেন।
[25] Allâh calls to the Home of peace (i.e.
Paradise, by accepting Allâh’s religion of
Islâmic Monotheism and by doing
righteous good deeds and abstaining
from polytheism and evil deeds) and
guides whom He wills to a Straight Path.
[26] ۞ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺣﺴَﻨُﻮﺍ
ﺍﻟﺤُﺴﻨﻰٰ ﻭَﺯِﻳﺎﺩَﺓٌ ۖ ﻭَﻻ ﻳَﺮﻫَﻖُ
ﻭُﺟﻮﻫَﻬُﻢ ﻗَﺘَﺮٌ ﻭَﻻ ﺫِﻟَّﺔٌ ۚ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ۖ ﻫُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[26] যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য
রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী।
আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না
মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী,
এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল।
[26] For those who have done good is the
best (reward, i.e. Paradise) and even
more (i.e. having the honour of glancing
at the Countenance of Allâh swt) Neither
darkness nor dust nor any humiliating
disgrace shall cover their faces. They are
the dwellers of Paradise, they will abide
therein forever.
[27] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺴَﺒُﻮﺍ ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ
ﺟَﺰﺍﺀُ ﺳَﻴِّﺌَﺔٍ ﺑِﻤِﺜﻠِﻬﺎ ﻭَﺗَﺮﻫَﻘُﻬُﻢ
ﺫِﻟَّﺔٌ ۖ ﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ
ﻋﺎﺻِﻢٍ ۖ ﻛَﺄَﻧَّﻤﺎ ﺃُﻏﺸِﻴَﺖ
ﻭُﺟﻮﻫُﻬُﻢ ﻗِﻄَﻌًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟَّﻴﻞِ
ﻣُﻈﻠِﻤًﺎ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ
ﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[27] আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ
কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের
চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ
নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত
থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে
দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে।
এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে
অনন্তকাল।
[27] And those who have earned evil
deeds, the recompense of an evil deed is
the like thereof, and humiliating disgrace
will cover them (their faces). No
defender will they have from Allâh.
Their faces will be covered, as it were
with pieces from the darkness of night.
They are dwellers of the Fire, they will
abide therein forever.
[28] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻧَﺤﺸُﺮُﻫُﻢ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ
ﺛُﻢَّ ﻧَﻘﻮﻝُ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺷﺮَﻛﻮﺍ
ﻣَﻜﺎﻧَﻜُﻢ ﺃَﻧﺘُﻢ ﻭَﺷُﺮَﻛﺎﺅُﻛُﻢ ۚ
ﻓَﺰَﻳَّﻠﻨﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ۖ ﻭَﻗﺎﻝَ
ﺷُﺮَﻛﺎﺅُﻫُﻢ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺇِﻳّﺎﻧﺎ
ﺗَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
[28] আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে
সমবেত করব; আর যারা শেরক করত
তাদেরকে বলবঃ তোমরা এবং তোমাদের
শরীকরা নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে যাও-অতঃপর
তাদেরকে পারস্পরিক বিচ্ছিন্ন করে দেব,
তখন তাদের শরীকরা বলবে, তোমরা তো
আমাদের উপাসনা-বন্দেগী করনি।
[28] And the Day whereon We shall
gather them all together, then We shall
say to those who did set partners in
worship with Us: “Stop at your place!
You and your partners (whom you had
worshipped in the worldly life).” then
We shall separate them, and their
(Allâh’s so-called) partners shall say: “It
was not us that you used to worship.”
[29] ﻓَﻜَﻔﻰٰ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺷَﻬﻴﺪًﺍ ﺑَﻴﻨَﻨﺎ
ﻭَﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛُﻨّﺎ ﻋَﻦ ﻋِﺒﺎﺩَﺗِﻜُﻢ
ﻟَﻐٰﻔِﻠﻴﻦَ
[29] বস্তুতঃ আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের
মাঝে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট। আমরা
তোমাদের বন্দেগী সম্পর্কে জানতাম না।
[29] “So sufficient is Allâh for a witness
between us and you, that We indeed
knew nothing of your worship of us.”
