2.সুরাতুল বাকারাহ(01-286)


ﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﻢ
[1] আলিফ লাম মীম।
[1] Alif-Lâm-Mîm. [These letters are one
of the miracles of the Qur’ân and none
but Allâh (Alone) knows their meanings]
[2] ﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐُ ﻻ ﺭَﻳﺐَ ۛ ﻓﻴﻪِ ۛ
ﻫُﺪًﻯ ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[2] এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ
নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের
জন্য,
[2] This is the Book (the Qur’ân),
whereof there is no doubt, a guidance to
those who are Al-Muttaqûn [the pious
and righteous persons who fear Allâh
much (abstain from all kinds of sins and
evil deeds which He has forbidden) and
love Allâh much (perform all kinds of
good deeds which He has ordained)].
[3] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ
ﻭَﻳُﻘﻴﻤﻮﻥَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﻣِﻤّﺎ
ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ
[3] যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস
স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা
করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান
করেছি তা থেকে ব্যয় করে
[3] Who believe in the Ghaib and
perform As-Salât (Iqâmat-as-Salât), and
spend out of what we have provided for
them [i.e. give Zakât, spend on
themselves, their parents, their children,
their wives, etc., and also give charity to
the poor and also in Allâh’s Cause –
Jihâd,].
[4] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﻤﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻭَﻣﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ
ﻭَﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻫُﻢ ﻳﻮﻗِﻨﻮﻥَ
[4] এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে
সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার
প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব
বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের
প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর
আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে
বিশ্বাস করে।
[4] And who believe in (the Qur’ân and
the Sunnah) which has been sent down
(revealed) to you (Muhammad Peace be
upon him ) and in that whivh we sent
down before [the Taurât (Torah) and the
Injeel (Gospel), etc.] and they believe
with certainty in the Hereafter.
(Resurrection, recompense of their good
and bad deeds, Paradise and Hell,)
[5] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﻫُﺪًﻯ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻤُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[5] তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে সুপথ প্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ
সফলকাম।
[5] They are on (true) guidance from
their Lord, and they are the successful.
[6] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺳَﻮﺍﺀٌ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺀَﺃَﻧﺬَﺭﺗَﻬُﻢ ﺃَﻡ ﻟَﻢ
ﺗُﻨﺬِﺭﻫُﻢ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[6] নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে
তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর
নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না,
তারা ঈমান আনবে না।
[6] Verily, those who disbelieve, it is the
same to them whether you (O
Muhammad Peace be upon him ) warn
them or do not warn them, they will not
believe.
[7] ﺧَﺘَﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ
ﻭَﻋَﻠﻰٰ ﺳَﻤﻌِﻬِﻢ ۖ ﻭَﻋَﻠﻰٰ
ﺃَﺑﺼٰﺮِﻫِﻢ ﻏِﺸٰﻮَﺓٌ ۖ ﻭَﻟَﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[7] আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং
তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন,
আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে
দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে
কঠোর শাস্তি।
[7] Allâh has set a seal on their hearts
and on their hearings, (i.e. they are
closed from accepting Allâh’s Guidance),
and on their eyes there is a covering.
Theirs will be a great torment.
[8] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻣَﻦ ﻳَﻘﻮﻝُ
ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺑِﺎﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ
ﻭَﻣﺎ ﻫُﻢ ﺑِﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[8] আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন
রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও
পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ
আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
[8] And of mankind, there are some
(hypocrites) who say: “We believe in
Allâh and the Last Day” while in fact
they believe not.
[9] ﻳُﺨٰﺪِﻋﻮﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻣﺎ ﻳَﺨﺪَﻋﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﻣﺎ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[9] তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে
ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা
নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে
ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব
করতে পারে না।
[9] They (think to) deceive Allâh and
those who believe, while they only
deceive themselves, and perceive (it) not!
[10] ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻣَﺮَﺽٌ
ﻓَﺰﺍﺩَﻫُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺮَﺿًﺎ ۖ ﻭَﻟَﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻜﺬِﺑﻮﻥَ
[10] তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর
আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে
দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য
নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব,
তাদের মিথ্যাচারের দরুন।
[10] In their hearts is a disease (of doubt
and hypocrisy) and Allâh has increased
their disease. A painful torment is theirs
because they used to tell lies.
[11] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ ﻻ ﺗُﻔﺴِﺪﻭﺍ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻧَﺤﻦُ
ﻣُﺼﻠِﺤﻮﻥَ
[11] আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে,
দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি
করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো
মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি।
[11] And when it is said to them: “Make
not mischief on the earth,” they say: “We
are only peacemakers.”
[12] ﺃَﻻ ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻤُﻔﺴِﺪﻭﻥَ
ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻻ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[12] মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা
সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি
করে না।
[12] Verily! They are the ones who make
mischief, but they perceive not.
