16. সুরা আল নাহল (01-128)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺃَﺗﻰٰ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻼ
ﺗَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻩُ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻭَﺗَﻌٰﻠﻰٰ
ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[1] আল্লাহর নির্দেশ এসে গেছে।
অতএব এর জন্যে তাড়াহুড়া করো না।
ওরা যেসব শরীক সাব্যস্ত করছে সেসব
থেকে তিনি পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে।
[1] The Event (the Hour or the
punishment of disbelievers and
polytheists or the Islâmic laws or
commandments), ordained by Allâh will
come to pass, so seek not to hasten it.
Glorified and Exalted be He above all
that they associate as partners with Him.
[2] ﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔَ ﺑِﺎﻟﺮّﻭﺡِ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِﻩِ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ
ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ﺃَﻥ ﺃَﻧﺬِﺭﻭﺍ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ
ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﻓَﺎﺗَّﻘﻮﻥِ
[2] তিনি স্বীয় নির্দেশে বান্দাদের
মধ্যে যার কাছে ইচ্ছা, নির্দেশসহ
ফেরেশতাদেরকে এই মর্মে নাযিল
করেন যে, হুশিয়ার করে দাও, আমি
ছাড়া কোন উপাস্য নেই। অতএব
আমাকে ভয় কর।
[2] He sends down the angels with Ruh
(revelation) of His Command to whom of
His slaves He wills (saying): “Warn
mankind that Lâ ilâha illa Ana (none has
the right to be worshipped but I), so fear
Me (by abstaining from sins and evil
deeds).
[3] ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ ﺗَﻌٰﻠﻰٰ ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[3] যিনি যথাবিধি আকাশরাজি ও ভূ-
মন্ডল সৃষ্টি করেছেন। তারা যাকে
শরীক করে তিনি তার বহু উর্ধ্বে।
[3] He has created the heavens and the
earth with truth. High is He Exalted
above all they associate as partners with
Him.
[4] ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﻣِﻦ ﻧُﻄﻔَﺔٍ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﻫُﻮَ ﺧَﺼﻴﻢٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[4] তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য
থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে
প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে।
[4] He has created man from Nutfah
(mixed drops of male and female sexual
discharge), then behold, this same (man)
becomes an open opponent.
[5] ﻭَﺍﻷَﻧﻌٰﻢَ ﺧَﻠَﻘَﻬﺎ ۗ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﺩِﻑﺀٌ ﻭَﻣَﻨٰﻔِﻊُ ﻭَﻣِﻨﻬﺎ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻥَ
[5] চতুষ্পদ জন্তুকে তিনি সৃষ্টি
করেছেন। এতে তোমাদের জন্যে শীত
বস্ত্রের উপকরণ আছে। আর অনেক
উপকার হয়েছে এবং কিছু সংখ্যককে
তোমরা আহার্যেø পরিণত করে থাক।
[5] And the cattle, He has created them
for you; in them there is warmth (warm
clothing), and numerous benefits, and of
them you eat.
[6] ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺟَﻤﺎﻝٌ ﺣﻴﻦَ
ﺗُﺮﻳﺤﻮﻥَ ﻭَﺣﻴﻦَ ﺗَﺴﺮَﺣﻮﻥَ
[6] এদের দ্বারা তোমাদের সম্মান হয়,
যখন বিকালে চারণভূমি থেকে নিয়ে
আস এবং সকালে চারণ ভূমিতে নিয়ে
যাও।
[6] And wherein is beauty for you, when
you bring them home in the evening,
and as you lead them forth to pasture in
the morning.
[7] ﻭَﺗَﺤﻤِﻞُ ﺃَﺛﻘﺎﻟَﻜُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻠَﺪٍ
ﻟَﻢ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺑٰﻠِﻐﻴﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺸِﻖِّ
ﺍﻷَﻧﻔُﺲِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ﻟَﺮَﺀﻭﻑٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[7] এরা তোমাদের বোঝা এমন শহর
পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়, যেখানে
তোমরা প্রাণান্তকর পরিশ্রÛম ব্যতীত
পৌছাতে পারতে না। নিশ্চয়
তোমাদের প্রভু অত্যন্ত দয়াদ্র, পরম
দয়ালু।
[7] And they carry your loads to a land
that you could not reach except with
great trouble to yourselves. Truly, your
Lord is full of Kindness, Most Merciful.
[8] ﻭَﺍﻟﺨَﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﺒِﻐﺎﻝَ ﻭَﺍﻟﺤَﻤﻴﺮَ
ﻟِﺘَﺮﻛَﺒﻮﻫﺎ ﻭَﺯﻳﻨَﺔً ۚ ﻭَﻳَﺨﻠُﻖُ ﻣﺎ
ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[8] তোমাদের আরোহণের জন্যে এবং
শোভার জন্যে তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও
গাধা সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি এমন
জিনিস সৃষ্টি করেন যা তোমরা জান
না।
[8] And (He has created) horses, mules
and donkeys, for you to ride and as an
adornment. And He creates (other)
things of which you have no knowledge.
[9] ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺼﺪُ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ
ﻭَﻣِﻨﻬﺎ ﺟﺎﺋِﺮٌ ۚ ﻭَﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ
ﻟَﻬَﺪﻯٰﻜُﻢ ﺃَﺟﻤَﻌﻴﻦَ
[9] সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে
এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও
রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের
সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে
পারতেন।
[9] And upon Allâh is the responsibility
to explain the Straight Path , But there
are ways that turn aside (such as
Paganism, Judaism, Christianity,). And
had He willed, He would have guided you
all (mankind).
[10] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً ۖ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻨﻪُ ﺷَﺮﺍﺏٌ
ﻭَﻣِﻨﻪُ ﺷَﺠَﺮٌ ﻓﻴﻪِ ﺗُﺴﻴﻤﻮﻥَ
[10] তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ
থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। এই পানি
থেকে তোমরা পান কর এবং এ থেকেই
উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যাতে তোমরা
পশুচারণ কর।
[10] He it is Who sends down water
(rain) from the sky; from it you drink
and from it (grows) the vegetation on
which you send your cattle to pasture;
[11] ﻳُﻨﺒِﺖُ ﻟَﻜُﻢ ﺑِﻪِ ﺍﻟﺰَّﺭﻉَ
ﻭَﺍﻟﺰَّﻳﺘﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﻨَّﺨﻴﻞَ
ﻭَﺍﻷَﻋﻨٰﺐَ ﻭَﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ ۗ
ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[11] এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে
উৎপাদন করেন ফসল, যয়তুন, খেজুর,
আঙ্গুর ও সর্বপ্রকার ফল। নিশ্চয় এতে
চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
[11] With it He causes to grow for you
the crops, the olives, the date-palms, the
grapes, and every kind of fruit. Verily!
In this is indeed an evident proof and a
manifest sign for people who give
thought.
[12] ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ
ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ۖ ﻭَﺍﻟﻨُّﺠﻮﻡُ
ﻣُﺴَﺨَّﺮٰﺕٌ ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[12] তিনিই তোমাদের কাজে
নিয়োজিত করেছেন রাত্রি, দিন, সূর্য
এবং চন্দ্রকে। তারকাসমূহ তাঁরই
বিধানের কর্মে নিয়োজিত রয়েছে।
নিশ্চয়ই এতে বোধশক্তিসম্পন্নদের
জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[12] And He has subjected to you the
night and the day, the sun and the
moon; and the stars are subjected by His
Command. Surely, in this are proofs for
people who understand.
[13] ﻭَﻣﺎ ﺫَﺭَﺃَ ﻟَﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣُﺨﺘَﻠِﻔًﺎ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻪُ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺬَّﻛَّﺮﻭﻥَ
[13] তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে যেসব
রং-বেরঙের বস্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন,
সেগুলোতে নিদর্শন রয়েছে তাদের
জন্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে।
[13] And whatsoever He has created for
you on the earth of varying colours [and
qualities from vegetation and fruits
(botanical life) and from animals
(zoological life)]. Verily! In this is a sign
for people who remember.
[14] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺒَﺤﺮَ
ﻟِﺘَﺄﻛُﻠﻮﺍ ﻣِﻨﻪُ ﻟَﺤﻤًﺎ ﻃَﺮِﻳًّﺎ
ﻭَﺗَﺴﺘَﺨﺮِﺟﻮﺍ ﻣِﻨﻪُ ﺣِﻠﻴَﺔً
ﺗَﻠﺒَﺴﻮﻧَﻬﺎ ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ
ﻣَﻮﺍﺧِﺮَ ﻓﻴﻪِ ﻭَﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[14] তিনিই কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন
সমুদ্রকে, যাতে তা থেকে তোমরা
তাজা মাংস খেতে পার এবং তা
থেকে বের করতে পার পরিধেয়
অলঙ্কার। তুমি তাতে জলযান সমূহকে
পানি চিরে চলতে দেখবে এবং যাতে
তোমরা আল্লাহর কৃপা অন্বেষণ কর
এবং যাতে তার অনুগ্রহ স্বীকার কর।
[14] And He it is Who has subjected the
sea (to you), that you eat thereof fresh
tender meat (i.e. fish), and that you bring
forth out of it ornaments to wear. And
you see the ships ploughing through it,
that you may seek (thus) of His Bounty
(by transporting the goods from place to
place) and that you may be grateful.
[15] ﻭَﺃَﻟﻘﻰٰ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺭَﻭٰﺳِﻰَ ﺃَﻥ ﺗَﻤﻴﺪَ ﺑِﻜُﻢ ﻭَﺃَﻧﻬٰﺮًﺍ
ﻭَﺳُﺒُﻠًﺎ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[15] এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা
রেখেছেন যে, কখনো যেন তা
তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না
পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন,
যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
[15] And He has affixed into the earth
mountains standing firm, lest it should
shake with you, and rivers and roads,
that you may guide yourselves.
[16] ﻭَﻋَﻠٰﻤٰﺖٍ ۚ ﻭَﺑِﺎﻟﻨَّﺠﻢِ ﻫُﻢ
ﻳَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[16] এবং তিনি পথ নির্ণয়ক বহু চিহ্ন
সৃষ্টি করেছেন, এবং তারকা দ্বারা ও
মানুষ পথের নির্দেশ পায়।
[16] And landmarks (signposts, during
the day) and by the stars (during the
night), they (mankind) guide themselves.
[17] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﺨﻠُﻖُ ﻛَﻤَﻦ ﻻ
ﻳَﺨﻠُﻖُ ۗ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[17] যিনি সৃষ্টি করে, তিনি কি সে
লোকের সমতুল্য যে সৃষ্টি করতে পারে
না? তোমরা কি চিন্তা করবে না?
[17] Is then He, Who creates as one who
creates not? Will you not then
remember?
[18] ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻌُﺪّﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ
ﺗُﺤﺼﻮﻫﺎ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[18] যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর,
শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ
ক্ষমাশীল, দয়ালু।
[18] And if you would count the favours
of Allâh, never could you be able to
count them. Truly! Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[19] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗُﺴِﺮّﻭﻥَ
ﻭَﻣﺎ ﺗُﻌﻠِﻨﻮﻥَ
[19] আল্লাহ জানেন যা তোমরা
গোপন কর এবং যা তোমরা প্রকাশ
কর।
[19] And Allâh knows what you conceal
and what you reveal.
[20] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ ﻳَﺨﻠُﻘﻮﻥَ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻫُﻢ
ﻳُﺨﻠَﻘﻮﻥَ
[20] এবং যারা আল্লাহকে ছেড়ে
অন্যদের ডাকে, ওরা তো কোন বস্তুই
সৃষ্টি করে না; বরং ওরা নিজেরাই
সৃজিত।
[20] Those whom they (Al-Mushrikûn)
invoke besides Allâh have not created
anything, but are themselves created.
[21] ﺃَﻣﻮٰﺕٌ ﻏَﻴﺮُ ﺃَﺣﻴﺎﺀٍ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ ﺃَﻳّﺎﻥَ ﻳُﺒﻌَﺜﻮﻥَ
[21] তারা মৃত-প্রাণহীন এবং কবে
পুনরুত্থিত হবে, জানে না।
[21] (They are) dead, not alive, and they
know not when they will be raised up.
[22] ﺇِﻟٰﻬُﻜُﻢ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻭٰﺣِﺪٌ ۚ ﻓَﺎﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﻣُﻨﻜِﺮَﺓٌ ﻭَﻫُﻢ
ﻣُﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ
[22] আমাদের ইলাহ একক ইলাহ। অনন্তর
যারা পরজীবনে বিশ্বাস করে না,
তাদের অন্তর সত্যবিমুখ এবং তারা
অহংকার প্রদর্শন করেছে।
[22] Your Ilâh (God) is One Ilâh (God —
Allâh, none has the right to be
worshipped but He). But for those who
believe not in the Hereafter, their hearts
deny (the faith in the Oneness of Allâh),
and they are proud.
[23] ﻻ ﺟَﺮَﻡَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ
ﻳُﺴِﺮّﻭﻥَ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌﻠِﻨﻮﻥَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ
ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﺴﺘَﻜﺒِﺮﻳﻦَ
[23] নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের
গোপন ও প্রকাশ্য যাবতীয় বিষয়ে
অবগত। নিশ্চিতই তিনি অহংকারীদের
পছন্দ করেন না।
[23] Certainly, Allâh knows what they
conceal and what they reveal. Truly, He
likes not the proud.
[24] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﻧﺰَﻝَ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ۙ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺳٰﻄﻴﺮُ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ
[24] যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ
তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল
করেছেন? তারা বলেঃ পূর্ববর্তীদের
কিসসা-কাহিনী।
[24] And when it is said to them: “What
is it that your Lord has sent down (unto
Muhammad SAW)?” They say: “Tales of
the men of old!”
[25] ﻟِﻴَﺤﻤِﻠﻮﺍ ﺃَﻭﺯﺍﺭَﻫُﻢ ﻛﺎﻣِﻠَﺔً
ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۙ ﻭَﻣِﻦ ﺃَﻭﺯﺍﺭِ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﻀِﻠّﻮﻧَﻬُﻢ ﺑِﻐَﻴﺮِ ﻋِﻠﻢٍ ۗ
ﺃَﻻ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ ﻳَﺰِﺭﻭﻥَ
[25] ফলে কেয়ামতের দিন ওরা
পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার
এবং পাপভার তাদেরও যাদেরকে
তারা তাদের অজ্ঞতাহেতু বিপথগামী
করে শুনে নাও, খুবই নিকৃষ্ট বোঝা যা
তারা বহন করে।
[25] They may bear their own burdens
in full on the Day of Resurrection, and
also of the burdens of those whom they
misled without knowledge. Evil indeed is
that which they shall bear!
[26] ﻗَﺪ ﻣَﻜَﺮَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ
ﻓَﺄَﺗَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑُﻨﻴٰﻨَﻬُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘَﻮﺍﻋِﺪِ ﻓَﺨَﺮَّ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﺴَّﻘﻒُ
ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻭَﺃَﺗﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ
ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[26] নিশ্চয় চক্রান্ত করেছে তাদের
পূর্ববর্তীরা, অতঃপর আল্লাহ তাদের
চক্রান্তের ইমারতের ভিত্তিমূলে
আঘাত করেছিলেন। এরপর উপর থেকে
তাদের মাথায় ছাদ ধ্বসে পড়ে গেছে
এবং তাদের উপর আযাব এসেছে যেখান
থেকে তাদের ধারণা ছিল না।
[26] Those before them indeed plotted,
but Allâh struck at the foundation of
their building, and then the roof fell
down upon them, from above them, and
the torment overtook them from
directions they did not perceive.