[30] ﻫُﻨﺎﻟِﻚَ ﺗَﺒﻠﻮﺍ ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ ﻣﺎ
ﺃَﺳﻠَﻔَﺖ ۚ ﻭَﺭُﺩّﻭﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣَﻮﻟﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﺤَﻖِّ ۖ ﻭَﺿَﻞَّ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[30] সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে
নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল
এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি
তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ
থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা
বলত।
[30] There! Every person will know
(exactly) what he had earned before, and
they will be brought back to Allâh, their
rightful Maula (Lord), and their invented
false deities will vanish from them.
[31] ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﻳَﺮﺯُﻗُﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﻣَّﻦ ﻳَﻤﻠِﻚُ
ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ ﻭَﺍﻷَﺑﺼٰﺮَ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﺨﺮِﺝُ
ﺍﻟﺤَﻰَّ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﻴِّﺖِ ﻭَﻳُﺨﺮِﺝُ
ﺍﻟﻤَﻴِّﺖَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺤَﻰِّ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﺪَﺑِّﺮُ
ﺍﻷَﻣﺮَ ۚ ﻓَﺴَﻴَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻓَﻘُﻞ
ﺃَﻓَﻼ ﺗَﺘَّﻘﻮﻥَ
[31] তুমি জিজ্ঞেস কর, কে রুযী দান
করে তোমাদেরকে আসমান থেকে ও
যমীন থেকে, কিংবা কে তোমাদের কান ও
চোখের মালিক? তাছাড়া কে জীবিতকে
মৃতের ভেতর থেকে বের করেন এবং
কেইবা মৃতকে জীবিতের মধ্য থেকে
বের করেন? কে করেন কর্ম সম্পাদনের
ব্যবস্থাপনা? তখন তারা বলে উঠবে, আল্লাহ!
তখন তুমি বলো তারপরেও ভয় করছ না?
[31] Say (O Muhammad SAW): “Who
provides for you from the sky and the
earth? Or who owns hearing and sight?
And who brings out the living from the
dead and brings out the dead from the
living? And who disposes the affairs?”
They will say: “Allâh.” Say: “Will you not
then be afraid of Allâh’s Punishment (for
setting up rivals in worship with Allâh)?”
[32] ﻓَﺬٰﻟِﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑُّﻜُﻢُ ﺍﻟﺤَﻖُّ ۖ
ﻓَﻤﺎﺫﺍ ﺑَﻌﺪَ ﺍﻟﺤَﻖِّ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻀَّﻠٰﻞُ ۖ
ﻓَﺄَﻧّﻰٰ ﺗُﺼﺮَﻓﻮﻥَ
[32] অতএব, এ আল্লাহই তোমাদের প্রকৃত
পালনকর্তা। আর সত্য প্রকাশের পরে
(উদভ্রান্ত ঘুরার মাঝে) কি রয়েছে
গোমরাহী ছাড়া? সুতরাং কোথায় ঘুরছ?
[32] Such is Allâh, your Lord in truth. So
after the truth, what else can there be,
save error? How then are you turned
away?