[13] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ ﺀﺍﻣِﻨﻮﺍ ﻛَﻤﺎ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﻧُﺆﻣِﻦُ
ﻛَﻤﺎ ﺀﺍﻣَﻦَ ﺍﻟﺴُّﻔَﻬﺎﺀُ ۗ ﺃَﻻ ﺇِﻧَّﻬُﻢ
ﻫُﻢُ ﺍﻟﺴُّﻔَﻬﺎﺀُ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻻ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[13] আর যখন তাদেরকে বলা হয়,
অন্যান্যরা যেভাবে ঈমান এনেছে
তোমরাও সেভাবে ঈমান আন, তখন
তারা বলে, আমরাও কি ঈমান আনব
বোকাদেরই মত! মনে রেখো,
প্রকৃতপক্ষে তারাই বোকা, কিন্তু
তারা তা বোঝে না।
[13] And when it is said to them
(hypocrites): “Believe as the people
(followers of Muhammad Peace be upon
him , Al-Ansâr and Al-Muhajirûn) have
believed,” they say: “Shall we believe as
the fools have believed?” Verily, they are
the fools, but they know not
[14] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻟَﻘُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺧَﻠَﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ
ﺷَﻴٰﻄﻴﻨِﻬِﻢ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ ﻣَﻌَﻜُﻢ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻧَﺤﻦُ ﻣُﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[14] আর তারা যখন ঈমানদারদের সাথে
মিশে, তখন বলে, আমরা ঈমান এনেছি।
আবার যখন তাদের শয়তানদের সাথে
একান্তে সাক্ষাৎ করে, তখন বলে,
আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি।
আমরা তো (মুসলমানদের সাথে) উপহাস
করি মাত্রা।
[14] And when they meet those who
believe, they say: “We believe,” but when
they are alone with their Shayâtin (devils
– polytheists, hypocrites), they say:
“Truly, we are with you; verily, we were
but mocking.”
[15] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺉُ ﺑِﻬِﻢ
ﻭَﻳَﻤُﺪُّﻫُﻢ ﻓﻰ ﻃُﻐﻴٰﻨِﻬِﻢ
ﻳَﻌﻤَﻬﻮﻥَ
[15] বরং আল্লাহই তাদের সাথে
উপহাস করেন। আর তাদেরকে তিনি
ছেড়ে দিয়েছেন যেন তারা নিজেদের
অহংকার ও কুমতলবে হয়রান ও
পেরেশান থাকে।
[15] Allâh mocks at them and gives them
increase in their wrong-doings to
wander blindly.
[16] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺷﺘَﺮَﻭُﺍ
ﺍﻟﻀَّﻠٰﻠَﺔَ ﺑِﺎﻟﻬُﺪﻯٰ ﻓَﻤﺎ ﺭَﺑِﺤَﺖ
ﺗِﺠٰﺮَﺗُﻬُﻢ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[16] তারা সে সমস্ত লোক, যারা
হেদায়েতের বিনিময়ে গোমরাহী
খরিদ করে। বস্তুতঃ তারা তাদের এ
ব্যবসায় লাভবান হতে পারেনি এবং
তারা হেদায়েতও লাভ করতে পারেনি।
[16] These are they who have purchased
error for guidance, so their commerce
was profitless. And they were not
guided.
[17] ﻣَﺜَﻠُﻬُﻢ ﻛَﻤَﺜَﻞِ ﺍﻟَّﺬِﻯ
ﺍﺳﺘَﻮﻗَﺪَ ﻧﺎﺭًﺍ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﺿﺎﺀَﺕ
ﻣﺎ ﺣَﻮﻟَﻪُ ﺫَﻫَﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻨﻮﺭِﻫِﻢ
ﻭَﺗَﺮَﻛَﻬُﻢ ﻓﻰ ﻇُﻠُﻤٰﺖٍ ﻻ
ﻳُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[17] তাদের অবস্থা সে ব্যক্তির মত, যে
লোক কোথাও আগুন জ্বালালো এবং
তার চারদিককার সবকিছুকে যখন আগুন
স্পষ্ট করে তুললো, ঠিক এমনি সময়
আল্লাহ তার চারদিকের আলোকে
উঠিয়ে নিলেন এবং তাদেরকে
অন্ধকারে ছেড়ে দিলেন। ফলে, তারা
কিছুই দেখতে পায় না।
[17] Their likeness is as the likeness of
one who kindled a fire; then, when it
lighted all around him, Allâh took away
their light and left them in darkness. (So)
they could not see.
[18] ﺻُﻢٌّ ﺑُﻜﻢٌ ﻋُﻤﻰٌ ﻓَﻬُﻢ ﻻ
ﻳَﺮﺟِﻌﻮﻥَ
[18] তারা বধির, মূক ও অন্ধ। সুতরাং
তারা ফিরে আসবে না।
[18] They are deaf, dumb, and blind, so
they return not (to the Right Path).
[19] ﺃَﻭ ﻛَﺼَﻴِّﺐٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻓﻴﻪِ ﻇُﻠُﻤٰﺖٌ ﻭَﺭَﻋﺪٌ ﻭَﺑَﺮﻕٌ
ﻳَﺠﻌَﻠﻮﻥَ ﺃَﺻٰﺒِﻌَﻬُﻢ ﻓﻰ
ﺀﺍﺫﺍﻧِﻬِﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼَّﻮٰﻋِﻖِ ﺣَﺬَﺭَ
ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣُﺤﻴﻂٌ
ﺑِﺎﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[19] আর তাদের উদাহরণ সেসব লোকের
মত যারা দুর্যোগপূর্ণ ঝড়ো রাতে পথ
চলে, যাতে থাকে আঁধার, গর্জন ও
বিদ্যুৎচমক। মৃত্যুর ভয়ে গর্জনের সময়
কানে আঙ্গুল দিয়ে রক্ষা পেতে চায়।
অথচ সমস্ত কাফেরই আল্লাহ কর্তৃক
পরিবেষ্ঠিত।
[19] Or like a rainstorm from the sky,
wherein is darkness, thunder, and
lightning. They thrust their fingers in
their ears to keep out the stunning
thunderclap for fear of death. But Allâh
ever encompasses the disbelievers (i.e.
