18. সুরাহ আল কাহাফ(01-110)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻋَﻠﻰٰ
ﻋَﺒﺪِﻩِ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﺠﻌَﻞ ﻟَﻪُ
ﻋِﻮَﺟﺎ ۜ
[1] সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার
প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে
কোন বক্রতা রাখেননি।
[1] All the praises and thanks are to
Allâh, Who has sent down to His slave
(Muhammad SAW) the Book (the
Qur’ân), and has not placed therein any
crookedness.
[2] ﻗَﻴِّﻤًﺎ ﻟِﻴُﻨﺬِﺭَ ﺑَﺄﺳًﺎ ﺷَﺪﻳﺪًﺍ
ﻣِﻦ ﻟَﺪُﻧﻪُ ﻭَﻳُﺒَﺸِّﺮَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺃَﻥَّ
ﻟَﻬُﻢ ﺃَﺟﺮًﺍ ﺣَﺴَﻨًﺎ
[2] একে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন যা আল্লাহর
পক্ষ থেকে একটি ভীষণ বিপদের ভয়
প্রদর্শন করে এবং মুমিনদেরকে যারা
সৎকর্ম সম্পাদন করে-তাদেরকে সুসংবাদ দান
করে যে, তাদের জন্যে উত্তম প্রতিদান
রয়েছে।
[2] (He has made it) Straight to give
warning (to the disbelievers) of a severe
punishment from Him, and to give glad
tidings to the believers (in the Oneness
of Allâh Islâmic Monotheism), who do
righteous – deeds, that they shall have a
fair reward (i.e. Paradise).
[3] ﻣٰﻜِﺜﻴﻦَ ﻓﻴﻪِ ﺃَﺑَﺪًﺍ
[3] তারা তাতে চিরকাল অবস্থান করবে।
[3] They shall abide therein forever.
[4] ﻭَﻳُﻨﺬِﺭَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺍﺗَّﺨَﺬَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻟَﺪًﺍ
[4] এবং তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করার
জন্যে যারা বলে যে, আল্লাহর সন্তান
রয়েছে।
[4] And to warn those (Jews, Christians,
and pagans) who say, “Allâh has
begotten a son (or offspring or
children).”
[5] ﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﺑِﻪِ ﻣِﻦ ﻋِﻠﻢٍ ﻭَﻻ
ﻝِﺀﺍﺑﺎﺋِﻬِﻢ ۚ ﻛَﺒُﺮَﺕ ﻛَﻠِﻤَﺔً
ﺗَﺨﺮُﺝُ ﻣِﻦ ﺃَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥ
ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻛَﺬِﺑًﺎ
[5] এ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই
এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরও নেই। কত কঠিন
তাদের মুখের কথা। তারা যা বলে তা তো সবই
মিথ্যা।
[5] No knowledge have they of such a
thing, nor had their fathers. Mighty is
the word that comes out of their mouths
(i.e. He begot sons and daughters). They
utter nothing but a lie.
[6] ﻓَﻠَﻌَﻠَّﻚَ ﺑٰﺨِﻊٌ ﻧَﻔﺴَﻚَ ﻋَﻠﻰٰ
ﺀﺍﺛٰﺮِﻫِﻢ ﺇِﻥ ﻟَﻢ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﺍ ﺑِﻬٰﺬَﺍ
ﺍﻟﺤَﺪﻳﺚِ ﺃَﺳَﻔًﺎ
[6] যদি তারা এই বিষয়বস্তুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না
করে, তবে তাদের পশ্চাতে সম্ভবতঃ আপনি
পরিতাপ করতে করতে নিজের প্রাণ নিপাত
করবেন।
[6] Perhaps, you, would kill yourself (O
Muhammad SAW) in grief, over their
footsteps (for their turning away from
you), because they believe not in this
narration (the Qur’ân).
[7] ﺇِﻧّﺎ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻣﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺯﻳﻨَﺔً ﻟَﻬﺎ ﻟِﻨَﺒﻠُﻮَﻫُﻢ ﺃَﻳُّﻬُﻢ
ﺃَﺣﺴَﻦُ ﻋَﻤَﻠًﺎ
[7] আমি পৃথিবীস্থ সব কিছুকে পৃথিবীর
জন্যে শোভা করেছি, যাতে লোকদের
পরীক্ষা করি যে, তাদের মধ্যে কে ভাল
কাজ করে।
[7] Verily! We have made that which is
on earth as an adornment for it, in
order that We may test them (mankind)
as to which of them are best in deeds.
[i.e.those who do good deeds in the most
perfect manner, that means to do them
(deeds) totally for Allâh’s sake and in
accordance to the legal ways of the
Prophet SAW ].
[8] ﻭَﺇِﻧّﺎ ﻟَﺠٰﻌِﻠﻮﻥَ ﻣﺎ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ
ﺻَﻌﻴﺪًﺍ ﺟُﺮُﺯًﺍ
[8] এবং তার উপর যাকিছু রয়েছে, অবশ্যই তা
আমি উদ্ভিদশূন্য মাটিতে পরিণত করে দেব।
[8] And verily! We shall make all that is
on it (the earth) a bare dry soil (without
any vegetation or trees).
[9] ﺃَﻡ ﺣَﺴِﺒﺖَ ﺃَﻥَّ ﺃَﺻﺤٰﺐَ
ﺍﻟﻜَﻬﻒِ ﻭَﺍﻟﺮَّﻗﻴﻢِ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣِﻦ
ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ﻋَﺠَﺒًﺎ
[9] আপনি কি ধারণা করেন যে, গুহা ও গর্তের
অধিবাসীরা আমার নিদর্শনাবলীর মধ্যে
বিস্ময়কর ছিল ?
[9] Do you think that the people of the
Cave and the Inscription (the news or
the names of the people of the Cave)
were a wonder among Our Signs?
