13. সুরা আল – রাদ (01-43)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﻤﺮ ۚ ﺗِﻠﻚَ ﺀﺍﻳٰﺖُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ۗ
ﻭَﺍﻟَّﺬﻯ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[1] আলিফ-লাম-মীম-রা; এগুলো
কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার
পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ
হয়েছে, তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ
মানুষ এতে বিশ্বাস করে না।
[1] Alif-Lâm-Mîm-Râ. [These letters are
one of the miracles of the Qur’ân and
none but Allâh (Alone) knows their
meanings]. These are the Verses of the
Book (the Qur’ân), and that which has
been revealed unto you (Muhammad
SAW) from your Lord is the truth, but
most men believe not
[2] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺭَﻓَﻊَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﺑِﻐَﻴﺮِ ﻋَﻤَﺪٍ ﺗَﺮَﻭﻧَﻬﺎ ۖ ﺛُﻢَّ ﺍﺳﺘَﻮﻯٰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻌَﺮﺵِ ۖ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ
ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ۖ ﻛُﻞٌّ ﻳَﺠﺮﻯ
ﻟِﺄَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۚ ﻳُﺪَﺑِّﺮُ ﺍﻷَﻣﺮَ
ﻳُﻔَﺼِّﻞُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺑِﻠِﻘﺎﺀِ
ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﺗﻮﻗِﻨﻮﻥَ
[2] আল্লাহ, যিনি উর্ধ্বদেশে স্থাপন
করেছেন আকাশমন্ডলীকে স্তম্ভ
ব্যতীত। তোমরা সেগুলো দেখ।
অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত
হয়েছেন। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে
নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকে
নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক আবর্তন
করে। তিনি সকল বিষয় পরিচালনা
করেন, নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করেন, যাতে
তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সাথে
সাক্ষাত সম্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাসী
হও।
[2] Allâh is He Who raised the heavens
without any pillars that you can see.
Then, He rose above (Istawâ) the Throne
(really in a manner that suits His
Majesty). He has subjected the sun and
the moon (to continue going round)!
each running (its course) for a term
appointed. He manages and regulates all
affairs, He explains the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) in detail, that you may
believe with certainty in the meeting
with your Lord.
[3] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻣَﺪَّ ﺍﻷَﺭﺽَ
ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻓﻴﻬﺎ ﺭَﻭٰﺳِﻰَ ﻭَﺃَﻧﻬٰﺮًﺍ ۖ
ﻭَﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ ﺟَﻌَﻞَ ﻓﻴﻬﺎ
ﺯَﻭﺟَﻴﻦِ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ۖ ﻳُﻐﺸِﻰ ﺍﻟَّﻴﻞَ
ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[3] তিনিই ভুমন্ডলকে বিস্তৃত করেছেন
এবং তাতে পাহাড় পর্বত ও নদ-নদী
স্থাপন করেছেন এবং প্রত্যেক ফলের
মধ্যে দু’দু প্রকার সৃষ্টি করে রেখেছেন।
তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত
করেন। এতে তাদের জন্যে নিদর্শণ
রয়েছে, যারা চিন্তা করে।
[3] And it is He Who spread out the
earth, and placed therein firm
mountains and rivers and of every kind
of fruits He made Zawjain Ithnaîn (two
in pairs – may mean two kinds or it may
mean: of two varities, e.g. black and
white, sweet and sour, small and big) He
brings the night as a cover over the day.
Verily, in these things, there are Ayât
(proofs, evidences, lessons, signs, etc.)
for people who reflect.
[4] ﻭَﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻗِﻄَﻊٌ
ﻣُﺘَﺠٰﻮِﺭٰﺕٌ ﻭَﺟَﻨّٰﺖٌ ﻣِﻦ ﺃَﻋﻨٰﺐٍ
ﻭَﺯَﺭﻉٌ ﻭَﻧَﺨﻴﻞٌ ﺻِﻨﻮﺍﻥٌ ﻭَﻏَﻴﺮُ
ﺻِﻨﻮﺍﻥٍ ﻳُﺴﻘﻰٰ ﺑِﻤﺎﺀٍ ﻭٰﺣِﺪٍ
ﻭَﻧُﻔَﻀِّﻞُ ﺑَﻌﻀَﻬﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ
ﻓِﻰ ﺍﻷُﻛُﻞِ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[4] এবং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র
রয়েছে-একটি অপরটির সাথে সংলগ্ন
এবং আঙ্গুরের বাগান আছে আর শস্য ও
খজ্জêুর রয়েছে-একটির মূল অপরটির
সাথে মিলিত এবং কতক মিলিত নয়।
এগুলো কে একই পানি দ্বারা সেচ করা
হয়। আর আমি স্বাদে একটিকে অপরটির
চাইতে উৎকৃষ্টতর করে দেই। এগুলোর
মধ্যে নিদর্শণ রয়েছে তাদের জন্য
যারা চিন্তা ভাবনা করে।
[4] And in the earth are neighbouring
tracts, and gardens of vines, and green
crops (fields), and date-palms, growing
into two or three from a single stem root,
or otherwise (one stem root for every
palm ), watered with the same water, yet
some of them We make more excellent
than others to eat. Verily, in these things,
there are Ayât (proofs, evidences,
lessons, signs) for the people who
understand
[5] ۞ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻌﺠَﺐ ﻓَﻌَﺠَﺐٌ
ﻗَﻮﻟُﻬُﻢ ﺃَﺀِﺫﺍ ﻛُﻨّﺎ ﺗُﺮٰﺑًﺎ ﺃَﺀِﻧّﺎ
ﻟَﻔﻰ ﺧَﻠﻖٍ ﺟَﺪﻳﺪٍ ۗ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺍﻷَﻏﻠٰﻞُ ﻓﻰ ﺃَﻋﻨﺎﻗِﻬِﻢ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ ﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[5] যদি আপনি বিস্ময়ের বিষয় চান,
তবে তাদের একথা বিস্ময়কর যে, আমরা
যখন মাটি হয়ে যাব, তখনও কি নতুন
ভাবে সৃজিত হব? এরাই স্বীয়
পালনকর্তার সত্তায় অবিশ্বাসী হয়ে
গেছে, এদের গর্দানেই লৌহ-শৃংখল
পড়বে এবং এরাই দোযখী এরা তাতে
চিরকাল থাকবে।
[5] And if you (O Muhammad SAW)
wonder (at these polytheists who deny
your message of Islâmic Monotheism and
have taken besides Allâh others for
worship who can neither harm nor
benefit), then wondrous is their saying:
“When we are dust, shall we indeed then
be (raised) in a new creation?” They are
those who disbelieved in their Lord!
