24. সুরাহ আন – নূর (01-64)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺳﻮﺭَﺓٌ ﺃَﻧﺰَﻟﻨٰﻬﺎ ﻭَﻓَﺮَﺿﻨٰﻬﺎ
ﻭَﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﺀﺍﻳٰﺖٍ ﺑَﻴِّﻨٰﺖٍ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[1] এটা একটা সূরা যা আমি নাযিল করেছি, এবং
দায়িত্বে অপরিহার্য করেছি। এতে আমি
সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছি, যাতে
তোমরা স্মরণ রাখ।
[1] (This is) a Sûrah (chapter of the
Qur’ân) which We have sent down and
which We have enjoined, (ordained its
legal laws) and in it We have revealed
manifest Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations lawful and
unlawful things, and set boundries of
Islâmic Religion), that you may
remember
[2] ﺍﻟﺰّﺍﻧِﻴَﺔُ ﻭَﺍﻟﺰّﺍﻧﻰ ﻓَﺎﺟﻠِﺪﻭﺍ
ﻛُﻞَّ ﻭٰﺣِﺪٍ ﻣِﻨﻬُﻤﺎ ﻣِﺎ۟ﺋَﺔَ ﺟَﻠﺪَﺓٍ ۖ
ﻭَﻻ ﺗَﺄﺧُﺬﻛُﻢ ﺑِﻬِﻤﺎ ﺭَﺃﻓَﺔٌ ﻓﻰ
ﺩﻳﻦِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ۖ
ﻭَﻟﻴَﺸﻬَﺪ ﻋَﺬﺍﺑَﻬُﻤﺎ ﻃﺎﺋِﻔَﺔٌ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[2] ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ;
তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে
বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর
কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে
দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর
প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক।
মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি
প্রত্যক্ষ করে।
[2] The woman and the man guilty of
illegal sexual intercourse, flog each of
them with a hundred stripes. Let not pity
withhold you in their case, in a
punishment prescribed by Allâh, if you
believe in Allâh and the Last Day. And
let a party of the believers witness their
punishment. (This punishment is for
unmarried persons guilty of the above
crime but if married persons commit it,
the punishment is to stone them to
death, according to Allâh’s Law)
[3] ﺍﻟﺰّﺍﻧﻰ ﻻ ﻳَﻨﻜِﺢُ ﺇِﻟّﺎ ﺯﺍﻧِﻴَﺔً
ﺃَﻭ ﻣُﺸﺮِﻛَﺔً ﻭَﺍﻟﺰّﺍﻧِﻴَﺔُ ﻻ
ﻳَﻨﻜِﺤُﻬﺎ ﺇِﻟّﺎ ﺯﺍﻥٍ ﺃَﻭ ﻣُﺸﺮِﻙٌ ۚ
ﻭَﺣُﺮِّﻡَ ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[3] ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী
নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে
এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা
মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে
মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।
[3] The adulterer marries not but an
adulteress or a Mushrikah and the
adulteress none marries her except an
adulterer or a Muskrik [and that means
that the man who agrees to marry (have
a sexual relation with) a Mushrikah
(female polytheist, pagan or idolatress)
or a prostitute, then surely he is either
an adulterer, or a Mushrik (polytheist,
pagan or idolater) And the woman who
agrees to marry (have a sexual relation
with) a Mushrik (polytheist, pagan or
idolater) or an adulterer, then she is
either a prostitute or a Mushrikah
(female polytheist, pagan, or idolatress)].
Such a thing is forbidden to the believers
(of Islâmic Monotheism).
[4] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺮﻣﻮﻥَ
ﺍﻟﻤُﺤﺼَﻨٰﺖِ ﺛُﻢَّ ﻟَﻢ ﻳَﺄﺗﻮﺍ
ﺑِﺄَﺭﺑَﻌَﺔِ ﺷُﻬَﺪﺍﺀَ ﻓَﺎﺟﻠِﺪﻭﻫُﻢ
ﺛَﻤٰﻨﻴﻦَ ﺟَﻠﺪَﺓً ﻭَﻻ ﺗَﻘﺒَﻠﻮﺍ ﻟَﻬُﻢ
ﺷَﻬٰﺪَﺓً ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻮﻥَ
[4] যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ
আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন
পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে
আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের
সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।
[4] And those who accuse chaste women,
and produce not four witnesses, flog
them with eighty stripes, and reject their
testimony forever, They indeed are the
Fâsiqûn (liars, rebellious, disobedient to
Allâh).
[5] ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗﺎﺑﻮﺍ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻭَﺃَﺻﻠَﺤﻮﺍ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[5] কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত
হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।
[5] Except those who repent thereafter
and do righteous deeds, (for such) verily,
Allâh is Oft-Forgiving, Most Merciful.
[6] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺮﻣﻮﻥَ ﺃَﺯﻭٰﺟَﻬُﻢ
ﻭَﻟَﻢ ﻳَﻜُﻦ ﻟَﻬُﻢ ﺷُﻬَﺪﺍﺀُ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻧﻔُﺴُﻬُﻢ ﻓَﺸَﻬٰﺪَﺓُ ﺃَﺣَﺪِﻫِﻢ
ﺃَﺭﺑَﻊُ ﺷَﻬٰﺪٰﺕٍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ۙ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻤِﻦَ
ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[6] এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ
আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের
কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য
এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম
খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে
অবশ্যই সত্যবাদী।
[6] And for those who accuse their wives,
but have no witnesses except themselves,
let the testimony of one of them be four
testimonies (i.e. testifies four times) by
Allâh that he is one of those who speak
the truth.
[7] ﻭَﺍﻟﺨٰﻤِﺴَﺔُ ﺃَﻥَّ ﻟَﻌﻨَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻴﻦَ
[7] এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে
মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত।
[7] And the fifth (testimony should be)
the invoking of the Curse of Allâh on him
if he be of those who tell a lie (against
her).
[8] ﻭَﻳَﺪﺭَﺅُﺍ۟ ﻋَﻨﻬَﺎ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ﺃَﻥ
ﺗَﺸﻬَﺪَ ﺃَﺭﺑَﻊَ ﺷَﻬٰﺪٰﺕٍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ۙ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻟَﻤِﻦَ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻴﻦَ
[8] এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি
সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য
দেয় যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী;
[8] But it shall avert the punishment (of
stoning to death) from her, if she bears
witness four times by Allâh, that he (her
husband) is telling a lie.
[9] ﻭَﺍﻟﺨٰﻤِﺴَﺔَ ﺃَﻥَّ ﻏَﻀَﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[9] এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী
সত্যবাদী হয় তবে তার ওপর আল্লাহর গযব
নেমে আসবে।
[9] And the fifth (testimony) should be
that the Wrath of Allâh be upon her if he
(her husband) speaks the truth.
[10] ﻭَﻟَﻮﻻ ﻓَﻀﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺭَﺣﻤَﺘُﻪُ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﻮّﺍﺏٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[10] তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া
না থাকলে এবং আল্লাহ তওবা কবুল কারী,
প্রজ্ঞাময় না হলে কত কিছুই যে হয়ে
যেত।
[10] And had it not been for the Grace of
Allâh and His Mercy on you (He would
have hastened the punishment upon
you)! And that Allâh is the One Who for
gives and accepts repentance, the All-
Wise.
[11] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺟﺎﺀﻭ ﺑِﺎﻹِﻓﻚِ
ﻋُﺼﺒَﺔٌ ﻣِﻨﻜُﻢ ۚ ﻻ ﺗَﺤﺴَﺒﻮﻩُ
ﺷَﺮًّﺍ ﻟَﻜُﻢ ۖ ﺑَﻞ ﻫُﻮَ ﺧَﻴﺮٌ ﻟَﻜُﻢ ۚ
ﻟِﻜُﻞِّ ﺍﻣﺮِﺉٍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﺎ ﺍﻛﺘَﺴَﺐَ
ﻣِﻦَ ﺍﻹِﺛﻢِ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻯ ﺗَﻮَﻟّﻰٰ ﻛِﺒﺮَﻩُ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻟَﻪُ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[11] যারা মিথ্যা অপবাদ রটনা করেছে, তারা
তোমাদেরই একটি দল। তোমরা একে
নিজেদের জন্যে খারাপ মনে করো না; বরং
এটা তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। তাদের
প্রত্যেকের জন্যে ততটুকু আছে যতটুকু
সে গোনাহ করেছে এবং তাদের মধ্যে
যে এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে,
তার জন্যে রয়েছে বিরাট শাস্তি।
[11] Verily! those who brought forth the
slander (against ‘Aishah
radhiallahu’anhu the wife of the Prophet
SAW) are a group among you. Consider it
not a bad thing for you. Nay, it is good
for you. Unto every man among them
will be paid that which he had earned of
the sin, and as for him among them who
had the greater share therein, his will be
a great torment.
[12] ﻟَﻮﻻ ﺇِﺫ ﺳَﻤِﻌﺘُﻤﻮﻩُ ﻇَﻦَّ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖُ
ﺑِﺄَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻫٰﺬﺍ
ﺇِﻓﻚٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[12] তোমরা যখন একথা শুনলে, তখন ঈমানদার
পুরুষ ও নারীগণ কেন নিজেদের লোক
সম্পর্কে উত্তম ধারণা করনি এবং বলনি যে,
এটা তো নির্জলা অপবাদ?
