16. সুরা আল নাহল (01-128)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺃَﺗﻰٰ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻼ
ﺗَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻩُ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻭَﺗَﻌٰﻠﻰٰ
ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[1] আল্লাহর নির্দেশ এসে গেছে।
অতএব এর জন্যে তাড়াহুড়া করো না।
ওরা যেসব শরীক সাব্যস্ত করছে সেসব
থেকে তিনি পবিত্র ও বহু উর্ধ্বে।
[1] The Event (the Hour or the
punishment of disbelievers and
polytheists or the Islâmic laws or
commandments), ordained by Allâh will
come to pass, so seek not to hasten it.
Glorified and Exalted be He above all
that they associate as partners with Him.
[2] ﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔَ ﺑِﺎﻟﺮّﻭﺡِ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِﻩِ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ
ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ﺃَﻥ ﺃَﻧﺬِﺭﻭﺍ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ
ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﻓَﺎﺗَّﻘﻮﻥِ
[2] তিনি স্বীয় নির্দেশে বান্দাদের
মধ্যে যার কাছে ইচ্ছা, নির্দেশসহ
ফেরেশতাদেরকে এই মর্মে নাযিল
করেন যে, হুশিয়ার করে দাও, আমি
ছাড়া কোন উপাস্য নেই। অতএব
আমাকে ভয় কর।
[2] He sends down the angels with Ruh
(revelation) of His Command to whom of
His slaves He wills (saying): “Warn
mankind that Lâ ilâha illa Ana (none has
the right to be worshipped but I), so fear
Me (by abstaining from sins and evil
deeds).
[3] ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ ﺗَﻌٰﻠﻰٰ ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[3] যিনি যথাবিধি আকাশরাজি ও ভূ-
মন্ডল সৃষ্টি করেছেন। তারা যাকে
শরীক করে তিনি তার বহু উর্ধ্বে।
[3] He has created the heavens and the
earth with truth. High is He Exalted
above all they associate as partners with
Him.
[4] ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﻣِﻦ ﻧُﻄﻔَﺔٍ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﻫُﻮَ ﺧَﺼﻴﻢٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[4] তিনি মানবকে এক ফোটা বীর্য
থেকে সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্বেও সে
প্রকাশ্য বিতন্ডাকারী হয়ে গেছে।
[4] He has created man from Nutfah
(mixed drops of male and female sexual
discharge), then behold, this same (man)
becomes an open opponent.
[5] ﻭَﺍﻷَﻧﻌٰﻢَ ﺧَﻠَﻘَﻬﺎ ۗ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﺩِﻑﺀٌ ﻭَﻣَﻨٰﻔِﻊُ ﻭَﻣِﻨﻬﺎ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻥَ
[5] চতুষ্পদ জন্তুকে তিনি সৃষ্টি
করেছেন। এতে তোমাদের জন্যে শীত
বস্ত্রের উপকরণ আছে। আর অনেক
উপকার হয়েছে এবং কিছু সংখ্যককে
তোমরা আহার্যেø পরিণত করে থাক।
[5] And the cattle, He has created them
for you; in them there is warmth (warm
clothing), and numerous benefits, and of
them you eat.
[6] ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺟَﻤﺎﻝٌ ﺣﻴﻦَ
ﺗُﺮﻳﺤﻮﻥَ ﻭَﺣﻴﻦَ ﺗَﺴﺮَﺣﻮﻥَ
[6] এদের দ্বারা তোমাদের সম্মান হয়,
যখন বিকালে চারণভূমি থেকে নিয়ে
আস এবং সকালে চারণ ভূমিতে নিয়ে
যাও।
[6] And wherein is beauty for you, when
you bring them home in the evening,
and as you lead them forth to pasture in
the morning.
[7] ﻭَﺗَﺤﻤِﻞُ ﺃَﺛﻘﺎﻟَﻜُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻠَﺪٍ
ﻟَﻢ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺑٰﻠِﻐﻴﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺸِﻖِّ
ﺍﻷَﻧﻔُﺲِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ﻟَﺮَﺀﻭﻑٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[7] এরা তোমাদের বোঝা এমন শহর
পর্যন্ত বহন করে নিয়ে যায়, যেখানে
তোমরা প্রাণান্তকর পরিশ্রÛম ব্যতীত
পৌছাতে পারতে না। নিশ্চয়
তোমাদের প্রভু অত্যন্ত দয়াদ্র, পরম
দয়ালু।
[7] And they carry your loads to a land
that you could not reach except with
great trouble to yourselves. Truly, your
Lord is full of Kindness, Most Merciful.
[8] ﻭَﺍﻟﺨَﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﺒِﻐﺎﻝَ ﻭَﺍﻟﺤَﻤﻴﺮَ
ﻟِﺘَﺮﻛَﺒﻮﻫﺎ ﻭَﺯﻳﻨَﺔً ۚ ﻭَﻳَﺨﻠُﻖُ ﻣﺎ
ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[8] তোমাদের আরোহণের জন্যে এবং
শোভার জন্যে তিনি ঘোড়া, খচ্চর ও
গাধা সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি এমন
জিনিস সৃষ্টি করেন যা তোমরা জান
না।
[8] And (He has created) horses, mules
and donkeys, for you to ride and as an
adornment. And He creates (other)
things of which you have no knowledge.