Allâh will gather them all together).
[20] ﻳَﻜﺎﺩُ ﺍﻟﺒَﺮﻕُ ﻳَﺨﻄَﻒُ
ﺃَﺑﺼٰﺮَﻫُﻢ ۖ ﻛُﻠَّﻤﺎ ﺃَﺿﺎﺀَ ﻟَﻬُﻢ
ﻣَﺸَﻮﺍ ﻓﻴﻪِ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺃَﻇﻠَﻢَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻗﺎﻣﻮﺍ ۚ ﻭَﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﺬَﻫَﺐَ
ﺑِﺴَﻤﻌِﻬِﻢ ﻭَﺃَﺑﺼٰﺮِﻫِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[20] বিদ্যুতালোকে যখন সামান্য
আলোকিত হয়, তখন কিছুটা পথ চলে।
আবার যখন অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঠাঁয়
দাঁড়িয়ে থাকে। যদি আল্লাহ ইচ্ছা
করেন, তাহলে তাদের শ্রবণশক্তি ও
দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারেন।
আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ের উপর সর্বময়
ক্ষমতাশীল।
[20] The lightning almost snatches away
their sight, whenever it flashes for them,
they walk therein, and when darkness
covers them, they stand still. And if Allâh
willed, He could have taken away their
hearing and their sight. Certainly, Allâh
has power over all things.
[21] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺍﻋﺒُﺪﻭﺍ
ﺭَﺑَّﻜُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺘَّﻘﻮﻥَ
[21] হে মানব সমাজ! তোমরা
তোমাদের পালনকর্তার এবাদত কর,
যিনি তোমাদিগকে এবং তোমাদের
পূর্ববর্তীদিগকে সৃষ্টি করেছেন। তাতে
আশা করা যায়, তোমরা পরহেযগারী
অর্জন করতে পারবে।
[21] O mankind! Worship your Lord
(Allâh), Who created you and those who
were before you so that you may become
Al-Muttaqûn (the pious – see V.2:2).
[22] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ
ﻓِﺮٰﺷًﺎ ﻭَﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ ﺑِﻨﺎﺀً ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً ﻓَﺄَﺧﺮَﺝَ ﺑِﻪِ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺜَّﻤَﺮٰﺕِ ﺭِﺯﻗًﺎ ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻓَﻼ
ﺗَﺠﻌَﻠﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ ﺃَﻧﺪﺍﺩًﺍ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[22] যে পবিত্রসত্তা তোমাদের জন্য
ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ
স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন, আর
আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে
তোমাদের জন্য ফল-ফসল উৎপাদন
করেছেন তোমাদের খাদ্য হিসাবে।
অতএব, আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য
কাকেও সমকক্ষ করো না। বস্তুতঃ এসব
তোমরা জান।
[22] Who has made the earth a resting
place for you, and the sky as a canopy,
and sent down water (rain) from the sky
and brought forth therewith fruits as a
provision for you. Then do not set up
rivals unto Allâh (in worship) while you
know (that He Alone has the right to be
worshipped).
[23] ﻭَﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻓﻰ ﺭَﻳﺐٍ ﻣِﻤّﺎ
ﻧَﺰَّﻟﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻋَﺒﺪِﻧﺎ ﻓَﺄﺗﻮﺍ
ﺑِﺴﻮﺭَﺓٍ ﻣِﻦ ﻣِﺜﻠِﻪِ ﻭَﺍﺩﻋﻮﺍ
ﺷُﻬَﺪﺍﺀَﻛُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[23] এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের
কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার
বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে
এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস।
তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে
সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি
তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
[23] And if you (Arab pagans, Jews, and
Christians) are in doubt concerning that
which We have sent down (i.e. the
Qur’ân) to Our slave (Muhammad Peace
be upon him ), then produce a Sûrah
(chapter) of the like thereof and call your
witnesses (supporters and helpers)
besides Allâh, if you are truthful.
[24] ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ ﺗَﻔﻌَﻠﻮﺍ ﻭَﻟَﻦ
ﺗَﻔﻌَﻠﻮﺍ ﻓَﺎﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻨّﺎﺭَ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﻭَﻗﻮﺩُﻫَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻭَﺍﻟﺤِﺠﺎﺭَﺓُ ۖ
ﺃُﻋِﺪَّﺕ ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[24] আর যদি তা না পার-অবশ্য তা
তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে
দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার
চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও
পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে
কাফেরদের জন্য।
[24] But if you do it not, and you can
never do it, then fear the Fire (Hell)
whose fuel is men and stones, prepared
for the disbelievers.