[27] ﺛُﻢَّ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻳُﺨﺰﻳﻬِﻢ
ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ ﺃَﻳﻦَ ﺷُﺮَﻛﺎﺀِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗُﺸٰﻘّﻮﻥَ ﻓﻴﻬِﻢ ۚ ﻗﺎﻝَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻌِﻠﻢَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺨِﺰﻯَ
ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﻭَﺍﻟﺴّﻮﺀَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[27] অতঃপর কেয়ামতের দিন তিনি
তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন এবং
বলবেনঃ আমার অংশীদাররা কোথায়,
যাদের ব্যাপারে তোমরা খুব
হঠকারিতা করতে ? যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত
হয়েছিল তারা বলবেঃ নিশ্চয়ই
আজকের দিনে লাঞ্ছনা ও দুর্গতি
কাফেরদের জন্যে,
[27] Then, on the Day of Resurrection,
He will disgrace them and will say:
“Where are My (so called) ‘partners’
concerning whom you used to disagree
and dispute (with the believers, by
defying and disobeying Allâh)?” Those
who have been given the knowledge
(about the Torment of Allâh for the
disbelievers) will say: “Verily! Disgrace
this Day and misery this Day are upon
the disbelievers.
[28] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ
ﻇﺎﻟِﻤﻰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۖ ﻓَﺄَﻟﻘَﻮُﺍ
ﺍﻟﺴَّﻠَﻢَ ﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﻌﻤَﻞُ ﻣِﻦ ﺳﻮﺀٍ ۚ
ﺑَﻠﻰٰ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[28] ফেরেশতারা তাদের জান
এমতাঅবস্থায় কবজ করে যে, তারা
নিজেদের উপর যুলুম করেছে। তখন তারা
অনুগত্য প্রকাশ করবে যে, আমরা তো
কোন মন্দ কাজ করতাম না। হঁ্যা নিশ্চয়
আল্লাহ সববিষয় অবগত আছেন, যা
তোমরা করতে।
[28] “Those whose lives the angels take
while they are doing wrong to
themselves (by disbelief and by
associating partners in worship with
Allâh and by committing all kinds of
crimes and evil deeds).” Then, they will
make (false) submission (saying): “We
used not to do any evil.” (The angels will
reply): “Yes! Truly, Allâh is All-Knower of
what you used to do.
[29] ﻓَﺎﺩﺧُﻠﻮﺍ ﺃَﺑﻮٰﺏَ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ۖ ﻓَﻠَﺒِﺌﺲَ ﻣَﺜﻮَﻯ
ﺍﻟﻤُﺘَﻜَﺒِّﺮﻳﻦَ
[29] অতএব, জাহান্নামের দরজসমূহে
প্রবেশ কর, এতেই অনন্তকাল বাস কর।
আর অহংকারীদের আবাসস্থল কতই
নিকৃষ্ট।
[29] “So enter the gates of Hell, to abide
therein, and indeed, what an evil abode
will be for the arrogant.”
[30] ۞ ﻭَﻗﻴﻞَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮﺍ
ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ۚ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺧَﻴﺮًﺍ ۗ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺣﺴَﻨﻮﺍ ﻓﻰ ﻫٰﺬِﻩِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ۚ ﻭَﻟَﺪﺍﺭُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺧَﻴﺮٌ ۚ ﻭَﻟَﻨِﻌﻢَ ﺩﺍﺭُ
ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[30] পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ
তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল
করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ।
যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের
জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের
গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি
চমৎকার?
[30] And (when) it is said to those who
are the Muttaqûn (pious – see V.2:2)
“What is it that your Lord has sent
down?” They say: “That which is good.”
For those who do good in this world,
there is good, and the home of the
Hereafter will be better. And excellent
indeed will be the home (i.e. Paradise) of
the Muttaqûn (pious – see V.2:2).
[31] ﺟَﻨّٰﺖُ ﻋَﺪﻥٍ ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻧَﻬﺎ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﻟَﻬُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀﻭﻥَ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻳَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[31] সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা
যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে
দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয়
তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা
তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান
দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,
[31] ‘Adn (Eden) Paradise (Gardens of
Eternity) which they will enter, under
which rivers flow, they will have therein
all that they wish. Thus Allâh rewards
the Muttaqûn (pious – see V.2:2).
[32] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ
ﻃَﻴِّﺒﻴﻦَ ۙ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺳَﻠٰﻢٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ
ﺍﺩﺧُﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[32] ফেরেশতা যাদের জান কবজ করেন
তাদের পবিত্র থাকা অবস্থায়।
ফেরেশতারা বলেঃ তোমাদের প্রতি
শাস্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যা
করতে, তার প্রতিদানে জান্নাতে
প্রবেশ কর।
[32] Those whose lives the angels take
while they are in a pious state (i.e. pure
from all evil, and worshipping none but
Allâh Alone) saying (to them): Salâmun
‘Alaikum (peace be on you) enter you
Paradise, because of that (the good)
which you used to do (in the world).”
[33] ﻫَﻞ ﻳَﻨﻈُﺮﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﺗَﺄﺗِﻴَﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﺃَﻭ ﻳَﺄﺗِﻰَ ﺃَﻣﺮُ
ﺭَﺑِّﻚَ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻓَﻌَﻞَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻇَﻠَﻤَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ
ﻳَﻈﻠِﻤﻮﻥَ
[33] কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে
যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে
কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ
পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই
করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি
অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং
নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
[33] Do they (the disbelievers and
polytheists) await but that the angels
should come to them [to take away their
souls (at death)], or there should come
the command (i.e. the torment or the Day
of Resurrection) of your Lord? Thus did
those before them. And Allâh wronged
them not, but they used to wrong
themselves.
[34] ﻓَﺄَﺻﺎﺑَﻬُﻢ ﺳَﻴِّـٔﺎﺕُ ﻣﺎ
ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﻭَﺣﺎﻕَ ﺑِﻬِﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﺑِﻪِ ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[34] সুতরাং তাদের মন্দ কাজের
শাস্তি তাদেরই মাথায় আপতিত হয়েছে
এবং তারা যে ঠাট্টা বিদ্রুপ করত, তাই
উল্টে তাদের উপর পড়েছে।
[34] Then, the evil results of their deeds
overtook them, and that at which they
used to mock at surrounded them.
[35] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺷﺮَﻛﻮﺍ ﻟَﻮ
ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣﺎ ﻋَﺒَﺪﻧﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻧَﺤﻦُ ﻭَﻻ ﺀﺍﺑﺎﺅُﻧﺎ
ﻭَﻻ ﺣَﺮَّﻣﻨﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣِﻦ
ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻓَﻌَﻞَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۚ ﻓَﻬَﻞ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺮُّﺳُﻞِ
ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﺒَﻠٰﻎُ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[35] মুশরিকরা বললঃ যদি আল্লাহ
চাইতেন, তবে আমরা তাঁকে ছাড়া
কারও এবাদত করতাম না এবং আমাদের
পিতৃপুরুষেরাও করত না এবং তাঁর
নির্দেশ ছাড়া কোন বস্তুই আমরা
হারাম করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা
এমনই করেছে। রাসূলের দায়িত্ব তো
শুধুমাত্র সুস্পষ্ট বাণী পৌছিয়ে দেয়া।
[35] And those who joined others in
worship with Allâh say: “If Allâh had so
willed, neither we nor our fathers would
have worshipped aught but Him, nor
would we have forbidden anything
without (Command from) Him.” So did
those before them. Then! Are the
Messengers charged with anything but to
convey clearly the Message?
[36] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺑَﻌَﺜﻨﺎ ﻓﻰ ﻛُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﺭَﺳﻮﻟًﺎ ﺃَﻥِ ﺍﻋﺒُﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺍﺟﺘَﻨِﺒُﻮﺍ ﺍﻟﻄّٰﻐﻮﺕَ ۖ ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ
ﻣَﻦ ﻫَﺪَﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ
ﺣَﻘَّﺖ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺍﻟﻀَّﻠٰﻠَﺔُ ۚ ﻓَﺴﻴﺮﻭﺍ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻓَﺎﻧﻈُﺮﻭﺍ ﻛَﻴﻒَ
ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ ﺍﻟﻤُﻜَﺬِّﺑﻴﻦَ
[36] আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই
রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে,
তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং
তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অতঃপর
তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ
হেদায়েত করেছেন এবং কিছু
সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা
অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা
পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ
মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি
হয়েছে।
[36] And verily, We have sent among
every Ummah (community, nation) a
Messenger (proclaiming): “Worship Allâh
(Alone), and avoid (or keep away from)
Tâghût (all false deities, etc. i.e. do not
worship Tâghût besides Allâh).” Then of
them were some whom Allâh guided and
of them were some upon whom the
straying was justified. So travel through
the land and see what was the end of
those who denied (the truth).
[37] ﺇِﻥ ﺗَﺤﺮِﺹ ﻋَﻠﻰٰ ﻫُﺪﻯٰﻬُﻢ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳُﻀِﻞُّ ۖ
ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻧٰﺼِﺮﻳﻦَ
[37] আপনি তাদেরকে সুপথে আনতে
আগ্রহী হলেও আল্লাহ যাকে
বিপথগামী করেন তিনি তাকে পথ
দেখান না এবং তাদের কোন
সাহায্যকারী ও নেই।
[37] If you (O Muhammad SAW) covet for
their guidance, then verily Allâh guides
not those whom He makes to go astray
(or none can guide him whom Allâh
sends astray). And they will have no
helpers.
[38] ﻭَﺃَﻗﺴَﻤﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺟَﻬﺪَ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ۙ ﻻ ﻳَﺒﻌَﺚُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻦ
ﻳَﻤﻮﺕُ ۚ ﺑَﻠﻰٰ ﻭَﻋﺪًﺍ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺣَﻘًّﺎ
ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[38] তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ
করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে
পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর
পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে।
কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।
[38] And they swear by Allâh their
strongest oaths, that Allâh will not raise
up him who dies. Yes, (He will raise them
up), a promise (binding) upon Him in
truth, but most of mankind know not.
[39] ﻟِﻴُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ ﻓﻴﻪِ ﻭَﻟِﻴَﻌﻠَﻢَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻛٰﺬِﺑﻴﻦَ
[39] তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে
যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল
তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে
কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা
মিথ্যাবাদী ছিল।
[39] In order that He may make manifest
to them the truth of that wherein they
differ, and that those who disbelieved (in
Resurrection, and in the Oneness of
Allâh) may know that they were liars.
[40] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻗَﻮﻟُﻨﺎ ﻟِﺸَﻲﺀٍ ﺇِﺫﺍ
ﺃَﺭَﺩﻧٰﻪُ ﺃَﻥ ﻧَﻘﻮﻝَ ﻟَﻪُ ﻛُﻦ
ﻓَﻴَﻜﻮﻥُ
[40] আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা
করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে,
হয়ে যাও,। সুতরাং তা হয়ে যায়।
[40] Verily! Our Word unto a thing when
We intend it, is only that We say unto it:
“Be!” and it is.
[41] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫﺎﺟَﺮﻭﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﻇُﻠِﻤﻮﺍ ﻟَﻨُﺒَﻮِّﺋَﻨَّﻬُﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔً ۖ ﻭَﻟَﺄَﺟﺮُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺃَﻛﺒَﺮُ ۚ ﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[41] যারা নির্যাতিত হওয়ার পর
আল্লাহর জন্যে গৃহত্যাগ করেছে, আমি
অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম
আবাস দেব এবং পরকালের পুরস্কার
তো সর্বাধিক; হায়! যদি তারা জানত।
[41] And as for those who emigrated for
the Cause of Allâh, after they had been
wronged, We will certainly give them
goodly residence in this world, but
indeed the reward of the Hereafter will
be greater, if they but knew!
[42] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﻭَﻋَﻠﻰٰ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻳَﺘَﻮَﻛَّﻠﻮﻥَ
[42] যারা দৃঢ়পদ রয়েছে এবং তাদের
পালনকর্তার উপর ভরসা করেছে।
[42] (They are) those who remained
patient (in this world for Allâh’s sake),
and put their trust in their Lord (Allâh
Alone).
[43] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ﺇِﻟّﺎ
ﺭِﺟﺎﻟًﺎ ﻧﻮﺣﻰ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ۚ ﻓَﺴـَٔﻠﻮﺍ
ﺃَﻫﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻻ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[43] আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ
মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ
করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে
জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা
না থাকে;
[43] And We sent not (as Our
Messengers) before you (O Muhammad
SAW) any but men, whom We sent
revelation, (to preach and invite
mankind to believe in the Oneness of
Allâh). So ask (you, O pagans of Makkah)
of those who know the Scripture [learned
men of the Taurât (Torah) and the Injeel
(Gospel)], if you know not.
[44] ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ﻭَﺍﻟﺰُّﺑُﺮِ ۗ ﻭَﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﺬِّﻛﺮَ ﻟِﺘُﺒَﻴِّﻦَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻣﺎ
ﻧُﺰِّﻝَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[44] প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে
নিêেদশাবলী ও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং
আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ
করেছি, যাতে আপনি লোকদের
সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে
গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা
হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা
করে।
[44] With clear signs and Books (We sent
the Messengers). And We have also sent
down unto you (O Muhammad SAW) the
Dhikr [the reminder and the advice (the
Qur’ân)], that you may explain clearly to
men what is sent down to them, and that
they may give thought.
[45] ﺃَﻓَﺄَﻣِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣَﻜَﺮُﻭﺍ
ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ ﺃَﻥ ﻳَﺨﺴِﻒَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﻬِﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ ﺃَﻭ ﻳَﺄﺗِﻴَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[45] যারা কুচক্র করে, তারা কি এ
বিষয়ে ভয় করে না যে, আল্লাহ
তাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন
কিংবা তাদের কাছে এমন জায়গা
থেকে আযাব আসবে যা তাদের
ধারণাতীত।
[45] Do then those who devise evil plots
feel secure that Allâh will not sink them
into the earth, or that the torment will
not seize them from directions they
perceive not?
[46] ﺃَﻭ ﻳَﺄﺧُﺬَﻫُﻢ ﻓﻰ ﺗَﻘَﻠُّﺒِﻬِﻢ
ﻓَﻤﺎ ﻫُﻢ ﺑِﻤُﻌﺠِﺰﻳﻦَ
[46] কিংবা চলাফেরার মধ্যেই
তাদেরকে পাকড়াও করবে, তারা তো
তা ব্যর্থ করতে পারবে না।
[46] Or that He may catch them in the
midst of their going to and fro (in their
jobs), so that there be no escape for them
(from Allâh’s Punishment)?
[47] ﺃَﻭ ﻳَﺄﺧُﺬَﻫُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺗَﺨَﻮُّﻑٍ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ﻟَﺮَﺀﻭﻑٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[47] কিংবা ভীতি প্রদর্শনের পর
তাদেরকে পাকড়াও করবেন?
তোমাদের পালনকর্তা তো অত্যন্ত
নম্র, দয়ালু।
[47] Or that He may catch them with
gradual wasting (of their wealth and
health). Truly! Your Lord is indeed full of
Kindness, Most Merciful?