[10] ﺇِﺫ ﺃَﻭَﻯ ﺍﻟﻔِﺘﻴَﺔُ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻜَﻬﻒِ ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺀﺍﺗِﻨﺎ ﻣِﻦ
ﻟَﺪُﻧﻚَ ﺭَﺣﻤَﺔً ﻭَﻫَﻴِّﺊ ﻟَﻨﺎ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِﻧﺎ ﺭَﺷَﺪًﺍ
[10] যখন যুবকরা পাহাড়ের গুহায় আশ্রয়গ্রহণ
করে তখন দোআ করেঃ হে আমাদের
পালনকর্তা, আমাদেরকে নিজের কাছ
থেকে রহমত দান করুন এবং আমাদের
জন্যে আমাদের কাজ সঠিকভাবে পূর্ণ করুন।
[10] (Remember) when the young men
fled for refuge (from their disbelieving
folk) to the Cave, They said: “Our Lord!
Bestow on us mercy from Yourself, and
facilitate for us our affair in the right
way!”
[11] ﻓَﻀَﺮَﺑﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﺀﺍﺫﺍﻧِﻬِﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻟﻜَﻬﻒِ ﺳِﻨﻴﻦَ ﻋَﺪَﺩًﺍ
[11] তখন আমি কয়েক বছরের জন্যে গুহায়
তাদের কানের উপর নিদ্রার পর্দা ফেলে
দেই।
[11] Therefore, We covered up their
(sense of) hearing (causing them, to go in
deep sleep) in the Cave for a number of
years.
[12] ﺛُﻢَّ ﺑَﻌَﺜﻨٰﻬُﻢ ﻟِﻨَﻌﻠَﻢَ ﺃَﻯُّ
ﺍﻟﺤِﺰﺑَﻴﻦِ ﺃَﺣﺼﻰٰ ﻟِﻤﺎ ﻟَﺒِﺜﻮﺍ
ﺃَﻣَﺪًﺍ
[12] অতঃপর আমি তাদেরকে পুনরত্থিত করি,
একথা জানার জন্যে যে, দুই দলের মধ্যে
কোন দল তাদের অবস্থানকাল সম্পর্কে
অধিক নির্ণয় করতে পারে।
[12] Then We raised them up (from their
sleep), that We might test which of the
two parties was best at calculating the
time period that they had tarried.
[13] ﻧَﺤﻦُ ﻧَﻘُﺺُّ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻧَﺒَﺄَﻫُﻢ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻓِﺘﻴَﺔٌ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﺯِﺩﻧٰﻬُﻢ ﻫُﺪًﻯ
[13] আপনার কাছে তাদের ইতিবৃত্তান্ত
সঠিকভাবে বর্ণনা করছি। তারা ছিল কয়েকজন
যুবক। তারা তাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস
স্থাপন করেছিল এবং আমি তাদের সৎপথে
চলার শক্তি বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।
[13] We narrate unto you (O Muhammad
SAW) their story with truth: Truly! they
were young men who believed in their
Lord (Allâh), and We increased them in
guidance.
[14] ﻭَﺭَﺑَﻄﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﺇِﺫ
ﻗﺎﻣﻮﺍ ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﺭَﺑُّﻨﺎ ﺭَﺏُّ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻟَﻦ ﻧَﺪﻋُﻮَﺍ۟
ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ ۖ ﻟَﻘَﺪ ﻗُﻠﻨﺎ ﺇِﺫًﺍ
ﺷَﻄَﻄًﺎ
[14] আমি তাদের মন দৃঢ় করেছিলাম, যখন তারা
উঠে দাঁড়িয়েছিল। অতঃপর তারা বললঃ আমাদের
পালনকর্তা আসমান ও যমীনের পালনকর্তা
আমরা কখনও তার পরিবর্তে অন্য কোন
উপাস্যকে আহবান করব না। যদি করি, তবে তা
অত্যন্ত গর্হিত কাজ হবে।
[14] And We made their hearts firm and
strong (with the light of Faith in Allâh
and bestowed upon them patience to
bear the separation of their kith and kin
and dwellings) when they stood up and
said: “Our Lord is the Lord of the
heavens and the earth, never shall we
call upon any ilâh (god) other than Him;
if we did, we should indeed have uttered
an enormity in disbelief.
[15] ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﻗَﻮﻣُﻨَﺎ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﻣِﻦ
ﺩﻭﻧِﻪِ ﺀﺍﻟِﻬَﺔً ۖ ﻟَﻮﻻ ﻳَﺄﺗﻮﻥَ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺑِﺴُﻠﻄٰﻦٍ ﺑَﻴِّﻦٍ ۖ ﻓَﻤَﻦ
ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻛَﺬِﺑًﺎ
[15] এরা আমাদেরই স্ব-জাতি, এরা তাঁর
পরিবর্তে অনেক উপাস্য গ্রহণ করেছে।
তারা এদের সম্পর্কে প্রকাশ্য প্রমাণ
উপস্থিত করে না কেন? যে আল্লাহ
সম্পর্কে মিথ্যা উদ্ভাবন করে, তার চাইতে
অধিক গোনাহগার আর কে?
[15] “These our people have taken for
worship âlihah (gods) other than Him
(Allâh). Why do they not bring for them
a clear authority? And who does more
wrong than he who invents a lie against
Allâh.
[16] ﻭَﺇِﺫِ ﺍﻋﺘَﺰَﻟﺘُﻤﻮﻫُﻢ ﻭَﻣﺎ
ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻓَﺄﻭۥﺍ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻜَﻬﻒِ ﻳَﻨﺸُﺮ ﻟَﻜُﻢ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺭَﺣﻤَﺘِﻪِ ﻭَﻳُﻬَﻴِّﺊ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِﻛُﻢ ﻣِﺮﻓَﻘًﺎ
[16] তোমরা যখন তাদের থেকে পৃথক
হলে এবং তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের
এবাদত করে তাদের থেকে, তখন তোমরা
গুহায় আশ্রয়গ্রহণ কর। তোমাদের পালনকর্তা
তোমাদের জন্যে দয়া বিস্তার করবেন এবং
তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের কাজ
কর্মকে ফলপ্রসু করার ব্যবস্থা করবেন।
[16] (The young men said to one
another): “And when you withdraw from
them, and that which they worship,
except Allâh, then seek refuge in the
Cave, your Lord will open a way for you
from His Mercy and will make easy for
you your affair (i.e. will give you what
you will need of provision, dwelling).”
