11. সুরা আল হুদ (01-123)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺮ ۚ ﻛِﺘٰﺐٌ ﺃُﺣﻜِﻤَﺖ ﺀﺍﻳٰﺘُﻪُ
ﺛُﻢَّ ﻓُﺼِّﻠَﺖ ﻣِﻦ ﻟَﺪُﻥ ﺣَﻜﻴﻢٍ
ﺧَﺒﻴﺮٍ
[1] আলিফ, লা-ম, রা; এটি এমন এক
কিতাব, যার আয়াত সমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত
অতঃপর সবিস্তারে বর্ণিত এক
মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ হতে।
[1] Alif-Lâm-Râ. [These letters are one of
the miracles of the Qur’ân and none but
Allâh (Alone) knows their meanings].
(This is) a Book, the Verses whereof are
perfected (in every sphere of
knowledge), and then explained in detail
from One (Allâh), Who is All-Wise Well-
Acquainted (with all things).
[2] ﺃَﻟّﺎ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻧَّﻨﻰ
ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻨﻪُ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻭَﺑَﺸﻴﺮٌ
[2] যেন তোমরা আল্লাহ ব্যতীত অন্য
কারো বন্দেগী না কর। নিশ্চয় আমি
তোমাদের প্রতি তাঁরই পক্ষ হতে
সতর্ককারী ও সুসংবাদ দাতা।
[2] (Saying) worship none but Allâh.
Verily, I (Muhammad SAW) am unto you
from Him a warner and a bringer of
glad tidings.
[3] ﻭَﺃَﻥِ ﺍﺳﺘَﻐﻔِﺮﻭﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ﺛُﻢَّ
ﺗﻮﺑﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻳُﻤَﺘِّﻌﻜُﻢ ﻣَﺘٰﻌًﺎ
ﺣَﺴَﻨًﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ
ﻭَﻳُﺆﺕِ ﻛُﻞَّ ﺫﻯ ﻓَﻀﻞٍ ﻓَﻀﻠَﻪُ ۖ
ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻓَﺈِﻧّﻰ ﺃَﺧﺎﻑُ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻋَﺬﺍﺏَ ﻳَﻮﻡٍ ﻛَﺒﻴﺮٍ
[3] আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা
সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অনন্তর
তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে
তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময়
পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান
করবেন এবং অধিক আমলকারীকে
বেশী করে দেবেন আর যদি তোমরা
বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের
উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা
করছি।
[3] And (commanding you): “Seek the
forgiveness of your Lord, and turn to
Him in repentance, that He may grant
you good enjoyment, for a term
appointed, and bestow His abounding
Grace to every owner of grace (i.e. the
one who helps and serves needy and
deserving, physically and with his
wealth, and even with good words). But
if you turn away, then I fear for you the
torment of a Great Day (i.e. the Day of
Resurrection).
[4] ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺮﺟِﻌُﻜُﻢ ۖ ﻭَﻫُﻮَ
ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[4] আল্লাহর সান্নিধ্যেই
তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। আর
তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
[4] To Allâh is your return, and He is
Able to do all things.”
[5] ﺃَﻻ ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻳَﺜﻨﻮﻥَ ﺻُﺪﻭﺭَﻫُﻢ
ﻟِﻴَﺴﺘَﺨﻔﻮﺍ ﻣِﻨﻪُ ۚ ﺃَﻻ ﺣﻴﻦَ
ﻳَﺴﺘَﻐﺸﻮﻥَ ﺛِﻴﺎﺑَﻬُﻢ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ
ﻳُﺴِﺮّﻭﻥَ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌﻠِﻨﻮﻥَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﺬﺍﺕِ ﺍﻟﺼُّﺪﻭﺭِ
[5] জেনে রাখ, নিশ্চয়ই তারা
নিজেদের বক্ষদেশ ঘুরিয়ে দেয় যেন
আল্লাহর নিকট হতে লুকাতে পারে। শুন,
তারা তখন কাপড়ে নিজেদেরকে
আচ্ছাদিত করে, তিনি তখনও জানেন
যা কিছু তারা চুপিসারে বলে আর
প্রকাশ্যভাবে বলে। নিশ্চয় তিনি
জানেন যা কিছু অন্তর সমূহে নিহিত
রয়েছে।
[5] No doubt! They did fold up their
breasts, that they may hide from Him.
Surely, even when they cover themselves
with their garments, He knows what they
conceal and what they reveal. Verily, He
is the All-Knower of the (innermost
secrets) of the breasts.
[6] ۞ ﻭَﻣﺎ ﻣِﻦ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺇِﻟّﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺭِﺯﻗُﻬﺎ
ﻭَﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣُﺴﺘَﻘَﺮَّﻫﺎ
ﻭَﻣُﺴﺘَﻮﺩَﻋَﻬﺎ ۚ ﻛُﻞٌّ ﻓﻰ ﻛِﺘٰﺐٍ
ﻣُﺒﻴﻦٍ
[6] আর পৃথিবীতে কোন বিচরণশীল
নেই, তবে সবার জীবিকার দায়িত্ব
আল্লাহ নিয়েছেন তিনি জানেন তারা
কোথায় থাকে এবং কোথায় সমাপিত
হয়। সবকিছুই এক সুবিন্যস্ত কিতাবে
রয়েছে।
[6] And no (moving) living creature is
there on earth but its provision is due
from Allâh. And He knows its dwelling
place and its deposit (in the uterus,
grave). all is in a Clear Book (Al-Lauh Al-
Mahfûz – the Book of Decrees with Allâh).