[48] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﻣﺎ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻳَﺘَﻔَﻴَّﺆُﺍ۟ ﻇِﻠٰﻠُﻪُ
ﻋَﻦِ ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺎﺋِﻞِ ﺳُﺠَّﺪًﺍ
ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻢ ﺩٰﺧِﺮﻭﻥَ
[48] তারা কি আল্লাহর সৃজিত বস্তু
দেখে না, যার ছায়া আল্লাহর প্রতি
বিনীতভাবে সেজদাবনত থেকে ডান ও
বাম দিকে ঝুঁকে পড়ে।
[48] Have they not observed things that
Allâh has created, (how) their shadows
incline to the right and to the left,
making prostration unto Allâh, and they
are lowly?
[49] ﻭَﻟِﻠَّﻪِ ﻳَﺴﺠُﺪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣِﻦ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻭَﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﻭَﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ
[49] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু
নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু
ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ;
তারা অহংকার করে না।
[49] And to Allâh prostate all that is in
the heavens and all that is in the earth,
of the moving (living) creatures and the
angels, and they are not proud [i.e. they
worship their Lord (Allâh) with
humility].
[50] ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻭَﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ ﻣﺎ
ﻳُﺆﻣَﺮﻭﻥَ ۩
[50] তারা তাদের উপর পরাক্রমশালী
তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং
তারা যা আদেশ পায়, তা করে
[50] They fear their Lord above them,
and they do what they are commanded.
[51] ۞ ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ
ﺇِﻟٰﻬَﻴﻦِ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ۖ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻫُﻮَ ﺇِﻟٰﻪٌ
ﻭٰﺣِﺪٌ ۖ ﻓَﺈِﻳّٰﻰَ ﻓَﺎﺭﻫَﺒﻮﻥِ
[51] আল্লাহ বললেনঃ তোমরা দুই
উপাস্য গ্রহণ করো না উপাস্য তো
মাত্র একজনই। অতএব আমাকেই ভয় কর।
[51] And Allâh said (O mankind!): “Take
not ilâhaîn (two gods in worship). Verily,
He (Allâh) is (the) only One Ilâh (God).
Then, fear Me (Allâh S.W.T) much [and
Me (Alone), i.e. be away from all kinds of
sins and evil deeds that Allâh has
forbidden and do all that Allâh has
ordained and worship none but Allâh]
[52] ﻭَﻟَﻪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﻭﺍﺻِﺒًﺎ ۚ
ﺃَﻓَﻐَﻴﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﺘَّﻘﻮﻥَ
[52] যা কিছু নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে
আছে তা তাঁরই এবাদত করা শাশ্বত
কর্তব্য। তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত
কাউকে ভয় করবে?
[52] To Him belongs all that is in the
heavens and (all that is in) the earth and
Ad-Din Wasiba is His [(i.e. perpetual
sincere obedience to Allâh is obligatory).
None has the right to be worshipped but
Allâh)]. Will you then fear any other
than Allâh?
[53] ﻭَﻣﺎ ﺑِﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻧِﻌﻤَﺔٍ ﻓَﻤِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ ﻣَﺴَّﻜُﻢُ ﺍﻟﻀُّﺮُّ
ﻓَﺈِﻟَﻴﻪِ ﺗَﺠـَٔﺮﻭﻥَ
[53] তোমাদের কাছে যে সমস্ত
নেয়ামত আছে, তা আল্লাহরই পক্ষ
থেকে। অতঃপর তোমরা যখন দুঃখে-
কষ্টে পতিত হও তখন তাঁরই নিকট
কান্নাকাটি কর।
[53] And whatever of blessings and good
things you have, it is from Allâh. Then,
when harm touches you, unto Him you
cry aloud for help
[54] ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ ﻛَﺸَﻒَ ﺍﻟﻀُّﺮَّ ﻋَﻨﻜُﻢ
ﺇِﺫﺍ ﻓَﺮﻳﻖٌ ﻣِﻨﻜُﻢ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ
ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[54] এরপর যখন আল্লাহ তোমাদের কষ্ট
দুরীভূত করে দেন, তখনই তোমাদের
একদল স্বীয় পালনকর্তার সাথে
অংশীদার সাব্যস্ত করতে থাকে।
[54] Then, when He has removed the
harm from you, behold! Some of you
associate others in worship with their
Lord (Allâh).
[55] ﻟِﻴَﻜﻔُﺮﻭﺍ ﺑِﻤﺎ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢ ۚ
ﻓَﺘَﻤَﺘَّﻌﻮﺍ ۖ ﻓَﺴَﻮﻑَ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[55] যাতে ঐ নেয়ামত অস্বীকার করে,
যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। অতএব
মজা ভোগ করে নাও-সত্বরই তোমরা
জানতে পারবে।
[55] So (as a result of that ) they deny
(with ungratefulness) that (Allâh’s
Favours) which We have bestowed on
them! Then enjoy yourselves (your short
stay), but you will come to know (with
regrets).
[56] ﻭَﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﻟِﻤﺎ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
ﻧَﺼﻴﺒًﺎ ﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ۗ ﺗَﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻟَﺘُﺴـَٔﻠُﻦَّ ﻋَﻤّﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[56] তারা আমার দেয়া জীবনোপকরণ
থেকে তাদের জন্যে একটি অংশ
নির্ধারিত করে, যাদের কোন খবরই
তারা রাখে না। আল্লাহর কসম,
তোমরা যে অপবাদ আরোপ করছ, সে
সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে।
[56] And they assign a portion of that
which We have provided them unto what
they know not (false deities). By Allâh,
you shall certainly be questioned about
(all) that you used to fabricate.
[57] ﻭَﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟﺒَﻨٰﺖِ
ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ۙ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺸﺘَﻬﻮﻥَ
[57] তারা আল্লাহর জন্যে কন্যা
সন্তান নির্ধারণ করে-তিনি পবিত্র
মহিমান্বিত এবং নিজেদের জন্যে
ওরা তাই স্থির করে যা ওরা চায়।
[57] And they assign daughters unto
Allâh! Glorified (and Exalted) is He
above all that they associate with Him! .
And unto themselves what they desire;
[58] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺑُﺸِّﺮَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻢ
ﺑِﺎﻷُﻧﺜﻰٰ ﻇَﻞَّ ﻭَﺟﻬُﻪُ ﻣُﺴﻮَﺩًّﺍ
ﻭَﻫُﻮَ ﻛَﻈﻴﻢٌ
[58] যখন তাদের কাউকে কন্যা
সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন
তারা মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য
মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে।
[58] And when the news of (the birth of)
a female (child) is brought to any of
them, his face becomes dark, and he is
filled with inward grief!
[59] ﻳَﺘَﻮٰﺭﻯٰ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ ﻣِﻦ
ﺳﻮﺀِ ﻣﺎ ﺑُﺸِّﺮَ ﺑِﻪِ ۚ ﺃَﻳُﻤﺴِﻜُﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﻫﻮﻥٍ ﺃَﻡ ﻳَﺪُﺳُّﻪُ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺘُّﺮﺍﺏِ ۗ ﺃَﻻ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ
ﻳَﺤﻜُﻤﻮﻥَ
[59] তাকে শোনানো সুসংবাদের
দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ
লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য
করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে
মাটির নীচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখ,
তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট।
[59] He hides himself from the people
because of the evil of that whereof he
has been informed. Shall he keep her
with dishonour or bury her in the earth?
Certainly, evil is their decision.
[60] ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟﺴَّﻮﺀِ ۖ ﻭَﻟِﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻤَﺜَﻞُ ﺍﻷَﻋﻠﻰٰ ۚ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ
ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[60] যারা পরকাল বিশ্বাস করে না,
তাদের উদাহরণ নিকৃষ্ট এবং আল্লাহর
উদাহরণই মহান, তিনি পরাক্রমশালী,
প্রজ্ঞাময়।
[60] For those who believe not in the
Hereafter is an evil description, and for
Allâh is the highest description. And He
is the All-Mighty, the All-Wise.
[61] ﻭَﻟَﻮ ﻳُﺆﺍﺧِﺬُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ
ﺑِﻈُﻠﻤِﻬِﻢ ﻣﺎ ﺗَﺮَﻙَ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻣِﻦ
ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻳُﺆَﺧِّﺮُﻫُﻢ ﺇِﻟﻰٰ
ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۖ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ
ﺃَﺟَﻠُﻬُﻢ ﻻ ﻳَﺴﺘَـٔﺨِﺮﻭﻥَ ﺳﺎﻋَﺔً ۖ
ﻭَﻻ ﻳَﺴﺘَﻘﺪِﻣﻮﻥَ
[61] যদি আল্লাহ লোকদেরকে তাদের
অন্যায় কাজের কারণে পাকড়াও
করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমান কোন
কিছুকেই ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি
প্রতিশ্রুতি সময় পর্যন্ত তাদেরকে
অবকাশ দেন। অতঃপর নির্ধারিত সময়ে
যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক
মুহুর্তও বিলম্বিত কিংবা তরাম্বিত
করতে পারবে না।
[61] And if Allâh were to seize mankind
for their wrong-doing, He would not
leave on it (the earth) a single moving
(living) creature, but He postpones them
for an appointed term and when their
term comes, neither can they delay nor
can they advance it an hour (or a
moment).
[62] ﻭَﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﻟِﻠَّﻪِ ﻣﺎ
ﻳَﻜﺮَﻫﻮﻥَ ﻭَﺗَﺼِﻒُ ﺃَﻟﺴِﻨَﺘُﻬُﻢُ
ﺍﻟﻜَﺬِﺏَ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺤُﺴﻨﻰٰ ۖ ﻻ
ﺟَﺮَﻡَ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﻨّﺎﺭَ ﻭَﺃَﻧَّﻬُﻢ
ﻣُﻔﺮَﻃﻮﻥَ
[62] যা নিজেদের মন চায় না তারই
তারা আল্লাহর জন্যে সাব্যস্ত করে
এবং তাদের জিহবা মিথ্যা বর্ণনা
করে যে, তাদের জন্যে রয়েছে কল্যাণ।
স্বতঃসিদ্ধ কথা যে, তাদের জন্যে
রয়েছে আগুন এবং তাদেরকেই
সর্বাগ্রে নিক্ষেপ করা হবে।
[62] They assign to Allâh that which they
dislike (for themselves), and their
tongues assert the falsehood that the
better things will be theirs. No doubt for
them is the Fire, and they will be the
first to be hastened on into it, and left
there neglected. (Tafsir Al-Qurtubî).
[63] ﺗَﺎﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻘَﺪ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺃُﻣَﻢٍ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺰَﻳَّﻦَ ﻟَﻬُﻢُ
ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ ﺃَﻋﻤٰﻠَﻬُﻢ ﻓَﻬُﻮَ ﻭَﻟِﻴُّﻬُﻢُ
ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[63] আল্লাহর কসম, আমি আপনার পূর্বে
বিভিন্ন সম্প্রদায়ে রাসূল প্রেরণ
করেছি, অতঃপর শয়তান তাদেরকে কর্ম
সমূহ শোভনীয় করে দেখিয়েছে। আজ
সেই তাদের অভিভাবক এবং তাদের
জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
[63] By Allâh, We indeed sent
(Messengers) to the nations before you
(O Muhammad SAW), but Shaitân (Satan)
made their deeds fair-seeming to them.
So he (Satan) is their Wali (helper) today
(i.e. in this world), and theirs will be a
painful torment.
[64] ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﺇِﻟّﺎ ﻟِﺘُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬِﻯ ﺍﺧﺘَﻠَﻔﻮﺍ
ﻓﻴﻪِ ۙ ﻭَﻫُﺪًﻯ ﻭَﺭَﺣﻤَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[64] আমি আপনার প্রতি এ জন্যেই গ্রন্থ
নাযিল করেছি, যাতে আপনি সরল পথ
প্রদর্শনের জন্যে তাদের কে পরিষ্কার
বর্ণনা করে দেন, যে বিষয়ে তারা
মতবিরোধ করছে এবং ঈমানদারকে
ক্ষমা করার জন্যে।
[64] And We have not sent down the
Book (the Qur’an) to you (O Muhammad
SAW), except that you may explain
clearly unto them those things in which
they differ, and (as) a guidance and a
mercy for a folk who believe.
[65] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻣﺎﺀً ﻓَﺄَﺣﻴﺎ ﺑِﻪِ ﺍﻷَﺭﺽَ ﺑَﻌﺪَ
ﻣَﻮﺗِﻬﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺴﻤَﻌﻮﻥَ
[65] আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ
করেছেন, তদ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর
পর পুনর্জীবিত করেছেন। নিশ্চয় এতে
তাদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা
শ্রবণ করে।
[65] And Allâh sends down water (rain)
from the sky, then He revives the earth
therewith after its death. Verily, in this
is a sign (clear proof) for people who
listen (obey Allâh).
[66] ﻭَﺇِﻥَّ ﻟَﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﻧﻌٰﻢِ
ﻟَﻌِﺒﺮَﺓً ۖ ﻧُﺴﻘﻴﻜُﻢ ﻣِﻤّﺎ ﻓﻰ
ﺑُﻄﻮﻧِﻪِ ﻣِﻦ ﺑَﻴﻦِ ﻓَﺮﺙٍ ﻭَﺩَﻡٍ
ﻟَﺒَﻨًﺎ ﺧﺎﻟِﺼًﺎ ﺳﺎﺋِﻐًﺎ ﻟِﻠﺸّٰﺮِﺑﻴﻦَ
[66] তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তুদের
মধ্যে চিন্তা করার অবকাশ রয়েছে।
আমি তোমাদেরকে পান করাই তাদের
উদরস্থিত বস্তুসমুহের মধ্যে থেকে
গোবর ও রক্ত নিঃসৃত দুগ্ধ যা
পানকারীদের জন্যে উপাদেয়।
[66] And verily! In the cattle, there is a
lesson for you. We give you to drink of
that which is in their bellies, from
between excretions and blood, pure
milk; palatable to the drinkers.
[67] ﻭَﻣِﻦ ﺛَﻤَﺮٰﺕِ ﺍﻟﻨَّﺨﻴﻞِ
ﻭَﺍﻷَﻋﻨٰﺐِ ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﻥَ ﻣِﻨﻪُ
ﺳَﻜَﺮًﺍ ﻭَﺭِﺯﻗًﺎ ﺣَﺴَﻨًﺎ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[67] এবং খেজুর বৃক্ষ ও আঙ্গুর ফল
থেকে তোমরা মধ্য ও উত্তম খাদ্য
তৈরী করে থাক, এতে অবশ্যই
বোধশক্তি সম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে
নিদর্শন রয়েছে।
[67] And from the fruits of date-palms
and grapes, you derive strong drink and
a goodly provision. Verily, therein is
indeed a sign for people who have
wisdom.
[68] ﻭَﺃَﻭﺣﻰٰ ﺭَﺑُّﻚَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨَّﺤﻞِ
ﺃَﻥِ ﺍﺗَّﺨِﺬﻯ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝِ ﺑُﻴﻮﺗًﺎ
ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮِ ﻭَﻣِﻤّﺎ ﻳَﻌﺮِﺷﻮﻥَ
[68] আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে
আদেশ দিলেনঃ পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং
উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর,
[68] And your Lord inspired the bees,
saying: “Take you habitations in the
mountains and in the trees and in what
they erect.