They are those who will have iron chains
tying their hands to their necks. They
will be dwellers of the Fire to abide
therein.
[6] ﻭَﻳَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻧَﻚَ ﺑِﺎﻟﺴَّﻴِّﺌَﺔِ
ﻗَﺒﻞَ ﺍﻟﺤَﺴَﻨَﺔِ ﻭَﻗَﺪ ﺧَﻠَﺖ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢُ ﺍﻟﻤَﺜُﻠٰﺖُ ۗ ﻭَﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻟَﺬﻭ
ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٍ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻋَﻠﻰٰ ﻇُﻠﻤِﻬِﻢ ۖ
ﻭَﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻟَﺸَﺪﻳﺪُ ﺍﻟﻌِﻘﺎﺏِ
[6] এরা আপনার কাছে মঙ্গলের
পরিবর্তে দ্রুত অমঙ্গল কামনা করে।
তাদের পূর্বে অনুরূপ অনেক
শাস্তিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী অতিক্রান্ত
হয়েছে। আপনার পালনকর্তা মানুষকে
তাদের অন্যায় সত্বেও ক্ষমা করেন
এবং আপনার পালনকর্তা কঠিন
শাস্তিদাতা ও বটে।
[6] They ask you to hasten the evil before
the good, while (many) exemplary
punishments have indeed occurred
before them. But verily, your Lord is full
of Forgiveness for mankind inspite of
their wrong-doing. And verily, your Lord
is (also) Severe in punishment.
[7] ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻮﻻ
ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺀﺍﻳَﺔٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻪِ ۗ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ ﻣُﻨﺬِﺭٌ ۖ ﻭَﻟِﻜُﻞِّ ﻗَﻮﻡٍ
ﻫﺎﺩٍ
[7] কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর
পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন
অবতীর্ণ হল না কেন? আপনার কাজ
তো ভয় প্রদর্শন করাই এবং প্রত্যেক
সম্প্রদায়ের জন্যে পথপ্রদর্শক হয়েছে।
[7] And the disbelievers say: “Why is not
a sign sent down to him from his Lord?”
You are only a warner, and to every
people there is a guide.
[8] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗَﺤﻤِﻞُ ﻛُﻞُّ
ﺃُﻧﺜﻰٰ ﻭَﻣﺎ ﺗَﻐﻴﺾُ ﺍﻷَﺭﺣﺎﻡُ
ﻭَﻣﺎ ﺗَﺰﺩﺍﺩُ ۖ ﻭَﻛُﻞُّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋِﻨﺪَﻩُ
ﺑِﻤِﻘﺪﺍﺭٍ
[8] আল্লাহ জানেন প্রত্যেক নারী যা
গর্ভধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা
সঙ্কুচিত ও বর্ধিত হয়। এবং তাঁর কাছে
প্রত্যেক বস্তুরই একটা পরিমাণ রয়েছে।
[8] Allâh knows what every female bears,
and by how much the wombs fall short
(of their time or number) or exceed.
Everything with Him is in (due)
proportion.
[9] ﻋٰﻠِﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ ﻭَﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓِ
ﺍﻟﻜَﺒﻴﺮُ ﺍﻟﻤُﺘَﻌﺎﻝِ
[9] তিনি সকল গোপন ও প্রকাশ্য বিষয়
অবগত, মহোত্তম, সর্বোচ্চ
মর্যাদাবান।
[9] All-Knower of the unseen and the
seen, the Most Great, the Most High.
[10] ﺳَﻮﺍﺀٌ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻣَﻦ ﺃَﺳَﺮَّ
ﺍﻟﻘَﻮﻝَ ﻭَﻣَﻦ ﺟَﻬَﺮَ ﺑِﻪِ ﻭَﻣَﻦ ﻫُﻮَ
ﻣُﺴﺘَﺨﻒٍ ﺑِﺎﻟَّﻴﻞِ ﻭَﺳﺎﺭِﺏٌ
ﺑِﺎﻟﻨَّﻬﺎﺭِ
[10] তোমাদের মধ্যে কেউ গোপনে
কথা বলুক বা তা সশব্দে প্রকাশ করুক,
রাতের অন্ধকারে সে আত্নগোপন করুক
বা প্রকাশ্য দিবালোকে বিচরণ করুক,
সবাই তাঁর নিকট সমান।
[10] It is the same (to Him) whether any
of you conceal his speech or declare it
openly, whether he be hid by night or
goes forth freely by day.