[7] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻓﻰ ﺳِﺘَّﺔِ ﺃَﻳّﺎﻡٍ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﻋَﺮﺷُﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤﺎﺀِ
ﻟِﻴَﺒﻠُﻮَﻛُﻢ ﺃَﻳُّﻜُﻢ ﺃَﺣﺴَﻦُ ﻋَﻤَﻠًﺎ ۗ
ﻭَﻟَﺌِﻦ ﻗُﻠﺖَ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻣَﺒﻌﻮﺛﻮﻥَ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ﻟَﻴَﻘﻮﻟَﻦَّ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﺳِﺤﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[7] তিনিই আসমান ও যমীন ছয় দিনে
তৈরী করেছেন, তাঁর আরশ ছিল পানির
উপরে, তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা
করতে চান যে, তোমাদের মধ্যে কে
সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যদি
আপনি তাদেরকে বলেন যে, “নিশ্চয়
তোমাদেরকে মৃত্যুর পরে জীবিত
ওঠানো হবে, তখন কাফেরেরা অবশ্য
বলে এটা তো স্পষ্ট যাদু!”;
[7] And He it is Who has created the
heavens and the earth in six Days and
His Throne was on the water, that He
might try you, which of you is the best in
deeds. But if you were to say to them:
“You shall indeed be raised up after
death,” those who disbelieve would be
sure to say, “This is nothing but obvious
magic.”
[8] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺃَﺧَّﺮﻧﺎ ﻋَﻨﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ
ﺇِﻟﻰٰ ﺃُﻣَّﺔٍ ﻣَﻌﺪﻭﺩَﺓٍ ﻟَﻴَﻘﻮﻟُﻦَّ ﻣﺎ
ﻳَﺤﺒِﺴُﻪُ ۗ ﺃَﻻ ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺄﺗﻴﻬِﻢ
ﻟَﻴﺲَ ﻣَﺼﺮﻭﻓًﺎ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻭَﺣﺎﻕَ
ﺑِﻬِﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِﻪِ ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[8] আর যদি আমি এক নির্ধারিত মেয়াদ
পর্যন্ত তাদের আযাব স্থগিত রাখি,
তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে কোন
জিনিসে আযাব ঠেকিয়ে রাখছে? শুনে
রাখ, যেদিন তাদের উপর আযাব এসে
পড়বে, সেদিন কিন্তু তা ফিরে যাওয়ার
নয়; তারা যে ব্যাপারে উপহাস করত
তাই তাদেরকে ঘিরে ফেলবে।
[8] And if We delay the torment for them
till a determined term, they are sure to
say, “What keeps it back?” Verily, on the
day it reaches them, nothing will turn it
away from them, and they will be
surrounded by (or fall in) that at which
they used to mock!
[9] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺃَﺫَﻗﻨَﺎ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﻣِﻨّﺎ
ﺭَﺣﻤَﺔً ﺛُﻢَّ ﻧَﺰَﻋﻨٰﻬﺎ ﻣِﻨﻪُ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻟَﻴَـٔﻮﺱٌ ﻛَﻔﻮﺭٌ
[9] আর অবশ্যই যদি আমি মানুষকে
আমার রহমতের আস্বাদ গ্রহণ করতে
দেই, অতঃপর তা তার থেকে ছিনিয়ে
নেই; তাহলে সে হতাশ ও কৃতঘ্ন হয়।
[9] And if We give man a taste of Mercy
from Us, and then withdraw it from him,
verily! he is despairing, ungrateful.
[10] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺃَﺫَﻗﻨٰﻪُ ﻧَﻌﻤﺎﺀَ ﺑَﻌﺪَ
ﺿَﺮّﺍﺀَ ﻣَﺴَّﺘﻪُ ﻟَﻴَﻘﻮﻟَﻦَّ ﺫَﻫَﺐَ
ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕُ ﻋَﻨّﻰ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻔَﺮِﺡٌ
ﻓَﺨﻮﺭٌ
[10] আর যদি তার উপর আপতিত দুঃখ
কষ্টের পরে তাকে সুখভোগ করতে দেই,
তবে সে বলতে থাকে যে, আমার অমঙ্গল
দূর হয়ে গেছে, আর সে আনন্দে
আত্নহারা হয়, অহঙ্কারে উদ্দত হয়ে
পড়ে।
[10] But if We let him taste good (favour)
after evil (poverty and harm) has
touched him, he is sure to say: “Ills have
departed from me.” Surely, he is
exultant, and boastful (ungrateful to
Allâh).
[11] ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ
ﻭَﺃَﺟﺮٌ ﻛَﺒﻴﺮٌ
[11] তবে যারা ধৈর্য্যধারণ করেছে
এবং সৎকার্য করেছে তাদের জন্য
ক্ষমা ও বিরাট প্রতিদান রয়েছে।
[11] Except those who show patience and
do righteous good deeds, those: theirs
will be forgiveness and a great reward
(Paradise).
[12] ﻓَﻠَﻌَﻠَّﻚَ ﺗﺎﺭِﻙٌ ﺑَﻌﺾَ ﻣﺎ
ﻳﻮﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻭَﺿﺎﺋِﻖٌ ﺑِﻪِ
ﺻَﺪﺭُﻙَ ﺃَﻥ ﻳَﻘﻮﻟﻮﺍ ﻟَﻮﻻ ﺃُﻧﺰِﻝَ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻛَﻨﺰٌ ﺃَﻭ ﺟﺎﺀَ ﻣَﻌَﻪُ ﻣَﻠَﻚٌ ۚ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ ﻧَﺬﻳﺮٌ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻭَﻛﻴﻞٌ
[12] আর সম্ভবতঃ ঐসব আহকাম যা ওহীর
মাধ্যমে তোমার নিকট পাঠানো হয়,
তার কিছু অংশ বর্জন করবে? এবং এতে
মন ছোট করে বসবে? তাদের এ কথায়
যে, তাঁর উপর কোন ধন-ভান্ডার কেন
অবতীর্ণ হয়নি? অথবা তাঁর সাথে কোন
ফেরেশতা আসেনি কেন? তুমিতো শুধু
সতর্ককারী মাত্র; আর সব কিছুরই
দায়িত্বভার তো আল্লাহই নিয়েছেন।
[12] So perchance you (Muhammad SAW)
may give up a part of what is revealed
unto you, and that your breast feels
straitened for it because they say, “Why
has not a treasure been sent down unto
him, or an angel has come with him?”
