21. সুরাহ আল আম্বিয়া(01-112)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺍﻗﺘَﺮَﺏَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﺣِﺴﺎﺑُﻬُﻢ
ﻭَﻫُﻢ ﻓﻰ ﻏَﻔﻠَﺔٍ ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[1] মানুষের হিসাব-কিতাবের সময় নিকটবর্তী;
অথচ তারা বেখবর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
[1] Draws near for mankind their
reckoning, while they turn away in
heedlessness.
[2] ﻣﺎ ﻳَﺄﺗﻴﻬِﻢ ﻣِﻦ ﺫِﻛﺮٍ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻣُﺤﺪَﺙٍ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﺳﺘَﻤَﻌﻮﻩُ
ﻭَﻫُﻢ ﻳَﻠﻌَﺒﻮﻥَ
[2] তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে,
তারা তা খেলার ছলে শ্রবণ করে।
[2] Comes not unto them an admonition
(a chapter of the Qur’ân) from their Lord
as a recent revelation but they listen to it
while they play,
[3] ﻻﻫِﻴَﺔً ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ۗ ﻭَﺃَﺳَﺮُّﻭﺍ
ﺍﻟﻨَّﺠﻮَﻯ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﻫَﻞ
ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺑَﺸَﺮٌ ﻣِﺜﻠُﻜُﻢ ۖ ﺃَﻓَﺘَﺄﺗﻮﻥَ
ﺍﻟﺴِّﺤﺮَ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﺗُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[3] তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত।
জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো
তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায়
দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে
কেন পড়?
[3] With their hearts occupied (with evil
things) Those who do wrong, conceal
their private counsels, (saying): “Is this
(Muhammad SAW) more than a human
being like you? Will you submit to magic
while you see it?”
[4] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺑّﻰ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺍﻟﻘَﻮﻝَ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻭَﻫُﻮَ
ﺍﻟﺴَّﻤﻴﻊُ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
[4] পয়গম্বর বললেনঃ নভোমন্ডল ও
ভুমন্ডলের কথাই আমার পালনকর্তা জানেন।
তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।
[4] He (Muhammad SAW) said: “My Lord
knows (every) word (spoken) in the
heavens and on earth. And He is the All-
Hearer, the All-Knower.”
[5] ﺑَﻞ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺿﻐٰﺚُ ﺃَﺣﻠٰﻢٍ ﺑَﻞِ
ﺍﻓﺘَﺮﻯٰﻪُ ﺑَﻞ ﻫُﻮَ ﺷﺎﻋِﺮٌ ﻓَﻠﻴَﺄﺗِﻨﺎ
ﺑِـٔﺎﻳَﺔٍ ﻛَﻤﺎ ﺃُﺭﺳِﻞَ ﺍﻷَﻭَّﻟﻮﻥَ
[5] এছাড়া তারা আরও বলেঃ অলীক স্বপ্ন; না
সে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে, না সে একজন
কবি। অতএব সে আমাদের কাছে কোন
নিদর্শন আনয়ন করুক, যেমন নিদর্শন সহ
আগমন করেছিলেন পূর্ববর্তীগন।
[5] Nay, they say:”These (revelations of
the Qur’ân which are revealed to
Muhammad SAW) are mixed up false
dreams! Nay, he has invented them! Nay,
he is a poet! Let him then bring us an
Ayâh (sign as a proof) like the ones
(Prophets) the former were sent before
(with)!”
[6] ﻣﺎ ﺀﺍﻣَﻨَﺖ ﻗَﺒﻠَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻗَﺮﻳَﺔٍ ﺃَﻫﻠَﻜﻨٰﻬﺎ ۖ ﺃَﻓَﻬُﻢ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[6] তাদের পূর্বে যেসব জনপদ আমি ধবংস
করে দিয়েছি, তারা বিশ্বাস স্থাপন করেনি;
এখন এরা কি বিশ্বাস স্থাপন করবে?
[6] Not one of the towns (populations), of
those which We destroyed, believed
before them (though We sent them
signs), will they then believe?
[7] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻗَﺒﻠَﻚَ ﺇِﻟّﺎ ﺭِﺟﺎﻟًﺎ
ﻧﻮﺣﻰ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ۖ ﻓَﺴـَٔﻠﻮﺍ ﺃَﻫﻞَ
ﺍﻟﺬِّﻛﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[7] আপনার পূর্বে আমি মানুষই প্রেরণ
করেছি, যাদের কাছে আমি ওহী পাঠাতাম।
অতএব তোমরা যদি না জান তবে যারা স্মরণ
রাখে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর।
[7] And We sent not before you (O
Muhammad SAW) but men to whom We
revealed, so ask the people of the
Reminder [Scriptures – the Taurât
(Torah), the Injeel (Gospel)] if you do not
know.
[8] ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢ ﺟَﺴَﺪًﺍ ﻻ
ﻳَﺄﻛُﻠﻮﻥَ ﺍﻟﻄَّﻌﺎﻡَ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ
[8] আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি
যে, তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা
চিরস্থায়ীও ছিল না।
[8] And We did not create them (the
Messengers, with) bodies that ate not
food, nor were they immortals,
[9] ﺛُﻢَّ ﺻَﺪَﻗﻨٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻮَﻋﺪَ
ﻓَﺄَﻧﺠَﻴﻨٰﻬُﻢ ﻭَﻣَﻦ ﻧَﺸﺎﺀُ
ﻭَﺃَﻫﻠَﻜﻨَﺎ ﺍﻟﻤُﺴﺮِﻓﻴﻦَ
[9] অতঃপর আমি তাদেরকে দেয়া আমার
প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করলাম সুতরাং তাদেরকে এবং
যাদেরকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে দিলাম এবং ধবংস করে
ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে।
[9] Then We fulfilled to them the
promise, so We saved them and those
whom We willed, but We destroyed Al-
Musrifûn (i.e. disbelivers in Allah, in His
Messengers, extravagants transgressors
of Allah’s limits by committing crimes,
oppression, polytheism and sins).