[11] ﻟَﻪُ ﻣُﻌَﻘِّﺒٰﺖٌ ﻣِﻦ ﺑَﻴﻦِ ﻳَﺪَﻳﻪِ
ﻭَﻣِﻦ ﺧَﻠﻔِﻪِ ﻳَﺤﻔَﻈﻮﻧَﻪُ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﻐَﻴِّﺮُ ﻣﺎ
ﺑِﻘَﻮﻡٍ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﻐَﻴِّﺮﻭﺍ ﻣﺎ
ﺑِﺄَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۗ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﻘَﻮﻡٍ ﺳﻮﺀًﺍ ﻓَﻼ ﻣَﺮَﺩَّ ﻟَﻪُ ۚ ﻭَﻣﺎ
ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣِﻦ ﻭﺍﻝٍ
[11] তাঁর পক্ষ থেকে অনুসরণকারী
রয়েছে তাদের অগ্রে এবং পশ্চাতে,
আল্লাহর নির্দেশে তারা ওদের
হেফাযত করে। আল্লাহ কোন জাতির
অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত
না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা
পরিবর্তন করে। আল্লাহ যখন কোন
জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ
হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের
কোন সাহায্যকারী নেই।
[11] For him (each person), there are
angels in succession, before and behind
him. They guard him by the Command of
Allâh. Verily! Allâh will not change the
(good) condition of a people as long as
they do not change their state (of
goodness) themselves (by committing
sins and by being ungrateful and
disobedient to Allâh). But when Allâh
wills a people’s punishment, there can be
no turning back of it, and they will find
besides Him no protector.
[12] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳُﺮﻳﻜُﻢُ ﺍﻟﺒَﺮﻕَ
ﺧَﻮﻓًﺎ ﻭَﻃَﻤَﻌًﺎ ﻭَﻳُﻨﺸِﺊُ
ﺍﻟﺴَّﺤﺎﺏَ ﺍﻟﺜِّﻘﺎﻝَ
[12] তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুৎ
দেখান ভয়ের জন্যে এবং আশার জন্যে
এবং উক্ষিত করেন ঘন মেঘমালা।
[12] It is He who shows you the lightning,
as a fear (for travellers) and as a hope
(for those who wait for rain). And it is
He Who brings up (or originates) the
clouds, heavy (with water).
[13] ﻭَﻳُﺴَﺒِّﺢُ ﺍﻟﺮَّﻋﺪُ ﺑِﺤَﻤﺪِﻩِ
ﻭَﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﻣِﻦ ﺧﻴﻔَﺘِﻪِ ﻭَﻳُﺮﺳِﻞُ
ﺍﻟﺼَّﻮٰﻋِﻖَ ﻓَﻴُﺼﻴﺐُ ﺑِﻬﺎ ﻣَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻫُﻢ ﻳُﺠٰﺪِﻟﻮﻥَ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻮَ ﺷَﺪﻳﺪُ ﺍﻟﻤِﺤﺎﻝِ
[13] তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং
সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত
করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা
দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা
আল্লাহ সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ
তিনি মহাশক্তিশালী।
[13] And Ar-Ra’d (thunder) glorifies and
praises Him, and so do the angels
because of His Awe, He sends the
thunderbolts, and therewith He strikes
whom He wills, yet they (disbelievers)
dispute about Allâh. And He is Mighty in
strength and Severe in punishment.
[14] ﻟَﻪُ ﺩَﻋﻮَﺓُ ﺍﻟﺤَﻖِّ ۖ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻻ
ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢ ﺑِﺸَﻲﺀٍ ﺇِﻟّﺎ
ﻛَﺒٰﺴِﻂِ ﻛَﻔَّﻴﻪِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻤﺎﺀِ ﻟِﻴَﺒﻠُﻎَ
ﻓﺎﻩُ ﻭَﻣﺎ ﻫُﻮَ ﺑِﺒٰﻠِﻐِﻪِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺩُﻋﺎﺀُ
ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﺇِﻟّﺎ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ
[14] সত্যের আহবান একমাত্র তাঁরই এবং
তাকে ছাড়া যাদেরকে ডাকে, তারা
তাদের কোন কাজে আসে না; ওদের
দৃষ্টান্ত সেরূপ, যেমন কেউ দু’ হাত
পানির দিকে প্রসারিত করে যাতে
পানি তার মুখে পৌঁছে যায়। অথচ পানি
কোন সময় পৌঁছাবে না। কাফেরদের
যত আহবান তার সবই পথভ্রষ্টতা।
[14] For Him (Allâh, Alone) is the Word
of Truth (i.e. none has the right to be
worshipped but Allah). And those whom
they (polytheists and disbelievers)
invoke, answer them no more than one
who stretches forth his hand (at the edge
of a deep well) for water to reach his
mouth, but it reaches him not, and the
invocation of the disbelievers is nothing
but an error (i.e. of no use)
[15] ﻭَﻟِﻠَّﻪِ ﻳَﺴﺠُﺪُ ﻣَﻦ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻃَﻮﻋًﺎ
ﻭَﻛَﺮﻫًﺎ ﻭَﻇِﻠٰﻠُﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﻐُﺪُﻭِّ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺻﺎﻝِ ۩
[15] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু
নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে আছে ইচ্ছায়
অথবা অনিচ্ছায় এবং তাদের
প্রতিচ্ছায়াও সকাল-সন্ধ্যায়।
[15] And unto Allâh (Alone) falls in
prostration whoever is in the heavens
and the earth, willingly or unwillingly,
and so do their shadows in the mornings
and in the afternoons
[16] ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﺭَﺏُّ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻗُﻞ
ﺃَﻓَﺎﺗَّﺨَﺬﺗُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ
ﻻ ﻳَﻤﻠِﻜﻮﻥَ ﻟِﺄَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﻧَﻔﻌًﺎ ﻭَﻻ
ﺿَﺮًّﺍ ۚ ﻗُﻞ ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ
ﺍﻷَﻋﻤﻰٰ ﻭَﺍﻟﺒَﺼﻴﺮُ ﺃَﻡ ﻫَﻞ
ﺗَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖُ ﻭَﺍﻟﻨّﻮﺭُ ۗ ﺃَﻡ
ﺟَﻌَﻠﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﺷُﺮَﻛﺎﺀَ ﺧَﻠَﻘﻮﺍ
ﻛَﺨَﻠﻘِﻪِ ﻓَﺘَﺸٰﺒَﻪَ ﺍﻟﺨَﻠﻖُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ
ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧٰﻠِﻖُ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻮٰﺣِﺪُ ﺍﻟﻘَﻬّٰﺮُ
[16] জিজ্ঞেস করুন নভোমন্ডল ও
ভুমন্ডলের পালনকর্তা কে? বলে দিনঃ
আল্লাহ! বলুনঃ তবে কি তোমরা
আল্লাহ ব্যতীত এমন অভিভাবক স্থির
করেছ, যারা নিজেদের ভাল-মন্দের ও
মালিক নয়? বলুনঃ অন্ধ চক্ষুষ্মান কি
সমান হয়? অথবা কোথাও কি অন্ধকার
ও আলো সমান হয়। তবে কি তারা
আল্লাহর জন্য এমন অংশীদার স্থির
করেছে যে, তারা কিছু সৃষ্টি করেছে,
যেমন সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ? অতঃপর
তাদের সৃষ্টি এরূপ বিভ্রান্তি
ঘটিয়েছে? বলুনঃ আল্লাহই প্রত্যেক
বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক,
পরাক্রমশালী।
[16] Say (O Muhammad SAW): “Who is
the Lord of the heavens and the earth?”