[69] ﺛُﻢَّ ﻛُﻠﻰ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ
ﻓَﺎﺳﻠُﻜﻰ ﺳُﺒُﻞَ ﺭَﺑِّﻚِ ﺫُﻟُﻠًﺎ ۚ
ﻳَﺨﺮُﺝُ ﻣِﻦ ﺑُﻄﻮﻧِﻬﺎ ﺷَﺮﺍﺏٌ
ﻣُﺨﺘَﻠِﻒٌ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻪُ ﻓﻴﻪِ ﺷِﻔﺎﺀٌ
ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[69] এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ
কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ
সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে
বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে
মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের
প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল
সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
[69] “Then, eat of all fruits, and follow
the ways of your Lord made easy (for
you).” There comes forth from their
bellies, a drink of varying colour
wherein is healing for men. Verily, in
this is indeed a sign for people who
think.
[70] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﺛُﻢَّ
ﻳَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻜُﻢ ۚ ﻭَﻣِﻨﻜُﻢ ﻣَﻦ ﻳُﺮَﺩُّ
ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺭﺫَﻝِ ﺍﻟﻌُﻤُﺮِ ﻟِﻜَﻰ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻢَ
ﺑَﻌﺪَ ﻋِﻠﻢٍ ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﻗَﺪﻳﺮٌ
[70] আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি
করেছেন এরপর তোমাদের মৃত্যুদান
করেন। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ
পৌছে যায় জরাগ্রস্ত অকর্মন্য বয়সে,
ফলে যা কিছু তারা জানত সে সম্পর্কে
তারা সজ্ঞান থাকবে না। নিশ্চয়
আল্লাহ সু-বিজ্ঞ সর্বশক্তিমান।
[70] And Allâh has created you and then
He will cause you to die, and of you
there are some who are sent back to
senility, so that they know nothing after
having known (much). Truly! Allâh is All-
Knowing, All-Powerful.
[71] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻀَّﻞَ ﺑَﻌﻀَﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ
ﺑَﻌﺾٍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺮِّﺯﻕِ ۚ ﻓَﻤَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻓُﻀِّﻠﻮﺍ ﺑِﺮﺍﺩّﻯ ﺭِﺯﻗِﻬِﻢ ﻋَﻠﻰٰ
ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﺃَﻳﻤٰﻨُﻬُﻢ ﻓَﻬُﻢ ﻓﻴﻪِ
ﺳَﻮﺍﺀٌ ۚ ﺃَﻓَﺒِﻨِﻌﻤَﺔِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻳَﺠﺤَﺪﻭﻥَ
[71] আল্লাহ তা’আলা জীবনোপকরণে
তোমাদের একজনকে অন্যজনের চাইতে
শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন। অতএব যাদেরকে
শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে, তারা তাদের
অধীনস্থ দাস-দাসীদেরকে স্বীয়
জীবিকা থেকে এমন কিছু দেয় না,
যাতে তারা এ বিষয়ে তাদের সমান
হয়ে যাবে। তবে কি তারা আল্লাহর
নেয়ামত অস্বীকার করে।
[71] And Allâh has preferred some of you
above others in wealth and properties.
Then, those who are preferred will by no
means hand over their wealth and
properties to those (slaves) whom their
right hands possess, so that they may be
equal with them in respect thereof. Do
they then deny the Favour of Allâh?
[72] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﺃَﺯﻭٰﺟًﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ
ﻣِﻦ ﺃَﺯﻭٰﺟِﻜُﻢ ﺑَﻨﻴﻦَ ﻭَﺣَﻔَﺪَﺓً
ﻭَﺭَﺯَﻗَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻄَّﻴِّﺒٰﺖِ ۚ
ﺃَﻓَﺒِﺎﻟﺒٰﻄِﻞِ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﻭَﺑِﻨِﻌﻤَﺖِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻫُﻢ ﻳَﻜﻔُﺮﻭﻥَ
[72] আল্লাহ তোমাদের জন্যে
তোমাদেরই শ্রেণী থেকে জোড়া
পয়দা করেছেন এবং তোমাদের যুগল
থেকে তোমাদেরকে পুত্র ও
পৌত্রাদি দিয়েছেন এবং
তোমাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ
দান করেছেন। অতএব তারা কি মিথ্যা
বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং
আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করে?
[72] And Allâh has made for you Azwaj
(makes or wives) of your own kind, and
has made for you, from your wives, sons
and grandsons, and has bestowed on you
good provision. Do they then believe in
false deities and deny the Favour of
Allâh (by not worshipping Allâh Alone).
[73] ﻭَﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣﺎ ﻻ ﻳَﻤﻠِﻚُ ﻟَﻬُﻢ ﺭِﺯﻗًﺎ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ
ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ
[73] তারা আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্তুর
ইবাদত করে, যে তাদের জন্যে ভুমন্ডল ও
নভোমন্ডল থেকে সামান্য রুযী
দেওয়ার ও অধিকার রাখে না এবং
মুক্তি ও রাখে না।
[73] And they worship others besides
Allâh,- such as do not and cannot own
any provision for them from the heavens
or the earth.
[74] ﻓَﻼ ﺗَﻀﺮِﺑﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻷَﻣﺜﺎﻝَ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﻻ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[74] অতএব, আল্লাহর কোন সদৃশ
সাব্যস্ত করো না, নিশ্চয় আল্লাহ
জানেন এবং তোমরা জান না।
[74] So put not forward similitudes for
Allâh (as there is nothing similar to Him,
nor He resembles anything). Truly! Allâh
knows and you know not.
[75] ۞ ﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻋَﺒﺪًﺍ
ﻣَﻤﻠﻮﻛًﺎ ﻻ ﻳَﻘﺪِﺭُ ﻋَﻠﻰٰ ﺷَﻲﺀٍ
ﻭَﻣَﻦ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻪُ ﻣِﻨّﺎ ﺭِﺯﻗًﺎ ﺣَﺴَﻨًﺎ
ﻓَﻬُﻮَ ﻳُﻨﻔِﻖُ ﻣِﻨﻪُ ﺳِﺮًّﺍ ﻭَﺟَﻬﺮًﺍ ۖ
ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮۥﻥَ ۚ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ۚ ﺑَﻞ
ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[75] আল্লাহ একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা
করেছেন, অপরের মালিকানাধীন
গোলামের যে, কোন কিছুর উপর
শক্তি রাখে না এবং এমন একজন যাকে
আমি নিজের পক্ষ থেকে চমৎকার রুযী
দিয়েছি। অতএব, সে তা থেকে ব্যয়
করে গোপনে ও প্রকাশ্যে উভয়ে কি
সমান হয়? সব প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু
অনেক মানুষ জানে না।
[75] Allâh puts forward the example (of
two men — a believer and a disbeliever);
a slave (disbeliever) under the
possession of another, he has no power
of any sort, and (the other), a man
(believer) on whom We have bestowed a
good provision from Us, and he spends
thereof secretly and openly. Can they be
equal? (By no means). All the praises and
thanks are to Allâh. Nay! (But) most of
them know not.
[76] ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﺭَﺟُﻠَﻴﻦِ
ﺃَﺣَﺪُﻫُﻤﺎ ﺃَﺑﻜَﻢُ ﻻ ﻳَﻘﺪِﺭُ ﻋَﻠﻰٰ
ﺷَﻲﺀٍ ﻭَﻫُﻮَ ﻛَﻞٌّ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻮﻟﻯٰﻪُ
ﺃَﻳﻨَﻤﺎ ﻳُﻮَﺟِّﻬﻪُ ﻻ ﻳَﺄﺕِ ﺑِﺨَﻴﺮٍ ۖ
ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮﻯ ﻫُﻮَ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺄﻣُﺮُ
ﺑِﺎﻟﻌَﺪﻝِ ۙ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠﻰٰ ﺻِﺮٰﻁٍ
ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[76] আল্লাহ আরেকটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা
করেছেন, দু’ব্যক্তির, একজন বোবা
কোন কাজ করতে পারে না। সে
মালিকের উপর বোঝা। যেদিকে
তাকে পাঠায়, কোন সঠিক কাজ করে
আসে না। সে কি সমান হবে ঐ ব্যক্তির,
যে ন্যায় বিচারের আদেশ করে এবং
সরল পথে কায়েম রয়েছে।
[76] And Allâh puts forward (another)
example of two men, one of them dumb,
who has no power over anything
(disbeliever), and he is a burden on his
master, whichever way he directs him,
he brings no good. Is such a man equal
to one (believer in the Islâmic
Monotheism) who commands justice, and
is himself on a Straight Path?
[77] ﻭَﻟِﻠَّﻪِ ﻏَﻴﺐُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔِ ﺇِﻟّﺎ
ﻛَﻠَﻤﺢِ ﺍﻟﺒَﺼَﺮِ ﺃَﻭ ﻫُﻮَ ﺃَﻗﺮَﺏُ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[77] নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন
রহস্য আল্লাহর কাছেই রয়েছে।
কিয়ামতের ব্যাপারটি তো এমন, যেমন
চোখের পলক অথবা তার চাইতেও
নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর
উপর শক্তিমান।
[77] And to Allâh belongs the Unseen of
the heavens and the earth. And the
matter of the Hour is not but as a
twinkling of the eye, or even nearer.
Truly! Allâh is Able to do all things.
[78] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺧﺮَﺟَﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺑُﻄﻮﻥِ ﺃُﻣَّﻬٰﺘِﻜُﻢ ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ
ﻭَﺍﻷَﺑﺼٰﺮَ ﻭَﺍﻷَﻓـِٔﺪَﺓَ ۙ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ
ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[78] আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের
মায়ের গর্ভ থেকে বের করেছেন।
তোমরা কিছুই জানতে না। তিনি
তোমাদেরকে কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর
দিয়েছেন, যাতে তোমরা অনুগ্রহ
স্বীকার কর।
[78] And Allâh has brought you out from
the wombs of your mothers while you
know nothing. And He gave you hearing,
sight, and hearts that you might give
thanks (to Allâh).
[79] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻄَّﻴﺮِ
ﻣُﺴَﺨَّﺮٰﺕٍ ﻓﻰ ﺟَﻮِّ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎ
ﻳُﻤﺴِﻜُﻬُﻦَّ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[79] তারা কি উড়ন্ত পাখীকে দেখে
না? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে
আজ্ঞাধীন রয়েছে। আল্লাহ ছাড়া
কেউ এগুলোকে আগলে রাখে না।
নিশ্চয় এতে বিশ্বাসীদের জন্যে
নিদর্শনবলী রয়েছে।
[79] Do they not see the birds held
(flying) in the midst of the sky? None
holds them but Allâh [none gave them
the ability to fly but Allâh]. Verily, in
this are clear Ayat (proofs and signs) for
people who believe (in the Oneness of
Allâh).
[80] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺑُﻴﻮﺗِﻜُﻢ ﺳَﻜَﻨًﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ
ﻣِﻦ ﺟُﻠﻮﺩِ ﺍﻷَﻧﻌٰﻢِ ﺑُﻴﻮﺗًﺎ
ﺗَﺴﺘَﺨِﻔّﻮﻧَﻬﺎ ﻳَﻮﻡَ ﻇَﻌﻨِﻜُﻢ
ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺇِﻗﺎﻣَﺘِﻜُﻢ ۙ ﻭَﻣِﻦ
ﺃَﺻﻮﺍﻓِﻬﺎ ﻭَﺃَﻭﺑﺎﺭِﻫﺎ
ﻭَﺃَﺷﻌﺎﺭِﻫﺎ ﺃَﺛٰﺜًﺎ ﻭَﻣَﺘٰﻌًﺎ ﺇِﻟﻰٰ
ﺣﻴﻦٍ
[80] আল্লাহ করে দিয়েছেন
তোমাদের গৃহকে অবস্থানের জায়গা
এবং চতুস্পদ জন্তুর চামড়া দ্বারা
করেছেন তোমার জন্যে তাঁবুর
ব্যবস্থা। তোমরা এগুলোকে
সফরকালে ও অবস্থান কালে পাও।
ভেড়ার পশম, উটের বাবরি চুল ও
ছাগলের লোম দ্বারা কত আসবাবপত্র
ও ব্যবহারের সামগ্রী তৈরী করেছেন
এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।
[80] And Allâh has made for you in your
homes an abode, and made for you out
of the hides of the cattle (tents for)
dwelling, which you find so light (and
handy) when you travel and when you
stay (in your travels), and of their wool,
fur, and hair (sheep wool, camel fur, and
goat hair), a furnishings and articles of
convenience (e.g. carpets, blankets), a
comfort for a while.
[81] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻤّﺎ ﺧَﻠَﻖَ
ﻇِﻠٰﻠًﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝِ
ﺃَﻛﻨٰﻨًﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﺳَﺮٰﺑﻴﻞَ
ﺗَﻘﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﺤَﺮَّ ﻭَﺳَﺮٰﺑﻴﻞَ ﺗَﻘﻴﻜُﻢ
ﺑَﺄﺳَﻜُﻢ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳُﺘِﻢُّ ﻧِﻌﻤَﺘَﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗُﺴﻠِﻤﻮﻥَ
[81] আল্লাহ তোমাদের জন্যে সৃজিত
বস্তু দ্বারা ছায়া করে দিয়েছেন এবং
পাহাড় সমূহে তোমাদের জন্যে আত্ন
গোপনের জায়গা করেছেন এবং
তোমাদের জন্যে পোশাক তৈরী করে
দিয়েছেন, যা তোমাদেরকে গ্রীষ্ম
এবং বিপদের সময় রক্ষা করে।
এমনিভাবে তিনি তোমাদের প্রতি
স্বীয় অনুগ্রহের পূর্ণতা দান করেন,
যাতে তোমরা আত্নসমর্পণ কর।
[81] And Allâh has made for you out of
that which He has created shades, and
has made for you places of refuge in the
mountains, and has made for you
garments to protect you from the heat
(and cold), and coats of mail to protect
you from your (mutual) violence. Thus
does He perfect His Favour unto you,
that you may submit yourselves to His
Will (in Islâm).
[82] ﻓَﺈِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ
ﺍﻟﺒَﻠٰﻎُ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[82] অতঃপর যদি তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন
করে, তবে আপনার কাজ হল সুস্পষ্ট
ভাবে পৌছে দেয়া মাত্র।
[82] Then, if they turn away, your duty
(O Muhammad SAW) is only to convey
(the Message) in a clear way.
[83] ﻳَﻌﺮِﻓﻮﻥَ ﻧِﻌﻤَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛُﻢَّ
ﻳُﻨﻜِﺮﻭﻧَﻬﺎ ﻭَﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ
[83] তারা আল্লাহর অনুগ্রহ চিনে, এরপর
অস্বীকার করে এবং তাদের
অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ।
[83] They recognise the Grace of Allâh,
yet they deny it (by worshipping others
besides Allâh) and most of them are
disbelievers (deny the Prophethood of
Muhammad SAW).
[84] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻧَﺒﻌَﺚُ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﺷَﻬﻴﺪًﺍ ﺛُﻢَّ ﻻ ﻳُﺆﺫَﻥُ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳُﺴﺘَﻌﺘَﺒﻮﻥَ
[84] যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে
একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব, তখন
কাফেরদেরকে অনুমতি দেয়া হবে না
এবং তাদের তওবা ও গ্রহণ করা হবে
না।
[84] And (remember) the Day when We
shall raise up from each nation a witness
(their Messenger), then, those who have
disbelieved will not be given leave (to
put forward excuses), nor will they be
allowed (to return to the world) to
repent and ask for Allâh’s Forgiveness
(of their sins).
