28.সুরাহ আল কাসাস (01-88)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻃﺴﻢ
[1] ত্বা-সীন-মীম।
[1] Tâ¬Sîn¬Mîm [These letters are one of
the miracles of the Qur’ân, and none but
Allâh (Alone) knows their meanings].
[2] ﺗِﻠﻚَ ﺀﺍﻳٰﺖُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦِ
[2] এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।
[2] These are Verses of the manifest Book
(that makes clear truth from falsehood,
good from evil).
[3] ﻧَﺘﻠﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻣِﻦ ﻧَﺒَﺈِ
ﻣﻮﺳﻰٰ ﻭَﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ
ﻟِﻘَﻮﻡٍ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[3] আমি আপনার কাছে মূসা ও ফেরাউনের
বৃত্তান্ত সত্য সহকারে বর্ণনা করছি ঈমানদার
সম্প্রদায়ের জন্যে।
[3] We recite to you some of the news of
Mûsa (Moses) and Fir’aun (Pharaoh) in
truth, for a people who believe (in this
Qur’ân, and in the Oneness of Allâh).
[4] ﺇِﻥَّ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻋَﻼ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﺃَﻫﻠَﻬﺎ ﺷِﻴَﻌًﺎ
ﻳَﺴﺘَﻀﻌِﻒُ ﻃﺎﺋِﻔَﺔً ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻳُﺬَﺑِّﺢُ ﺃَﺑﻨﺎﺀَﻫُﻢ ﻭَﻳَﺴﺘَﺤﻲۦ
ﻧِﺴﺎﺀَﻫُﻢ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﻔﺴِﺪﻳﻦَ
[4] ফেরাউন তার দেশে উদ্ধত হয়েছিল এবং
সে দেশবাসীকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত
করে তাদের একটি দলকে দূর্বল করে
দিয়েছিল। সে তাদের পুত্র-সন্তানদেরকে
হত্যা করত এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত।
নিশ্চয় সে ছিল অনর্থ সৃষ্টিকারী।
[4] Verily, Fir’aun (Pharaoh) exalted
himself in the land and made its people
sects, weakening (oppressing) a group
(i.e. Children of Israel) among them,
killing their sons, and letting their
females live. Verily, he was of the
Mufsidûn (i.e. those who commit great
sins and crimes, oppressors, tyrants).
[5] ﻭَﻧُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﻧَﻤُﻦَّ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺳﺘُﻀﻌِﻔﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻧَﺠﻌَﻠَﻬُﻢ ﺃَﺋِﻤَّﺔً ﻭَﻧَﺠﻌَﻠَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻮٰﺭِﺛﻴﻦَ
[5] দেশে যাদেরকে দূর্বল করা হয়েছিল,
আমার ইচ্ছা হল তাদের প্রতি অনুগ্রহ করার,
তাদেরকে নেতা করার এবং তাদেরকে
দেশের উত্তরাধিকারী করার।
[5] And We wished to do a favour to
those who were weak (and oppressed) in
the land, and to make them rulers and to
make them the inheritors,
[6] ﻭَﻧُﻤَﻜِّﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻧُﺮِﻯَ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻭَﻫٰﻤٰﻦَ
ﻭَﺟُﻨﻮﺩَﻫُﻤﺎ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﺤﺬَﺭﻭﻥَ
[6] এবং তাদেরকে দেশের ক্ষমতায়
আসীন করার এবং ফেরাউন, হামান ও তাদের
সৈন্য-বাহিনীকে তা দেখিয়ে দেয়ার, যা তারা
সেই দূর্বল দলের তরফ থেকে আশংকা
করত।
[6] And to establish them in the land,
and We let Fir’aun (Pharaoh) and
Hâmân and their hosts receive from
them that which they feared.
[7] ﻭَﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺃُﻡِّ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﺃَﻥ ﺃَﺭﺿِﻌﻴﻪِ ۖ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺧِﻔﺖِ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻓَﺄَﻟﻘﻴﻪِ ﻓِﻰ ﺍﻟﻴَﻢِّ ﻭَﻻ
ﺗَﺨﺎﻓﻰ ﻭَﻻ ﺗَﺤﺰَﻧﻰ ۖ ﺇِﻧّﺎ
ﺭﺍﺩّﻭﻩُ ﺇِﻟَﻴﻚِ ﻭَﺟﺎﻋِﻠﻮﻩُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻴﻦَ
[7] আমি মূসা-জননীকে আদেশ পাঠালাম যে,
তাকে স্তন্য দান করতে থাক। অতঃপর যখন
তুমি তার সম্পর্কে বিপদের আশংকা কর, তখন
তাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ কর এবং ভয় করো না,
দুঃখও করো না। আমি অবশ্যই তাকে তোমার
কাছে ফিরিয়ে দেব এবং তাকে
পয়গম্বরগণের একজন করব।
[7] And We inspired the mother of Mûsa
(Moses), (telling): “Suckle him [Mûsa
(Moses)], but when you fear for him,
then cast him into the river and fear not,
nor grieve. Verily! We shall bring him
back to you, and shall make him one of
(Our) Messengers.” [Tafsir Al-Qurtubi]
[8] ﻓَﺎﻟﺘَﻘَﻄَﻪُ ﺀﺍﻝُ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ
ﻟِﻴَﻜﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺪُﻭًّﺍ ﻭَﺣَﺰَﻧًﺎ ۗ ﺇِﻥَّ
ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻭَﻫٰﻤٰﻦَ ﻭَﺟُﻨﻮﺩَﻫُﻤﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺧٰﻄِـٔﻴﻦَ
[8] অতঃপর ফেরাউন পরিবার মূসাকে কুড়িয়ে
নিল, যাতে তিনি তাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ
হয়ে যান। নিশ্চয় ফেরাউন, হামান, ও তাদের
সৈন্যবাহিনী অপরাধী ছিল।
[8] Then the household of Fir’aun
(Pharaoh) picked him up, that he might
become for them an enemy and a (cause
of) grief. Verily, Fir’aun (Pharaoh),
Hâmân and their hosts were sinners
[9] ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻣﺮَﺃَﺕُ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ
ﻗُﺮَّﺕُ ﻋَﻴﻦٍ ﻟﻰ ﻭَﻟَﻚَ ۖ ﻻ
ﺗَﻘﺘُﻠﻮﻩُ ﻋَﺴﻰٰ ﺃَﻥ ﻳَﻨﻔَﻌَﻨﺎ ﺃَﻭ
ﻧَﺘَّﺨِﺬَﻩُ ﻭَﻟَﺪًﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[9] ফেরাউনের স্ত্রী বলল, এ শিশু আমার ও
তোমার নয়নমণি, তাকে হত্যা করো না। এ
আমাদের উপকারে আসতে পারে অথবা
আমরা তাকে পুত্র করে নিতে পারি।
প্রকৃতপক্ষে পরিণাম সম্পর্কে তাদের
কোন খবর ছিল না।
[9] And the wife of Fir’aun (Pharaoh)
said: “A comfort of the eye for me and
for you. Kill him not, perhaps he may be
of benefit to us, or we may adopt him as
a son.” And they perceive not (the result
of that).
[10] ﻭَﺃَﺻﺒَﺢَ ﻓُﺆﺍﺩُ ﺃُﻡِّ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﻓٰﺮِﻏًﺎ ۖ ﺇِﻥ ﻛﺎﺩَﺕ ﻟَﺘُﺒﺪﻯ ﺑِﻪِ
ﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﺭَﺑَﻄﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻗَﻠﺒِﻬﺎ
ﻟِﺘَﻜﻮﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[10] সকালে মূসা জননীর অন্তর অস্থির
হয়ে পড়ল। যদি আমি তাঁর হৃদয়কে দৃঢ় করে না
দিতাম, তবে তিনি মূসাজনিত অস্থিরতা প্রকাশ
করেই দিতেন। দৃঢ় করলাম, যাতে তিনি থাকেন
বিশ্ববাসীগণের মধ্যে।
[10] And the heart of the mother of Mûsa
(Moses) became empty [from every
thought, except the thought of Mûsa
(Moses)]. She was very near to disclose
his (case, i.e. the child is her son), had
We not strengthened her heart (with
Faith), so that she might remain as one of
the believers.
[11] ﻭَﻗﺎﻟَﺖ ﻟِﺄُﺧﺘِﻪِ ﻗُﺼّﻴﻪِ ۖ
ﻓَﺒَﺼُﺮَﺕ ﺑِﻪِ ﻋَﻦ ﺟُﻨُﺐٍ ﻭَﻫُﻢ
ﻻ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[11] তিনি মূসার ভগিণীকে বললেন, তার
পেছন পেছন যাও। সে তাদের
অজ্ঞাতসারে অপরিচিতা হয়ে তাকে দেখে
যেতে লাগল।
[11] And she said to his [Musa’s (Moses)]
sister: “Follow him.” So she (his sister)
watched him from a far place secretly,
while they perceived not.
[12] ۞ ﻭَﺣَﺮَّﻣﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﺍﻟﻤَﺮﺍﺿِﻊَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ﻓَﻘﺎﻟَﺖ
ﻫَﻞ ﺃَﺩُﻟُّﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻫﻞِ ﺑَﻴﺖٍ
ﻳَﻜﻔُﻠﻮﻧَﻪُ ﻟَﻜُﻢ ﻭَﻫُﻢ ﻟَﻪُ
ﻧٰﺼِﺤﻮﻥَ
[12] পূর্ব থেকেই আমি ধাত্রীদেরকে
মূসা থেকে বিরত রেখেছিলাম। মূসার ভগিনী
বলল, আমি তোমাদেরকে এমন এক
পরিবারের কথা বলব কি, যারা তোমাদের
জন্যে একে লালন-পালন করবে এবং তারা
হবে তার হিতাকাঙ্ক্ষী?
[12] And We had already forbidden
(other) foster suckling mothers for him,
until she (his sister came up and) said:
“Shall I direct you to a household who
will rear him for you, and look after him
in a good manner?”
[13] ﻓَﺮَﺩَﺩﻧٰﻪُ ﺇِﻟﻰٰ ﺃُﻣِّﻪِ ﻛَﻰ ﺗَﻘَﺮَّ
ﻋَﻴﻨُﻬﺎ ﻭَﻻ ﺗَﺤﺰَﻥَ ﻭَﻟِﺘَﻌﻠَﻢَ ﺃَﻥَّ
ﻭَﻋﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺣَﻖٌّ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ
ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[13] অতঃপর আমি তাকে জননীর কাছে
ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চক্ষু জুড়ায় এবং তিনি
দুঃখ না করেন এবং যাতে তিনি জানেন যে,
আল্লাহর ওয়াদা সত্য, কিন্তু অনেক মানুষ তা
জানে না।
[13] So did We restore him to his mother,
that her eye might be comforted, and
that she might not grieve, and that she
might know that the Promise of Allâh is
true. But most of them know not.