[17] ۞ ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﺇِﺫﺍ
ﻃَﻠَﻌَﺖ ﺗَﺰٰﻭَﺭُ ﻋَﻦ ﻛَﻬﻔِﻬِﻢ
ﺫﺍﺕَ ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ ﻭَﺇِﺫﺍ ﻏَﺮَﺑَﺖ
ﺗَﻘﺮِﺿُﻬُﻢ ﺫﺍﺕَ ﺍﻟﺸِّﻤﺎﻝِ ﻭَﻫُﻢ
ﻓﻰ ﻓَﺠﻮَﺓٍ ﻣِﻨﻪُ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻣِﻦ
ﺀﺍﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻣَﻦ ﻳَﻬﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻬُﻮَ
ﺍﻟﻤُﻬﺘَﺪِ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﻀﻠِﻞ ﻓَﻠَﻦ
ﺗَﺠِﺪَ ﻟَﻪُ ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻣُﺮﺷِﺪًﺍ
[17] তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয়,
তাদের গুহা থেকে পাশ কেটে ডান দিকে
চলে যায় এবং যখন অস্ত যায়, তাদের থেকে
পাশ কেটে বামদিকে চলে যায়, অথচ তারা
গুহার প্রশস্ত চত্বরে অবস্থিত। এটা আল্লাহর
নিদর্শনাবলীর অন্যতম। আল্লাহ যাকে
সৎপথে চালান, সেই সৎপথ প্রাপ্ত এবং তিনি
যাকে পথভ্রষ্ট করেন, আপনি কখনও তার
জন্যে পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী
পাবেন না।
[17] And you might have seen the sun,
when it rose, declining to the right from
their Cave, and when it set, turning
away from them to the left, while they
lay in the midst of the Cave. That is (one)
of the Ayât (proofs, evidences, signs) of
Allâh. He whom Allâh guides, is rightly
guided; but he whom He sends astray,
for him you will find no Walî (guiding
friend) to lead him (to the right Path).
[18] ﻭَﺗَﺤﺴَﺒُﻬُﻢ ﺃَﻳﻘﺎﻇًﺎ ﻭَﻫُﻢ
ﺭُﻗﻮﺩٌ ۚ ﻭَﻧُﻘَﻠِّﺒُﻬُﻢ ﺫﺍﺕَ ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ
ﻭَﺫﺍﺕَ ﺍﻟﺸِّﻤﺎﻝِ ۖ ﻭَﻛَﻠﺒُﻬُﻢ
ﺑٰﺴِﻂٌ ﺫِﺭﺍﻋَﻴﻪِ ﺑِﺎﻟﻮَﺻﻴﺪِ ۚ ﻟَﻮِ
ﺍﻃَّﻠَﻌﺖَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻟَﻮَﻟَّﻴﺖَ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻓِﺮﺍﺭًﺍ ﻭَﻟَﻤُﻠِﺌﺖَ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺭُﻋﺒًﺎ
[18] তুমি মনে করবে তারা জাগ্রত, অথচ তারা
নিদ্রিত। আমি তাদেরকে পার্শ্ব পরিবর্তন করাই
ডান দিকে ও বাম দিকে। তাদের কুকুর ছিল
সামনের পা দুটি গুহাদ্বারে প্রসারিত করে। যদি
তুমি উঁকি দিয়ে তাদেরকে দেখতে, তবে
পেছন ফিরে পলায়ন করতে এবং তাদের
ভয়ে আতংক গ্রস্ত হয়ে পড়তে।
[18] And you would have thought them
awake, whereas they were asleep. And
We turned them on their right and on
their left sides, and their dog stretching
forth his two forelegs at the entrance [of
the Cave or in the space near to the
entrance of the Cave (as a guard at the
gate)]. Had you looked at them, you
would certainly have turned back from
them in flight, and would certainly have
been filled with awe of them
[19] ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺑَﻌَﺜﻨٰﻬُﻢ
ﻟِﻴَﺘَﺴﺎﺀَﻟﻮﺍ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ۚ ﻗﺎﻝَ ﻗﺎﺋِﻞٌ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻛَﻢ ﻟَﺒِﺜﺘُﻢ ۖ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﺒِﺜﻨﺎ
ﻳَﻮﻣًﺎ ﺃَﻭ ﺑَﻌﺾَ ﻳَﻮﻡٍ ۚ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻟَﺒِﺜﺘُﻢ
ﻓَﺎﺑﻌَﺜﻮﺍ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢ ﺑِﻮَﺭِﻗِﻜُﻢ
ﻫٰﺬِﻩِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ ﻓَﻠﻴَﻨﻈُﺮ
ﺃَﻳُّﻬﺎ ﺃَﺯﻛﻰٰ ﻃَﻌﺎﻣًﺎ ﻓَﻠﻴَﺄﺗِﻜُﻢ
ﺑِﺮِﺯﻕٍ ﻣِﻨﻪُ ﻭَﻟﻴَﺘَﻠَﻄَّﻒ ﻭَﻻ
ﻳُﺸﻌِﺮَﻥَّ ﺑِﻜُﻢ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[19] আমি এমনি ভাবে তাদেরকে জাগ্রত
করলাম, যাতে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করে।
তাদের একজন বললঃ তোমরা কতকাল অবস্থান
করেছ? তাদের কেউ বললঃ একদিন অথবা
একদিনের কিছু অংশ অবস্থান করছি। কেউ
কেউ বললঃ তোমাদের পালনকর্তাই ভাল
জানেন তোমরা কতকাল অবস্থান করেছ।
এখন তোমাদের একজনকে তোমাদের এই
মুদ্রাসহ শহরে প্রেরণ কর; সে যেন
দেখে কোন খাদ্য পবিত্র। অতঃপর তা
থেকে যেন কিছু খাদ্য নিয়ে আসে
তোমাদের জন্য; সে যেন নম্রতা সহকারে
যায় ও কিছুতেই যেন তোমাদের খবর
কাউকে না জানায়।
[19] Likewise, We awakened them (from
their long deep sleep) that they might
question one another. A speaker from
among them said: “How long have you
stayed (here)?” They said: “We have
stayed (perhaps) a day or part of a day.”