[85] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺭَﺀَﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤُﻮﺍ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ﻓَﻼ ﻳُﺨَﻔَّﻒُ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳُﻨﻈَﺮﻭﻥَ
[85] যখন জালেমরা আযাব প্রত্যক্ষ
করবে, তখন তাদের থেকে তা লঘু করা
হবে না এবং তাদেরকে কোন অবকাশ
দেয়া হবে না।
[85] And when those who did wrong (the
disbelievers) will see the torment, then it
will not be lightened unto them, nor will
they be given respite.
[86] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺭَﺀَﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺷﺮَﻛﻮﺍ
ﺷُﺮَﻛﺎﺀَﻫُﻢ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﺷُﺮَﻛﺎﺅُﻧَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﺪﻋﻮﺍ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻚَ ۖ ﻓَﺄَﻟﻘَﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢُ
ﺍﻟﻘَﻮﻝَ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻟَﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[86] মুশরিকরা যখন ঐ সব বস্তুকে
দেখবে, যেসবকে তারা আল্লাহর সাথে
শরীক সাব্যস্ত করেছিল, তখন বলবেঃ
হে আমাদের পালনকর্তা এরাই তারা
যারা আমাদের শেরেকীর উপাদান,
তোমাকে ছেড়ে আমরা যাদেরকে
ডাকতাম। তখন ওরা তাদেরকে বলবেঃ
তোমরা মিথ্যাবাদী।
[86] And when those who associated
partners with Allâh see their (Allâh’s so-
called) partners, they will say: “Our
Lord! These are our partners whom we
used to invoke besides you.” But they
will throw back their word at them (and
say): “Surely! You indeed are liars!”
[87] ﻭَﺃَﻟﻘَﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ
ﺍﻟﺴَّﻠَﻢَ ۖ ﻭَﺿَﻞَّ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[87] সেদিন তারা আল্লাহর সামনে
আত্নসমর্পন করবে এবং তারা যে
মিথ্যা অপবাদ দিত তা বিস্মৃত হবে।
[87] And they will offer (their full)
submission to Allâh (Alone) on that Day,
and their invented false deities [all that
they used to invoke besides Allâh, e.g.
idols, saints, priests, monks, angels, jinn,
Jibrael (Gabriel), Messengers] will vanish
from them.
[88] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻭَﺻَﺪّﻭﺍ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺯِﺩﻧٰﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﻓَﻮﻕَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳُﻔﺴِﺪﻭﻥَ
[88] যারা কাফের হয়েছে এবং
আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করেছে,
আমি তাদেরকে আযাবের পর আযাব
বাড়িয়ে দেব। কারণ, তারা অশান্তি
সৃষ্টি করত।
[88] Those who disbelieved and hinder
(men) from the Path of Allâh, for them
We will add torment to the torment;
because they used to spread corruption
[by disobeying Allâh themselves, as well
as ordering others (mankind) to do so].
[89] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻧَﺒﻌَﺚُ ﻓﻰ ﻛُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﺷَﻬﻴﺪًﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻣِﻦ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۖ
ﻭَﺟِﺌﻨﺎ ﺑِﻚَ ﺷَﻬﻴﺪًﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﻫٰﺆُﻻﺀِ ۚ ﻭَﻧَﺰَّﻟﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﺗِﺒﻴٰﻨًﺎ ﻟِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻭَﻫُﺪًﻯ
ﻭَﺭَﺣﻤَﺔً ﻭَﺑُﺸﺮﻯٰ ﻟِﻠﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
[89] সেদিন প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে
আমি একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব
তাদের বিপক্ষে তাদের মধ্য থেকেই
এবং তাদের বিষয়ে আপনাকে সাক্ষী
স্বরূপ উপস্থাপন করব। আমি আপনার
প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন
যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা,
হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের
জন্যে সুসংবাদ।
[89] And (remember) the Day when We
shall raise up from every nation a
witness against them from amongst
themselves. And We shall bring you (O
Muhammad SAW) as a witness against
these. And We have sent down to you the
Book (the Qur’an) as an exposition of
everything, a guidance, a mercy, and
glad tidings for those who have
submitted themselves (to Allâh as
Muslims).
[90] ۞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺄﻣُﺮُ ﺑِﺎﻟﻌَﺪﻝِ
ﻭَﺍﻹِﺣﺴٰﻦِ ﻭَﺇﻳﺘﺎﺉِ ﺫِﻯ
ﺍﻟﻘُﺮﺑﻰٰ ﻭَﻳَﻨﻬﻰٰ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻔَﺤﺸﺎﺀِ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨﻜَﺮِ ﻭَﺍﻟﺒَﻐﻰِ ۚ ﻳَﻌِﻈُﻜُﻢ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[90] আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ
এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার
আদেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা,
অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে
বারণ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ
দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
[90] Verily, Allâh enjoins Al-Adl (i.e.
justice and worshipping none but Allâh
Alone – Islâmic Monotheism) and Al-
Ihsân [i.e. to be patient in performing
your duties to Allâh, totally for Allâh’s
sake and in accordance with the Sunnah
(legal ways) of the Prophet SAW in a
perfect manner], and giving (help) to
kith and kin (i.e. all that Allâh has
ordered you to give them e.g., wealth,
visiting, looking after them, or any other
kind of help): and forbids Al-Fahshâ’ (i.e
all evil deeds, e.g. illegal sexual acts,
disobedience of parents, polytheism, to
tell lies, to give false witness, to kill a life
without right), and Al-Munkar (i.e all
that is prohibited by Islâmic law:
polytheism of every kind, disbelief and
every kind of evil deeds), and Al-Baghy
(i.e. all kinds of oppression), He
admonishes you, that you may take heed.
[91] ﻭَﺃَﻭﻓﻮﺍ ﺑِﻌَﻬﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﺫﺍ
ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻭَﻻ ﺗَﻨﻘُﻀُﻮﺍ ﺍﻷَﻳﻤٰﻦَ
ﺑَﻌﺪَ ﺗَﻮﻛﻴﺪِﻫﺎ ﻭَﻗَﺪ ﺟَﻌَﻠﺘُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻛَﻔﻴﻠًﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗَﻔﻌَﻠﻮﻥَ
[91] আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করার
পর সে অঙ্গীকার পূর্ণ কর এবং
পাকাপাকি কসম করার পর তা ভঙ্গ
করো না, অথচ তোমরা আল্লাহকে
জামিন করেছ। তোমরা যা কর আল্লাহ
তা জানেন।
[91] And fulfill the Covenant of Allâh
(Bai’a: pledge for Islâm) when you have
covenanted, and break not the oaths
after you have confirmed them, and
indeed you have appointed Allâh your
surety. Verily! Allâh knows what you do.
[92] ﻭَﻻ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻛَﺎﻟَّﺘﻰ ﻧَﻘَﻀَﺖ
ﻏَﺰﻟَﻬﺎ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻗُﻮَّﺓٍ ﺃَﻧﻜٰﺜًﺎ
ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﻥَ ﺃَﻳﻤٰﻨَﻜُﻢ ﺩَﺧَﻠًﺎ
ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻥَ ﺃُﻣَّﺔٌ ﻫِﻰَ
ﺃَﺭﺑﻰٰ ﻣِﻦ ﺃُﻣَّﺔٍ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺒﻠﻮﻛُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ ۚ ﻭَﻟَﻴُﺒَﻴِّﻨَﻦَّ ﻟَﻜُﻢ ﻳَﻮﻡَ
ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻓﻴﻪِ
ﺗَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ
[92] তোমরা ঐ মহিলার মত হয়ো না,
যে পরিশ্রমের পর কাটা সূতা টুকরো
টুকরো করে ছিড়ে ফেলে, তোমরা
নিজেদের কসমসমূহকে পারস্পরিক
প্রবঞ্চনার বাহানা রূপে গ্রহণ কর
এজন্যে যে, অন্য দল অপেক্ষা এক দল
অধিক ক্ষমতাবান হয়ে যায়। এতদ্বারা
তো আল্লাহ শুধু তোমাদের পরীক্ষা
করেন। আল্লাহ অবশ্যই কিয়ামতের দিন
প্রকাশ করে দেবেন, যে বিষয়ে
তোমরা কলহ করতে।
[92] And be not like her who undoes the
thread which she has spun after it has
become strong, by taking your oaths as a
means of deception among yourselves,
lest a nation should be more numerous
than another nation. Allâh only tests you
by this [i.e who obeys Allâh and fulfills
Allâh’s Covenant and who disobeys Allâh
and breaks Allâh’s Covenant]. And on
the Day of Resurrection, He will
certainly make clear to you that wherein
you used to differ [i.e. a believer
confesses and believes in the Oneness of
Allâh and in the Prophethood of Prophet
Muhammad SAW which the disbeliever
denies it and that was their difference
amongst them in the life of this world]
[93] ﻭَﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﺠَﻌَﻠَﻜُﻢ
ﺃُﻣَّﺔً ﻭٰﺣِﺪَﺓً ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻳُﻀِﻞُّ ﻣَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ
ﻭَﻟَﺘُﺴـَٔﻠُﻦَّ ﻋَﻤّﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[93] আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদের
সবাইকে এক জাতি করে দিতে
পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা
বিপথগামী করেন এবং যাকে ইচ্ছা পথ
প্রদর্শন করেন। তোমরা যা কর সে
বিষয়ে অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে।
[93] And had Allâh willed, He could have
made you (all) one nation, but He sends
astray whom He wills and guides whom
He wills. But you shall certainly be called
to account for what you used to do.
[94] ﻭَﻻ ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﺃَﻳﻤٰﻨَﻜُﻢ ﺩَﺧَﻠًﺎ
ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﻓَﺘَﺰِﻝَّ ﻗَﺪَﻡٌ ﺑَﻌﺪَ ﺛُﺒﻮﺗِﻬﺎ
ﻭَﺗَﺬﻭﻗُﻮﺍ ﺍﻟﺴّﻮﺀَ ﺑِﻤﺎ ﺻَﺪَﺩﺗُﻢ
ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﻋَﻈﻴﻢٌ
[94] তোমরা স্বীয় কসমসমূহকে
পারস্পরিক কলহ দ্বন্দ্বের বাহানা
করো না। তা হলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত
হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং
তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে
এ কারণে যে, তোমরা আমার পথে
বাধা দান করেছ এবং তোমাদের
কঠোর শাস্তি হবে।
[94] And make not your oaths, a means
of deception among yourselves, lest a
foot should slip after being firmly
planted, and you may have to taste the
evil (punishment in this world) of having
hindered (men) from the Path of Allâh
(i.e. Belief in the Oneness of Allâh and
His Messenger, Muhammad SAW), and
yours will be a great torment (i.e. the
Fire of Hell in the Hereafter).
[95] ﻭَﻻ ﺗَﺸﺘَﺮﻭﺍ ﺑِﻌَﻬﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺛَﻤَﻨًﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻫُﻮَ
ﺧَﻴﺮٌ ﻟَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[95] তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকারের
বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করো না।
নিশ্চয় আল্লাহর কাছে যা আছে, তা
উত্তম তোমাদের জন্যে, যদি তোমরা
জ্ঞানী হও।
[95] And purchase not a small gain at the
cost of Allâh’s Covenant. Verily! What is
with Allâh is better for you if you did but
know.
[96] ﻣﺎ ﻋِﻨﺪَﻛُﻢ ﻳَﻨﻔَﺪُ ۖ ﻭَﻣﺎ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑﺎﻕٍ ۗ ﻭَﻟَﻨَﺠﺰِﻳَﻦَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﺃَﺟﺮَﻫُﻢ ﺑِﺄَﺣﺴَﻦِ ﻣﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[96] তোমাদের কাছে যা আছে
নিঃশেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহর
কাছে যা আছে, কখনও তা শেষ হবে না।
যারা সবর করে, আমি তাদেরকে প্রাপ্য
প্রতিদান দেব তাদের উত্তম কর্মের
প্রতিদান স্বরূপ যা তারা করত।
[96] Whatever is with you, will be
exhausted, and whatever is with Allâh
(of good deeds) will remain. And those
who are patient, We will certainly pay
them a reward in proportion to the best
of what they used to do.
[97] ﻣَﻦ ﻋَﻤِﻞَ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﻣِﻦ ﺫَﻛَﺮٍ
ﺃَﻭ ﺃُﻧﺜﻰٰ ﻭَﻫُﻮَ ﻣُﺆﻣِﻦٌ
ﻓَﻠَﻨُﺤﻴِﻴَﻨَّﻪُ ﺣَﻴﻮٰﺓً ﻃَﻴِّﺒَﺔً ۖ
ﻭَﻟَﻨَﺠﺰِﻳَﻨَّﻬُﻢ ﺃَﺟﺮَﻫُﻢ ﺑِﺄَﺣﺴَﻦِ
ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[97] যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে
ঈমাণদার, পুরুষ হোক কিংবা নারী
আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব
এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের
উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার
দেব যা তারা করত।
[97] Whoever works righteousness,
whether male or female, while he (or
she) is a true believer (of Islâmic
Monotheism) verily, to him We will give
a good life (in this world with respect,
contentment and lawful provision), and
We shall pay them certainly a reward in
proportion to the best of what they used
to do (i.e. Paradise in the Hereafter).
[98] ﻓَﺈِﺫﺍ ﻗَﺮَﺃﺕَ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥَ
ﻓَﺎﺳﺘَﻌِﺬ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦِ
ﺍﻟﺮَّﺟﻴﻢِ
[98] অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ
করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে
আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন।
[98] So when you want to recite the
Qur’ân, seek refuge with Allâh from
Shaitân (Satan), the outcast (the cursed
one).
[99] ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻴﺲَ ﻟَﻪُ ﺳُﻠﻄٰﻦٌ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺑِّﻬِﻢ
ﻳَﺘَﻮَﻛَّﻠﻮﻥَ
[99] তার আধিপত্য চলে না তাদের উপর
যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং আপন
পালন কর্তার উপর ভরসা রাখে।
[99] Verily! He has no power over those
who believe and put their trust only in
their Lord (Allâh).
[100] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺳُﻠﻄٰﻨُﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺘَﻮَﻟَّﻮﻧَﻪُ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫُﻢ ﺑِﻪِ
ﻣُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[100] তার আধিপত্য তো তাদের উপরই
চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং
যারা তাকে অংশীদার মানে।
[100] His power is only over those who
obey and follow him (Satan), and those
who join partners with Him (Allâh) [i.e.
those who are Mushrikûn – polytheists –
see Verse 6:121]
[101] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺑَﺪَّﻟﻨﺎ ﺀﺍﻳَﺔً ﻣَﻜﺎﻥَ
ﺀﺍﻳَﺔٍ ۙ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻳُﻨَﺰِّﻝُ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ ﻣُﻔﺘَﺮٍ ۚ ﺑَﻞ
ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[101] এবং যখন আমি এক আয়াতের
স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং
আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে
সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা
বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন;
বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে
না।
[101] And when We change a Verse [of
the Qur’ân) in place of another,— and
Allâh knows the best what He sends
down, they (the disbelievers) say: “You
(O Muhammad SAW) are but a Muftari!