[25] ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﺃَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ
ﺟَﻨّٰﺖٍ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ
ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﻛُﻠَّﻤﺎ ﺭُﺯِﻗﻮﺍ ﻣِﻨﻬﺎ ﻣِﻦ
ﺛَﻤَﺮَﺓٍ ﺭِﺯﻗًﺎ ۙ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﺭُﺯِﻗﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۖ ﻭَﺃُﺗﻮﺍ ﺑِﻪِ
ﻣُﺘَﺸٰﺒِﻬًﺎ ۖ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺯﻭٰﺝٌ
ﻣُﻄَﻬَّﺮَﺓٌ ۖ ﻭَﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[25] আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান
এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে,
আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের
সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ
প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার
হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই
তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা
আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম।
বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল
প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের
জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর
সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান
করবে।
[25] And give glad tidings to those who
believe and do righteous good deeds, that
for them will be Gardens under which
rivers flow (Paradise). Every time they
will be provided with a fruit therefrom,
they will say: “This is what we were
provided with before,” and they will be
given things in resemblance (i.e. in the
same form but different in taste) and
they shall have therein Azwâjun
Mutahharatun (purified mates or wives),
and they will abide therein forever.
[26] ۞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﺴﺘَﺤﻲۦ
ﺃَﻥ ﻳَﻀﺮِﺏَ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻣﺎ ﺑَﻌﻮﺿَﺔً
ﻓَﻤﺎ ﻓَﻮﻗَﻬﺎ ۚ ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻓَﻴَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﺃَﻧَّﻪُ ﺍﻟﺤَﻖُّ
ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۖ ﻭَﺃَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻓَﻴَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻬٰﺬﺍ
ﻣَﺜَﻠًﺎ ۘ ﻳُﻀِﻞُّ ﺑِﻪِ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ
ﺑِﻪِ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻀِﻞُّ ﺑِﻪِ ﺇِﻟَّﺎ
ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻴﻦَ
[26] আল্লাহ পাক নিঃসন্দেহে মশা বা
তদুর্ধ্ব বস্তু দ্বারা উপমা পেশ করতে
লজ্জাবোধ করেন না। বস্তুতঃ যারা
মুমিন তারা নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস
করে যে, তাদের পালনকর্তা কর্তৃক
উপস্থাপিত এ উপমা সম্পূর্ণ নির্ভূল ও
সঠিক। আর যারা কাফের তারা বলে,
এরূপ উপমা উপস্থাপনে আল্লাহর মতলবই
বা কি ছিল। এ দ্বারা আল্লাহ
তা’আলা অনেককে বিপথগামী করেন,
আবার অনেককে সঠিক পথও প্রদর্শন
করেন। তিনি অনুরূপ উপমা দ্বারা অসৎ
ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন কাকেও বিপথগামী
করেন না।
[26] Verily, Allâh is not ashamed to set
forth a parable even of a mosquito or so
much more when it is bigger (or less
when it is smaller) than it. And as for
those who believe, they know that it is
the Truth from their Lord, but as for
those who disbelieve, they say: “What
did Allâh intend by this parable?” By it
He misleads many, and many He guides
thereby. And He misleads thereby only
those who are Al-Fâsiqûn (the rebellious,
disobedient to Allâh).
[27] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻨﻘُﻀﻮﻥَ ﻋَﻬﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﻴﺜٰﻘِﻪِ ﻭَﻳَﻘﻄَﻌﻮﻥَ ﻣﺎ
ﺃَﻣَﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ ﺃَﻥ ﻳﻮﺻَﻞَ
ﻭَﻳُﻔﺴِﺪﻭﻥَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻭﻥَ
[27] (বিপথগামী ওরাই) যারা আল্লাহর
সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা
ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ পাক যা
অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন,
তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীর বুকে
অশান্তি সৃষ্টি করে। ওরা যথার্থই
ক্ষতিগ্রস্ত।
[27] Those who break Allâh’s Covenant
after ratifying it, and sever what Allâh
has ordered to be joined (as regards
Allâh’s religion of Islâmic Monotheism,
and to practise its legal laws on the earth
and also as regards keeping good
relations with kith and kin ), and do
mischief on earth, it is they who are the
losers.
[28] ﻛَﻴﻒَ ﺗَﻜﻔُﺮﻭﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻛُﻨﺘُﻢ ﺃَﻣﻮٰﺗًﺎ ﻓَﺄَﺣﻴٰﻜُﻢ ۖ ﺛُﻢَّ
ﻳُﻤﻴﺘُﻜُﻢ ﺛُﻢَّ ﻳُﺤﻴﻴﻜُﻢ ﺛُﻢَّ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[28] কেমন করে তোমরা আল্লাহর
ব্যাপারে কুফরী অবলম্বন করছ? অথচ
তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ। অতঃপর
তিনিই তোমাদেরকে প্রাণ দান
করেছেন, আবার মৃত্যু দান করবেন।
পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান
করবেন। অতঃপর তারই প্রতি
প্রত্যাবর্তন করবে।
[28] How can you disbelieve in Allâh?