[10] ﻟَﻘَﺪ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﻛِﺘٰﺒًﺎ
ﻓﻴﻪِ ﺫِﻛﺮُﻛُﻢ ۖ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[10] আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব
অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের
জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ
না?
[10] Indeed, We have sent down for you
(O mankind) a Book, (the Qur’ân) in
which there is Dhikrukum, (your
Reminder or an honour for you i.e.
honour for the one who follows the
teaching of the Qur’ân and acts on its
teachings). Will you not then
understand?
[11] ﻭَﻛَﻢ ﻗَﺼَﻤﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻳَﺔٍ
ﻛﺎﻧَﺖ ﻇﺎﻟِﻤَﺔً ﻭَﺃَﻧﺸَﺄﻧﺎ ﺑَﻌﺪَﻫﺎ
ﻗَﻮﻣًﺎ ﺀﺍﺧَﺮﻳﻦَ
[11] আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি
যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি
করেছি অন্য জাতি।
[11] How many a town (community),
given to wrong-doing, have We
destroyed, and raised up after them
another people!
[12] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﺣَﺴّﻮﺍ ﺑَﺄﺳَﻨﺎ ﺇِﺫﺍ
ﻫُﻢ ﻣِﻨﻬﺎ ﻳَﺮﻛُﻀﻮﻥَ
[12] অতঃপর যখন তারা আমার আযাবের কথা
টের পেল, তখনই তারা সেখান থেকে
পলায়ন করতে লাগল।
[12] Then, when they perceived (saw)
Our Torment (coming), behold, they
(tried to) flee from it.
[13] ﻻ ﺗَﺮﻛُﻀﻮﺍ ﻭَﺍﺭﺟِﻌﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ
ﻣﺎ ﺃُﺗﺮِﻓﺘُﻢ ﻓﻴﻪِ ﻭَﻣَﺴٰﻜِﻨِﻜُﻢ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗُﺴـَٔﻠﻮﻥَ
[13] পলায়ন করো না এবং ফিরে এস, যেখানে
তোমরা বিলাসিতায় মত্ত ছিলে ও তোমাদের
আবাসগৃহে; সম্ভবত; কেউ তোমাদের
জিজ্ঞেস করবে।
[13] Flee not, but return to that wherein
you lived a luxurious life, and to your
homes, in order that you may be
questioned.
[14] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﻮَﻳﻠَﻨﺎ ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ
ﻇٰﻠِﻤﻴﻦَ
[14] তারা বললঃ হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা
অবশ্যই পাপী ছিলাম।
[14] They cried: “Woe to us! Certainly!
We have been Zâlimûn (polytheists,
wrong-doers and disbelievers in the
Oneness of Allâh).”
[15] ﻓَﻤﺎ ﺯﺍﻟَﺖ ﺗِﻠﻚَ ﺩَﻋﻮﻯٰﻬُﻢ
ﺣَﺘّﻰٰ ﺟَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢ ﺣَﺼﻴﺪًﺍ
ﺧٰﻤِﺪﻳﻦَ
[15] তাদের এই আর্তনাদ সব সময় ছিল, শেষ
পর্যন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম যেন
কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নি।
[15] And that cry of theirs ceased not, till
We made them as a field that is reaped,
extinct (dead).
[16] ﻭَﻣﺎ ﺧَﻠَﻘﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻭَﻣﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﻟٰﻌِﺒﻴﻦَ
[16] আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা
আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
[16] We created not the heavens and the
earth and all that is between them for a
(mere) play.
[17] ﻟَﻮ ﺃَﺭَﺩﻧﺎ ﺃَﻥ ﻧَﺘَّﺨِﺬَ ﻟَﻬﻮًﺍ
ﻟَﺎﺗَّﺨَﺬﻧٰﻪُ ﻣِﻦ ﻟَﺪُﻧّﺎ ﺇِﻥ ﻛُﻨّﺎ
ﻓٰﻌِﻠﻴﻦَ
[17] আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে
চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা
দ্বারাই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত।
[17] Had We intended to take a pastime
(i.e. a wife or a son), We could surely
have taken it from Us, if We were going
to do (that).
[18] ﺑَﻞ ﻧَﻘﺬِﻑُ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﺒٰﻄِﻞِ ﻓَﻴَﺪﻣَﻐُﻪُ ﻓَﺈِﺫﺍ ﻫُﻮَ
ﺯﺍﻫِﻖٌ ۚ ﻭَﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﻮَﻳﻞُ ﻣِﻤّﺎ
ﺗَﺼِﻔﻮﻥَ
[18] বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ
করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ-বিচূর্ণ
করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন
হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে
তোমাদের দুর্ভোগ।
[18] Nay, We fling (send down) the truth
(this Qur’ân) against the falsehood
(disbelief), so it destroys it, and behold, it
(falsehood) is vanished. And woe to you
for that (lie) which you ascribe (to Allâh
by uttering that Allâh has a wife and a
son).