But you are only a warner. And Allâh is
a Wakîl (Disposer of affairs, Trustee,
Guardian) over all things.
[13] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰﻪُ ۖ ﻗُﻞ
ﻓَﺄﺗﻮﺍ ﺑِﻌَﺸﺮِ ﺳُﻮَﺭٍ ﻣِﺜﻠِﻪِ
ﻣُﻔﺘَﺮَﻳٰﺖٍ ﻭَﺍﺩﻋﻮﺍ ﻣَﻦِ
ﺍﺳﺘَﻄَﻌﺘُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[13] তারা কি বলে? কোরআন তুমি
তৈরী করেছ? তুমি বল, তবে তোমরাও
অনুরূপ দশটি সূরা তৈরী করে নিয়ে আস
এবং আল্লাহ ছাড়া যাকে পার ডেকে
নাও, যদি তোমাদের কথা সত্য হয়ে
থাকে।
[13] Or they say, “He (Prophet
Muhammad SAW) forged it (the
Qur’an).” Say: “Bring you then ten forged
Sûrahs (chapters) like unto it, and call
whomsoever you can, other than Allâh
(to your help), if you speak the truth!”
[14] ﻓَﺈِﻟَّﻢ ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﺍ ﻟَﻜُﻢ
ﻓَﺎﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧَّﻤﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺑِﻌِﻠﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺃَﻥ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۖ ﻓَﻬَﻞ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﻣُﺴﻠِﻤﻮﻥَ
[14] অতঃপর তারা যদি তোমাদের
কথা পুরণ করতে অপারগ হয়; তবে জেনে
রাখ, এটি আল্লাহর এলম দ্বারা
অবতীর্ণ হয়েছে; আরো একীন করে
নাও যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন
মাবুদ নেই। অতএব, এখন কি তোমরা
আত্নসমর্পন করবে?
[14] If then they answer you not, know
then that it [the Revelation (this Qur’ân)]
is sent down with the Knowledge of
Allâh and that Lâ ilâha illa Huwa: (none
has the right to be worshipped but He)!
Will you then be Muslims (those who
submit to Islâm)?
[15] ﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺯﻳﻨَﺘَﻬﺎ ﻧُﻮَﻑِّ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﺃَﻋﻤٰﻠَﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﻻ
ﻳُﺒﺨَﺴﻮﻥَ
[15] যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার
চাকচিক্যই কামনা করে, হয় আমি
তাদের দুনিয়াতেই তাদের আমলের
প্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং
তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি
করা হয় না।
[15] Whosoever desires the life of the
world and its glitter; to them We shall
pay in full (the wages of) their deeds
therein, and they will have no
diminution therein.
[16] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻟَﻴﺲَ ﻟَﻬُﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ ۖ
ﻭَﺣَﺒِﻂَ ﻣﺎ ﺻَﻨَﻌﻮﺍ ﻓﻴﻬﺎ
ﻭَﺑٰﻄِﻞٌ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[16] এরাই হল সেসব লোক আখেরাতে
যাদের জন্য আগুন ছাড়া নেই। তারা
এখানে যা কিছু করেছিল সবই বরবাদ
করেছে; আর যা কিছু উপার্জন
করেছিল, সবই বিনষ্ট হল।
[16] They are those for whom there is
nothing in the Hereafter but Fire; and
vain are the deeds they did therein. And
of no effect is that which they used to do
[17] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻴِّﻨَﺔٍ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻪِ ﻭَﻳَﺘﻠﻮﻩُ ﺷﺎﻫِﺪٌ ﻣِﻨﻪُ ﻭَﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻪِ ﻛِﺘٰﺐُ ﻣﻮﺳﻰٰ ﺇِﻣﺎﻣًﺎ
ﻭَﺭَﺣﻤَﺔً ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﻪِ ۚ
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻜﻔُﺮ ﺑِﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻷَﺣﺰﺍﺏِ
ﻓَﺎﻟﻨّﺎﺭُ ﻣَﻮﻋِﺪُﻩُ ۚ ﻓَﻼ ﺗَﻚُ ﻓﻰ
ﻣِﺮﻳَﺔٍ ﻣِﻨﻪُ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻚَ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[17] আচ্ছা বল তো, যে ব্যক্তি তার
প্রভুর সুস্পষ্ট পথে রয়েছে, আর সাথে
সাথে আল্লাহর তরফ থেকে একটি
সাক্ষীও বর্তমান রয়েছে এবং তার
পূর্ববর্তী মূসা (আঃ) এর কিতাবও
সাক্ষী যা ছিল পথনির্দেশক ও রহমত
স্বরূপ, (তিনি কি অন্যান্যের সমান)
অতএব তাঁরা কোরআনের প্রতি ঈমান
আনেন। আর ঐসব দলগুলি যে কেউ তা
অস্বীকার করে, দোযখই হবে তার
ঠিকানা। অতএব, আপনি তাতে কোন
সন্দেহে থাকবেন না। নিঃসন্দেহে তা
আপনার পালনকর্তার পক্ষ হতে ধ্রুব
সত্য; তথাপি অনেকেই তা বিশ্বাস করে
না।
[17] Can they (Muslims) who rely on a
clear proof (the Qur’ân) from their Lord,
and whom a witness [Jibrail (Gabriel
A.S.] from Him recities (follows) it (can
they be equal with the disbelievers); and
before it, came the Book of Mûsa
(Moses), a guidance and a mercy, they
believe therein, but those of the sects
(Jews, Christians and all the other non-
Muslim nations) that reject it (the
Qur’ân), the Fire will be their promised
meeting-place. So be not in doubt about
it (i.e. those who denied Prophet
Muhammad SAW and also denied all that
which he brought from Allâh, surely,
they will enter Hell). Verily, it is the
truth from your Lord, but most of the
mankind believe not
[18] ﻭَﻣَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻳُﻌﺮَﺿﻮﻥَ ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ
ﺍﻷَﺷﻬٰﺪُ ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَﺑﻮﺍ
ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۚ ﺃَﻻ ﻟَﻌﻨَﺔُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[18] আর তাদের চেয়ে বড় যালেম কে
হতে পারে, যারা আল্লাহর প্রতি
মিথ্যারোপ করে। এসব লোককে
তাদের পালনকর্তার সাক্ষাত সম্মূখীন
করা হবে আর সাক্ষিগণ বলতে থাকবে,
এরাই ঐসব লোক, যারা তাদের
পালনকর্তার প্রতি মিথ্যারোপ
করেছিল। শুনে রাখ, যালেমদের উপর
আল্লাহর অভিসম্পাত রয়েছে।
[18] And who does more wrong than he
who invents a lie against Allâh. Such wi,l
be brought before their Lord, and the
witnesses will say, “These are the ones
who lied against their Lord!” No doubt!
