14. সুরা আল ইবরাহীম (01-52)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺮ ۚ ﻛِﺘٰﺐٌ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ ﺇِﻟَﻴﻚَ
ﻟِﺘُﺨﺮِﺝَ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﻮﺭِ ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﺇِﻟﻰٰ
ﺻِﺮٰﻁِ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰِ ﺍﻟﺤَﻤﻴﺪِ
[1] আলিফ-লাম-রা; এটি একটি গ্রন্থ,
যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি-
যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে
আলোর দিকে বের করে আনেন-
পরাক্রান্ত, প্রশংসার যোগ্য
পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের
দিকে।
[1] Alif-Lâm-Râ. [These letters are one of
the miracles of the Qur’ân, and none but
Allâh (Alone) knows their meanings].
(This is) a Book which We have revealed
unto you (O Muhammad SAW) in order
that you might lead mankind out of
darkness (of disbelief and polytheism)
into light (of belief in the Oneness of
Allâh and Islâmic Monotheism) by their
Lord’s Leave to the Path of the All-
Mighty, the Owner of all Praise.
[2] ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻟَﻪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۗ
ﻭَﻭَﻳﻞٌ ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻋَﺬﺍﺏٍ
ﺷَﺪﻳﺪٍ
[2] তিনি আল্লাহ; যিনি নভোমন্ডল ও
ভূ-মন্ডলের সবকিছুর মালিক।
কাফেরদের জন্যে বিপদ রয়েছে,
কঠোর আযাব;
[2] Allâh to Whom belongs all that is in
the heavens and all that is in the earth!
And woe unto the disbelievers from a
severe torment.
[3] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺴﺘَﺤِﺒّﻮﻥَ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻭَﻳَﺼُﺪّﻭﻥَ ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻳَﺒﻐﻮﻧَﻬﺎ ﻋِﻮَﺟًﺎ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻓﻰ
ﺿَﻠٰﻞٍ ﺑَﻌﻴﺪٍ
[3] যারা পরকালের চাইতে পার্থিব
জীবনকে পছন্দ করে; আল্লাহর পথে
বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা
অন্বেষণ করে, তারা পথ ভুলে দূরে পড়ে
আছে।
[3] Those who prefer the life of this
world to of the Hereafter, and hinder
(men) from the Path of Allâh (i.e.Islâm)
and seek crookedness therein – they are
far astray.
[4] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻣِﻦ ﺭَﺳﻮﻝٍ ﺇِﻟّﺎ
ﺑِﻠِﺴﺎﻥِ ﻗَﻮﻣِﻪِ ﻟِﻴُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻬُﻢ ۖ
ﻓَﻴُﻀِﻞُّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﻭَﻫُﻮَ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[4] আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের
স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ
করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার
বোঝাতে পারে। অতঃপর আল্লাহ
যাকে ইচ্ছা, পথঃভ্রষ্ট করেন এবং
যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। তিনি
পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়।
[4] And We sent not a Messenger except
with the language of his people, in order
that he might make (the Message) clear
for them. Then Allâh misleads whom He
wills and guides whom He wills. And He
is the All-Mighty, the All-Wise.
[5] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ ﺃَﻥ ﺃَﺧﺮِﺝ ﻗَﻮﻣَﻚَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﻮﺭِ ﻭَﺫَﻛِّﺮﻫُﻢ
ﺑِﺄَﻳّﻯٰﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﺒّﺎﺭٍ ﺷَﻜﻮﺭٍ
[5] আমি মূসাকে নিদর্শনাবলী সহ
প্রেরণ করেছিলাম যে, স্বজাতিকে
অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন
এবং তাদেরকে আল্লাহর দিনসমূহ স্মরণ
করান। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল
কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[5] And indeed We sent Mûsa (Moses)
with Our Ayât (signs, proofs, and
evidences) (saying): “Bring out your
people from darkness into light, and
remind them of the annals of Allâh.
Truly, therein are Ayat (evidences,
proofs and signs) for every patient,
thankful (person).”
[6] ﻭَﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﻣﻮﺳﻰٰ ﻟِﻘَﻮﻣِﻪِ
ﺍﺫﻛُﺮﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺇِﺫ
ﺃَﻧﺠﻯٰﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺀﺍﻝِ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ
ﻳَﺴﻮﻣﻮﻧَﻜُﻢ ﺳﻮﺀَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ
ﻭَﻳُﺬَﺑِّﺤﻮﻥَ ﺃَﺑﻨﺎﺀَﻛُﻢ
ﻭَﻳَﺴﺘَﺤﻴﻮﻥَ ﻧِﺴﺎﺀَﻛُﻢ ۚ ﻭَﻓﻰ
ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺑَﻼﺀٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[6] যখন মূসা স্বজাতিকে বললেনঃ
তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ
স্মরণ কর যখন তিনি তোমাদেরকে
ফেরাউনের সম্প্রদায়ের কবল থেকে
মুক্তি দেন। তারা তোমাদেরকে
অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিত,
তোমাদের ছেলেদেরকে হত্যা করত
এবং তোমাদের মেয়েদেরকে জীবিত
রাখত। এবং এতে তোমাদের
পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিরাট
পরীক্ষা হয়েছিল।
[6] And (remember) when Mûsa (Moses)
said to his people: “Call to mind Allâh’s
Favour to you, when He delivered you
from Fir’aun’s (Pharaoh) people who
were afflicting you with horrible
torment, and were slaughtering your
sons and letting your women alive, and
in it was a tremendous trial from your
Lord.”