[19] ﻭَﻟَﻪُ ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻋِﻨﺪَﻩُ ﻻ
ﻳَﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ ﻋَﻦ ﻋِﺒﺎﺩَﺗِﻪِ ﻭَﻻ
ﻳَﺴﺘَﺤﺴِﺮﻭﻥَ
[19] নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে যারা আছে,
তারা তাঁরই। আর যারা তাঁর সান্নিধ্যে আছে তারা
তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না এবং অলসতাও
করে না।
[19] To Him belongs whosoever is in the
heavens and on earth. And those who
are near Him (i.e. the angels) are not too
proud to worship Him, nor are they
weary (of His worship).
[20] ﻳُﺴَﺒِّﺤﻮﻥَ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﻻ
ﻳَﻔﺘُﺮﻭﻥَ
[20] তারা রাত্রিদিন তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা
করে এবং ক্লান্ত হয় না।
[20] They (i.e. the angels) glorify His
Praises night and day, (and) they never
slacken (to do so)
[21] ﺃَﻡِ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﺀﺍﻟِﻬَﺔً ﻣِﻦَ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻫُﻢ ﻳُﻨﺸِﺮﻭﻥَ
[21] তারা কি মৃত্তিকা দ্বারা তৈরী উপাস্য গ্রহণ
করেছে, যে তারা তাদেরকে জীবিত
করবে?
[21] Or have they taken (for worship)
âlihah (gods) from the earth who raise
the dead?
[22] ﻟَﻮ ﻛﺎﻥَ ﻓﻴﻬِﻤﺎ ﺀﺍﻟِﻬَﺔٌ ﺇِﻟَّﺎ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻔَﺴَﺪَﺗﺎ ۚ ﻓَﺴُﺒﺤٰﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺭَﺏِّ ﺍﻟﻌَﺮﺵِ ﻋَﻤّﺎ ﻳَﺼِﻔﻮﻥَ
[22] যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আল্লাহ
ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে
উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত। অতএব তারা যা
বলে, তা থেকে আরশের অধিপতি আল্লাহ
পবিত্র।
[22] Had there been therein (in the
heavens and the earth) âlihah (gods)
besides Allâh, then verily both would
have been ruined. Glorified is Allâh, the
Lord of the Throne, (High is He) above
all that they attribute to Him!
[23] ﻻ ﻳُﺴـَٔﻞُ ﻋَﻤّﺎ ﻳَﻔﻌَﻞُ ﻭَﻫُﻢ
ﻳُﺴـَٔﻠﻮﻥَ
[23] তিনি যা করেন, তৎসম্পর্কে তিনি
জিজ্ঞাসিত হবেন না এবং তাদেরকে
জিজ্ঞেস করা হবে।
[23] He cannot be questioned as to what
He does, while they will be questioned.
[24] ﺃَﻡِ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﺀﺍﻟِﻬَﺔً ۖ ﻗُﻞ ﻫﺎﺗﻮﺍ ﺑُﺮﻫٰﻨَﻜُﻢ ۖ
ﻫٰﺬﺍ ﺫِﻛﺮُ ﻣَﻦ ﻣَﻌِﻰَ ﻭَﺫِﻛﺮُ ﻣَﻦ
ﻗَﺒﻠﻰ ۗ ﺑَﻞ ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
ﺍﻟﺤَﻖَّ ۖ ﻓَﻬُﻢ ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[24] তারা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য
গ্রহণ করেছে? বলুন, তোমরা তোমাদের
প্রমাণ আন। এটাই আমার সঙ্গীদের কথা এবং
এটাই আমার পুর্ববর্তীদের কথা। বরং তাদের
অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টালবাহানা
করে।
[24] Or have they taken for worship
(other) âlihah (gods) besides Him? Say:
“Bring your proof:” This (the Qur’ân) is
the Reminder for those with me and the
Reminder for those before me. But most
of them know not the Truth, so they are
averse.
[25] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻣِﻦ
ﺭَﺳﻮﻝٍ ﺇِﻟّﺎ ﻧﻮﺣﻰ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺃَﻧَّﻪُ ﻻ
ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﻓَﺎﻋﺒُﺪﻭﻥِ
[25] আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ
করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি
যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই।
সুতরাং আমারই এবাদত কর।
[25] And We did not send any Messenger
before you (O Muhammad SAW) but We
revealed to him (saying): Lâ ilâha illa
Ana [none has the right to be
worshipped but I (Allâh)], so worship Me
(Alone and none else).”
[26] ﻭَﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺍﺗَّﺨَﺬَ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦُ
ﻭَﻟَﺪًﺍ ۗ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ۚ ﺑَﻞ ﻋِﺒﺎﺩٌ
ﻣُﻜﺮَﻣﻮﻥَ
[26] তারা বললঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ
করেছে। তাঁর জন্য কখনও ইহা যোগ্য নয়;
বরং তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা।
[26] And they say: “The Most Gracious
(Allâh) has begotten a son (or children).”
Glory to Him! They [whom they call
children of Allâh i.e. the angels, ‘Īsā
(Jesus) son of Maryam (Mary), ‘Uzair
(Ezra)], are but honoured slaves.
[27] ﻻ ﻳَﺴﺒِﻘﻮﻧَﻪُ ﺑِﺎﻟﻘَﻮﻝِ ﻭَﻫُﻢ
ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[27] তারা আগে বেড়ে কথা বলতে পারে না
এবং তারা তাঁর আদেশেই কাজ করে।
[27] They speak not until He has spoken,
and they act on His Command.
