32. সুরাহ আল সাজদাহ(01-30)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺍﻟﻢ
[1] আলিফ-লাম-মীম।
[1] Alif¬Lâm¬Mîm. [These letters are one
of the miracles of the Qur’ân, and none
but Allâh (Alone) knows their meanings.]
[2] ﺗَﻨﺰﻳﻞُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻻ ﺭَﻳﺐَ ﻓﻴﻪِ
ﻣِﻦ ﺭَﺏِّ ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[2] এ কিতাবের অবতরণ বিশ্বপালনকর্তার নিকট
থেকে এতে কোন সন্দেহ নেই।
[2] The revelation of the Book (this
Qur’ân) in which there is not doubt, is
from the Lord of the ‘Alamîn (mankind,
jinn and all that exists)!
[3] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰﻪُ ۚ ﺑَﻞ
ﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ﻟِﺘُﻨﺬِﺭَ
ﻗَﻮﻣًﺎ ﻣﺎ ﺃَﺗﻯٰﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻧَﺬﻳﺮٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[3] তারা কি বলে, এটা সে মিথ্যা রচনা
করেছে? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ
থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক
সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে
আপনার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি।
সম্ভবতঃ এরা সুপথ প্রাপ্ত হবে।
[3] Or say they: “He (Muhammad SAW)
has fabricated it?” Nay, it is the truth
from your Lord, so that you may warn a
people to whom no warner has come
before you (O Muhammad SAW), in
order that they may be guided.
[4] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻭَﻣﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﻓﻰ
ﺳِﺘَّﺔِ ﺃَﻳّﺎﻡٍ ﺛُﻢَّ ﺍﺳﺘَﻮﻯٰ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻌَﺮﺵِ ۖ ﻣﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﻣِﻦ ﻭَﻟِﻰٍّ ﻭَﻻ ﺷَﻔﻴﻊٍ ۚ ﺃَﻓَﻼ
ﺗَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[4] আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও
এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে
সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে
বিরাজমান হয়েছেন। তিনি ব্যতীত তোমাদের
কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই।
এরপরও কি তোমরা বুঝবে না?
[4] Allâh it is He Who has created the
heavens and the earth, and all that is
between them in six Days. Then He rose
over (Istawâ) the Throne (in a manner
that suits His Majesty). You (mankind)
have none, besides Him, as a Walî
(protector or helper) or an intercessor.
Will you not then remember (or receive
admonition)?
[5] ﻳُﺪَﺑِّﺮُ ﺍﻷَﻣﺮَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺛُﻢَّ ﻳَﻌﺮُﺝُ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﻓﻰ ﻳَﻮﻡٍ ﻛﺎﻥَ ﻣِﻘﺪﺍﺭُﻩُ ﺃَﻟﻒَ
ﺳَﻨَﺔٍ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﻌُﺪّﻭﻥَ
[5] তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত
সমস্ত কর্ম পরিচালনা করেন, অতঃপর তা তাঁর
কাছে পৌছবে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ
তোমাদের গণনায় হাজার বছরের সমান।
[5] He manages and requlates (every)
affair from the heavens to the earth,
then it (affair) will go up to Him, in one
Day, the space whereof is a thousand
years of your reckoning (i.e. reckoning of
our present world’s time).
[6] ﺫٰﻟِﻚَ ﻋٰﻠِﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ ﻭَﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓِ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[6] তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী,
পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু,
[6] That is He, the All¬Knower of the
unseen and the seen, the All¬Mighty, the
Most Merciful.
[7] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﻛُﻞَّ ﺷَﻲﺀٍ
ﺧَﻠَﻘَﻪُ ۖ ﻭَﺑَﺪَﺃَ ﺧَﻠﻖَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦِ ﻣِﻦ
ﻃﻴﻦٍ
[7] যিনি তাঁর প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সুন্দর
করেছেন এবং কাদামাটি থেকে মানব সৃষ্টির
সূচনা করেছেন।
[7] Who made everything He has created
good, and He began the creation of man
from clay.
[8] ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻞَ ﻧَﺴﻠَﻪُ ﻣِﻦ ﺳُﻠٰﻠَﺔٍ
ﻣِﻦ ﻣﺎﺀٍ ﻣَﻬﻴﻦٍ
[8] অতঃপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি করেন তুচ্ছ
পানির নির্যাস থেকে।
[8] Then He made his offspring from
semen of dispised water (male and
female sexual discharge).