Seeing that you were dead and He gave
you life. Then He will give you death,
then again will bring you to life (on the
Day of Resurrection) and then unto Him
you will return. (See V.40:1)
[29] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﻟَﻜُﻢ ﻣﺎ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﺛُﻢَّ
ﺍﺳﺘَﻮﻯٰ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻓَﺴَﻮّﻯٰﻬُﻦَّ ﺳَﺒﻊَ ﺳَﻤٰﻮٰﺕٍ ۚ
ﻭَﻫُﻮَ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[29] তিনিই সে সত্ত্বা যিনি সৃষ্টি
করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু
জমীনে রয়েছে সে সমস্ত। তারপর তিনি
মনোসংযোগ করেছেন আকাশের
প্রতি। বস্তুতঃ তিনি তৈরী করেছেন
সাত আসমান। আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে
অবহিত।
[29] He it is Who created for you all that
is on earth. Then He rose ove (Istawâ)
towards the heaven and made them
seven heavens and He is the All-Knower
of everything.
[30] ﻭَﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﺭَﺑُّﻚَ ﻟِﻠﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ
ﺇِﻧّﻰ ﺟﺎﻋِﻞٌ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺧَﻠﻴﻔَﺔً ۖ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺗَﺠﻌَﻞُ ﻓﻴﻬﺎ
ﻣَﻦ ﻳُﻔﺴِﺪُ ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻳَﺴﻔِﻚُ
ﺍﻟﺪِّﻣﺎﺀَ ﻭَﻧَﺤﻦُ ﻧُﺴَﺒِّﺢُ ﺑِﺤَﻤﺪِﻙَ
ﻭَﻧُﻘَﺪِّﺱُ ﻟَﻚَ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﻣﺎ ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[30] আর তোমার পালনকর্তা যখন
ফেরেশতাদিগকে বললেনঃ আমি
পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি বানাতে
যাচ্ছি, তখন ফেরেশতাগণ বলল, তুমি কি
পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবে যে
দাঙ্গা-হাঙ্গামার সৃষ্টি করবে এবং
রক্তপাত ঘটাবে? অথচ আমরা নিয়ত
তোমার গুণকীর্তন করছি এবং তোমার
পবিত্র সত্তাকে স্মরণ করছি। তিনি
বললেন, নিঃসন্দেহে আমি জানি, যা
তোমরা জান না।
[30] And (remember) when your Lord
said to the angels: “Verily, I am going to
place (mankind) generations after
generations on earth.” They said: “Will
You place therein those who will make
mischief therein and shed blood, – while
we glorify You with praises and thanks
and sanctify You.” He (Allâh) said: “I
know that which you do not know.”
[31] ﻭَﻋَﻠَّﻢَ ﺀﺍﺩَﻡَ ﺍﻷَﺳﻤﺎﺀَ ﻛُﻠَّﻬﺎ
ﺛُﻢَّ ﻋَﺮَﺿَﻬُﻢ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ
ﻓَﻘﺎﻝَ ﺃَﻧﺒِـٔﻮﻧﻰ ﺑِﺄَﺳﻤﺎﺀِ ﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[31] আর আল্লাহ তা’আলা শিখালেন
আদমকে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীর নাম।
তারপর সে সমস্ত বস্তু-সামগ্রীকে
ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন
করলেন। অতঃপর বললেন, আমাকে
তোমরা এগুলোর নাম বলে দাও, যদি
তোমরা সত্য হয়ে থাক।
[31] And He taught Adam all the names
(of everything) , then He showed them to
the angels and said, “Tell Me the names
of these if you are truthful.”
[32] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻚَ ﻻ ﻋِﻠﻢَ ﻟَﻨﺎ
ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻋَﻠَّﻤﺘَﻨﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ ﺃَﻧﺖَ
ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[32] তারা বলল, তুমি পবিত্র! আমরা
কোন কিছুই জানি না, তবে তুমি যা
আমাদিগকে শিখিয়েছ (সেগুলো
ব্যতীত) নিশ্চয় তুমিই প্রকৃত
জ্ঞানসম্পন্ন, হেকমতওয়ালা।
[32] They (angels) said: “Glory be to You,
we have no knowledge except what you
have taught us. Verily, it is You, the All-
Knower, the All-Wise.”
[33] ﻗﺎﻝَ ﻳٰـٔﺎﺩَﻡُ ﺃَﻧﺒِﺌﻬُﻢ
ﺑِﺄَﺳﻤﺎﺋِﻬِﻢ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﻧﺒَﺄَﻫُﻢ
ﺑِﺄَﺳﻤﺎﺋِﻬِﻢ ﻗﺎﻝَ ﺃَﻟَﻢ ﺃَﻗُﻞ ﻟَﻜُﻢ
ﺇِﻧّﻰ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﻏَﻴﺐَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﺃَﻋﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗُﺒﺪﻭﻥَ
ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻜﺘُﻤﻮﻥَ
[33] তিনি বললেন, হে আদম,
ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের
নাম। তারপর যখন তিনি বলে দিলেন সে
সবের নাম, তখন তিনি বললেন, আমি কি
তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি
আসমান ও যমীনের যাবতীয় গোপন
বিষয় সম্পর্কে খুব ভাল করেই অবগত
রয়েছি? এবং সেসব বিষয়ও জানি যা
তোমরা প্রকাশ কর, আর যা তোমরা
গোপন কর!
[33] He said: “O Adam! Inform them of
their names,” and when he had
informed them of their names, He said:
“Did I not tell you that I know the Ghaib
(unseen) in the heavens and the earth,
and I know what you reveal and what
you have been concealing?”