[28] ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺑَﻴﻦَ ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ ﻭَﻣﺎ
ﺧَﻠﻔَﻬُﻢ ﻭَﻻ ﻳَﺸﻔَﻌﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻤَﻦِ
ﺍﺭﺗَﻀﻰٰ ﻭَﻫُﻢ ﻣِﻦ ﺧَﺸﻴَﺘِﻪِ
ﻣُﺸﻔِﻘﻮﻥَ
[28] তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা আছে,
তা তিনি জানেন। তারা শুধু তাদের জন্যে সুপারিশ
করে, যাদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট এবং তারা
তাঁর ভয়ে ভীত।
[28] He knows what is before them, and
what is behind them, and they cannot
intercede except for him with whom He
is pleased. And they stand in awe for
fear of Him.
[29] ۞ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻘُﻞ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺇِﻧّﻰ
ﺇِﻟٰﻪٌ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻓَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰﻳﻪِ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰِﻯ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[29] তাদের মধ্যে যে বলে যে, তিনি
ব্যতীত আমিই উপাস্য, তাকে আমি
জাহান্নামের শাস্তি দেব। আমি
জালেমদেরকে এভাবেই প্রতিফল দিয়ে
থাকি।
[29] And if any of them should say:
“Verily, I am an ilâh (a god) besides Him
(Allâh),” such a one We should
recompense with Hell. Thus We
recompense the Zâlimûn (polytheists and
wrong-doers).
[30] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺮَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺃَﻥَّ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻛﺎﻧَﺘﺎ ﺭَﺗﻘًﺎ
ﻓَﻔَﺘَﻘﻨٰﻬُﻤﺎ ۖ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤﺎﺀِ
ﻛُﻞَّ ﺷَﻲﺀٍ ﺣَﻰٍّ ۖ ﺃَﻓَﻼ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[30] কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে,
আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল,
অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং
প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি
করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে
না?
[30] Have not those who disbelieve
known that the heavens and the earth
were joined together as one united piece,
then We parted them? And We have
made from water every living thing. Will
they not then believe?
[31] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺭَﻭٰﺳِﻰَ ﺃَﻥ ﺗَﻤﻴﺪَ ﺑِﻬِﻢ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ
ﻓﻴﻬﺎ ﻓِﺠﺎﺟًﺎ ﺳُﺒُﻠًﺎ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[31] আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে
দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী
ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ
রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়।
[31] And We have placed on the earth
firm mountains, lest it should shake with
them, and We placed therein broad
highways for them to pass through, that
they may be guided.
[32] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ ﺳَﻘﻔًﺎ
ﻣَﺤﻔﻮﻇًﺎ ۖ ﻭَﻫُﻢ ﻋَﻦ ﺀﺍﻳٰﺘِﻬﺎ
ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[32] আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি;
অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী
থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
[32] And We have made the heaven a
roof, safe and well guarded. Yet they
turn away from its signs (i.e. sun, moon,
winds, clouds, etc.).
[33] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟَّﻴﻞَ
ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ۖ
ﻛُﻞٌّ ﻓﻰ ﻓَﻠَﻚٍ ﻳَﺴﺒَﺤﻮﻥَ
[33] তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং
সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে
বিচরণ করে।
[33] And He it is Who has created the
night and the day, and the sun and the
moon, each in an orbit floating.
[34] ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻟِﺒَﺸَﺮٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﺍﻟﺨُﻠﺪَ ۖ ﺃَﻓَﺈِﻳ۟ﻦ ﻣِﺖَّ ﻓَﻬُﻢُ
ﺍﻟﺨٰﻠِﺪﻭﻥَ
[34] আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি
অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু
হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?
[34] And We granted not to any human
being immortality before you (O
Muhammad SAW), then if you die, would
they live forever?
[35] ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ ﺫﺍﺋِﻘَﺔُ ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ۗ
ﻭَﻧَﺒﻠﻮﻛُﻢ ﺑِﺎﻟﺸَّﺮِّ ﻭَﺍﻟﺨَﻴﺮِ ﻓِﺘﻨَﺔً ۖ
ﻭَﺇِﻟَﻴﻨﺎ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[35] প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন
করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও
ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই
কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
[35] Everyone is going to taste death,
and We shall make a trial of you with
evil and with good, and to Us you will be
returned.
[36] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺭَﺀﺍﻙَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺇِﻥ ﻳَﺘَّﺨِﺬﻭﻧَﻚَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﺰُﻭًﺍ ﺃَﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳَﺬﻛُﺮُ ﺀﺍﻟِﻬَﺘَﻜُﻢ ﻭَﻫُﻢ
ﺑِﺬِﻛﺮِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﻫُﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[36] কাফেররা যখন আপনাকে দেখে তখন
আপনার সাথে ঠাট্টা করা ছাড়া তাদের আর কোন
কাজ থাকে না, একি সেই ব্যক্তি, যে
তোমাদের দেব-দেবীদের সমালোচনা
করে? এবং তারাই তো রহমান’ এর আলোচনায়
অস্বীকার করে।
[36] And when those who disbelieved (in
the Oneness of Allâh) see you (O
Muhammad SAW), they take you not
except for mockery (saying): “Is this the
one who talks (badly) about your gods?”