They said: “Your Lord (Alone) knows
best how long you have stayed (here). So
send one of you with this silver coin of
yours to the town, and let him find out
which is the good lawful food, and bring
some of that to you. And let him be
careful and let no man know of you
[20] ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﺇِﻥ ﻳَﻈﻬَﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻳَﺮﺟُﻤﻮﻛُﻢ ﺃَﻭ ﻳُﻌﻴﺪﻭﻛُﻢ ﻓﻰ
ﻣِﻠَّﺘِﻬِﻢ ﻭَﻟَﻦ ﺗُﻔﻠِﺤﻮﺍ ﺇِﺫًﺍ ﺃَﺑَﺪًﺍ
[20] তারা যদি তোমাদের খবর জানতে পারে,
তবে পাথর মেরে তোমাদেরকে হত্যা
করবে, অথবা তোমাদেরকে তাদের ধর্মে
ফিরিয়ে নেবে। তাহলে তোমরা কখনই
সাফল্য লাভ করবে না।
[20] “For if they come to know of you,
they will stone you (to death or abuse
and harm you) or turn you back to their
religion, and in that case you will never
be successful.”
[21] ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺃَﻋﺜَﺮﻧﺎ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻟِﻴَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﻭَﻋﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺣَﻖٌّ
ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔَ ﻻ ﺭَﻳﺐَ ﻓﻴﻬﺎ ﺇِﺫ
ﻳَﺘَﻨٰﺰَﻋﻮﻥَ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﺃَﻣﺮَﻫُﻢ ۖ
ﻓَﻘﺎﻟُﻮﺍ ﺍﺑﻨﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺑُﻨﻴٰﻨًﺎ ۖ
ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻬِﻢ ۚ ﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻏَﻠَﺒﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻣﺮِﻫِﻢ ﻟَﻨَﺘَّﺨِﺬَﻥَّ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻣَﺴﺠِﺪًﺍ
[21] এমনিভাবে আমি তাদের খবর প্রকাশ
করে দিলাম, যাতে তারা জ্ঞাত হয় যে,
আল্লাহর ওয়াদা সত্য এবং কেয়ামতে কোন
সন্দেহ নেই। যখন তারা নিজেদের কর্তব্য
বিষয়ে পরস্পর বিতর্ক করছিল, তখন তারা বললঃ
তাদের উপর সৌধ নির্মাণ কর। তাদের
পালনকর্তা তাদের বিষয়ে ভাল জানেন।
তাদের কর্তব্য বিষয়ে যাদের মত প্রবল
হল, তারা বললঃ আমরা অবশ্যই তাদের স্থানে
মসজিদ নির্মান করব।
[21] And thus We made their case known
to (the people), that they might know that
the Promise of Allâh is true, and that
there can be no doubt about the Hour.
(Remember) when they (the people of the
city) disputed among themselves about
their case, they said: “Construct a
building over them, their Lord knows
best about them,” (then) those who won
their point said (most probably the
disbelievers): “We verily shall build a
place of worship over them.”
[22] ﺳَﻴَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺛَﻠٰﺜَﺔٌ ﺭﺍﺑِﻌُﻬُﻢ
ﻛَﻠﺒُﻬُﻢ ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺧَﻤﺴَﺔٌ
ﺳﺎﺩِﺳُﻬُﻢ ﻛَﻠﺒُﻬُﻢ ﺭَﺟﻤًﺎ
ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ ۖ ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺳَﺒﻌَﺔٌ
ﻭَﺛﺎﻣِﻨُﻬُﻢ ﻛَﻠﺒُﻬُﻢ ۚ ﻗُﻞ ﺭَﺑّﻰ
ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻌِﺪَّﺗِﻬِﻢ ﻣﺎ ﻳَﻌﻠَﻤُﻬُﻢ ﺇِﻟّﺎ
ﻗَﻠﻴﻞٌ ۗ ﻓَﻼ ﺗُﻤﺎﺭِ ﻓﻴﻬِﻢ ﺇِﻟّﺎ
ﻣِﺮﺍﺀً ﻇٰﻬِﺮًﺍ ﻭَﻻ ﺗَﺴﺘَﻔﺖِ
ﻓﻴﻬِﻢ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[22] অজ্ঞাত বিষয়ে অনুমানের উপর ভিত্তি
করে এখন তারা বলবেঃ তারা ছিল তিন জন;
তাদের চতুর্থটি তাদের কুকুর। একথাও বলবে;
তারা পাঁচ জন। তাদের ছষ্ঠটি ছিল তাদের কুকুর।
আরও বলবেঃ তারা ছিল সাত জন। তাদের
অষ্টমটি ছিল তাদের কুকুর। বলুনঃ আমার
পালনকর্তা তাদের সংখ্যা ভাল জানেন। তাদের
খবর অল্প লোকই জানে। সাধারণ আলোচনা
ছাড়া আপনি তাদের সম্পর্কে বিতর্ক করবেন
না এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে তাদের
কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ ও করবেন না।
[22] (Some) say they were three, the dog
being the fourth among them; and
(others) say they were five, the dog being
the sixth, guessing at the unseen; (yet
others) say they were seven, the dog
being the eighth. Say (O Muhammad
SAW): “My Lord knows best their
number; none knows them but a few.” So
debate not (about their number) except
with the clear proof (which We have
revealed to you). And consult not any of
them (people of the Scripture, Jews and
Christians) about (the affair of) the
people of the Cave.
[23] ﻭَﻻ ﺗَﻘﻮﻟَﻦَّ ﻟِﺸَﺎ۟ﻱﺀٍ ﺇِﻧّﻰ
ﻓﺎﻋِﻞٌ ﺫٰﻟِﻚَ ﻏَﺪًﺍ
[23] আপনি কোন কাজের বিষয়ে বলবেন না
যে, সেটি আমি আগামী কাল করব।
[23] And never say of anything, “I shall
do such and such thing tomorrow.”
[24] ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻳَﺸﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻭَﺍﺫﻛُﺮ
ﺭَﺑَّﻚَ ﺇِﺫﺍ ﻧَﺴﻴﺖَ ﻭَﻗُﻞ ﻋَﺴﻰٰ
ﺃَﻥ ﻳَﻬﺪِﻳَﻦِ ﺭَﺑّﻰ ﻟِﺄَﻗﺮَﺏَ ﻣِﻦ
ﻫٰﺬﺍ ﺭَﺷَﺪًﺍ
[24] ‘আল্লাহ ইচ্ছা করলে’ বলা ব্যতিরেকে।
যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে
স্মরণ করুন এবং বলুনঃ আশা করি আমার পালনকর্তা
আমাকে এর চাইতেও নিকটতম সত্যের পথ
নির্দেশ করবেন।
[24] Except (with the saying), “If Allâh
will!” And remember your Lord when
you forget and say: “It may be that my
Lord guides me unto a nearer way of
truth than this.”
