17. সুরা বনী ইসরাইল(ইসরা)-(01-111)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺳُﺒﺤٰﻦَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺳﺮﻯٰ ﺑِﻌَﺒﺪِﻩِ
ﻟَﻴﻠًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡِ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ ﺍﻷَﻗﺼَﺎ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺑٰﺮَﻛﻨﺎ
ﺣَﻮﻟَﻪُ ﻟِﻨُﺮِﻳَﻪُ ﻣِﻦ ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻫُﻮَ ﺍﻟﺴَّﻤﻴﻊُ ﺍﻟﺒَﺼﻴﺮُ
[1] পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি
স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ
করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে
মসজিদে আকসা পর্যান্ত-যার চার দিকে আমি
পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে
কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই।
নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।
[1] Glorified (and Exalted) is He (Allâh)
[above all that (evil) they associate with
Him]. Who took His slave (Muhammad
SAW) for a journey by night from Al-
Masjid-al-Harâm (at Makkah) to Al-
Masjid-al-Aqsa (in Jerusalem), the
neighbourhood whereof We have
blessed, in order that We might show
him (Muhammad SAW) of Our Ayât
(proofs, evidences, lessons, signs, etc.).
Verily, He is the All-Hearer, the All-Seer
[2] ﻭَﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﻣﻮﺳَﻰ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻪُ ﻫُﺪًﻯ ﻟِﺒَﻨﻰ ﺇِﺳﺮٰﺀﻳﻞَ
ﺃَﻟّﺎ ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧﻰ ﻭَﻛﻴﻠًﺎ
[2] আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং সেটিকে
বনী-ইসরাঈলের জন্যে হেদায়েতে
পরিণত করেছি যে, তোমরা আমাকে ছাড়া
কাউকে কার্যনিবাহী স্থির করো না।
[2] And We gave Mûsa (Moses) the
Scripture and made it a guidance for the
Children of Israel (saying): “Take not
other than Me as (your) Wakîl (Protector,
Lord, or Disposer of your affairs).
[3] ﺫُﺭِّﻳَّﺔَ ﻣَﻦ ﺣَﻤَﻠﻨﺎ ﻣَﻊَ ﻧﻮﺡٍ ۚ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻋَﺒﺪًﺍ ﺷَﻜﻮﺭًﺍ
[3] তোমরা তাদের সন্তান, যাদেরকে আমি
নূহের সাথে সওয়ার করিয়েছিলাম। নিশ্চয় সে
ছিল কৃতজ্ঞ বান্দা।
[3] “O offspring of those whom We
carried (in the ship) with Nûh (Noah)!
Verily, he was a grateful slave.”
[4] ﻭَﻗَﻀَﻴﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻨﻰ
ﺇِﺳﺮٰﺀﻳﻞَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ
ﻟَﺘُﻔﺴِﺪُﻥَّ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣَﺮَّﺗَﻴﻦِ
ﻭَﻟَﺘَﻌﻠُﻦَّ ﻋُﻠُﻮًّﺍ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[4] আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাবে পরিষ্কার
বলে দিয়েছি যে, তোমরা পৃথিবীর বুকে
দুবার অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং অত্যন্ত বড়
ধরনের অবাধ্যতায় লিপ্ত হবে।
[4] And We decreed for the Children of
Israel in the Scripture, indeed you would
do mischief in land twice and you will
become tyrants and extremely arrogant!
[5] ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ ﻭَﻋﺪُ ﺃﻭﻟﻯٰﻬُﻤﺎ
ﺑَﻌَﺜﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻋِﺒﺎﺩًﺍ ﻟَﻨﺎ ﺃُﻭﻟﻰ
ﺑَﺄﺱٍ ﺷَﺪﻳﺪٍ ﻓَﺠﺎﺳﻮﺍ ﺧِﻠٰﻞَ
ﺍﻟﺪِّﻳﺎﺭِ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ ﻭَﻋﺪًﺍ ﻣَﻔﻌﻮﻟًﺎ
[5] অতঃপর যখন প্রতিশ্রুতি সেই প্রথম সময়টি
এল, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ
করলাম আমার কঠোর যোদ্ধা বান্দাদেরকে।
অতঃপর তারা প্রতিটি জনপদের আনাচে-কানাচে
পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। এ ওয়াদা পূর্ণ হওয়ারই
ছিল।
[5] So, when the promise came for the
first of the two, We sent against you
slaves of Ours given to terrible warfare.
They entered the very innermost parts of
your homes. And it was a promise
(completely) fulfilled.
[6] ﺛُﻢَّ ﺭَﺩَﺩﻧﺎ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﻜَﺮَّﺓَ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﺃَﻣﺪَﺩﻧٰﻜُﻢ ﺑِﺄَﻣﻮٰﻝٍ
ﻭَﺑَﻨﻴﻦَ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻜُﻢ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﻧَﻔﻴﺮًﺍ
[6] অতঃপর আমি তোমাদের জন্যে তাদের
বিরুদ্ধে পালা ঘুয়িয়ে দিলাম, তোমাদেরকে
ধন-সম্পদ ও পুত্রসন্তান দ্বারা সাহায্য করলাম এবং
তোমাদেরকে জনসংখ্যার দিক দিয়ে একটা
বিরাট বাহিনীতে পরিণত করলাম।
[6] Then We gave you, a return of
victory over them. And We helped you
with wealth and children and made you
more numerous in man – power.