Say: “(It is) Allâh.” Say: “Have you then
taken (for worship) Auliyâ’ (protectors)
other than Him, such as have no power
either for benefit or for harm to
themselves?” Say: “Is the blind equal to
the one who sees? Or darkness equal to
light? Or do they assign to Allâh partners
who created the like of His creation, so
that the creation (which they made and
His creation) seemed alike to them.” Say:
“Allâh is the Creator of all things, He is
the One, the Irresistible.”
[17] ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً
ﻓَﺴﺎﻟَﺖ ﺃَﻭﺩِﻳَﺔٌ ﺑِﻘَﺪَﺭِﻫﺎ
ﻓَﺎﺣﺘَﻤَﻞَ ﺍﻟﺴَّﻴﻞُ ﺯَﺑَﺪًﺍ ﺭﺍﺑِﻴًﺎ ۚ
ﻭَﻣِﻤّﺎ ﻳﻮﻗِﺪﻭﻥَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﺍﺑﺘِﻐﺎﺀَ ﺣِﻠﻴَﺔٍ ﺃَﻭ ﻣَﺘٰﻊٍ
ﺯَﺑَﺪٌ ﻣِﺜﻠُﻪُ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳَﻀﺮِﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻭَﺍﻟﺒٰﻄِﻞَ ۚ ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﺍﻟﺰَّﺑَﺪُ
ﻓَﻴَﺬﻫَﺐُ ﺟُﻔﺎﺀً ۖ ﻭَﺃَﻣّﺎ ﻣﺎ ﻳَﻨﻔَﻊُ
ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﻓَﻴَﻤﻜُﺚُ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ
ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳَﻀﺮِﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻷَﻣﺜﺎﻝَ
[17] তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ
করেন। অতঃপর স্রোতধারা প্রবাহিত
হতে থাকে নিজ নিজ পরিমাণ
অনুযায়ী। অতঃপর স্রোতধারা স্ফীত
ফেনারাশি উপরে নিয়ে আসে। এবং
অলঙ্কার অথবা তৈজসপত্রের জন্যে যে
বস্তুকে আগুনে উত্তপ্ত করে, তাতেও
তেমনি ফেনারাশি থাকে। এমনি ভাবে
আল্লাহ সত্য ও অসত্যের দৃষ্টান্ত প্রদান
করেন। অতএব, ফেনা তো শুকিয়ে খতম
হয়ে যায় এবং যা মানুষের উপকারে
আসে, তা জমিতে অবশিষ্ট থাকে।
আল্লাহ এমনিভাবে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা
করেন।
[17] He sends down water (rain) from
the sky, and the valleys flow according to
their measure, but the flood bears away
the foam that mounts up to the surface,—
and (also) from that (ore) which they
heat in the fire in order to make
ornaments or utensils, rises a foam like
unto it, thus does Allâh (by parables)
show forth truth and falsehood. Then, as
for the foam it passes away as scum
upon the banks, while that which is for
the good of mankind remains in the
earth. Thus Allâh sets forth parables (for
the truth and falsehood, i.e. Belief and
disbelief).
[18] ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘَﺠﺎﺑﻮﺍ ﻟِﺮَﺑِّﻬِﻢُ
ﺍﻟﺤُﺴﻨﻰٰ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻟَﻢ
ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﺍ ﻟَﻪُ ﻟَﻮ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﻭَﻣِﺜﻠَﻪُ
ﻣَﻌَﻪُ ﻟَﺎﻓﺘَﺪَﻭﺍ ﺑِﻪِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ
ﺳﻮﺀُ ﺍﻟﺤِﺴﺎﺏِ ﻭَﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢ
ﺟَﻬَﻨَّﻢُ ۖ ﻭَﺑِﺌﺲَ ﺍﻟﻤِﻬﺎﺩُ
[18] যারা পালনকর্তার আদেশ পালন
করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান
রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে
না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু
থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ
আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের
মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের
জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের
আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা
নিকৃষ্ট অবস্থান।
[18] For those who answered their Lord’s
Call [believed in the Oneness of Allâh
and followed His Messenger Muhammad
SAW i.e. Islâmic Monotheism] is Al-
Husna (i.e. Paradise). But those who
answered not His Call (disbelieved in the
Oneness of Allâh and followed not His
Messenger Muhammad SAW), if they had
all that is in the earth together with its
like, they would offer it in order to save
themselves (from the torment, but it will
be in vain). For them there will be the
terrible reckoning. Their dwelling – place
will be Hell; – and worst indeed is that
place for rest.