[25] ﻭَﻟَﺒِﺜﻮﺍ ﻓﻰ ﻛَﻬﻔِﻬِﻢ ﺛَﻠٰﺚَ
ﻣِﺎ۟ﺋَﺔٍ ﺳِﻨﻴﻦَ ﻭَﺍﺯﺩﺍﺩﻭﺍ ﺗِﺴﻌًﺎ
[25] তাদের উপর তাদের গুহায় তিনশ বছর,
অতিরিক্ত আরও নয় বছর অতিবাহিত হয়েছে।
[25] And they stayed in their Cave three
hundred (solar) years, and adding nine
(for lunar years). (Tafsir Al-Qurtubi)
[26] ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻟَﺒِﺜﻮﺍ ۖ
ﻟَﻪُ ﻏَﻴﺐُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ
ﺃَﺑﺼِﺮ ﺑِﻪِ ﻭَﺃَﺳﻤِﻊ ۚ ﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣِﻦ ﻭَﻟِﻰٍّ ﻭَﻻ ﻳُﺸﺮِﻙُ ﻓﻰ
ﺣُﻜﻤِﻪِ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[26] বলুনঃ তারা কতকাল অবস্থান করেছে, তা
আল্লাহই ভাল জানেন। নভোমন্ডল ও
ভুমন্ডলের অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান তাঁরই
কাছে রয়েছে। তিনি কত চমৎকার দেখেন
ও শোনেন। তিনি ব্যতীত তাদের জন্য
কোন সাহায্যকারী নেই। তিনি কাউকে নিজ
কর্তৃত্বে শরীক করেন না।
[26] Say: “Allâh knows best how long
they stayed. With Him is (the knowledge
of) the unseen of the heavens and the
earth. How clearly He sees, and hears
(everything)! They have no Walî (Helper,
Disposer of affairs, Protector) other than
Him, and He makes none to share in His
Decision and His Rule.”
[27] ﻭَﺍﺗﻞُ ﻣﺎ ﺃﻭﺣِﻰَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦ
ﻛِﺘﺎﺏِ ﺭَﺑِّﻚَ ۖ ﻻ ﻣُﺒَﺪِّﻝَ ﻟِﻜَﻠِﻤٰﺘِﻪِ
ﻭَﻟَﻦ ﺗَﺠِﺪَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣُﻠﺘَﺤَﺪًﺍ
[27] আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে,
কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন।
তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে
ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল
পাবেন না।
[27] And recite what has been revealed
to you (O Muhammad SAW) of the Book
(the Qur’ân) of your Lord (i.e. recite it,
understand and follow its teachings and
act on its orders and preach it to men).
None can change His Words, and none
will you find as a refuge other than Him.
[28] ﻭَﺍﺻﺒِﺮ ﻧَﻔﺴَﻚَ ﻣَﻊَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺪﻋﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﻐَﺪﻭٰﺓِ
ﻭَﺍﻟﻌَﺸِﻰِّ ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ ﻭَﺟﻬَﻪُ ۖ ﻭَﻻ
ﺗَﻌﺪُ ﻋَﻴﻨﺎﻙَ ﻋَﻨﻬُﻢ ﺗُﺮﻳﺪُ ﺯﻳﻨَﺔَ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﻻ ﺗُﻄِﻊ ﻣَﻦ
ﺃَﻏﻔَﻠﻨﺎ ﻗَﻠﺒَﻪُ ﻋَﻦ ﺫِﻛﺮِﻧﺎ ﻭَﺍﺗَّﺒَﻊَ
ﻫَﻮﻯٰﻪُ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺃَﻣﺮُﻩُ ﻓُﺮُﻃًﺎ
[28] আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে
আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের
পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের
উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব
জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের
থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না।
যার মনকে আমার স্মরণ থেকে গাফেল
করে দিয়েছি, যে, নিজের প্রবৃত্তির
অনুসরণ করে এবং যার কার্য কলাপ হচ্ছে
সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার অনুগত্য
করবেন না।
[28] And keep yourself (O Muhammad
SAW) patiently with those who call on
their Lord (i.e. your companions who
remember their Lord with glorification,
praising in prayers, and other righteous
deeds) morning and afternoon, seeking
His Face, and let not your eyes overlook
them, desiring the pomp and glitter of
the life of the world; and obey not him
whose heart We have made heedless of
Our Remembrance, and who follows his
own lusts and whose affair (deeds) has
been lost.
[29] ﻭَﻗُﻞِ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻜُﻢ ۖ
ﻓَﻤَﻦ ﺷﺎﺀَ ﻓَﻠﻴُﺆﻣِﻦ ﻭَﻣَﻦ
ﺷﺎﺀَ ﻓَﻠﻴَﻜﻔُﺮ ۚ ﺇِﻧّﺎ ﺃَﻋﺘَﺪﻧﺎ
ﻟِﻠﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ ﻧﺎﺭًﺍ ﺃَﺣﺎﻁَ ﺑِﻬِﻢ
ﺳُﺮﺍﺩِﻗُﻬﺎ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﺴﺘَﻐﻴﺜﻮﺍ
ﻳُﻐﺎﺛﻮﺍ ﺑِﻤﺎﺀٍ ﻛَﺎﻟﻤُﻬﻞِ ﻳَﺸﻮِﻯ
ﺍﻟﻮُﺟﻮﻩَ ۚ ﺑِﺌﺲَ ﺍﻟﺸَّﺮﺍﺏُ
ﻭَﺳﺎﺀَﺕ ﻣُﺮﺗَﻔَﻘًﺎ
[29] বলুনঃ সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা, বিশ্বাস
স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। আমি
জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে
রেখেছি, যার বেষ্টনী তাদের কে
পরিবেষ্টন করে থাকবে। যদি তারা পানীয়
প্রার্থনা করে, তবে পুঁজের ন্যায় পানীয়
দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে।
কত নিকৃষ্ট পানীয় এবং খুবই মন্দ আশ্রয়।
[29] And say: “The truth is from your
Lord.” Then whosoever wills, let him
believe, and whosoever wills, let him
disbelieve. Verily, We have prepared for
the Zâlimûn (polytheists and wrong-
doers), a Fire whose walls will be
surrounding them (disbelievers in the
Oneness of Allâh). And if they ask for
help (relief, water) they will be granted
water like boiling oil, that will scald
their faces. Terrible is the drink, and an
evil Murtafaq (dwelling, resting place)!