[7] ﺇِﻥ ﺃَﺣﺴَﻨﺘُﻢ ﺃَﺣﺴَﻨﺘُﻢ
ﻟِﺄَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺃَﺳَﺄﺗُﻢ ﻓَﻠَﻬﺎ ۚ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ ﻭَﻋﺪُ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻟِﻴَﺲۥـٔﻮﺍ ﻭُﺟﻮﻫَﻜُﻢ ﻭَﻟِﻴَﺪﺧُﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪَ ﻛَﻤﺎ ﺩَﺧَﻠﻮﻩُ ﺃَﻭَّﻝَ
ﻣَﺮَّﺓٍ ﻭَﻟِﻴُﺘَﺒِّﺮﻭﺍ ﻣﺎ ﻋَﻠَﻮﺍ ﺗَﺘﺒﻴﺮًﺍ
[7] তোমরা যদি ভাল কর, তবে নিজেদেরই
ভাল করবে এবং যদি মন্দ কর তবে তাও
নিজেদের জন্যেই। এরপর যখন দ্বিতীয়
সে সময়টি এল, তখন অন্য বান্দাদেরকে
প্রেরণ করলাম, যাতে তোমাদের মুখমন্ডল
বিকৃত করে দেয়, আর মসজিদে ঢুকে
পড়ে যেমন প্রথমবার ঢুকেছিল এবং
যেখানেই জয়ী হয়, সেখানেই পুরোপুরি
ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
[7] (And We said): “If you do good, you
do good for your ownselves, and if you
do evil (you do it) against yourselves.”
Then, when the second promise came to
pass, (We permitted your enemies) to
disgrace your faces and to enter the
mosque (of Jerusalem) as they had
entered it before, and to destroy with
utter destruction all that fell in their
hands.
[8] ﻋَﺴﻰٰ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺃَﻥ ﻳَﺮﺣَﻤَﻜُﻢ ۚ
ﻭَﺇِﻥ ﻋُﺪﺗُﻢ ﻋُﺪﻧﺎ ۘ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﺣَﺼﻴﺮًﺍ
[8] হয়ত তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের
প্রতি অনুগ্রহ করবেন। কিন্তু যদি পুনরায় তদ্রূপ
কর, আমিও পুনরায় তাই করব। আমি জাহান্নামকে
কাফেরদের জন্যে কয়েদখানা করেছি।
[8] [And We said in the Taurât (Torah)]:
“It may be that your Lord may show
mercy unto you, but if you return (to
sins), We shall return (to Our
Punishment). And We have made Hell a
prison for the disbelievers.
[9] ﺇِﻥَّ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥَ ﻳَﻬﺪﻯ
ﻟِﻠَّﺘﻰ ﻫِﻰَ ﺃَﻗﻮَﻡُ ﻭَﻳُﺒَﺸِّﺮُ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ ﺃَﺟﺮًﺍ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[9] এই কোরআন এমন পথ প্রদর্শন করে, যা
সর্বাধিক সরল এবং সৎকর্ম পরায়ণ
মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের
জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে।
[9] Verily, this Qur’ân guides to that
which is most just and right and gives
glad tidings to the believers (in the
Oneness of Allâh and His Messenger,
Muhammad SAW). who work deeds of
righteousness, that they shall have a
great reward (Paradise).
[10] ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺃَﻋﺘَﺪﻧﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﺃَﻟﻴﻤًﺎ
[10] এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি
তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত
করেছি।
[10] And that those who believe not in
the Hereafter, for them We have
prepared a painful torment (Hell).
[11] ﻭَﻳَﺪﻉُ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ ﺑِﺎﻟﺸَّﺮِّ
ﺩُﻋﺎﺀَﻩُ ﺑِﺎﻟﺨَﻴﺮِ ۖ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ
ﻋَﺠﻮﻟًﺎ
[11] মানুষ যেভাবে কল্যাণ কামনা করে,
সেভাবেই অকল্যাণ কামনা করে। মানুষ তো
খুবই দ্রুততা প্রিয়।
[11] And man invokes (Allâh) for evil as
he invokes (Allâh) for good and man is
ever hasty [i.e., if he is angry with
somebody, he invokes (saying): “O Allâh!
Curse him” and that one should not do,
but one should be patient]
[12] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨَﺎ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ
ﺀﺍﻳَﺘَﻴﻦِ ۖ ﻓَﻤَﺤَﻮﻧﺎ ﺀﺍﻳَﺔَ ﺍﻟَّﻴﻞِ
ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﺀﺍﻳَﺔَ ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ﻣُﺒﺼِﺮَﺓً
ﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ ﻓَﻀﻠًﺎ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻜُﻢ
ﻭَﻟِﺘَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﻋَﺪَﺩَ ﺍﻟﺴِّﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﺤِﺴﺎﺏَ ۚ ﻭَﻛُﻞَّ ﺷَﻲﺀٍ
ﻓَﺼَّﻠﻨٰﻪُ ﺗَﻔﺼﻴﻠًﺎ
[12] আমি রাত্রি ও দিনকে দুটি নিদর্শন করেছি।
অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শন
এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী
করেছি, যাতে তোমরা তোমাদের
পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে
তোমরা স্থির করতে পার বছরসমূহের গণনা ও
হিসাব এবং আমি সব বিষয়কে বিস্তারিত ভাবে
বর্ণনা করেছি।
[12] And We have appointed the night
and the day as two Ayât (signs etc.).
Then, We have obliterated the sign of the
night (with darkness) while We have
made the sign of the day illuminating,
that you may seek bounty from your
Lord, and that you may know the
number of the years and the reckoning.
And We have explained everything (in
detail) with full explanation.
[13] ﻭَﻛُﻞَّ ﺇِﻧﺴٰﻦٍ ﺃَﻟﺰَﻣﻨٰﻪُ ﻃٰﺌِﺮَﻩُ
ﻓﻰ ﻋُﻨُﻘِﻪِ ۖ ﻭَﻧُﺨﺮِﺝُ ﻟَﻪُ ﻳَﻮﻡَ
ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻛِﺘٰﺒًﺎ ﻳَﻠﻘﻯٰﻪُ ﻣَﻨﺸﻮﺭًﺍ
[13] আমি প্রত্যেক মানুষের কর্মকে তার
গ্রীবলগ্ন করে রেখেছি। কেয়ামতের
দিন বের করে দেখাব তাকে একটি কিতাব, যা
সে খোলা অবস্থায় পাবে।
[13] And We have fastened every man’s
deeds to his neck, and on the Day of
Resurrection, We shall bring out for him
a book which he will find wide open.