[7] ﻭَﺇِﺫ ﺗَﺄَﺫَّﻥَ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﻟَﺌِﻦ
ﺷَﻜَﺮﺗُﻢ ﻟَﺄَﺯﻳﺪَﻧَّﻜُﻢ ۖ ﻭَﻟَﺌِﻦ
ﻛَﻔَﺮﺗُﻢ ﺇِﻥَّ ﻋَﺬﺍﺑﻰ ﻟَﺸَﺪﻳﺪٌ
[7] যখন তোমাদের পালনকর্তা
ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা
স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও
দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই
আমার শাস্তি হবে কঠোর।
[7] And (remember) when your Lord
proclaimed: “If you give thanks (by
accepting Faith and worshipping none
but Allâh), I will give you more (of My
Blessings), but if you are thankless (i.e.
disbelievers), verily! My Punishment is
indeed severe.”
[8] ﻭَﻗﺎﻝَ ﻣﻮﺳﻰٰ ﺇِﻥ ﺗَﻜﻔُﺮﻭﺍ
ﺃَﻧﺘُﻢ ﻭَﻣَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻐَﻨِﻰٌّ ﺣَﻤﻴﺪٌ
[8] এবং মূসা বললেনঃ তোমরা এবং
পৃথিবীর সবাই যদি কুফরী কর, তথাপি
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, যাবতীয় গুনের
আধার।
[8] And Mûsa (Moses) said: “If you
disbelieve, you and all on earth together,
then verily! Allâh is Rich (Free of all
needs), Owner of all Praise.”
[9] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﺄﺗِﻜُﻢ ﻧَﺒَﺆُﺍ۟ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻗَﻮﻡِ ﻧﻮﺡٍ ﻭَﻋﺎﺩٍ
ﻭَﺛَﻤﻮﺩَ ۛ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻫِﻢ ۛ
ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤُﻬُﻢ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﺟﺎﺀَﺗﻬُﻢ
ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ﻓَﺮَﺩّﻭﺍ
ﺃَﻳﺪِﻳَﻬُﻢ ﻓﻰ ﺃَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺇِﻧّﺎ ﻛَﻔَﺮﻧﺎ ﺑِﻤﺎ ﺃُﺭﺳِﻠﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﻭَﺇِﻧّﺎ
ﻟَﻔﻰ ﺷَﻚٍّ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺪﻋﻮﻧَﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﻣُﺮﻳﺐٍ
[9] তোমাদের কাছে কি তোমাদের
পূর্ববর্তী কওমে নূহ, আদ ও সামুদের এবং
তাদের পরবর্তীদের খবর পৌছেনি?
তাদের বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ
জানে না। তাদের কাছে তাদের
পয়গম্বর প্রমানাদি নিয়ে আগমন করেন।
অতঃপর তারা নিজেদের হাত
নিজেদের মুখে রেখে দিয়েছে এবং
বলেছে, যা কিছু সহ তোমাদেরকে
প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা মানি
না এবং যে পথের দিকে তোমরা
আমাদেরকে দাওয়াত দাও, সে সম্পর্কে
আমাদের মনে সন্দেহ আছে, যা
আমাদেরকে উৎকন্ঠায় ফেলে রেখেছে।
[9] Has not the news reached you, of
those before you, the people of Nûh
(Noah), and ‘Ad, and Thamud? And those
after them? None knows them but Allâh.
To them came their Messengers with
clear proofs, but they put their hands in
their mouths (biting them from anger)
and said: “Verily, we disbelieve in that
with which you have been sent, and we
are really in grave doubt as to that to
which you invite us (i.e. Islâmic
Monotheism).”
[10] ۞ ﻗﺎﻟَﺖ ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺃَﻓِﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺷَﻚٌّ ﻓﺎﻃِﺮِ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻳَﺪﻋﻮﻛُﻢ ﻟِﻴَﻐﻔِﺮَ
ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺫُﻧﻮﺑِﻜُﻢ ﻭَﻳُﺆَﺧِّﺮَﻛُﻢ
ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۚ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻥ
ﺃَﻧﺘُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﺑَﺸَﺮٌ ﻣِﺜﻠُﻨﺎ ﺗُﺮﻳﺪﻭﻥَ
ﺃَﻥ ﺗَﺼُﺪّﻭﻧﺎ ﻋَﻤّﺎ ﻛﺎﻥَ ﻳَﻌﺒُﺪُ
ﺀﺍﺑﺎﺅُﻧﺎ ﻓَﺄﺗﻮﻧﺎ ﺑِﺴُﻠﻄٰﻦٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[10] তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ
আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে,
যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা?
তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন
যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা
করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত
তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ
তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ!
তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে
বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত
আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব
তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন
কর।
[10] Their Messengers said: “What! Can
there be a doubt about Allâh, the Creator
of the heavens and the earth? He calls
you (to Monotheism and to be obedient
to Allâh) that He may forgive you of your
sins and give you respite for a term
appointed.” They said: “You are no more
than human beings like us! You wish to
turn us away from what our fathers used
to worship. Then bring us a clear
authority (i.e. a clear proof of what you
say).”
[11] ﻗﺎﻟَﺖ ﻟَﻬُﻢ ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺇِﻥ
ﻧَﺤﻦُ ﺇِﻟّﺎ ﺑَﺸَﺮٌ ﻣِﺜﻠُﻜُﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻤُﻦُّ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ
ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ۖ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻨﺎ ﺃَﻥ
ﻧَﺄﺗِﻴَﻜُﻢ ﺑِﺴُﻠﻄٰﻦٍ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ
ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻠﻴَﺘَﻮَﻛَّﻞِ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[11] তাদের পয়গম্বর তাদেরকে বলেনঃ
আমারাও তোমাদের মত মানুষ, কিন্তু
আল্লাহ বান্দাদের মধ্য থেকে যার
উপরে ইচ্ছা, অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর
নির্দেশ ব্যতীত তোমাদের কাছে
প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়;
ঈমানদারদের আল্লাহর উপর ভরসা করা
চাই।
[11] Their Messengers said to them: “We
are no more than human beings like you,
but Allâh bestows His Grace to whom He
wills of His slaves. It is not ours to bring
you an authority (proof) except by the
Permission of Allâh. And in Allâh (Alone)
let the believers put their trust.
[12] ﻭَﻣﺎ ﻟَﻨﺎ ﺃَﻟّﺎ ﻧَﺘَﻮَﻛَّﻞَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻗَﺪ ﻫَﺪﻯٰﻨﺎ ﺳُﺒُﻠَﻨﺎ ۚ
ﻭَﻟَﻨَﺼﺒِﺮَﻥَّ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ ﺀﺍﺫَﻳﺘُﻤﻮﻧﺎ ۚ
ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻠﻴَﺘَﻮَﻛَّﻞِ
ﺍﻟﻤُﺘَﻮَﻛِّﻠﻮﻥَ
[12] আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না
করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ
তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে
দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে
পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে আমরা সবর করব।
ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা
করা উচিত।
[12] “And why should we not put our
trust in Allâh while He indeed has
guided us our ways? And we shall
certainly bear with patience all the hurt
you may cause us, and in Allâh (Alone)
let those who trust, put their trust.”
[13] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻟِﺮُﺳُﻠِﻬِﻢ ﻟَﻨُﺨﺮِﺟَﻨَّﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺃَﺭﺿِﻨﺎ ﺃَﻭ ﻟَﺘَﻌﻮﺩُﻥَّ ﻓﻰ ﻣِﻠَّﺘِﻨﺎ ۖ
ﻓَﺄَﻭﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﻟَﻨُﻬﻠِﻜَﻦَّ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[13] কাফেররা পয়গম্বরগণকে
বলেছিলঃ আমরা তোমাদেরকে দেশ
থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা
আমাদের ধর্মে ফিরে আসবে। তখন
তাদের কাছে তাদের পালনকর্তা ওহী
প্রেরণ করলেন যে, আমি
জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব।
[13] And those who disbelieved, said to
their Messengers: “Surely, we shall drive
you out of our land, or you shall return
to our religion.” So their Lord revealed
to them: “Truly, We shall destroy the
Zâlimûn (polytheists, disbelievers and
wrong-doers.).
[14] ﻭَﻟَﻨُﺴﻜِﻨَﻨَّﻜُﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِﻫِﻢ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟِﻤَﻦ ﺧﺎﻑَ
ﻣَﻘﺎﻣﻰ ﻭَﺧﺎﻑَ ﻭَﻋﻴﺪِ
[14] তাদের পর তোমাদেরকে দেশে
আবাদ করব। এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে
আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং
আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে।
[14] “And indeed, We shall make you
dwell in the land after them. This is for
him who fears standing before Me (on
the Day of Resurrection or fears My
Punishment) and also fears My threat.”