[9] ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻗَﺼﺪُ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ
ﻭَﻣِﻨﻬﺎ ﺟﺎﺋِﺮٌ ۚ ﻭَﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ
ﻟَﻬَﺪﻯٰﻜُﻢ ﺃَﺟﻤَﻌﻴﻦَ
[9] সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে
এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও
রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের
সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে
পারতেন।
[9] And upon Allâh is the responsibility
to explain the Straight Path , But there
are ways that turn aside (such as
Paganism, Judaism, Christianity,). And
had He willed, He would have guided you
all (mankind).
[10] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً ۖ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻨﻪُ ﺷَﺮﺍﺏٌ
ﻭَﻣِﻨﻪُ ﺷَﺠَﺮٌ ﻓﻴﻪِ ﺗُﺴﻴﻤﻮﻥَ
[10] তিনি তোমাদের জন্যে আকাশ
থেকে পানি বর্ষণ করেছেন। এই পানি
থেকে তোমরা পান কর এবং এ থেকেই
উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যাতে তোমরা
পশুচারণ কর।
[10] He it is Who sends down water
(rain) from the sky; from it you drink
and from it (grows) the vegetation on
which you send your cattle to pasture;
[11] ﻳُﻨﺒِﺖُ ﻟَﻜُﻢ ﺑِﻪِ ﺍﻟﺰَّﺭﻉَ
ﻭَﺍﻟﺰَّﻳﺘﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﻨَّﺨﻴﻞَ
ﻭَﺍﻷَﻋﻨٰﺐَ ﻭَﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ ۗ
ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[11] এ পানি দ্বারা তোমাদের জন্যে
উৎপাদন করেন ফসল, যয়তুন, খেজুর,
আঙ্গুর ও সর্বপ্রকার ফল। নিশ্চয় এতে
চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।
[11] With it He causes to grow for you
the crops, the olives, the date-palms, the
grapes, and every kind of fruit. Verily!
In this is indeed an evident proof and a
manifest sign for people who give
thought.
[12] ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ
ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ۖ ﻭَﺍﻟﻨُّﺠﻮﻡُ
ﻣُﺴَﺨَّﺮٰﺕٌ ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[12] তিনিই তোমাদের কাজে
নিয়োজিত করেছেন রাত্রি, দিন, সূর্য
এবং চন্দ্রকে। তারকাসমূহ তাঁরই
বিধানের কর্মে নিয়োজিত রয়েছে।
নিশ্চয়ই এতে বোধশক্তিসম্পন্নদের
জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[12] And He has subjected to you the
night and the day, the sun and the
moon; and the stars are subjected by His
Command. Surely, in this are proofs for
people who understand.
[13] ﻭَﻣﺎ ﺫَﺭَﺃَ ﻟَﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣُﺨﺘَﻠِﻔًﺎ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻪُ ۗ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳَﺬَّﻛَّﺮﻭﻥَ
[13] তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে যেসব
রং-বেরঙের বস্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন,
সেগুলোতে নিদর্শন রয়েছে তাদের
জন্যে যারা চিন্তা-ভাবনা করে।
[13] And whatsoever He has created for
you on the earth of varying colours [and
qualities from vegetation and fruits
(botanical life) and from animals
(zoological life)]. Verily! In this is a sign
for people who remember.
[14] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺒَﺤﺮَ
ﻟِﺘَﺄﻛُﻠﻮﺍ ﻣِﻨﻪُ ﻟَﺤﻤًﺎ ﻃَﺮِﻳًّﺎ
ﻭَﺗَﺴﺘَﺨﺮِﺟﻮﺍ ﻣِﻨﻪُ ﺣِﻠﻴَﺔً
ﺗَﻠﺒَﺴﻮﻧَﻬﺎ ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ
ﻣَﻮﺍﺧِﺮَ ﻓﻴﻪِ ﻭَﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[14] তিনিই কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন
সমুদ্রকে, যাতে তা থেকে তোমরা
তাজা মাংস খেতে পার এবং তা
থেকে বের করতে পার পরিধেয়
অলঙ্কার। তুমি তাতে জলযান সমূহকে
পানি চিরে চলতে দেখবে এবং যাতে
তোমরা আল্লাহর কৃপা অন্বেষণ কর
এবং যাতে তার অনুগ্রহ স্বীকার কর।
[14] And He it is Who has subjected the
sea (to you), that you eat thereof fresh
tender meat (i.e. fish), and that you bring
forth out of it ornaments to wear. And
you see the ships ploughing through it,
that you may seek (thus) of His Bounty
(by transporting the goods from place to
place) and that you may be grateful.
[15] ﻭَﺃَﻟﻘﻰٰ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺭَﻭٰﺳِﻰَ ﺃَﻥ ﺗَﻤﻴﺪَ ﺑِﻜُﻢ ﻭَﺃَﻧﻬٰﺮًﺍ
ﻭَﺳُﺒُﻠًﺎ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[15] এবং তিনি পৃথিবীর উপর বোঝা
রেখেছেন যে, কখনো যেন তা
তোমাদেরকে নিয়ে হেলে-দুলে না
পড়ে এবং নদী ও পথ তৈরী করেছেন,
যাতে তোমরা পথ প্রদর্শিত হও।
[15] And He has affixed into the earth
mountains standing firm, lest it should
shake with you, and rivers and roads,
that you may guide yourselves.