[14] ﺍﻗﺮَﺃ ﻛِﺘٰﺒَﻚَ ﻛَﻔﻰٰ ﺑِﻨَﻔﺴِﻚَ
ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺣَﺴﻴﺒًﺎ
[14] পাঠ কর তুমি তোমার কিতাব। আজ তোমার
হিসাব গ্রহণের জন্যে তুমিই যথেষ্ট।
[14] (It will be said to him): “Read your
book. You yourself are sufficient as a
reckoner against you this Day.”
[15] ﻣَﻦِ ﺍﻫﺘَﺪﻯٰ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﻳَﻬﺘَﺪﻯ
ﻟِﻨَﻔﺴِﻪِ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﺿَﻞَّ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ
ﻳَﻀِﻞُّ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ۚ ﻭَﻻ ﺗَﺰِﺭُ ﻭﺍﺯِﺭَﺓٌ
ﻭِﺯﺭَ ﺃُﺧﺮﻯٰ ۗ ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻣُﻌَﺬِّﺑﻴﻦَ
ﺣَﺘّﻰٰ ﻧَﺒﻌَﺚَ ﺭَﺳﻮﻟًﺎ
[15] যে কেউ সৎপথে চলে, তারা নিজের
মঙ্গলের জন্যেই সৎ পথে চলে। আর
যে পথভ্রষ্ট হয়, তারা নিজের অমঙ্গলের
জন্যেই পথ ভ্রষ্ট হয়। কেউ অপরের
বোঝা বহন করবে না। কোন রাসূল না পাঠানো
পর্যন্ত আমি কাউকেই শাস্তি দান করি না।
[15] Whoever goes right, then he goes
right only for the benefit of his ownself.
And whoever goes astray, then he goes
astray to his own loss. No one laden with
burdens can bear another’s burden. And
We never punish until We have sent a
Messenger (to give warning).
[16] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺃَﺭَﺩﻧﺎ ﺃَﻥ ﻧُﻬﻠِﻚَ ﻗَﺮﻳَﺔً
ﺃَﻣَﺮﻧﺎ ﻣُﺘﺮَﻓﻴﻬﺎ ﻓَﻔَﺴَﻘﻮﺍ ﻓﻴﻬﺎ
ﻓَﺤَﻖَّ ﻋَﻠَﻴﻬَﺎ ﺍﻟﻘَﻮﻝُ ﻓَﺪَﻣَّﺮﻧٰﻬﺎ
ﺗَﺪﻣﻴﺮًﺍ
[16] যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার
ইচ্ছা করি তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে
উদ্ধুদ্ধ করি অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে
উঠে। তখন সে জনগোষ্টীর উপর
আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি
তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই।
[16] And when We decide to destroy a
town (population), We (first) send a
definite order (to obey Allâh and be
righteous) to those among them [or We
(first) increase in number those of its
population] who lead a life of luxary.
Then, they transgress therein, and thus
the word (of torment) is justified against
it (them). Then We destroy it with
complete destruction
[17] ﻭَﻛَﻢ ﺃَﻫﻠَﻜﻨﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘُﺮﻭﻥِ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻧﻮﺡٍ ۗ ﻭَﻛَﻔﻰٰ ﺑِﺮَﺑِّﻚَ
ﺑِﺬُﻧﻮﺏِ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ﺧَﺒﻴﺮًﺍ ﺑَﺼﻴﺮًﺍ
[17] নূহের পর আমি অনেক উম্মতকে ধ্বংস
করেছি। আপনার পালনকর্তাই বান্দাদের
পাপাচারের সংবাদ জানা ও দেখার জন্যে
যথেষ্ট।
[17] And how many generations have We
destroyed after Nûh (Noah)! And
Sufficient is your Lord as an All-Knower
and All-Beholder of the sins of His
slaves.
[18] ﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻌﺎﺟِﻠَﺔَ
ﻋَﺠَّﻠﻨﺎ ﻟَﻪُ ﻓﻴﻬﺎ ﻣﺎ ﻧَﺸﺎﺀُ ﻟِﻤَﻦ
ﻧُﺮﻳﺪُ ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻟَﻪُ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ
ﻳَﺼﻠﻯٰﻬﺎ ﻣَﺬﻣﻮﻣًﺎ ﻣَﺪﺣﻮﺭًﺍ
[18] যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি
সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে
দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ
করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায়
প্রবেশ করবে।
[18] Whoever desiers the quick-passing
(transitory enjoyment of this world), We
readily grant him what We will for
whom We like. Then, afterwards, We
have appointed for him Hell, he will
burn therein disgraced and rejected, –
(far away from Allâh’s Mercy).
[19] ﻭَﻣَﻦ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓَ
ﻭَﺳَﻌﻰٰ ﻟَﻬﺎ ﺳَﻌﻴَﻬﺎ ﻭَﻫُﻮَ
ﻣُﺆﻣِﻦٌ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻛﺎﻥَ ﺳَﻌﻴُﻬُﻢ
ﻣَﺸﻜﻮﺭًﺍ
[19] আর যারা পরকাল কামনা করে এবং মুমিন
অবস্থায় তার জন্য যথাযথ চেষ্টা-সাধনা করে,
এমন লোকদের চেষ্টা স্বীকৃত হয়ে
থাকে।
[19] And whoever desires the Hereafter
and strives for it, with the necessary
effort due for it (i.e. do righteous deeds
of Allâh’s Obedience) while he is a
believer (in the Oneness of Allâh—
Islâmic Monotheism), then such are the
ones whose striving shall be appreciated,
(thanked and rewarded by Allâh).
[20] ﻛُﻠًّﺎ ﻧُﻤِﺪُّ ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﻭَﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﻣِﻦ ﻋَﻄﺎﺀِ ﺭَﺑِّﻚَ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ
ﻋَﻄﺎﺀُ ﺭَﺑِّﻚَ ﻣَﺤﻈﻮﺭًﺍ
[20] এদেরকে এবং ওদেরকে
প্রত্যেককে আমি আপনার পালনকর্তার দান
পৌছে দেই এবং আপনার পালকর্তার দান
অবধারিত।
[20] On – each these as well as those – We
bestow from the Bounties of your Lord.