[9] ﺛُﻢَّ ﺳَﻮّﻯٰﻪُ ﻭَﻧَﻔَﺦَ ﻓﻴﻪِ ﻣِﻦ
ﺭﻭﺣِﻪِ ۖ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ
ﻭَﺍﻷَﺑﺼٰﺮَ ﻭَﺍﻷَﻓـِٔﺪَﺓَ ۚ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣﺎ
ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[9] অতঃপর তিনি তাকে সুষম করেন, তাতে রূহ
সঞ্চার করেন এবং তোমাদেরকে দেন
কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ। তোমরা সামান্যই
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
[9] Then He fashioned him in due
proportion, and breathed into him the
soul (created by Allâh for that person),
and He gave you hearing (ears), sight
(eyes) and hearts. Little is the thanks you
give!
[10] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﺀِﺫﺍ ﺿَﻠَﻠﻨﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﺀِﻧّﺎ ﻟَﻔﻰ ﺧَﻠﻖٍ ﺟَﺪﻳﺪٍ ۚ
ﺑَﻞ ﻫُﻢ ﺑِﻠِﻘﺎﺀِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[10] তারা বলে, আমরা মৃত্তিকায় মিশ্রিত হয়ে
গেলেও পুনরায় নতুন করে সৃজিত হব কি? বরং
তারা তাদের পালনকর্তার সাক্ষাতকে
অস্বীকার করে।
[10] And they say: “When we are (dead
and become) lost in the earth, shall we
indeed be created anew?” Nay, but they
deny the Meeting with their Lord!
[11] ۞ ﻗُﻞ ﻳَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻜُﻢ ﻣَﻠَﻚُ
ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻭُﻛِّﻞَ ﺑِﻜُﻢ ﺛُﻢَّ
ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[11] বলুন, তোমাদের প্রাণ হরণের দায়িত্বে
নিয়োজিত ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ
করবে। অতঃপর তোমরা তোমাদের
পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
[11] Say: “The angel of death, who is set
over you, will take your souls, Then you
shall be brought to your Lord.”
[12] ﻭَﻟَﻮ ﺗَﺮﻯٰ ﺇِﺫِ ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻮﻥَ
ﻧﺎﻛِﺴﻮﺍ ﺭُﺀﻭﺳِﻬِﻢ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻬِﻢ
ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺃَﺑﺼَﺮﻧﺎ ﻭَﺳَﻤِﻌﻨﺎ
ﻓَﺎﺭﺟِﻌﻨﺎ ﻧَﻌﻤَﻞ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﺇِﻧّﺎ
ﻣﻮﻗِﻨﻮﻥَ
[12] যদি আপনি দেখতেন যখন অপরাধীরা
তাদের পালনকর্তার সামনে নতশির হয়ে
বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা
দেখলাম ও শ্রবণ করলাম। এখন আমাদেরকে
পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকর্ম করব। আমরা
দৃঢ়বিশ্বাসী হয়ে গেছি।
[12] And if you only could see when the
Mujrimûn (criminals, disbelievers,
polytheists, sinners, etc.) shall hang their
heads before their Lord (saying): “Our
Lord! We have now seen and heard, so
send us back (to the world), that we will
do righteous good deeds. Verily! We now
believe with certainty.”
[13] ﻭَﻟَﻮ ﺷِﺌﻨﺎ ﻝَﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﻛُﻞَّ
ﻧَﻔﺲٍ ﻫُﺪﻯٰﻬﺎ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﺣَﻖَّ
ﺍﻟﻘَﻮﻝُ ﻣِﻨّﻰ ﻟَﺄَﻣﻠَﺄَﻥَّ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺠِﻨَّﺔِ ﻭَﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﺃَﺟﻤَﻌﻴﻦَ
[13] আমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেককে সঠিক
দিক নির্দেশ দিতাম; কিন্তু আমার এ উক্তি
অবধারিত সত্য যে, আমি জিন ও মানব সকলকে
দিয়ে অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করব।
[13] And if We had willed, surely! We
would have given every person his
guidance, but the Word from Me took
effect (about evil¬doers), that I will fill
Hell with jinn and mankind together
[14] ﻓَﺬﻭﻗﻮﺍ ﺑِﻤﺎ ﻧَﺴﻴﺘُﻢ ﻟِﻘﺎﺀَ
ﻳَﻮﻣِﻜُﻢ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻧّﺎ ﻧَﺴﻴﻨٰﻜُﻢ ۖ
ﻭَﺫﻭﻗﻮﺍ ﻋَﺬﺍﺏَ ﺍﻟﺨُﻠﺪِ ﺑِﻤﺎ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[14] অতএব এ দিবসকে ভূলে যাওয়ার কারণে
তোমরা মজা আস্বাদন কর। আমিও
তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা
তোমাদের কৃতকর্মের কারণে স্থায়ী
আযাব ভোগ কর।
[14] Then taste you (the torment of the
Fire) because of your forgetting the
Meeting of this Day of yours, surely! We
too will forget you, so taste you the
abiding torment for what you used to do
[15] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳُﺆﻣِﻦُ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺇِﺫﺍ ﺫُﻛِّﺮﻭﺍ ﺑِﻬﺎ ﺧَﺮّﻭﺍ ﺳُﺠَّﺪًﺍ
ﻭَﺳَﺒَّﺤﻮﺍ ﺑِﺤَﻤﺪِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ ۩
[15] কেবল তারাই আমার আয়াতসমূহের প্রতি
ঈমান আনে, যারা আয়াতসমূহ দ্বারা
উপদেশপ্রাপ্ত হয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে
এবং অহংকারমুক্ত হয়ে তাদের পালনকর্তার
সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে।
[15] Only those believe in Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.), who, when they are
reminded of them fall down prostrate,
and glorify the Praises of their Lord, and
they are not proud.