[16] ﻭَﻋَﻠٰﻤٰﺖٍ ۚ ﻭَﺑِﺎﻟﻨَّﺠﻢِ ﻫُﻢ
ﻳَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[16] এবং তিনি পথ নির্ণয়ক বহু চিহ্ন
সৃষ্টি করেছেন, এবং তারকা দ্বারা ও
মানুষ পথের নির্দেশ পায়।
[16] And landmarks (signposts, during
the day) and by the stars (during the
night), they (mankind) guide themselves.
[17] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﺨﻠُﻖُ ﻛَﻤَﻦ ﻻ
ﻳَﺨﻠُﻖُ ۗ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[17] যিনি সৃষ্টি করে, তিনি কি সে
লোকের সমতুল্য যে সৃষ্টি করতে পারে
না? তোমরা কি চিন্তা করবে না?
[17] Is then He, Who creates as one who
creates not? Will you not then
remember?
[18] ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻌُﺪّﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ
ﺗُﺤﺼﻮﻫﺎ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[18] যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর,
শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় আল্লাহ
ক্ষমাশীল, দয়ালু।
[18] And if you would count the favours
of Allâh, never could you be able to
count them. Truly! Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[19] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗُﺴِﺮّﻭﻥَ
ﻭَﻣﺎ ﺗُﻌﻠِﻨﻮﻥَ
[19] আল্লাহ জানেন যা তোমরা
গোপন কর এবং যা তোমরা প্রকাশ
কর।
[19] And Allâh knows what you conceal
and what you reveal.
[20] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻻ ﻳَﺨﻠُﻘﻮﻥَ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻫُﻢ
ﻳُﺨﻠَﻘﻮﻥَ
[20] এবং যারা আল্লাহকে ছেড়ে
অন্যদের ডাকে, ওরা তো কোন বস্তুই
সৃষ্টি করে না; বরং ওরা নিজেরাই
সৃজিত।
[20] Those whom they (Al-Mushrikûn)
invoke besides Allâh have not created
anything, but are themselves created.
[21] ﺃَﻣﻮٰﺕٌ ﻏَﻴﺮُ ﺃَﺣﻴﺎﺀٍ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ ﺃَﻳّﺎﻥَ ﻳُﺒﻌَﺜﻮﻥَ
[21] তারা মৃত-প্রাণহীন এবং কবে
পুনরুত্থিত হবে, জানে না।
[21] (They are) dead, not alive, and they
know not when they will be raised up.
[22] ﺇِﻟٰﻬُﻜُﻢ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻭٰﺣِﺪٌ ۚ ﻓَﺎﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﻣُﻨﻜِﺮَﺓٌ ﻭَﻫُﻢ
ﻣُﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ
[22] আমাদের ইলাহ একক ইলাহ। অনন্তর
যারা পরজীবনে বিশ্বাস করে না,
তাদের অন্তর সত্যবিমুখ এবং তারা
অহংকার প্রদর্শন করেছে।
[22] Your Ilâh (God) is One Ilâh (God —
Allâh, none has the right to be
worshipped but He). But for those who
believe not in the Hereafter, their hearts
deny (the faith in the Oneness of Allâh),
and they are proud.
[23] ﻻ ﺟَﺮَﻡَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ
ﻳُﺴِﺮّﻭﻥَ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌﻠِﻨﻮﻥَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ
ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﺴﺘَﻜﺒِﺮﻳﻦَ
[23] নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাদের
গোপন ও প্রকাশ্য যাবতীয় বিষয়ে
অবগত। নিশ্চিতই তিনি অহংকারীদের
পছন্দ করেন না।
[23] Certainly, Allâh knows what they
conceal and what they reveal. Truly, He
likes not the proud.
[24] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﻧﺰَﻝَ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ۙ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺳٰﻄﻴﺮُ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ
[24] যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ
তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল
করেছেন? তারা বলেঃ পূর্ববর্তীদের
কিসসা-কাহিনী।
[24] And when it is said to them: “What
is it that your Lord has sent down (unto
Muhammad SAW)?” They say: “Tales of
the men of old!”
[25] ﻟِﻴَﺤﻤِﻠﻮﺍ ﺃَﻭﺯﺍﺭَﻫُﻢ ﻛﺎﻣِﻠَﺔً
ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۙ ﻭَﻣِﻦ ﺃَﻭﺯﺍﺭِ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﻀِﻠّﻮﻧَﻬُﻢ ﺑِﻐَﻴﺮِ ﻋِﻠﻢٍ ۗ
ﺃَﻻ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ ﻳَﺰِﺭﻭﻥَ
[25] ফলে কেয়ামতের দিন ওরা
পূর্ণমাত্রায় বহন করবে ওদের পাপভার
এবং পাপভার তাদেরও যাদেরকে
তারা তাদের অজ্ঞতাহেতু বিপথগামী
করে শুনে নাও, খুবই নিকৃষ্ট বোঝা যা
তারা বহন করে।
[25] They may bear their own burdens
in full on the Day of Resurrection, and
also of the burdens of those whom they
misled without knowledge. Evil indeed is
that which they shall bear!