(forger, liar).” Nay, but most of them
know not
[102] ﻗُﻞ ﻧَﺰَّﻟَﻪُ ﺭﻭﺡُ ﺍﻟﻘُﺪُﺱِ
ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻟِﻴُﺜَﺒِّﺖَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻫُﺪًﻯ
ﻭَﺑُﺸﺮﻯٰ ﻟِﻠﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
[102] বলুন, একে পবিত্র ফেরেশতা
পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিশ্চিত
সত্যসহ নাযিল করেছেন, যাতে
মুমিনদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং
এটা মুসলমানদের জন্যে পথ নির্দেশ ও
সু-সংবাদ স্বরূপ।
[102] Say (O Muhammad SAW) Ruh-ul-
Qudus [Jibril (Gabriel)] has brought it
(the Qur’an) down from your Lord with
truth, that it may make firm and
strengthen (the Faith of) those who
believe and as a guidance and glad
tidings to those who have submitted (to
Allâh as Muslims).
[103] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻧَﻌﻠَﻢُ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳُﻌَﻠِّﻤُﻪُ ﺑَﺸَﺮٌ ۗ ﻟِﺴﺎﻥُ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻳُﻠﺤِﺪﻭﻥَ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺃَﻋﺠَﻤِﻰٌّ ﻭَﻫٰﺬﺍ
ﻟِﺴﺎﻥٌ ﻋَﺮَﺑِﻰٌّ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[103] আমি তো ভালভাবেই জানি যে,
তারা বলেঃ তাকে জনৈক ব্যক্তি
শিক্ষা দেয়। যার দিকে তারা ইঙ্গিত
করে, তার ভাষা তো আরবী নয় এবং এ
কোরআন পরিষ্কার আরবী ভাষায়।
[103] And indeed We know that they
(polytheists and pagans) say: “It is only a
human being who teaches him
(Muhammad SAW).” The tongue of the
man they refer to is foreign, while this
(the Qur’ân) is a clear Arabic tongue.
[104] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ ﻳَﻬﺪﻳﻬِﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[104] যারা আল্লাহর কথায় বিশ্বাস
করে না, তাদেরকে আল্লাহ পথ প্রদর্শন
করেন না এবং তাদের জন্যে রয়েছে
যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
[104] Verily! Those who believe not in
the Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations, etc.) of Allâh,
Allâh will not guide them and theirs will
be a painful torment
[105] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﻔﺘَﺮِﻯ ﺍﻟﻜَﺬِﺏَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ
ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[105] মিথ্যা কেবল তারা রচনা করে,
যারা আল্লাহর নিদর্শনে বিশ্বাস করে
না এবং তারাই মিথ্যাবাদী।
[105] It is only those who believe not in
the Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations, etc.) of Allâh,
who fabricate falsehood, and it is they
who are liars
[106] ﻣَﻦ ﻛَﻔَﺮَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺇﻳﻤٰﻨِﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻦ ﺃُﻛﺮِﻩَ ﻭَﻗَﻠﺒُﻪُ
ﻣُﻄﻤَﺌِﻦٌّ ﺑِﺎﻹﻳﻤٰﻦِ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻣَﻦ
ﺷَﺮَﺡَ ﺑِﺎﻟﻜُﻔﺮِ ﺻَﺪﺭًﺍ ﻓَﻌَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻏَﻀَﺐٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﻋَﻈﻴﻢٌ
[106] যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং
তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে
ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর
আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর
জন্য মন উম্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর
আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের
জন্যে রয়েছে শাস্তি।
[106] Whoever disbelieved in Allâh after
his belief, except him who is forced
thereto and whose heart is at rest with
Faith, but such as open their breasts to
disbelief, on them is wrath from Allâh,
and theirs will be a great torment.
[107] ﺫٰﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢُ ﺍﺳﺘَﺤَﺒُّﻮﺍ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[107] এটা এ জন্যে যে, তারা পার্থিব
জীবনকে পরকালের চাইতে প্রিয় মনে
করেছে এবং আল্লাহ
অবিশ্বাসীদেরকে পথ প্রদর্শন করেন
না।
[107] That is because they loved and
preferred the life of this world over that
of the Hereafter. And Allâh guides not
the people who disbelieve.
[108] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻃَﺒَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻭَﺳَﻤﻌِﻬِﻢ
ﻭَﺃَﺑﺼٰﺮِﻫِﻢ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻐٰﻔِﻠﻮﻥَ
[108] এরাই তারা, আল্লাহ তা’য়ালা
এদেরই অন্তর, কর্ণ ও চক্ষুর উপর মোহর
মেরে দিয়েছেন এবং এরাই কান্ড
জ্ঞানহীন।
[108] They are those upon whose hearts,
hearing (ears) and sight (eyes) Allâh has
set a seal. And they are the heedless!
[109] ﻻ ﺟَﺮَﻡَ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻭﻥَ
[109] বলাবাহুল্য পরকালে এরাই ক্ষতি
গ্রস্ত হবে।
[109] No doubt, in the Hereafter, they
will be the losers.
[110] ﺛُﻢَّ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻫﺎﺟَﺮﻭﺍ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﻓُﺘِﻨﻮﺍ ﺛُﻢَّ
ﺟٰﻬَﺪﻭﺍ ﻭَﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِﻫﺎ ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[110] যারা দুঃখ-কষ্ট ভোগের পর
দেশত্যাগী হয়েছে অতঃপর জেহাদ
করেছে, নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা
এসব বিষয়ের পরে অবশ্যই ক্ষমাশীল,
পরম দয়ালু।
[110] Then, verily! Your Lord for those
who emigrated after they had been put
to trials and thereafter strove hard and
fought (for the Cause of Allâh) and were
patient, verily, your Lord afterward is,
Oft-Forgiving, Most Merciful.
[111] ۞ ﻳَﻮﻡَ ﺗَﺄﺗﻰ ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ
ﺗُﺠٰﺪِﻝُ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻬﺎ ﻭَﺗُﻮَﻓّﻰٰ
ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ ﻣﺎ ﻋَﻤِﻠَﺖ ﻭَﻫُﻢ ﻻ
ﻳُﻈﻠَﻤﻮﻥَ
[111] যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্ন-
সমর্থনে সওয়াল জওয়াব করতে করতে
আসবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের
কৃতকর্মের পূর্ণ ফল পাবে এবং তাদের
উপর জুলুম করা হবে না।
[111] (Remember) the Day when every
person will come up pleading for
himself, and every one will be paid in
full for what he did (good or evil, belief
or disbelief in the life of this world) and
they will not be dealt with unjustly.
[112] ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻗَﺮﻳَﺔً
ﻛﺎﻧَﺖ ﺀﺍﻣِﻨَﺔً ﻣُﻄﻤَﺌِﻨَّﺔً ﻳَﺄﺗﻴﻬﺎ
ﺭِﺯﻗُﻬﺎ ﺭَﻏَﺪًﺍ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﻣَﻜﺎﻥٍ
ﻓَﻜَﻔَﺮَﺕ ﺑِﺄَﻧﻌُﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﺄَﺫٰﻗَﻬَﺎ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﺒﺎﺱَ ﺍﻟﺠﻮﻉِ ﻭَﺍﻟﺨَﻮﻑِ
ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﺼﻨَﻌﻮﻥَ
[112] আল্লাহ দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন
একটি জনপদের, যা ছিল নিরাপদ ও
নিশ্চিন্ত, তথায় প্রত্যেক জায়গা
থেকে আসত প্রচুর জীবনোপকরণ।
অতঃপর তারা আল্লাহর নেয়ামতের
প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। তখন
আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের
কারণে স্বাদ আস্বাদন করালেন, ক্ষুধা
ও ভীতির।
[112] And Allâh puts forward the
example of a township (Makkah), that
dwelt secure and well content; its
provision coming to it in abundance
from every place, but it (its people)
denied the Favours of Allâh (with
ungratefulness). So Allâh made it taste
the extreme of hunger (famine) and fear,
because of that (evil, i.e. denying Prophet
Muhammad SAW) which they (its people)
used to do
[113] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﺭَﺳﻮﻝٌ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻓَﻜَﺬَّﺑﻮﻩُ ﻓَﺄَﺧَﺬَﻫُﻢُ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﻭَﻫُﻢ ﻇٰﻠِﻤﻮﻥَ
[113] তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই
একজন রাসূল আগমন করেছিলেন। অনন্তর
ওরা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল। তখন
আযাব এসে তাদরকে পাকড়াও করল
এবং নিশ্চিতই ওরা ছিল পাপাচারী।
[113] And verily, there had come unto
them a Messenger (Muhammad SAW)
from among themselves, but they denied
him, so the torment overtook them while
they were Zâlimûn (polytheists and
wrong-doers).
[114] ﻓَﻜُﻠﻮﺍ ﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗَﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺣَﻠٰﻠًﺎ ﻃَﻴِّﺒًﺎ ﻭَﺍﺷﻜُﺮﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺖَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺇِﻳّﺎﻩُ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
[114] অতএব, আল্লাহ তোমাদেরকে
যেসব হালাল ও পবিত্র বস্তু দিয়েছেন,
তা তোমরা আহার কর এবং আল্লাহর
অনুগ্রহের জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর
যদি তোমরা তাঁরই এবাদতকারী হয়ে
থাক।
[114] So eat of the lawful and good food
which Allâh has provided for you. And
be grateful for the Favour of Allâh, if it
is He Whom you worship.
[115] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﻤَﻴﺘَﺔَ
ﻭَﺍﻟﺪَّﻡَ ﻭَﻟَﺤﻢَ ﺍﻟﺨِﻨﺰﻳﺮِ ﻭَﻣﺎ
ﺃُﻫِﻞَّ ﻟِﻐَﻴﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﻪِ ۖ ﻓَﻤَﻦِ
ﺍﺿﻄُﺮَّ ﻏَﻴﺮَ ﺑﺎﻍٍ ﻭَﻻ ﻋﺎﺩٍ ﻓَﺈِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[115] অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে
হারাম করেছেন রক্ত, শুকরের মাংস
এবং যা জবাই কালে আল্লাহ ছাড়া
অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে।
অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘন কারী না হয়ে
নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[115] He has forbidden you only Al-
Maitah (meat of a dead animal), blood,
the flesh of swine, and any animal which
is slaughtered as a sacrifice for others
than Allâh (or has been slaughtered for
idols or on which Allâh’s Name has not
been mentioned while slaughtering). But
if one is forced by necessity, without
wilful disobedience, and not
transgressing,- then, Allâh is Oft-
Forgiving, Most Merciful.
[116] ﻭَﻻ ﺗَﻘﻮﻟﻮﺍ ﻟِﻤﺎ ﺗَﺼِﻒُ
ﺃَﻟﺴِﻨَﺘُﻜُﻢُ ﺍﻟﻜَﺬِﺏَ ﻫٰﺬﺍ ﺣَﻠٰﻞٌ
ﻭَﻫٰﺬﺍ ﺣَﺮﺍﻡٌ ﻟِﺘَﻔﺘَﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﻜَﺬِﺏَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﻜَﺬِﺏَ ﻻ
ﻳُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[116] তোমাদের মুখ থেকে সাধারনতঃ
যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে তেমনি
করে তোমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা
অপবাদ আরোপ করে বল না যে, এটা
হালাল এবং ওটা হারাম। নিশ্চয় যারা
আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ করে,
তাদের মঙ্গল হবে না।
[116] And say not concerning that which
your tongues put forth falsely: “This is
lawful and this is forbidden,” so as to
invent lies against Allâh. Verily, those
who invent lies against Allâh will never
prosper.
[117] ﻣَﺘٰﻊٌ ﻗَﻠﻴﻞٌ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﺃَﻟﻴﻢٌ
[117] যৎসামান্য সুখ-সম্ভোগ ভোগ
করে নিক। তাদের জন্যে যন্ত্রনাদায়ক
শাস্তি রয়েছে।
[117] A passing brief enjoyment (will be
theirs), but they will have a painful
torment.
[118] ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫﺎﺩﻭﺍ
ﺣَﺮَّﻣﻨﺎ ﻣﺎ ﻗَﺼَﺼﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞُ ۖ ﻭَﻣﺎ ﻇَﻠَﻤﻨٰﻬُﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻦ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻳَﻈﻠِﻤﻮﻥَ
[118] ইহুদীদের জন্যে আমি তো কেবল
তাই হারাম করেছিলাম যা ইতিপূর্বে
আপনার নিকট উল্লেখ করেছি। আমি
তাদের প্রতি কোন জুলুম করিনি,
কিন্তু তারাই নিজেদের উপর জুলুম করত।
[118] And unto those who are Jews, We
have forbidden such things as We have
mentioned to you (O Muhammad SAW)
before [in Sûrat-Al-An’am, (The Cattle),
see Verse 6:146]. And We wronged them
not, but they used to wrong themselves.
[119] ﺛُﻢَّ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺴّﻮﺀَ ﺑِﺠَﻬٰﻠَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺗﺎﺑﻮﺍ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِ ﺫٰﻟِﻚَ ﻭَﺃَﺻﻠَﺤﻮﺍ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻫﺎ ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[119] অনন্তর যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ
কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং
নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার
পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে
অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু।
[119] Then, verily! Your Lord— for those
who do evil (commit sins and are
disobedient to Allâh) in ignorance and
afterward repent and do righteous deeds,
verily, your Lord thereafter, (to such) is
Oft-Forgiving, Most Merciful.
[120] ﺇِﻥَّ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻛﺎﻥَ ﺃُﻣَّﺔً
ﻗﺎﻧِﺘًﺎ ﻟِﻠَّﻪِ ﺣَﻨﻴﻔًﺎ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﻚُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[120] নিশ্চয় ইব্রাহীম ছিলেন এক
সম্প্রদায়ের প্রতীক, সবকিছু থেকে মুখ
ফিরিয়ে এক আল্লাহরই অনুগত এবং
তিনি শেরককারীদের অন্তর্ভুক্ত
ছিলেন না।
[120] Verily, Ibrâhim (Abraham) was an
Ummah (a leader having all the good
righteous qualities), or a nation, obedient
to Allâh, Hanif (i.e. to worship none but
Allâh), and he was not one of those who
were Al-Mushrikûn (polytheists,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh, and those who joined partners
with Allâh).
[121] ﺷﺎﻛِﺮًﺍ ﻟِﺄَﻧﻌُﻤِﻪِ ۚ ﺍﺟﺘَﺒﻯٰﻪُ
ﻭَﻫَﺪﻯٰﻪُ ﺇِﻟﻰٰ ﺻِﺮٰﻁٍ ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[121] তিনি তাঁর অনুগ্রহের প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী ছিলেন।
আল্লাহ তাঁকে মনোনীত করেছিলেন
এবং সরল পথে পরিচালিত করেছিলেন।
[121] (He was) thankful for His (Allâh’s)
Favours. He (Allâh) chose him (as an
intimate friend) and guided him to a
Straight Path (Islâmic Monotheism,
neither Judaism nor Christianity).
[122] ﻭَﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻪُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﺣَﺴَﻨَﺔً ۖ ﻭَﺇِﻧَّﻪُ ﻓِﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ
[122] আমি তাঁকে দুনিয়াতে দান
করেছি কল্যাণ এবং তিনি পরকালেও
সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভূক্ত।
[122] And We gave him good in this
world, and in the Hereafter he shall be
of the righteous.
