12. আল ইউসুফ (01-111)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺮ ۚ ﺗِﻠﻚَ ﺀﺍﻳٰﺖُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ
ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦِ
[1] আলিফ-লা-ম-রা; এগুলো সুস্পষ্ট
গ্রন্থের আয়াত।
[1] Alif-Lâm-Râ. [These letters are one of
the miracles of the Qur’an, and none but
Allâh (Alone) knows their meanings].
These are the Verses of the Clear Book
(the Qur’ân that makes clear the legal
and illegal things, laws, a guidance and a
blessing).
[2] ﺇِﻧّﺎ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ ﻗُﺮﺀٰﻧًﺎ ﻋَﺮَﺑِﻴًّﺎ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[2] আমি একে আরবী ভাষায় কোরআন
রূপে অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা
বুঝতে পার।
[2] Verily, We have sent it down as an
Arabic Qur’ân in order that you may
understand.
[3] ﻧَﺤﻦُ ﻧَﻘُﺺُّ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺃَﺣﺴَﻦَ
ﺍﻟﻘَﺼَﺺِ ﺑِﻤﺎ ﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻚَ
ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥَ ﻭَﺇِﻥ ﻛُﻨﺖَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻪِ ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﻐٰﻔِﻠﻴﻦَ
[3] আমি তোমার নিকট উত্তম কাহিনী
বর্ণনা করেছি, যেমতে আমি এ
কোরআন তোমার নিকট অবতীর্ণ
করেছি। তুমি এর আগে অবশ্যই এ
ব্যাপারে অনবহিতদের অন্তর্ভূক্ত
ছিলে।
[3] We relate unto you (Muhammad
SAW) the best of stories through Our
Revelations unto you, of this Qur’ân. And
before this (i.e. before the coming of
Divine Revelation to you), you were
among those who knew nothing about it
(the Qur’ân)
[4] ﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﻳﻮﺳُﻒُ ﻟِﺄَﺑﻴﻪِ
ﻳٰﺄَﺑَﺖِ ﺇِﻧّﻰ ﺭَﺃَﻳﺖُ ﺃَﺣَﺪَ ﻋَﺸَﺮَ
ﻛَﻮﻛَﺒًﺎ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ
ﺭَﺃَﻳﺘُﻬُﻢ ﻟﻰ ﺳٰﺠِﺪﻳﻦَ
[4] যখন ইউসুফ পিতাকে বললঃ পিতা,
আমি স্বপ্নে দেখেছি এগারটি
নক্ষত্রকে। সুর্যকে এবং চন্দ্রকে। আমি
তাদেরকে আমার উদ্দেশে সেজদা
করতে দেখেছি।
[4] (Remember) when Yûsuf (Joseph) said
to his father: “O my father! Verily, I saw
(in a dream) eleven stars and the sun
and the moon,— I saw them prostrating
themselves to me.”
[5] ﻗﺎﻝَ ﻳٰﺒُﻨَﻰَّ ﻻ ﺗَﻘﺼُﺺ
ﺭُﺀﻳﺎﻙَ ﻋَﻠﻰٰ ﺇِﺧﻮَﺗِﻚَ
ﻓَﻴَﻜﻴﺪﻭﺍ ﻟَﻚَ ﻛَﻴﺪًﺍ ۖ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦَ ﻟِﻺِﻧﺴٰﻦِ ﻋَﺪُﻭٌّ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[5] তিনি বললেনঃ বৎস, তোমার
ভাইদের সামনে এ স্বপ্ন বর্ণনা করো
না। তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে
চক্রান্ত করবে। নিশ্চয় শয়তান মানুষের
প্রকাশ্য।
[5] He (the father) said: “O my son!
Relate not your vision to your brothers,
lest they arrange a plot against you.
Verily! Shaitân (Satan) is to man an open
enemy!
[6] ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳَﺠﺘَﺒﻴﻚَ ﺭَﺑُّﻚَ
ﻭَﻳُﻌَﻠِّﻤُﻚَ ﻣِﻦ ﺗَﺄﻭﻳﻞِ
ﺍﻷَﺣﺎﺩﻳﺚِ ﻭَﻳُﺘِﻢُّ ﻧِﻌﻤَﺘَﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻭَﻋَﻠﻰٰ ﺀﺍﻝِ ﻳَﻌﻘﻮﺏَ
ﻛَﻤﺎ ﺃَﺗَﻤَّﻬﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﺑَﻮَﻳﻚَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞُ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻭَﺇِﺳﺤٰﻖَ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺭَﺑَّﻚَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[6] এমনিভাবে তোমার পালনকর্তা
তোমাকে মনোনীত করবেন এবং
তোমাকে বাণীসমূহের নিগুঢ় তত্ত্ব
শিক্ষা দেবেন এবং পূর্ণ করবেন স্বীয়
অনুগ্রহ তোমার প্রতি ও ইয়াকুব
পরিবার-পরিজনের প্রতি; যেমন
ইতিপূর্বে তোমার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম ও
ইসহাকের প্রতি পূর্ণ করেছেন। নিশ্চয়
তোমার পালনকর্তা অত্যন্ত জ্ঞানী,
প্রজ্ঞাময়।
[6] “Thus will your Lord choose you and
teach you the interpretation of dreams
(and other things) and perfect His
Favour on you and on the offspring of
Ya’qûb (Jacob), as He perfected it on
your fathers, Ibrahîm (Abraham) and
Ishâq (Isaac) aforetime! Verily, your
Lord is All-Knowing, All-Wise.”
[7] ۞ ﻟَﻘَﺪ ﻛﺎﻥَ ﻓﻰ ﻳﻮﺳُﻒَ
ﻭَﺇِﺧﻮَﺗِﻪِ ﺀﺍﻳٰﺖٌ ﻟِﻠﺴّﺎﺋِﻠﻴﻦَ
[7] অবশ্য ইউসুফ ও তাঁর ভাইদের
কাহিনীতে জিজ্ঞাসুদের জন্যে
নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[7] Verily, in Yûsuf (Joseph) and his
brethren, there were Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) for those who ask.
[8] ﺇِﺫ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻴﻮﺳُﻒُ ﻭَﺃَﺧﻮﻩُ
ﺃَﺣَﺐُّ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺑﻴﻨﺎ ﻣِﻨّﺎ ﻭَﻧَﺤﻦُ
ﻋُﺼﺒَﺔٌ ﺇِﻥَّ ﺃَﺑﺎﻧﺎ ﻟَﻔﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ
ﻣُﺒﻴﻦٍ
[8] যখন তারা বললঃ অবশ্যই ইউসুফ ও
তাঁর ভাই আমাদের পিতার কাছে
আমাদের চাইতে অধিক প্রিয় অথচ
আমরা একটা সংহত শক্তি বিশেষ।
নিশ্চয় আমাদের পিতা স্পষ্ট
ভ্রান্তিতে রয়েছেন।
[8] When they said: “Truly, Yûsuf
(Joseph) and his brother (Benjamin) are
dearer to our father than we, but we are
a strong group. Really, our father is in a
plain error.