While they disbelieve at the mention of
the Most Gracious (Allâh). [Tafsir. Al-
Qurtubî]
[37] ﺧُﻠِﻖَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ ﻣِﻦ ﻋَﺠَﻞٍ ۚ
ﺳَﺄُﻭ۟ﺭﻳﻜُﻢ ﺀﺍﻳٰﺘﻰ ﻓَﻼ
ﺗَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻥِ
[37] সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ, আমি
সত্তরই তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী
দেখাব। অতএব আমাকে শীঘ্র করতে
বলো না।
[37] Man is created of haste, I will show
you My Ayât (torments, proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.).So ask Me not to hasten
(them).
[38] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﺘﻰٰ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻮَﻋﺪُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[38] এবং তারা বলেঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও
তবে এই ওয়াদা কবে পুর্ণ হবে?
[38] And they say: “When will this
promise (come to pass), if you are
truthful.”
[39] ﻟَﻮ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺣﻴﻦَ ﻻ ﻳَﻜُﻔّﻮﻥَ ﻋَﻦ
ﻭُﺟﻮﻫِﻬِﻢُ ﺍﻟﻨّﺎﺭَ ﻭَﻻ ﻋَﻦ
ﻇُﻬﻮﺭِﻫِﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳُﻨﺼَﺮﻭﻥَ
[39] যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা
তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি
প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য
প্রাপ্ত হবে না।
[39] If only those who disbelieved knew
(the time) when they will not be able to
ward off the Fire from their faces, nor
from their backs; and they will not be
helped.
[40] ﺑَﻞ ﺗَﺄﺗﻴﻬِﻢ ﺑَﻐﺘَﺔً ﻓَﺘَﺒﻬَﺘُﻬُﻢ
ﻓَﻼ ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ ﺭَﺩَّﻫﺎ ﻭَﻻ
ﻫُﻢ ﻳُﻨﻈَﺮﻭﻥَ
[40] বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত
ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে
দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে
না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
[40] Nay, it (the Fire or the Day of
Resurrection) will come upon them all of
a sudden and will perplex them, and
they will have no power to avert it, nor
will they get respite.
[41] ﻭَﻟَﻘَﺪِ ﺍﺳﺘُﻬﺰِﺉَ ﺑِﺮُﺳُﻞٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺤﺎﻕَ ﺑِﺎﻟَّﺬﻳﻦَ ﺳَﺨِﺮﻭﺍ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِﻪِ
ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[41] আপনার পূর্বেও অনেক রাসূলের
সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়েছে। অতঃপর যে
বিষয়ে তারা ঠাট্টা করত তা উল্টো
ঠাট্টাকারীদের উপরই আপতিত হয়েছে।
[41] Indeed (many) Messengers were
mocked before you (O Muhammad SAW),
but the scoffers were surrounded by that,
whereat they used to mock.
[42] ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﻳَﻜﻠَﺆُﻛُﻢ ﺑِﺎﻟَّﻴﻞِ
ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ۗ ﺑَﻞ ﻫُﻢ
ﻋَﻦ ﺫِﻛﺮِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[42] বলুনঃ ‘রহমান’ থেকে কে
তোমাদেরকে হেফাযত করবে রাত্রে ও
দিনে। বরং তারা তাদের পালনকর্তার স্মরণ
থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
[42] Say: “Who can guard and protect
you in the night or in the day from the
(punishment of the) Most Gracious
(Allâh)?” Nay, but they turn away from
the remembrance of their Lord.
[43] ﺃَﻡ ﻟَﻬُﻢ ﺀﺍﻟِﻬَﺔٌ ﺗَﻤﻨَﻌُﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺩﻭﻧِﻨﺎ ۚ ﻻ ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ ﻧَﺼﺮَ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻣِﻨّﺎ
ﻳُﺼﺤَﺒﻮﻥَ
[43] তবে কি আমি ব্যতীত তাদের এমন
দেব-দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা
করবে? তারা তো নিজেদেরই সাহায্য করতে
সক্ষম নয় এবং তারা আমার মোকাবেলায়
সাহায্যকারীও পাবে না।
[43] Or have they âlihah (gods) who can
guard them from Us? They have no
power to help themselves, nor can they
be protected from Us (i.e. from Our
Torment).
[44] ﺑَﻞ ﻣَﺘَّﻌﻨﺎ ﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﻭَﺀﺍﺑﺎﺀَﻫُﻢ ﺣَﺘّﻰٰ ﻃﺎﻝَ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﻌُﻤُﺮُ ۗ ﺃَﻓَﻼ ﻳَﺮَﻭﻥَ ﺃَﻧّﺎ
ﻧَﺄﺗِﻰ ﺍﻷَﺭﺽَ ﻧَﻨﻘُﺼُﻬﺎ ﻣِﻦ
ﺃَﻃﺮﺍﻓِﻬﺎ ۚ ﺃَﻓَﻬُﻢُ ﺍﻟﻐٰﻠِﺒﻮﻥَ
[44] বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ-
দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি
তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি
দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে
চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও
কি তারা বিজয়ী হবে?
[44] Nay, We gave the luxuries of this life
to these men and their fathers until the
period grew long for them. See they not
that We gradually reduce the land (in
their control) from its outlying borders?
Is it then they who will overcome.