[123] ﺛُﻢَّ ﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺃَﻥِ ﺍﺗَّﺒِﻊ
ﻣِﻠَّﺔَ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﺣَﻨﻴﻔًﺎ ۖ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[123] অতঃপর আপনার প্রতি প্রত্যাদেশ
প্রেরণ করেছি যে, ইব্রাহীমের দ্বীন
অনুসরণ করুন, যিনি একনিষ্ঠ ছিলেন
এবং শিরককারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন
না।
[123] Then, We have sent revelation to
you (O Muhammad SAW saying): “Follow
the religion of Ibrâhim (Abraham) Hanif
(Islâmic Monotheism – to worship none
but Allâh) and he was not of the
Mushrikûn (polytheists, idolaters,
disbelievers).
[124] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺟُﻌِﻞَ ﺍﻟﺴَّﺒﺖُ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺧﺘَﻠَﻔﻮﺍ ﻓﻴﻪِ ۚ ﻭَﺇِﻥَّ
ﺭَﺑَّﻚَ ﻟَﻴَﺤﻜُﻢُ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﻳَﻮﻡَ
ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻓﻴﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻓﻴﻪِ
ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ
[124] শনিবার দিন পালন যে, নির্ধারণ
করা হয়েছিল, তা তাদের জন্যেই যারা
এতে মতবিরোধ করেছিল। আপনার
পালনকর্তা কিয়ামতের দিন তাদের
মধ্যে ফয়সালা করবেন যে বিষয়ে
তারা মতবিরোধ করত।
[124] The Sabbath was only prescribed
for those who differed concerning it, and
verily, your Lord will judge between
them on the Day of Resurrection about
that wherein they used to differ
[125] ﺍﺩﻉُ ﺇِﻟﻰٰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺑِﺎﻟﺤِﻜﻤَﺔِ ﻭَﺍﻟﻤَﻮﻋِﻈَﺔِ ﺍﻟﺤَﺴَﻨَﺔِ ۖ
ﻭَﺟٰﺪِﻟﻬُﻢ ﺑِﺎﻟَّﺘﻰ ﻫِﻰَ ﺃَﺣﺴَﻦُ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻫُﻮَ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤَﻦ ﺿَﻞَّ
ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ۖ ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﺎﻟﻤُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[125] আপন পালনকর্তার পথের প্রতি
আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও
উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের
সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়।
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি
সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন,
যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে
এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে,
যারা সঠিক পথে আছে।
[125] Invite (mankind, O Muhammad
SAW) to the Way of your Lord (i.e.
Islâm) with wisdom (i.e. with the Divine
Revelation and the Qur’ân) and fair
preaching, and argue with them in a
way that is better. Truly, your Lord
knows best who has gone astray from
His Path, and He is the Best Aware of
those who are guided.
[126] ﻭَﺇِﻥ ﻋﺎﻗَﺒﺘُﻢ ﻓَﻌﺎﻗِﺒﻮﺍ
ﺑِﻤِﺜﻞِ ﻣﺎ ﻋﻮﻗِﺒﺘُﻢ ﺑِﻪِ ۖ ﻭَﻟَﺌِﻦ
ﺻَﺒَﺮﺗُﻢ ﻟَﻬُﻮَ ﺧَﻴﺮٌ ﻟِﻠﺼّٰﺒِﺮﻳﻦَ
[126] আর যদি তোমরা প্রতিশোধ
গ্রহণ কর, তবে ঐ পরিমাণ প্রতিশোধ
গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে
কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা
সবরকারীদের জন্যে উত্তম।
[126] And if you punish (your enemy, O
you believers in the Oneness of Allâh),
then punish them with the like of that
with which you were afflicted. But if you
endure patiently, verily, it is better for
As-Sâbirun (the patient).
[127] ﻭَﺍﺻﺒِﺮ ﻭَﻣﺎ ﺻَﺒﺮُﻙَ ﺇِﻟّﺎ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻻ ﺗَﺤﺰَﻥ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻻ
ﺗَﻚُ ﻓﻰ ﺿَﻴﻖٍ ﻣِﻤّﺎ ﻳَﻤﻜُﺮﻭﻥَ
[127] আপনি সবর করবেন। আপনার সবর
আল্লাহর জন্য ব্যতীত নয়, তাদের জন্যে
দুঃখ করবেন না এবং তাদের
চক্রান্তের কারণে মন ছোট করবেন
না।
[127] And endure you patiently (O
Muhammad SAW), your patience is not
but from Allâh. And grieve not over
them (polytheists and pagans), and be
not distressed because of what they plot.
[128] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻊَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮﺍ
ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫُﻢ ﻣُﺤﺴِﻨﻮﻥَ
[128] নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে
আছেন, যারা পরহেযগার এবং যারা
সৎকর্ম করে।
[128] Truly, Allâh is with those who fear
Him (keep their duty unto Him), and
those who are Muhsinûn (good-doers, –
see the footnote of V.9:120).
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel
Surah Al Nahl Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. আল্লাহর নির্দেশ এসে গেছে। অতএব এর জন্যে তাড়াহুড়া করো না। ওরা যেসব শরীক সাব্যস্ত করছে সেসব থেকে তিনি পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে। 2. তিনি স্বীয় নির্দেশে বান্দাদের মধ্যে যার কাছে ইচ্ছা, নির্দেশসহ ফেরেশতাদেরকে এই মর্মে নাযিল করেন যে, হুশিয়ার করে দাও, আমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই। অতএব আমাকে ভয় কর। 3. যিনি যথাবিধি আকাশরাজি ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন। তারা যাকে শরীক করে তিনি তার বহু উর্ধ্বে। 4. তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে। 5. চতুষ্পদ জন্তুকে তিনি সৃষ্টি করেছেন। এতে তোমাদের জন্যে শীত বস্ত্রের উপকরণ আছে। আর অনেক উপকার হয়েছে এবং কিছু সংখ্যককে তোমরা আহার্যেø পরিণত করে থাক। 6. এদের দ্বারা তোমাদের সম্মান হয়, যখন বিকালে চারণভূমি থেকে নিয়ে আস এবং সকালে চারণ ভূমিতে নিয়ে যাও। 7. এরা তোমাদের বোঝা এমন শহর পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়, যেখানে তোমরা প্রাণান্তকর পরিশ্রম ব্যতীত পৌছাতে পারতে না। নিশ্চয় তোমাদের প্রভু অত্যন্ত দয়াদ্র, পরম দয়ালু। 8. তোমাদের আরোহণের জন্যে এবং শোভার জন্যে তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি এমন জিনিস সৃষ্টি করেন যা তোমরা জান না। 9. সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন। 10. তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। এই পানি থেকে তোমরা পান কর এবং এ থেকেই উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যাতে তোমরা পশুচারণ কর। 11. এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে উৎপাদন করেন ফসল, যয়তুন, খেজুর, আঙ্গুর ও সর্বপ্রকার ফল। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। 12. তিনিই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করেছেন রাত্রি, দিন, সূর্য এবং চন্দ্রকে। তারকাসমূহ তাঁরই বিধানের কর্মে নিয়োজিত রয়েছে। নিশ্চয়ই এতে বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। 13. তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে যেসব রং- বেরঙের বস্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন, সেগুলোতে নিদর্শন রয়েছে তাদের জন্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে। 14. তিনিই কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন সমুদ্রকে, যাতে তা থেকে তোমরা তাজা মাংস খেতে পার এবং তা থেকে বের করতে পার পরিধেয় অলঙ্কার। তুমি তাতে জলযান সমূহকে পানি চিরে চলতে দেখবে এবং যাতে তোমরা আল্লাহর কৃপা অন্বেষণ কর এবং যাতে তার অনুগ্রহ স্বীকার কর। 15. এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা রেখেছেন যে, কখনো যেন তা তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন, যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও। 16. এবং তিনি পথ নির্ণয়ক বহু চিহ্ন সৃষ্টি করেছেন, এবং তারকা দ্বারা ও মানুষ পথের নির্দেশ পায়। 17. যিনি সৃষ্টি করে, তিনি কি সে লোকের সমতুল্য যে সৃষ্টি করতে পারে না? তোমরা কি চিন্তা করবে না? 18. যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। 19. আল্লাহ জানেন যা তোমরা গোপন কর এবং যা তোমরা প্রকাশ কর। 20. এবং যারা আল্লাহকে ছেড়ে অন্যদের ডাকে, ওরা তো কোন বস্তুই সৃষ্টি করে না; বরং ওরা নিজেরাই সৃজিত। 21. তারা মৃত-প্রাণহীন এবং কবে পুনরুত্থিত হবে, জানে না। 22. আমাদের ইলাহ একক ইলাহ। অনন্তর যারা পরজীবনে বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর সত্যবিমুখ এবং তারা অহংকার প্রদর্শন করেছে। 23. নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের গোপন ও প্রকাশ্য যাবতীয় বিষয়ে অবগত। নিশ্চিতই তিনি অহংকারীদের পছন্দ করেন না। 24. যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ পূর্ববর্তীদের কিসসা-কাহিনী। 25. ফলে কেয়ামতের দিন ওরা পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার এবং পাপভার তাদেরও যাদেরকে তারা তাদের অজ্ঞতাহেতু বিপথগামী করে শুনে নাও, খুবই নিকৃষ্ট বোঝা যা তারা বহন করে। 26. নিশ্চয় চক্রান্ত করেছে তাদের পূর্ববর্তীরা, অতঃপর আল্লাহ তাদের চক্রান্তের ইমারতের ভিত্তিমূলে আঘাত করেছিলেন। এরপর উপর থেকে তাদের মাথায় ছাদ ধ্বসে পড়ে গেছে এবং তাদের উপর আযাব এসেছে যেখান থেকে তাদের ধারণা ছিল না। 27. অতঃপর কেয়ামতের দিন তিনি তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন এবং বলবেনঃ আমার অংশীদাররা কোথায়, যাদের ব্যাপারে তোমরা খুব হঠকারিতা করতে? যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়েছিল তারা বলবেঃ নিশ্চয়ই আজকের দিনে লাঞ্ছনা ও দুর্গতি কাফেরদের জন্যে, 28. ফেরেশতারা তাদের জান এমতাঅবস্থায় কবজ করে যে, তারা নিজেদের উপর যুলুম করেছে। তখন তারা অনুগত্য প্রকাশ করবে যে, আমরা তো কোন মন্দ কাজ করতাম না। হঁ্যা নিশ্চয় আল্লাহ সববিষয় অবগত আছেন, যা তোমরা করতে। 29. অতএব, জাহান্নামের দরজসমূহে প্রবেশ কর, এতেই অনন্তকাল বাস কর। আর অহংকারীদের আবাসস্থল কতই নিকৃষ্ট। 30. পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি চমৎকার? 31. সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে, 32. ফেরেশতা যাদের জান কবজ করেন তাদের পবিত্র থাকা অবস্থায়। ফেরেশতারা বলেঃ তোমাদের প্রতি শাস্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যা করতে, তার প্রতিদানে জান্নাতে প্রবেশ কর। 33. কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল। 34. সুতরাং তাদের মন্দ কাজের শাস্তি তাদেরই মাথায় আপতিত হয়েছে এবং তারা যে ঠাট্টা বিদ্রুপ করত, তাই উল্টে তাদের উপর পড়েছে। 35. মুশরিকরা বললঃ যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে আমরা তাঁকে ছাড়া কারও এবাদত করতাম না এবং আমাদের পিতৃপুরুষেরাও করত না এবং তাঁর নির্দেশ ছাড়া কোন বস্তুই আমরা হারাম করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছে। রাসূলের দায়িত্ব তো শুধুমাত্র সুস্পষ্ট বাণী পৌছিয়ে দেয়া। 36. আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ হেদায়েত করেছেন এবং কিছু সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি হয়েছে। 37. আপনি তাদেরকে সুপথে আনতে আগ্রহী হলেও আল্লাহ যাকে বিপথগামী করেন তিনি তাকে পথ দেখান না এবং তাদের কোন সাহায্যকারী ও নেই। 38. তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে। কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না। 39. তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল। 40. আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে, হয়ে যাও,। সুতরাং তা হয়ে যায়। 41. যারা নির্যাতিত হওয়ার পর আল্লাহর জন্যে গৃহত্যাগ করেছে, আমি অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম আবাস দেব এবং পরকালের পুরস্কার তো সর্বাধিক; হায়! যদি তারা জানত। 42. যারা দৃঢ়পদ রয়েছে এবং তাদের পালনকর্তার উপর ভরসা করেছে। 43. আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে; 44. প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে নিêেদশাবলীও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি লোকদের সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা- ভাবনা করে। 45. যারা কুচক্র করে, তারা কি এ বিষয়ে ভয় করে না যে, আল্লাহ তাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন কিংবা তাদের কাছে এমন জায়গা থেকে আযাব আসবে যা তাদের ধারণাতীত। 46. কিংবা চলাফেরার মধ্যেই তাদেরকে পাকড়াও করবে, তারা তো তা ব্যর্থ করতে পারবে না। 47. কিংবা ভীতি প্রদর্শনের পর তাদেরকে পাকড়াও করবেন? তোমাদের পালনকর্তা তো অত্যন্ত নম্র, দয়ালু। 48. তারা কি আল্লাহর সৃজিত বস্তু দেখে না, যার ছায়া আল্লাহর প্রতি বিনীতভাবে সেজদাবনত থেকে ডান ও বাম দিকে ঝুঁকে পড়ে। 49. আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ; তারা অহংকার করে না। 50. তারা তাদের উপর পরাক্রমশালী তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং তারা যা আদেশ পায়, তা করে 51. আল্লাহ বললেনঃ তোমরা দুই উপাস্য গ্রহণ করো না উপাস্য তো মাত্র একজনই। অতএব আমাকেই ভয় কর। 52. যা কিছু নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আছে তা তাঁরই এবাদত করা শাশ্বত কর্তব্য। তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করবে? 53. তোমাদের কাছে যে সমস্ত নেয়ামত আছে, তা আল্লাহরই পক্ষ থেকে। অতঃপর তোমরা যখন দুঃখে-কষ্টে পতিত হও তখন তাঁরই নিকট কান্নাকাটি কর। 54. এরপর যখন আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দুরীভূত করে দেন, তখনই তোমাদের একদল স্বীয় পালনকর্তার সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করতে থাকে। 55. যাতে ঐ নেয়ামত অস্বীকার করে, যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। অতএব মজা ভোগ করে নাও- সত্বরই তোমরা জানতে পারবে। 56. তারা আমার দেয়া জীবনোপকরণ থেকে তাদের জন্যে একটি অংশ নির্ধারিত করে, যাদের কোন খবরই তারা রাখে না। আল্লাহর কসম, তোমরা যে অপবাদ আরোপ করছ, সে সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে। 57. তারা আল্লাহর জন্যে কন্যা সন্তান নির্ধারণ করে-তিনি পবিত্র মহিমান্বিত এবং নিজেদের জন্যে ওরা তাই স্থির করে যা ওরা চায়। 58. যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তারা মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। 59. তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে মাটির নীচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখ, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট। 60. যারা পরকাল বিশ্বাস করে না, তাদের উদাহরণ নিকৃষ্ট এবং আল্লাহর উদাহরণই মহান, তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। 