[12] Why then, did not the believers,
men and women, when you heard it (the
slander) think good of their own people
and say: “This (charge) is an obvious
lie?”
[13] ﻟَﻮﻻ ﺟﺎﺀﻭ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺑِﺄَﺭﺑَﻌَﺔِ
ﺷُﻬَﺪﺍﺀَ ۚ ﻓَﺈِﺫ ﻟَﻢ ﻳَﺄﺗﻮﺍ
ﺑِﺎﻟﺸُّﻬَﺪﺍﺀِ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻫُﻢُ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[13] তারা কেন এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী
উপস্থিত করেনি; অতঃপর যখন তারা সাক্ষী
উপস্থিত করেনি, তখন তারাই আল্লাহর কাছে
মিথ্যাবাদী।
[13] Why did they not produce four
witnesses? Since they (the slanderers)
have not produced witnesses! Then with
Allâh they are the liars.
[14] ﻭَﻟَﻮﻻ ﻓَﻀﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺭَﺣﻤَﺘُﻪُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻟَﻤَﺴَّﻜُﻢ ﻓﻰ ﻣﺎ
ﺃَﻓَﻀﺘُﻢ ﻓﻴﻪِ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[14] যদি ইহকালে ও পরকালে তোমাদের
প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত, তবে
তোমরা যা চর্চা করছিলে, তজ্জন্যে
তোমাদেরকে গুরুতর আযাব স্পর্শ করত।
[14] Had it not been for the Grace of
Allâh and His Mercy unto you in this
world and in the Hereafter, a great
torment would have touched you for that
whereof you had spoken.
[15] ﺇِﺫ ﺗَﻠَﻘَّﻮﻧَﻪُ ﺑِﺄَﻟﺴِﻨَﺘِﻜُﻢ
ﻭَﺗَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺑِﺄَﻓﻮﺍﻫِﻜُﻢ ﻣﺎ ﻟَﻴﺲَ
ﻟَﻜُﻢ ﺑِﻪِ ﻋِﻠﻢٌ ﻭَﺗَﺤﺴَﺒﻮﻧَﻪُ ﻫَﻴِّﻨًﺎ
ﻭَﻫُﻮَ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[15] যখন তোমরা একে মুখে মুখে
ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ
করছিলে, যার কোন জ্ঞান তোমাদের ছিল না।
তোমরা একে তুচ্ছ মনে করছিলে, অথচ এটা
আল্লাহর কাছে গুরুতর ব্যাপার ছিল।
[15] When you were propagating it with
your tongues, and uttering with your
mouths that whereof you had no
knowledge, you counted it a little thing,
while with Allâh it was very great.
[16] ﻭَﻟَﻮﻻ ﺇِﺫ ﺳَﻤِﻌﺘُﻤﻮﻩُ ﻗُﻠﺘُﻢ
ﻣﺎ ﻳَﻜﻮﻥُ ﻟَﻨﺎ ﺃَﻥ ﻧَﺘَﻜَﻠَّﻢَ ﺑِﻬٰﺬﺍ
ﺳُﺒﺤٰﻨَﻚَ ﻫٰﺬﺍ ﺑُﻬﺘٰﻦٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[16] তোমরা যখন এ কথা শুনলে তখন কেন
বললে না যে, এ বিষয়ে কথা বলা আমাদের
উচিত নয়। আল্লাহ তো পবিত্র, মহান। এটা তো
এক গুরুতর অপবাদ।
[16] And why did you not, when you
heard it, say “It is not right for us to
speak of this. Glory is to You (O Allâh)
this is a great lie.”
[17] ﻳَﻌِﻈُﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ ﺗَﻌﻮﺩﻭﺍ
ﻟِﻤِﺜﻠِﻪِ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[17] আল্লাহ তোমাদেরকে উপদেশ
দিচ্ছেন, তোমরা যদি ঈমানদার হও, তবে
তখনও পুনরায় এ ধরণের আচরণের পুনরাবৃত্তি
করো না।
[17] Allâh forbids you from it and warns
you not to repeat the like of it forever, if
you are believers.
[18] ﻭَﻳُﺒَﻴِّﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[18] আল্লাহ তোমাদের জন্যে কাজের কথা
স্পষ্ট করে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ,
প্রজ্ঞাময়।
[18] And Allâh makes the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) plain to you, and Allâh
is All-Knowing, All-Wise.
[19] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺤِﺒّﻮﻥَ ﺃَﻥ
ﺗَﺸﻴﻊَ ﺍﻟﻔٰﺤِﺸَﺔُ ﻓِﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[19] যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের
মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের
জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি
রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না।
[19] Verily, those who like that (the crime
of) illegal sexual intercourse should be
propagated among those who believe,
they will have a painful torment in this
world and in the Hereafter. And Allâh
knows and you know not.
[20] ﻭَﻟَﻮﻻ ﻓَﻀﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺭَﺣﻤَﺘُﻪُ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺭَﺀﻭﻑٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[20] যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও
দয়া না থাকত এবং আল্লাহ দয়ালু, মেহেরবান না
হতেন, তবে কত কিছুই হয়ে যেত।
[20] And had it not been for the Grace of
Allâh and His Mercy on you, (Allâh
would have hastened the punishment
upon you). And that Allâh is full of
kindness, Most Merciful.
[21] ۞ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺘَّﺒِﻌﻮﺍ ﺧُﻄُﻮٰﺕِ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦِ ۚ
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَّﺒِﻊ ﺧُﻄُﻮٰﺕِ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦِ
ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻳَﺄﻣُﺮُ ﺑِﺎﻟﻔَﺤﺸﺎﺀِ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨﻜَﺮِ ۚ ﻭَﻟَﻮﻻ ﻓَﻀﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻭَﺭَﺣﻤَﺘُﻪُ ﻣﺎ ﺯَﻛﻰٰ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺃَﺣَﺪٍ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺰَﻛّﻰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[21] হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের
পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ
শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো
শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ
করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া
তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের
কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ
সবকিছু শোনেন, জানেন।
[21] O you who believe! Follow not the
footsteps of Shaitân (Satan). And
whosoever follows the footsteps of
Shaitân (Satan), then, verily he
commands Al-Fahshâ’ [i.e. to commit
indecency (illegal sexual intercourse)],
and Al-Munkar [disbelief and polytheism
(i.e. to do evil and wicked deeds; and to
speak or to do what is forbidden in
Islâm)]. And had it not been for the
Grace of Allâh and His Mercy on you, not
one of you would ever have been pure
from sins. But Allâh purifies (guides to
Islâm) whom He wills, and Allâh is All-
Hearer, All-Knower.
[22] ﻭَﻻ ﻳَﺄﺗَﻞِ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ ﺍﻟﻔَﻀﻞِ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﺍﻟﺴَّﻌَﺔِ ﺃَﻥ ﻳُﺆﺗﻮﺍ
ﺃُﻭﻟِﻰ ﺍﻟﻘُﺮﺑﻰٰ ﻭَﺍﻟﻤَﺴٰﻜﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻬٰﺠِﺮﻳﻦَ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ
ﻭَﻟﻴَﻌﻔﻮﺍ ﻭَﻟﻴَﺼﻔَﺤﻮﺍ ۗ ﺃَﻻ
ﺗُﺤِﺒّﻮﻥَ ﺃَﻥ ﻳَﻐﻔِﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[22] তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও
আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেন কসম
না খায় যে, তারা আত্নীয়-স্বজনকে,
অভাবগ্রস্তকে এবং আল্লাহর পথে
হিজরতকারীদেরকে কিছুই দেবে না।
তাদের ক্ষমা করা উচিত এবং দোষক্রটি
উপেক্ষা করা উচিত। তোমরা কি কামনা কর না
যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করেন?
আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়।
[22] And let not those among you who
are blessed with graces and wealth
swear not to give (any sort of help) to
their kinsmen, Al-Masâkîn (the poor),
and those who left their homes for
Allâh’s Cause. Let them pardon and
forgive. Do you not love that Allâh should
forgive you? And Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[23] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺮﻣﻮﻥَ
ﺍﻟﻤُﺤﺼَﻨٰﺖِ ﺍﻟﻐٰﻔِﻠٰﺖِ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ
ﻟُﻌِﻨﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ
ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[23] যারা সতী-সাধ্বী, নিরীহ ঈমানদার
নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা
ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের
জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি।
[23] Verily, those who accuse chaste
women, who never even think of
anything touching their chastity and are
good believers,— are cursed in this life
and in the Hereafter, and for them will
be a great torment,—
[24] ﻳَﻮﻡَ ﺗَﺸﻬَﺪُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﺃَﻟﺴِﻨَﺘُﻬُﻢ ﻭَﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ ﻭَﺃَﺭﺟُﻠُﻬُﻢ
ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[24] যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের
জিহবা, তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা
করত;
[24] On the Day when their tongues,
their hands, and their legs (or feet) will
bear witness against them as to what
they used to do.