And the Bounties of your Lord can never
be forbidden.
[21] ﺍﻧﻈُﺮ ﻛَﻴﻒَ ﻓَﻀَّﻠﻨﺎ
ﺑَﻌﻀَﻬُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ ۚ
ﻭَﻟَﻞﺀﺍﺧِﺮَﺓُ ﺃَﻛﺒَﺮُ ﺩَﺭَﺟٰﺖٍ
ﻭَﺃَﻛﺒَﺮُ ﺗَﻔﻀﻴﻠًﺎ
[21] দেখুন, আমি তাদের একদলকে
অপরের উপর কিভাবে শ্রেষ্ঠত্ব দান
করলাম। পরকাল তো নিশ্চয়ই মর্তবায় শ্রেষ্ঠ
এবং ফযীলতে শ্রেষ্ঠতম।
[21] See how We prefer one above
another (in this world) and verily, the
Hereafter will be greater in degrees and
greater in prefement.
[22] ﻻ ﺗَﺠﻌَﻞ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ
ﺀﺍﺧَﺮَ ﻓَﺘَﻘﻌُﺪَ ﻣَﺬﻣﻮﻣًﺎ
ﻣَﺨﺬﻭﻟًﺎ
[22] স্থির করো না আল্লাহর সাথে অন্য
কোন উপাস্য। তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায়
হয়ে পড়বে।
[22] Set not up with Allâh any other ilâh
(god), (O man)! (This verse is addressed
to Prophet Muhammad SAW , but its
implication is general to all mankind), or
you will sit down reproved, forsaken (in
the Hell-fire).
[23] ۞ ﻭَﻗَﻀﻰٰ ﺭَﺑُّﻚَ ﺃَﻟّﺎ
ﺗَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺇِﻳّﺎﻩُ ﻭَﺑِﺎﻟﻮٰﻟِﺪَﻳﻦِ
ﺇِﺣﺴٰﻨًﺎ ۚ ﺇِﻣّﺎ ﻳَﺒﻠُﻐَﻦَّ ﻋِﻨﺪَﻙَ
ﺍﻟﻜِﺒَﺮَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻤﺎ ﺃَﻭ ﻛِﻼﻫُﻤﺎ ﻓَﻼ
ﺗَﻘُﻞ ﻟَﻬُﻤﺎ ﺃُﻑٍّ ﻭَﻻ ﺗَﻨﻬَﺮﻫُﻤﺎ
ﻭَﻗُﻞ ﻟَﻬُﻤﺎ ﻗَﻮﻟًﺎ ﻛَﺮﻳﻤًﺎ
[23] তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন
যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না
এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের
মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার
জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে
তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং
তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে
শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা।
[23] And your Lord has decreed that you
worship none but Him. And that you be
dutiful to your parents. If one of them or
both of them attain old age in your life,
say not to them a word of disrespect, nor
shout at them but address them in terms
of honour.
[24] ﻭَﺍﺧﻔِﺾ ﻟَﻬُﻤﺎ ﺟَﻨﺎﺡَ
ﺍﻟﺬُّﻝِّ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮَّﺣﻤَﺔِ ﻭَﻗُﻞ ﺭَﺏِّ
ﺍﺭﺣَﻤﻬُﻤﺎ ﻛَﻤﺎ ﺭَﺑَّﻴﺎﻧﻰ ﺻَﻐﻴﺮًﺍ
[24] তাদের সামনে ভালবাসার সাথে,
নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বলঃ হে
পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর,
যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন
করেছেন।
[24] And lower unto them the wing of
submission and humility through mercy,
and say: “My Lord! Bestow on them Your
Mercy as they did bring me up when I
was young.”
[25] ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻓﻰ
ﻧُﻔﻮﺳِﻜُﻢ ۚ ﺇِﻥ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ
ﺻٰﻠِﺤﻴﻦَ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻸَﻭّٰﺑﻴﻦَ
ﻏَﻔﻮﺭًﺍ
[25] তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মনে
যা আছে তা ভালই জানেন। যদি তোমরা সৎ হও,
তবে তিনি তওবাকারীদের জন্যে
ক্ষমাশীল।
[25] Your Lord knows best what is in
your inner-selves. If you are righteous,
then, verily, He is Ever Most Forgiving to
those who turn unto Him again and
again in obedience, and in repentance.
[26] ﻭَﺀﺍﺕِ ﺫَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺑﻰٰ ﺣَﻘَّﻪُ
ﻭَﺍﻟﻤِﺴﻜﻴﻦَ ﻭَﺍﺑﻦَ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ ﻭَﻻ
ﺗُﺒَﺬِّﺭ ﺗَﺒﺬﻳﺮًﺍ
[26] আত্নীয়-স্বজনকে তার হক দান কর এবং
অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। এবং কিছুতেই
অপব্যয় করো না।
[26] And give to the kindsman his due
and to the Miskîn (poor) and to the
wayfarer. But spend not wastefully (your
wealth) in the manner of a spendthrift .
(Tafsir. At-Tabarî)
[27] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻤُﺒَﺬِّﺭﻳﻦَ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺇِﺧﻮٰﻥَ
ﺍﻟﺸَّﻴٰﻄﻴﻦِ ۖ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ
ﻟِﺮَﺑِّﻪِ ﻛَﻔﻮﺭًﺍ
[27] নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই।
শয়তান স্বীয় পালনকর্তার প্রতি অতিশয়
অকৃতজ্ঞ।
[27] Verily, spendthrifts are brothers of
the Shayatîn (devils), and the Shaitân
(Devil Satan) is ever ungrateful to his
Lord.
[28] ﻭَﺇِﻣّﺎ ﺗُﻌﺮِﺿَﻦَّ ﻋَﻨﻬُﻢُ
ﺍﺑﺘِﻐﺎﺀَ ﺭَﺣﻤَﺔٍ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺗَﺮﺟﻮﻫﺎ ﻓَﻘُﻞ ﻟَﻬُﻢ ﻗَﻮﻟًﺎ
ﻣَﻴﺴﻮﺭًﺍ
[28] এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায়
অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময়
তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন তাদের
সাথে নম্রভাবে কথা বল।
[28] And if you (O Muhammad SAW)
turn away from them (kindred, poor,
wayfarer, whom We have ordered you to
give their rights, but if you have no
money at the time they ask you for it)
and you are awaiting a mercy from your
Lord for which you hope, then, speak
unto them a soft, kind word (i.e. Allâh
will give me and I shall give you).