[9] ﺍﻗﺘُﻠﻮﺍ ﻳﻮﺳُﻒَ ﺃَﻭِ
ﺍﻃﺮَﺣﻮﻩُ ﺃَﺭﺿًﺎ ﻳَﺨﻞُ ﻟَﻜُﻢ
ﻭَﺟﻪُ ﺃَﺑﻴﻜُﻢ ﻭَﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِﻩِ ﻗَﻮﻣًﺎ ﺻٰﻠِﺤﻴﻦَ
[9] হত্যা কর ইউসুফকে কিংবা ফেলে
আস তাকে অন্য কোন স্থানে। এতে শুধু
তোমাদের প্রতিই তোমাদের পিতার
মনোযোগ নিবিষ্ট হবে এবং এরপর
তোমরা যোগ্য বিবেচিত হয়ে
থাকবে।
[9] “Kill Yûsuf (Joseph) or cast him out to
some (other) land, so that the favour of
your father may be given to you alone,
and after that you will be righteous folk
(by intending repentance before
committing the sin).”
[10] ﻗﺎﻝَ ﻗﺎﺋِﻞٌ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻻ ﺗَﻘﺘُﻠﻮﺍ
ﻳﻮﺳُﻒَ ﻭَﺃَﻟﻘﻮﻩُ ﻓﻰ ﻏَﻴٰﺒَﺖِ
ﺍﻟﺠُﺐِّ ﻳَﻠﺘَﻘِﻄﻪُ ﺑَﻌﺾُ
ﺍﻟﺴَّﻴّﺎﺭَﺓِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻓٰﻌِﻠﻴﻦَ
[10] তাদের মধ্য থেকে একজন বলল,
তোমরা ইউসুফ কে হত্যা করো না,
বরং ফেলে দাও তাকে অন্ধকূপে যাতে
কোন পথিক তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়,
যদি তোমাদের কিছু করতেই হয়।
[10] One from among them said: “Kill
not Yûsuf (Joseph), but if you must do
something, throw him down to the
bottom of a well, he will be picked up by
some caravan of travellers.”
[11] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﺄَﺑﺎﻧﺎ ﻣﺎ ﻟَﻚَ ﻻ
ﺗَﺄﻣَ۫ﻨّﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻳﻮﺳُﻒَ ﻭَﺇِﻧّﺎ ﻟَﻪُ
ﻟَﻨٰﺼِﺤﻮﻥَ
[11] তারা বললঃ পিতাঃ ব্যাপার কি,
আপনি ইউসুফের ব্যাপারে আমাদেরকে
বিশ্বাস করেন না ? আমরা তো তার
হিতাকাংখী।
[11] They said: “O our father! Why do
you not trust us with Yûsuf (Joseph)
though we are indeed his well-wishers?”
[12] ﺃَﺭﺳِﻠﻪُ ﻣَﻌَﻨﺎ ﻏَﺪًﺍ ﻳَﺮﺗَﻊ
ﻭَﻳَﻠﻌَﺐ ﻭَﺇِﻧّﺎ ﻟَﻪُ ﻟَﺤٰﻔِﻈﻮﻥَ
[12] আগামীকাল তাকে আমাদের
সাথে প্রেরণ করুন-তৃপ্তিসহ খাবে এবং
খেলাধুলা করবে এবং আমরা অবশ্যই
তার রক্ষণাবেক্ষন করব।
[12] “Send him with us tomorrow to
enjoy himself and play, and verily, we
will take care of him.”
[13] ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻴَﺤﺰُﻧُﻨﻰ ﺃَﻥ
ﺗَﺬﻫَﺒﻮﺍ ﺑِﻪِ ﻭَﺃَﺧﺎﻑُ ﺃَﻥ ﻳَﺄﻛُﻠَﻪُ
ﺍﻟﺬِّﺋﺐُ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﻋَﻨﻪُ ﻏٰﻔِﻠﻮﻥَ
[13] তিনি বললেনঃ আমার দুশ্চিন্তা হয়
যে, তোমরা তাকে নিয়ে যাবে এবং
আমি আশঙ্কা করি যে, ব্যাঘ্র তাঁকে
খেয়ে ফেলবে এবং তোমরা তার দিক
থেকে গাফেল থাকবে।
[13] He [Ya’qûb (Jacob)] said: “Truly, it
saddens me that you should take him
away. I fear lest a wolf should devour
him, while you are careless of him.”
[14] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﺌِﻦ ﺃَﻛَﻠَﻪُ ﺍﻟﺬِّﺋﺐُ
ﻭَﻧَﺤﻦُ ﻋُﺼﺒَﺔٌ ﺇِﻧّﺎ ﺇِﺫًﺍ
ﻟَﺨٰﺴِﺮﻭﻥَ
[14] তারা বললঃ আমরা একটি ভারী
দল থাকা সত্ত্বেও যদি ব্যাঘ্র তাকে
খেয়ে ফেলে, তবে আমরা সবই
হারালাম।
[14] They said: “If a wolf devours him,
while we are a strong group (to guard
him), then surely, we are the losers.”
[15] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺫَﻫَﺒﻮﺍ ﺑِﻪِ ﻭَﺃَﺟﻤَﻌﻮﺍ
ﺃَﻥ ﻳَﺠﻌَﻠﻮﻩُ ﻓﻰ ﻏَﻴٰﺒَﺖِ
ﺍﻟﺠُﺐِّ ۚ ﻭَﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﻟَﺘُﻨَﺒِّﺌَﻨَّﻬُﻢ ﺑِﺄَﻣﺮِﻫِﻢ ﻫٰﺬﺍ ﻭَﻫُﻢ
ﻻ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[15] অতঃপর তারা যখন তাকে নিয়ে
চলল এবং অন্ধকূপে নিক্ষেপ করতে
একমত হল এবং আমি তাকে ইঙ্গিত
করলাম যে, তুমি তাদেরকে তাদের এ
কাজের কথা বলবে এমতাবস্থায় যে,
তারা তোমাকে চিনবে না।
[15] So, when they took him away, they
all agreed to throw him down to the
bottom of the well (they did so), and We
revealed to him: “Indeed, you shall (one
day) inform them of this their affair,
when they know (you) not.”
[16] ﻭَﺟﺎﺀﻭ ﺃَﺑﺎﻫُﻢ ﻋِﺸﺎﺀً
ﻳَﺒﻜﻮﻥَ
[16] তারা রাতের বেলায় কাঁদতে
কাঁদতে পিতার কাছে এল।
[16] And they came to their father in the
early part of the night weeping.