[16] ﺗَﺘَﺠﺎﻓﻰٰ ﺟُﻨﻮﺑُﻬُﻢ ﻋَﻦِ
ﺍﻟﻤَﻀﺎﺟِﻊِ ﻳَﺪﻋﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ
ﺧَﻮﻓًﺎ ﻭَﻃَﻤَﻌًﺎ ﻭَﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ
ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ
[16] তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা
থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে
ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক
দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
[16] Their sides forsake their beds, to
invoke their Lord in fear and hope, and
they spend (in charity in Allâh’s Cause)
out of what We have bestowed on them
[17] ﻓَﻼ ﺗَﻌﻠَﻢُ ﻧَﻔﺲٌ ﻣﺎ ﺃُﺧﻔِﻰَ
ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻗُﺮَّﺓِ ﺃَﻋﻴُﻦٍ ﺟَﺰﺍﺀً ﺑِﻤﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[17] কেউ জানে না তার জন্যে কৃতকর্মের
কি কি নয়ন-প্রীতিকর প্রতিদান লুক্কায়িত
আছে।
[17] No person knows what is kept
hidden for them of joy as a reward for
what they used to do
[18] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻣُﺆﻣِﻨًﺎ ﻛَﻤَﻦ
ﻛﺎﻥَ ﻓﺎﺳِﻘًﺎ ۚ ﻻ ﻳَﺴﺘَﻮۥﻥَ
[18] ঈমানদার ব্যক্তি কি অবাধ্যের অনুরূপ? তারা
সমান নয়।
[18] Is then he who is a believer like him
who is Fâsiq (disbeliever and
disobedient to Allâh)? Not equal are they
[19] ﺃَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻓَﻠَﻬُﻢ ﺟَﻨّٰﺖُ
ﺍﻟﻤَﺄﻭﻯٰ ﻧُﺰُﻟًﺎ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[19] যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে,
তাদের জন্যে রয়েছে তাদের
কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের
জান্নাত।
[19] As for those who believe (in the
Oneness of Allâh Islâmic Monotheism)
and do righteous good deeds, for them
are Gardens (Paradise) as an
entertainment, for what they used to do
[20] ﻭَﺃَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓَﺴَﻘﻮﺍ
ﻓَﻤَﺄﻭﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ ۖ ﻛُﻠَّﻤﺎ ﺃَﺭﺍﺩﻭﺍ
ﺃَﻥ ﻳَﺨﺮُﺟﻮﺍ ﻣِﻨﻬﺎ ﺃُﻋﻴﺪﻭﺍ
ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ ﺫﻭﻗﻮﺍ
ﻋَﺬﺍﺏَ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺑِﻪِ
ﺗُﻜَﺬِّﺑﻮﻥَ
[20] পক্ষান্তরে যারা অবাধ্য হয়, তাদের ঠিকানা
জাহান্নাম। যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বের
হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তথায়
ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা
হবে, তোমরা জাহান্নামের যে আযাবকে
মিথ্যা বলতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর।
[20] And as for those who are Fâsiqûn
(disbelievers and disobedient to Allâh),
their abode will be the Fire, everytime
they wish to get away therefrom, they
will be put back thereto, and it will be
said to them: “Taste you the torment of
the Fire which you used to deny.”
[21] ﻭَﻟَﻨُﺬﻳﻘَﻨَّﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ
ﺍﻷَﺩﻧﻰٰ ﺩﻭﻥَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﺍﻷَﻛﺒَﺮِ
ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺮﺟِﻌﻮﻥَ
[21] গুরু শাস্তির পূর্বে আমি অবশ্যই
তাদেরকে লঘু শাস্তি আস্বাদন করাব, যাতে
তারা প্রত্যাবর্তন করে।
[21] And verily, We will make them taste
of the near torment (i.e. the torment in
the life of this world, i.e. disasters,
calamities, etc.) prior to the supreme
torment (in the Hereafter), in order that
they may (repent and) return (i.e. accept
Islâm).