[29] ﻭَﻻ ﺗَﺠﻌَﻞ ﻳَﺪَﻙَ ﻣَﻐﻠﻮﻟَﺔً
ﺇِﻟﻰٰ ﻋُﻨُﻘِﻚَ ﻭَﻻ ﺗَﺒﺴُﻄﻬﺎ ﻛُﻞَّ
ﺍﻟﺒَﺴﻂِ ﻓَﺘَﻘﻌُﺪَ ﻣَﻠﻮﻣًﺎ
ﻣَﺤﺴﻮﺭًﺍ
[29] তুমি একেবারে ব্যয়-কুষ্ঠ হয়োনা এবং
একেবারে মুক্ত হস্তও হয়ো না। তাহলে তুমি
তিরস্কৃতি, নিঃস্ব হয়ে বসে থাকবে।
[29] And let not your hand be tied (like a
miser) to your neck, nor stretch it forth
to its utmost reach (like a spendthrift), so
that you become blameworthy and in
severe poverty.
[30] ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻳَﺒﺴُﻂُ ﺍﻟﺮِّﺯﻕَ
ﻟِﻤَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻘﺪِﺭُ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ
ﺑِﻌِﺒﺎﺩِﻩِ ﺧَﺒﻴﺮًﺍ ﺑَﺼﻴﺮًﺍ
[30] নিশ্চয় তোমার পালকর্তা যাকে ইচ্ছা অধিক
জীবনোপকরণ দান করেন এবং তিনিই তা
সংকুচিতও করে দেন। তিনিই তাঁর বান্দাদের
সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত,-সব কিছু
দেখছেন।
[30] Truly, your Lord enlarges the
provision for whom He wills and
straitens (for whom He wills). Verily, He
is Ever All-Knower, All-Seer of His
slaves.
[31] ﻭَﻻ ﺗَﻘﺘُﻠﻮﺍ ﺃَﻭﻟٰﺪَﻛُﻢ ﺧَﺸﻴَﺔَ
ﺇِﻣﻠٰﻖٍ ۖ ﻧَﺤﻦُ ﻧَﺮﺯُﻗُﻬُﻢ ﻭَﺇِﻳّﺎﻛُﻢ ۚ
ﺇِﻥَّ ﻗَﺘﻠَﻬُﻢ ﻛﺎﻥَ ﺧِﻄـًٔﺎ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[31] দারিদ্রের ভয়ে তোমাদের
সন্তানদেরকে হত্যা করো না। তাদেরকে
এবং তোমাদেরকে আমিই জীবনোপকরণ
দিয়ে থাকি। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা
মারাত্নক অপরাধ।
[31] And kill not your children for fear
of poverty. We shall provide for them as
well as for you. Surely, the killing of
them is a great sin.
[32] ﻭَﻻ ﺗَﻘﺮَﺑُﻮﺍ ﺍﻟﺰِّﻧﻰٰ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻛﺎﻥَ ﻓٰﺤِﺸَﺔً ﻭَﺳﺎﺀَ ﺳَﺒﻴﻠًﺎ
[32] আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না।
নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।
[32] And come not near to the unlawful
sexual intercourse. Verily, it is a
Fâhishah [i.e. anything that transgresses
its limits (a great sin)], and an evil way
(that leads one to Hell unless Allâh
forgives him).
[33] ﻭَﻻ ﺗَﻘﺘُﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻨَّﻔﺲَ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۗ ﻭَﻣَﻦ
ﻗُﺘِﻞَ ﻣَﻈﻠﻮﻣًﺎ ﻓَﻘَﺪ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ
ﻟِﻮَﻟِﻴِّﻪِ ﺳُﻠﻄٰﻨًﺎ ﻓَﻼ ﻳُﺴﺮِﻑ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻘَﺘﻞِ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻣَﻨﺼﻮﺭًﺍ
[33] সে প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে
আল্লাহ হারাম করেছেন; কিন্তু ন্যায়ভাবে।
যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয়, আমি তার
উত্তরাধিকারীকে ক্ষমতা দান করি। অতএব,
সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন না
করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত।
[33] And do not kill anyone whose killing
Allâh has forbidden, except for a just
cause. And whoever is killed wrongfully
(Mazluman intentionally with hostility
and oppression and not by mistake), We
have given his heir the authority [(to
demand Qisâs, Law of Equality in
punishment— or to forgive, or to take
Diya (blood – money)]. But let him not
exceed limits in the matter of taking life
(i.e he should not kill except the killer).
Verily, he is helped (by the Islâmic law)
[34] ﻭَﻻ ﺗَﻘﺮَﺑﻮﺍ ﻣﺎﻝَ ﺍﻟﻴَﺘﻴﻢِ ﺇِﻟّﺎ
ﺑِﺎﻟَّﺘﻰ ﻫِﻰَ ﺃَﺣﺴَﻦُ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺒﻠُﻎَ
ﺃَﺷُﺪَّﻩُ ۚ ﻭَﺃَﻭﻓﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻌَﻬﺪِ ۖ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻌَﻬﺪَ ﻛﺎﻥَ ﻣَﺴـٔﻮﻟًﺎ
[34] আর, এতিমের মালের কাছেও যেয়ো
না, একমাত্র তার কল্যাণ আকাংখা ছাড়া; সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তির যৌবনে পদার্পন করা পর্যন্ত এবং
অঙ্গীকার পূর্ন কর। নিশ্চয় অঙ্গীকার
সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
[34] And come not near to the orphan’s
property except to improve it, until he
attains the age of full strength. And fulfil
(every) covenant. Verily! the covenant,
will be questioned about.