[33] ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺣَﻘَّﺖ ﻛَﻠِﻤَﺖُ ﺭَﺑِّﻚَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓَﺴَﻘﻮﺍ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[33] এমনিভাবে সপ্রমাণিত হয়ে গেছে
তোমার পরওয়ারদেগারের বাণী সেসব
নাফরমানের ব্যাপারে যে, এরা ঈমান আনবে
না।
[33] Thus is the Word of your Lord
justified against those who rebel (disobey
Allâh) that they will not believe (in the
Oneness of Allâh and in Muhammad
SAW as the Messenger of Allâh)
[34] ﻗُﻞ ﻫَﻞ ﻣِﻦ ﺷُﺮَﻛﺎﺋِﻜُﻢ ﻣَﻦ
ﻳَﺒﺪَﺅُﺍ۟ ﺍﻟﺨَﻠﻖَ ﺛُﻢَّ ﻳُﻌﻴﺪُﻩُ ۚ ﻗُﻞِ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺒﺪَﺅُﺍ۟ ﺍﻟﺨَﻠﻖَ ﺛُﻢَّ ﻳُﻌﻴﺪُﻩُ ۖ
ﻓَﺄَﻧّﻰٰ ﺗُﺆﻓَﻜﻮﻥَ
[34] বল, আছে কি কেউ তোমাদের
শরীকদের মাঝে যে সৃষ্টি কে পয়দা
করতে পারে এবং আবার জীবিত করতে
পারে? বল, আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন
এবং অতঃপর তার পুনরুদ্ভব করবেন। অতএব,
কোথায় ঘুরপাক খাচ্ছে?
[34] Say: “Is there of your (Allâh’s so-
called) partners one that originates the
creation and then repeats it?” Say: “Allâh
originates the creation and then He
repeats it. Then how are you deluded
away (from the truth)?”
[35] ﻗُﻞ ﻫَﻞ ﻣِﻦ ﺷُﺮَﻛﺎﺋِﻜُﻢ ﻣَﻦ
ﻳَﻬﺪﻯ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺤَﻖِّ ۚ ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻳَﻬﺪﻯ ﻟِﻠﺤَﻖِّ ۗ ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﻬﺪﻯ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺤَﻖِّ ﺃَﺣَﻖُّ ﺃَﻥ ﻳُﺘَّﺒَﻊَ ﺃَﻣَّﻦ
ﻻ ﻳَﻬِﺪّﻯ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻳُﻬﺪﻯٰ ۖ ﻓَﻤﺎ
ﻟَﻜُﻢ ﻛَﻴﻒَ ﺗَﺤﻜُﻤﻮﻥَ
[35] জিজ্ঞেস কর, আছে কি কেউ
তোমাদের শরীকদের মধ্যে যে সত্য-
সঠিক পথ প্রদর্শন করবে? বল, আল্লাহই
সত্য-সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, সুতরাং এমন
যে লোক সঠিক পথ দেখাবে তার কথা মান্য
করা কিংবা যে লোক নিজে নিজে পথ খুঁজে
পায় না, তাকে পথ দেখানো কর্তব্য। অতএব,
তোমাদের কি হল, কেমন তোমাদের বিচার?
[35] Say: “Is there of your (Allâh’s so-
called) partners one that guides to the
truth?” Say: “It is Allâh Who guides to
the truth. Is then He, Who guides to the
truth, more worthy to be followed, or he
who finds not guidance (himself) unless
he is guided? Then, what is the matter
with you? How judge you?”
[36] ﻭَﻣﺎ ﻳَﺘَّﺒِﻊُ ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻇَﻨًّﺎ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻈَّﻦَّ ﻻ ﻳُﻐﻨﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺤَﻖِّ
ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ
ﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ
[36] বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-
অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান
সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না।
আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।
[36] And most of them follow nothing
but conjecture. Certainly, conjecture can
be of no avail against the truth. Surely,
Allâh is All-Aware of what they do.
[37] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥُ ﺃَﻥ
ﻳُﻔﺘَﺮﻯٰ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻟٰﻜِﻦ
ﺗَﺼﺪﻳﻖَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻳﻪِ
ﻭَﺗَﻔﺼﻴﻞَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻻ ﺭَﻳﺐَ
ﻓﻴﻪِ ﻣِﻦ ﺭَﺏِّ ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[37] আর কোরআন সে জিনিস নয় যে,
আল্লাহ ব্যতীত কেউ তা বানিয়ে নেবে।
অবশ্য এটি পূর্ববর্তী কালামের সত্যায়ন
করে এবং সে সমস্ত বিষয়ের বিশ্লেষণ দান
করে যা তোমার প্রতি দেয়া হয়েছে, যাতে
কোন সন্দেহ নেই-তোমার বিশ্বপালনকর্তার
পক্ষ থেকে।
[37] And this Qur’ân is not such as could
ever be produced by other than Allâh
(Lord of the heavens and the earth), but
it is a confirmation of (the revelation)
which was before it [i.e. the Taurât
(Torah), and the Injeel (Gospel)], and a
full explanation of the Book (i.e. laws
decreed for mankind) – wherein there is
no doubt from the the Lord of the
‘Alamîn (mankind, jinn,and all that
exists).