[14] ﻭَﻟَﻤّﺎ ﺑَﻠَﻎَ ﺃَﺷُﺪَّﻩُ ﻭَﺍﺳﺘَﻮﻯٰ
ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻪُ ﺣُﻜﻤًﺎ ﻭَﻋِﻠﻤًﺎ ۚ ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻧَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[14] যখন মূসা যৌবনে পদার্পন করলেন
এবং পরিণত বয়স্ক হয়ে গেলেন, তখন আমি
তাঁকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞানদান করলাম। এমনিভাবে
আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
[14] And when he attained his full
strength, and was perfect (in manhood),
We bestowed on him Hukman
(Prophethood, and right judgement of
the affairs) and religious knowledge [of
the religion of his forefathers i.e. Islâmic
Monotheism]. And thus do We reward
the Muhsinûn (i.e. good doers – see the
footnote of V.9:120)
[15] ﻭَﺩَﺧَﻞَ ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔَ ﻋَﻠﻰٰ
ﺣﻴﻦِ ﻏَﻔﻠَﺔٍ ﻣِﻦ ﺃَﻫﻠِﻬﺎ ﻓَﻮَﺟَﺪَ
ﻓﻴﻬﺎ ﺭَﺟُﻠَﻴﻦِ ﻳَﻘﺘَﺘِﻼﻥِ ﻫٰﺬﺍ
ﻣِﻦ ﺷﻴﻌَﺘِﻪِ ﻭَﻫٰﺬﺍ ﻣِﻦ ﻋَﺪُﻭِّﻩِ ۖ
ﻓَﺎﺳﺘَﻐٰﺜَﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻣِﻦ ﺷﻴﻌَﺘِﻪِ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻣِﻦ ﻋَﺪُﻭِّﻩِ ﻓَﻮَﻛَﺰَﻩُ
ﻣﻮﺳﻰٰ ﻓَﻘَﻀﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻪِ ۖ ﻗﺎﻝَ
ﻫٰﺬﺍ ﻣِﻦ ﻋَﻤَﻞِ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦِ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻋَﺪُﻭٌّ ﻣُﻀِﻞٌّ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[15] তিনি শহরে প্রবেশ করলেন, যখন তার
অধিবাসীরা ছিল বেখবর। তথায় তিনি দুই
ব্যক্তিকে লড়াইরত দেখলেন। এদের
একজন ছিল তাঁর নিজ দলের এবং অন্য জন তাঁর
শত্রু দলের। অতঃপর যে তাঁর নিজ দলের
সে তাঁর শত্রু দলের লোকটির বিরুদ্ধে তাঁর
কাছে সাহায্য প্রার্থনা করল। তখন মূসা তাকে
ঘুষি মারলেন এবং এতেই তার মৃত্যু হয়ে
গেল। মূসা বললেন, এটা শয়তানের কাজ।
নিশ্চয় সে প্রকাশ্য শত্রু, বিভ্রান্তকারী।
[15] And he entered the city at a time of
unawareness of its people, and he found
there two men fighting, – one of his party
(his religion – from the Children of
Israel), and the other of his foes. The
man of his (own) party asked him for
help against his foe, so Mûsa (Moses)
struck him with his fist and killed him.
He said: “This is of Shaitân’s (Satan)
doing, verily, he is a plain misleading
enemy.”
[16] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺇِﻧّﻰ ﻇَﻠَﻤﺖُ
ﻧَﻔﺴﻰ ﻓَﺎﻏﻔِﺮ ﻟﻰ ﻓَﻐَﻔَﺮَ ﻟَﻪُ ۚ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻐَﻔﻮﺭُ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[16] তিনি বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমি
তো নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি।
অতএব, আমাকে ক্ষমা করুন। আল্লাহ তাকে
ক্ষমা করলেন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।
[16] He said: “My Lord! Verily, I have
wronged myself, so forgive me.” Then He
forgave him. Verily, He is the Oft-
Forgiving, the Most Merciful.
[17] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺑِﻤﺎ ﺃَﻧﻌَﻤﺖَ ﻋَﻠَﻰَّ
ﻓَﻠَﻦ ﺃَﻛﻮﻥَ ﻇَﻬﻴﺮًﺍ ﻟِﻠﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[17] তিনি বললেন, হে আমার পালনকর্তা,
আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করেছেন,
এরপর আমি কখনও অপরাধীদের
সাহায্যকারী হব না।
[17] He said: “My Lord! For that with
which You have favoured me, I will
never more be a helper of the Mujrimûn
(criminals, disbelievers polytheists,
sinners)!”
[18] ﻓَﺄَﺻﺒَﺢَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ
ﺧﺎﺋِﻔًﺎ ﻳَﺘَﺮَﻗَّﺐُ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﻟَّﺬِﻯ
ﺍﺳﺘَﻨﺼَﺮَﻩُ ﺑِﺎﻷَﻣﺲِ
ﻳَﺴﺘَﺼﺮِﺧُﻪُ ۚ ﻗﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﺇِﻧَّﻚَ ﻟَﻐَﻮِﻯٌّ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[18] অতঃপর তিনি প্রভাতে উঠলেন সে
শহরে ভীত-শংকিত অবস্থায়। হঠাৎ তিনি
দেখলেন, গতকল্য যে ব্যক্তি তাঁর সাহায্য
চেয়েছিল, সে চিৎকার করে তাঁর সাহায্য
প্রার্থনা করছে। মূসা তাকে বললেন, তুমি
তো একজন প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট ব্যক্তি।
[18] So he became afraid, looking about
in the city (waiting as to what will be the
result of his crime of killing), when
behold, the man who had sought his help
the day before, called for his help
(again). Mûsa (Moses) said to him:
“Verily, you are a plain misleader!”
[19] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﻥ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺃَﻥ ﻳَﺒﻄِﺶَ
ﺑِﺎﻟَّﺬﻯ ﻫُﻮَ ﻋَﺪُﻭٌّ ﻟَﻬُﻤﺎ ﻗﺎﻝَ
ﻳٰﻤﻮﺳﻰٰ ﺃَﺗُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﺗَﻘﺘُﻠَﻨﻰ
ﻛَﻤﺎ ﻗَﺘَﻠﺖَ ﻧَﻔﺴًﺎ ﺑِﺎﻷَﻣﺲِ ۖ ﺇِﻥ
ﺗُﺮﻳﺪُ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻥَ ﺟَﺒّﺎﺭًﺍ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻣﺎ ﺗُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻥَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺼﻠِﺤﻴﻦَ
[19] অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে
শায়েস্তা করতে চাইলেন, তখন সে বলল,
গতকল্য তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা
করেছিলে, সে রকম আমাকেও কি হত্যা
করতে চাও? তুমি তো পৃথিবীতে স্বৈরাচারী
হতে চাচ্ছ এবং সন্ধি স্থাপনকারী হতে চাও না।
[19] Then when he decided to seize the
man who was an enemy to both of them,
the man said: “O Mûsa (Moses)! Is it your
intention to kill me as you killed a man
yesterday? Your aim is nothing but to
become a tyrant in the land, and not to
be one of those who do right.”
[20] ﻭَﺟﺎﺀَ ﺭَﺟُﻞٌ ﻣِﻦ ﺃَﻗﺼَﺎ
ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ ﻳَﺴﻌﻰٰ ﻗﺎﻝَ ﻳٰﻤﻮﺳﻰٰ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻤَﻠَﺄَ ﻳَﺄﺗَﻤِﺮﻭﻥَ ﺑِﻚَ
ﻟِﻴَﻘﺘُﻠﻮﻙَ ﻓَﺎﺧﺮُﺝ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻚَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻨّٰﺼِﺤﻴﻦَ
[20] এসময় শহরের প্রান্ত থেকে
একব্যক্তি ছুটে আসল এবং বলল, হে মূসা,
রাজ্যের পরিষদবর্গ তোমাকে হত্যা করার
পরমর্শ করছে। অতএব, তুমি বের হয়ে যাও।
আমি তোমার হিতাকাঙ্ক্ষী।
[20] And there came a man running,
from the farthest end of the city. He
said: “O Mûsa (Moses)! Verily, the chiefs
are taking counsel together about you, to
kill you, so escape.Truly, I am one of the
good advisers to you.”
[21] ﻓَﺨَﺮَﺝَ ﻣِﻨﻬﺎ ﺧﺎﺋِﻔًﺎ
ﻳَﺘَﺮَﻗَّﺐُ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﻧَﺠِّﻨﻰ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘَﻮﻡِ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[21] অতঃপর তিনি সেখান থেকে ভীত
অবস্থায় বের হয়ে পড়লেন পথ দেখতে
দেখতে। তিনি বললেন, হে আমার
পালনকর্তা, আমাকে জালেম সম্প্রদায়ের
কবল থেকে রক্ষা কর।
[21] So he escaped from there, looking
about in a state of fear. He said: “My
Lord! Save me from the people who are
Zâlimûn (polytheists and wrong-doers)!”
[22] ﻭَﻟَﻤّﺎ ﺗَﻮَﺟَّﻪَ ﺗِﻠﻘﺎﺀَ ﻣَﺪﻳَﻦَ
ﻗﺎﻝَ ﻋَﺴﻰٰ ﺭَﺑّﻰ ﺃَﻥ ﻳَﻬﺪِﻳَﻨﻰ
ﺳَﻮﺍﺀَ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ
[22] যখন তিনি মাদইয়ান অভিমুখে রওয়ানা হলেন
তখন বললেন, আশা করা যায় আমার পালনকর্তা
আমাকে সরল পথ দেখাবেন।
[22] And when he went towards (the
land of) Madyan (Midian) he said: “It
may be that my Lord guides me to the
Right Way.”