[26] ﻗَﺪ ﻣَﻜَﺮَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ
ﻓَﺄَﺗَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑُﻨﻴٰﻨَﻬُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘَﻮﺍﻋِﺪِ ﻓَﺨَﺮَّ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﺴَّﻘﻒُ
ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻭَﺃَﺗﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ
ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[26] নিশ্চয় চক্রান্ত করেছে তাদের
পূর্ববর্তীরা, অতঃপর আল্লাহ তাদের
চক্রান্তের ইমারতের ভিত্তিমূলে
আঘাত করেছিলেন। এরপর উপর থেকে
তাদের মাথায় ছাদ ধ্বসে পড়ে গেছে
এবং তাদের উপর আযাব এসেছে যেখান
থেকে তাদের ধারণা ছিল না।
[26] Those before them indeed plotted,
but Allâh struck at the foundation of
their building, and then the roof fell
down upon them, from above them, and
the torment overtook them from
directions they did not perceive.
[27] ﺛُﻢَّ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻳُﺨﺰﻳﻬِﻢ
ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ ﺃَﻳﻦَ ﺷُﺮَﻛﺎﺀِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗُﺸٰﻘّﻮﻥَ ﻓﻴﻬِﻢ ۚ ﻗﺎﻝَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻌِﻠﻢَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺨِﺰﻯَ
ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﻭَﺍﻟﺴّﻮﺀَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[27] অতঃপর কেয়ামতের দিন তিনি
তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন এবং
বলবেনঃ আমার অংশীদাররা কোথায়,
যাদের ব্যাপারে তোমরা খুব
হঠকারিতা করতে ? যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত
হয়েছিল তারা বলবেঃ নিশ্চয়ই
আজকের দিনে লাঞ্ছনা ও দুর্গতি
কাফেরদের জন্যে,
[27] Then, on the Day of Resurrection,
He will disgrace them and will say:
“Where are My (so called) ‘partners’
concerning whom you used to disagree
and dispute (with the believers, by
defying and disobeying Allâh)?” Those
who have been given the knowledge
(about the Torment of Allâh for the
disbelievers) will say: “Verily! Disgrace
this Day and misery this Day are upon
the disbelievers.
[28] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ
ﻇﺎﻟِﻤﻰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۖ ﻓَﺄَﻟﻘَﻮُﺍ
ﺍﻟﺴَّﻠَﻢَ ﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﻌﻤَﻞُ ﻣِﻦ ﺳﻮﺀٍ ۚ
ﺑَﻠﻰٰ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[28] ফেরেশতারা তাদের জান
এমতাঅবস্থায় কবজ করে যে, তারা
নিজেদের উপর যুলুম করেছে। তখন তারা
অনুগত্য প্রকাশ করবে যে, আমরা তো
কোন মন্দ কাজ করতাম না। হঁ্যা নিশ্চয়
আল্লাহ সববিষয় অবগত আছেন, যা
তোমরা করতে।
[28] “Those whose lives the angels take
while they are doing wrong to
themselves (by disbelief and by
associating partners in worship with
Allâh and by committing all kinds of
crimes and evil deeds).” Then, they will
make (false) submission (saying): “We
used not to do any evil.” (The angels will
reply): “Yes! Truly, Allâh is All-Knower of
what you used to do.
[29] ﻓَﺎﺩﺧُﻠﻮﺍ ﺃَﺑﻮٰﺏَ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ۖ ﻓَﻠَﺒِﺌﺲَ ﻣَﺜﻮَﻯ
ﺍﻟﻤُﺘَﻜَﺒِّﺮﻳﻦَ
[29] অতএব, জাহান্নামের দরজসমূহে
প্রবেশ কর, এতেই অনন্তকাল বাস কর।
আর অহংকারীদের আবাসস্থল কতই
নিকৃষ্ট।
[29] “So enter the gates of Hell, to abide
therein, and indeed, what an evil abode
will be for the arrogant.”
[30] ۞ ﻭَﻗﻴﻞَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮﺍ
ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ۚ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺧَﻴﺮًﺍ ۗ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺣﺴَﻨﻮﺍ ﻓﻰ ﻫٰﺬِﻩِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ۚ ﻭَﻟَﺪﺍﺭُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺧَﻴﺮٌ ۚ ﻭَﻟَﻨِﻌﻢَ ﺩﺍﺭُ
ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[30] পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ
তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল
করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ।
যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের
জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের
গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি
চমৎকার?
[30] And (when) it is said to those who
are the Muttaqûn (pious – see V.2:2)
“What is it that your Lord has sent
down?” They say: “That which is good.”
For those who do good in this world,
there is good, and the home of the
Hereafter will be better. And excellent
indeed will be the home (i.e. Paradise) of
the Muttaqûn (pious – see V.2:2).
[31] ﺟَﻨّٰﺖُ ﻋَﺪﻥٍ ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻧَﻬﺎ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﻟَﻬُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀﻭﻥَ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻳَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[31] সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা
যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে
দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয়
তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা
তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান
দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,
[31] ‘Adn (Eden) Paradise (Gardens of
Eternity) which they will enter, under
which rivers flow, they will have therein
all that they wish. Thus Allâh rewards
the Muttaqûn (pious – see V.2:2).