[15] ﻭَﺍﺳﺘَﻔﺘَﺤﻮﺍ ﻭَﺧﺎﺏَ ﻛُﻞُّ
ﺟَﺒّﺎﺭٍ ﻋَﻨﻴﺪٍ
[15] পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে
লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য,
হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।
[15] And they (the Messengers) sought
victory and help [from their Lord
(Allâh)], and every obstinate, arrogant
dictator (who refuses to believe in the
Oneness of Allâh) was brought to a
complete loss and destruction.
[16] ﻣِﻦ ﻭَﺭﺍﺋِﻪِ ﺟَﻬَﻨَّﻢُ ﻭَﻳُﺴﻘﻰٰ
ﻣِﻦ ﻣﺎﺀٍ ﺻَﺪﻳﺪٍ
[16] তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে
পূঁজ মিশানো পানি পান করানো
হবে।
[16] In front of him (every obstinate,
arrogant dictator) is Hell, and he will be
made to drink boiling, festering water.
[17] ﻳَﺘَﺠَﺮَّﻋُﻪُ ﻭَﻻ ﻳَﻜﺎﺩُ ﻳُﺴﻴﻐُﻪُ
ﻭَﻳَﺄﺗﻴﻪِ ﺍﻟﻤَﻮﺕُ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜﺎﻥٍ
ﻭَﻣﺎ ﻫُﻮَ ﺑِﻤَﻴِّﺖٍ ۖ ﻭَﻣِﻦ ﻭَﺭﺍﺋِﻪِ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻏَﻠﻴﻆٌ
[17] ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং
গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না।
প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু
আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার
পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।
[17] He will sip it unwillingly, and he
will find a great difficulty to swallow it
down his throat, and death will come to
him from every side, yet he will not die
and in front of him, will be a great
torment.
[18] ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ ۖ
ﺃَﻋﻤٰﻠُﻬُﻢ ﻛَﺮَﻣﺎﺩٍ ﺍﺷﺘَﺪَّﺕ ﺑِﻪِ
ﺍﻟﺮّﻳﺢُ ﻓﻰ ﻳَﻮﻡٍ ﻋﺎﺻِﻒٍ ۖ ﻻ
ﻳَﻘﺪِﺭﻭﻥَ ﻣِﻤّﺎ ﻛَﺴَﺒﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻀَّﻠٰﻞُ
ﺍﻟﺒَﻌﻴﺪُ
[18] যারা স্বীয় পালনকর্তার সত্তার
অবিশ্বাসী তাদের অবস্থা এই যে,
তাদের কর্মসমূহ ছাইভস্মের মত যার উপর
দিয়ে প্রবল বাতাস বয়ে যায় ধূলিঝড়ের
দিন। তাদের উপার্জনের কোন অংশই
তাদের করতলগত হবে না। এটাই দুরবর্তী
পথভ্রষ্টতা।
[18] The parable of those who disbelieve
in their Lord is that their works are as
ashes, on which the wind blows furiously
on a stormy day, they shall not be able to
get aught of what they have earned. That
is the straying, far away (from the Right
Path).
[19] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ
ﺇِﻥ ﻳَﺸَﺄ ﻳُﺬﻫِﺒﻜُﻢ ﻭَﻳَﺄﺕِ
ﺑِﺨَﻠﻖٍ ﺟَﺪﻳﺪٍ
[19] তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ
নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি
করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে
তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে
যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।
[19] Do you not see that Allâh has
created the heavens and the earth with
truth? If He will, He can remove you and
bring (in your place) a new creation!
[20] ﻭَﻣﺎ ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﻌَﺰﻳﺰٍ
[20] এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন
নয়।
[20] And for Allâh that is not hard or
difficult.
[21] ﻭَﺑَﺮَﺯﻭﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﻓَﻘﺎﻝَ
ﺍﻟﻀُّﻌَﻔٰﺆُﺍ۟ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ
ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻟَﻜُﻢ ﺗَﺒَﻌًﺎ ﻓَﻬَﻞ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﻣُﻐﻨﻮﻥَ ﻋَﻨّﺎ ﻣِﻦ ﻋَﺬﺍﺏِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻮ ﻫَﺪﻯٰﻨَﺎ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬَﺪَﻳﻨٰﻜُﻢ ۖ ﺳَﻮﺍﺀٌ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ
ﺃَﺟَﺰِﻋﻨﺎ ﺃَﻡ ﺻَﺒَﺮﻧﺎ ﻣﺎ ﻟَﻨﺎ ﻣِﻦ
ﻣَﺤﻴﺺٍ
[21] সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান
হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ
আমরা তো তোমাদের অনুসারী
ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর
আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র
রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি
আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন,
তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে
সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের
ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই
আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই
নেই।
[21] And they all shall appear before
Allâh (on the Day of Resurrection) then
the weak will say to those who were
arrogant (chiefs): “Verily, we were
following you; can you avail us anything
against Allâh’s Torment?” They will say:
“Had Allâh guided us, we would have
guided you. It makes no difference to us
(now) whether we rage, or bear (these
torments) with patience, there is no
place of refuge for us.”