[25] ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﻳُﻮَﻓّﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺩﻳﻨَﻬُﻢُ ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻭَﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﺃَﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[25] সেদিন আল্লাহ তাদের সমুচিত শাস্তি
পুরোপুরি দেবেন এবং তারা জানতে পারবে
যে, অল্লাহই সত্য, স্পষ্ট ব্যক্তকারী।
[25] On that Day Allâh will pay them the
recompense of their deeds in full, and
they will know that Allâh, He is the
Manifest Truth.
[26] ﺍﻟﺨَﺒﻴﺜٰﺖُ ﻟِﻠﺨَﺒﻴﺜﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﺨَﺒﻴﺜﻮﻥَ ﻟِﻠﺨَﺒﻴﺜٰﺖِ ۖ
ﻭَﺍﻟﻄَّﻴِّﺒٰﺖُ ﻟِﻠﻄَّﻴِّﺒﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻄَّﻴِّﺒﻮﻥَ ﻟِﻠﻄَّﻴِّﺒٰﺖِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻣُﺒَﺮَّﺀﻭﻥَ ﻣِﻤّﺎ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ۖ ﻟَﻬُﻢ
ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ ﻭَﺭِﺯﻕٌ ﻛَﺮﻳﻢٌ
[26] দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের
জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা
নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল
সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র
পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার
সাথে তারা সম্পর্কহীন। তাদের জন্যে
আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
[26] Bad statements are for bad people
(or bad women for bad men) and bad
people for bad statements (or bad men
for bad women). Good statements are for
good people (or good women for good
men) and good people for good
statements (or good men for good
women), such (good people) are innocent
of (every) bad statement which they say,
for them is Forgiveness, and Rizqun
Karîm (generous provision i.e.Paradise).
[27] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺪﺧُﻠﻮﺍ ﺑُﻴﻮﺗًﺎ ﻏَﻴﺮَ ﺑُﻴﻮﺗِﻜُﻢ
ﺣَﺘّﻰٰ ﺗَﺴﺘَﺄﻧِﺴﻮﺍ ﻭَﺗُﺴَﻠِّﻤﻮﺍ
ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻫﻠِﻬﺎ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺧَﻴﺮٌ ﻟَﻜُﻢ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[27] হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ
ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে
পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং
গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই
তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা
স্মরণ রাখ।
[27] O you who believe! Enter not houses
other than your own, until you have
asked permission and greeted those in
them, that is better for you, in order that
you may remember.
[28] ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ ﺗَﺠِﺪﻭﺍ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺣَﺪًﺍ
ﻓَﻼ ﺗَﺪﺧُﻠﻮﻫﺎ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﺆﺫَﻥَ
ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﺭﺟِﻌﻮﺍ
ﻓَﺎﺭﺟِﻌﻮﺍ ۖ ﻫُﻮَ ﺃَﺯﻛﻰٰ ﻟَﻜُﻢ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻤﺎ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[28] যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে
অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে
প্রবেশ করো না। যদি তোমাদেরকে বলা হয়
ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে
তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে
এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ তা ভালোভাবে
জানেন।
[28] And if you find no one therein, still,
enter not until permission has been
given. And if you are asked to go back,
go back, for it is purer for you, and Allâh
is All-Knower of what you do.
[29] ﻟَﻴﺲَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺟُﻨﺎﺡٌ ﺃَﻥ
ﺗَﺪﺧُﻠﻮﺍ ﺑُﻴﻮﺗًﺎ ﻏَﻴﺮَ ﻣَﺴﻜﻮﻧَﺔٍ
ﻓﻴﻬﺎ ﻣَﺘٰﻊٌ ﻟَﻜُﻢ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ
ﺗُﺒﺪﻭﻥَ ﻭَﻣﺎ ﺗَﻜﺘُﻤﻮﻥَ
[29] যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে
তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে
প্রবেশ করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই
এবং আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর এবং
যা গোপন কর।
[29] There is no sin on you that you
enter (without taking permission) houses
uninhabited (i.e. not possessed by
anybody), (when) you have any interest
in them. And Allâh has knowledge of
what you reveal and what you conceal.
[30] ﻗُﻞ ﻟِﻠﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻳَﻐُﻀّﻮﺍ ﻣِﻦ
ﺃَﺑﺼٰﺮِﻫِﻢ ﻭَﻳَﺤﻔَﻈﻮﺍ ﻓُﺮﻭﺟَﻬُﻢ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﺯﻛﻰٰ ﻟَﻬُﻢ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺧَﺒﻴﺮٌ ﺑِﻤﺎ ﻳَﺼﻨَﻌﻮﻥَ
[30] মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের
দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর
হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব
পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা
অবহিত আছেন।
[30] Tell the believing men to lower their
gaze (from looking at forbidden things),
and protect their private parts (from
illegal sexual acts). That is purer for
them. Verily, Allâh is All-Aware of what
they do.
[31] ﻭَﻗُﻞ ﻟِﻠﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ﻳَﻐﻀُﻀﻦَ
ﻣِﻦ ﺃَﺑﺼٰﺮِﻫِﻦَّ ﻭَﻳَﺤﻔَﻈﻦَ
ﻓُﺮﻭﺟَﻬُﻦَّ ﻭَﻻ ﻳُﺒﺪﻳﻦَ ﺯﻳﻨَﺘَﻬُﻦَّ
ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻣِﻨﻬﺎ ۖ ﻭَﻟﻴَﻀﺮِﺑﻦَ
ﺑِﺨُﻤُﺮِﻫِﻦَّ ﻋَﻠﻰٰ ﺟُﻴﻮﺑِﻬِﻦَّ ۖ ﻭَﻻ
ﻳُﺒﺪﻳﻦَ ﺯﻳﻨَﺘَﻬُﻦَّ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﺒُﻌﻮﻟَﺘِﻬِﻦَّ
ﺃَﻭ ﺀﺍﺑﺎﺋِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺀﺍﺑﺎﺀِ
ﺑُﻌﻮﻟَﺘِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺃَﺑﻨﺎﺋِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺃَﺑﻨﺎﺀِ
ﺑُﻌﻮﻟَﺘِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺇِﺧﻮٰﻧِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺑَﻨﻰ
ﺇِﺧﻮٰﻧِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﺑَﻨﻰ ﺃَﺧَﻮٰﺗِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ
ﻧِﺴﺎﺋِﻬِﻦَّ ﺃَﻭ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﺃَﻳﻤٰﻨُﻬُﻦَّ
ﺃَﻭِ ﺍﻟﺘّٰﺒِﻌﻴﻦَ ﻏَﻴﺮِ ﺃُﻭﻟِﻰ ﺍﻹِﺭﺑَﺔِ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮِّﺟﺎﻝِ ﺃَﻭِ ﺍﻟﻄِّﻔﻞِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻟَﻢ ﻳَﻈﻬَﺮﻭﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﻋَﻮﺭٰﺕِ
ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ ۖ ﻭَﻻ ﻳَﻀﺮِﺑﻦَ
ﺑِﺄَﺭﺟُﻠِﻬِﻦَّ ﻟِﻴُﻌﻠَﻢَ ﻣﺎ ﻳُﺨﻔﻴﻦَ
ﻣِﻦ ﺯﻳﻨَﺘِﻬِﻦَّ ۚ ﻭَﺗﻮﺑﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﺃَﻳُّﻪَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ
ﺗُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[31] ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন
তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের
যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন
যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের
সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন
তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে
রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা,
শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা,
ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক
অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও
বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ
সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো
আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে,
তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ
করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।
মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা
কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।
[31] And tell the believing women to
lower their gaze (from looking at
forbidden things), and protect their
private parts (from illegal sexual acts)
and not to show off their adornment
except only that which is apparent (like
both eyes for necessity to see the way or
outer dress like veil, gloves, head-cover,
apron, etc.), and to draw their veils all
over Juyubihinna (i.e. their bodies, faces,
necks and bosoms,) and not to reveal
their adornment except to their
husbands, or their fathers, or their
husband’s fathers, or their sons, or their
husband’s sons, or their brothers or their
brother’s sons, or their sister’s sons, or
their (Muslim) women (i.e. their sisters
in Islâm), or the (female) slaves whom
their right hands possess, or old male
servants who lack vigour, or small
children who have no sense of the
feminine sex. And let them not stamp
their feet so as to reveal what they hide
of their adornment. And all of you beg
Allâh to forgive you all, O believers, that
you may be successful
[32] ﻭَﺃَﻧﻜِﺤُﻮﺍ ﺍﻷَﻳٰﻤﻰٰ ﻣِﻨﻜُﻢ
ﻭَﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻛُﻢ
ﻭَﺇِﻣﺎﺋِﻜُﻢ ۚ ﺇِﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻓُﻘَﺮﺍﺀَ
ﻳُﻐﻨِﻬِﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭٰﺳِﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[32] তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন,
তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং
তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা
সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়,
তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে
সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়,
সর্বজ্ঞ।
[32] And marry those among you who
are single (i.e. a man who has no wife
and the woman who has no husband)
and (also marry) the Sâlihûn (pious, fit
and capable ones) of your (male) slaves
and maid-servants (female slaves). If
they be poor, Allâh will enrich them out
of His Bounty. And Allâh is All-Sufficent
for His creatures’ needs, All-Knowing
(about the state of the people).