the curse of Allâh is on the Zâlimûn
(polytheists, wrong-doers, oppressors)
[19] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺼُﺪّﻭﻥَ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻳَﺒﻐﻮﻧَﻬﺎ ﻋِﻮَﺟًﺎ
ﻭَﻫُﻢ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻫُﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[19] যারা আল্লাহর পথে বাধা দেয়,
আর তাতে বক্রতা খুজে বেড়ায়, এরাই
আখরাতকে অস্বীকার করে।
[19] Those who hinder (others) from the
Path of Allâh (Islâmic Monotheism), and
seek a crookedness therein, while they
are disbelievers in the Hereafter.
[20] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻢ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ
ﻣُﻌﺠِﺰﻳﻦَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻣﺎ
ﻛﺎﻥَ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ۘ ﻳُﻀٰﻌَﻒُ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ۚ
ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ
ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[20] তারা পৃথিবীতেও আল্লাহকে
অপারগ করতে পারবে না এবং আল্লাহ
ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারীও
নেই, তাদের জন্য দ্বিগুণ শাস্তি
রয়েছে; তারা শুনতে পারত না এবং
দেখতেও পেত না।
[20] By no means will they escape (from
Allâh’s Torment) on earth, nor have they
protectors besides Allâh! Their torment
will be doubled! They could not bear to
hear (the preachers of the truth) and
they used not to see (the truth because of
their severe aversoin, inspite of the fact
that they had the sense of hearing and
sight).
[21] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮﻭﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﺿَﻞَّ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻣﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[21] এরা সে লোক, যারা নিজেরাই
নিজেদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, আর
এরা যা কিছু মিথ্যা মা’বুদ সাব্যস্ত
করেছিল, তা সবই তাদের থেকে
হারিয়ে গেছে।
[21] They are those who have lost their
ownselves, and their invented false
deities will vanish from them.
[22] ﻻ ﺟَﺮَﻡَ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻫُﻢُ ﺍﻷَﺧﺴَﺮﻭﻥَ
[22] আখেরাতে এরাই হবে সর্বাধিক
ক্ষতিগ্রস্থ কোন সন্দেহ নেই।
[22] Certainly, they are those who will be
the greatest losers in the Hereafter.
[23] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻭَﺃَﺧﺒَﺘﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻬِﻢ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ۖ ﻫُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[23] নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে ও
সৎকাজ করেছে এবং স্বীয়
পালনকর্তার সমীপে বিনতি প্রকাশ
করেছে তারাই বেহেশতবাসী,
সেখানেই তারা চিরকাল থাকবে।
[23] Verily, those who believe (in the
Oneness of Allâh – Islâmic Monotheism)
and do righteous good deeds, and
humble themselves (in repentance and
obedience) before their Lord, – they will
be dwellers of Paradise to dwell therein
forever.
[24] ۞ ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟﻔَﺮﻳﻘَﻴﻦِ
ﻛَﺎﻷَﻋﻤﻰٰ ﻭَﺍﻷَﺻَﻢِّ ﻭَﺍﻟﺒَﺼﻴﺮِ
ﻭَﺍﻟﺴَّﻤﻴﻊِ ۚ ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮِﻳﺎﻥِ ﻣَﺜَﻠًﺎ ۚ
ﺃَﻓَﻼ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[24] উভয় পক্ষের দৃষ্টান্ত হচ্ছে যেমন
অন্ধ ও বধির এবং যে দেখতে পায় ও
শুনতে পায় উভয়ের অবস্থা কি এক
সমান? তবুও তোমরা কি ভেবে দেখ
না?
[24] The likeness of the two parties is as
the blind and the deaf and the seer and
the hearer. Are they equal when
compared? Will you not then take heed?
[25] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻧﻮﺣًﺎ ﺇِﻟﻰٰ
ﻗَﻮﻣِﻪِ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻜُﻢ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[25] আর অবশ্যই আমি নূহ (আঃ) কে তাঁর
জাতির প্রতি প্রেরণ করেছি, (তিনি
বললেন) নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য
প্রকাশ্য সতর্ককারী।
[25] And indeed We sent Nûh (Noah) to
his people (and he said): “I have come to
you as a plain warner.”
[26] ﺃَﻥ ﻻ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۖ ﺇِﻧّﻰ
ﺃَﺧﺎﻑُ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻋَﺬﺍﺏَ ﻳَﻮﻡٍ
ﺃَﻟﻴﻢٍ
[26] তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারো
এবাদত করবে না। নিশ্চয় আমি
তোমাদের ব্যাপারে এক যন্ত্রণাদায়ক
দিনের আযাবের ভয় করছি।
[26] “That you worship none but Allâh,
surely, I fear for you the torment of a
painful Day.”