[32] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ
ﻃَﻴِّﺒﻴﻦَ ۙ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺳَﻠٰﻢٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ
ﺍﺩﺧُﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[32] ফেরেশতা যাদের জান কবজ করেন
তাদের পবিত্র থাকা অবস্থায়।
ফেরেশতারা বলেঃ তোমাদের প্রতি
শাস্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যা
করতে, তার প্রতিদানে জান্নাতে
প্রবেশ কর।
[32] Those whose lives the angels take
while they are in a pious state (i.e. pure
from all evil, and worshipping none but
Allâh Alone) saying (to them): Salâmun
‘Alaikum (peace be on you) enter you
Paradise, because of that (the good)
which you used to do (in the world).”
[33] ﻫَﻞ ﻳَﻨﻈُﺮﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﺗَﺄﺗِﻴَﻬُﻢُ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﺃَﻭ ﻳَﺄﺗِﻰَ ﺃَﻣﺮُ
ﺭَﺑِّﻚَ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻓَﻌَﻞَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻇَﻠَﻤَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ
ﻳَﻈﻠِﻤﻮﻥَ
[33] কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে
যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে
কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ
পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই
করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি
অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং
নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
[33] Do they (the disbelievers and
polytheists) await but that the angels
should come to them [to take away their
souls (at death)], or there should come
the command (i.e. the torment or the Day
of Resurrection) of your Lord? Thus did
those before them. And Allâh wronged
them not, but they used to wrong
themselves.
[34] ﻓَﺄَﺻﺎﺑَﻬُﻢ ﺳَﻴِّـٔﺎﺕُ ﻣﺎ
ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﻭَﺣﺎﻕَ ﺑِﻬِﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﺑِﻪِ ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[34] সুতরাং তাদের মন্দ কাজের
শাস্তি তাদেরই মাথায় আপতিত হয়েছে
এবং তারা যে ঠাট্টা বিদ্রুপ করত, তাই
উল্টে তাদের উপর পড়েছে।
[34] Then, the evil results of their deeds
overtook them, and that at which they
used to mock at surrounded them.
[35] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺷﺮَﻛﻮﺍ ﻟَﻮ
ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣﺎ ﻋَﺒَﺪﻧﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻧَﺤﻦُ ﻭَﻻ ﺀﺍﺑﺎﺅُﻧﺎ
ﻭَﻻ ﺣَﺮَّﻣﻨﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣِﻦ
ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻓَﻌَﻞَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۚ ﻓَﻬَﻞ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺮُّﺳُﻞِ
ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﺒَﻠٰﻎُ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[35] মুশরিকরা বললঃ যদি আল্লাহ
চাইতেন, তবে আমরা তাঁকে ছাড়া
কারও এবাদত করতাম না এবং আমাদের
পিতৃপুরুষেরাও করত না এবং তাঁর
নির্দেশ ছাড়া কোন বস্তুই আমরা
হারাম করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা
এমনই করেছে। রাসূলের দায়িত্ব তো
শুধুমাত্র সুস্পষ্ট বাণী পৌছিয়ে দেয়া।
[35] And those who joined others in
worship with Allâh say: “If Allâh had so
willed, neither we nor our fathers would
have worshipped aught but Him, nor
would we have forbidden anything
without (Command from) Him.” So did
those before them. Then! Are the
Messengers charged with anything but to
convey clearly the Message?
[36] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺑَﻌَﺜﻨﺎ ﻓﻰ ﻛُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﺭَﺳﻮﻟًﺎ ﺃَﻥِ ﺍﻋﺒُﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺍﺟﺘَﻨِﺒُﻮﺍ ﺍﻟﻄّٰﻐﻮﺕَ ۖ ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ
ﻣَﻦ ﻫَﺪَﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ
ﺣَﻘَّﺖ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺍﻟﻀَّﻠٰﻠَﺔُ ۚ ﻓَﺴﻴﺮﻭﺍ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻓَﺎﻧﻈُﺮﻭﺍ ﻛَﻴﻒَ
ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ ﺍﻟﻤُﻜَﺬِّﺑﻴﻦَ
[36] আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই
রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে,
তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং
তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অতঃপর
তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ
হেদায়েত করেছেন এবং কিছু
সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা
অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা
পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ
মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি
হয়েছে।
[36] And verily, We have sent among
every Ummah (community, nation) a
Messenger (proclaiming): “Worship Allâh
(Alone), and avoid (or keep away from)
Tâghût (all false deities, etc. i.e. do not
worship Tâghût besides Allâh).” Then of
them were some whom Allâh guided and
of them were some upon whom the
straying was justified. So travel through
the land and see what was the end of
those who denied (the truth).