[19] ۞ ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺃَﻧَّﻤﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻛَﻤَﻦ
ﻫُﻮَ ﺃَﻋﻤﻰٰ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮُ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ
ﺍﻷَﻟﺒٰﺐِ
[19] যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু
পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি
অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ
ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই
বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।
[19] Shall he then who knows that what
has been revealed unto you (O
Muhammad SAW) from your Lord is the
truth be like him who is blind? But it is
only the men of understanding that pay
heed.
[20] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳﻮﻓﻮﻥَ ﺑِﻌَﻬﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻻ ﻳَﻨﻘُﻀﻮﻥَ ﺍﻟﻤﻴﺜٰﻖَ
[20] এরা এমন লোক, যারা আল্লাহর
প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার
ভঙ্গ করে না।
[20] Those who fulfil the Covenant of
Allâh and break not the Mîthâq (bond,
treaty, covenant);
[21] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺼِﻠﻮﻥَ ﻣﺎ ﺃَﻣَﺮَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ ﺃَﻥ ﻳﻮﺻَﻞَ ﻭَﻳَﺨﺸَﻮﻥَ
ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﻭَﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﺳﻮﺀَ
ﺍﻟﺤِﺴﺎﺏِ
[21] এবং যারা বজায় রাখে ঐ সম্পর্ক,
যা বজায় রাখতে আল্লাহ আদেশ
দিয়েছেন এবং স্বীয় পালনকর্তাকে ভয়
করে এবং কঠোর হিসাবের আশঙ্কা
রাখে।
[21] And those who join that which Allâh
has commanded to be joined (i.e. they
are good to their relatives and do not
sever the bond of kinship), and fear
their Lord, and dread the terrible
reckoning (i.e. abstain from all kinds of
sins and evil deeds which Allâh has
forbidden and perform all kinds of good
deeds which Allâh has ordained).
[22] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺻَﺒَﺮُﻭﺍ ﺍﺑﺘِﻐﺎﺀَ
ﻭَﺟﻪِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ
ﻭَﺃَﻧﻔَﻘﻮﺍ ﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ﺳِﺮًّﺍ
ﻭَﻋَﻼﻧِﻴَﺔً ﻭَﻳَﺪﺭَﺀﻭﻥَ ﺑِﺎﻟﺤَﺴَﻨَﺔِ
ﺍﻟﺴَّﻴِّﺌَﺔَ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ ﻋُﻘﺒَﻰ
ﺍﻟﺪّﺍﺭِ
[22] এবং যারা স্বীয় পালনকর্তার
সন্তুষ্টির জন্যে সবর করে, নামায
প্রতিষ্টা করে আর আমি তাদেরকে যা
দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও
প্রকাশ্য ব্যয় করে এবং যারা মন্দের
বিপরীতে ভাল করে, তাদের জন্যে
রয়েছে পরকালের গৃহ।
[22] And those who remain patient,
seeking their Lord’s Countenance,
perform As-Salât (Iqâmat-as-Salât), and
spend out of that which We have
bestowed on them, secretly and openly,
and defend evil with good, for such there
is a good end;
[23] ﺟَﻨّٰﺖُ ﻋَﺪﻥٍ ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻧَﻬﺎ
ﻭَﻣَﻦ ﺻَﻠَﺢَ ﻣِﻦ ﺀﺍﺑﺎﺋِﻬِﻢ
ﻭَﺃَﺯﻭٰﺟِﻬِﻢ ﻭَﺫُﺭِّﻳّٰﺘِﻬِﻢ ۖ
ﻭَﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺑﺎﺏٍ
[23] তা হচ্ছে বসবাসের বাগান। তাতে
তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের
সৎকর্মশীল বাপ-দাদা, স্বামী-স্ত্রী ও
সন্তানেরা। ফেরেশতারা তাদের
কাছে আসবে প্রত্যেক দরজা দিয়ে।
[23] ‘Adn (Eden) Paradise (everlasting
Gardens), which they shall enter and
(also) those who acted righteously from
among their fathers, and their wives,
and their offspring. And angels shall
enter unto them from every gate
(saying):
[24] ﺳَﻠٰﻢٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺑِﻤﺎ ﺻَﺒَﺮﺗُﻢ ۚ
ﻓَﻨِﻌﻢَ ﻋُﻘﺒَﻰ ﺍﻟﺪّﺍﺭِ
[24] বলবেঃ তোমাদের সবরের কারণে
তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
আর তোমাদের এ পরিণাম-গৃহ কতই না
চমৎকার।
[24] “Salâmun ‘Alaikum (peace be upon
you) for that you persevered in patience!
Excellent indeed is the final home!”