[45] ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃُﻧﺬِﺭُﻛُﻢ ﺑِﺎﻟﻮَﺣﻰِ ۚ
ﻭَﻻ ﻳَﺴﻤَﻊُ ﺍﻟﺼُّﻢُّ ﺍﻟﺪُّﻋﺎﺀَ ﺇِﺫﺍ
ﻣﺎ ﻳُﻨﺬَﺭﻭﻥَ
[45] বলুনঃ আমি তো কেবল ওহীর মাধ্যমেই
তোমাদেরকে সতর্ক করি, কিন্তু
বধিরদেরকে যখন সতর্ক করা হয়, তখন তারা
সে সতর্কবাণী শোনে না।
[45] Say (O Muhammad SAW): “I warn
you only by the revelation (from Allâh
and not by the opinion of the religious
scholars and others). But the deaf (who
follow the religious scholars and others
blindly) will not hear the call, (even)
when they are warned [(i.e. one should
follow only the Qur’ân and the Sunnah
(legal ways, orders, acts of worship, and
the statements of Prophet Muhammad
SAW , as the Companions of the Prophet
SAW did)].
[46] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﻣَﺴَّﺘﻬُﻢ ﻧَﻔﺤَﺔٌ ﻣِﻦ
ﻋَﺬﺍﺏِ ﺭَﺑِّﻚَ ﻟَﻴَﻘﻮﻟُﻦَّ ﻳٰﻮَﻳﻠَﻨﺎ
ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻇٰﻠِﻤﻴﻦَ
[46] আপনার পালনকর্তার আযাবের কিছুমাত্রও
তাদেরকে স্পর্শ করলে তারা বলতে
থাকবে, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা অবশ্যই
পাপী ছিলাম।
[46] And if a breath (minor calamity) of
the Torment of your Lord touches them,
they will surely cry: “Woe unto us!
Indeed we have been Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers).
[47] ﻭَﻧَﻀَﻊُ ﺍﻟﻤَﻮٰﺯﻳﻦَ ﺍﻟﻘِﺴﻂَ
ﻟِﻴَﻮﻡِ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻓَﻼ ﺗُﻈﻠَﻢُ ﻧَﻔﺲٌ
ﺷَﻴـًٔﺎ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻣِﺜﻘﺎﻝَ ﺣَﺒَّﺔٍ
ﻣِﻦ ﺧَﺮﺩَﻝٍ ﺃَﺗَﻴﻨﺎ ﺑِﻬﺎ ۗ ﻭَﻛَﻔﻰٰ
ﺑِﻨﺎ ﺣٰﺴِﺒﻴﻦَ
[47] আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের
মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম
হবে না। যদি কোন আমল সরিষার দানা পরিমাণও
হয়, আমি তা উপস্থিত করব এবং হিসাব গ্রহণের
জন্যে আমিই যথেষ্ট।
[47] And We shall set up balances of
justice on the Day of Resurrection, then
none will be dealt with unjustly in
anything. And if there be the weight of a
mustard seed, We will bring it. And
Sufficient are We to take account.
[48] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﻭَﻫٰﺮﻭﻥَ ﺍﻟﻔُﺮﻗﺎﻥَ ﻭَﺿِﻴﺎﺀً
ﻭَﺫِﻛﺮًﺍ ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[48] আমি মূসা ও হারুণকে দান করেছিলাম
মীমাংসাকারী গ্রন্থ, আলো ও উপদেশ,
আল্লাহ ভীরুদের জন্যে
[48] And indeed We granted to Mûsa
(Moses) and Hârûn (Aaron) the criterion
(of right and wrong), and a shining light
[i.e. the Taurât (Torah)] and a Reminder
for Al-Muttaqûn (the pious and righteous
persons – see V.2:2).
[49] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺨﺸَﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ
ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ ﻭَﻫُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔِ
ﻣُﺸﻔِﻘﻮﻥَ
[49] যারা না দেখেই তাদের পালনকর্তাকে
ভয় করে এবং কেয়ামতের ভয়ে শঙ্কিত।
[49] Those who fear their Lord without
seeing Him, and they are afraid of the
Hour.
[50] ﻭَﻫٰﺬﺍ ﺫِﻛﺮٌ ﻣُﺒﺎﺭَﻙٌ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻪُ ۚ
ﺃَﻓَﺄَﻧﺘُﻢ ﻟَﻪُ ﻣُﻨﻜِﺮﻭﻥَ
[50] এবং এটা একটা বরকতময় উপদেশ, যা আমি
নাযিল করেছি। অতএব তোমরা কি একে
অস্বীকার কর?
[50] And this is a blessed Reminder (the
Qur’ân) which We have sent down, will
you then (dare to) deny it?
[51] ۞ ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ
ﺭُﺷﺪَﻩُ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ﻭَﻛُﻨّﺎ ﺑِﻪِ
ﻋٰﻠِﻤﻴﻦَ
[51] আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার
সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার
সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম।
[51] And indeed We bestowed aforetime
on Ibrâhim (Abraham) his (portion of)
guidance, and We were Well-Acquainted
with him (as to his Belief in the Oneness
of Allâh).
[52] ﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﻟِﺄَﺑﻴﻪِ ﻭَﻗَﻮﻣِﻪِ ﻣﺎ
ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﺘَّﻤﺎﺛﻴﻞُ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺃَﻧﺘُﻢ ﻟَﻬﺎ
ﻋٰﻜِﻔﻮﻥَ
[52] যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে
বললেনঃ এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা
পূজারী হয়ে বসে আছ।
[52] When he said to his father and his
people: “What are these images, to which
you are devoted?”
[53] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻭَﺟَﺪﻧﺎ ﺀﺍﺑﺎﺀَﻧﺎ ﻟَﻬﺎ
ﻋٰﺒِﺪﻳﻦَ
[53] তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে
এদের পুজা করতে দেখেছি।
[53] They said:”We found our fathers
worshipping them.”