[23] ﻭَﻟَﻤّﺎ ﻭَﺭَﺩَ ﻣﺎﺀَ ﻣَﺪﻳَﻦَ
ﻭَﺟَﺪَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺃُﻣَّﺔً ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ
ﻳَﺴﻘﻮﻥَ ﻭَﻭَﺟَﺪَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻬِﻢُ
ﺍﻣﺮَﺃَﺗَﻴﻦِ ﺗَﺬﻭﺩﺍﻥِ ۖ ﻗﺎﻝَ ﻣﺎ
ﺧَﻄﺒُﻜُﻤﺎ ۖ ﻗﺎﻟَﺘﺎ ﻻ ﻧَﺴﻘﻰ
ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﺼﺪِﺭَ ﺍﻟﺮِّﻋﺎﺀُ ۖ ﻭَﺃَﺑﻮﻧﺎ
ﺷَﻴﺦٌ ﻛَﺒﻴﺮٌ
[23] যখন তিনি মাদইয়ানের কূপের ধারে
পৌছলেন, তখন কূপের কাছে একদল
লোককে পেলেন তারা জন্তুদেরকে পানি
পান করানোর কাজে রত। এবং তাদের পশ্চাতে
দূ’জন স্ত্রীলোককে দেখলেন তারা
তাদের জন্তুদেরকে আগলিয়ে রাখছে।
তিনি বললেন, তোমাদের কি ব্যাপার? তারা বলল,
আমরা আমাদের জন্তুদেরকে পানি পান
করাতে পারি না, যে পর্যন্ত রাখালরা তাদের
জন্তুদেরকে নিয়ে সরে না যায়। আমাদের
পিতা খুবই বৃদ্ধ।
[23] And when he arrived at the water (a
wall) of Madyan (Midian) he found there
a group of men watering (their flocks),
and besides them he found two women
who were keeping back (their flocks). He
said: “What is the matter with you?”
They said: “We cannot water (our flocks)
until the shepherds take (their flocks).
And our father is a very old man.”
[24] ﻓَﺴَﻘﻰٰ ﻟَﻬُﻤﺎ ﺛُﻢَّ ﺗَﻮَﻟّﻰٰ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻈِّﻞِّ ﻓَﻘﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺇِﻧّﻰ ﻟِﻤﺎ
ﺃَﻧﺰَﻟﺖَ ﺇِﻟَﻰَّ ﻣِﻦ ﺧَﻴﺮٍ ﻓَﻘﻴﺮٌ
[24] অতঃপর মূসা তাদের জন্তুদেরকে পানি
পান করালেন। অতঃপর তিনি ছায়ার দিকে সরে
গেলেন এবং বললেন, হে আমার
পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল
করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
[24] So he watered (their flocks) for
them, then he turned back to shade, and
said: “My Lord! truly, I am in need of
whatever good that You bestow on me!”
[25] ﻓَﺠﺎﺀَﺗﻪُ ﺇِﺣﺪﻯٰﻬُﻤﺎ ﺗَﻤﺸﻰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﺳﺘِﺤﻴﺎﺀٍ ﻗﺎﻟَﺖ ﺇِﻥَّ
ﺃَﺑﻰ ﻳَﺪﻋﻮﻙَ ﻟِﻴَﺠﺰِﻳَﻚَ ﺃَﺟﺮَ ﻣﺎ
ﺳَﻘَﻴﺖَ ﻟَﻨﺎ ۚ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻩُ
ﻭَﻗَﺺَّ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺍﻟﻘَﺼَﺺَ ﻗﺎﻝَ ﻻ
ﺗَﺨَﻒ ۖ ﻧَﺠَﻮﺕَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[25] অতঃপর বালিকাদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত
পদক্ষেপে তাঁর কাছে আগমন করল। বলল,
আমার পিতা আপনাকে ডাকছেন, যাতে আপনি
যে আমাদেরকে পানি পান করিয়েছেন, তার
বিনিময়ে পুরস্কার প্রদান করেন। অতঃপর মূসা
যখন তাঁর কাছে গেলেন এবং সমস্ত বৃত্তান্ত
বর্ণনা করলেন, তখন তিনি বললেন, ভয় করো
না, তুমি জালেম সম্প্রদায়ের কবল থেকে
রক্ষা পেয়েছ।
[25] Then there came to him one of the
two women, walking shyly. She said:
“Verily, my father calls you that he may
reward you for having watered (our
flocks) for us.” So when he came to him
and narrated the story, he said: “Fear
you not. You have escaped from the
people who are Zâlimûn (polytheists,
disbelievers, and wrong-doers).”
[26] ﻗﺎﻟَﺖ ﺇِﺣﺪﻯٰﻬُﻤﺎ ﻳٰﺄَﺑَﺖِ
ﺍﺳﺘَـٔﺠِﺮﻩُ ۖ ﺇِﻥَّ ﺧَﻴﺮَ ﻣَﻦِ
ﺍﺳﺘَـٔﺠَﺮﺕَ ﺍﻟﻘَﻮِﻯُّ ﺍﻷَﻣﻴﻦُ
[26] বালিকাদ্বয়ের একজন বলল পিতাঃ তাকে
চাকর নিযুক্ত করুন। কেননা, আপনার চাকর
হিসেবে সে-ই উত্তম হবে, যে
শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।
[26] And said one of them (the two
women): “O my father! Hire him! Verily,
the best of men for you to hire is the
strong, the trustworthy.”
[27] ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧّﻰ ﺃُﺭﻳﺪُ ﺃَﻥ ﺃُﻧﻜِﺤَﻚَ
ﺇِﺣﺪَﻯ ﺍﺑﻨَﺘَﻰَّ ﻫٰﺘَﻴﻦِ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻥ
ﺗَﺄﺟُﺮَﻧﻰ ﺛَﻤٰﻨِﻰَ ﺣِﺠَﺞٍ ۖ ﻓَﺈِﻥ
ﺃَﺗﻤَﻤﺖَ ﻋَﺸﺮًﺍ ﻓَﻤِﻦ ﻋِﻨﺪِﻙَ ۖ
ﻭَﻣﺎ ﺃُﺭﻳﺪُ ﺃَﻥ ﺃَﺷُﻖَّ ﻋَﻠَﻴﻚَ ۚ
ﺳَﺘَﺠِﺪُﻧﻰ ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ
[27] পিতা মূসাকে বললেন, আমি আমার এই
কন্যাদ্বয়ের একজনকে তোমার সাথে
বিবাহে দিতে চাই এই শর্তে যে, তুমি আট
বছর আমার চাকুরী করবে, যদি তুমি দশ বছর
পূর্ণ কর, তা তোমার ইচ্ছা। আমি তোমাকে কষ্ট
দিতে চাই না। আল্লাহ চাহেন তো তুমি আমাকে
সৎকর্মপরায়ণ পাবে।
[27] He said: “I intend to wed one of
these two daughters of mine to you, on
condition that you serve me for eight
years, but if you complete ten years, it
will be (a favour) from you. But I intend
not to place you under a difficulty. If
Allâh wills, you will find me one of the
righteous.”
[28] ﻗﺎﻝَ ﺫٰﻟِﻚَ ﺑَﻴﻨﻰ ﻭَﺑَﻴﻨَﻚَ ۖ
ﺃَﻳَّﻤَﺎ ﺍﻷَﺟَﻠَﻴﻦِ ﻗَﻀَﻴﺖُ ﻓَﻼ
ﻋُﺪﻭٰﻥَ ﻋَﻠَﻰَّ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ
ﻧَﻘﻮﻝُ ﻭَﻛﻴﻞٌ
[28] মূসা বললেন, আমার ও আপনার মধ্যে
এই চুক্তি স্থির হল। দু’টি মেয়াদের মধ্য
থেকে যে কোন একটি পূর্ণ করলে আমার
বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকবে না। আমরা যা
বলছি, তাতে আল্লাহর উপর ভরসা।
[28] He [Mûsa (Moses)] said: “That (is
settled) between me and you whichever
of the two terms I fulfill, there will be no
injustice to me, and Allâh is Surety over
what we say.”
[29] ۞ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻗَﻀﻰٰ ﻣﻮﺳَﻰ
ﺍﻷَﺟَﻞَ ﻭَﺳﺎﺭَ ﺑِﺄَﻫﻠِﻪِ ﺀﺍﻧَﺲَ
ﻣِﻦ ﺟﺎﻧِﺐِ ﺍﻟﻄّﻮﺭِ ﻧﺎﺭًﺍ ﻗﺎﻝَ
ﻟِﺄَﻫﻠِﻪِ ﺍﻣﻜُﺜﻮﺍ ﺇِﻧّﻰ ﺀﺍﻧَﺴﺖُ
ﻧﺎﺭًﺍ ﻟَﻌَﻠّﻰ ﺀﺍﺗﻴﻜُﻢ ﻣِﻨﻬﺎ ﺑِﺨَﺒَﺮٍ
ﺃَﻭ ﺟَﺬﻭَﺓٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ
ﺗَﺼﻄَﻠﻮﻥَ
[29] অতঃপর মূসা (আঃ) যখন সেই মেয়াদ পূর্ণ
করল এবং সপরিবারে যাত্রা করল, তখন সে তুর
পর্বতের দিক থেকে আগুন দেখতে
পেল। সে তার পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা
অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ
আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে
কোন খবর নিয়ে আসতে পারি অথবা কোন
জ্বলন্ত কাষ্ঠখন্ড আনতে পারি, যাতে তোমরা
আগুন পোহাতে পার।
[29] Then, when Mûsa (Moses) had
fulfilled the term, and was travelling
with his family, he saw a fire in the
direction of Tûr (Mount). He said to his
family: “Wait, I have seen a fire;
perhaps I may bring you from there
some information, or a burning fire-
brand that you may warm yourselves.”
[30] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺃَﺗﻯٰﻬﺎ ﻧﻮﺩِﻯَ ﻣِﻦ
ﺷٰﻄِﺊِ ﺍﻟﻮﺍﺩِ ﺍﻷَﻳﻤَﻦِ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺒُﻘﻌَﺔِ ﺍﻟﻤُﺒٰﺮَﻛَﺔِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓِ
ﺃَﻥ ﻳٰﻤﻮﺳﻰٰ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺏُّ
ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[30] যখন সে তার কাছে পৌছল, তখন
পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত উপত্যকার ডান
প্রান্তের বৃক্ষ থেকে তাকে আওয়াজ
দেয়া হল, হে মূসা! আমি আল্লাহ, বিশ্ব
পালনকর্তা।
[30] So when he reached it (the fire), he
was called from the right side of the
valley, in the blessed place from the tree:
“O Mûsa (Moses)! Verily! I am Allâh, the
Lord of the ‘Alamîn (mankind, jinn and
all that exists)!