[17] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﺄَﺑﺎﻧﺎ ﺇِﻧّﺎ ﺫَﻫَﺒﻨﺎ
ﻧَﺴﺘَﺒِﻖُ ﻭَﺗَﺮَﻛﻨﺎ ﻳﻮﺳُﻒَ ﻋِﻨﺪَ
ﻣَﺘٰﻌِﻨﺎ ﻓَﺄَﻛَﻠَﻪُ ﺍﻟﺬِّﺋﺐُ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﺃَﻧﺖَ ﺑِﻤُﺆﻣِﻦٍ ﻟَﻨﺎ ﻭَﻟَﻮ ﻛُﻨّﺎ
ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[17] তারা বললঃ পিতাঃ আমরা দৌড়
প্রতিযোগিতা করতে গিয়েছিলাম
এবং ইউসুফকে আসবাব-পত্রের কাছে
রেখে গিয়েছিলাম। অতঃপর তাকে
বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আপনি তো
আমাদেরকে বিশ্বাস করবেন না, যদিও
আমরা সত্যবাদী।
[17] They said:”O our father! We went
racing with one another, and left Yûsuf
(Joseph) by our belongings and a wolf
devoured him; but you will never believe
us even when we speak the truth.”
[18] ﻭَﺟﺎﺀﻭ ﻋَﻠﻰٰ ﻗَﻤﻴﺼِﻪِ
ﺑِﺪَﻡٍ ﻛَﺬِﺏٍ ۚ ﻗﺎﻝَ ﺑَﻞ ﺳَﻮَّﻟَﺖ
ﻟَﻜُﻢ ﺃَﻧﻔُﺴُﻜُﻢ ﺃَﻣﺮًﺍ ۖ ﻓَﺼَﺒﺮٌ
ﺟَﻤﻴﻞٌ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﺴﺘَﻌﺎﻥُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻣﺎ ﺗَﺼِﻔﻮﻥَ
[18] এবং তারা তার জামায় কৃত্রিম
রক্ত লাগিয়ে আনল। বললেনঃ এটা
কখনই নয়; বরং তোমাদের মন
তোমাদেরকে একটা কথা সাজিয়ে
দিয়েছে। সুতরাং এখন ছবর করাই শ্রেয়।
তোমরা যা বর্ণনা করছ, সে বিষয়ে
একমাত্র আল্লাহই আমার সাহায্য স্থল।
[18] And they brought his shirt stained
with false blood. He said: “Nay, but your
ownselves have made up a tale. So (for
me) patience is most fitting. And it is
Allâh (Alone) Whose help can be sought
against that (lie) which you describe.”
[19] ﻭَﺟﺎﺀَﺕ ﺳَﻴّﺎﺭَﺓٌ ﻓَﺄَﺭﺳَﻠﻮﺍ
ﻭﺍﺭِﺩَﻫُﻢ ﻓَﺄَﺩﻟﻰٰ ﺩَﻟﻮَﻩُ ۖ ﻗﺎﻝَ
ﻳٰﺒُﺸﺮﻯٰ ﻫٰﺬﺍ ﻏُﻠٰﻢٌ ۚ ﻭَﺃَﺳَﺮّﻭﻩُ
ﺑِﻀٰﻌَﺔً ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ
ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[19] এবং একটি কাফেলা এল। অতঃপর
তাদের পানি সংগ্রাহককে প্রেরণ
করল। সে বালতি ফেলল। বললঃ কি
আনন্দের কথা। এ তো একটি কিশোর
তারা তাকে পন্যদ্রব্য গণ্য করে গোপন
করে ফেলল। আল্লাহ খুব জানেন যা
কিছু তারা করেছিল।
[19] And there came a caravan of
travellers; they sent their water-drawer,
and he let down his bucket (into the
well). He said: “What good news! Here is
a boy.” So they hid him as merchandise
(a slave). And Allâh was the All-Knower
of what they did
[20] ﻭَﺷَﺮَﻭﻩُ ﺑِﺜَﻤَﻦٍ ﺑَﺨﺲٍ
ﺩَﺭٰﻫِﻢَ ﻣَﻌﺪﻭﺩَﺓٍ ﻭَﻛﺎﻧﻮﺍ ﻓﻴﻪِ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺰّٰﻫِﺪﻳﻦَ
[20] ওরা তাকে কম মূল্যে বিক্রি করে
দিল গনাগুণতি কয়েক দেরহাম এবং তাঁর
ব্যাপারে নিরাসক্ত ছিল।
[20] And they sold him for a low price, –
for a few Dirhams (i.e. for a few silver
coins). And they were of those who
regarded him insignificant
[21] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬِﻯ ﺍﺷﺘَﺮﻯٰﻪُ ﻣِﻦ
ﻣِﺼﺮَ ﻟِﺎﻣﺮَﺃَﺗِﻪِ ﺃَﻛﺮِﻣﻰ ﻣَﺜﻮﻯٰﻪُ
ﻋَﺴﻰٰ ﺃَﻥ ﻳَﻨﻔَﻌَﻨﺎ ﺃَﻭ ﻧَﺘَّﺨِﺬَﻩُ
ﻭَﻟَﺪًﺍ ۚ ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻣَﻜَّﻨّﺎ ﻟِﻴﻮﺳُﻒَ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻟِﻨُﻌَﻠِّﻤَﻪُ ﻣِﻦ
ﺗَﺄﻭﻳﻞِ ﺍﻷَﺣﺎﺩﻳﺚِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻏﺎﻟِﺐٌ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻣﺮِﻩِ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[21] মিসরে যে ব্যক্তি তাকে ক্রয় করল,
সে তার স্ত্রীকে বললঃ একে সম্মানে
রাখ। সম্ভবতঃ সে আমাদের কাছে
আসবে অথবা আমরা তাকে পুত্ররূপে
গ্রহণ করে নেব। এমনিভাবে আমি
ইউসুফকে এদেশে প্রতিষ্ঠিত করলাম
এবং এ জন্যে যে তাকে বাক্যাদির
পূর্ণ মর্ম অনুধাবনের পদ্ধতি বিষয়ে
শিক্ষা দেই। আল্লাহ নিজ কাজে প্রবল
থাকেন, কিন্তু অধিকাংশ লোক তা
জানে না।
[21] And he (the man) from Egypt who
bought him, said to his wife: “Make his
stay comfortable, may be he will profit
us or we shall adopt him as a son.” Thus
did We establish Yûsuf (Joseph) in the
land, that We might teach him the
interpretation of events. And Allâh has
full power and control over His Affairs,
but most of men know not
[22] ﻭَﻟَﻤّﺎ ﺑَﻠَﻎَ ﺃَﺷُﺪَّﻩُ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻪُ
ﺣُﻜﻤًﺎ ﻭَﻋِﻠﻤًﺎ ۚ ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰِﻯ
ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[22] যখন সে পূর্ণ যৌবনে পৌছে গেল,
তখন তাকে প্রজ্ঞা ও ব্যুৎপত্তি দান
করলাম। এমননিভাবে আমি
সৎকর্মপরায়ণদেরকে প্রতিদান দেই।
[22] And when he [Yûsuf (Joseph)]
attained his full manhood, We gave him
wisdom and knowledge (the
Prophethood), thus We reward the
Muhsinûn (doers of good – see V.2:112).