[54] ﻗﺎﻝَ ﻟَﻘَﺪ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﻭَﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[54] তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য
গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ-
দাদারাও।
[54] He said: “Indeed you and your
fathers have been in manifest error.”
[55] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺟِﺌﺘَﻨﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﺃَﻡ
ﺃَﻧﺖَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠّٰﻌِﺒﻴﻦَ
[55] তারা বললঃ তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ
আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ?
[55] They said: “Have you brought us the
truth, or are you one of those who play
about?”
[56] ﻗﺎﻝَ ﺑَﻞ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺭَﺏُّ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻓَﻄَﺮَﻫُﻦَّ ﻭَﺃَﻧﺎ۠ ﻋَﻠﻰٰ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺸّٰﻬِﺪﻳﻦَ
[56] তিনি বললেনঃ না, তিনিই তোমাদের
পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের
পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; এবং
আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা।
[56] He said: “Nay, your Lord is the Lord
of the heavens and the earth, Who
created them and to that I am one of the
witnesses.
[57] ﻭَﺗَﺎﻟﻠَّﻪِ ﻟَﺄَﻛﻴﺪَﻥَّ ﺃَﺻﻨٰﻤَﻜُﻢ
ﺑَﻌﺪَ ﺃَﻥ ﺗُﻮَﻟّﻮﺍ ﻣُﺪﺑِﺮﻳﻦَ
[57] আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ
প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি
তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা
ব্যবস্থা অবলম্বন করব।
[57] “And by Allâh, I shall plot a plan (to
destroy) your idols after you have gone
away and turned your backs.”
[58] ﻓَﺠَﻌَﻠَﻬُﻢ ﺟُﺬٰﺫًﺍ ﺇِﻟّﺎ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
ﻟَﻬُﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻳَﺮﺟِﻌﻮﻥَ
[58] অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ-বিচুর্ণ
করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীতঃ যাতে
তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে।
[58] So he broke them to pieces, (all)
except the biggest of them, that they
might turn to it.
[59] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣَﻦ ﻓَﻌَﻞَ ﻫٰﺬﺍ
ﺑِـٔﺎﻟِﻬَﺘِﻨﺎ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[59] তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে
এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই
কোন জালিম।
[59] They said: “Who has done this to
our âlihah (gods)? He must indeed be
one of the Zalimun (wrong-doers).”
[60] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺳَﻤِﻌﻨﺎ ﻓَﺘًﻰ
ﻳَﺬﻛُﺮُﻫُﻢ ﻳُﻘﺎﻝُ ﻟَﻪُ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢُ
[60] কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে
তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে
শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়।
[60] They said: “We heard a young man
talking against them, who is called
Ibrâhim (Abraham).”
[61] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻓَﺄﺗﻮﺍ ﺑِﻪِ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻋﻴُﻦِ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺸﻬَﺪﻭﻥَ
[61] তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত
কর, যাতে তারা দেখে।
[61] They said: “Then bring him before
the eyes of the people, that they may
testify.”
[62] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺀَﺃَﻧﺖَ ﻓَﻌَﻠﺖَ ﻫٰﺬﺍ
ﺑِـٔﺎﻟِﻬَﺘِﻨﺎ ﻳٰﺈِﺑﺮٰﻫﻴﻢُ
[62] তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি
আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার
করেছ?
[62] They said: “Are you the one who has
done this to our gods, O Ibrâhim
(Abraham)?”
[63] ﻗﺎﻝَ ﺑَﻞ ﻓَﻌَﻠَﻪُ ﻛَﺒﻴﺮُﻫُﻢ
ﻫٰﺬﺍ ﻓَﺴـَٔﻠﻮﻫُﻢ ﺇِﻥ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻨﻄِﻘﻮﻥَ
[63] তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো
একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে
জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে।
[63] [Ibrâhim (Abraham)] said: “Nay, this
one, the biggest of them (idols) did it. Ask
them, if they can speak!”
[64] ﻓَﺮَﺟَﻌﻮﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ
ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﺃَﻧﺘُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[64] অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ
লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।
[64] So they turned to themselves and
said: “Verily, you are the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers).”
[65] ﺛُﻢَّ ﻧُﻜِﺴﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺭُﺀﻭﺳِﻬِﻢ
ﻟَﻘَﺪ ﻋَﻠِﻤﺖَ ﻣﺎ ﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﻳَﻨﻄِﻘﻮﻥَ
[65] অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত
করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না
[65] Then they turned to themselves
(their first thought and said): “Indeed
you [Ibrâhim (Abraham)] know well that
these (idols) speak not!”
[66] ﻗﺎﻝَ ﺃَﻓَﺘَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻻ ﻳَﻨﻔَﻌُﻜُﻢ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ
ﻳَﻀُﺮُّﻛُﻢ
[66] তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর
পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা
তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না
এবং ক্ষতিও করতে পারে না ?
[66] [Ibrâhim (Abraham)] said: “Do you
then worship besides Allâh, things that
can neither profit you, nor harm you?
[67] ﺃُﻑٍّ ﻟَﻜُﻢ ﻭَﻟِﻤﺎ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[67] ধিক তোমাদের জন্যে এবং তোমরা
আল্লাহ ব্যতীত যাদেরই এবাদত কর, ওদের
জন্যে। তোমরা কি বোঝ না?
[67] “Fie upon you, and upon that which
you worship besides Allâh! Have you
then no sense?”