[34] ﻭَﺇِﺫ ﻗُﻠﻨﺎ ﻟِﻠﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ
ﺍﺳﺠُﺪﻭﺍ ﻝِﺀﺍﺩَﻡَ ﻓَﺴَﺠَﺪﻭﺍ
ﺇِﻟّﺎ ﺇِﺑﻠﻴﺲَ ﺃَﺑﻰٰ ﻭَﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮَ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[34] এবং যখন আমি হযরত আদম (আঃ)-
কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে
নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলীস ব্যতীত
সবাই সিজদা করলো। সে (নির্দেশ)
পালন করতে অস্বীকার করল এবং
অহংকার প্রদর্শন করল। ফলে সে
কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।
[34] And (remember) when We said to
the angels: “Prostrate yourselves before
Adam.”. And they prostrated except Iblîs
(Satan), he refused and was proud and
was one of the disbelievers (disobedient
to Allâh)
[35] ﻭَﻗُﻠﻨﺎ ﻳٰـٔﺎﺩَﻡُ ﺍﺳﻜُﻦ ﺃَﻧﺖَ
ﻭَﺯَﻭﺟُﻚَ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﻭَﻛُﻼ ﻣِﻨﻬﺎ
ﺭَﻏَﺪًﺍ ﺣَﻴﺚُ ﺷِﺌﺘُﻤﺎ ﻭَﻻ ﺗَﻘﺮَﺑﺎ
ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓَ ﻓَﺘَﻜﻮﻧﺎ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[35] এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে,
তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে
বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা
চাও, যেখান থেকে চাও, পরিতৃপ্তিসহ
খেতে থাক, কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী
হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের
অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।
[35] And We said: “O Adam! Dwell you
and your wife in the Paradise and eat
both of you freely with pleasure and
delight, of things therein as wherever
you will, but come not near this tree or
you both will be of the Zâlimûn (wrong-
doers).”
[36] ﻓَﺄَﺯَﻟَّﻬُﻤَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ ﻋَﻨﻬﺎ
ﻓَﺄَﺧﺮَﺟَﻬُﻤﺎ ﻣِﻤّﺎ ﻛﺎﻧﺎ ﻓﻴﻪِ ۖ
ﻭَﻗُﻠﻨَﺎ ﺍﻫﺒِﻄﻮﺍ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ
ﻟِﺒَﻌﺾٍ ﻋَﺪُﻭٌّ ۖ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣُﺴﺘَﻘَﺮٌّ ﻭَﻣَﺘٰﻊٌ ﺇِﻟﻰٰ
ﺣﻴﻦٍ
[36] অনন্তর শয়তান তাদের উভয়কে
ওখান থেকে পদস্খলিত করেছিল। পরে
তারা যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল তা
থেকে তাদেরকে বের করে দিল এবং
আমি বললাম, তোমরা নেমে যাও।
তোমরা পরস্পর একে অপরের শক্র হবে
এবং তোমাদেরকে সেখানে কিছুকাল
অবস্থান করতে হবে ও লাভ সংগ্রহ
করতে হবে।
[36] Then the Shaitân (Satan) made them
slip therefrom (the Paradise), and got
them out from that in which they were.
We said: “Get you down, all, with enmity
between yourselves. On earth will be a
dwelling place for you and an enjoyment
for a time.”
[37] ﻓَﺘَﻠَﻘّﻰٰ ﺀﺍﺩَﻡُ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻪِ
ﻛَﻠِﻤٰﺖٍ ﻓَﺘﺎﺏَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻫُﻮَ
ﺍﻟﺘَّﻮّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[37] অতঃপর হযরত আদম (আঃ) স্বীয়
পালনকর্তার কাছ থেকে কয়েকটি কথা
শিখে নিলেন, অতঃপর আল্লাহ পাক
তাঁর প্রতি (করুণাভরে) লক্ষ্য করলেন।
নিশ্চয়ই তিনি মহা-ক্ষমাশীল ও অসীম
দয়ালু।
[37] Then Adam received from his Lord
Words . And his Lord pardoned him
(accepted his repentance). Verily, He is
the One Who forgives (accepts
repentance), the Most Merciful
[38] ﻗُﻠﻨَﺎ ﺍﻫﺒِﻄﻮﺍ ﻣِﻨﻬﺎ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۖ
ﻓَﺈِﻣّﺎ ﻳَﺄﺗِﻴَﻨَّﻜُﻢ ﻣِﻨّﻰ ﻫُﺪًﻯ
ﻓَﻤَﻦ ﺗَﺒِﻊَ ﻫُﺪﺍﻯَ ﻓَﻼ ﺧَﻮﻑٌ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳَﺤﺰَﻧﻮﻥَ
[38] আমি হুকুম করলাম, তোমরা সবাই
নীচে নেমে যাও। অতঃপর যদি
তোমাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে
কোন হেদায়েত পৌঁছে, তবে যে
ব্যক্তি আমার সে হেদায়েত অনুসারে
চলবে, তার উপর না কোন ভয় আসবে, না
(কোন কারণে) তারা চিন্তাগ্রস্ত ও
সন্তপ্ত হবে।
[38] We said: “Get down all of you from
this place (the Paradise), then whenever
there comes to you Guidance from Me,
and whoever follows My Guidance, there
shall be no fear on them, nor shall they
grieve
[39] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻭَﻛَﺬَّﺑﻮﺍ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ
ﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[39] আর যে লোক তা অস্বীকার করবে
এবং আমার নিদর্শনগুলোকে মিথ্যা
প্রতিপন্ন করার প্রয়াস পাবে, তারাই
হবে জাহান্নামবাসী; অন্তকাল
সেখানে থাকবে।
[39] But those who disbelieve and belie
Our Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations, etc.)- such are
the dwellers of the Fire, They shall abide
therein forever.