[23] ﻭَﺭٰﻭَﺩَﺗﻪُ ﺍﻟَّﺘﻰ ﻫُﻮَ ﻓﻰ
ﺑَﻴﺘِﻬﺎ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ﻭَﻏَﻠَّﻘَﺖِ
ﺍﻷَﺑﻮٰﺏَ ﻭَﻗﺎﻟَﺖ ﻫَﻴﺖَ ﻟَﻚَ ۚ
ﻗﺎﻝَ ﻣَﻌﺎﺫَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﺭَﺑّﻰ
ﺃَﺣﺴَﻦَ ﻣَﺜﻮﺍﻯَ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﻔﻠِﺢُ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[23] আর সে যে মহিলার ঘরে ছিল, ঐ
মহিলা তাকে ফুসলাতে লাগল এবং
দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল। সে মহিলা
বললঃ শুন! তোমাকে বলছি, এদিকে
আস, সে বললঃ আল্লাহ রক্ষা করুন;
তোমার স্বামী আমার মালিক। তিনি
আমাকে সযত্নে থাকতে দিয়েছেন।
নিশ্চয় সীমা লংঘনকারীগণ সফল হয়
না।
[23] And she, in whose house he was,
sought to seduce him (to do an evil act),
and she closed the doors and said:
“Come on, O you.” He said: “I seek refuge
in Allâh (or Allâh forbid)! Truly, he (your
husband) is my master! He made my
living in a great comfort! (So I will never
betray him). Verily, the Zâlimûn (wrong
and evil-doers) will never be successful.”
[24] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻫَﻤَّﺖ ﺑِﻪِ ۖ ﻭَﻫَﻢَّ ﺑِﻬﺎ
ﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﺭَﺀﺍ ﺑُﺮﻫٰﻦَ ﺭَﺑِّﻪِ ۚ
ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻟِﻨَﺼﺮِﻑَ ﻋَﻨﻪُ ﺍﻟﺴّﻮﺀَ
ﻭَﺍﻟﻔَﺤﺸﺎﺀَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻧَﺎ
ﺍﻟﻤُﺨﻠَﺼﻴﻦَ
[24] নিশ্চয় মহিলা তার বিষয়ে চিন্তা
করেছিল এবং সেও মহিলার বিষয়ে
চিন্তা করত। যদি না সে স্বীয়
পালনকর্তার মহিমা অবলোকন করত।
এমনিবাবে হয়েছে, যাতে আমি তার
কাছ থেকে মন্দ বিষয় ও নিলজ্জ বিষয়
সরিয়ে দেই। নিশ্চয় সে আমার
মনোনীত বান্দাদের একজন।
[24] And indeed she did desire him and
he would have inclined to her desire,
had he not seen the evidence of his Lord.
Thus it was, that We might turn away
from him evil and illegal sexual
intercourse. Surely, he was one of Our
chosen, (guided) slaves.
[25] ﻭَﺍﺳﺘَﺒَﻘَﺎ ﺍﻟﺒﺎﺏَ ﻭَﻗَﺪَّﺕ
ﻗَﻤﻴﺼَﻪُ ﻣِﻦ ﺩُﺑُﺮٍ ﻭَﺃَﻟﻔَﻴﺎ
ﺳَﻴِّﺪَﻫﺎ ﻟَﺪَﺍ ﺍﻟﺒﺎﺏِ ۚ ﻗﺎﻟَﺖ ﻣﺎ
ﺟَﺰﺍﺀُ ﻣَﻦ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺑِﺄَﻫﻠِﻚَ ﺳﻮﺀًﺍ
ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻳُﺴﺠَﻦَ ﺃَﻭ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[25] তারা উভয়ে ছুটে দরজার দিকে
গেল এবং মহিলা ইউসুফের জামা পিছন
দিক থেকে ছিঁড়ে ফেলল। উভয়ে
মহিলার স্বামীকে দরজার কাছে পেল।
মহিলা বললঃ যে ব্যক্তি তোমার
পরিজনের সাথে কুকর্মের ইচ্ছা করে,
তাকে কারাগারে পাঠানো অথবা
অন্য কোন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেয়া
ছাড়া তার আর কি শাস্তি হতে পারে?
[25] So they raced with one another to
the door, and she tore his shirt from the
back. They both found her lord (i.e. her
husband) at the door. She said: “What is
the recompense (punishment) for him
who intended an evil design against your
wife, except that he be put in prison or a
painful torment?”
[26] ﻗﺎﻝَ ﻫِﻰَ ﺭٰﻭَﺩَﺗﻨﻰ ﻋَﻦ
ﻧَﻔﺴﻰ ۚ ﻭَﺷَﻬِﺪَ ﺷﺎﻫِﺪٌ ﻣِﻦ
ﺃَﻫﻠِﻬﺎ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻗَﻤﻴﺼُﻪُ ﻗُﺪَّ
ﻣِﻦ ﻗُﺒُﻞٍ ﻓَﺼَﺪَﻗَﺖ ﻭَﻫُﻮَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻴﻦَ
[26] ইউসুফ (আঃ) বললেন, সেই আমাকে
আত্মসংবরণ না করতে ফুসলিয়েছে।
মহিলার পরিবারে জনৈক সাক্ষী দিল
যে, যদি তার জামা সামনের দিক
থেকে ছিন্ন থাকে, তবে মহিলা
সত্যবাদিনী এবং সে মিথ্যাবাদি।
[26] He [Yûsuf (Joseph)] said: “It was she
that sought to seduce me,” – and a
witness of her household bore witness
(saying): “If it be that his shirt is torn
from the front, then her tale is true and
he is a liar!
[27] ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻗَﻤﻴﺼُﻪُ ﻗُﺪَّ ﻣِﻦ
ﺩُﺑُﺮٍ ﻓَﻜَﺬَﺑَﺖ ﻭَﻫُﻮَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[27] এবং যদি তার জামা পেছনের দিক
থেকে ছিন্ন থাকে, তবে মহিলা
মিথ্যাবাদিনী এবং সে সত্যবাদী।
[27] “But if it be that his shirt is torn
from the back, then she has told a lie
and he is speaking the truth!”