[22] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ ﻟَﻤّﺎ ﻗُﻀِﻰَ
ﺍﻷَﻣﺮُ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻋَﺪَﻛُﻢ ﻭَﻋﺪَ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻭَﻭَﻋَﺪﺗُﻜُﻢ ﻓَﺄَﺧﻠَﻔﺘُﻜُﻢ ۖ
ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻰَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺳُﻠﻄٰﻦٍ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﺩَﻋَﻮﺗُﻜُﻢ
ﻓَﺎﺳﺘَﺠَﺒﺘُﻢ ﻟﻰ ۖ ﻓَﻼ
ﺗَﻠﻮﻣﻮﻧﻰ ﻭَﻟﻮﻣﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ۖ
ﻣﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﺑِﻤُﺼﺮِﺧِﻜُﻢ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﺑِﻤُﺼﺮِﺧِﻰَّ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﻛَﻔَﺮﺕُ ﺑِﻤﺎ
ﺃَﺷﺮَﻛﺘُﻤﻮﻥِ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۗ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[22] যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে
যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয়
আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা
দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের
সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ
করেছি। তোমাদের উপর তো আমার
কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে,
আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর
তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ।
অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো
না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর।
আমি তোমাদের উদ্ধারে
সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও
আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও।
ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে
আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা
অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম
তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি।
[22] And Shaitân (Satan) will say when
the matter has been decided: “Verily,
Allâh promised you a promise of truth.
And I too promised you, but I betrayed
you. I had no authority over you except
that I called you, so you responded to me.
So blame me not, but blame yourselves. I
cannot help you, nor can you help me. I
deny your former act in associating me
(Satan) as a partner with Allâh (by
obeying me in the life of the world).
Verily, there is a painful torment for the
Zâlimûn (polytheists and wrong-doers).”
[23] ﻭَﺃُﺩﺧِﻞَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۖ
ﺗَﺤِﻴَّﺘُﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺳَﻠٰﻢٌ
[23] এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে
এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে
এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার
পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ
প্রবাহিত হবে তারা তাতে
পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল
থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে
সালাম।
[23] And those who believed (in the
Oneness of Allâh and His Messengers
and whatever they brought) and did
righteous deeds, will be made to enter
Gardens under which rivers flow, – to
dwell therein forever (i.e.in Paradise),
with the permission of their Lord. Their
greeting therein will be: Salâm (peace!)
[24] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﻛَﻴﻒَ ﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻛَﻠِﻤَﺔً ﻃَﻴِّﺒَﺔً ﻛَﺸَﺠَﺮَﺓٍ
ﻃَﻴِّﺒَﺔٍ ﺃَﺻﻠُﻬﺎ ﺛﺎﺑِﺖٌ ﻭَﻓَﺮﻋُﻬﺎ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
[24] তুমি কি লক্ষ্য কর না, আল্লাহ
তা’আলা কেমন উপমা বর্ণনা
করেছেনঃ পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র
বৃক্ষের মত। তার শিকড় মজবুত এবং
শাখা আকাশে উত্থিত।
[24] See you not how Allâh sets forth a
parable? – A goodly word as a goodly
tree, whose root is firmly fixed, and its
branches (reach) to the sky (i.e. very
high).
[25] ﺗُﺆﺗﻰ ﺃُﻛُﻠَﻬﺎ ﻛُﻞَّ ﺣﻴﻦٍ
ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺭَﺑِّﻬﺎ ۗ ﻭَﻳَﻀﺮِﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻷَﻣﺜﺎﻝَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[25] সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ
ফল দান করে। আল্লাহ মানুষের জন্যে
দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন-যাতে তারা
চিন্তা-ভাবনা করে।
[25] Giving its fruit at all times, by the
Leave of its Lord and Allâh sets forth
parables for mankind in order that they
may remember.
[26] ﻭَﻣَﺜَﻞُ ﻛَﻠِﻤَﺔٍ ﺧَﺒﻴﺜَﺔٍ
ﻛَﺸَﺠَﺮَﺓٍ ﺧَﺒﻴﺜَﺔٍ ﺍﺟﺘُﺜَّﺖ ﻣِﻦ
ﻓَﻮﻕِ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣﺎ ﻟَﻬﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺮﺍﺭٍ
[26] এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ
হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর
থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন
স্থিতি নেই।
[26] And the parable of an evil word is
that of an evil tree uprooted from the
surface of earth having no stability.
[27] ﻳُﺜَﺒِّﺖُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﺑِﺎﻟﻘَﻮﻝِ ﺍﻟﺜّﺎﺑِﺖِ ﻓِﻰ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﻓِﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۖ
ﻭَﻳُﻀِﻞُّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ ۚ ﻭَﻳَﻔﻌَﻞُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀُ
[27] আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে
মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন।
পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং
আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন।
আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
[27] Allâh will keep firm those who
believe, with the word that stands firm
in this world (i.e. they will keep on
worshipping Allâh Alone and none else),
and in the Hereafter. And Allâh will
cause to go astray those who are Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers, etc.), and
Allâh does what He wills.
[28] ۞ ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺑَﺪَّﻟﻮﺍ ﻧِﻌﻤَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛُﻔﺮًﺍ
ﻭَﺃَﺣَﻠّﻮﺍ ﻗَﻮﻣَﻬُﻢ ﺩﺍﺭَ ﺍﻟﺒَﻮﺍﺭِ
[28] তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা
আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত
করেছে এবং স্ব-জাতিকে সম্মুখীন
করেছে ধ্বংসের আলয়ে।
[28] Have you not seen those who have
changed the Blessings of Allâh into
disbelief (by denying Prophet
Muhammad SAW and his Message of
Islâm), and caused their people to dwell
in the house of destruction?
[29] ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻳَﺼﻠَﻮﻧَﻬﺎ ۖ ﻭَﺑِﺌﺲَ
ﺍﻟﻘَﺮﺍﺭُ
[29] দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ
করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।
[29] Hell, in which they will burn, – and
what an evil place to settle in!
[30] ﻭَﺟَﻌَﻠﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﺃَﻧﺪﺍﺩًﺍ
ﻟِﻴُﻀِﻠّﻮﺍ ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ۗ ﻗُﻞ
ﺗَﻤَﺘَّﻌﻮﺍ ﻓَﺈِﻥَّ ﻣَﺼﻴﺮَﻛُﻢ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
[30] এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ
স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ
থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা
উপভোগ করে নাও। অতঃপর
তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে
যেতে হবে।
[30] And they set up rivals to Allâh, to
mislead (men) from His Path! Say: “Enjoy
(your brief life)! But certainly, your
destination is the (Hell) Fire!”
[31] ﻗُﻞ ﻟِﻌِﺒﺎﺩِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻳُﻘﻴﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﻳُﻨﻔِﻘﻮﺍ ﻣِﻤّﺎ
ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ﺳِﺮًّﺍ ﻭَﻋَﻼﻧِﻴَﺔً ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞِ ﺃَﻥ ﻳَﺄﺗِﻰَ ﻳَﻮﻡٌ ﻻ ﺑَﻴﻊٌ
ﻓﻴﻪِ ﻭَﻻ ﺧِﻠٰﻞٌ
[31] আমার বান্দাদেরকে বলে দিন
যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা
নামায কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া
রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে
ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন
কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও
নেই।
[31] Say (O Muhammad SAW) to ‘Ibâdî
(My slaves) who have believed, that they
should perform As-Salât (Iqâmat-as-
Salât), and spend in charity out of the
sustenance We have given them, secretly
and openly, before the coming of a Day
on which there will be neither mutual
bargaining nor befriending.
[32] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻣﺎﺀً ﻓَﺄَﺧﺮَﺝَ ﺑِﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ
ﺭِﺯﻗًﺎ ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ
ﻟِﺘَﺠﺮِﻯَ ﻓِﻰ ﺍﻟﺒَﺤﺮِ ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ۖ
ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮَ
[32] তিনিই আল্লাহ, যিনি নভোমন্ডল
ও ভুমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ
থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা
দ্বারা তোমাদের জন্যে ফলের
রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং
নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ
করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে
চলা ফেরা করে এবং নদ-নদীকে
তোমাদের সেবায় নিয়োজিত
করেছেন।
[32] Allâh is He Who has created the
heavens and the earth and sends down
water (rain) from the sky, and thereby
brought forth fruits as provision for you;
and He has made the ships to be of
service to you, that they may sail through
the sea by His Command; and He has
made rivers (also) to be of service to you.
[33] ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ
ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ﺩﺍﺋِﺒَﻴﻦِ ۖ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ
ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ
[33] এবং তোমাদের সেবায়
নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং
চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি
ও দিবাকে তোমাদের কাজে
লাগিয়েছেন।
[33] And He has made the sun and the
moon, both constantly pursuing their
courses, to be of service to you; and He
has made the night and the day, to be of
service to you.
[34] ﻭَﺀﺍﺗﻯٰﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﻣﺎ
ﺳَﺄَﻟﺘُﻤﻮﻩُ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻌُﺪّﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺖَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ ﺗُﺤﺼﻮﻫﺎ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ
ﻟَﻈَﻠﻮﻡٌ ﻛَﻔّﺎﺭٌ
[34] যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার
প্রত্যেকটি থেকেই তিনি
তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি
আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে
শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ
অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।
[34] And He gave you of all that you
asked for, and if you count the Blessings
of Allâh, never will you be able to count
them. Verily! man is indeed an extreme
wrong-doer, – a disbeliever (an extreme
ingrate, denies Allâh’s Blessings by
disbelief, and by worshipping others
besides Allâh, and by disobeying Allâh
and His Prophet Muhammad SAW).