[40] ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺇِﺳﺮٰﺀﻳﻞَ ﺍﺫﻛُﺮﻭﺍ
ﻧِﻌﻤَﺘِﻰَ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺃَﻧﻌَﻤﺖُ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺃَﻭﻓﻮﺍ ﺑِﻌَﻬﺪﻯ ﺃﻭﻑِ ﺑِﻌَﻬﺪِﻛُﻢ
ﻭَﺇِﻳّٰﻰَ ﻓَﺎﺭﻫَﺒﻮﻥِ
[40] হে বনী-ইসরাঈলগণ, তোমরা স্মরণ
কর আমার সে অনুগ্রহ যা আমি
তোমাদের প্রতি করেছি এবং
তোমরা পূরণ কর আমার সাথে কৃত
প্রতিজ্ঞা, তাহলে আমি
তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ
করব। আর ভয় কর আমাকেই।
[40] O Children of Israel! Remember My
Favour which I bestowed upon you, and
fulfill (your obligations to) My Covenant
(with you) so that I fulfill (My
Obligations to) your covenant (with Me),
and fear none but Me.
[41] ﻭَﺀﺍﻣِﻨﻮﺍ ﺑِﻤﺎ ﺃَﻧﺰَﻟﺖُ
ﻣُﺼَﺪِّﻗًﺎ ﻟِﻤﺎ ﻣَﻌَﻜُﻢ ﻭَﻻ
ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺃَﻭَّﻝَ ﻛﺎﻓِﺮٍ ﺑِﻪِ ۖ ﻭَﻻ
ﺗَﺸﺘَﺮﻭﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘﻰ ﺛَﻤَﻨًﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
ﻭَﺇِﻳّٰﻰَ ﻓَﺎﺗَّﻘﻮﻥِ
[41] আর তোমরা সে গ্রন্থের প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন কর, যা আমি অবতীর্ণ
করেছি সত্যবক্তা হিসেবে তোমাদের
কাছে। বস্তুতঃ তোমরা তার প্রাথমিক
অস্বীকারকারী হয়ো না আর আমার
আয়াতের অল্প মূল্য দিও না। এবং
আমার (আযাব) থেকে বাঁচ।
[41] And believe in what I have sent
down (this Qur’ân), confirming that
which is with you, [the Taurât (Torah)
and the Injeel (Gospel)], and be not the
first to disbelieve therein, and buy not
with My Verses [the Taurât (Torah) and
the Injeel (Gospel)] a small price (i.e.
getting a small gain by selling My
Verses), and fear Me and Me Alone.
(Tafsir At-Tabarî, Vol. I, Page 253).
[42] ﻭَﻻ ﺗَﻠﺒِﺴُﻮﺍ ﺍﻟﺤَﻖَّ ﺑِﺎﻟﺒٰﻄِﻞِ
ﻭَﺗَﻜﺘُﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[42] তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে
মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে
সত্যকে তোমরা গোপন করো না।
[42] And mix not truth with falsehood,
nor conceal the truth [i.e. Muhammad
Peace be upon him is Allâh’s Messenger
and his qualities are written in your
Scriptures, the Taurât (Torah) and the
Injeel (Gospel)] while you know (the
truth)
[43] ﻭَﺃَﻗﻴﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗُﻮﺍ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﺍﺭﻛَﻌﻮﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺮّٰﻛِﻌﻴﻦَ
[43] আর নামায কায়েম কর, যাকাত দান
কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের
সাথে, যারা অবনত হয়।
[43] And perform As-Salât (Iqâmat-as-
Salât), and give Zakât, and bow down (or
submit yourselves with obedience to
Allâh) along with Ar¬Raki’ûn.
[44] ۞ ﺃَﺗَﺄﻣُﺮﻭﻥَ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﺑِﺎﻟﺒِﺮِّ
ﻭَﺗَﻨﺴَﻮﻥَ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ
ﺗَﺘﻠﻮﻥَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ۚ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[44] তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের
নির্দেশ দাও এবং নিজেরা
নিজেদেরকে ভূলে যাও, অথচ তোমরা
কিতাব পাঠ কর? তবুও কি তোমরা
চিন্তা কর না?
[44] Enjoin you Al-Birr (piety and
righteousness and each and every act of
obedience to Allâh) on the people and
you forget (to practise it) yourselves,
while you recite the Scripture [the Taurât
(Torah)]! Have you then no sense?
[45] ﻭَﺍﺳﺘَﻌﻴﻨﻮﺍ ﺑِﺎﻟﺼَّﺒﺮِ
ﻭَﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓِ ۚ ﻭَﺇِﻧَّﻬﺎ ﻟَﻜَﺒﻴﺮَﺓٌ ﺇِﻟّﺎ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺨٰﺸِﻌﻴﻦَ
[45] ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা
কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট
কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী
লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।
[45] And seek help in patience and As-
Salât (the prayer) and truly it is
extremely heavy and hard except for Al-
Khâshi’ûn [i.e. the true believers in Allâh
– those who obey Allâh with full
submission, fear much from His
Punishment, and believe in His Promise
(Paradise,) and in His Warnings (Hell, )].