[28] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺭَﺀﺍ ﻗَﻤﻴﺼَﻪُ ﻗُﺪَّ ﻣِﻦ
ﺩُﺑُﺮٍ ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧَّﻪُ ﻣِﻦ ﻛَﻴﺪِﻛُﻦَّ ۖ ﺇِﻥَّ
ﻛَﻴﺪَﻛُﻦَّ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[28] অতঃপর গৃহস্বামী যখন দেখল যে,
তার জামা পেছন দিক থেকে ছিন্ন,
তখন সে বলল, নিশ্চয় এটা তোমাদের
ছলনা। নিঃসন্দেহে তোমাদের ছলনা
খুবই মারাত্নক।
[28] So when he (her husband) saw his
[(Yûsuf’s (Joseph)] shirt torn at the back;
(her husband) said: “Surely, it is a plot of
you women! Certainly mighty is your
plot!
[29] ﻳﻮﺳُﻒُ ﺃَﻋﺮِﺽ ﻋَﻦ ﻫٰﺬﺍ ۚ
ﻭَﺍﺳﺘَﻐﻔِﺮﻯ ﻟِﺬَﻧﺒِﻚِ ۖ ﺇِﻧَّﻚِ
ﻛُﻨﺖِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺨﺎﻃِـٔﻴﻦَ
[29] ইউসুফ এ প্রসঙগ ছাড়! আর হে নারী,
এ পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর
নিঃসন্দেহে তুমি-ই পাপাচারিনী।
[29] “O Yûsuf (Joseph)! Turn away from
this! (O woman!) Ask forgiveness for
your sin. Verily, you were of the sinful.”
[30] ۞ ﻭَﻗﺎﻝَ ﻧِﺴﻮَﺓٌ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ ﺍﻣﺮَﺃَﺕُ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰِ ﺗُﺮٰﻭِﺩُ
ﻓَﺘﻯٰﻬﺎ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ۖ ﻗَﺪ ﺷَﻐَﻔَﻬﺎ
ﺣُﺒًّﺎ ۖ ﺇِﻧّﺎ ﻟَﻨَﺮﻯٰﻬﺎ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ
ﻣُﺒﻴﻦٍ
[30] নগরে মহিলারা বলাবলি করতে
লাগল যে, আযীযের স্ত্রী স্বীয়
গোলামকে কুমতলব চরিতার্থ করার
জন্য ফুসলায়। সে তার প্রেমে উম্মত্ত
হয়ে গেছে। আমরা তো তাকে প্রকাশ্য
ভ্রান্তিতে দেখতে পাচ্ছি।
[30] And women in the city said: “The
wife of Al-‘Azîz is seeking to seduce her
(slave) young man, indeed she loves him
violently; verily we see her in plain
error.”
[31] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺳَﻤِﻌَﺖ ﺑِﻤَﻜﺮِﻫِﻦَّ
ﺃَﺭﺳَﻠَﺖ ﺇِﻟَﻴﻬِﻦَّ ﻭَﺃَﻋﺘَﺪَﺕ ﻟَﻬُﻦَّ
ﻣُﺘَّﻜَـًٔﺎ ﻭَﺀﺍﺗَﺖ ﻛُﻞَّ ﻭٰﺣِﺪَﺓٍ
ﻣِﻨﻬُﻦَّ ﺳِﻜّﻴﻨًﺎ ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﺧﺮُﺝ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺭَﺃَﻳﻨَﻪُ ﺃَﻛﺒَﺮﻧَﻪُ
ﻭَﻗَﻄَّﻌﻦَ ﺃَﻳﺪِﻳَﻬُﻦَّ ﻭَﻗُﻠﻦَ ﺣٰﺶَ
ﻟِﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻫٰﺬﺍ ﺑَﺸَﺮًﺍ ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﻣَﻠَﻚٌ ﻛَﺮﻳﻢٌ
[31] যখন সে তাদের চক্রান্ত শুনল, তখন
তাদেরকে ডেকে পাঠাল এবং তাদের
জন্যে একটি ভোজ সভার আয়োজন
করল। সে তাদের প্রত্যেককে একটি
ছুরি দিয়ে বললঃ ইউসুফ এদের সামনে
চলে এস। যখন তারা তাকে দেখল,
হতভম্ব হয়ে গেল এবং আপন হাত কেটে
ফেলল। তারা বললঃ কখনই নয় এ ব্যক্তি
মানব নয়। এ তো কোন মহান
ফেরেশতা।
[31] So when she heard of their
accusation, she sent for them and
prepared a banquet for them; she gave
each one of them a knife (to cut the
foodstuff with), and she said [(to Yûsuf
(Joseph)]: “Come out before them.” Then,
when they saw him, they exalted him (at
his beauty) and (in their astonishment)
cut their hands. They said: “How perfect
is Allâh (or Allâh forbid)! No man is this!
This is none other than a noble angel!”
[32] ﻗﺎﻟَﺖ ﻓَﺬٰﻟِﻜُﻦَّ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻟُﻤﺘُﻨَّﻨﻰ ﻓﻴﻪِ ۖ ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺭٰﻭَﺩﺗُﻪُ
ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ﻓَﺎﺳﺘَﻌﺼَﻢَ ۖ ﻭَﻟَﺌِﻦ
ﻟَﻢ ﻳَﻔﻌَﻞ ﻣﺎ ﺀﺍﻣُﺮُﻩُ ﻟَﻴُﺴﺠَﻨَﻦَّ
ﻭَﻟَﻴَﻜﻮﻧًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﻐِﺮﻳﻦَ
[32] মহিলা বললঃ এ ঐ ব্যক্তি, যার
জন্যে তোমরা আমাকে ভৎর্সনা
করছিলে। আমি ওরই মন জয় করতে
চেয়েছিলাম। কিন্তু সে নিজেকে
নিবৃত্ত রেখেছে। আর আমি যা আদেশ
দেই, সে যদি তা না করে, তবে অবশ্যই
সে কারাগারে প্রেরিত হবে এবং
লাঞ্চিত হবে।
[32] She said: “This is he (the young
man) about whom you did blame me,
and I did seek to seduce him, but he
refused. And now if he refuses to obey
my order, he shall certainly be cast into
prison, and will be one of those who are
disgraced.”
[33] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺍﻟﺴِّﺠﻦُ ﺃَﺣَﺐُّ
ﺇِﻟَﻰَّ ﻣِﻤّﺎ ﻳَﺪﻋﻮﻧَﻨﻰ ﺇِﻟَﻴﻪِ ۖ ﻭَﺇِﻟّﺎ
ﺗَﺼﺮِﻑ ﻋَﻨّﻰ ﻛَﻴﺪَﻫُﻦَّ ﺃَﺻﺐُ
ﺇِﻟَﻴﻬِﻦَّ ﻭَﺃَﻛُﻦ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠٰﻬِﻠﻴﻦَ
[33] ইউসুফ বললঃ হে পালনকর্তা তারা
আমাকে যে কাজের দিকে আহবান
করে, তার চাইতে আমি কারাগারই
পছন্দ করি। যদি আপনি তাদের চক্রান্ত
আমার উপর থেকে প্রতিহত না করেন,
তবে আমি তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে
পড়ব এবং অজ্ঞদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে
যাব।
[33] He said:”O my Lord! Prison is
dearer to me than that to which they
invite me. Unless You turn away their
plot from me, I will feel inclined towards
them and be one (of those who commit
sin and deserve blame or those who do
deeds) of the ignorant.”