[35] ﻭَﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢُ ﺭَﺏِّ
ﺍﺟﻌَﻞ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟﺒَﻠَﺪَ ﺀﺍﻣِﻨًﺎ
ﻭَﺍﺟﻨُﺒﻨﻰ ﻭَﺑَﻨِﻰَّ ﺃَﻥ ﻧَﻌﺒُﺪَ
ﺍﻷَﺻﻨﺎﻡَ
[35] যখন ইব্রাহীম বললেনঃ হে
পালনকর্তা, এ শহরকে শান্তিময় করে
দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান
সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে
রাখুন।
[35] And (remember) when Ibrâhim
(Abraham) said: “O my Lord! Make this
city (Makkah) one of peace and security,
and keep me and my sons away from
worshipping idols.
[36] ﺭَﺏِّ ﺇِﻧَّﻬُﻦَّ ﺃَﺿﻠَﻠﻦَ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﺗَﺒِﻌَﻨﻰ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ
ﻣِﻨّﻰ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﻋَﺼﺎﻧﻰ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[36] হে পালনকর্তা, এরা অনেক
মানুষকে বিপথগামী করেছে। অতএব যে
আমার অনুসরণ করে, সে আমার এবং
কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয়
আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[36] “O my Lord! They have indeed led
astray many among mankind. But whoso
follows me, he verily is of me. And
whoso disobeys me, – still You are indeed
Oft-Forgiving, Most Merciful.
[37] ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺳﻜَﻨﺖُ ﻣِﻦ
ﺫُﺭِّﻳَّﺘﻰ ﺑِﻮﺍﺩٍ ﻏَﻴﺮِ ﺫﻯ ﺯَﺭﻉٍ
ﻋِﻨﺪَ ﺑَﻴﺘِﻚَ ﺍﻟﻤُﺤَﺮَّﻡِ ﺭَﺑَّﻨﺎ
ﻟِﻴُﻘﻴﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻓَﺎﺟﻌَﻞ
ﺃَﻓـِٔﺪَﺓً ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﺗَﻬﻮﻯ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﻭَﺍﺭﺯُﻗﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[37] হে আমাদের পালনকর্তা, আমি
নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র
গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন
উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের
পালনকর্তা, যাতে তারা নামায
কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু
লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট
করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা
রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করবে
[37] “O our Lord! I have made some of
my offspring to dwell in an uncultivable
valley by Your Sacred House (the Ka’bah
at Makkah); in order, O our Lord, that
they may perform As-Salât (Iqâmat-as-
Salât), so fill some hearts among men
with love towards them, and (O Allâh)
provide them with fruits so that they
may give thanks.
[38] ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺗَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﻧُﺨﻔﻰ
ﻭَﻣﺎ ﻧُﻌﻠِﻦُ ۗ ﻭَﻣﺎ ﻳَﺨﻔﻰٰ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻻ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
[38] হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি
তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে
করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি।
আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে
কোন কিছুই গোপন নয়।
[38] “O our Lord! Certainly, You know
what we conceal and what we reveal.
Nothing on the earth or in the heaven is
hidden from Allâh
[39] ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻭَﻫَﺐَ
ﻟﻰ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻜِﺒَﺮِ ﺇِﺳﻤٰﻌﻴﻞَ
ﻭَﺇِﺳﺤٰﻖَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﻟَﺴَﻤﻴﻊُ
ﺍﻟﺪُّﻋﺎﺀِ
[39] সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি
আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও
ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার
পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন।
[39] “All the praises and thanks are to
Allâh, Who has given me in old age
Ismâ’il (Ishmael) and Ishâq (Isaac).
Verily! My Lord is indeed the All-Hearer
of invocations.
[40] ﺭَﺏِّ ﺍﺟﻌَﻠﻨﻰ ﻣُﻘﻴﻢَ
ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓِ ﻭَﻣِﻦ ﺫُﺭِّﻳَّﺘﻰ ۚ ﺭَﺑَّﻨﺎ
ﻭَﺗَﻘَﺒَّﻞ ﺩُﻋﺎﺀِ
[40] হে আমার পালনকর্তা, আমাকে
নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার
সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের
পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের
দোয়া।
[40] “O my Lord! Make me one who
performs As-Salât (Iqâmat-as-Salât), and
(also) from my offspring, our Lord! And
accept my invocation.