[27] ﻓَﻘﺎﻝَ ﺍﻟﻤَﻠَﺄُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻣِﻦ ﻗَﻮﻣِﻪِ ﻣﺎ ﻧَﺮﻯٰﻚَ ﺇِﻟّﺎ ﺑَﺸَﺮًﺍ
ﻣِﺜﻠَﻨﺎ ﻭَﻣﺎ ﻧَﺮﻯٰﻚَ ﺍﺗَّﺒَﻌَﻚَ ﺇِﻟَّﺎ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫُﻢ ﺃَﺭﺍﺫِﻟُﻨﺎ ﺑﺎﺩِﻯَ ﺍﻟﺮَّﺃﻯِ
ﻭَﻣﺎ ﻧَﺮﻯٰ ﻟَﻜُﻢ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻞٍ ﺑَﻞ ﻧَﻈُﻨُّﻜُﻢ ﻛٰﺬِﺑﻴﻦَ
[27] তখন তাঁর কওমের কাফের প্রধানরা
বলল আমরা তো আপনাকে আমাদের মত
একজন মানুষ ব্যতীত আর কিছু মনে করি
না; আর আমাদের মধ্যে যারা ইতর ও
স্থুল-বুদ্ধিসম্পন্ন তারা ব্যতীত কাউকে
তো আপনার আনুগত্য করতে দেখি না
এবং আমাদের উপর আপনাদের কেন
প্রাধান্য দেখি না, বরং আপনারা
সবাই মিথ্যাবাদী বলে আমারা মনে
করি।
[27] The chiefs who the disbelieved
among his people said: “We see you but
a man like ourselves, nor do we see any
follow you but the meanest among us
and they (too) followed you without
thinking. And we do not see in you any
merit above us, in fact we think you are
liars.”
[28] ﻗﺎﻝَ ﻳٰﻘَﻮﻡِ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ
ﻛُﻨﺖُ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻴِّﻨَﺔٍ ﻣِﻦ ﺭَﺑّﻰ
ﻭَﺀﺍﺗﻯٰﻨﻰ ﺭَﺣﻤَﺔً ﻣِﻦ ﻋِﻨﺪِﻩِ
ﻓَﻌُﻤِّﻴَﺖ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺃَﻧُﻠﺰِﻣُﻜُﻤﻮﻫﺎ
ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﻟَﻬﺎ ﻛٰﺮِﻫﻮﻥَ
[28] নূহ (আঃ) বললেন-হে আমার জাতি!
দেখ তো আমি যদি আমার
পালনকর্তার পক্ষ হতে স্পষ্ট দলীলের
উপর থাক, আর তিনি যদি তাঁর পক্ষ হতে
আমাকে রহমত দান করে থাকেন,
তারপরেও তা তোমাদের চোখে না
পড়ে, তাহলে আমি কি উহা তোমাদের
উপর তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই
চাপিয়ে দিতে পারি ?
[28] He said: “O my people! Tell me, if I
have a clear proof from my Lord, and a
Mercy (Prophethood) has come to me
from Him, but that (Mercy) has been
obscured from your sight. Shall we
compel you to accept it (Islâmic
Monotheism) when you have a strong
hatred for it?
[29] ﻭَﻳٰﻘَﻮﻡِ ﻻ ﺃَﺳـَٔﻠُﻜُﻢ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﻣﺎﻟًﺎ ۖ ﺇِﻥ ﺃَﺟﺮِﻯَ ﺇِﻟّﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﺑِﻄﺎﺭِﺩِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ۚ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻣُﻠٰﻘﻮﺍ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻨّﻰ
ﺃَﺭﻯٰﻜُﻢ ﻗَﻮﻣًﺎ ﺗَﺠﻬَﻠﻮﻥَ
[29] আর হে আমার জাতি! আমি তো
এজন্য তোমাদের কাছে কোন অর্থ
চাই না; আমার পারিশ্রমিক তো
আল্লাহর জিম্মায় রয়েছে। আমি কিন্তু
ঈমানদারদের তাড়িয়ে দিতে পারি
না। তারা অবশ্যই তাদের পালনকর্তার
সাক্ষাত লাভ করবে। বরঞ্চ
তোমাদেরই আমি অজ্ঞ সম্প্রদায়
দেখছি।
[29] “And O my people! I ask of you no
wealth for it, my reward is from none
but Allâh. I am not going to drive away
those who have believed. Surely, they are
going to meet their Lord, but I see that
you are a people that are ignorant
[30] ﻭَﻳٰﻘَﻮﻡِ ﻣَﻦ ﻳَﻨﺼُﺮُﻧﻰ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ ﻃَﺮَﺩﺗُﻬُﻢ ۚ ﺃَﻓَﻼ
ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[30] আর হে আমার জাতি! আমি যদি
তাদের তাড়িয়ে দেই তাহলে আমাকে
আল্লাহ হতে রেহাই দেবে কে?
তোমরা কি চিন্তা করে দেখ না?
[30] “And O my people! Who will help
me against Allâh, if I drove them away?
Will you not then give a thought?
[31] ﻭَﻻ ﺃَﻗﻮﻝُ ﻟَﻜُﻢ ﻋِﻨﺪﻯ
ﺧَﺰﺍﺋِﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐَ
ﻭَﻻ ﺃَﻗﻮﻝُ ﺇِﻧّﻰ ﻣَﻠَﻚٌ ﻭَﻻ ﺃَﻗﻮﻝُ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺰﺩَﺭﻯ ﺃَﻋﻴُﻨُﻜُﻢ ﻟَﻦ
ﻳُﺆﺗِﻴَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻴﺮًﺍ ۖ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﻤﺎ ﻓﻰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﺇِﺫًﺍ
ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[31] আর আমি তোমাদেরকে বলি না
যে, আমার কাছে আল্লাহর ভান্ডার
রয়েছে এবং একথাও বলি না যে, আমি
গায়বী খবরও জানি; একথাও বলি না
যে, আমি একজন ফেরেশতা; আর
তোমাদের দৃষ্টিতে যারা লাঞ্ছিত
আল্লাহ তাদের কোন কল্যাণ দান
করবেন না। তাদের মনের কথা আল্লাহ
ভাল করেই জানেন। সুতরাং এমন কথা
বললে আমি অন্যায় কারী হব।
[31] “And I do not say to you that with
me are the Treasures of Allâh, “Nor that I
know the Ghaib (unseen);”nor do I say I
am an angel, and I do not say of those
whom your eyes look down upon that
Allâh will not bestow any good on them.