[35] ﻭَﺃَﻭﻓُﻮﺍ ﺍﻟﻜَﻴﻞَ ﺇِﺫﺍ ﻛِﻠﺘُﻢ
ﻭَﺯِﻧﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻘِﺴﻄﺎﺱِ ﺍﻟﻤُﺴﺘَﻘﻴﻢِ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺧَﻴﺮٌ ﻭَﺃَﺣﺴَﻦُ ﺗَﺄﻭﻳﻠًﺎ
[35] মেপে দেয়ার সময় পূর্ণ মাপে
দেবে এবং সঠিক দাঁড়িপালায় ওজন করবে। এটা
উত্তম; এর পরিণাম শুভ।
[35] And give full measure when you
measure, and weigh with a balance that
is straight. That is good (advantageous)
and better in the end.
[36] ﻭَﻻ ﺗَﻘﻒُ ﻣﺎ ﻟَﻴﺲَ ﻟَﻚَ ﺑِﻪِ
ﻋِﻠﻢٌ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ ﻭَﺍﻟﺒَﺼَﺮَ
ﻭَﺍﻟﻔُﺆﺍﺩَ ﻛُﻞُّ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻨﻪُ
ﻣَﺴـٔﻮﻟًﺎ
[36] যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই,
তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয় কান, চক্ষু ও
অন্তঃকরণ এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত
হবে।
[36] And follow not (O man i.e., say not,
or do not or witness not) that of which
you have no knowledge. Verily! The
hearing, and the sight, and the heart, of
each of those one will be questioned (by
Allâh).
[37] ﻭَﻻ ﺗَﻤﺶِ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻣَﺮَﺣًﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ ﻟَﻦ ﺗَﺨﺮِﻕَ ﺍﻷَﺭﺽَ
ﻭَﻟَﻦ ﺗَﺒﻠُﻎَ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝَ ﻃﻮﻟًﺎ
[37] পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না।
নিশ্চয় তুমি তো ভূ পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ
করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই
পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না।
[37] And walk not on the earth with
conceit and arrogance. Verily, you can
neither rend nor penetrate the earth,
nor can you attain a stature like the
mountains in height.
[38] ﻛُﻞُّ ﺫٰﻟِﻚَ ﻛﺎﻥَ ﺳَﻴِّﺌُﻪُ ﻋِﻨﺪَ
ﺭَﺑِّﻚَ ﻣَﻜﺮﻭﻫًﺎ
[38] এ সবের মধ্যে যেগুলো মন্দকাজ,
সেগুলো তোমার পালনকর্তার কাছে
অপছন্দনীয়।
[38] All the bad aspects of these (the
above mentioned things) are hateful to
your Lord.
[39] ﺫٰﻟِﻚَ ﻣِﻤّﺎ ﺃَﻭﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻚَ
ﺭَﺑُّﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺤِﻜﻤَﺔِ ۗ ﻭَﻻ ﺗَﺠﻌَﻞ
ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ ﺀﺍﺧَﺮَ ﻓَﺘُﻠﻘﻰٰ
ﻓﻰ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣَﻠﻮﻣًﺎ ﻣَﺪﺣﻮﺭًﺍ
[39] এটা ঐ হিকমতের অন্তর্ভূক্ত, যা আপনার
পালনকর্তা আপনাকে ওহী মারফত দান
করেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোন
উপাস্য স্থির করবেন না। তাহলে অভিযুক্ত ও
আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বিতাড়িত অবস্থায়
জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন।
[39] This is (part) of Al-Hikmah (wisdom,
good manners and high character) which
your Lord has revealed to you (O
Muhammad SAW ). And set not up with
Allâh any other ilâh (god) lest you should
be thrown into Hell, blameworthy and
rejected, (from Allâh’s Mercy).
[40] ﺃَﻓَﺄَﺻﻔﻯٰﻜُﻢ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﺗَّﺨَﺬَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ ﺇِﻧٰﺜًﺎ ۚ
ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻟَﺘَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻗَﻮﻟًﺎ ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[40] তোমাদের পালনকর্তা কি তোমাদের
জন্যে পুত্র সন্তান নির্ধারিত করেছেন এবং
নিজের জন্যে ফেরেশতাদেরকে
কন্যারূপে গ্রহণ করেছেন? নিশ্চয় তোমরা
গুরুতর গর্হিত কথাবার্তা বলছ।
[40] Has then your Lord (O pagans of
Makkah) preferred for you sons, and
taken for Himself from among the angels
daughters? Verily! You indeed utter an
awful saying.
[41] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺻَﺮَّﻓﻨﺎ ﻓﻰ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﻟِﻴَﺬَّﻛَّﺮﻭﺍ ﻭَﻣﺎ
ﻳَﺰﻳﺪُﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻧُﻔﻮﺭًﺍ
[41] আমি এই কোরআনে নানাভাবে বুঝিয়েছি,
যাতে তারা চিন্তা করে। অথচ এতে তাদের
কেবল বিমুখতাই বৃদ্ধি পায়।
[41] And surely, We have explained [Our
Promises, Warnings and (set forth many)
examples] in this Qur’ân that they (the
disbelievers) may take heed, but it
increases them in naught save aversion.
[42] ﻗُﻞ ﻟَﻮ ﻛﺎﻥَ ﻣَﻌَﻪُ ﺀﺍﻟِﻬَﺔٌ
ﻛَﻤﺎ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺇِﺫًﺍ ﻟَﺎﺑﺘَﻐَﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ
ﺫِﻯ ﺍﻟﻌَﺮﺵِ ﺳَﺒﻴﻠًﺎ
[42] বলুনঃ তাদের কথামত যদি তাঁর সাথে
অন্যান্য উপাস্য থাকত; তবে তারা আরশের
মালিক পর্যন্ত পৌছার পথ অন্বেষন করত।
[42] Say (O Muhammad SAW to these
polytheists, pagans): “If there had been
other âlihah (gods) along with Him as
they assert, then they would certainly
have sought out a way to the Lord of the
Throne (seeking His Pleasures and to be
near to Him).