[25] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻨﻘُﻀﻮﻥَ ﻋَﻬﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﻴﺜٰﻘِﻪِ
ﻭَﻳَﻘﻄَﻌﻮﻥَ ﻣﺎ ﺃَﻣَﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ ﺃَﻥ
ﻳﻮﺻَﻞَ ﻭَﻳُﻔﺴِﺪﻭﻥَ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ۙ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻌﻨَﺔُ
ﻭَﻟَﻬُﻢ ﺳﻮﺀُ ﺍﻟﺪّﺍﺭِ
[25] এবং যারা আল্লাহর অঙ্গীকারকে
দৃঢ় ও পাকা-পোক্ত করার পর তা ভঙ্গ
করে, আল্লাহ যে, সম্পর্ক বজায় রাখতে
আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং
পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, ওরা ঐ
সমস্ত লোক যাদের জন্যে রয়েছে
অভিসম্পাত এবং ওদের জন্যে রয়েছে
কঠিন আযাব।
[25] And those who break the Covenant
of Allâh, after its ratification, and sever
that which Allâh has commanded to be
joined (i.e. they sever the bond of
kinship and are not good to their
relatives), and work mischief in the land,
on them is the curse (i.e. they will be far
away from Allâh’s Mercy); and for them
is the unhappy (evil) home (i.e. Hell)
[26] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺒﺴُﻂُ ﺍﻟﺮِّﺯﻕَ ﻟِﻤَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻘﺪِﺭُ ۚ ﻭَﻓَﺮِﺣﻮﺍ
ﺑِﺎﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﻣَﺎ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓُ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻓِﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺇِﻟّﺎ ﻣَﺘٰﻊٌ
[26] আল্লাহ যার জন্যে ইচ্ছা রুযী
প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন।
তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ।
পার্থিবজীবন পরকালের সামনে অতি
সামান্য সম্পদ বৈ নয়।
[26] Allâh increases the provision for
whom He wills, and straitens (it for
whom He wills), and they rejoice in the
life of the world, whereas the life of this
world as compared with the Hereafter is
but a brief passing enjoyment
[27] ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻮﻻ
ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺀﺍﻳَﺔٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻪِ ۗ ﻗُﻞ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﻀِﻞُّ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣَﻦ ﺃَﻧﺎﺏَ
[27] কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর
পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন
কেন অবতীর্ণ হলো না? বলে দিন,
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন
এবং যে, মনোনিবেশ করে, তাকে
নিজের দিকে পথপ্রদর্শন করেন।
[27] And those who disbelieve say: “Why
is not a sign sent down to him
(Muhammad SAW) from his Lord?” Say:
“Verily, Allâh sends astray whom He
wills and guides unto Himself those who
turn to Him in repentance.”
[28] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﺗَﻄﻤَﺌِﻦُّ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﺑِﺬِﻛﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﺃَﻻ ﺑِﺬِﻛﺮِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﻄﻤَﺌِﻦُّ ﺍﻟﻘُﻠﻮﺏُ
[28] যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং
তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা
শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর
যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।
[28] Those who believed (in the Oneness
of Allâh – Islâmic Monotheism), and
whose hearts find rest in the
remembrance of Allâh, Verily, in the
remembrance of Allâh do hearts find rest
[29] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻃﻮﺑﻰٰ ﻟَﻬُﻢ
ﻭَﺣُﺴﻦُ ﻣَـٔﺎﺏٍ
[29] যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং
সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্যে
রয়েছে সুসংবাদ এবং মনোরম
প্রত্যাবর্তণস্থল।
[29] Those who believed (in the Oneness
of Allâh – Islâmic Monotheism), and work
righteousness, Tûbâ (all kinds of
happiness or name of a tree in Paradise)
is for them and a beautiful place of
(final) return.
[30] ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻚَ ﻓﻰ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﻗَﺪ ﺧَﻠَﺖ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬﺎ ﺃُﻣَﻢٌ
ﻟِﺘَﺘﻠُﻮَﺍ۟ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻭَﻫُﻢ ﻳَﻜﻔُﺮﻭﻥَ ﺑِﺎﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ۚ
ﻗُﻞ ﻫُﻮَ ﺭَﺑّﻰ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺗَﻮَﻛَّﻠﺖُ ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣَﺘﺎﺏِ
[30] এমনিভাবে আমি আপনাকে একটি
উম্মতের মধ্যে প্রেরণ করেছি। তাদের
পূর্বে অনেক উম্মত অতিক্রান্ত হয়েছে।
যাতে আপনি তাদেরকে ঐ নির্দেশ
শুনিয়ে দেন, যা আমি আপনার কাছে
প্রেরণ করেছি। তথাপি তারা
দয়াময়কে অস্বীকার করে। বলুনঃ
তিনিই আমার পালনকর্তা। তিনি
ব্যতীত কারও উপাসনা নাই। আমি তাঁর
উপরই ভরসা করেছি এবং তাঁর দিকেই
আমার প্রত্যাবর্তণ।
[30] Thus have We sent you (O
Muhammad SAW) to a community
before whom other communities have
passed away, in order that you might
recite unto them what We have revealed
to you, while they disbelieve in the Most
Gracious (Allâh) Say: “He is my Lord! Lâ
ilâha illâ Huwa (none has the right to be
worshipped but He)! In Him is my trust,
and to Him will be my return with
repentance.”