[31] ﻭَﺃَﻥ ﺃَﻟﻖِ ﻋَﺼﺎﻙَ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ
ﺭَﺀﺍﻫﺎ ﺗَﻬﺘَﺰُّ ﻛَﺄَﻧَّﻬﺎ ﺟﺎﻥٌّ ﻭَﻟّﻰٰ
ﻣُﺪﺑِﺮًﺍ ﻭَﻟَﻢ ﻳُﻌَﻘِّﺐ ۚ ﻳٰﻤﻮﺳﻰٰ
ﺃَﻗﺒِﻞ ﻭَﻻ ﺗَﺨَﻒ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ ﻣِﻦَ
ﺍﻝﺀﺍﻣِﻨﻴﻦَ
[31] আরও বলা হল, তুমি তোমার লাঠি নিক্ষেপ
কর। অতঃপর যখন সে লাঠিকে সর্পের ন্যায়
দৌড়াদৌড়ি করতে দেখল, তখন সে
মুখ ফিরিয়ে বিপরীত দিকে পালাতে লাগল এবং
পেছন ফিরে দেখল না। হে মূসা, সামনে
এস এবং ভয় করো না। তোমার কোন আশংকা
নেই।
[31] “And throw your stick!” But when he
saw it moving as if it were a snake, he
turned in flight, and looked not back. (It
was said): “O Mûsa (Moses)! Draw near,
and fear not. Verily, you are of those
who are secure.
[32] ﺍﺳﻠُﻚ ﻳَﺪَﻙَ ﻓﻰ ﺟَﻴﺒِﻚَ
ﺗَﺨﺮُﺝ ﺑَﻴﻀﺎﺀَ ﻣِﻦ ﻏَﻴﺮِ ﺳﻮﺀٍ
ﻭَﺍﺿﻤُﻢ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺟَﻨﺎﺣَﻚَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺮَّﻫﺐِ ۖ ﻓَﺬٰﻧِﻚَ ﺑُﺮﻫٰﻨﺎﻥِ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻚَ ﺇِﻟﻰٰ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻭَﻣَﻠَﺈِﻳ۟ﻪِ ۚ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻓٰﺴِﻘﻴﻦَ
[32] তোমার হাত বগলে রাখ। তা বের হয়ে
আসবে নিরাময় উজ্জ্বল হয়ে এবং ভয় হেতু
তোমার হাত তোমার উপর চেপে ধর। এই দু’টি
ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের প্রতি তোমার
পালনকর্তার তরফ থেকে প্রমাণ। নিশ্চয় তারা
পাপাচারী সম্প্রদায়।
[32] “Put your hand in your bosom, it
will come forth white without a disease,
and draw your hand close to your side to
be free from fear (which you suffered
from the snake, and also your hand will
return to its original state). these are two
Burhâns (signs, miracles, evidences,
proofs) from your Lord to Fir’aun
(Pharaoh) and his chiefs. Verily, they are
the people who are Fâsiqûn (rebellious,
disobedient to Allâh).
[33] ﻗﺎﻝَ ﺭَﺏِّ ﺇِﻧّﻰ ﻗَﺘَﻠﺖُ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻧَﻔﺴًﺎ ﻓَﺄَﺧﺎﻑُ ﺃَﻥ
ﻳَﻘﺘُﻠﻮﻥِ
[33] মূসা বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি
তাদের এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছি। কাজেই
আমি ভয় করছি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।
[33] He said: “My Lord! I have killed a
man among them, and I fear that they
will kill me.
[34] ﻭَﺃَﺧﻰ ﻫٰﺮﻭﻥُ ﻫُﻮَ ﺃَﻓﺼَﺢُ
ﻣِﻨّﻰ ﻟِﺴﺎﻧًﺎ ﻓَﺄَﺭﺳِﻠﻪُ ﻣَﻌِﻰَ
ﺭِﺩﺀًﺍ ﻳُﺼَﺪِّﻗُﻨﻰ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺧﺎﻑُ
ﺃَﻥ ﻳُﻜَﺬِّﺑﻮﻥِ
[34] আমার ভাই হারুণ, সে আমা অপেক্ষা
প্রাঞ্জলভাষী। অতএব, তাকে আমার সাথে
সাহায্যের জন্যে প্রেরণ করুন। সে
আমাকে সমর্থন জানাবে। আমি আশংকা করি
যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলবে।
[34] “And my brother Hârûn (Aaron) he
is more eloquent in speech than me: so
send him with me as a helper to confirm
me. Verily! I fear that they will belie
me.”
[35] ﻗﺎﻝَ ﺳَﻨَﺸُﺪُّ ﻋَﻀُﺪَﻙَ
ﺑِﺄَﺧﻴﻚَ ﻭَﻧَﺠﻌَﻞُ ﻟَﻜُﻤﺎ ﺳُﻠﻄٰﻨًﺎ
ﻓَﻼ ﻳَﺼِﻠﻮﻥَ ﺇِﻟَﻴﻜُﻤﺎ ۚ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ
ﺃَﻧﺘُﻤﺎ ﻭَﻣَﻦِ ﺍﺗَّﺒَﻌَﻜُﻤَﺎ ﺍﻟﻐٰﻠِﺒﻮﻥَ
[35] আল্লাহ বললেন, আমি তোমার বাহু
শক্তিশালী করব তোমার ভাই দ্বারা এবং
তোমাদের প্রধান্য দান করব। ফলে, তারা
তোমার কাছে পৌছাতে পারবে না। আমার
নিদর্শনাবলীর জোরে তোমরা এবং
তোমাদের অনুসারীরা প্রবল থাকবে।
[35] Allâh said: “We will strengthen your
arm through your brother, and give you
both power, so they shall not be able to
harm you, with Our Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.), you two as well as
those who follow you will be the victors.”
[36] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﻣﻮﺳﻰٰ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ ﺑَﻴِّﻨٰﺖٍ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﺎ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﺳِﺤﺮٌ ﻣُﻔﺘَﺮًﻯ ﻭَﻣﺎ ﺳَﻤِﻌﻨﺎ
ﺑِﻬٰﺬﺍ ﻓﻰ ﺀﺍﺑﺎﺋِﻨَﺎ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ
[36] অতঃপর মূসা যখন তাদের কাছে আমার
সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে পৌছল, তখন
তারা বলল, এতো অলীক জাদু মাত্র। আমরা
আমাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে এ কথা শুনিনি।
[36] Then when Mûsa (Moses) came to
them with Our Clear Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.), they said: “This is
nothing but invented magic. Never did
we hear of this among our fathers of
old.”
[37] ﻭَﻗﺎﻝَ ﻣﻮﺳﻰٰ ﺭَﺑّﻰ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﻤَﻦ ﺟﺎﺀَ ﺑِﺎﻟﻬُﺪﻯٰ ﻣِﻦ ﻋِﻨﺪِﻩِ
ﻭَﻣَﻦ ﺗَﻜﻮﻥُ ﻟَﻪُ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ ﺍﻟﺪّﺍﺭِ ۖ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﻔﻠِﺢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[37] মূসা বলল, আমার পালনকর্তা সম্যক জানেন
যে তার নিকট থেকে হেদায়েতের কথা
নিয়ে আগমন করেছে এবং যে প্রাপ্ত
হবে পরকালের গৃহ। নিশ্চয় জালেমরা
সফলকাম হবে না।
[37] Mûsa (Moses) said: “My Lord knows
best him who came with guidance from
Him, and whose will be the happy end in
the Hereafter. Verily, the Zâlimûn
(wrong-doers, polytheists and
disbelievers in the Oneness of Allâh) will
not be successful.”
[38] ﻭَﻗﺎﻝَ ﻓِﺮﻋَﻮﻥُ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻤَﻠَﺄُ
ﻣﺎ ﻋَﻠِﻤﺖُ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺇِﻟٰﻪٍ ﻏَﻴﺮﻯ
ﻓَﺄَﻭﻗِﺪ ﻟﻰ ﻳٰﻬٰﻤٰﻦُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻄّﻴﻦِ
ﻓَﺎﺟﻌَﻞ ﻟﻰ ﺻَﺮﺣًﺎ ﻟَﻌَﻠّﻰ
ﺃَﻃَّﻠِﻊُ ﺇِﻟﻰٰ ﺇِﻟٰﻪِ ﻣﻮﺳﻰٰ ﻭَﺇِﻧّﻰ
ﻟَﺄَﻇُﻨُّﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻴﻦَ
[38] ফেরাউন বলল, হে পরিষদবর্গ, আমি জানি
না যে, আমি ব্যতীত তোমাদের কোন
উপাস্য আছে। হে হামান, তুমি ইট পোড়াও,
অতঃপর আমার জন্যে একটি প্রাসাদ নির্মাণ কর,
যাতে আমি মূসার উপাস্যকে উকি মেরে
দেখতে পারি। আমার তো ধারণা এই যে, সে
একজন মিথ্যাবাদী।
[38] Fir’aun (Pharaoh) said: “O chiefs! I
know not that you have an ilâh (a god)
other than me, so kindle for me (a fire),
O Hâmân, to bake (bricks out of) clay,
and set up for me a Sarh (a lofty tower,
or palace) in order that I may look at (or
look for) the Ilâh (God) of Mûsa (Moses);
and verily, I think that he [Mûsa (Moses)]
is one of the liars.”
[39] ﻭَﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮَ ﻫُﻮَ ﻭَﺟُﻨﻮﺩُﻩُ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺑِﻐَﻴﺮِ ﺍﻟﺤَﻖِّ
ﻭَﻇَﻨّﻮﺍ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺇِﻟَﻴﻨﺎ ﻻ
ﻳُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[39] ফেরাউন ও তার বাহিনী অন্যায়ভাবে
পৃথিবীতে অহংকার করতে লাগল এবং তারা
মনে করল যে, তারা আমার কাছে
প্রত্যাবর্তিত হবে না।
[39] And he and his hosts were arrogant
in the land, without right, and they
thought that they would never return to
Us.
[40] ﻓَﺄَﺧَﺬﻧٰﻪُ ﻭَﺟُﻨﻮﺩَﻩُ
ﻓَﻨَﺒَﺬﻧٰﻬُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﻴَﻢِّ ۖ ﻓَﺎﻧﻈُﺮ
ﻛَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[40] অতঃপর আমি তাকে ও তার বাহিনীকে
পাকড়াও করলাম, তৎপর আমি তাদেরকে
সমুËেদ্র নিক্ষেপ করলাম। অতএব, দেখ
জালেমদের পরিণাম কি হয়েছে।
[40] So We seized him and his hosts, and
We threw them all into the sea (and
drowned them). So behold (O
Muhammad SAW) what was the end of
the Zâlimûn [wrong-doers, polytheists
and those who disbelieved in the
Oneness of their Lord (Allâh), or rejected
the advice of His Messenger Mûsa
(Moses) A.S.]
[41] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢ ﺃَﺋِﻤَّﺔً ﻳَﺪﻋﻮﻥَ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻻ
ﻳُﻨﺼَﺮﻭﻥَ
[41] আমি তাদেরকে নেতা করেছিলাম। তারা
জাহান্নামের দিকে আহবান করত।
কেয়ামতের দিন তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
[41] And We made them leaders inviting
to the Fire, and on the Day of
Resurrection, they will not be helped.