Allâh knows what is in their inner-selves
(as regards belief, etc.). In that case, I
should, indeed be one of the Zâlimûn
(wrong-doers, oppressors).”
[32] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﻨﻮﺡُ ﻗَﺪ ﺟٰﺪَﻟﺘَﻨﺎ
ﻓَﺄَﻛﺜَﺮﺕَ ﺟِﺪٰﻟَﻨﺎ ﻓَﺄﺗِﻨﺎ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌِﺪُﻧﺎ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺖَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[32] তারা বলল-হে নূহ! আমাদের সাথে
আপনি তর্ক করেছেন এবং অনেক কলহ
করেছেন। এখন আপনার সেই আযাব
নিয়ে আসুন, যে সম্পর্কে আপনি
আমাদিগকে সতর্ক করেছেন, যদি
আপনি সত্যবাদী হয়ে থাকেন।
[32] They said: “O Nûh (Noah)! You have
disputed with us and much have you
prolonged the dispute with us, now bring
upon us what you threaten us with, if
you are of the truthful.”
[33] ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻢ ﺑِﻪِ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺘُﻢ ﺑِﻤُﻌﺠِﺰﻳﻦَ
[33] তিনি বলেন, উহা তোমাদের
কাছে আল্লাহই আনবেন, যদি তিনি
ইচ্ছা করেন তখন তোমরা পালিয়ে
তাঁকে অপারগ করতে পারবে না।
[33] He said: “Only Allâh will bring it
(the punishment) on you, if He wills, and
then you will escape not.
[34] ﻭَﻻ ﻳَﻨﻔَﻌُﻜُﻢ ﻧُﺼﺤﻰ ﺇِﻥ
ﺃَﺭَﺩﺕُ ﺃَﻥ ﺃَﻧﺼَﺢَ ﻟَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﻳُﻐﻮِﻳَﻜُﻢ ۚ ﻫُﻮَ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[34] আর আমি তোমাদের নসীহত করতে
চাইলেও তা তোমাদের জন্য ফলপ্রসূ
হবে না, যদি আল্লাহ তোমাদেরকে
গোমরাহ করতে চান; তিনিই
তোমাদের পালনকর্তা এবং তাঁর
কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে।
[34] “And my advice will not profit you,
even if I wish to give you good counsel,
if Allâh’s Will is to keep you astray. He is
your Lord! and to Him you shall return.”
[35] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰﻪُ ۖ ﻗُﻞ
ﺇِﻥِ ﺍﻓﺘَﺮَﻳﺘُﻪُ ﻓَﻌَﻠَﻰَّ ﺇِﺟﺮﺍﻣﻰ
ﻭَﺃَﻧﺎ۠ ﺑَﺮﻱﺀٌ ﻣِﻤّﺎ ﺗُﺠﺮِﻣﻮﻥَ
[35] তারা কি বলে? আপনি কোরআন
রচনা করে এনেছেন? আপনি বলে দিন
আমি যদি রচনা করে এনে থাকি, তবে
সে অপরাধ আমার, আর তোমরা যেসব
অপরাধ কর তার সাথে আমার কোন
সম্পর্ক নেই।
[35] Or they (the pagans of Makkah) say:
“He (Muhammad SAW) has fabricated it
(the Qur’ân).” Say: “If I have fabricated
it, upon me be my crimes, but I am
innocent of (all) those crimes which you
commit.”
[36] ﻭَﺃﻭﺣِﻰَ ﺇِﻟﻰٰ ﻧﻮﺡٍ ﺃَﻧَّﻪُ ﻟَﻦ
ﻳُﺆﻣِﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﻮﻣِﻚَ ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻦ ﻗَﺪ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﻓَﻼ ﺗَﺒﺘَﺌِﺲ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ
[36] আর নূহ (আঃ) এর প্রতি ওহী প্রেরণ
করা হলো যে, যারা ইতিমধ্যেই ঈমান
এনেছে তাদের ছাড়া আপনার জাতির
অন্য কেউ ঈমান আনবেনা এতএব তাদের
কার্যকলাপে বিমর্ষ হবেন না।
[36] And it was revealed to Nûh (Noah):
“None of your people will believe except
those who have believed already. So be
not sad because of what they used to do.
[37] ﻭَﺍﺻﻨَﻊِ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ ﺑِﺄَﻋﻴُﻨِﻨﺎ
ﻭَﻭَﺣﻴِﻨﺎ ﻭَﻻ ﺗُﺨٰﻄِﺒﻨﻰ ﻓِﻰ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ۚ ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻣُﻐﺮَﻗﻮﻥَ
[37] আর আপনি আমার সম্মুখে আমারই
নির্দেশ মোতাবেক একটি নৌকা
তৈরী করুন এবং পাপিষ্ঠদের ব্যাপারে
আমাকে কোন কথা বলবেন না। অবশ্যই
তারা ডুবে মরবে।
[37] “And construct the ship under Our
Eyes and with Our Revelation, and call
not upon Me on behalf of those who did
wrong; they are surely to be drowned.”
[38] ﻭَﻳَﺼﻨَﻊُ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ ﻭَﻛُﻠَّﻤﺎ ﻣَﺮَّ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻣَﻠَﺄٌ ﻣِﻦ ﻗَﻮﻣِﻪِ ﺳَﺨِﺮﻭﺍ
ﻣِﻨﻪُ ۚ ﻗﺎﻝَ ﺇِﻥ ﺗَﺴﺨَﺮﻭﺍ ﻣِﻨّﺎ
ﻓَﺈِﻧّﺎ ﻧَﺴﺨَﺮُ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻛَﻤﺎ
ﺗَﺴﺨَﺮﻭﻥَ
[38] তিনি নৌকা তৈরী করতে
লাগলেন, আর তাঁর কওমের নেতৃস্থানীয়
ব্যক্তিরা যখন পার্শ্ব দিয়ে যেত, তখন
তাঁকে বিদ্রুপ করত। তিনি বললেন,
তোমরা যদি আমাদের উপহাস করে
থাক, তবে তোমরা যেমন উপহাস করছ
আমরাও তদ্রুপ তোমাদের উপহাস
করছি।
[38] And as he was constructing the ship,
whenever the chiefs of his people passed
by him, they made a mocked at him. He
said: “If you mock at us, so do we mock
at you likewise for your mocking
[39] ﻓَﺴَﻮﻑَ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﻣَﻦ
ﻳَﺄﺗﻴﻪِ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻳُﺨﺰﻳﻪِ ﻭَﻳَﺤِﻞُّ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻣُﻘﻴﻢٌ
[39] অতঃপর অচিরেই জানতে পারবে-
লাঞ্ছনাজনক আযাব কার উপর আসে
এবং চিরস্থায়ী আযাব কার উপর
অবতরণ করে।
[39] “And you will know who it is on
whom will come a torment that will
cover him with disgrace and on whom
will fall a lasting torment.”