[46] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻈُﻨّﻮﻥَ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻣُﻠٰﻘﻮﺍ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺭٰﺟِﻌﻮﻥَ
[46] যারা একথা খেয়াল করে যে,
তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে স্বীয়
পরওয়ারদেগারের এবং তাঁরই দিকে
ফিরে যেতে হবে।
[46] (They are those) who are certain
that they are going to meet their Lord,
and that unto Him they are going to
return.
[47] ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺇِﺳﺮٰﺀﻳﻞَ ﺍﺫﻛُﺮﻭﺍ
ﻧِﻌﻤَﺘِﻰَ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺃَﻧﻌَﻤﺖُ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺃَﻧّﻰ ﻓَﻀَّﻠﺘُﻜُﻢ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[47] হে বনী-ইসরাঈলগণ! তোমরা স্মরণ
কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি
তোমাদের উপর করেছি এবং (স্মরণ
কর) সে বিষয়টি যে, আমি
তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি
সমগ্র বিশ্বের উপর।
[47] O Children of Israel! Remember My
Favour which I bestowed upon you and
that I preferred you to the ‘Alamîn
[mankind and jinn (of your time period,
in the past)].
[48] ﻭَﺍﺗَّﻘﻮﺍ ﻳَﻮﻣًﺎ ﻻ ﺗَﺠﺰﻯ
ﻧَﻔﺲٌ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺲٍ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ
ﻳُﻘﺒَﻞُ ﻣِﻨﻬﺎ ﺷَﻔٰﻌَﺔٌ ﻭَﻻ ﻳُﺆﺧَﺬُ
ﻣِﻨﻬﺎ ﻋَﺪﻝٌ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳُﻨﺼَﺮﻭﻥَ
[48] আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ
কারও সামান্য উপকারে আসবে না
এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল
হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও
নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম
সাহায্যও পাবে না।
[48] And fear a Day (of Judgement) when
a person shall not avail another, nor will
intercession be accepted from him nor
will compensation be taken from him
nor will they be helped.
[49] ﻭَﺇِﺫ ﻧَﺠَّﻴﻨٰﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺀﺍﻝِ
ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻳَﺴﻮﻣﻮﻧَﻜُﻢ ﺳﻮﺀَ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻳُﺬَﺑِّﺤﻮﻥَ ﺃَﺑﻨﺎﺀَﻛُﻢ
ﻭَﻳَﺴﺘَﺤﻴﻮﻥَ ﻧِﺴﺎﺀَﻛُﻢ ۚ ﻭَﻓﻰ
ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺑَﻼﺀٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[49] আর (স্মরণ কর) সে সময়ের কথা, যখন
আমি তোমাদিগকে মুক্তিদান করেছি
ফেরআউনের লোকদের কবল থেকে
যারা তোমাদিগকে কঠিন শাস্তি দান
করত; তোমাদের পুত্রসন্তানদেরকে
জবাই করত এবং তোমাদের
স্ত্রীদিগকে অব্যাহতি দিত। বস্তুতঃ
তাতে পরীক্ষা ছিল তোমাদের
পালনকর্তার পক্ষ থেকে, মহা পরীক্ষা।
[49] And (remember) when We delivered
you from Fir’aun’s (Pharaoh) people,
who were afflicting you with a horrible
torment, killing your sons and sparing
your women, and therein was a mighty
trial from your Lord.
[50] ﻭَﺇِﺫ ﻓَﺮَﻗﻨﺎ ﺑِﻜُﻢُ ﺍﻟﺒَﺤﺮَ
ﻓَﺄَﻧﺠَﻴﻨٰﻜُﻢ ﻭَﺃَﻏﺮَﻗﻨﺎ ﺀﺍﻝَ
ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﺗَﻨﻈُﺮﻭﻥَ
[50] আর যখন আমি তোমাদের জন্য
সাগরকে দ্বিখন্ডিত করেছি, অতঃপর
তোমাদেরকে বাঁচিয়ে দিয়েছি এবং
ডুবিয়ে দিয়েছি ফেরআউনের
লোকদিগকে অথচ তোমরা দেখছিলে।
[50] And (remember) when We
separated the sea for you and saved you
and drowned Fir’aun’s (Pharaoh) people
while you were looking (at them, when
the sea-water covered them).
[51] ﻭَﺇِﺫ ﻭٰﻋَﺪﻧﺎ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﺃَﺭﺑَﻌﻴﻦَ ﻟَﻴﻠَﺔً ﺛُﻢَّ ﺍﺗَّﺨَﺬﺗُﻢُ
ﺍﻟﻌِﺠﻞَ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻩِ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ
ﻇٰﻠِﻤﻮﻥَ
[51] আর যখন আমি মূসার সাথে ওয়াদা
করেছি চল্লিশ রাত্রির অতঃপর
তোমরা গোবৎস বানিয়ে নিয়েছ
মূসার অনুপস্থিতিতে। বস্তুতঃ তোমরা
ছিলে যালেম।
[51] And (remember) when We
appointed for Mûsa (Moses) forty nights,
and (in his absence) you took the calf
(for worship), and you were Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers,)
[52] ﺛُﻢَّ ﻋَﻔَﻮﻧﺎ ﻋَﻨﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[52] তার