[42] ﻭَﺃَﺗﺒَﻌﻨٰﻬُﻢ ﻓﻰ ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻟَﻌﻨَﺔً ۖ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻫُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤَﻘﺒﻮﺣﻴﻦَ
[42] আমি এই পৃথিবীতে অভিশাপকে তাদের
পশ্চাতে লাগিয়ে দিয়েছি এবং কেয়ামতের
দিন তারা হবে দুর্দশাগ্রস্ত।
[42] And We made a curse to follow
them in this world, and on the Day of
Resurrection, they will be among Al-
Maqbuhûn (those who are prevented to
receive Allâh’s Mercy or any good,
despised or destroyed).
[43] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﻣﻮﺳَﻰ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﺃَﻫﻠَﻜﻨَﺎ
ﺍﻟﻘُﺮﻭﻥَ ﺍﻷﻭﻟﻰٰ ﺑَﺼﺎﺋِﺮَ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ
ﻭَﻫُﺪًﻯ ﻭَﺭَﺣﻤَﺔً ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[43] আমি পূর্ববর্তী অনেক সম্প্রদায়কে
ধ্বংস করার পর মূসাকে কিতাব দিয়েছি মানুষের
জন্যে জ্ঞানবর্তিকা। হেদায়েত ও রহমত,
যাতে তারা স্মরণ রাখে।
[43] And indeed We gave Mûsa (Moses),
after We had destroyed the generations
of old,— the Scripture [the Taurât
(Torah)] as an enlightenment for
mankind, and a guidance and a mercy,
that they might remember (or receive
admonition).
[44] ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺖَ ﺑِﺠﺎﻧِﺐِ ﺍﻟﻐَﺮﺑِﻰِّ
ﺇِﺫ ﻗَﻀَﻴﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﻣﻮﺳَﻰ ﺍﻷَﻣﺮَ
ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺖَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺸّٰﻬِﺪﻳﻦَ
[44] মূসাকে যখন আমি নির্দেশনামা দিয়েছিলাম,
তখন আপনি পশ্চিম প্রান্তে ছিলেন না এবং
আপনি প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলেন না।
[44] And you (O Muhammad SAW) were
not on the western side (of the Mount),
when We made clear to Mûsa (Moses)
the commandment, and you were not
among the witnesses.
[45] ﻭَﻟٰﻜِﻨّﺎ ﺃَﻧﺸَﺄﻧﺎ ﻗُﺮﻭﻧًﺎ
ﻓَﺘَﻄﺎﻭَﻝَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﻌُﻤُﺮُ ۚ ﻭَﻣﺎ
ﻛُﻨﺖَ ﺛﺎﻭِﻳًﺎ ﻓﻰ ﺃَﻫﻞِ ﻣَﺪﻳَﻦَ
ﺗَﺘﻠﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ﻭَﻟٰﻜِﻨّﺎ
ﻛُﻨّﺎ ﻣُﺮﺳِﻠﻴﻦَ
[45] কিন্তু আমি অনেক সম্প্রদায় সৃষ্টি
করেছিলাম, অতঃপর তাদের অনেক যুগ
অতিবাহিত হয়েছে। আর আপনি
মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে ছিলেন না যে,
তাদের কাছে আমার আয়াতসমূহ পাঠ করতেন।
কিন্তু আমিই ছিলাম রসূল প্রেরণকারী।
[45] But We created generations [after
generations i.e. after Mûsa (Moses) A.S.],
and long were the ages that passed over
them. And you (O Muhammad SAW)
were not a dweller among the people of
Madyan (Midian), reciting Our Verses to
them. But it is We Who kept sending
(Messengers).
[46] ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺖَ ﺑِﺠﺎﻧِﺐِ ﺍﻟﻄّﻮﺭِ
ﺇِﺫ ﻧﺎﺩَﻳﻨﺎ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﺭَﺣﻤَﺔً ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻚَ ﻟِﺘُﻨﺬِﺭَ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻣﺎ ﺃَﺗﻯٰﻬُﻢ
ﻣِﻦ ﻧَﺬﻳﺮٍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[46] আমি যখন মূসাকে আওয়াজ দিয়েছিলাম,
তখন আপনি তুর পর্বতের পার্শ্বে ছিলেন
না। কিন্তু এটা আপনার পালনকর্তার রহমত স্বরূপ,
যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে ভীতি
প্রদর্শন করেন, যাদের কাছে আপনার
পূêেব কোন ভীতি প্রদর্শনকারী আগমন
করেনি, যাতে তারা স্মরণ রাখে।
[46] And you (O Muhammad SAW) were
not at the side of the Tûr (Mount) when
We did call, [it is said that Allâh called
the followers of Muhammad SAW , and
they answered His Call, or that Allâh
called Mûsa (Moses)]. But (you are sent)
as a mercy from your Lord, to give
warning to a people to whom no warner
had come before you, in order that they
may remember or receive admonition.
(Tafsir At-Tabarî).
[47] ﻭَﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﺗُﺼﻴﺒَﻬُﻢ
ﻣُﺼﻴﺒَﺔٌ ﺑِﻤﺎ ﻗَﺪَّﻣَﺖ ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ
ﻓَﻴَﻘﻮﻟﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻟَﻮﻻ ﺃَﺭﺳَﻠﺖَ
ﺇِﻟَﻴﻨﺎ ﺭَﺳﻮﻟًﺎ ﻓَﻨَﺘَّﺒِﻊَ ﺀﺍﻳٰﺘِﻚَ
ﻭَﻧَﻜﻮﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[47] আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের
জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত,
হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের
কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন?
করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ
করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে
যেতাম।
[47] And if (We had) not (sent you to the
people of Makkah) – in case a calamity
should seize them for (the deeds) that
their hands have sent forth, they would
have said: “Our Lord! Why did You not
send us a Messenger? We would then
have followed Your Ayât (Verses of the
Qur’ân) and would have been among the
believers.”
[48] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻫُﻢُ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣِﻦ
ﻋِﻨﺪِﻧﺎ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻮﻻ ﺃﻭﺗِﻰَ ﻣِﺜﻞَ
ﻣﺎ ﺃﻭﺗِﻰَ ﻣﻮﺳﻰٰ ۚ ﺃَﻭَﻟَﻢ
ﻳَﻜﻔُﺮﻭﺍ ﺑِﻤﺎ ﺃﻭﺗِﻰَ ﻣﻮﺳﻰٰ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞُ ۖ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺳِﺤﺮﺍﻥِ ﺗَﻈٰﻬَﺮﺍ
ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ ﺑِﻜُﻞٍّ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[48] অতঃপর আমার কাছ থেকে যখন তাদের
কাছে সত্য আগমন করল, তখন তারা বলল,
মূসাকে যেরূপ দেয়া হয়েছিল, এই রসূলকে
সেরূপ দেয়া হল না কেন? পূর্বে মূসাকে যা
দেয়া হয়েছিল, তারা কি তা অস্বীকার করেনি?
তারা বলেছিল, উভয়ই জাদু, পরস্পরে একাত্ম।
তারা আরও বলেছিল, আমরা উভয়কে মানি না।
[48] But when the truth (i.e. Muhammad
SAW with his Message) has come to them
from Us, they say: “Why is he not given
the like of what was given to Mûsa
(Moses)? Did they not disbelieve in that
which was given to Mûsa (Moses) of old?
They say: “Two kinds of magic [the
Taurât (Torah) and the Qur’ân] each
helping the other!” And they say:
“Verily! In both we are disbelievers.”
[49] ﻗُﻞ ﻓَﺄﺗﻮﺍ ﺑِﻜِﺘٰﺐٍ ﻣِﻦ ﻋِﻨﺪِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻫُﻮَ ﺃَﻫﺪﻯٰ ﻣِﻨﻬُﻤﺎ ﺃَﺗَّﺒِﻌﻪُ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[49] বলুন, তোমরা সত্যবাদী হলে এখন
আল্লাহর কাছ থেকে কোন কিতাব আন, যা
এতদুভয় থেকে উত্তম পথপ্রদর্শক হয়।
আমি সেই কিতাব অনুসরণ করব।
[49] Say (to them, O Muhammad SAW):
“Then bring a Book from Allâh, which is
a better guide than these two [the Taurât
(Torah) and the Qur’ân], that I may
follow it, if you are truthful.”
[50] ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﺍ ﻟَﻚَ
ﻓَﺎﻋﻠَﻢ ﺃَﻧَّﻤﺎ ﻳَﺘَّﺒِﻌﻮﻥَ
ﺃَﻫﻮﺍﺀَﻫُﻢ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﺃَﺿَﻞُّ ﻣِﻤَّﻦِ
ﺍﺗَّﺒَﻊَ ﻫَﻮﻯٰﻪُ ﺑِﻐَﻴﺮِ ﻫُﺪًﻯ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[50] অতঃপর তারা যদি আপনার কথায় সাড়া না দেয়,
তবে জানবেন, তারা শুধু নিজের প্রবৃত্তির
অনুসরণ করে। আল্লাহর হেদায়েতের
পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ
করে, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে?
নিশ্চয় আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ
দেখান না।
[50] But if they answer you not (i.e. do
not bring the book nor believe in your
doctrine of Islâmic Monotheism), then
know that they only follow their own
lusts. And who is more astray than one
who follows his own lusts, without
guidance from Allâh? Verily! Allâh
guides not the people who are Zâlimûn
(wrong-doers, disobedient to Allâh, and
polytheists)
[51] ۞ ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻭَﺻَّﻠﻨﺎ ﻟَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻘَﻮﻝَ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[51] আমি তাদের কাছে উপর্যুপরি বাণী
পৌছিয়েছি। যাতে তারা অনুধাবন করে।
[51] And indeed now We have conveyed
the Word (this Qur’ân in which is the
news of everything) to them, in order
that they may remember (or receive
admonition).
[52] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻪِ ﻫُﻢ ﺑِﻪِ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[52] কোরআনের পূর্বে আমি যাদেরকে
কিতাব দিয়েছি, তারা এতে বিশ্বাস করে।
[52] Those to whom We gave the
Scripture [i.e. the Taurât (Torah) and the
Injeel (Gospel)] before it, – they believe in
it (the Qur’ân).
[53] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻳُﺘﻠﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﺑِﻪِ ﺇِﻧَّﻪُ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻨﺎ
ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻪِ ﻣُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
[53] যখন তাদের কাছে এটা পাঠ করা হয়, তখন
তারা বলে, আমরা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করলাম। এটা আমাদের পালনকর্তার পক্ষ
থেকে সত্য। আমরা এর পূর্বেও আজ্ঞাবহ
ছিলাম।
[53] And when it is recited to them, they
say: “We believe in it. Verily, it is the
truth from our Lord. Indeed even before
it we have been from those who submit
themselves to Allâh in Islâm as Muslims
(like ‘Abdullâh bin Salâm and Salmân Al-
Farisî).