[33] ﻭَﻟﻴَﺴﺘَﻌﻔِﻒِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﻧِﻜﺎﺣًﺎ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﻐﻨِﻴَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺒﺘَﻐﻮﻥَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻣِﻤّﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ
ﺃَﻳﻤٰﻨُﻜُﻢ ﻓَﻜﺎﺗِﺒﻮﻫُﻢ ﺇِﻥ ﻋَﻠِﻤﺘُﻢ
ﻓﻴﻬِﻢ ﺧَﻴﺮًﺍ ۖ ﻭَﺀﺍﺗﻮﻫُﻢ ﻣِﻦ
ﻣﺎﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺀﺍﺗﻯٰﻜُﻢ ۚ ﻭَﻻ
ﺗُﻜﺮِﻫﻮﺍ ﻓَﺘَﻴٰﺘِﻜُﻢ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺒِﻐﺎﺀِ
ﺇِﻥ ﺃَﺭَﺩﻥَ ﺗَﺤَﺼُّﻨًﺎ ﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ
ﻋَﺮَﺽَ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۚ ﻭَﻣَﻦ
ﻳُﻜﺮِﻫﻬُﻦَّ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺇِﻛﺮٰﻫِﻬِﻦَّ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[33] যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম
অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ
অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে
দেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে
যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়,
তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান
যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ
তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন,
তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের
দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে
চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের
লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না।
যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি
করে, তবে তাদের উপর জোর-জবরদস্তির
পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম
দয়ালু।
[33] And let those who find not the
financial means for marriage keep
themselves chaste, until Allâh enriches
them of His Bounty. And such of your
slaves as seek a writing (of
emancipation), give them such writing, if
you find that there is good and honesty
in them. And give them something
(yourselves) out of the wealth of Allâh
which He has bestowed upon you. And
force not your maids to prostitution, if
they desire chastity, in order that you
may make a gain in the (perishable)
goods of this worldly life. But if anyone
compels them (to prostitution), then after
such compulsion, Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful (to those women, i.e. He
will forgive them because they have been
forced to do this evil act unwillingly).
[34] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﺀﺍﻳٰﺖٍ
ﻣُﺒَﻴِّﻨٰﺖٍ ﻭَﻣَﺜَﻠًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺧَﻠَﻮﺍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻭَﻣَﻮﻋِﻈَﺔً
ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[34] আমি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছি
সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ, তোমাদের
পূর্ববর্তীদের কিছু দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহ
ভীরুদের জন্যে দিয়েছি উপদেশ।
[34] And indeed We have sent down for
you Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations, etc.) that
make things plain, and the example of
those who passed away before you, and
an admonition for those who are Al-
Muttaqûn (the pious and righteous
persons – see V.2:2).
[35] ۞ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻧﻮﺭُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻣَﺜَﻞُ ﻧﻮﺭِﻩِ
ﻛَﻤِﺸﻜﻮٰﺓٍ ﻓﻴﻬﺎ ﻣِﺼﺒﺎﺡٌ ۖ
ﺍﻟﻤِﺼﺒﺎﺡُ ﻓﻰ ﺯُﺟﺎﺟَﺔٍ ۖ
ﺍﻟﺰُّﺟﺎﺟَﺔُ ﻛَﺄَﻧَّﻬﺎ ﻛَﻮﻛَﺐٌ ﺩُﺭِّﻯٌّ
ﻳﻮﻗَﺪُ ﻣِﻦ ﺷَﺠَﺮَﺓٍ ﻣُﺒٰﺮَﻛَﺔٍ
ﺯَﻳﺘﻮﻧَﺔٍ ﻻ ﺷَﺮﻗِﻴَّﺔٍ ﻭَﻻ ﻏَﺮﺑِﻴَّﺔٍ
ﻳَﻜﺎﺩُ ﺯَﻳﺘُﻬﺎ ﻳُﻀﻲﺀُ ﻭَﻟَﻮ ﻟَﻢ
ﺗَﻤﺴَﺴﻪُ ﻧﺎﺭٌ ۚ ﻧﻮﺭٌ ﻋَﻠﻰٰ ﻧﻮﺭٍ ۗ
ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻨﻮﺭِﻩِ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ
ﻭَﻳَﻀﺮِﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻷَﻣﺜٰﻞَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[35] আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের
জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি
কুলঙ্গি, যাতে আছে একটি প্রদীপ,
প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি
উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। তাতে পুতঃপবিত্র
যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা
পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। অগ্নি
স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত
হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির
দিকে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ
বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
[35] Allâh is the Light of the heavens and
the earth. The parable of His Light is as
(if there were) a niche and within it a
lamp, the lamp is in glass, the glass as it
were a brilliant star, lit from a blessed
tree, an olive, neither of the east (i.e.
neither it gets sun-rays only in the
morning) nor of the west (i.e. nor it gets
sun-rays only in the afternoon, but it is
exposed to the sun all day long), whose
oil would almost glow forth (of itself),
though no fire touched it. Light upon
Light! Allâh guides to His Light whom He
wills. And Allâh sets forth parables for
mankind, and Allâh is All-Knower of
everything.
[36] ﻓﻰ ﺑُﻴﻮﺕٍ ﺃَﺫِﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ
ﺗُﺮﻓَﻊَ ﻭَﻳُﺬﻛَﺮَ ﻓﻴﻬَﺎ ﺍﺳﻤُﻪُ
ﻳُﺴَﺒِّﺢُ ﻟَﻪُ ﻓﻴﻬﺎ ﺑِﺎﻟﻐُﺪُﻭِّ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺻﺎﻝِ
[36] আল্লাহ যেসব গৃহকে মর্যাদায় উন্নীত
করার এবং সেগুলোতে তাঁর নাম উচ্চারণ করার
আদেশ দিয়েছেন, সেখানে সকাল ও
সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে;
[36] In houses (mosques), which Allâh
has ordered to be raised (to be cleaned,
and to be honoured), in them His Name
is remembered [i.e. Adhan, Iqamah,
Salat (prayers), invocations, recitation of
the Quran, etc.]. Therein glorify Him
(Allah) in the mornings and in the
afternoons or the evenings,
[37] ﺭِﺟﺎﻝٌ ﻻ ﺗُﻠﻬﻴﻬِﻢ ﺗِﺠٰﺮَﺓٌ
ﻭَﻻ ﺑَﻴﻊٌ ﻋَﻦ ﺫِﻛﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺇِﻗﺎﻡِ
ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓِ ﻭَﺇﻳﺘﺎﺀِ ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓِ ۙ
ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﻳَﻮﻣًﺎ ﺗَﺘَﻘَﻠَّﺐُ ﻓﻴﻪِ
ﺍﻟﻘُﻠﻮﺏُ ﻭَﺍﻷَﺑﺼٰﺮُ
[37] এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-
বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ
থেকে, নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত
প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয়
করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও
দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।
[37] Men whom neither trade nor sale
(business) diverts them from the
Remembrance of Allâh (with heart and
tongue), nor from performing As¬Salât
(Iqâmat-as-Salât), nor from giving the
Zakât. They fear a Day when hearts and
eyes will be overturned (out of the
horror of the torment of the Day of
Resurrection).
[38] ﻟِﻴَﺠﺰِﻳَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﻣﺎ
ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﻭَﻳَﺰﻳﺪَﻫُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺮﺯُﻕُ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﺑِﻐَﻴﺮِ
ﺣِﺴﺎﺏٍ
[38] (তারা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে)
যাতে আল্লাহ তাদের উৎকৃষ্টতর কাজের
প্রতিদান দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও অধিক
দেন। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রুযী দান
করেন।
[38] That Allâh may reward them
according to the best of their deeds, and
add even more for them out of His
Grace. And Allâh provides without
measure to whom He wills
[39] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺃَﻋﻤٰﻠُﻬُﻢ
ﻛَﺴَﺮﺍﺏٍ ﺑِﻘﻴﻌَﺔٍ ﻳَﺤﺴَﺒُﻪُ
ﺍﻟﻈَّﻤـٔﺎﻥُ ﻣﺎﺀً ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺟﺎﺀَﻩُ
ﻟَﻢ ﻳَﺠِﺪﻩُ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻭَﺟَﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋِﻨﺪَﻩُ ﻓَﻮَﻓّﻯٰﻪُ ﺣِﺴﺎﺑَﻪُ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺳَﺮﻳﻊُ ﺍﻟﺤِﺴﺎﺏِ
[39] যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির
মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি
মনে করে। এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়,
তখন কিছুই পায় না এবং পায় সেখানে
আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে
দেন। আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
[39] As for those who disbelieve, their
deeds are like a mirage in a desert. The
thirsty one thinks it to be water, until he
comes up to it, he finds it to be nothing,
but he finds Allâh with him, Who will
pay him his due (Hell). And Allâh is Swift
in taking account.