[30] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺇِﻧّﺎ ﻻ ﻧُﻀﻴﻊُ ﺃَﺟﺮَ
ﻣَﻦ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﻋَﻤَﻠًﺎ
[30] যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম
সম্পাদন করে আমি সৎকর্মশীলদের
পুরস্কার নষ্ট করি না।
[30] Verily As for those who believed and
did righteous deeds, certainly We shall
not make to be lost the reward of anyone
who does his (righteous) deeds in the
most perfect manner.
[31] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ ﺟَﻨّٰﺖُ ﻋَﺪﻥٍ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬِﻢُ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ
ﻳُﺤَﻠَّﻮﻥَ ﻓﻴﻬﺎ ﻣِﻦ ﺃَﺳﺎﻭِﺭَ ﻣِﻦ
ﺫَﻫَﺐٍ ﻭَﻳَﻠﺒَﺴﻮﻥَ ﺛِﻴﺎﺑًﺎ ﺧُﻀﺮًﺍ
ﻣِﻦ ﺳُﻨﺪُﺱٍ ﻭَﺇِﺳﺘَﺒﺮَﻕٍ
ﻣُﺘَّﻜِـٔﻴﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻷَﺭﺍﺋِﻚِ ۚ
ﻧِﻌﻢَ ﺍﻟﺜَّﻮﺍﺏُ ﻭَﺣَﺴُﻨَﺖ
ﻣُﺮﺗَﻔَﻘًﺎ
[31] তাদেরই জন্যে আছে বসবাসের
জান্নাত। তাদের পাদদেশে প্রবাহিত হয়
নহরসমূহ। তাদের তথায় স্বর্ণ-কংকনে অলংকৃত
করা হবে এবং তারা পাতলা ও মোটা রেশমের
সবুজ কাপর পরিধান করবে এমতাবস্থায় যে, তারা
সিংহাসনে সমাসীন হবে। চমৎকার প্রতিদান এবং
কত উত্তম আশ্রয়।
[31] These! For them will be ‘Adn (Eden)
Paradise (everlasting Gardens); wherein
rivers flow underneath them, therein
they will be adorned with bracelets of
gold, and they will wear green garments
of fine and thick silk. They will recline
therein on raised thrones. How good is
the reward, and what an excellent
Murtafaq (dwelling, resting place)!
[32] ۞ ﻭَﺍﺿﺮِﺏ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﺜَﻠًﺎ
ﺭَﺟُﻠَﻴﻦِ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻟِﺄَﺣَﺪِﻫِﻤﺎ
ﺟَﻨَّﺘَﻴﻦِ ﻣِﻦ ﺃَﻋﻨٰﺐٍ ﻭَﺣَﻔَﻔﻨٰﻬُﻤﺎ
ﺑِﻨَﺨﻞٍ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﺯَﺭﻋًﺎ
[32] আপনি তাদের কাছে দু ব্যক্তির উদাহরণ
বর্ণনা করুন। আমি তাদের একজনকে দুটি
আঙ্গুরের বাগান দিয়েছি এবং এ দু’টিকে
খর্জুর বৃক্ষ দ্বারা পরিবেষ্টিত করেছি এবং দু
এর মাঝখানে করেছি শস্যক্ষেত্র।
[32] And put forward to them the
example of two men; unto one of them
We had given two gardens of grapes, and
We had surrounded both with date-
palms; and had put between them green
crops (cultivated fields).
[33] ﻛِﻠﺘَﺎ ﺍﻟﺠَﻨَّﺘَﻴﻦِ ﺀﺍﺗَﺖ
ﺃُﻛُﻠَﻬﺎ ﻭَﻟَﻢ ﺗَﻈﻠِﻢ ﻣِﻨﻪُ ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ
ﻭَﻓَﺠَّﺮﻧﺎ ﺧِﻠٰﻠَﻬُﻤﺎ ﻧَﻬَﺮًﺍ
[33] উভয় বাগানই ফলদান করে এবং তা থেকে
কিছুই হ্রাস করত না এবং উভয়ের ফাঁকে ফাঁকে
আমি নহর প্রবাহিত করেছি।
[33] Each of those two gardens brought
forth its produce, and failed not in the
least therein, and We caused a river to
gush forth in the midst of them.
[34] ﻭَﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﺛَﻤَﺮٌ ﻓَﻘﺎﻝَ
ﻟِﺼٰﺤِﺒِﻪِ ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﺤﺎﻭِﺭُﻩُ ﺃَﻧﺎ۠
ﺃَﻛﺜَﺮُ ﻣِﻨﻚَ ﻣﺎﻟًﺎ ﻭَﺃَﻋَﺰُّ ﻧَﻔَﺮًﺍ
[34] সে ফল পেল। অতঃপর কথা প্রসঙ্গে
সঙ্গীকে বললঃ আমার ধন-সম্পদ তোমার
চাইতে বেশী এবং জনবলে আমি অধিক
শক্তিশালী।
[34] And he had property (or fruit) and
he said to his companion, in the course
of mutual talk: I am more than you in
wealth and stronger in respect of
men.” [See Tafsir Qurtubî].
[35] ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﺟَﻨَّﺘَﻪُ ﻭَﻫُﻮَ ﻇﺎﻟِﻢٌ
ﻟِﻨَﻔﺴِﻪِ ﻗﺎﻝَ ﻣﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺃَﻥ ﺗَﺒﻴﺪَ
ﻫٰﺬِﻩِ ﺃَﺑَﺪًﺍ
[35] নিজের প্রতি জুলুম করে সে তার
বাগানে প্রবেশ করল। সে বললঃ আমার মনে
হয় না যে, এ বাগান কখনও ধ্বংস হয়ে যাবে।
[35] And he went into his garden while
in a state (of pride and disbelief) unjust
to himself. He said: “I think not that this
will ever perish.