[68] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺣَﺮِّﻗﻮﻩُ ﻭَﺍﻧﺼُﺮﻭﺍ
ﺀﺍﻟِﻬَﺘَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻓٰﻌِﻠﻴﻦَ
[68] তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও এবং
তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি
তোমরা কিছু করতে চাও।
[68] They said: “Burn him and help your
âlihah (gods), if you will be doing.”
[69] ﻗُﻠﻨﺎ ﻳٰﻨﺎﺭُ ﻛﻮﻧﻰ ﺑَﺮﺩًﺍ
ﻭَﺳَﻠٰﻤًﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ
[69] আমি বললামঃ হে অগ্নি, তুমি ইব্রাহীমের
উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।
[69] We (Allâh) said: “O fire! Be you
coolness and safety for Ibrâhim
(Abraham)!”
[70] ﻭَﺃَﺭﺍﺩﻭﺍ ﺑِﻪِ ﻛَﻴﺪًﺍ
ﻓَﺠَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢُ ﺍﻷَﺧﺴَﺮﻳﻦَ
[70] তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে
চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক
ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।
[70] And they wanted to harm him, but
We made them the worst losers.
[71] ﻭَﻧَﺠَّﻴﻨٰﻪُ ﻭَﻟﻮﻃًﺎ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺑٰﺮَﻛﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ
ﻟِﻠﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[71] আমি তাঁকে ও লূতকে উদ্ধার করে
সেই দেশে পৌঁছিয়ে দিলাম, যেখানে আমি
বিশ্বের জন্যে কল্যাণ রেখেছি।
[71] And We rescued him and Lut (Lot)
to the land which We have blessed for
the ‘Alamîn (mankind and jinn).
[72] ﻭَﻭَﻫَﺒﻨﺎ ﻟَﻪُ ﺇِﺳﺤٰﻖَ
ﻭَﻳَﻌﻘﻮﺏَ ﻧﺎﻓِﻠَﺔً ۖ ﻭَﻛُﻠًّﺎ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ
ﺻٰﻠِﺤﻴﻦَ
[72] আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও পুরস্কার
স্বরূপ দিলাম ইয়াকুব এবং প্রত্যেককেই
সৎকর্ম পরায়ণ করলাম।
[72] And We bestowed upon him Ishâq
(Isaac), and (a grandson) Ya’qûb (Jacob).
Each one We made righteous.
[73] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢ ﺃَﺋِﻤَّﺔً ﻳَﻬﺪﻭﻥَ
ﺑِﺄَﻣﺮِﻧﺎ ﻭَﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻓِﻌﻞَ
ﺍﻟﺨَﻴﺮٰﺕِ ﻭَﺇِﻗﺎﻡَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓِ
ﻭَﺇﻳﺘﺎﺀَ ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓِ ۖ ﻭَﻛﺎﻧﻮﺍ ﻟَﻨﺎ
ﻋٰﺒِﺪﻳﻦَ
[73] আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার
নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন।
আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম
করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার।
তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।
[73] And We made them leaders, guiding
(mankind) by Our Command, and We
revealed them the doing of good deeds,
performing Salât (Iqâmat-as-Salât), and
the giving of Zakât and of Us (Alone)
they were the worshippers.
[74] ﻭَﻟﻮﻃًﺎ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻪُ ﺣُﻜﻤًﺎ
ﻭَﻋِﻠﻤًﺎ ﻭَﻧَﺠَّﻴﻨٰﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘَﺮﻳَﺔِ
ﺍﻟَّﺘﻰ ﻛﺎﻧَﺖ ﺗَﻌﻤَﻞُ ﺍﻟﺨَﺒٰﺌِﺚَ ۗ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻗَﻮﻡَ ﺳَﻮﺀٍ
ﻓٰﺴِﻘﻴﻦَ
[74] এবং আমি লূতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও
জ্ঞান এবং তাঁকে ঐ জনপদ থেকে উদ্ধার
করেছিলাম, যারা নোংরা কাজে লিপ্ত ছিল। তারা
মন্দ ও নাফরমান সম্প্রদায় ছিল।
[74] And (remember) Lut (Lot), We gave
him Hukm (right judgement of the
affairs and Prophethood) and (religious)
knowledge, and We saved him from the
town (folk) who practised Al-Khabâ’ith
(evil, wicked and filthy deeds). Verily,
they were a people given to evil, and
were Fâsiqûn (rebellious, disobedient, to
Allâh).
[75] ﻭَﺃَﺩﺧَﻠﻨٰﻪُ ﻓﻰ ﺭَﺣﻤَﺘِﻨﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ
[75] আমি তাকে আমার অনুগ্রহের
অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। সে ছিল
সৎকর্মশীলদের একজন।
[75] And We admitted him to Our Mercy,
truly, he was of the righteous.
[76] ﻭَﻧﻮﺣًﺎ ﺇِﺫ ﻧﺎﺩﻯٰ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ
ﻓَﺎﺳﺘَﺠَﺒﻨﺎ ﻟَﻪُ ﻓَﻨَﺠَّﻴﻨٰﻪُ ﻭَﺃَﻫﻠَﻪُ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜَﺮﺏِ ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢِ
[76] এবং স্মরণ করুন নূহকে; যখন তিনি এর
পূর্বে আহবান করেছিলেন। তখন আমি তাঁর
দোয়া কবুল করেছিলাম, অতঃপর তাঁকে ও তাঁর
পরিবারবর্গকে মহ