[43] ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻭَﺗَﻌٰﻠﻰٰ ﻋَﻤّﺎ
ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻋُﻠُﻮًّﺍ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[43] তিনি নেহায়েত পবিত্র ও মহিমান্বিত এবং তারা
যা বলে থাকে তা থেকে বহু উর্ধ্বে।
[43] Glorified and High is He! From High
above (the great falsehood) that they say!
(i.e.forged statements that there are
other gods along with Allâh, but He is
Allâh, the One, the Self-Sufficient Master,
whom all creatures need. He begets not,
nor was He begotten, and there is none
comparable or coequal unto Him).
[44] ﺗُﺴَﺒِّﺢُ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕُ ﺍﻟﺴَّﺒﻊُ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽُ ﻭَﻣَﻦ ﻓﻴﻬِﻦَّ ۚ ﻭَﺇِﻥ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﺇِﻟّﺎ ﻳُﺴَﺒِّﺢُ ﺑِﺤَﻤﺪِﻩِ
ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻻ ﺗَﻔﻘَﻬﻮﻥَ ﺗَﺴﺒﻴﺤَﻬُﻢ ۗ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﺣَﻠﻴﻤًﺎ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ
[44] সপ্ত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর
মধ্যে যাকিছু আছে সমস্ত কিছু তাঁরই পবিত্রতা
ও মহিমা ঘোষণা করে। এবং এমন কিছু নেই যা
তার সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে না।
কিন্তু তাদের পবিত্রতা, মহিমা ঘোষণা তোমরা
অনুধাবন করতে পার না। নিশ্চয় তিনি অতি
সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।
[44] The seven heavens and the earth
and all that is therein, glorify Him and
there is not a thing but glorifies His
Praise. But you understand not their
glorification. Truly, He is Ever
Forbearing, Oft-Forgiving.
[45] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻗَﺮَﺃﺕَ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥَ
ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﺑَﻴﻨَﻚَ ﻭَﺑَﻴﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺣِﺠﺎﺑًﺎ
ﻣَﺴﺘﻮﺭًﺍ
[45] যখন আপনি কোরআন পাঠ করেন, তখন
আমি আপনার মধ্যে ও পরকালে
অবিশ্বাসীদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন পর্দা
ফেলে দেই।
[45] And when you (Muhammad SAW)
recite the Qur’ân, We put between you
and those who believe not in the
Hereafter, an invisible veil (or screen
their hearts, so they hear or understand
it not).
[46] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ
ﺃَﻛِﻨَّﺔً ﺃَﻥ ﻳَﻔﻘَﻬﻮﻩُ ﻭَﻓﻰ
ﺀﺍﺫﺍﻧِﻬِﻢ ﻭَﻗﺮًﺍ ۚ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺫَﻛَﺮﺕَ
ﺭَﺑَّﻚَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﻭَﺣﺪَﻩُ
ﻭَﻟَّﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﺩﺑٰﺮِﻫِﻢ ﻧُﻔﻮﺭًﺍ
[46] আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ
রেখে দেই, যাতে তারা একে উপলব্ধি
করতে না পারে এবং তাদের কর্ণকুহরে
বোঝা চাপিয়ে দেই। যখন আপনি কোরআনে
পালনকর্তার একত্ব আবৃত্তি করেন, তখন ও
অনীহাবশতঃ ওরা পৃষ্ট প্রদর্শন করে চলে
যায়।
[46] And We have put coverings over
their hearts lest, they should understand
it (the Qur’ân), and in their ears
deafness. And when you make mention
of your Lord Alone [Lâ ilâha ill-allâh
(none has the right to be worshipped but
Allâh) Islâmic Monotheism (A.S.)] in the
Qur’ân, they turn on their backs, fleeing
in extreme disliken.
[47] ﻧَﺤﻦُ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻳَﺴﺘَﻤِﻌﻮﻥَ
ﺑِﻪِ ﺇِﺫ ﻳَﺴﺘَﻤِﻌﻮﻥَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻭَﺇِﺫ
ﻫُﻢ ﻧَﺠﻮﻯٰ ﺇِﺫ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
ﺇِﻥ ﺗَﺘَّﺒِﻌﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺭَﺟُﻠًﺎ
ﻣَﺴﺤﻮﺭًﺍ
[47] যখন তারা কান পেতে আপনার কথা
শোনে, তখন তারা কেন কান পেতে তা
শোনে, তা আমি ভাল জানি এবং এও জানি
গোপনে আলোচনাকালে যখন জালেমরা
বলে, তোমরা তো এক যাদুগ্রস্থ ব্যক্তির
অনুসরণ করছ।
[47] We know best of what they listen to,
when they listen to you. And when they
take secret counsel, then the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers) say: “You
follow none but a bewitched man.”
[48] ﺍﻧﻈُﺮ ﻛَﻴﻒَ ﺿَﺮَﺑﻮﺍ ﻟَﻚَ
ﺍﻷَﻣﺜﺎﻝَ ﻓَﻀَﻠّﻮﺍ ﻓَﻼ
ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ ﺳَﺒﻴﻠًﺎ
[48] দেখুন, ওরা আপনার জন্যে কেমন
উপমা দেয়। ওরা পথভ্রষ্ট হয়েছে। অতএব,
ওরা পথ পেতে পারে না।
[48] See what examples they have put
forward for you. So they have gone
astray, and never can they find a way.
[49] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺀِﺫﺍ ﻛُﻨّﺎ ﻋِﻈٰﻤًﺎ
ﻭَﺭُﻓٰﺘًﺎ ﺃَﺀِﻧّﺎ ﻟَﻤَﺒﻌﻮﺛﻮﻥَ ﺧَﻠﻘًﺎ
ﺟَﺪﻳﺪًﺍ
[49] তারা বলেঃ যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও
চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে
সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
[49] And they say: “When we are bones
and fragments (destroyed), should we
really be resurrected (to be) a new
creation?”