[40] ﺃَﻭ ﻛَﻈُﻠُﻤٰﺖٍ ﻓﻰ ﺑَﺤﺮٍ
ﻟُﺠِّﻰٍّ ﻳَﻐﺸﻯٰﻪُ ﻣَﻮﺝٌ ﻣِﻦ
ﻓَﻮﻗِﻪِ ﻣَﻮﺝٌ ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻪِ
ﺳَﺤﺎﺏٌ ۚ ﻇُﻠُﻤٰﺖٌ ﺑَﻌﻀُﻬﺎ ﻓَﻮﻕَ
ﺑَﻌﺾٍ ﺇِﺫﺍ ﺃَﺧﺮَﺝَ ﻳَﺪَﻩُ ﻟَﻢ ﻳَﻜَﺪ
ﻳَﺮﻯٰﻬﺎ ۗ ﻭَﻣَﻦ ﻟَﻢ ﻳَﺠﻌَﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻟَﻪُ ﻧﻮﺭًﺍ ﻓَﻤﺎ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻧﻮﺭٍ
[40] অথবা (তাদের কর্ম) প্রমত্ত সমুদ্রের
বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে
উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার
উপরে ঘন কালো মেঘ আছে। একের
উপর এক অন্ধকার। যখন সে তার হাত বের
করে, তখন তাকে একেবারেই দেখতে
পায় না। আল্লাহ যাকে জ্যোতি দেন না, তার
কোন জ্যোতিই নেই।
[40] Or [the state of a disbeliever] is like
the darkness in a vast deep sea,
overwhelmed with waves topped by
waves, topped by dark clouds, (layers of)
darkness upon darkness: if a man
stretches out his hand, he can hardly see
it! And he for whom Allâh has not
appointed light, for him there is no light.
[41] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺴَﺒِّﺢُ ﻟَﻪُ
ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﺍﻟﻄَّﻴﺮُ ﺻٰﻔّٰﺖٍ ۖ ﻛُﻞٌّ ﻗَﺪ ﻋَﻠِﻢَ
ﺻَﻼﺗَﻪُ ﻭَﺗَﺴﺒﻴﺤَﻪُ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ ﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ
[41] তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও
ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত
পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর
পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই
তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা
ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ
সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
[41] See you not (O Muhammad SAW)
that Allâh, He it is Whom glorify
whosoever is in the heavens and the
earth, and the birds with wings out-
spread (in their flight)? Of each one He
(Allâh) knows indeed his Salât (prayer)
and his glorification, [or everyone knows
his Salât (prayer) and his glorification],
and Allâh is All-Aware of what they do.
[42] ﻭَﻟِﻠَّﻪِ ﻣُﻠﻚُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻭَﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[42] নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের
সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই এবং তাঁরই দিকে
প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
[42] And to Allâh belongs the sovereignty
of the heavens and the earth, and to
Allâh is the return (of all).
[43] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺰﺟﻰ
ﺳَﺤﺎﺑًﺎ ﺛُﻢَّ ﻳُﺆَﻟِّﻒُ ﺑَﻴﻨَﻪُ ﺛُﻢَّ
ﻳَﺠﻌَﻠُﻪُ ﺭُﻛﺎﻣًﺎ ﻓَﺘَﺮَﻯ ﺍﻟﻮَﺩﻕَ
ﻳَﺨﺮُﺝُ ﻣِﻦ ﺧِﻠٰﻠِﻪِ ﻭَﻳُﻨَﺰِّﻝُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣِﻦ ﺟِﺒﺎﻝٍ ﻓﻴﻬﺎ ﻣِﻦ
ﺑَﺮَﺩٍ ﻓَﻴُﺼﻴﺐُ ﺑِﻪِ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﻭَﻳَﺼﺮِﻓُﻪُ ﻋَﻦ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۖ
ﻳَﻜﺎﺩُ ﺳَﻨﺎ ﺑَﺮﻗِﻪِ ﻳَﺬﻫَﺐُ
ﺑِﺎﻷَﺑﺼٰﺮِ
[43] তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ
মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, অতঃপর তাকে
পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তাকে স্তরে
স্তরে রাখেন; অতঃপর তুমি দেখ যে, তার
মধ্য থেকে বারিধারা নির্গত হয়। তিনি
আকাশস্থিত শিলাস্তুপ থেকে শিলাবর্ষণ
করেন এবং তা দ্বারা যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন
এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা, তা অন্যদিকে
ফিরিয়ে দেন। তার বিদ্যুৎঝলক দৃষ্টিশক্তি
যেন বিলীন করে দিতে চায়।
[43] See you not that Allâh drives the
clouds gently, then joins them together,
then makes them into a heap of layers,
and you see the rain comes forth from
between them. And He sends down from
the sky hail (like) mountains, (or there
are in the heaven mountains of hail
from where He sends down hail), and
strike therewith whom He wills, and
averts it from whom He wills. The vivid
flash of its (clouds) lightning nearly
blinds the sight. [Tafsir At-Tabarî].
[44] ﻳُﻘَﻠِّﺐُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ۚ
ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟَﻌِﺒﺮَﺓً ﻟِﺄُﻭﻟِﻰ
ﺍﻷَﺑﺼٰﺮِ
[44] আল্লাহ দিন ও রাত্রির পরিবর্তন ঘটান।
এতে অর্ন্তদৃষ্টি-সম্পন্নগণের জন্যে
চিন্তার উপকরণ রয়েছে।
[44] Allâh causes the night and the day to
succeed each other (i.e. if the day is
gone, the night comes, and if the night is
gone, the day comes, and so on). Truly,
in these things is indeed a lesson for
those who have insight.
[45] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻠَﻖَ ﻛُﻞَّ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻣِﻦ
ﻣﺎﺀٍ ۖ ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻤﺸﻰ ﻋَﻠﻰٰ
ﺑَﻄﻨِﻪِ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻤﺸﻰ
ﻋَﻠﻰٰ ﺭِﺟﻠَﻴﻦِ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ
ﻳَﻤﺸﻰ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﺭﺑَﻊٍ ۚ ﻳَﺨﻠُﻖُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[45] আল্লাহ প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি
দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক বুকে
ভয় দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে ভর দিয়ে
চলে এবং কতক চার পায়ে ভর দিয়ে চলে;
আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ
সবকিছু করতে সক্ষম।
[45] Allâh has created every moving
(living) creature from water. Of them
there are some that creep on their
bellies, some that walk on two legs, and
some that walk on four. Allâh creates
what He wills. Verily! Allâh is Able to do
all things.
[46] ﻟَﻘَﺪ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻣُﺒَﻴِّﻨٰﺖٍ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﺇِﻟﻰٰ
ﺻِﺮٰﻁٍ ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[46] আমি তো সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ
অবর্তীর্ণ করেছি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা
সরল পথে পরিচালনা করেন।
[46] We have indeed sent down (in this
Qur’ân) manifest Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, lawful and unlawful things,
and the set boundries of Islâmic religion,
etc. that make things clear showing the
Right Path of Allâh). And Allâh guides
whom He wills to a Straight Path (i.e. to
Allâh’s religion of Islâmic Monotheism).
[47] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺑِﺎﻟﺮَّﺳﻮﻝِ ﻭَﺃَﻃَﻌﻨﺎ ﺛُﻢَّ
ﻳَﺘَﻮَﻟّﻰٰ ﻓَﺮﻳﻖٌ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺫٰﻟِﻚَ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺑِﺎﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[47] তারা বলেঃ আমরা আল্লাহ ও রসূলের প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং আনুগত্য করি; কিন্তু
অতঃপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং
তারা বিশ্বাসী নয়।
[47] They (hypocrites) say: “We have
believed in Allâh and in the Messenger
(Muhammad SAW), and we obey,” then a
party of them turn away thereafter, such
are not believers.
[48] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺩُﻋﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻟِﻴَﺤﻜُﻢَ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﺇِﺫﺍ
ﻓَﺮﻳﻖٌ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[48] তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্য যখন
তাদেরকে আল্লাহ ও রসূলের দিকে আহবান
করা হয তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে
নেয়।
[48] And when they are called to Allâh
(i.e. His Words, the Qur’ân) and His
Messenger (SAW), to judge between
them, lo! a party of them refuse (to
come) and turn away.
[49] ﻭَﺇِﻥ ﻳَﻜُﻦ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻳَﺄﺗﻮﺍ
ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣُﺬﻋِﻨﻴﻦَ
[49] সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা
বিনীতভাবে রসূলের কাছে ছুটে আসে।
[49] But if the truth is on their sides,
they come to him willingly with
submission.
[50] ﺃَﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻣَﺮَﺽٌ ﺃَﻡِ
ﺍﺭﺗﺎﺑﻮﺍ ﺃَﻡ ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﺃَﻥ
ﻳَﺤﻴﻒَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ۚ
ﺑَﻞ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[50] তাদের অন্তরে কি রোগ আছে, না তারা
ধোঁকায় পড়ে আছে; না তারা ভয় করে যে,
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাদের প্রতি অবিচার
করবেন? বরং তারাই তো অবিচারকারী ?
[50] Is there a disease in their hearts? Or
do they doubt or fear lest Allâh and His
Messenger (SAW) should wrong them in
judgement. Nay, it is they themselves
who are the Zâlimûn (polytheists,
hypocrites and wrong-doers).