[36] ﻭَﻣﺎ ﺃَﻇُﻦُّ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔَ ﻗﺎﺋِﻤَﺔً
ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺭُﺩِﺩﺕُ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑّﻰ ﻟَﺄَﺟِﺪَﻥَّ
ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻨﻬﺎ ﻣُﻨﻘَﻠَﺒًﺎ
[36] এবং আমি মনে করি না যে, কেয়ামত
অনুষ্ঠিত হবে। যদি কখনও আমার পালনকর্তার
কাছে আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়, তবে
সেখানে এর চাইতে উৎকৃষ্ট পাব।
[36] “And I think not the Hour will ever
come, and if indeed I am brought back to
my Lord, (on the Day of Resurrection), I
surely shall find better than this when I
return to Him.”
[37] ﻗﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﺻﺎﺣِﺒُﻪُ ﻭَﻫُﻮَ
ﻳُﺤﺎﻭِﺭُﻩُ ﺃَﻛَﻔَﺮﺕَ ﺑِﺎﻟَّﺬﻯ
ﺧَﻠَﻘَﻚَ ﻣِﻦ ﺗُﺮﺍﺏٍ ﺛُﻢَّ ﻣِﻦ
ﻧُﻄﻔَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺳَﻮّﻯٰﻚَ ﺭَﺟُﻠًﺎ
[37] তার সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বললঃ
তুমি তাঁকে অস্বীকার করছ, যিনি তোমাকে
সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য
থেকে, অতঃপর র্পূনাঙ্গ করেছেন
তোমাকে মানবাকৃতিতে?
[37] His companion said to him, during
the talk with him: “Do you disbelieve in
Him Who created you out of dust (i.e.
your father Adam), then out of Nutfah
(mixed semen drops of male and female
discharge), then fashioned you into a
man?
[38] ﻟٰﻜِﻨّﺎ۠ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑّﻰ ﻭَﻻ
ﺃُﺷﺮِﻙُ ﺑِﺮَﺑّﻰ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[38] কিন্তু আমি তো একথাই বলি, আল্লাহই
আমার পালনকর্তা এবং আমি কাউকে আমার
পালনকর্তার শরীক মানি না।
[38] “But as for my part (I believe) that
He is Allâh, my Lord and none shall I
associate as partner with my Lord.
[39] ﻭَﻟَﻮﻻ ﺇِﺫ ﺩَﺧَﻠﺖَ ﺟَﻨَّﺘَﻚَ
ﻗُﻠﺖَ ﻣﺎ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻟّﺎ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺇِﻥ ﺗَﺮَﻥِ ﺃَﻧﺎ۠ ﺃَﻗَﻞَّ ﻣِﻨﻚَ
ﻣﺎﻟًﺎ ﻭَﻭَﻟَﺪًﺍ
[39] যদি তুমি আমাকে ধনে ও সন্তানে
তোমার চাইতে কম দেখ, তবে যখন তুমি
তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন একথা
কেন বললে না; আল্লাহ যা চান, তাই হয়।
আল্লাহর দেয়া ব্যতীত কোন শক্তি নেই।
[39] It was better for you to say, when
you entered your garden: ‘That which
Allâh wills (will come to pass)! There is
no power but with Allâh ‘. If you see me
less than you in wealth, and children.
[40] ﻓَﻌَﺴﻰٰ ﺭَﺑّﻰ ﺃَﻥ ﻳُﺆﺗِﻴَﻦِ
ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻦ ﺟَﻨَّﺘِﻚَ ﻭَﻳُﺮﺳِﻞَ
ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﺣُﺴﺒﺎﻧًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻓَﺘُﺼﺒِﺢَ ﺻَﻌﻴﺪًﺍ ﺯَﻟَﻘًﺎ
[40] আশাকরি আমার পালকর্তা আমাকে তোমার
বাগান অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর কিছু দেবেন এবং
তার (তোমার বাগানের) উপর আসমান থেকে
আগুন প্রেরণ করবেন। অতঃপর সকাল
বেলায় তা পরিষ্কার ময়দান হয়ে যাবে।
[40] “It may be that my Lord will give me
something better than your garden, and
will send on it Husbân (torment, bolt)
from the sky, then it will be a slippery
earth
[41] ﺃَﻭ ﻳُﺼﺒِﺢَ ﻣﺎﺅُﻫﺎ ﻏَﻮﺭًﺍ
ﻓَﻠَﻦ ﺗَﺴﺘَﻄﻴﻊَ ﻟَﻪُ ﻃَﻠَﺒًﺎ
[41] অথবা সকালে তার পানি শুকিয়ে যাবে।
অতঃপর তুমি তা তালাশ করে আনতে পারবে না।
[41] “Or the water thereof (of the
gardens) becomes deep-sunken
(underground) so that you will never be
able to seek it.”
[42] ﻭَﺃُﺣﻴﻂَ ﺑِﺜَﻤَﺮِﻩِ ﻓَﺄَﺻﺒَﺢَ
ﻳُﻘَﻠِّﺐُ ﻛَﻔَّﻴﻪِ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻖَ
ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻫِﻰَ ﺧﺎﻭِﻳَﺔٌ ﻋَﻠﻰٰ
ﻋُﺮﻭﺷِﻬﺎ ﻭَﻳَﻘﻮﻝُ ﻳٰﻠَﻴﺘَﻨﻰ ﻟَﻢ
ﺃُﺷﺮِﻙ ﺑِﺮَﺑّﻰ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[42] অতঃপর তার সব ফল ধ্বংস হয়ে গেল এবং
সে তাতে যা ব্যয় করেছিল, তার জন্য
সকালে হাত কচলিয়ে আক্ষেপ করতে
লাগল। বাগনটি কাঠসহ পুড়ে গিয়েছিল। সে
বলতে লাগলঃ হায়, আমি যদি কাউকে আমার
পালনকর্তার সাথে শরীক না করতাম।
[42] So his fruits were encircled (with
ruin). And he remained clapping his
hands (with sorrow) over what he had
spent upon it, while it was all destroyed
on its trellises, he could only say: “Would
that I had ascribed no partners to my
Lord!” [Tafsir Ibn Kathîr]
[43] ﻭَﻟَﻢ ﺗَﻜُﻦ ﻟَﻪُ ﻓِﺌَﺔٌ
ﻳَﻨﺼُﺮﻭﻧَﻪُ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻣﺎ
ﻛﺎﻥَ ﻣُﻨﺘَﺼِﺮًﺍ
[43] আল্লাহ ব্যতীত তাকে সাহায্য করার
কোন লোক হল না এবং সে নিজেও প্রতিকার
করতে পারল না।
[43] And he had no group of men to help
him against Allâh, nor could he defend
(or save) himself.