61. যদি আল্লাহ লোকদেরকে তাদের অন্যায় কাজের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমান কোন কিছুকেই ছাড়তেন না। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি সময় পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন। অতঃপর নির্ধারিত সময়ে যখন তাদের মৃত্যু এসে যাবে, তখন এক মুহুর্তও বিলম্বিত কিংবা তরাম্বিত করতে পারবে না। 62. যা নিজেদের মন চায় না তারই তারা আল্লাহর জন্যে সাব্যস্ত করে এবং তাদের জিহবা মিথ্যা বর্ণনা করে যে, তাদের জন্যে রয়েছে কল্যাণ। স্বতঃসিদ্ধ কথা যে, তাদের জন্যে রয়েছে আগুন এবং তাদেরকেই সর্বাগ্রে নিক্ষেপ করা হবে। 63. আল্লাহর কসম, আমি আপনার পূর্বে বিভিন্ন সম্প্রদায়ে রাসূল প্রেরণ করেছি, অতঃপর শয়তান তাদেরকে কর্ম সমূহ শোভনীয় করে দেখিয়েছে। আজ সেই তাদের অভিভাবক এবং তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। 64. আমি আপনার প্রতি এ জন্যেই গ্রন্থ নাযিল করেছি, যাতে আপনি সরল পথ প্রদর্শনের জন্যে তাদের কে পরিষ্কার বর্ণনা করে দেন, যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করছে এবং ঈমানদারকে ক্ষমা করার জন্যে। 65. আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, তদ্বারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেছেন। নিশ্চয় এতে তাদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে, যারা শ্রবণ করে। 66. তোমাদের জন্যে চতুস্পদ জন্তুদের মধ্যে চিন্তা করার অবকাশ রয়েছে। আমি তোমাদেরকে পান করাই তাদের উদরস্থিত বস্তুসমুহের মধ্যে থেকে গোবর ও রক্ত নিঃসৃত দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্যে উপাদেয়। 67. এবং খেজুর বৃক্ষ ও আঙ্গুর ফল থেকে তোমরা মধ্য ও উত্তম খাদ্য তৈরী করে থাক, এতে অবশ্যই বোধশক্তি সম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। 68. আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর, 69. এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। 70. আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এরপর তোমাদের মৃত্যুদান করেন। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ পৌছে যায় জরাগ্রস্ত অকর্মন্য বয়সে, ফলে যা কিছু তারা জানত সে সম্পর্কে তারা সজ্ঞান থাকবে না। নিশ্চয় আল্লাহ সু-বিজ্ঞ সর্বশক্তিমান। 71. আল্লাহ তা’আলা জীবনোপকরণে তোমাদের একজনকে অন্যজনের চাইতে শ্রেষ্টত্ব দিয়েছেন। অতএব যাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে, তারা তাদের অধীনস্থ দাস- দাসীদেরকে স্বীয় জীবিকা থেকে এমন কিছু দেয় না, যাতে তারা এ বিষয়ে তাদের সমান হয়ে যাবে। তবে কি তারা আল্লাহর নেয়ামত অস্বীকার করে। 72. আল্লাহ তোমাদের জন্যে তোমাদেরই শ্রেণী থেকে জোড়া পয়দা করেছেন এবং তোমাদের যুগল থেকে তোমাদেরকে পুত্র ও পৌত্রাদি দিয়েছেন এবং তোমাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ দান করেছেন। অতএব তারা কি মিথ্যা বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করে? 73. তারা আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্তুর ইবাদত করে, যে তাদের জন্যে ভুমন্ডল ও নভোমন্ডল থেকে সামান্য রুযী দেওয়ার ও অধিকার রাখে না এবং মুক্তি ও রাখে না। 74. অতএব, আল্লাহর কোন সদৃশ সাব্যস্ত করো না, নিশ্চয় আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না। 75. আল্লাহ একটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন, অপরের মালিকানাধীন গোলামের যে, কোন কিছুর উপর শক্তি রাখে না এবং এমন একজন যাকে আমি নিজের পক্ষ থেকে চমৎকার রুযী দিয়েছি। অতএব, সে তা থেকে ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে উভয়ে কি সমান হয়? সব প্রশংসা আল্লাহর, কিন্তু অনেক মানুষ জানে না। 76. আল্লাহ আরেকটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন, দু’ব্যক্তির, একজন বোবা কোন কাজ করতে পারে না। সে মালিকের উপর বোঝা। যেদিকে তাকে পাঠায়, কোন সঠিক কাজ করে আসে না। সে কি সমান হবে ঐ ব্যক্তির, যে ন্যায় বিচারের আদেশ করে এবং সরল পথে কায়েম রয়েছে। 77. নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের গোপন রহস্য আল্লাহর কাছেই রয়েছে। কিয়ামতের ব্যাপারটি তো এমন, যেমন চোখের পলক অথবা তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান। 78. আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের মায়ের গর্ভ থেকে বের করেছেন। তোমরা কিছুই জানতে না। তিনি তোমাদেরকে কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর দিয়েছেন, যাতে তোমরা অনুগ্রহ স্বীকার কর। 79. তারা কি উড়ন্ত পাখীকে দেখে না? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে আজ্ঞাধীন রয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে আগলে রাখে না। নিশ্চয় এতে বিশ্বাসীদের জন্যে নিদর্শনবলী রয়েছে। 80. আল্লাহ করে দিয়েছেন তোমাদের গৃহকে অবস্থানের জায়গা এবং চতুস্পদ জন্তুর চামড়া দ্বারা করেছেন তোমার জন্যে তাঁবুর ব্যবস্থা। তোমরা এগুলোকে সফরকালে ও অবস্থান কালে পাও। ভেড়ার পশম, উটের বাবরি চুল ও ছাগলের লোম দ্বারা কত আসবাবপত্র ও ব্যবহারের সামগ্রী তৈরী করেছেন এক নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। 81. আল্লাহ তোমাদের জন্যে সৃজিত বস্তু দ্বারা ছায়া করে দিয়েছেন এবং পাহাড় সমূহে তোমাদের জন্যে আত্ন গোপনের জায়গা করেছেন এবং তোমাদের জন্যে পোশাক তৈরী করে দিয়েছেন, যা তোমাদেরকে গ্রীষ্ম এবং বিপদের সময় রক্ষা করে। এমনিভাবে তিনি তোমাদের প্রতি স্বীয় অনুগ্রহের পূর্ণতা দান করেন, যাতে তোমরা আত্নসমর্পণ কর। 82. অতঃপর যদি তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে, তবে আপনার কাজ হল সুস্পষ্ট ভাবে পৌছে দেয়া মাত্র। 83. তারা আল্লাহর অনুগ্রহ চিনে, এরপর অস্বীকার করে এবং তাদের অধিকাংশই অকৃতজ্ঞ। 84. যেদিন আমি প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব, তখন কাফেরদেরকে অনুমতি দেয়া হবে না এবং তাদের তওবা ও গ্রহণ করা হবে না। 85. যখন জালেমরা আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন তাদের থেকে তা লঘু করা হবে না এবং তাদেরকে কোন অবকাশ দেয়া হবে না। 86. মুশরিকরা যখন ঐ সব বস্তুকে দেখবে, যেসবকে তারা আল্লাহর সাথে শরীক সাব্যস্ত করেছিল, তখন বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা এরাই তারা যারা আমাদের শেরেকীর উপাদান, তোমাকে ছেড়ে আমরা যাদেরকে ডাকতাম। তখন ওরা তাদেরকে বলবেঃ তোমরা মিথ্যাবাদী। 87. সেদিন তারা আল্লাহর সামনে আত্নসমর্পন করবে এবং তারা যে মিথ্যা অপবাদ দিত তা বিস্মৃত হবে। 88. যারা কাফের হয়েছে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করেছে, আমি তাদেরকে আযাবের পর আযাব বাড়িয়ে দেব। কারণ, তারা অশান্তি সৃষ্টি করত। 89. সেদিন প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে আমি একজন বর্ণনাকারী দাঁড় করাব তাদের বিপক্ষে তাদের মধ্য থেকেই এবং তাদের বিষয়ে আপনাকে সাক্ষী স্বরূপ উপস্থাপন করব। আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ। 90. আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়- স্বজনকে দান করার আদেশ দেন এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। 91. আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করার পর সে অঙ্গীকার পূর্ণ কর এবং পাকাপাকি কসম করার পর তা ভঙ্গ করো না, অথচ তোমরা আল্লাহকে জামিন করেছ। তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন। 92. তোমরা ঐ মহিলার মত হয়ো না, যে পরিশ্রমের পর কাটা সূতা টুকরো টুকরো করে ছিড়ে ফেলে, তোমরা নিজেদের কসমসমূহকে পারস্পরিক প্রবঞ্চনার বাহানা রূপে গ্রহণ কর এজন্যে যে, অন্য দল অপেক্ষা এক দল অধিক ক্ষমতাবান হয়ে যায়। এতদ্বারা তো আল্লাহ শুধু তোমাদের পরীক্ষা করেন। আল্লাহ অবশ্যই কিয়ামতের দিন প্রকাশ করে দেবেন, যে বিষয়ে তোমরা কলহ করতে। 93. আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে এক জাতি করে দিতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করেন এবং যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। তোমরা যা কর সে বিষয়ে অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে। 94. তোমরা স্বীয় কসমসমূহকে পারস্পরিক কলহ দ্বন্দ্বের বাহানা করো না। তা হলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে এ কারণে যে, তোমরা আমার পথে বাধা দান করেছ এবং তোমাদের কঠোর শাস্তি হবে। 95. তোমরা আল্লাহর অঙ্গীকারের বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে যা আছে, তা উত্তম তোমাদের জন্যে, যদি তোমরা জ্ঞানী হও। 96. তোমাদের কাছে যা আছে নিঃশেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহর কাছে যা আছে, কখনও তা শেষ হবে না। যারা সবর করে, আমি তাদেরকে প্রাপ্য প্রতিদান দেব তাদের উত্তম কর্মের প্রতিদান স্বরূপ যা তারা করত। 97. যে সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং সে ঈমাণদার, পুরুষ হোক কিংবা নারী আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব এবং প্রতিদানে তাদেরকে তাদের উত্তম কাজের কারণে প্রাপ্য পুরষ্কার দেব যা তারা করত। 98. অতএব, যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন তখন বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ করুন। 99. তার আধিপত্য চলে না তাদের উপর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং আপন পালন কর্তার উপর ভরসা রাখে। 100. তার আধিপত্য তো তাদের উপরই চলে, যারা তাকে বন্ধু মনে করে এবং যারা তাকে অংশীদার মানে। 101. এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না। 102. বলুন, একে পবিত্র ফেরেশতা পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিশ্চিত সত্যসহ নাযিল করেছেন, যাতে মুমিনদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এটা মুসলমানদের জন্যে পথ নির্দেশ ও সু-সংবাদ স্বরূপ। 103. আমি তো ভালভাবেই জানি যে, তারা বলেঃ তাকে জনৈক ব্যক্তি শিক্ষা দেয়। যার দিকে তারা ইঙ্গিত করে, তার ভাষা তো আরবী নয় এবং এ কোরআন পরিষ্কার আরবী ভাষায়। 104. যারা আল্লাহর কথায় বিশ্বাস করে না, তাদেরকে আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেন না এবং তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। 105. মিথ্যা কেবল তারা রচনা করে, যারা আল্লাহর নিদর্শনে বিশ্বাস করে না এবং তারাই মিথ্যাবাদী। 106. যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরীর জন্য মন উম্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে শাস্তি। 107. এটা এ জন্যে যে, তারা পার্থিব জীবনকে পরকালের চাইতে প্রিয় মনে করেছে এবং আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। 108. এরাই তারা, আল্লাহ তা’য়ালা এদেরই অন্তর, কর্ণ ও চক্ষুর উপর মোহর মেরে দিয়েছেন এবং এরাই কান্ড জ্ঞানহীন। 109. বলাবাহুল্য পরকালে এরাই ক্ষতি গ্রস্ত হবে। 110. যারা দুঃখ-কষ্ট ভোগের পর দেশত্যাগী হয়েছে অতঃপর জেহাদ করেছে, নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা এসব বিষয়ের পরে অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 111. যেদিন প্রত্যেক ব্যক্তি আত্ন-সমর্থনে সওয়াল জওয়াব করতে করতে আসবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাদের কৃতকর্মের পূর্ণ ফল পাবে এবং তাদের উপর জুলুম করা হবে না। 112. আল্লাহ দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন একটি জনপদের, যা ছিল নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত, তথায় প্রত্যেক জায়গা থেকে আসত প্রচুর জীবনোপকরণ। অতঃপর তারা আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। তখন আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্মের কারণে স্বাদ আস্বাদন করালেন, ক্ষুধা ও ভীতির। 113. তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই একজন রাসূল আগমন করেছিলেন। অনন্তর ওরা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল। তখন আযাব এসে তাদরকে পাকড়াও করল এবং নিশ্চিতই ওরা ছিল পাপাচারী। 114. অতএব, আল্লাহ তোমাদেরকে যেসব হালাল ও পবিত্র বস্তু দিয়েছেন, তা তোমরা আহার কর এবং আল্লাহর অনুগ্রহের জন্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর যদি তোমরা তাঁরই এবাদতকারী হয়ে থাক। 115. অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন রক্ত, শুকরের মাংস এবং যা জবাই কালে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে। অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘন কারী না হয়ে নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 116. তোমাদের মুখ থেকে সাধারনতঃ যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে তেমনি করে তোমরা আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে বল না যে, এটা হালাল এবং ওটা হারাম। নিশ্চয় যারা আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ করে, তাদের মঙ্গল হবে না। 117. যৎসামান্য সুখ-সম্ভোগ ভোগ করে নিক। তাদের জন্যে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। 118. ইহুদীদের জন্যে আমি তো কেবল তাই হারাম করেছিলাম যা ইতিপূর্বে আপনার নিকট উল্লেখ করেছি। আমি তাদের প্রতি কোন জুলুম করিনি, কিন্তু তারাই নিজেদের উপর জুলুম করত। 119. অনন্তর যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু। 120. নিশ্চয় ইব্রাহীম ছিলেন এক সম্প্রদায়ের প্রতীক, সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে এক আল্লাহরই অনুগত এবং তিনি শেরককারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। 121. তিনি তাঁর অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী ছিলেন। আল্লাহ তাঁকে মনোনীত করেছিলেন এবং সরল পথে পরিচালিত করেছিলেন। 122. আমি তাঁকে দুনিয়াতে দান করেছি কল্যাণ এবং তিনি পরকালেও সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভূক্ত। 123. অতঃপর আপনার প্রতি প্রত্যাদেশ প্রেরণ করেছি যে, ইব্রাহীমের দ্বীন অনুসরণ করুন, যিনি একনিষ্ঠ ছিলেন এবং শিরককারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলেন না। 124. শনিবার দিন পালন যে, নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা তাদের জন্যেই যারা এতে মতবিরোধ করেছিল। আপনার পালনকর্তা কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত। 125. আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। 126. আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঐ পরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা সবরকারীদের জন্যে উত্তম। 127. আপনি সবর করবেন। আপনার সবর আল্লাহর জন্য ব্যতীত নয়, তাদের জন্যে দুঃখ করবেন না এবং তাদের চক্রান্তের কারণে মন ছোট করবেন না। 128. নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন, যারা পরহেযগার এবং যারা সৎকর্ম করে। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s