[51] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻛﺎﻥَ ﻗَﻮﻝَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﺇِﺫﺍ ﺩُﻋﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﻟِﻴَﺤﻜُﻢَ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﺃَﻥ ﻳَﻘﻮﻟﻮﺍ
ﺳَﻤِﻌﻨﺎ ﻭَﺃَﻃَﻌﻨﺎ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[51] মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যখন
তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্যে আল্লাহ
ও তাঁর রসূলের দিকে তাদেরকে আহবান করা
হয়, তখন তারা বলেঃ আমরা শুনলাম ও আদেশ
মান্য করলাম। তারাই সফলকাম।
[51] The only saying of the faithful
believers, when they are called to Allâh
(His Words, the Qur’ân) and His
Messenger (SAW), to judge between
them, is that they say: “We hear and we
obey.” And such are the successful (who
will live forever in Paradise).
[52] ﻭَﻣَﻦ ﻳُﻄِﻊِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ
ﻭَﻳَﺨﺶَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻳَﺘَّﻘﻪِ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻫُﻢُ ﺍﻟﻔﺎﺋِﺰﻭﻥَ
[52] যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য
করে আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর শাস্তি
থেকে বেঁচে থাকে তারাই কৃতকার্য।
[52] And whosoever obeys Allâh and His
Messenger (SAW), fears Allâh, and keeps
his duty (to Him), such are the successful.
[53] ۞ ﻭَﺃَﻗﺴَﻤﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺟَﻬﺪَ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ﻟَﺌِﻦ ﺃَﻣَﺮﺗَﻬُﻢ ﻟَﻴَﺨﺮُﺟُﻦَّ ۖ
ﻗُﻞ ﻻ ﺗُﻘﺴِﻤﻮﺍ ۖ ﻃﺎﻋَﺔٌ
ﻣَﻌﺮﻭﻓَﺔٌ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺧَﺒﻴﺮٌ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[53] তারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর কসম খেয়ে
বলে যে, আপনি তাদেরকে আদেশ
করলে তারা সবকিছু ছেড়ে বের হবেই।
বলুনঃ তোমরা কসম খেয়ো না। নিয়মানুযায়ী
তোমাদের আনুগত্য, তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয়
আল্লাহ সে বিষয়ে জ্ঞাত।
[53] They swear by Allâh their strongest
oaths, that if only you would order them,
they would leave (their homes for
fighting in Allâh’s Cause). Say: “Swear
you not; (this) obedience (of yours) is
known (to be false). Verily, Allâh knows
well what you do.”
[54] ﻗُﻞ ﺃَﻃﻴﻌُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺃَﻃﻴﻌُﻮﺍ
ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝَ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻣﺎ ﺣُﻤِّﻞَ ﻭَﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻣﺎ
ﺣُﻤِّﻠﺘُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗُﻄﻴﻌﻮﻩُ ﺗَﻬﺘَﺪﻭﺍ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝِ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﺒَﻠٰﻎُ
ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[54] বলুনঃ আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলের
আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে
নাও, তবে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে
সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত
দায়িত্বের জন্যে তোমরা দায়ী। তোমরা যদি
তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে।
রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে
পৌছে দেয়া।
[54] Say: “Obey Allâh and obey the
Messenger, but if you turn away, he
(Messenger Muhammad SAW) is only
responsible for the duty placed on him
(i.e. to convey Allâh’s Message) and you
for that placed on you. If you obey him,
you shall be on the right guidance. The
Messenger’s duty is only to convey (the
message) in a clear way (i.e. to preach in
a plain way).”
[55] ﻭَﻋَﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ
ﻟَﻴَﺴﺘَﺨﻠِﻔَﻨَّﻬُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻛَﻤَﺎ
ﺍﺳﺘَﺨﻠَﻒَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ
ﻭَﻟَﻴُﻤَﻜِّﻨَﻦَّ ﻟَﻬُﻢ ﺩﻳﻨَﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬِﻯ
ﺍﺭﺗَﻀﻰٰ ﻟَﻬُﻢ ﻭَﻟَﻴُﺒَﺪِّﻟَﻨَّﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِ ﺧَﻮﻓِﻬِﻢ ﺃَﻣﻨًﺎ ۚ ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻧَﻨﻰ
ﻻ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ ﺑﻰ ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ ﻭَﻣَﻦ
ﻛَﻔَﺮَ ﺑَﻌﺪَ ﺫٰﻟِﻚَ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻮﻥَ
[55] তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন
করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে
ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই
পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন।
যেমন তিনি শাসনকতৃêত্ব দান করেছেন
তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই
সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের
জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-
ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি
দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং
আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না।
এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।
[55] Allâh has promised those among you
who believe, and do righteous good
deeds, that He will certainly grant them
succession to (the present rulers) in the
land, as He granted it to those before
them, and that He will grant them the
authority to practise their religion,
which He has chosen for them (i.e.
Islâm). And He will surely give them in
exchange a safe security after their fear
(provided) they (believers) worship Me
and do not associate anything (in
worship) with Me. But whoever
disbelieves after this, they are the
Fâsiqûn (rebellious, disobedient to
Allâh).
[56] ﻭَﺃَﻗﻴﻤُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗُﻮﺍ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﺃَﻃﻴﻌُﻮﺍ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝَ
ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗُﺮﺣَﻤﻮﻥَ
[56] নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং
রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ
প্রাপ্ত হও।
[56] And perform As¬Salât
(Iqâmat¬as¬Salât), and give Zakât and
obey the Messenger (Muhammad SAW)
that you may receive mercy (from Allâh).
[57] ﻻ ﺗَﺤﺴَﺒَﻦَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻣُﻌﺠِﺰﻳﻦَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ
ﻭَﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ ۖ ﻭَﻟَﺒِﺌﺲَ
ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[57] তোমরা কাফেরদেরকে পৃথিবীতে
পরাক্রমশালী মনে করো না। তাদের ঠিকানা
অগ্নি। কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল।
[57] Consider not that the disbelievers
can escape in the land. Their abode shall
be the Fire,- and worst indeed is that
destination.
[58] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻟِﻴَﺴﺘَـٔﺬِﻧﻜُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣَﻠَﻜَﺖ
ﺃَﻳﻤٰﻨُﻜُﻢ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻟَﻢ ﻳَﺒﻠُﻐُﻮﺍ
ﺍﻟﺤُﻠُﻢَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﺛَﻠٰﺚَ ﻣَﺮّٰﺕٍ ۚ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞِ ﺻَﻠﻮٰﺓِ ﺍﻟﻔَﺠﺮِ ﻭَﺣﻴﻦَ
ﺗَﻀَﻌﻮﻥَ ﺛِﻴﺎﺑَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈَّﻬﻴﺮَﺓِ
ﻭَﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺻَﻠﻮٰﺓِ ﺍﻟﻌِﺸﺎﺀِ ۚ
ﺛَﻠٰﺚُ ﻋَﻮﺭٰﺕٍ ﻟَﻜُﻢ ۚ ﻟَﻴﺲَ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻭَﻻ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺟُﻨﺎﺡٌ
ﺑَﻌﺪَﻫُﻦَّ ۚ ﻃَﻮّٰﻓﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻳُﺒَﻴِّﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[58] হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং
তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা
যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি
গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে,
দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং
এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের
দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর
তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ
নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে
তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে আল্লাহ
তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত
করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[58] O you who believe! Let your slaves
and slave-girls, and those among you
who have not come to the age of puberty
ask your permission (before they come
to your presence) on three occasions;
before Fajr (morning) Salât (prayer), and
while you put off your clothes for the
noonday (rest), and after the ‘Ishâ’ (late-
night) Salât (prayer). (These) three times
are of privacy for you, other than these
times there is no sin on you or on them
to move about, attending to each other.
Thus Allâh makes clear the Ayât (the
Verses of this Qur’ân, showing proofs for
the legal aspects of permission for visits)
to you. And Allâh is All-Knowing, All-
Wise.
[59] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺑَﻠَﻎَ ﺍﻷَﻃﻔٰﻞُ ﻣِﻨﻜُﻢُ
ﺍﻟﺤُﻠُﻢَ ﻓَﻠﻴَﺴﺘَـٔﺬِﻧﻮﺍ ﻛَﻤَﺎ
ﺍﺳﺘَـٔﺬَﻥَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ۚ
ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳُﺒَﻴِّﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢ ﺀﺍﻳٰﺘِﻪِ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[59] তোমাদের সন্তান-সন্ততিরা যখন
বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের
পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে
আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে
বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[59] And when the children among you
come to puberty, then let them (also) ask
for permission, as those senior to them
(in age). Thus Allâh makes clear His Ayât
(Commandments and legal obligations)
for you. And Allâh is All-Knowing, All-
Wise.