[40] ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ ﺃَﻣﺮُﻧﺎ ﻭَﻓﺎﺭَ
ﺍﻟﺘَّﻨّﻮﺭُ ﻗُﻠﻨَﺎ ﺍﺣﻤِﻞ ﻓﻴﻬﺎ ﻣِﻦ
ﻛُﻞٍّ ﺯَﻭﺟَﻴﻦِ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ﻭَﺃَﻫﻠَﻚَ ﺇِﻟّﺎ
ﻣَﻦ ﺳَﺒَﻖَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺍﻟﻘَﻮﻝُ ﻭَﻣَﻦ
ﺀﺍﻣَﻦَ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺀﺍﻣَﻦَ ﻣَﻌَﻪُ ﺇِﻟّﺎ
ﻗَﻠﻴﻞٌ
[40] অবশেষে যখন আমার হুকুম এসে
পৌঁছাল এবং ভুপৃষ্ঠ উচ্ছসিত হয়ে উঠল,
আমি বললামঃ সর্বপ্রকার জোড়ার
দুটি করে এবং যাদের উপরে পূর্বহেßই
হুকুম হয়ে গেছে তাদের বাদি দিয়ে,
আপনার পরিজনবর্গ ও সকল
ঈমানদারগণকে নৌকায় তুলে নিন।
বলাবাহুল্য অতি অল্পসংখ্যক লোকই
তাঁর সাথে ঈমান এনেছিল।
[40] (So it was) till when Our Command
came and the oven gushed forth (water
like fountains from the earth). We said:
“Embark therein, of each kind two (male
and female), and your family – except
him against whom the Word has already
gone forth – and those who believe. And
none believed with him, except a few.”
[41] ۞ ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﺭﻛَﺒﻮﺍ ﻓﻴﻬﺎ
ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺠﺮ۪ﻯٰﻬﺎ
ﻭَﻣُﺮﺳﻯٰﻬﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[41] আর তিনি বললেন, তোমরা এতে
আরোহন কর। আল্লাহর নামেই এর গতি
ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি
ক্ষমাপরায়ন, মেহেরবান।
[41] And he [Nûh (Noah) A.S.] said:
“Embark therein, in the Name of Allâh
will be its (moving) course and its
(resting) anchorage. Surely, my Lord is
Oft-Forgiving, Most Merciful.” (Tafsir At-
Tabarî)
[42] ﻭَﻫِﻰَ ﺗَﺠﺮﻯ ﺑِﻬِﻢ ﻓﻰ
ﻣَﻮﺝٍ ﻛَﺎﻟﺠِﺒﺎﻝِ ﻭَﻧﺎﺩﻯٰ ﻧﻮﺡٌ
ﺍﺑﻨَﻪُ ﻭَﻛﺎﻥَ ﻓﻰ ﻣَﻌﺰِﻝٍ ﻳٰﺒُﻨَﻰَّ
ﺍﺭﻛَﺐ ﻣَﻌَﻨﺎ ﻭَﻻ ﺗَﻜُﻦ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[42] আর নৌকাখানি তাদের বহন করে
চলল পর্বত প্রমাণ তরঙ্গমালার মাঝে,
আর নূহ (আঃ) তাঁর পুত্রকে ডাক দিলেন
আর সে সরে রয়েছিল, তিনি বললেন,
প্রিয় বৎস! আমাদের সাথে আরোহন কর
এবং কাফেরদের সাথে থেকো না।
[42] So it (the ship) sailed with them
amidst the waves like mountains, and
Nûh (Noah) called out to his son, who
had separated himself (apart), “O my
son! Embark with us and be not with the
disbelievers.”
[43] ﻗﺎﻝَ ﺳَـٔﺎﻭﻯ ﺇِﻟﻰٰ ﺟَﺒَﻞٍ
ﻳَﻌﺼِﻤُﻨﻰ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤﺎﺀِ ۚ ﻗﺎﻝَ ﻻ
ﻋﺎﺻِﻢَ ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﻣِﻦ ﺃَﻣﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟّﺎ
ﻣَﻦ ﺭَﺣِﻢَ ۚ ﻭَﺣﺎﻝَ ﺑَﻴﻨَﻬُﻤَﺎ
ﺍﻟﻤَﻮﺝُ ﻓَﻜﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﻐﺮَﻗﻴﻦَ
[43] সে বলল, আমি অচিরেই কোন
পাহাড়ে আশ্রয় নেব, যা আমাকে পানি
হতে রক্ষা করবে। নূহ (আঃ) বল্লেন
আজকের দিনে আল্লাহর হুকুম থেকে
কোন রক্ষাকারী নেই। একমাত্র তিনি
যাকে দয়া করবেন। এমন সময় উভয়ের
মাঝে তরঙ্গ আড়াল হয়ে দাঁড়াল, ফলে
সে নিমজ্জিত হল।
[43] (The son) replied: “I will betake
myself to some mountain, it will save me
from the water.” Nûh (Noah) said: “This
day there is no saviour from the Decree
of Allâh except him on whom He has
mercy.” And a waves came in between
them, so he (the son) was among the
drowned.