[41] ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏﻔِﺮ ﻟﻰ ﻭَﻟِﻮٰﻟِﺪَﻯَّ
ﻭَﻟِﻠﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻳَﻮﻡَ ﻳَﻘﻮﻡُ
ﺍﻟﺤِﺴﺎﺏُ
[41] হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে,
আমার পিতা-মাতাকে এবং সব
মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব
কায়েম হবে।
[41] “Our Lord! Forgive me and my
parents, and (all) the believers on the
Day when the reckoning will be
established.”
[42] ﻭَﻻ ﺗَﺤﺴَﺒَﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏٰﻔِﻠًﺎ
ﻋَﻤّﺎ ﻳَﻌﻤَﻞُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ
ﻳُﺆَﺧِّﺮُﻫُﻢ ﻟِﻴَﻮﻡٍ ﺗَﺸﺨَﺺُ ﻓﻴﻪِ
ﺍﻷَﺑﺼٰﺮُ
[42] জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে
আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না
তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ
দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ
বিস্ফোরিত হবে।
[42] Consider not that Allâh is unaware
of that which the Zâlimûn (polytheists,
wrong-doers) do, but He gives them
respite up to a Day when the eyes will
stare in horror.
[43] ﻣُﻬﻄِﻌﻴﻦَ ﻣُﻘﻨِﻌﻰ
ﺭُﺀﻭﺳِﻬِﻢ ﻻ ﻳَﺮﺗَﺪُّ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﻃَﺮﻓُﻬُﻢ ۖ ﻭَﺃَﻓـِٔﺪَﺗُﻬُﻢ ﻫَﻮﺍﺀٌ
[43] তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত-
বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে।
তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে
আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে
যাবে।
[43] (They will be) hastening forward
with necks outstretched, their heads
raised up (towards the sky), their gaze
returning not towards them and their
hearts empty (from thinking because of
extreme fear).
[44] ﻭَﺃَﻧﺬِﺭِ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺄﺗﻴﻬِﻢُ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﻓَﻴَﻘﻮﻝُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ
ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺃَﺧِّﺮﻧﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺟَﻞٍ ﻗَﺮﻳﺐٍ
ﻧُﺠِﺐ ﺩَﻋﻮَﺗَﻚَ ﻭَﻧَﺘَّﺒِﻊِ ﺍﻟﺮُّﺳُﻞَ ۗ
ﺃَﻭَﻟَﻢ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺃَﻗﺴَﻤﺘُﻢ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞُ ﻣﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺯَﻭﺍﻝٍ
[44] মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন,
যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে।
তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের
পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য
মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা
আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং
পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি।
তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না
যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে
হবে না?
[44] And warn (O Muhammad SAW)
mankind of the Day when the torment
will come unto them; then the wrong-
doers will say: “Our Lord! Respite us for
a little while, we will answer Your Call
and follow the Messengers!” (It will be
said): “Had you not sworn aforetime that
you would not leave (the world for the
Hereafter).
[45] ﻭَﺳَﻜَﻨﺘُﻢ ﻓﻰ ﻣَﺴٰﻜِﻦِ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﺗَﺒَﻴَّﻦَ
ﻟَﻜُﻢ ﻛَﻴﻒَ ﻓَﻌَﻠﻨﺎ ﺑِﻬِﻢ ﻭَﺿَﺮَﺑﻨﺎ
ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻷَﻣﺜﺎﻝَ
[45] তোমরা তাদের বাসভূমিতেই
বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর
জুলুম করেছে এবং তোমাদের জানা
হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে
কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি
তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই
বর্ণনা করেছি।
[45] “And you dwelt in the dwellings of
men who wronged themselves, and it
was clear to you how We had dealt with
them. And We put forth (many) parables
for you.”
[46] ﻭَﻗَﺪ ﻣَﻜَﺮﻭﺍ ﻣَﻜﺮَﻫُﻢ ﻭَﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﻜﺮُﻫُﻢ ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ
ﻣَﻜﺮُﻫُﻢ ﻟِﺘَﺰﻭﻝَ ﻣِﻨﻪُ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝُ
[46] তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ
চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর
সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু-
চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড়
টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।
[46] Indeed, they planned their plot, and
their plot was with Allâh, though their
plot was was not such as to remove the
mountains (real mountains or the
Islâmic law) from their places (as it is of
no importance) (Tafsir Ibn Kathir).
[47] ﻓَﻼ ﺗَﺤﺴَﺒَﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺨﻠِﻒَ
ﻭَﻋﺪِﻩِ ﺭُﺳُﻠَﻪُ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰﻳﺰٌ
ﺫُﻭ ﺍﻧﺘِﻘﺎﻡٍ
[47] অতএব আল্লাহর প্রতি ধারণা
করো না যে, তিনি রসূলগণের সাথে
কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করবেন নিশ্চয় আল্লাহ
পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
[47] So think not that Allâh will fail to