[31] ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻥَّ ﻗُﺮﺀﺍﻧًﺎ ﺳُﻴِّﺮَﺕ ﺑِﻪِ
ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝُ ﺃَﻭ ﻗُﻄِّﻌَﺖ ﺑِﻪِ ﺍﻷَﺭﺽُ
ﺃَﻭ ﻛُﻠِّﻢَ ﺑِﻪِ ﺍﻟﻤَﻮﺗﻰٰ ۗ ﺑَﻞ ﻟِﻠَّﻪِ
ﺍﻷَﻣﺮُ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۗ ﺃَﻓَﻠَﻢ ﻳَﺎ۟ﻳـَٔﺲِ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺃَﻥ ﻟَﻮ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬَﺪَﻯ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۗ ﻭَﻻ
ﻳَﺰﺍﻝُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺗُﺼﻴﺒُﻬُﻢ
ﺑِﻤﺎ ﺻَﻨَﻌﻮﺍ ﻗﺎﺭِﻋَﺔٌ ﺃَﻭ ﺗَﺤُﻞُّ
ﻗَﺮﻳﺒًﺎ ﻣِﻦ ﺩﺍﺭِﻫِﻢ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺄﺗِﻰَ
ﻭَﻋﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﺨﻠِﻒُ
ﺍﻟﻤﻴﻌﺎﺩَ
[31] যদি কোন কোরআন এমন হত, যার
সাহায্যে পাহাড় চলমান হয় অথবা যমীন
খন্ডিত হয় অথবা মৃতরা কথা বলে, তবে
কি হত? বরং সব কাজ তো আল্লাহর
হাতে। ঈমানদাররা কি এ ব্যাপারে
নিশ্চিত নয় যে, যদি আল্লাহ চাইতেন,
তবে সব মানুষকে সৎপথে পরিচালিত
করতেন? কাফেররা তাদের কৃতকর্মের
কারণে সব সময় আঘাত পেতে থাকবে
অথবা তাদের গৃহের নিকটবর্তী স্থানে
আঘাত নেমে আসবে, যে, পর্যন্ত
আল্লাহর ওয়াদা না আসে। নিশ্চয়
আল্লাহ ওয়াদার খেলাফ করেন না।
[31] And if there had been a Qur’ân with
which mountains could be moved (from
their places), or the earth could be
cloven asunder, or the dead could be
made to speak (it would not have been
other than this Qur’ân). But the decision
of all things is certainly with Allâh. Have
not then those who believed yet known
that had Allâh willed, He could have
guided all mankind? And a disaster will
not cease to strike those who disbelieve
because of their (evil) deeds or it (i.e. the
disaster) settle close to their homes, until
the Promise of Allâh comes to pass.
Certainly, Allâh does not fail in His
Promise.
[32] ﻭَﻟَﻘَﺪِ ﺍﺳﺘُﻬﺰِﺉَ ﺑِﺮُﺳُﻞٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺄَﻣﻠَﻴﺖُ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺛُﻢَّ ﺃَﺧَﺬﺗُﻬُﻢ ۖ ﻓَﻜَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ
ﻋِﻘﺎﺏِ
[32] আপনার পূর্বে কত রাসূলের সাথে
ঠাট্টা করা হয়েছে। অতঃপর আমি
কাফেরদেরকে কিছু অবকাশ দিয়েছি। ,
এর পর তাদেরকে পাকড়াও করেছি।
অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি।
[32] And indeed (many) Messengers were
mocked at before you (O Muhammad
SAW), but I granted respite to those who
disbelieved, and finally I punished them.
Then how (terrible) was My Punishment!
[33] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻫُﻮَ ﻗﺎﺋِﻢٌ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﻧَﻔﺲٍ ﺑِﻤﺎ ﻛَﺴَﺒَﺖ ۗ ﻭَﺟَﻌَﻠﻮﺍ
ﻟِﻠَّﻪِ ﺷُﺮَﻛﺎﺀَ ﻗُﻞ ﺳَﻤّﻮﻫُﻢ ۚ ﺃَﻡ
ﺗُﻨَﺒِّـٔﻮﻧَﻪُ ﺑِﻤﺎ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﻡ ﺑِﻈٰﻬِﺮٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘَﻮﻝِ ۗ
ﺑَﻞ ﺯُﻳِّﻦَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻣَﻜﺮُﻫُﻢ
ﻭَﺻُﺪّﻭﺍ ﻋَﻦِ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ ۗ ﻭَﻣَﻦ
ﻳُﻀﻠِﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻤﺎ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻫﺎﺩٍ
[33] ওরা প্রত্যেকেই কি মাথার উপর স্ব
স্ব কৃতকর্ম নিয়ে দন্ডায়মান নয়? এবং
তারা আল্লাহর জন্য অংশীদার
সাব্যস্ত করে। বলুন; নাম বল অথবা খবর
দাও পৃথিবীর এমন কিছু জিনিস
সম্পর্কে যা তিনি জানেন না? অথবা
অসার কথাবার্তা বলছ? বরং সুশোভিত
করা হয়েছে কাফেরদের জন্যে তাদের
প্রতারণাকে এবং তাদেরকে সৎপথ
থেকে বাধা দান করা হয়েছে। আল্লাহ
যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথ
প্রদর্শক নেই।
[33] Is then He (Allâh) Who takes charge
(guards, maintains, provides) of every
person and knows all that he has earned
(like any other deities who know
nothing)? Yet they ascribe partners to
Allâh. Say: “Name them! Is it that you
will inform Him of something He knows
not in the earth or is it (just) a show of
false words.” Nay! To those who
disbelieved, their plotting is made
fairseeming, and they have been
hindered from the Right Path, and whom
Allâh sends astray, for him, there is no
guide.