[37] ﺇِﻥ ﺗَﺤﺮِﺹ ﻋَﻠﻰٰ ﻫُﺪﻯٰﻬُﻢ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳُﻀِﻞُّ ۖ
ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻧٰﺼِﺮﻳﻦَ
[37] আপনি তাদেরকে সুপথে আনতে
আগ্রহী হলেও আল্লাহ যাকে
বিপথগামী করেন তিনি তাকে পথ
দেখান না এবং তাদের কোন
সাহায্যকারী ও নেই।
[37] If you (O Muhammad SAW) covet for
their guidance, then verily Allâh guides
not those whom He makes to go astray
(or none can guide him whom Allâh
sends astray). And they will have no
helpers.
[38] ﻭَﺃَﻗﺴَﻤﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺟَﻬﺪَ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ۙ ﻻ ﻳَﺒﻌَﺚُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻦ
ﻳَﻤﻮﺕُ ۚ ﺑَﻠﻰٰ ﻭَﻋﺪًﺍ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺣَﻘًّﺎ
ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[38] তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ
করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে
পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর
পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে।
কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না।
[38] And they swear by Allâh their
strongest oaths, that Allâh will not raise
up him who dies. Yes, (He will raise them
up), a promise (binding) upon Him in
truth, but most of mankind know not.
[39] ﻟِﻴُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ ﻓﻴﻪِ ﻭَﻟِﻴَﻌﻠَﻢَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻛٰﺬِﺑﻴﻦَ
[39] তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে
যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল
তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে
কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা
মিথ্যাবাদী ছিল।
[39] In order that He may make manifest
to them the truth of that wherein they
differ, and that those who disbelieved (in
Resurrection, and in the Oneness of
Allâh) may know that they were liars.
[40] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻗَﻮﻟُﻨﺎ ﻟِﺸَﻲﺀٍ ﺇِﺫﺍ
ﺃَﺭَﺩﻧٰﻪُ ﺃَﻥ ﻧَﻘﻮﻝَ ﻟَﻪُ ﻛُﻦ
ﻓَﻴَﻜﻮﻥُ
[40] আমি যখন কোন কিছু করার ইচ্ছা
করি; তখন তাকে কেবল এতটুকুই বলি যে,
হয়ে যাও,। সুতরাং তা হয়ে যায়।
[40] Verily! Our Word unto a thing when
We intend it, is only that We say unto it:
“Be!” and it is.
[41] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫﺎﺟَﺮﻭﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﻇُﻠِﻤﻮﺍ ﻟَﻨُﺒَﻮِّﺋَﻨَّﻬُﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔً ۖ ﻭَﻟَﺄَﺟﺮُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺃَﻛﺒَﺮُ ۚ ﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[41] যারা নির্যাতিত হওয়ার পর
আল্লাহর জন্যে গৃহত্যাগ করেছে, আমি
অবশ্যই তাদেরকে দুনিয়াতে উত্তম
আবাস দেব এবং পরকালের পুরস্কার
তো সর্বাধিক; হায়! যদি তারা জানত।
[41] And as for those who emigrated for
the Cause of Allâh, after they had been
wronged, We will certainly give them
goodly residence in this world, but
indeed the reward of the Hereafter will
be greater, if they but knew!
[42] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﻭَﻋَﻠﻰٰ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻳَﺘَﻮَﻛَّﻠﻮﻥَ
[42] যারা দৃঢ়পদ রয়েছে এবং তাদের
পালনকর্তার উপর ভরসা করেছে।
[42] (They are) those who remained
patient (in this world for Allâh’s sake),
and put their trust in their Lord (Allâh
Alone).
[43] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ﺇِﻟّﺎ
ﺭِﺟﺎﻟًﺎ ﻧﻮﺣﻰ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ۚ ﻓَﺴـَٔﻠﻮﺍ
ﺃَﻫﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻻ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[43] আপনার পূর্বেও আমি প্রত্যাদেশসহ
মানবকেই তাদের প্রতি প্রেরণ
করেছিলাম অতএব জ্ঞানীদেরকে
জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা
না থাকে;
[43] And We sent not (as Our
Messengers) before you (O Muhammad
SAW) any but men, whom We sent
revelation, (to preach and invite
mankind to believe in the Oneness of
Allâh). So ask (you, O pagans of Makkah)
of those who know the Scripture [learned
men of the Taurât (Torah) and the Injeel
(Gospel)], if you know not.
[44] ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ﻭَﺍﻟﺰُّﺑُﺮِ ۗ ﻭَﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﺬِّﻛﺮَ ﻟِﺘُﺒَﻴِّﻦَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻣﺎ
ﻧُﺰِّﻝَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[44] প্রেরণ করেছিলাম তাদেরকে
নিêেদশাবলী ও অবতীর্ণ গ্রন্থসহ এবং
আপনার কাছে আমি স্মরণিকা অবতীর্ণ
করেছি, যাতে আপনি লোকদের
সামনে ঐসব বিষয় বিবৃত করেন, যে
গুলো তোদের প্রতি নাযিল করা
হয়েছে, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা
করে।
[44] With clear signs and Books (We sent
the Messengers). And We have also sent
down unto you (O Muhammad SAW) the
Dhikr [the reminder and the advice (the
Qur’ân)], that you may explain clearly to
men what is sent down to them, and that
they may give thought.
[45] ﺃَﻓَﺄَﻣِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣَﻜَﺮُﻭﺍ
ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ ﺃَﻥ ﻳَﺨﺴِﻒَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﻬِﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ ﺃَﻭ ﻳَﺄﺗِﻴَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[45] যারা কুচক্র করে, তারা কি এ
বিষয়ে ভয় করে না যে, আল্লাহ
তাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন
কিংবা তাদের কাছে এমন জায়গা
থেকে আযাব আসবে যা তাদের
ধারণাতীত।
[45] Do then those who devise evil plots
feel secure that Allâh will not sink them
into the earth, or that the torment will
not seize them from directions they
perceive not?
[46] ﺃَﻭ ﻳَﺄﺧُﺬَﻫُﻢ ﻓﻰ ﺗَﻘَﻠُّﺒِﻬِﻢ
ﻓَﻤﺎ ﻫُﻢ ﺑِﻤُﻌﺠِﺰﻳﻦَ
[46] কিংবা চলাফেরার মধ্যেই
তাদেরকে পাকড়াও করবে, তারা তো
তা ব্যর্থ করতে পারবে না।
[46] Or that He may catch them in the
midst of their going to and fro (in their
jobs), so that there be no escape for them
(from Allâh’s Punishment)?
[47] ﺃَﻭ ﻳَﺄﺧُﺬَﻫُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺗَﺨَﻮُّﻑٍ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ﻟَﺮَﺀﻭﻑٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[47] কিংবা ভীতি প্রদর্শনের পর
তাদেরকে পাকড়াও করবেন?
তোমাদের পালনকর্তা তো অত্যন্ত
নম্র, দয়ালু।
[47] Or that He may catch them with
gradual wasting (of their wealth and
health). Truly! Your Lord is indeed full of
Kindness, Most Merciful?
[48] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﻣﺎ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻳَﺘَﻔَﻴَّﺆُﺍ۟ ﻇِﻠٰﻠُﻪُ
ﻋَﻦِ ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺎﺋِﻞِ ﺳُﺠَّﺪًﺍ
ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﻫُﻢ ﺩٰﺧِﺮﻭﻥَ
[48] তারা কি আল্লাহর সৃজিত বস্তু
দেখে না, যার ছায়া আল্লাহর প্রতি
বিনীতভাবে সেজদাবনত থেকে ডান ও
বাম দিকে ঝুঁকে পড়ে।
[48] Have they not observed things that
Allâh has created, (how) their shadows
incline to the right and to the left,
making prostration unto Allâh, and they
are lowly?
[49] ﻭَﻟِﻠَّﻪِ ﻳَﺴﺠُﺪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣِﻦ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻭَﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﻭَﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ
[49] আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু
নভোমন্ডলে আছে এবং যা কিছু
ভুমন্ডলে আছে এবং ফেরেশতাগণ;
তারা অহংকার করে না।
[49] And to Allâh prostate all that is in
the heavens and all that is in the earth,
of the moving (living) creatures and the
angels, and they are not proud [i.e. they
worship their Lord (Allâh) with
humility].
[50] ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻭَﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ ﻣﺎ
ﻳُﺆﻣَﺮﻭﻥَ ۩
[50] তারা তাদের উপর পরাক্রমশালী
তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং
তারা যা আদেশ পায়, তা করে
[50] They fear their Lord above them,
and they do what they are commanded.
[51] ۞ ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ
ﺇِﻟٰﻬَﻴﻦِ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ۖ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻫُﻮَ ﺇِﻟٰﻪٌ
ﻭٰﺣِﺪٌ ۖ ﻓَﺈِﻳّٰﻰَ ﻓَﺎﺭﻫَﺒﻮﻥِ
[51] আল্লাহ বললেনঃ তোমরা দুই
উপাস্য গ্রহণ করো না উপাস্য তো
মাত্র একজনই। অতএব আমাকেই ভয় কর।
[51] And Allâh said (O mankind!): “Take
not ilâhaîn (two gods in worship). Verily,
He (Allâh) is (the) only One Ilâh (God).
Then, fear Me (Allâh S.W.T) much [and
Me (Alone), i.e. be away from all kinds of
sins and evil deeds that Allâh has
forbidden and do all that Allâh has
ordained and worship none but Allâh]
[52] ﻭَﻟَﻪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﻭﺍﺻِﺒًﺎ ۚ
ﺃَﻓَﻐَﻴﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﺘَّﻘﻮﻥَ
[52] যা কিছু নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে
আছে তা তাঁরই এবাদত করা শাশ্বত
কর্তব্য। তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত
কাউকে ভয় করবে?
[52] To Him belongs all that is in the
heavens and (all that is in) the earth and
Ad-Din Wasiba is His [(i.e. perpetual
sincere obedience to Allâh is obligatory).
None has the right to be worshipped but
Allâh)]. Will you then fear any other
than Allâh?