[34] ﻓَﺎﺳﺘَﺠﺎﺏَ ﻟَﻪُ ﺭَﺑُّﻪُ
ﻓَﺼَﺮَﻑَ ﻋَﻨﻪُ ﻛَﻴﺪَﻫُﻦَّ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻫُﻮَ
ﺍﻟﺴَّﻤﻴﻊُ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
[34] অতঃপর তার পালনকর্তা তার
দোয়া কবুল করে নিলেন। অতঃপর
তাদের চক্রান্ত প্রতিহত করলেন।
নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।
[34] So his Lord answered his invocation
and turned away from him their plot.
Verily, He is the All-Hearer, the All-
Knower.
[35] ﺛُﻢَّ ﺑَﺪﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ
ﺭَﺃَﻭُﺍ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟَﻴَﺴﺠُﻨُﻨَّﻪُ
ﺣَﺘّﻰٰ ﺣﻴﻦٍ
[35] অতঃপর এসব নিদর্শন দেখার পর
তারা তাকে কিছুদিন কারাগারে
রাখা সমীচীন মনে করল।
[35] Then it occurred to them, after they
had seen the proofs (of his innocence) to
imprison him for a time.
[36] ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﻣَﻌَﻪُ ﺍﻟﺴِّﺠﻦَ
ﻓَﺘَﻴﺎﻥِ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻤﺎ ﺇِﻧّﻰ
ﺃَﺭﻯٰﻨﻰ ﺃَﻋﺼِﺮُ ﺧَﻤﺮًﺍ ۖ ﻭَﻗﺎﻝَ
ﺍﻝﺀﺍﺧَﺮُ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺭﻯٰﻨﻰ ﺃَﺣﻤِﻞُ
ﻓَﻮﻕَ ﺭَﺃﺳﻰ ﺧُﺒﺰًﺍ ﺗَﺄﻛُﻞُ
ﺍﻟﻄَّﻴﺮُ ﻣِﻨﻪُ ۖ ﻧَﺒِّﺌﻨﺎ ﺑِﺘَﺄﻭﻳﻠِﻪِ ۖ ﺇِﻧّﺎ
ﻧَﺮﻯٰﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[36] তাঁর সাথে কারাগারে দুজন যুবক
প্রবেশ করল। তাদের একজন বললঃ আমি
স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি মদ
নিঙড়াচ্ছি। অপরজন বললঃ আমি
দেখলাম যে, নিজ মাথায় রুটি বহন
করছি। তা থেকে পাখী ঠুকরিয়ে
খাচ্ছে। আমাদের কে এর ব্যাখ্যা বলুন।
আমরা আপনাকে সৎকর্মশীল দেখতে
পাচ্ছি।
[36] And there entered with him two
young men in the prison. One of them
said: “Verily, I saw myself (in a dream)
pressing wine.” The other said: “Verily, I
saw myself (in a dream) carrying bread
on my head and birds were eating
thereof.” (They said): “Inform us of the
interpretation of this. Verily, we think
you are one of the Muhsinûn (doers of
good).”
[37] ﻗﺎﻝَ ﻻ ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻤﺎ ﻃَﻌﺎﻡٌ
ﺗُﺮﺯَﻗﺎﻧِﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﻧَﺒَّﺄﺗُﻜُﻤﺎ ﺑِﺘَﺄﻭﻳﻠِﻪِ
ﻗَﺒﻞَ ﺃَﻥ ﻳَﺄﺗِﻴَﻜُﻤﺎ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻤﺎ ﻣِﻤّﺎ
ﻋَﻠَّﻤَﻨﻰ ﺭَﺑّﻰ ۚ ﺇِﻧّﻰ ﺗَﺮَﻛﺖُ ﻣِﻠَّﺔَ
ﻗَﻮﻡٍ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻢ
ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻫُﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[37] তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে
প্রত্যহ যে খাদ্য দেয়া হয়, তা
তোমাদের কাছে আসার আগেই আমি
তার ব্যাখ্যা বলে দেব। এ জ্ঞান আমার
পালনকর্তা আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন।
আমি ঐসব লোকের ধর্ম পরিত্যাগ
করেছি যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস
স্থাপন করে না এবং পরকালে
অবিশ্বাসী।
[37] He said: “No food will come to you
(in wakefulness or in dream) as your
provision, but I will inform (in
wakefulness) its interpretation before it
(the food) comes. This is of that which
my Lord has taught me. Verily, I have
abandoned the religion of a people that
believe not in Allâh and are disbelievers
in the Hereafter (i.e. the Kan’ânyyun of
Egypt who were polytheists and used to
worship sun and other false deities).
[38] ﻭَﺍﺗَّﺒَﻌﺖُ ﻣِﻠَّﺔَ ﺀﺍﺑﺎﺀﻯ
ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻭَﺇِﺳﺤٰﻖَ ﻭَﻳَﻌﻘﻮﺏَ ۚ
ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻨﺎ ﺃَﻥ ﻧُﺸﺮِﻙَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻞِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ
ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ
ﻳَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[38] আমি আপন পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম,
ইসহাক ও ইয়াকুবের ধর্ম অনুসরণ করছি।
আমাদের জন্য শোভা পায় না যে,
কোন বস্তুকে আল্লাহর অংশীদার
করি। এটা আমাদের প্রতি এবং অন্য সব
লোকের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। কিন্ত
অধিকাংশ লোক অনুগ্রহ স্বীকার করে
না।
[38] “And I have followed the religion of
my fathers, – Ibrahîm (Abraham), Ishâq
(Isaac) and Ya’qûb (Jacob) [A.S.], and
never could we attribute any partners
whatsoever to Allâh. This is from the
Grace of Allâh to us and to mankind, but
most men thank not (i.e. they neither
believe in Allâh, nor worship Him).
[39] ﻳٰﺼﻯٰﺤِﺒَﻰِ ﺍﻟﺴِّﺠﻦِ
ﺀَﺃَﺭﺑﺎﺏٌ ﻣُﺘَﻔَﺮِّﻗﻮﻥَ ﺧَﻴﺮٌ ﺃَﻡِ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻮٰﺣِﺪُ ﺍﻟﻘَﻬّﺎﺭُ
[39] হে কারাগারের সঙ্গীরা! পৃথক
পৃথক অনেক উপাস্য ভাল, না
পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?