[44] ﻫُﻨﺎﻟِﻚَ ﺍﻟﻮَﻟٰﻴَﺔُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟﺤَﻖِّ ۚ
ﻫُﻮَ ﺧَﻴﺮٌ ﺛَﻮﺍﺑًﺎ ﻭَﺧَﻴﺮٌ ﻋُﻘﺒًﺎ
[44] এরূপ ক্ষেত্রে সব অধিকার সত্য
আল্লাহর। তারই পুরস্কার উত্তম এবং তারই
প্রদত্ত প্রতিদান শ্রেষ্ঠ।
[44] There (on the Day of Resurrection),
Al-Walâyah (protection, power, authority
and kingdom) will be for Allâh (Alone),
the – True God. He (Allâh) is the Best for
reward and the Best for the final end.
(Lâ ilâha ill-allâh none has the right to
be worshipped but Allâh).
[45] ﻭَﺍﺿﺮِﺏ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﺜَﻞَ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻛَﻤﺎﺀٍ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻓَﺎﺧﺘَﻠَﻂَ ﺑِﻪِ
ﻧَﺒﺎﺕُ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻓَﺄَﺻﺒَﺢَ ﻫَﺸﻴﻤًﺎ
ﺗَﺬﺭﻭﻩُ ﺍﻟﺮِّﻳٰﺢُ ۗ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻣُﻘﺘَﺪِﺭًﺍ
[45] তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা
বর্ণনা করুন। তা পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ
থেকে নাযিল করি। অতঃপর এর সংমিশ্রণে
শ্যামল সবুজ ভূমিজ লতা-পাতা নির্গত হয়; অতঃপর
তা এমন শুস্ক চুর্ণ-বিচুর্ণ হয় যে, বাতাসে
উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।
[45] And put forward to them the
example of the life of this world, it is like
the water (rain) which We send down
from the sky, and the vegetation of the
earth mingles with it, and becomes fresh
and green. But (later) it becomes dry and
broken pieces, which the winds scatter.
And Allâh is Able to do everything.
[46] ﺍﻟﻤﺎﻝُ ﻭَﺍﻟﺒَﻨﻮﻥَ ﺯﻳﻨَﺔُ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﺍﻟﺒٰﻘِﻴٰﺖُ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖُ ﺧَﻴﺮٌ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺛَﻮﺍﺑًﺎ ﻭَﺧَﻴﺮٌ ﺃَﻣَﻠًﺎ
[46] ধনৈশ্বর্য ও সন্তান-সন্ততি পার্থিব
জীবনের সৌন্দর্য এবং স্থায়ী
সৎকর্মসমূহ আপনার পালনকর্তার কাছে
প্রতিদান প্রাপ্তি ও আশা লাভের জন্যে
উত্তম।
[46] Wealth and children are the
adornment of the life of this world. But
the good righteous deeds, that last, are
better with your Lord for rewards and
better in respect of hope.
[47] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻧُﺴَﻴِّﺮُ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝَ
ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻷَﺭﺽَ ﺑﺎﺭِﺯَﺓً
ﻭَﺣَﺸَﺮﻧٰﻬُﻢ ﻓَﻠَﻢ ﻧُﻐﺎﺩِﺭ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﺃَﺣَﺪًﺍ
[47] যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব
এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি
উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত
করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না।
[47] And (remember) the Day We shall
cause the mountains to pass away (like
clouds of dust), and you will see the
earth as a levelled plain, and we shall
gather them all together so as to leave
not one of them behind.
[48] ﻭَﻋُﺮِﺿﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺑِّﻚَ ﺻَﻔًّﺎ
ﻟَﻘَﺪ ﺟِﺌﺘُﻤﻮﻧﺎ ﻛَﻤﺎ ﺧَﻠَﻘﻨٰﻜُﻢ
ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﺮَّﺓٍ ۚ ﺑَﻞ ﺯَﻋَﻤﺘُﻢ ﺃَﻟَّﻦ
ﻧَﺠﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢ ﻣَﻮﻋِﺪًﺍ
[48] তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ
হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা
আমার কাছে এসে গেছ; যেমন
তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম।
না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের
জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না।
[48] And they will be set before your
Lord in (lines as) rows, (and Allâh will
say): “Now indeed, you have come to Us
as We created you the first time. Nay,
but you thought that We had appointed
no meeting for you (with Us).”
[49] ﻭَﻭُﺿِﻊَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐُ ﻓَﺘَﺮَﻯ
ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ ﻣُﺸﻔِﻘﻴﻦَ ﻣِﻤّﺎ ﻓﻴﻪِ
ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻳٰﻮَﻳﻠَﺘَﻨﺎ ﻣﺎﻝِ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻻ ﻳُﻐﺎﺩِﺭُ ﺻَﻐﻴﺮَﺓً ﻭَﻻ
ﻛَﺒﻴﺮَﺓً ﺇِﻟّﺎ ﺃَﺣﺼﻯٰﻬﺎ ۚ ﻭَﻭَﺟَﺪﻭﺍ
ﻣﺎ ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﺣﺎﺿِﺮًﺍ ۗ ﻭَﻻ ﻳَﻈﻠِﻢُ
ﺭَﺑُّﻚَ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[49] আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা
আছে; তার কারণে আপনি
অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত
দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ
কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন
কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা
তাদের কৃতকর্মকে সামন