[54] ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻳُﺆﺗَﻮﻥَ ﺃَﺟﺮَﻫُﻢ
ﻣَﺮَّﺗَﻴﻦِ ﺑِﻤﺎ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﻭَﻳَﺪﺭَﺀﻭﻥَ
ﺑِﺎﻟﺤَﺴَﻨَﺔِ ﺍﻟﺴَّﻴِّﺌَﺔَ ﻭَﻣِﻤّﺎ
ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ
[54] তারা দুইবার পুরস্কৃত হবে তাদের
সবরের কারণে। তারা মন্দের জওয়াবে ভাল
করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা
থেকে ব্যয় করে।
[54] These will be given their reward
twice over, because they are patient, and
repel evil with good, and spend (in
charity) out of what We have provided
them.
[55] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺳَﻤِﻌُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻐﻮَ
ﺃَﻋﺮَﺿﻮﺍ ﻋَﻨﻪُ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻨﺎ
ﺃَﻋﻤٰﻠُﻨﺎ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﺃَﻋﻤٰﻠُﻜُﻢ ﺳَﻠٰﻢٌ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻻ ﻧَﺒﺘَﻐِﻰ ﺍﻟﺠٰﻬِﻠﻴﻦَ
[55] তারা যখন অবাঞ্চিত বাজে কথাবার্তা শ্রবণ
করে, তখন তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং
বলে, আমাদের জন্যে আমাদের কাজ এবং
তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ।
তোমাদের প্রতি সালাম। আমরা অজ্ঞদের
সাথে জড়িত হতে চাই না।
[55] And when they hear Al¬Laghw
(dirty, false, evil vain talk), they
withdraw from it and say: “To us our
deeds, and to you your deeds. Peace be
to you. We seek not (the way of) the
ignorant.”
[56] ﺇِﻧَّﻚَ ﻻ ﺗَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﺃَﺣﺒَﺒﺖَ
ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ
ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﺎﻟﻤُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[56] আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে
সৎপথে আনতে পারবেন না, তবে আল্লাহ
তা’আলাই যাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন।
কে সৎপথে আসবে, সে সম্পর্কে তিনিই
ভাল জানেন।
[56] Verily! You (O Muhammad SAW)
guide not whom you like, but Allâh
guides whom He wills. And He knows
best those who are the guided
[57] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻥ ﻧَﺘَّﺒِﻊِ ﺍﻟﻬُﺪﻯٰ
ﻣَﻌَﻚَ ﻧُﺘَﺨَﻄَّﻒ ﻣِﻦ ﺃَﺭﺿِﻨﺎ ۚ
ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻧُﻤَﻜِّﻦ ﻟَﻬُﻢ ﺣَﺮَﻣًﺎ ﺀﺍﻣِﻨًﺎ
ﻳُﺠﺒﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺛَﻤَﺮٰﺕُ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ
ﺭِﺯﻗًﺎ ﻣِﻦ ﻟَﺪُﻧّﺎ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ
ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[57] তারা বলে, যদি আমরা আপনার সাথে
সুপথে আসি, তবে আমরা আমাদের দেশ
থেকে উৎখাত হব। আমি কি তাদের জন্যে
একটি নিরাপদ হরম প্রতিষ্ঠিত করিনি? এখানে
সর্বপ্রকার ফল-মূল আমদানী হয় আমার দেয়া
রিযিকস্বরূপ। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
[57] And they say: “If we follow the
guidance with you, we would be
snatched away from our land.” Have We
not established for them a secure
sanctuary (Makkah), to which are
brought fruits of all kinds, a provision
from Ourselves, but most of them know
not.
[58] ﻭَﻛَﻢ ﺃَﻫﻠَﻜﻨﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻳَﺔٍ
ﺑَﻄِﺮَﺕ ﻣَﻌﻴﺸَﺘَﻬﺎ ۖ ﻓَﺘِﻠﻚَ
ﻣَﺴٰﻜِﻨُﻬُﻢ ﻟَﻢ ﺗُﺴﻜَﻦ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِﻫِﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ۖ ﻭَﻛُﻨّﺎ ﻧَﺤﻦُ
ﺍﻟﻮٰﺭِﺛﻴﻦَ
[58] আমি অনেক জনপদ ধবংস করেছি, যার
অধিবাসীরা তাদের জীবন যাপনে মদমত্ত
ছিল। এগুলোই এখন তাদের ঘর-বাড়ী।
তাদের পর এগুলোতে মানুষ সামান্যই বসবাস
করেছে। অবশেষে আমিই মালিক রয়েছি।
[58] And how many a town (population)
have We destroyed, which were
thankless for its means of livelihood
(disobeyed Allâh, and His Messengers, by
doing evil deeds and crimes) ! And those
are their dwellings, which have not been
inhabited after them except a little. And
verily! We have been the inheritors.
[59] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺭَﺑُّﻚَ ﻣُﻬﻠِﻚَ
ﺍﻟﻘُﺮﻯٰ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺒﻌَﺚَ ﻓﻰ ﺃُﻣِّﻬﺎ
ﺭَﺳﻮﻟًﺎ ﻳَﺘﻠﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻣُﻬﻠِﻜِﻰ ﺍﻟﻘُﺮﻯٰ ﺇِﻟّﺎ
ﻭَﺃَﻫﻠُﻬﺎ ﻇٰﻠِﻤﻮﻥَ
[59] আপনার পালনকর্তা জনপদসমূহকে ধ্বংস
করেন না, যে পর্যন্ত তার কেন্দ্রস্থলে
রসূল প্রেরণ না করেন, যিনি তাদের কাছে
আমার আয়াতসমূহ পাঠ করেন এবং আমি
জনপদসমূহকে তখনই ধ্বংস করি, যখন তার
বাসিন্দারা জুলুম করে।
[59] And never will your Lord destroy
the towns (populations) until He sends to
their mother town a Messenger reciting
to them Our Verses. And never would
We destroy the towns unless the people
thereof are Zâlimûn (polytheists, wrong-
doers, disbelievers in the Oneness of
Allâh, oppressors and tyrants).
[60] ﻭَﻣﺎ ﺃﻭﺗﻴﺘُﻢ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ
ﻓَﻤَﺘٰﻊُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺯﻳﻨَﺘُﻬﺎ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴﺮٌ ﻭَﺃَﺑﻘﻰٰ ۚ
ﺃَﻓَﻼ ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[60] তোমাদেরকে যা কিছু দেয়া হয়েছে,
তা পার্থিব জীবনের ভোগ ও শোভা বৈ নয়।
আর আল্লাহর কাছে যা আছে, তা উত্তম ও
স্থায়ী। তোমরা কি বোঝ না ?
[60] And whatever you have been given
is an enjoyment of the life of (this) world
and its adornment, and that (Hereafter)
which is with Allâh is better and will
remain forever. Have you then no sense?
[61] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻭَﻋَﺪﻧٰﻪُ ﻭَﻋﺪًﺍ ﺣَﺴَﻨًﺎ
ﻓَﻬُﻮَ ﻟٰﻘﻴﻪِ ﻛَﻤَﻦ ﻣَﺘَّﻌﻨٰﻪُ ﻣَﺘٰﻊَ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺛُﻢَّ ﻫُﻮَ ﻳَﻮﻡَ
ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺤﻀَﺮﻳﻦَ
[61] যাকে আমি উত্তম প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যা
সে পাবে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যাকে
আমি পার্থিব জীবনের ভোগ-সম্ভার দিয়েছি,
অতঃপর তাকে কেয়ামতের দিন
অপরাধীরূপে হাযির করা হবে?
[61] Is he whom We have promised an
excellent promise (Paradise),— which he
will find true, – like him whom We have
made to enjoy the luxuries of the life of
(this) world, then on the Day of
Resurrection, he will be among those
brought up (to be punished in the Hell-
fire)?
[62] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻳُﻨﺎﺩﻳﻬِﻢ ﻓَﻴَﻘﻮﻝُ
ﺃَﻳﻦَ ﺷُﺮَﻛﺎﺀِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﺰﻋُﻤﻮﻥَ
[62] যেদিন আল্লাহ তাদেরকে আওয়াজ
দিয়ে বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার
শরীক দাবী করতে, তারা কোথায়?
[62] And (remember) the Day when He
will call to them, and say: “Where are
My (so-called) partners whom you used
to assert?”
[63] ﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺣَﻖَّ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ
ﺍﻟﻘَﻮﻝُ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺃَﻏﻮَﻳﻨﺎ ﺃَﻏﻮَﻳﻨٰﻬُﻢ ﻛَﻤﺎ ﻏَﻮَﻳﻨﺎ ۖ
ﺗَﺒَﺮَّﺃﻧﺎ ﺇِﻟَﻴﻚَ ۖ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺇِﻳّﺎﻧﺎ
ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
[63] যাদের জন্যে শাস্তির আদেশ অবধারিত
হয়েছে, তারা বলবে, হে আমাদের
পালনকর্তা। এদেরকেই আমরা পথভ্রষ্ট
করেছিলাম। আমরা তাদেরকে পথভ্রষ্ট
করেছিলাম, যেমন আমরা পথভ্রষ্ট
হয়েছিলাম। আমরা আপনার সামনে দায়মুক্ত
হচ্ছি। তারা কেবল আমাদেরই এবাদত করত না।
[63] Those about whom the Word will
have come true (to be punished) will say:
“Our Lord! These are they whom we led
astray. We led them astray, as we were
astray ourselves. We declare our
innocence (from them) before You. It
was not us they worshipped.”
[64] ﻭَﻗﻴﻞَ ﺍﺩﻋﻮﺍ ﺷُﺮَﻛﺎﺀَﻛُﻢ
ﻓَﺪَﻋَﻮﻫُﻢ ﻓَﻠَﻢ ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺒﻮﺍ
ﻟَﻬُﻢ ﻭَﺭَﺃَﻭُﺍ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ۚ ﻟَﻮ ﺃَﻧَّﻬُﻢ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[64] বলা হবে, তোমরা তোমাদের
শরীকদের আহবান কর। তখন তারা ডাকবে,।
অতঃপর তারা তাদের ডাকে সাড়া দিবে না এবং তারা
আযাব দেখবে। হায়! তারা যদি সৎপথ প্রাপ্ত
হত।
[64] And it will be said (to them): “Call
upon your (so-called) partners (of Allâh),
and they will call upon them, but they
will give no answer to them, and they
will see the torment. (They will then
wish) if only they had been guided!