[39] “O two companions of the prison!
Are many different lords (gods) better or
Allâh, the One, the Irresistible?
[40] ﻣﺎ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﺳﻤﺎﺀً ﺳَﻤَّﻴﺘُﻤﻮﻫﺎ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﻭَﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ ﻣﺎ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻬﺎ
ﻣِﻦ ﺳُﻠﻄٰﻦٍ ۚ ﺇِﻥِ ﺍﻟﺤُﻜﻢُ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ۚ
ﺃَﻣَﺮَ ﺃَﻟّﺎ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺇِﻳّﺎﻩُ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﺍﻟﻘَﻴِّﻢُ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[40] তোমরা আল্লাহকে ছেড়ে নিছক
কতগুলো নামের এবাদত কর, সেগুলো
তোমরা এবং তোমাদের বাপ-
দাদারা সাব্যস্ত করে নিয়েছে।
আল্লাহ এদের কোন প্রমাণ অবতীর্ণ
করেননি। আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান
দেবার ক্ষমতা নেই। তিনি আদেশ
দিয়েছেন যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারও
এবাদত করো না। এটাই সরল পথ। কিন্তু
অধিকাংশ লোক তা জানে না।
[40] “You do not worship besides Him
but only names which you have named
(forged), you and your fathers,— for
which Allâh has sent down no authority.
The command (or the judgement) is for
none but Allâh. He has commanded that
you worship none but Him (i.e. His
Monotheism), that is the (true) straight
religion, but most men know not.
[41] ﻳٰﺼﻯٰﺤِﺒَﻰِ ﺍﻟﺴِّﺠﻦِ ﺃَﻣّﺎ
ﺃَﺣَﺪُﻛُﻤﺎ ﻓَﻴَﺴﻘﻰ ﺭَﺑَّﻪُ ﺧَﻤﺮًﺍ ۖ
ﻭَﺃَﻣَّﺎ ﺍﻝﺀﺍﺧَﺮُ ﻓَﻴُﺼﻠَﺐُ
ﻓَﺘَﺄﻛُﻞُ ﺍﻟﻄَّﻴﺮُ ﻣِﻦ ﺭَﺃﺳِﻪِ ۚ
ﻗُﻀِﻰَ ﺍﻷَﻣﺮُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻓﻴﻪِ
ﺗَﺴﺘَﻔﺘِﻴﺎﻥِ
[41] হে কারাগারের সঙ্গীরা!
তোমাদের একজন আপন প্রভুকে
মদ্যপান করাবে এবং দ্বিতীয়জন,
তাকে শুলে চড়ানো হবে। অতঃপর তার
মস্তক থেকে পাখী আহার করবে।
তোমরা যে, বিষয়ে জানার আগ্রহী
তার সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে।
[41] “O two companions of the prison! As
for one of you, he (as a servant) will
pour out wine for his lord (king or
master) to drink; and as for the other, he
will be crucified and birds will eat from
his head. Thus is the case judged
concerning which you both did inquire.”
[42] ﻭَﻗﺎﻝَ ﻟِﻠَّﺬﻯ ﻇَﻦَّ ﺃَﻧَّﻪُ ﻧﺎﺝٍ
ﻣِﻨﻬُﻤَﺎ ﺍﺫﻛُﺮﻧﻰ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻚَ
ﻓَﺄَﻧﺴﻯٰﻪُ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ ﺫِﻛﺮَ ﺭَﺑِّﻪِ
ﻓَﻠَﺒِﺚَ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴِّﺠﻦِ ﺑِﻀﻊَ
ﺳِﻨﻴﻦَ
[42] যে ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা ছিল
যে, সে মুক্তি পাবে, তাকে ইউসুফ বলে
দিলঃ আপন প্রভুর কাছে আমার
আলোচনা করবে। অতঃপর শয়তান
তাকে প্রভুর কাছে আলোচনার কথা
ভুলিয়ে দিল। ফলে তাঁকে কয়েক বছর
কারাগারে থাকতে হল।
[42] And he said to the one whom he
knew to be saved: “Mention me to your
lord (i.e. your king, so as to get me out of
the prison).” But Shaitân (Satan) made
him forget to mention it to his Lord [or
Satan made [(Yûsuf (Joseph)] to forget
the remembrance of his Lord (Allâh) as
to ask for His Help, instead of others]. So
[Yûsuf (Joseph)] stayed in prison a few
(more) years
[43] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟﻤَﻠِﻚُ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺭﻯٰ
ﺳَﺒﻊَ ﺑَﻘَﺮٰﺕٍ ﺳِﻤﺎﻥٍ ﻳَﺄﻛُﻠُﻬُﻦَّ
ﺳَﺒﻊٌ ﻋِﺠﺎﻑٌ ﻭَﺳَﺒﻊَ ﺳُﻨﺒُﻠٰﺖٍ
ﺧُﻀﺮٍ ﻭَﺃُﺧَﺮَ ﻳﺎﺑِﺴٰﺖٍ ۖ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ
ﺍﻟﻤَﻠَﺄُ ﺃَﻓﺘﻮﻧﻰ ﻓﻰ ﺭُﺀﻳٰﻰَ ﺇِﻥ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﻟِﻠﺮُّﺀﻳﺎ ﺗَﻌﺒُﺮﻭﻥَ
[43] বাদশাহ বললঃ আমি স্বপ্নে
দেখলাম, সাতটি মোটাতাজা গাভী-
এদেরকে সাতটি শীর্ণ গাভী খেয়ে
যাচ্ছে এবং সাতটি সবুজ শীষ ও
অন্যগুলো শুষ্ক। হে পরিষদবর্গ!
তোমরা আমাকে আমার স্বপ্নের
ব্যাখ্যা বল, যদি তোমরা স্বপ্নের
ব্যাখ্যায় পারদর্শী হয়ে থাক।
[43] And the king (of Egypt) said: “Verily,
I saw (in a dream) seven fat cows, whom
seven lean ones were devouring – and
seven green ears of corn, and (seven)
others dry. O notables! Explain to me my
dream, if it be that you can interpret
dreams.”
[44] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺿﻐٰﺚُ ﺃَﺣﻠٰﻢٍ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﻧَﺤﻦُ ﺑِﺘَﺄﻭﻳﻞِ ﺍﻷَﺣﻠٰﻢِ ﺑِﻌٰﻠِﻤﻴﻦَ
[44] তারা বললঃ এটা কল্পনাপ্রসূত
স্বপ্ন। এরূপ স্বপ্নের ব্যাখ্যা আমাদের
জানা নেই।
[44] They said: “Mixed up false dreams
and we are not skilled in the
interpretation of dreams.”