[50] ۞ ﻗُﻞ ﻛﻮﻧﻮﺍ ﺣِﺠﺎﺭَﺓً ﺃَﻭ
ﺣَﺪﻳﺪًﺍ
[50] বলুনঃ তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা।
[50] Say (O Muhammad SAW) “Be you
stones or iron,”
[51] ﺃَﻭ ﺧَﻠﻘًﺎ ﻣِﻤّﺎ ﻳَﻜﺒُﺮُ ﻓﻰ
ﺻُﺪﻭﺭِﻛُﻢ ۚ ﻓَﺴَﻴَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﻦ
ﻳُﻌﻴﺪُﻧﺎ ۖ ﻗُﻞِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻓَﻄَﺮَﻛُﻢ
ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﺮَّﺓٍ ۚ ﻓَﺴَﻴُﻨﻐِﻀﻮﻥَ ﺇِﻟَﻴﻚَ
ﺭُﺀﻭﺳَﻬُﻢ ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﺘﻰٰ ﻫُﻮَ ۖ
ﻗُﻞ ﻋَﺴﻰٰ ﺃَﻥ ﻳَﻜﻮﻥَ ﻗَﺮﻳﺒًﺎ
[51] অথবা এমন কোন বস্তু, যা তোমাদের
ধারণায় খুবই কঠিন; তথাপি তারা বলবেঃ আমাদের
কে পুর্নবার কে সৃষ্টি করবে। বলুনঃ যিনি
তোমাদেরকে প্রথমবার সৃজন করেছেন।
অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং
বলবেঃ এটা কবে হবে? বলুনঃ হবে, সম্ভবতঃ
শ্রীঘ্রই।
[51] “Or some created thing that is yet
greater (or harder) in your breasts
(thoughts to be resurrected, even then
you shall be resurrected)” Then, they will
say: “Who shall bring us back (to life)?”
Say: “He Who created you first!” Then,
they will shake their heads at you and
say: “When will that be ?” Say: “Perhaps
it is near!”
[52] ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺪﻋﻮﻛُﻢ
ﻓَﺘَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﻥَ ﺑِﺤَﻤﺪِﻩِ
ﻭَﺗَﻈُﻨّﻮﻥَ ﺇِﻥ ﻟَﺒِﺜﺘُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
[52] যেদিন তিনি তোমাদেরকে আহবান
করবেন, অতঃপর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে
করতে চলে আসবে। এবং তোমরা অনুমান
করবে যে, সামান্য সময়ই অবস্থান
করেছিলে।
[52] On the Day when He will call you,
and you will answer (His Call) with
(words of) His Praise and Obedience,
and you will think that you have stayed
(in this world) but a little while!
[53] ﻭَﻗُﻞ ﻟِﻌِﺒﺎﺩﻯ ﻳَﻘﻮﻟُﻮﺍ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﻫِﻰَ ﺃَﺣﺴَﻦُ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦَ
ﻳَﻨﺰَﻍُ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦَ
ﻛﺎﻥَ ﻟِﻺِﻧﺴٰﻦِ ﻋَﺪُﻭًّﺍ ﻣُﺒﻴﻨًﺎ
[53] আমার বান্দাদেরকে বলে দিন, তারা
যেন যা উত্তম এমন কথাই বলে। শয়তান
তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধায়। নিশ্চয় শয়তান
মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।
[53] And say to My slaves (i.e. the true
believers of Islâmic Monotheism) that
they should (only) say those words that
are the best. (Because) Shaitân (Satan)
verily, sows state of conflicit and
disagreements among them. Surely,
Shaitân (Satan) is to man a plain enemy.
[54] ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻜُﻢ ۖ ﺇِﻥ ﻳَﺸَﺄ
ﻳَﺮﺣَﻤﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺇِﻥ ﻳَﺸَﺄ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻚَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻛﻴﻠًﺎ
[54] তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের
সম্পর্কে ভালভাবে জ্ঞাত আছেন। তিনি যদি
চান, তোমাদের প্রতি রহমত করবেন কিংবা যদি
চান, তোমাদের আযাব দিবেন। আমি আপনাকে
ওদের সবার তত্ত্বাবধায়ক রূপে প্রেরণ
করিনি।
[54] Your Lord knows you best, if He
wills, He will have mercy on you, or if He
wills, He will punish you. And We have
not sent you (O Muhammad SAW) as a
guardian over them.
[55] ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤَﻦ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۗ ﻭَﻟَﻘَﺪ
ﻓَﻀَّﻠﻨﺎ ﺑَﻌﺾَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲّۦﻥَ ﻋَﻠﻰٰ
ﺑَﻌﺾٍ ۖ ﻭَﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﺩﺍﻭۥﺩَ ﺯَﺑﻮﺭًﺍ
[55] আপনার পালনকর্তা তাদের সম্পর্কে
ভালভাবে জ্ঞাত আছেন, যারা আকাশসমূহে ও
ভুপৃষ্ঠে রয়েছে। আমি তো কতক
পয়গম্বরকে কতক পয়গম্বরের উপর
শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি এবং দাউদকে যবুর দান
করেছি।
[55] And your Lord knows best all who
are in the heavens and the earth. And
indeed, We have preferred some of the
Prophets above others, and to Dawûd
(David) We gave the Zabûr (Psalms).
[56] ﻗُﻞِ ﺍﺩﻋُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺯَﻋَﻤﺘُﻢ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻓَﻼ ﻳَﻤﻠِﻜﻮﻥَ ﻛَﺸﻒَ
ﺍﻟﻀُّﺮِّ ﻋَﻨﻜُﻢ ﻭَﻻ ﺗَﺤﻮﻳﻠًﺎ
[56] বলুনঃ আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে
তোমরা উপাস্য মনে কর, তাদেরকে আহবান
কর। অথচ ওরা তো তোমাদের কষ্ট দুর করার
ক্ষমতা রাখে না এবং তা পরিবর্তনও করতে
পারে না।
[56] Say (O Muhammad SAW): “Call upon
those – besides Him – whom you pretend
[to be gods like angels, Isâ (Jesus), ‘Uzair
(Ezra) and others]. They have neither the
power to remove the adversity from you
nor even to shift it from you to another
person.”
[57] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺪﻋﻮﻥَ
ﻳَﺒﺘَﻐﻮﻥَ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻬِﻢُ ﺍﻟﻮ