[38] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰﻪُ ۖ ﻗُﻞ
ﻓَﺄﺗﻮﺍ ﺑِﺴﻮﺭَﺓٍ ﻣِﺜﻠِﻪِ ﻭَﺍﺩﻋﻮﺍ
ﻣَﻦِ ﺍﺳﺘَﻄَﻌﺘُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[38] মানুষ কি বলে যে, এটি বানিয়ে এনেছ?
বলে দাও, তোমরা নিয়ে এসো একটিই সূরা,
আর ডেকে নাও, যাদেরকে নিতে সক্ষম
হও আল্লাহ ব্যতীত, যদি তোমরা সত্যবাদী
হয়ে থাক।
[38] Or do they say: “He (Muhammad
SAW) has forged it?” Say: “Bring then a
Sûrah (chapter) like unto it, and call
upon whomsoever you can, besides
Allâh, if you are truthful!”
[39] ﺑَﻞ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِﻤﺎ ﻟَﻢ ﻳُﺤﻴﻄﻮﺍ
ﺑِﻌِﻠﻤِﻪِ ﻭَﻟَﻤّﺎ ﻳَﺄﺗِﻬِﻢ ﺗَﺄﻭﻳﻠُﻪُ ۚ
ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻛَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۖ
ﻓَﺎﻧﻈُﺮ ﻛَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[39] কিন্তু কথা হল এই যে, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন
করতে আরম্ভ করেছে যাকে বুঝতে, তারা
অক্ষম। অথচ এখনো এর বিশ্লেষণ
আসেনি। এমনিভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন
করেছে তাদের পূর্ববর্তীরা। অতএব,
লক্ষ্য করে দেখ, কেমন হয়েছে
পরিণতি।
[39] Nay, they have belied; the
knowledge whereof they could not
comprehend and what has not yet been
fulfilled (i.e. their punishment). Thus
those before them did belie. Then see
what was the end of the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers)!
[40] ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳُﺆﻣِﻦُ ﺑِﻪِ
ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻦُ ﺑِﻪِ ۚ
ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﺎﻟﻤُﻔﺴِﺪﻳﻦَ
[40] আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ
কোরআনকে বিশ্বাস করবে এবং কেউ
কেউ বিশ্বাস করবে না। বস্তুতঃ তোমার
পরওয়ারদেগার যথার্থই জানেন দুরাচারদিগকে।
[40] And of them there are some who
believe therein, and of them there are
some who believe not therein, and your
Lord is All-Aware of the Mufsidûn (evil-
doers, liars).
[41] ﻭَﺇِﻥ ﻛَﺬَّﺑﻮﻙَ ﻓَﻘُﻞ ﻟﻰ
ﻋَﻤَﻠﻰ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻋَﻤَﻠُﻜُﻢ ۖ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﺑَﺮﻳـٔﻮﻥَ ﻣِﻤّﺎ ﺃَﻋﻤَﻞُ ﻭَﺃَﻧﺎ۠ ﺑَﺮﻱﺀٌ
ﻣِﻤّﺎ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[41] আর যদি তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে,
তবে বল, আমার জন্য আমার কর্ম, আর
তোমাদের জন্য তোমাদের কর্ম।
তোমাদের দায়-দায়িত্ব নেই আমার কর্মের
উপর এবং আমারও দায়-দায়িত্ব নেই তোমরা যা