[45] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻧَﺠﺎ ﻣِﻨﻬُﻤﺎ
ﻭَﺍﺩَّﻛَﺮَ ﺑَﻌﺪَ ﺃُﻣَّﺔٍ ﺃَﻧﺎ۠ ﺃُﻧَﺒِّﺌُﻜُﻢ
ﺑِﺘَﺄﻭﻳﻠِﻪِ ﻓَﺄَﺭﺳِﻠﻮﻥِ
[45] দু’জন কারারুদ্ধের মধ্য থেকে যে
ব্যক্তি মুক্তি পেয়েছিল এবং
দীর্ঘকাল পর স্মরণ হলে, সে বলল, আমি
তোমাদেরকে এর ব্যাখ্যা বলছি।
তোমরা আমাকে প্রেরণ কর।
[45] Then the man who was released
(one of the two who were in prison), now
at length remembered and said: “I will
tell you its interpretation, so send me
forth.”
[46] ﻳﻮﺳُﻒُ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﺼِّﺪّﻳﻖُ
ﺃَﻓﺘِﻨﺎ ﻓﻰ ﺳَﺒﻊِ ﺑَﻘَﺮٰﺕٍ ﺳِﻤﺎﻥٍ
ﻳَﺄﻛُﻠُﻬُﻦَّ ﺳَﺒﻊٌ ﻋِﺠﺎﻑٌ ﻭَﺳَﺒﻊِ
ﺳُﻨﺒُﻠٰﺖٍ ﺧُﻀﺮٍ ﻭَﺃُﺧَﺮَ ﻳﺎﺑِﺴٰﺖٍ
ﻟَﻌَﻠّﻰ ﺃَﺭﺟِﻊُ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[46] সে তথায় পৌঁছে বললঃ হে ইউসুফ!
হে সত্যবাদী! সাতটি মোটাতাজা
গাভী-তাদেরকে খাচ্ছে সাতটি শীর্ণ
গাভী এবং সাতটি সবুজ শীর্ষ ও
অন্যগুলো শুষ্ক; আপনি আমাদেরকে এ
স্বপ্ন সম্পর্কে পথনির্দেশ প্রদান করুনঃ
যাতে আমি তাদের কাছে ফিরে গিয়ে
তাদের অবগত করাতে পারি।
[46] (He said): “O Yûsuf (Joseph), the
man of truth! Explain to us (the dream)
of seven fat cows whom seven lean ones
were devouring, and of seven green ears
of corn, and (seven) others dry, that I
may return to the people, and that they
may know.”
[47] ﻗﺎﻝَ ﺗَﺰﺭَﻋﻮﻥَ ﺳَﺒﻊَ ﺳِﻨﻴﻦَ
ﺩَﺃَﺑًﺎ ﻓَﻤﺎ ﺣَﺼَﺪﺗُﻢ ﻓَﺬَﺭﻭﻩُ ﻓﻰ
ﺳُﻨﺒُﻠِﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻥَ
[47] বললঃ তোমরা সাত বছর উত্তম
রূপে চাষাবাদ করবে। অতঃপর যা
কাটবে, তার মধ্যে যে সামান্য পরিমাণ
তোমরা খাবে তা ছাড়া অবশিষ্ট শস্য
শীষ সমেত রেখে দেবে।
[47] [(Yûsuf (Joseph)] said: “For seven
consecutive years, you shall sow as usual
and that (the harvest) which you reap
you shall leave it in ears, (all) – except a
little of it which you may eat.
[48] ﺛُﻢَّ ﻳَﺄﺗﻰ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺳَﺒﻊٌ ﺷِﺪﺍﺩٌ ﻳَﺄﻛُﻠﻦَ ﻣﺎ ﻗَﺪَّﻣﺘُﻢ
ﻟَﻬُﻦَّ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣِﻤّﺎ ﺗُﺤﺼِﻨﻮﻥَ
[48] এবং এরপরে আসবে দূর্ভিক্ষের
সাত বছর; তোমরা এ দিনের জন্যে যা
রেখেছিলে, তা খেয়ে যাবে, কিন্তু
অল্প পরিমাণ ব্যতীত, যা তোমরা তুলে
রাখবে।
[48] “Then will come after that, seven
hard (years), which will devour what you
have laid by in advance for them, (all)
except a little of that which you have
guarded (stored)
[49] ﺛُﻢَّ ﻳَﺄﺗﻰ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻋﺎﻡٌ ﻓﻴﻪِ ﻳُﻐﺎﺙُ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻭَﻓﻴﻪِ
ﻳَﻌﺼِﺮﻭﻥَ
[49] এর পরেই আসবে একবছর-এতে
মানুষের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হবে এবং
এতে তারা রস নিঙড়াবে।
[49] “Then thereafter will come a year in
which people will have abundant rain
and in which they will press (wine and
oil).”
[50] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟﻤَﻠِﻚُ ﺍﺋﺘﻮﻧﻰ ﺑِﻪِ ۖ
ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻩُ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝُ ﻗﺎﻝَ
ﺍﺭﺟِﻊ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻚَ ﻓَﺴـَٔﻠﻪُ ﻣﺎ ﺑﺎﻝُ
ﺍﻟﻨِّﺴﻮَﺓِ ﺍﻟّٰﺘﻰ ﻗَﻄَّﻌﻦَ ﺃَﻳﺪِﻳَﻬُﻦَّ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﺑِﻜَﻴﺪِﻫِﻦَّ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[50] বাদশাহ বললঃ ফিরে যাও
তোমাদের প্রভুর কাছে এবং
জিজ্ঞেস কর তাকে ঐ মহিলার স্বরূপ
কি, যারা স্বীয় হস্ত কর্তন করেছিল!
আমার পালনকর্তা তো তাদের ছলনা
সবই জানেন।
[50] And the king said: “Bring him to
me.” But when the messenger came to
him, [Yûsuf (Joseph)] said: “Return to
your lord and ask him, ‘What happened
to the women who cut their hands?
Surely, my Lord (Allâh) is Well-Aware of
their plot.'”
[51] ﻗﺎﻝَ ﻣﺎ ﺧَﻄﺒُﻜُﻦَّ ﺇِﺫ
ﺭٰﻭَﺩﺗُﻦَّ ﻳﻮﺳُﻒَ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ۚ
ﻗُﻠﻦَ ﺣٰﺶَ ﻟِﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻋَﻠِﻤﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﻣِﻦ ﺳﻮﺀٍ ۚ ﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻣﺮَﺃَﺕُ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰِ ﺍﻟـٰٔﻦَ ﺣَﺼﺤَﺺَ ﺍﻟﺤَﻖُّ
ﺃَﻧﺎ۠ ﺭٰﻭَﺩﺗُﻪُ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ﻭَﺇِﻧَّﻪُ
ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[51] বাদশাহ মহ