[60] ﻭَﺍﻟﻘَﻮٰﻋِﺪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ
ﺍﻟّٰﺘﻰ ﻻ ﻳَﺮﺟﻮﻥَ ﻧِﻜﺎﺣًﺎ
ﻓَﻠَﻴﺲَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﺟُﻨﺎﺡٌ ﺃَﻥ
ﻳَﻀَﻌﻦَ ﺛِﻴﺎﺑَﻬُﻦَّ ﻏَﻴﺮَ ﻣُﺘَﺒَﺮِّﺟٰﺖٍ
ﺑِﺰﻳﻨَﺔٍ ۖ ﻭَﺃَﻥ ﻳَﺴﺘَﻌﻔِﻔﻦَ ﺧَﻴﺮٌ
ﻟَﻬُﻦَّ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[60] বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না,
যদি তারা তাদের সৌন্দর্যø প্রকাশ না করে
তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে
দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই
তাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ সর্বশ্রোতা,
সর্বজ্ঞ।
[60] And as for women past child-
bearing who do not expect wed-lock, it is
no sin on them if they discard their
(outer) clothing in such a way as not to
show their adornment. But to refrain
(i.e. not to discard their outer clothing) is
better for them. And Allâh is All-Hearer,
All-Knower.
[61] ﻟَﻴﺲَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻷَﻋﻤﻰٰ ﺣَﺮَﺝٌ
ﻭَﻻ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻷَﻋﺮَﺝِ ﺣَﺮَﺝٌ ﻭَﻻ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤَﺮﻳﺾِ ﺣَﺮَﺝٌ ﻭَﻻ ﻋَﻠﻰٰ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﺃَﻥ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﺍ ﻣِﻦ
ﺑُﻴﻮﺗِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ ﺀﺍﺑﺎﺋِﻜُﻢ ﺃَﻭ
ﺑُﻴﻮﺕِ ﺃُﻣَّﻬٰﺘِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ
ﺇِﺧﻮٰﻧِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ ﺃَﺧَﻮٰﺗِﻜُﻢ
ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ ﺃَﻋﻤٰﻤِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ
ﻋَﻤّٰﺘِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﺑُﻴﻮﺕِ ﺃَﺧﻮٰﻟِﻜُﻢ ﺃَﻭ
ﺑُﻴﻮﺕِ ﺧٰﻠٰﺘِﻜُﻢ ﺃَﻭ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜﺘُﻢ
ﻣَﻔﺎﺗِﺤَﻪُ ﺃَﻭ ﺻَﺪﻳﻘِﻜُﻢ ۚ ﻟَﻴﺲَ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺟُﻨﺎﺡٌ ﺃَﻥ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﺍ
ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﺃَﻭ ﺃَﺷﺘﺎﺗًﺎ ۚ ﻓَﺈِﺫﺍ
ﺩَﺧَﻠﺘُﻢ ﺑُﻴﻮﺗًﺎ ﻓَﺴَﻠِّﻤﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﺗَﺤِﻴَّﺔً ﻣِﻦ ﻋِﻨﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻣُﺒٰﺮَﻛَﺔً ﻃَﻴِّﺒَﺔً ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳُﺒَﻴِّﻦُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ
ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[61] অন্ধের জন্যে দোষ নেই,
খঞ্জের জন্যে দোষ নেই, রোগীর
জন্যে দোষ নেই, এবং তোমাদের
নিজেদের জন্যেও দোষ নেই যে,
তোমরা আহার করবে তোমাদের গৃহে অথবা
তোমাদের পিতাদের গৃহে অথবা তোমাদের
মাতাদের গৃহে অথবা তোমাদের ভ্রাতাদের
গৃহে অথবা তোমাদের ভগিণীদের গৃহে
অথবা তোমাদের পিতৃব্যদের গৃহে অথবা
তোমাদের ফুফুদের গৃহে অথবা তোমাদের
মামাদের গৃহে অথবা তোমাদের খালাদের
গৃহে অথবা সেই গৃহে, যার চাবি আছে
তোমাদের হাতে অথবা তোমাদের বন্ধুদের
গৃহে। তোমরা একত্রে আহার কর অথবা
পৃথকভবে আহার কর, তাতে তোমাদের
কোন দোষ নেই। অতঃপর যখন তোমরা গৃহে
প্রবেশ কর, তখন তোমাদের স্বজনদের
প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে
কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে আল্লাহ
তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ বিশদভাবে
বর্ননা করেন, যাতে তোমরা বুঝে নাও।
[61] There is no restriction on the blind,
nor any restriction on the lame, nor any
restriction on the sick, nor on
yourselves, if you eat from your houses,
or the houses of your fathers, or the
houses of your mothers, or the houses of
your brothers, or the houses of your
sisters, or the houses of your father’s
brothers, or the houses of your father’s
sisters, or the houses of your mother’s
brothers, or the houses of your mother’s
sisters, or (from that) whereof you hold
keys, or (from the house) of a friend. No
sin on you whether you eat together or
apart. But when you enter the houses,
greet one another with a greeting from
Allâh (i.e. say: As-Salâmu ‘Alaikum –
peace be on you) blessed and good. Thus
Allâh makes clear the Ayât (these Verses
or your religious symbols and signs) to
you that you may understand.
[62] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﺇِﺫﺍ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣَﻌَﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻣﺮٍ ﺟﺎﻣِﻊٍ ﻟَﻢ
ﻳَﺬﻫَﺒﻮﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻧﻮﻩُ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻧﻮﻧَﻚَ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ۚ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﺳﺘَـٔﺬَﻧﻮﻙَ
ﻟِﺒَﻌﺾِ ﺷَﺄﻧِﻬِﻢ ﻓَﺄﺫَﻥ ﻟِﻤَﻦ
ﺷِﺌﺖَ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻭَﺍﺳﺘَﻐﻔِﺮ ﻟَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[62] মুমিন তো তারাই; যারা আল্লাহর ও রসূলের
প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং রসূলের সাথে
কোন সমষ্টিগত কাজে শরীক হলে তাঁর কাছ
থেকে অনুমতি গ্রহণ ব্যতীত চলে যায় না।
যারা আপনার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে, তারাই
আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করে। অতএব তারা আপনার কাছে তাদের
কোন কাজের জন্যে অনুমতি চাইলে আপনি
তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিন এবং
তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা
করুন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, মেহেরবান।
[62] The true believers are only those,
who believe in (the Oneness of) Allâh
and His Messenger (Muhammad SAW),
and when they are with him on some
common matter, they go not away until
they have asked his permission. Verily!
those who ask your permission, those are
they who (really) believe in Allâh and
His Messenger. So if they ask your
permission for some affairs of theirs,
give permission to whom you will of
them, and ask Allâh for their
forgiveness. Truly, Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[63] ﻻ ﺗَﺠﻌَﻠﻮﺍ ﺩُﻋﺎﺀَ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝِ
ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﻛَﺪُﻋﺎﺀِ ﺑَﻌﻀِﻜُﻢ ﺑَﻌﻀًﺎ ۚ
ﻗَﺪ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺘَﺴَﻠَّﻠﻮﻥَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻟِﻮﺍﺫًﺍ ۚ
ﻓَﻠﻴَﺤﺬَﺭِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺨﺎﻟِﻔﻮﻥَ ﻋَﻦ
ﺃَﻣﺮِﻩِ ﺃَﻥ ﺗُﺼﻴﺒَﻬُﻢ ﻓِﺘﻨَﺔٌ ﺃَﻭ
ﻳُﺼﻴﺒَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[63] রসূলের আহবানকে তোমরা তোমাদের
একে অপরকে আহ্বানের মত গণ্য করো
না। আল্লাহ তাদেরকে জানেন, যারা
তোমাদের মধ্যে চুপিসারে সরে পড়ে।
অতএব যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে,
তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয়
তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে।
[63] Make not the calling of the
Messenger (Muhammad SAW) among you
as your calling one of another. Allâh
knows those of you who slip away under
shelter (of some excuse without taking
the permission to leave, from the
Messenger SAW). And let those who
oppose the Messenger’s (Muhammad
SAW) commandment (i.e. his Sunnah—
legal ways, orders, acts of worship,
statements) (among the sects) beware,
lest some Fitnah (disbelief, trials,
afflictions, earthquakes, killing,
overpowered by a tyrant) should befall
them or a painful torment be inflicted on
them.