[34] ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻓِﻰ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﻟَﻌَﺬﺍﺏُ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﺃَﺷَﻖُّ ۖ ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ
ﻭﺍﻕٍ
[34] দুনিয়ার জীবনেই এদের জন্য
রয়েছে আযাব এবং অতি অবশ্য
আখেরাতের জীবন কঠোরতম। আল্লাহর
কবল থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী
নেই।
[34] For them is a torment in the life of
this world, and certainly, harder is the
torment of the Hereafter. And they have
no Waq (defender or protector) against
Allâh
[35] ۞ ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﻭُﻋِﺪَ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻮﻥَ ۖ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ
ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﺃُﻛُﻠُﻬﺎ ﺩﺍﺋِﻢٌ
ﻭَﻇِﻠُّﻬﺎ ۚ ﺗِﻠﻚَ ﻋُﻘﺒَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺗَّﻘَﻮﺍ ۖ ﻭَﻋُﻘﺒَﻰ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ
[35] পরহেযগারদের জন্যে প্রতিশ্রুত
জান্নাতের অবস্থা এই যে, তার নিম্নে
নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। তার
ফলসমূহ চিরস্থায়ী এবং ছায়াও। এটা
তাদের প্রতিদান, যারা সাবধান
হয়েছে এবং কাফেরদের প্রতিফল
অগ্নি।
[35] The description of the Paradise
which the Muttaqûn (pious – see V.2:2):
have been promised! -Underneath it
rivers flow, its provision is eternal and
so is its shade, this is the end (final
destination) of the Muttaqûn (pious – see
V.2:2), and the end (final destination) of
the disbelievers is Fire. (See Verse 47:15)
[36] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﻳَﻔﺮَﺣﻮﻥَ ﺑِﻤﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ۖ
ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻷَﺣﺰﺍﺏِ ﻣَﻦ ﻳُﻨﻜِﺮُ
ﺑَﻌﻀَﻪُ ۚ ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃُﻣِﺮﺕُ ﺃَﻥ
ﺃَﻋﺒُﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻻ ﺃُﺷﺮِﻙَ ﺑِﻪِ ۚ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﺃَﺩﻋﻮﺍ ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣَـٔﺎﺏِ
[36] এবং যাদেরকে আমি গ্রন্থ
দিয়েছি, তারা আপনার প্রতি যা
অবতীর্ণ হয়েছে, তজ্জন্যে আনন্দিত হয়
এবং কোন কোন দল এর কোন কোন
বিষয় অস্বীকার করে। বলুন, আমাকে
এরূপ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, আমি
আল্লাহর এবাদত করি। এবং তাঁর সাথে
অংশীদার না করি। আমি তাঁর দিকেই
দাওয়াত দেই এবং তাঁর কাছেই আমার
প্রত্যাবর্তন।
[36] Those to whom We have given the
Book (such as ‘Abdullâh bin Salâm and
other Jews who embraced Islâm), rejoice
at what has been revealed unto you (i.e.
the Qur’ân), but there are among the
Confederates (from the Jews and pagans)
those who reject a part thereof. Say (O
Muhammad SAW): “I am commanded
only to worship Allâh (Alone) and not to
join partners with Him. To Him (Alone) I
call and to Him is my return.”
[37] ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ ﺣُﻜﻤًﺎ
ﻋَﺮَﺑِﻴًّﺎ ۚ ﻭَﻟَﺌِﻦِ ﺍﺗَّﺒَﻌﺖَ
ﺃَﻫﻮﺍﺀَﻫُﻢ ﺑَﻌﺪَﻣﺎ ﺟﺎﺀَﻙَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻌِﻠﻢِ ﻣﺎ ﻟَﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ
ﻭَﻟِﻰٍّ ﻭَﻻ ﻭﺍﻕٍ
[37] এমনিভাবেই আমি এ কোরআনকে
আরবী ভাষায় নির্দেশরূপে অবতীর্ণ
করেছি। যদি আপনি তাদের প্রবৃত্তির
অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান
পৌঁছার পর, তবে আল্লাহর কবল থেকে
আপনার না কোন সাহায্যকারী আছে
এবং না কোন রক্ষাকারী।
[37] And thus have We sent it (the
Qur’ân) down to be a judgement of
authority in Arabic. Were you (O
Muhammad SAW) to follow their (vain)
desires after the knowledge which has
come to you, then you will not have any
Walî (protector) or Waq (defender)
against Allâh.
[38] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﺭُﺳُﻠًﺎ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻟَﻬُﻢ ﺃَﺯﻭٰﺟًﺎ
ﻭَﺫُﺭِّﻳَّﺔً ۚ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﺮَﺳﻮﻝٍ ﺃَﻥ
ﻳَﺄﺗِﻰَ ﺑِـٔﺎﻳَﺔٍ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻟِﻜُﻞِّ
ﺃَﺟَﻞٍ ﻛِﺘﺎﺏٌ
[38] আপনার পূর্বে আমি অনেক রসূল
প্রেরণ করেছি এবং তাঁদেরকে পত্নী ও
সন্তান-সন্ততি দিয়েছি। কোন রসূলের
এমন সাধ্য ছিল না যে আল্লাহর
নির্দেশ ছাড়া কোন নিদর্শন উপস্থিত
করে। প্রত্যেকটি ওয়াদা লিখিত আছে।
[38] And indeed We sent Messengers
before you (O Muhammad SAW), and
made for them wives and offspring. And
it was not for a Messenger to bring a
sign except by Allâh’s Leave. (For) every
matter there is a Decree (from Allâh).
(Tafsir At-Tabari).
[39] ﻳَﻤﺤُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﻭَﻳُﺜﺒِﺖُ ۖ ﻭَﻋِﻨﺪَﻩُ ﺃُﻡُّ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ
[39] আল্লাহ যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন
এবং বহাল রাখেন এবং মূলগ্রন্থ তাঁর
কাছেই রয়েছে।
[39] Allâh blots out what He wills and
confirms (what He wills). And with Him
is the Mother of the Book (Al-Lauh Al-
Mahfûz).
[40] ﻭَﺇِﻥ ﻣﺎ ﻧُﺮِﻳَﻨَّﻚَ ﺑَﻌﺾَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻧَﻌِﺪُﻫُﻢ ﺃَﻭ ﻧَﺘَﻮَﻓَّﻴَﻨَّﻚَ
ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺍﻟﺒَﻠٰﻎُ ﻭَﻋَﻠَﻴﻨَ