[65] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻳُﻨﺎﺩﻳﻬِﻢ ﻓَﻴَﻘﻮﻝُ
ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﺟَﺒﺘُﻢُ ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻴﻦَ
[65] যে দিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে
বলবেন, তোমরা রসূলগণকে কি জওয়াব
দিয়েছিলে?
[65] And (remember) the Day (Allâh) will
call to them, and say: “What answer gave
you to the Messengers?”
[66] ﻓَﻌَﻤِﻴَﺖ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻷَﻧﺒﺎﺀُ
ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﻓَﻬُﻢ ﻻ ﻳَﺘَﺴﺎﺀَﻟﻮﻥَ
[66] অতঃপর তাদের কথাবার্তা বন্ধ হয়ে যাবে
এবং তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে
পারবে না।
[66] Then the news of a good answer will
be obscured to them on that day, and
they will not be able to ask one another.
[67] ﻓَﺄَﻣّﺎ ﻣَﻦ ﺗﺎﺏَ ﻭَﺀﺍﻣَﻦَ
ﻭَﻋَﻤِﻞَ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﻓَﻌَﺴﻰٰ ﺃَﻥ
ﻳَﻜﻮﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﻔﻠِﺤﻴﻦَ
[67] তবে যে তওবা করে, বিশ্বাস স্থাপন
করে ও সৎকর্ম করে, আশা করা যায়, সে
সফলকাম হবে।
[67] But as for him who repented (from
polytheism and sins), believed (in the
Oneness of Allâh, and in His Messenger
Muhammad SAW), and did righteous
deeds (in the life of this world), then he
will be among those who are successful.
[68] ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﻳَﺨﻠُﻖُ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀُ
ﻭَﻳَﺨﺘﺎﺭُ ۗ ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺨِﻴَﺮَﺓُ ۚ
ﺳُﺒﺤٰﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺗَﻌٰﻠﻰٰ ﻋَﻤّﺎ
ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[68] আপনার পালনকর্তা যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন
এবং পছন্দ করেন। তাদের কোন ক্ষমতা
নেই। আল্লাহ পবিত্র এবং তারা যাকে শরীক
করে, তা থেকে উর্ধ্বে।
[68] And your Lord creates whatsoever
He wills and chooses, no choice have
they (in any matter). Glorified is Allâh,
and exalted above all that they associate
(as partners with Him).
[69] ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗُﻜِﻦُّ
ﺻُﺪﻭﺭُﻫُﻢ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌﻠِﻨﻮﻥَ
[69] তাদের অন্তর যা গোপন করে এবং যা
প্রকাশ করে, আপনার পালনকর্তা তা জানেন।
[69] And your Lord knows what their
breasts conceal, and what they reveal.
[70] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۖ ﻟَﻪُ
ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻓِﻰ ﺍﻷﻭﻟﻰٰ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۖ ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟﺤُﻜﻢُ
ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[70] তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য
নেই। ইহকাল ও পরকালে তাঁরই প্রশংসা। বিধান
তাঁরই ক্ষমতাধীন এবং তোমরা তাঁরই কাছে
প্রত্যাবর্তিত হবে।
[70] And He is Allâh; Lâ ilâha illa Huwa
(none has the right to be worshipped but
He). all praises and thanks be to Him
(both) in the first (i.e. in this world) and
in the last (i.e.in the Hereafter). And for
Him is the Decision, and to Him shall
you (all) be returned.
[71] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﺳَﺮﻣَﺪًﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﻳَﻮﻡِ
ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻣَﻦ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻏَﻴﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻢ ﺑِﻀِﻴﺎﺀٍ ۖ ﺃَﻓَﻼ
ﺗَﺴﻤَﻌﻮﻥَ
[71] বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি
রাত্রিকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী
করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য
কে আছে, যে তোমাদেরকে আলোক
দান করতে পারে? তোমরা কি তবুও কর্ণêপাত
করবে না?
[71] Say (O Muhammad SAW): “Tell me!
If Allâh made the night continuous for
you till the Day of Resurrection, which
ilâh (god) besides Allâh could bring you
light? Will you not then hear?”
[72] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﺳَﺮﻣَﺪًﺍ ﺇِﻟﻰٰ
ﻳَﻮﻡِ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻣَﻦ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻏَﻴﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻢ ﺑِﻠَﻴﻞٍ ﺗَﺴﻜُﻨﻮﻥَ ﻓﻴﻪِ ۖ
ﺃَﻓَﻼ ﺗُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[72] বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি
দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী
করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য
কে আছে যে, তোমাদেরকে রাত্রি দান
করতে পারে, যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে ?
তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না ?
[72] Say (O Muhammad SAW): “Tell me!
If Allâh made the day continuous for you
till the Day of Resurrection, which ilâh
(god) besides Allâh could bring you night
wherein you rest? Will you not then
see?”
[73] ﻭَﻣِﻦ ﺭَﺣﻤَﺘِﻪِ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ
ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﻟِﺘَﺴﻜُﻨﻮﺍ ﻓﻴﻪِ
ﻭَﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ
ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[73] তিনিই স্বীয় রহমতে তোমাদের
জন্যে রাত ও দিন করেছেন, যাতে তোমরা
তাতে বিশ্রাম গ্রহণ কর ও তাঁর অনুগ্রহ
অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ কর।
[73] It is out of His Mercy that He has
made for you the night and the day, that
you may rest therein (i.e. during the
night) and that you may seek of His
Bounty (i.e. during the day), and in
order that you may be grateful.
[74] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻳُﻨﺎﺩﻳﻬِﻢ ﻓَﻴَﻘﻮﻝُ
ﺃَﻳﻦَ ﺷُﺮَﻛﺎﺀِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﺰﻋُﻤﻮﻥَ
[74] যেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে
বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার শরীক
মনে করতে, তারা কোথায়?
[74] And (remember) the Day when He
(your Lord— Allâh) will call to them
(those who worshipped others along with
Allâh), and will say: “Where are My (so-
called) partners, whom you used to
assert?”
[75] ﻭَﻧَﺰَﻋﻨﺎ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ
ﺷَﻬﻴﺪًﺍ ﻓَﻘُﻠﻨﺎ ﻫﺎﺗﻮﺍ ﺑُﺮﻫٰﻨَﻜُﻢ
ﻓَﻌَﻠِﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻟِﻠَّﻪِ ﻭَﺿَﻞَّ
ﻋَﻨﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[75] প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে আমি
একজন সাক্ষী আলাদা করব; অতঃপর বলব,
তোমাদের প্রমাণ আন। তখন তারা জানতে
পারবে যে, সত্য আল্লাহর এবং তারা যা গড়ত, তা
তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে।
[75] And We shall take out from every
nation a witness, and We shall say:
“Bring your proof.” Then they shall know
that the truth is with Allâh (Alone), and
the lies (false gods) which they invented
will disappear from them.
[76] ۞ ﺇِﻥَّ ﻗٰﺮﻭﻥَ ﻛﺎﻥَ ﻣِﻦ
ﻗَﻮﻡِ ﻣﻮﺳﻰٰ ﻓَﺒَﻐﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۖ
ﻭَﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻪُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜُﻨﻮﺯِ ﻣﺎ ﺇِﻥَّ
ﻣَﻔﺎﺗِﺤَﻪُ ﻟَﺘَﻨﻮﺃُ ﺑِﺎﻟﻌُﺼﺒَﺔِ ﺃُﻭﻟِﻰ
ﺍﻟﻘُﻮَّﺓِ ﺇِﺫ ﻗﺎﻝَ ﻟَﻪُ ﻗَﻮﻣُﻪُ ﻻ
ﺗَﻔﺮَﺡ ۖ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﺤِﺐُّ
ﺍﻟﻔَﺮِﺣﻴﻦَ
[76] কারুন ছিল মূসার সম্প্রদায়ভুক্ত। অতঃপর
সে তাদের প্রতি দুষ্টামি করতে আরম্ভ
করল। আমি তাকে এত ধন-ভান্ডার দান
করেছিলাম যার চাবি বহন করা কয়েকজন
শক্তিশালী লোকের পক্ষে কষ্টসাধ্য ছিল।
যখন তার সম্প্রদায় তাকে বলল, দম্ভ করো না,
আল্লাহ দাম্ভিকদেরকে ভালবাসেন না।
[76] Verily, Qârûn (Korah) was of Mûsâ’s
(Moses) people, but he behaved
arrogantly towards them. And We gave
him of the treasures, that of which the
keys would have been a burden to a
body of strong men. Remember when his
people said to him: “Do not exult (with
riches, being ungrateful to Allâh). Verily
Allâh likes not those who exult (with
riches, being ungrateful to Allâh).
[77] ﻭَﺍﺑﺘَﻎِ ﻓﻴﻤﺎ ﺀﺍﺗﻯٰﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻟﺪّﺍﺭَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓَ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﻨﺲَ
ﻧَﺼﻴﺒَﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﺃَﺣﺴِﻦ
ﻛَﻤﺎ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟَﻴﻚَ ۖ ﻭَﻻ
ﺗَﺒﻎِ ﺍﻟﻔَﺴﺎﺩَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﻔﺴِﺪﻳﻦَ
[77] আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন,
তদ্বারা পরকালের গৃহ অনুসন্ধান কর, এবং ইহকাল
থেকে তোমার অংশ ভূলে যেয়ো না। তুমি
অনুগ্রহ কর, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি
অনুগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে অনর্থ
সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ
অনর্থ সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না।
[77] But seek, with that (wealth) which
Allâh has bestowed on you, the home of
the Hereafter, and forget not your
portion of lawful enjoyment in this
world, and do good as Allâh has been
good to you, and seek not mischief in the
land. Verily, Allâh likes not the Mufsidûn
(those who commit great crimes and sins,
oppressors, tyrants, mischief-makers,
corrupters).
[78] ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃﻭﺗﻴﺘُﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻋِﻠﻢٍ ﻋِﻨﺪﻯ ۚ ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﻌﻠَﻢ ﺃَﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪ ﺃَﻫﻠَﻚَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻪِ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘُﺮﻭﻥِ ﻣَﻦ ﻫُﻮَ ﺃَﺷَﺪُّ ﻣِﻨﻪُ
ﻗُﻮَّﺓً ﻭَﺃَﻛﺜَﺮُ ﺟَﻤﻌًﺎ ۚ ﻭَﻻ ﻳُﺴـَٔﻞُ
ﻋَﻦ ﺫُﻧﻮﺑِﻬِﻢُ ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻮﻥَ
[78] সে বলল, আমি এই ধন আমার নিজস্ব
জ্ঞান-গরিমা দ্বারা প্রাপ্ত হয়েছি। সে কি
জানে না যে, আল্লাহ তার পূর্বে অনেক
সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন, যারা শক্তিতে
ছিল তার চাইতে প্রবল এবং ধন-সম্পদে অধিক
প্রাচুর্যশীল? পাপীদেরকে তাদের
পাপকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে না।
[78] He said: “This has been given to me
only because of knowledge I possess.”