[44] ﻭَﻗﻴﻞَ ﻳٰﺄَﺭﺽُ ﺍﺑﻠَﻌﻰ
ﻣﺎﺀَﻙِ ﻭَﻳٰﺴَﻤﺎﺀُ ﺃَﻗﻠِﻌﻰ
ﻭَﻏﻴﺾَ ﺍﻟﻤﺎﺀُ ﻭَﻗُﻀِﻰَ ﺍﻷَﻣﺮُ
ﻭَﺍﺳﺘَﻮَﺕ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺠﻮﺩِﻯِّ ۖ
ﻭَﻗﻴﻞَ ﺑُﻌﺪًﺍ ﻟِﻠﻘَﻮﻡِ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[44] আর নির্দেশ দেয়া হল-হে পৃথিবী!
তোমার পানি গিলে ফেল, আর হে
আকাশ, ক্ষান্ত হও। আর পানি হ্রাস
করা হল এবং কাজ শেষ হয়ে গেল, আর
জুদী পর্বতে নৌকা ভিড়ল এবং
ঘোষনা করা হল, দুরাত্না কাফেররা
নিপাত যাক।
[44] And it was said: “O earth! Swallow
up your water, and O sky! Withhold
(your rain).” And the water was made to
subside and the Decree (of Allâh) was
fulfilled (i.e. the destruction of the
people of Nûh (Noah). And it (the ship)
rested on Mount Judi, and it was said:
“Away with the people who are Zalimûn
(polytheists and wrong-doers)!”
[45] ﻭَﻧﺎﺩﻯٰ ﻧﻮﺡٌ ﺭَﺑَّﻪُ ﻓَﻘﺎﻝَ
ﺭَﺏِّ ﺇِﻥَّ ﺍﺑﻨﻰ ﻣِﻦ ﺃَﻫﻠﻰ ﻭَﺇِﻥَّ
ﻭَﻋﺪَﻙَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻭَﺃَﻧﺖَ ﺃَﺣﻜَﻢُ
ﺍﻟﺤٰﻜِﻤﻴﻦَ
[45] আর নূহ (আঃ) তাঁর পালনকর্তাকে
ডেকে বললেন-হে পরওয়ারদেগার,
আমার পুত্র তো আমার পরিজনদের
অন্তর্ভুক্ত; আর আপনার ওয়াদাও
নিঃসন্দেহে সত্য আর আপনিই
সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞ ফয়সালাকারী।
[45] And Nûh (Noah) called upon his
Lord and said, “O my Lord! Verily, my
son is of my family! And certainly, Your
Promise is true, and You are the Most
Just of the judges.”
[46] ﻗﺎﻝَ ﻳٰﻨﻮﺡُ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻴﺲَ ﻣِﻦ
ﺃَﻫﻠِﻚَ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﻋَﻤَﻞٌ ﻏَﻴﺮُ ﺻٰﻠِﺢٍ ۖ
ﻓَﻼ ﺗَﺴـَٔﻠﻦِ ﻣﺎ ﻟَﻴﺲَ ﻟَﻚَ ﺑِﻪِ
ﻋِﻠﻢٌ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﻋِﻈُﻚَ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻥَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠٰﻬِﻠﻴﻦَ
[46] আল্লাহ বলেন, হে নূহ! নিশ্চয় সে
আপনার পরিবারভুক্ত নয়। নিশ্চই সে
দুরাচার! সুতরাং আমার কাছে এমন
দরখাস্ত করবেন না, যার খবর আপনি
জানেন না। আমি আপনাকে উপপদেশ
দিচ্ছি যে, আপনি অজ্ঞদের দলভুক্ত
হবেন না।
[46] He said: “O Nûh (Noah)! Surely, he
is not of your family; verily, his work is
unrighteous, so ask not of Me that of
which you have no knowledge! I
admonish you, lest you be one of the
ignorant.”
[47] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﻋﻮﺫُ ﺑِﻚَ
ﺃَﻥ ﺃَﺳـَٔﻠَﻚَ ﻣﺎ ﻟَﻴﺲَ ﻟﻰ ﺑِﻪِ
ﻋِﻠﻢٌ ۖ ﻭَﺇِﻟّﺎ ﺗَﻐﻔِﺮ ﻟﻰ ﻭَﺗَﺮﺣَﻤﻨﻰ
ﺃَﻛُﻦ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻳﻦَ
[47] নূহ (আঃ) বলেন-হে আমার
পালনকর্তা আমার যা জানা নেই এমন
কোন দরখাস্ত করা হতে আমি আপনার
কাছেই আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনি
যদি আমাকে ক্ষমা না করেন, দয়া না
করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব।
[47] Nûh (Noah) said: “O my Lord! I seek
refuge with You from asking You that of
which I have no knowledge. And unless
You forgive me and have Mercy on me, I
will indeed be one of the losers.”
[48] ﻗﻴﻞَ ﻳٰﻨﻮﺡُ ﺍﻫﺒِﻂ ﺑِﺴَﻠٰﻢٍ
ﻣِﻨّﺎ ﻭَﺑَﺮَﻛٰﺖٍ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻭَﻋَﻠﻰٰ
ﺃُﻣَﻢٍ ﻣِﻤَّﻦ ﻣَﻌَﻚَ ۚ ﻭَﺃُﻣَﻢٌ
ﺳَﻨُﻤَﺘِّﻌُﻬُﻢ ﺛُﻢَّ ﻳَﻤَﺴُّﻬُﻢ ﻣِﻨّﺎ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[48] হুকুম হল-হে নূহ (আঃ)! আমার পক্ষ
হতে নিরাপত্তা এবং আপনার নিজের
ও সঙ্গীয় সম্প্রদায়গুলির উপর বরকত
সহকারে অবতরণ করুণ। আর অন্যান্য
যেসব সম্প্রদায় রয়েছে আমি তাদের
কেও উপকৃত হতে দেব। অতঃপর তাদের
উপর আমার দরুন আযাব আপতিত হবে।
[48] It was said: “O Nûh (Noah)! Come
down (from the ship) with peace from Us
and blessings on you and on the people
who are with you