[53] ﻭَﻣﺎ ﺑِﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻧِﻌﻤَﺔٍ ﻓَﻤِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ ﻣَﺴَّﻜُﻢُ ﺍﻟﻀُّﺮُّ
ﻓَﺈِﻟَﻴﻪِ ﺗَﺠـَٔﺮﻭﻥَ
[53] তোমাদের কাছে যে সমস্ত
নেয়ামত আছে, তা আল্লাহরই পক্ষ
থেকে। অতঃপর তোমরা যখন দুঃখে-
কষ্টে পতিত হও তখন তাঁরই নিকট
কান্নাকাটি কর।
[53] And whatever of blessings and good
things you have, it is from Allâh. Then,
when harm touches you, unto Him you
cry aloud for help
[54] ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ ﻛَﺸَﻒَ ﺍﻟﻀُّﺮَّ ﻋَﻨﻜُﻢ
ﺇِﺫﺍ ﻓَﺮﻳﻖٌ ﻣِﻨﻜُﻢ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ
ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[54] এরপর যখন আল্লাহ তোমাদের কষ্ট
দুরীভূত করে দেন, তখনই তোমাদের
একদল স্বীয় পালনকর্তার সাথে
অংশীদার সাব্যস্ত করতে থাকে।
[54] Then, when He has removed the
harm from you, behold! Some of you
associate others in worship with their
Lord (Allâh).
[55] ﻟِﻴَﻜﻔُﺮﻭﺍ ﺑِﻤﺎ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢ ۚ
ﻓَﺘَﻤَﺘَّﻌﻮﺍ ۖ ﻓَﺴَﻮﻑَ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[55] যাতে ঐ নেয়ামত অস্বীকার করে,
যা আমি তাদেরকে দিয়েছি। অতএব
মজা ভোগ করে নাও-সত্বরই তোমরা
জানতে পারবে।
[55] So (as a result of that ) they deny
(with ungratefulness) that (Allâh’s
Favours) which We have bestowed on
them! Then enjoy yourselves (your short
stay), but you will come to know (with
regrets).
[56] ﻭَﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﻟِﻤﺎ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
ﻧَﺼﻴﺒًﺎ ﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ۗ ﺗَﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻟَﺘُﺴـَٔﻠُﻦَّ ﻋَﻤّﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[56] তারা আমার দেয়া জীবনোপকরণ
থেকে তাদের জন্যে একটি অংশ
নির্ধারিত করে, যাদের কোন খবরই
তারা রাখে না। আল্লাহর কসম,
তোমরা যে অপবাদ আরোপ করছ, সে
সম্পর্কে অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে।
[56] And they assign a portion of that
which We have provided them unto what
they know not (false deities). By Allâh,
you shall certainly be questioned about
(all) that you used to fabricate.
[57] ﻭَﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟﺒَﻨٰﺖِ
ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ۙ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺸﺘَﻬﻮﻥَ
[57] তারা আল্লাহর জন্যে কন্যা
সন্তান নির্ধারণ করে-তিনি পবিত্র
মহিমান্বিত এবং নিজেদের জন্যে
ওরা তাই স্থির করে যা ওরা চায়।
[57] And they assign daughters unto
Allâh! Glorified (and Exalted) is He
above all that they associate with Him! .
And unto themselves what they desire;
[58] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺑُﺸِّﺮَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻢ
ﺑِﺎﻷُﻧﺜﻰٰ ﻇَﻞَّ ﻭَﺟﻬُﻪُ ﻣُﺴﻮَﺩًّﺍ
ﻭَﻫُﻮَ ﻛَﻈﻴﻢٌ
[58] যখন তাদের কাউকে কন্যা
সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন
তারা মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য
মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে।
[58] And when the news of (the birth of)
a female (child) is brought to any of
them, his face becomes dark, and he is
filled with inward grief!
[59] ﻳَﺘَﻮٰﺭﻯٰ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ ﻣِﻦ
ﺳﻮﺀِ ﻣﺎ ﺑُﺸِّﺮَ ﺑِﻪِ ۚ ﺃَﻳُﻤﺴِﻜُﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﻫﻮﻥٍ ﺃَﻡ ﻳَﺪُﺳُّﻪُ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺘُّﺮﺍﺏِ ۗ ﺃَﻻ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ
ﻳَﺤﻜُﻤﻮﻥَ
[59] তাকে শোনানো সুসংবাদের
দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ
লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য
করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে
মাটির নীচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখ,
তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট।
[59] He hides himself from the people
because of the evil of that whereof he
has been informed. Shall he keep her
with dishonour or bury her in the earth?
Certainly, evil is their decision.
[60] ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻣَﺜَﻞُ ﺍﻟﺴَّﻮﺀِ ۖ ﻭَﻟِﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻤَﺜَﻞُ ﺍﻷَﻋﻠﻰٰ ۚ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ
ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[60] যারা পরকাল বিশ্বাস করে না,
তাদের উদাহরণ নিকৃষ্ট এবং আল্লাহর
উদাহরণই মহান, তিনি পরাক্রমশালী,
প্রজ্ঞাময়।
[60] For those who believe not in the
Hereafter is an evil description, and for
Allâh is the highest description. And He
is the All-Mighty, the All-Wise.
[61] ﻭَﻟَﻮ ﻳُﺆﺍﺧِﺬُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ
ﺑِﻈُﻠﻤِﻬِﻢ ﻣﺎ ﺗَﺮَﻙَ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻣِﻦ
ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻳُﺆَﺧِّﺮُﻫُﻢ ﺇِﻟﻰٰ
ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۖ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ
ﺃَﺟَﻠُﻬُﻢ ﻻ ﻳَﺴﺘَـٔ