Did he not know that Allâh had
destroyed before him generations, men
who were stronger than him in might
and greater in the amount (of riches)
they had collected? But the Mujrimûn
(criminals, disbelievers, polytheists,
sinners) will not be questioned of their
sins (because Allâh knows them well, so
they will be punished without being
called to account).
[79] ﻓَﺨَﺮَﺝَ ﻋَﻠﻰٰ ﻗَﻮﻣِﻪِ ﻓﻰ
ﺯﻳﻨَﺘِﻪِ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻳٰﻠَﻴﺖَ ﻟَﻨﺎ ﻣِﺜﻞَ
ﻣﺎ ﺃﻭﺗِﻰَ ﻗٰﺮﻭﻥُ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﺬﻭ ﺣَﻆٍّ
ﻋَﻈﻴﻢٍ
[79] অতঃপর কারুন জাঁকজমক সহকারে তার
সম্প্রদায়ের সামনে বের হল। যারা পার্থিব
জীবন কামনা করত, তারা বলল, হায়, কারুন যা
প্রাপ্ত হয়েছে, আমাদেরকে যদি তা দেয়া
হত! নিশ্চয় সে বড় ভাগ্যবান।
[79] So he went forth before his people
in his pomp. Those who were desirous of
the life of the world, said: “Ah, would
that we had the like of what Qârûn
(Korah) has been given! Verily, he is the
owner of a great fortune.”
[80] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻌِﻠﻢَ
ﻭَﻳﻠَﻜُﻢ ﺛَﻮﺍﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴﺮٌ ﻟِﻤَﻦ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﻭَﻋَﻤِﻞَ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﻭَﻻ
ﻳُﻠَﻘّﻯٰﻬﺎ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﺼّٰﺒِﺮﻭﻥَ
[80] আর যারা জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছিল, তার বলল,
ধিক তোমাদেরকে, যারা ঈমানদার এবং
সৎকর্মী, তাদের জন্যে আল্লাহর দেয়া
সওয়াবই উৎকৃষ্ট। এটা তারাই পায়, যারা সবরকারী।
[80] But those who had been given
(religious) knowledge said: “Woe to you!
The Reward of Allâh (in the Hereafter) is
better for those who believe and do
righteous good deeds, and this none shall
attain except those who are As-Sabirun
(the patient in following the truth).”
[81] ﻓَﺨَﺴَﻔﻨﺎ ﺑِﻪِ ﻭَﺑِﺪﺍﺭِﻩِ
ﺍﻷَﺭﺽَ ﻓَﻤﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻓِﺌَﺔٍ
ﻳَﻨﺼُﺮﻭﻧَﻪُ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻣﺎ
ﻛﺎﻥَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﻨﺘَﺼِﺮﻳﻦَ
[81] অতঃপর আমি কারুনকে ও তার প্রাসাদকে
ভূগর্ভে বিলীন করে দিলাম। তার পক্ষে
আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন দল ছিল না, যারা
তাকে সাহায্য করতে পারে এবং সে নিজেও
আত্মরক্ষা করতে পারল না।
[81] So We caused the earth to swallow
him and his dwelling place. Then he had
no group or party to help him against
Allâh, nor was he one of those who could
save themselves.
[82] ﻭَﺃَﺻﺒَﺢَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﻤَﻨَّﻮﺍ
ﻣَﻜﺎﻧَﻪُ ﺑِﺎﻷَﻣﺲِ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ
ﻭَﻳﻜَﺄَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺒﺴُﻂُ ﺍﻟﺮِّﺯﻕَ
ﻟِﻤَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ﻭَﻳَﻘﺪِﺭُ ۖ
ﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﻣَﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ
ﻟَﺨَﺴَﻒَ ﺑِﻨﺎ ۖ ﻭَﻳﻜَﺄَﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﻔﻠِﺢُ
ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ
[82] গতকল্য যারা তার মত হওয়ার বাসনা প্রকাশ
করেছিল, তারা প্রত্যুষে বলতে লাগল, হায়,
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা
রিযিক বর্ধিত করেন ও হ্রাস করেন। আল্লাহ
আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করলে
আমাদেরকেও ভূগর্ভে বিলীন করে
দিতেন। হায়, কাফেররা সফলকাম হবে না।
[82] And those who had desired (for a
position like) his position the day before,
began to say: “Know you not that it is
Allâh Who enlarges the provision or
restricts it to whomsoever He pleases of
His slaves. Had it not been that Allâh
was Gracious to us, He could have caused
the earth to swallow us up (also)! Know
you not that the disbelievers will never
be successful.
[83] ﺗِﻠﻚَ ﺍﻟﺪّﺍﺭُ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓُ
ﻧَﺠﻌَﻠُﻬﺎ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ
ﻋُﻠُﻮًّﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻻ ﻓَﺴﺎﺩًﺍ ۚ
ﻭَﺍﻟﻌٰﻘِﺒَﺔُ ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[83] এই পরকাল আমি তাদের জন্যে নির্ধারিত
করি, যারা দুনিয়ার বুকে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করতে
ও অনর্থ সৃষ্টি করতে চায় না।
খোদাভীরুদের জন্যে শুভ পরিণাম।
[83] That home of the Hereafter (i.e.
Paradise), We shall assign to those who
rebel not against the truth with pride
and oppression in the land nor do
mischief by committing crimes. And the
good end is for the Muttaqûn (pious
righteous persons – see V.2:2).
[84] ﻣَﻦ ﺟﺎﺀَ ﺑِﺎﻟﺤَﺴَﻨَﺔِ ﻓَﻠَﻪُ
ﺧَﻴﺮٌ ﻣِﻨﻬﺎ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﺟﺎﺀَ
ﺑِﺎﻟﺴَّﻴِّﺌَﺔِ ﻓَﻼ ﻳُﺠﺰَﻯ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[84] যে সৎকর্ম নিয়ে আসবে, সে
তদপেক্ষা উত্তম ফল পাবে এবং যে মন্দ
কর্ম নিয়ে আসবে, এরূপ মন্দ কর্মীরা সে
মন্দ কর্ম পরিমানেই প্রতিফল পাবে।
[84] Whosoever brings good (Islâmic
Monotheism along with righteous deeds),
he shall have the better thereof, and
whosoever brings evil (polytheism along
with evil deeds) then, those who do evil
deeds will only be requited for what they
used to do.
[85] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻓَﺮَﺽَ ﻋَﻠَﻴﻚَ
ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥَ ﻟَﺮﺍﺩُّﻙَ ﺇِﻟﻰٰ ﻣَﻌﺎﺩٍ ۚ
ﻗُﻞ ﺭَﺑّﻰ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﻣَﻦ ﺟﺎﺀَ
ﺑِﺎﻟﻬُﺪﻯٰ ﻭَﻣَﻦ ﻫُﻮَ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ
ﻣُﺒﻴﻦٍ
[85] যিনি আপনার প্রতি কোরআনের বিধান
পাঠিয়েছেন, তিনি অবশ্যই আপনাকে
স্বদেশে ফিরিয়ে আনবেন। বলুন আমার
পালনকর্তা ভাল জানেন কে হেদায়েত নিয়ে
এসেছে এবং কে প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে
আছে।
[85] Verily, He Who has given you (O
Muhammad SAW) the Qur’an (i.e.
ordered you to act on its laws and to
preach it to others) will surely bring you
back to the Ma’âd (place of return, either
to Makkah or to Paradise after your
death, etc.). Say (O Muhammad SAW):
“My Lord is Aware of him who brings
guidance, and of him who is in manifest
error.”
[86] ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺖَ ﺗَﺮﺟﻮﺍ ﺃَﻥ
ﻳُﻠﻘﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐُ ﺇِﻟّﺎ ﺭَﺣﻤَﺔً
ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ۖ ﻓَﻼ ﺗَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻇَﻬﻴﺮًﺍ
ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[86] আপনি আশা করতেন না যে, আপনার প্রতি
কিতাব অবর্তীর্ণ হবে। এটা কেবল আপনার
পালনকর্তার রহমত। অতএব আপনি
কাফেরদের সাহায্যকারী হবেন না।
[86] And you were not expecting that the
Book (this Qur’ân) would be sent down
to you, but it is a mercy from your Lord.
So never be a supporter of the
disbelievers.
[87] ﻭَﻻ ﻳَﺼُﺪُّﻧَّﻚَ ﻋَﻦ ﺀﺍﻳٰﺖِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑَﻌﺪَ ﺇِﺫ ﺃُﻧﺰِﻟَﺖ ﺇِﻟَﻴﻚَ ۖ
ﻭَﺍﺩﻉُ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻚَ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﻜﻮﻧَﻦَّ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[87] কাফেররা যেন আপনাকে আল্লাহর
আয়াত থেকে বিমুখ না করে সেগুলো
আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হওয়ার পর আপনি
আপনার পালনকর্তার প্রতি দাওয়াত দিন এবং
কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
[87] And let them not turn you (O
Muhammad SAW) away from
(preaching) the Ayât (revelations and
verses) of Allâh after they have been
sent down to you: and invite (men) to
(believe in) your Lord, and be not of Al-
Mushrikûn (those who associate partners
with Allâh, e.g. polytheists, pagans,
idolaters, and those who disbelieve in
the Oneness of Allâh and deny the
Prophethood of Messenger Muhammad
SAW).
[88] ﻭَﻻ ﺗَﺪﻉُ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ
ﺀﺍﺧَﺮَ ۘ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۚ ﻛُﻞُّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻫﺎﻟِﻚٌ ﺇِﻟّﺎ ﻭَﺟﻬَﻪُ ۚ ﻟَﻪُ
ﺍﻟﺤُﻜﻢُ ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[88] আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে
আহবান করবেন না। তিনি ব্যতীত অন্য কোন
উপাস্য নেই। আল্লাহর সত্তা ব্যতীত সবকিছু
ধবংস হবে। বিধান তাঁরই এবং তোমরা তাঁরই কাছে
প্রত্যাবর্তিত হবে।
[88] And invoke not any other ilâh (god)
along with Allâh, Lâ ilâha illa Huwa
(none has the right to be worshipped but
He). Everything will perish save His Face.
His is the Decision, and to Him you (all)
shall be returned.
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel

Advertisements