[64] ﺃَﻻ ﺇِﻥَّ ﻟِﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻗَﺪ ﻳَﻌﻠَﻢُ
ﻣﺎ ﺃَﻧﺘُﻢ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻳُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻓَﻴُﻨَﺒِّﺌُﻬُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[64] মনে রেখো নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে
যা আছে, তা আল্লাহরই। তোমরা যে অবস্থায়
আছ তা তিনি জানেন। যেদিন তারা তাঁর কাছে
প্রত্যাবর্তিত হবে, সেদিন তিনি বলে
দেবেন তারা যা করেছে। আল্লাহ
প্রত্যেক বিষয়ই জানেন।
[64] Certainly, to Allâh belongs all that is
in the heavens and the earth. Surely, He
knows your condition and (He knows)
the Day when they will be brought back
to Him, then He will inform them of
what they did. And Allâh is All-Knower
of everything.Surah Al Nur Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. এটা একটা সূরা যা আমি নাযিল করেছি, এবং দায়িত্বে অপরিহার্য করেছি। এতে আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। 2. ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। 3. ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে। 4. যারা সতী-সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান। 5. কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান। 6. এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী। 7. এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত। 8. এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী; 9. এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয় তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে। 10. তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে এবং আল্লাহ তওবা কবুল কারী, প্রজ্ঞাময় না হলে কত কিছুই যে হয়ে যেত। 11. যারা মিথ্যা অপবাদ রটনা করেছে, তারা তোমাদেরই একটি দল। তোমরা একে নিজেদের জন্যে খারাপ মনে করো না; বরং এটা তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। তাদের প্রত্যেকের জন্যে ততটুকু আছে যতটুকু সে গোনাহ করেছে এবং তাদের মধ্যে যে এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে, তার জন্যে রয়েছে বিরাট শাস্তি। 12. তোমরা যখন একথা শুনলে, তখন ঈমানদার পুরুষ ও নারীগণ কেন নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করনি এবং বলনি যে, এটা তো নির্জলা অপবাদ? 13. তারা কেন এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করেনি; অতঃপর যখন তারা সাক্ষী উপস্থিত করেনি, তখন তারাই আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী। 14. যদি ইহকালে ও পরকালে তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত, তবে তোমরা যা চর্চা করছিলে, তজ্জন্যে তোমাদেরকে গুরুতর আযাব স্পর্শ করত। 15. যখন তোমরা একে মুখে মুখে ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করছিলে, যার কোন জ্ঞান তোমাদের ছিল না। তোমরা একে তুচ্ছ মনে করছিলে, অথচ এটা আল্লাহর কাছে গুরুতর ব্যাপার ছিল। 16. তোমরা যখন এ কথা শুনলে তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে কথা বলা আমাদের উচিত নয়। আল্লাহ তো পবিত্র, মহান। এটা তো এক গুরুতর অপবাদ। 17. আল্লাহ তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন, তোমরা যদি ঈমানদার হও, তবে তখনও পুনরায় এ ধরণের আচরণের পুনরাবৃত্তি করো না। 18. আল্লাহ তোমাদের জন্যে কাজের কথা স্পষ্ট করে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 19. যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জান না। 20. যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত এবং আল্লাহ দয়ালু, মেহেরবান না হতেন, তবে কত কিছুই হয়ে যেত। 21. হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। আল্লাহ সবকিছু শোনেন, জানেন। 22. তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেন কসম না খায় যে, তারা আত্নীয়- স্বজনকে, অভাবগ্রস্তকে এবং আল্লাহর পথে হিজরতকারীদেরকে কিছুই দেবে না। তাদের ক্ষমা করা উচিত এবং দোষক্রটি উপেক্ষা করা উচিত। তোমরা কি কামনা কর না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়। 23. যারা সতী-সাধ্বী, নিরীহ ঈমানদার নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি। 24. যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহবা, তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করত; 25. সেদিন আল্লাহ তাদের সমুচিত শাস্তি পুরোপুরি দেবেন এবং তারা জানতে পারবে যে, অল্লাহই সত্য, স্পষ্ট ব্যক্তকারী। 26. দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন। তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা। 27. হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ। 28. যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না। যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর, আল্লাহ তা ভালোভাবে জানেন। 29. যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই এবং আল্লাহ জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর। 30. মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। 31. ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ- সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। 32. তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। 33. যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়, তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে, অর্থ-কড়ি দিয়েছেন, তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না। যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর জোর- জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 34. আমি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ, তোমাদের পূর্ববর্তীদের কিছু দৃষ্টান্ত এবং আল্লাহ ভীরুদের জন্যে দিয়েছি উপদেশ। 35. আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি, যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত। 36. আল্লাহ যেসব গৃহকে মর্যাদায় উন্নীত করার এবং সেগুলোতে তাঁর নাম উচ্চারণ করার আদেশ দিয়েছেন, সেখানে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে; 37. এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, নামায কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে। 38. (তারা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে) যাতে আল্লাহ তাদের উৎকৃষ্টতর কাজের প্রতিদান দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও অধিক দেন। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রুযী দান করেন। 39. যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে। এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে দেন। আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। 40. অথবা (তাদের কর্ম) প্রমত্ত সমুদ্রের বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার উপরে ঘন কালো মেঘ আছে। একের উপর এক অন্ধকার। যখন সে তার হাত বের করে, তখন তাকে একেবারেই দেখতে পায় না। আল্লাহ যাকে জ্যোতি দেন না, তার কোন জ্যোতিই নেই। 41. তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। 42. নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। 43. তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, অতঃপর তাকে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তাকে স্তরে স্তরে রাখেন; অতঃপর তুমি দেখ যে, তার মধ্য থেকে বারিধারা নির্গত হয়। তিনি আকাশস্থিত শিলাস্তুপ থেকে শিলাবর্ষণ করেন এবং তা দ্বারা যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা, তা অন্যদিকে ফিরিয়ে দেন। তার বিদ্যুৎঝলক দৃষ্টিশক্তি যেন বিলীন করে দিতে চায়। 44. আল্লাহ দিন ও রাত্রির পরিবর্তন ঘটান। এতে অর্ন্তদৃষ্টি-সম্পন্নগণের জন্যে চিন্তার উপকরণ রয়েছে। 45. আল্লাহ প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক বুকে ভয় দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে ভর দিয়ে চলে এবং কতক চার পায়ে ভর দিয়ে চলে; আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম। 46. আমি তো সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ অবর্তীর্ণ করেছি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালনা করেন। 47. তারা বলেঃ আমরা আল্লাহ ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং আনুগত্য করি; কিন্তু অতঃপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা বিশ্বাসী নয়। 48. তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্য যখন তাদেরকে আল্লাহ ও রসূলের দিকে আহবান করা হয তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়। 49. সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রসূলের কাছে ছুটে আসে। 50. তাদের অন্তরে কি রোগ আছে, না তারা ধোঁকায় পড়ে আছে; না তারা ভয় করে যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তাদের প্রতি অবিচার করবেন? বরং তারাই তো অবিচারকারী ? 51. মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যখন তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে তাদেরকে আহবান করা হয়, তখন তারা বলেঃ আমরা শুনলাম ও আদেশ মান্য করলাম। তারাই সফলকাম। 52. যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর শাস্তি থেকে বেঁচে থাকে তারাই কৃতকার্য। 53. তারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর কসম খেয়ে বলে যে, আপনি তাদেরকে আদেশ করলে তারা সবকিছু ছেড়ে বের হবেই। বলুনঃ তোমরা কসম খেয়ো না। নিয়মানুযায়ী তোমাদের আনুগত্য, তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে জ্ঞাত। 54. বলুনঃ আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে তোমরা দায়ী। তোমরা যদি তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে পৌছে দেয়া। 55. তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃ্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য। 56. নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও। 57. তোমরা কাফেরদেরকে পৃথিবীতে পরাক্রমশালী মনে করো না। তাদের ঠিকানা অগ্নি। কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল। 58. হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে আল্লাহ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 59. তোমাদের সন্তান- সন্ততিরা যখন বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 60. বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। 61. অন্ধের জন্যে দোষ নেই, খঞ্জের জন্যে দোষ নেই, রোগীর জন্যে দোষ নেই, এবং তোমাদের নিজেদের জন্যেও দোষ নেই যে, তোমরা আহার করবে তোমাদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতাদের গৃহে অথবা তোমাদের মাতাদের গৃহে অথবা তোমাদের ভ্রাতাদের গৃহে অথবা তোমাদের ভগিণীদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতৃব্যদের গৃহে অথবা তোমাদের ফুফুদের গৃহে অথবা তোমাদের মামাদের গৃহে অথবা তোমাদের খালাদের গৃহে অথবা সেই গৃহে, যার চাবি আছে তোমাদের হাতে অথবা তোমাদের বন্ধুদের গৃহে। তোমরা একত্রে আহার কর অথবা পৃথকভবে আহার কর, তাতে তোমাদের কোন দোষ নেই। অতঃপর যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ কর, তখন তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ননা করেন, যাতে তোমরা বুঝে নাও। 62. মুমিন তো তারাই; যারা আল্লাহর ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং রসূলের সাথে কোন সমষ্টিগত কাজে শরীক হলে তাঁর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ ব্যতীত চলে যায় না। যারা আপনার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে, তারাই আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। অতএব তারা আপনার কাছে তাদের কোন কাজের জন্যে অনুমতি চাইলে আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, মেহেরবান। 63. রসূলের আহবানকে তোমরা তোমাদের একে অপরকে আহ্বানের মত গণ্য করো না। আল্লাহ তাদেরকে জানেন, যারা তোমাদের মধ্যে চুপিসারে সরে পড়ে। অতএব যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে। 64. মনে রেখো নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা আছে, তা আল্লাহরই। তোমরা যে অবস্থায় আছ তা তিনি জানেন। যেদিন তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে, সেদিন তিনি বলে দেবেন তারা যা করেছে। আল্লাহ প্রত্যেক বিষয়ই জানেন। ********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s