[22] ﻭَﻣَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦ ﺫُﻛِّﺮَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺭَﺑِّﻪِ ﺛُﻢَّ ﺃَﻋﺮَﺽَ ﻋَﻨﻬﺎ ۚ
ﺇِﻧّﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ ﻣُﻨﺘَﻘِﻤﻮﻥَ
[22] যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার
আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর
সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার
চেয়ে যালেম আর কে? আমি
অপরাধীদেরকে শাস্তি দেব।
[22] And who does more wrong than he
who is reminded of the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) of his Lord, then turns
aside therefrom? Verily, We shall exact
retribution from the Mujrimûn
(criminals, disbelievers, polytheists,
sinners, etc.)
[23] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﻣﻮﺳَﻰ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻓَﻼ ﺗَﻜُﻦ ﻓﻰ ﻣِﺮﻳَﺔٍ
ﻣِﻦ ﻟِﻘﺎﺋِﻪِ ۖ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻪُ ﻫُﺪًﻯ
ﻟِﺒَﻨﻰ ﺇِﺳﺮٰﺀﻳﻞَ
[23] আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি, অতএব আপনি
কোরআন প্রাপ্তির বিষয়ে কোন সন্দেহ
করবেন না। আমি একে বনী ইসরাঈলের
জন্যে পথ প্রদর্শক করেছিলাম।
[23] And indeed We gave Mûsa (Moses)
the Scripture [the Taurât (Torah)]. So be
not you in doubt of meeting him
[i.e.when you met Mûsa (Moses) during
the night of Al¬Isra’ and Al¬Mi’râj over
the heavens]. And We made it [the
Taurât (Torah)] a guide to the Children
of Israel
[24] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺃَﺋِﻤَّﺔً
ﻳَﻬﺪﻭﻥَ ﺑِﺄَﻣﺮِﻧﺎ ﻟَﻤّﺎ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ۖ
ﻭَﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ ﻳﻮﻗِﻨﻮﻥَ
[24] তারা সবর করত বিধায় আমি তাদের মধ্য
থেকে নেতা মনোনীত করেছিলাম, যারা
আমার আদেশে পথ প্রদর্শন করত। তারা
আমার আয়াতসমূহে দৃঢ় বিশ্বাসী ছিল।
[24] And We made from among them
(Children of Israel), leaders, giving
guidance under Our Command, when
they were patient and used to believe
with certainty in Our Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.)
[25] ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻫُﻮَ ﻳَﻔﺼِﻞُ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ
ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻓﻴﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻓﻴﻪِ
ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ
[25] তারা যে বিষয়ে মত বিরোধ করছে,
আপনার পালনকর্তাই কেয়ামতের দিন সে
বিষয়ে তাদের মধ্যে ফয়সালা দেবেন।
[25] Verily, your Lord will judge between
them on the Day of Resurrection,
concerning that wherein they used to
differ
[26] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﻬﺪِ ﻟَﻬُﻢ ﻛَﻢ ﺃَﻫﻠَﻜﻨﺎ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻘُﺮﻭﻥِ
ﻳَﻤﺸﻮﻥَ ﻓﻰ ﻣَﺴٰﻜِﻨِﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ
ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ۖ ﺃَﻓَﻼ
ﻳَﺴﻤَﻌﻮﻥَ
[26] এতে কি তাদের চোখ খোলেনি যে,
আমি তাদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে
ধ্বংস করেছি, যাদের বাড়ী-ঘরে এরা বিচরণ
করে। অবশ্যই এতে নিদর্শনাবলী
রয়েছে। তারা কি শোনে না?
[26] Is it not a guidance for them, how
many generations We have destroyed
before them in whose dwellings they do
walk about? Verily, therein indeed are
signs. Would they not then listen?
[27] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺃَﻧّﺎ ﻧَﺴﻮﻕُ
ﺍﻟﻤﺎﺀَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺍﻟﺠُﺮُﺯِ
ﻓَﻨُﺨﺮِﺝُ ﺑِﻪِ ﺯَﺭﻋًﺎ ﺗَﺄﻛُﻞُ ﻣِﻨﻪُ
ﺃَﻧﻌٰﻤُﻬُﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴُﻬُﻢ ۖ ﺃَﻓَﻼ
ﻳُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[27] তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি উষর
ভূমিতে পানি প্রবাহিত করে শস্য উদগত করি, যা
থেকে ভক্ষণ করে তাদের জন্তুরা এবং তারা
কি দেখে না?
[27] Have they not seen how We drive
water to the dry land that has no any
vegetation, and therewith bring forth
crops providing food for their cattle and
themselves? Will they not then see?
[28] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﺘﻰٰ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻔَﺘﺢُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[28] তারা বলে তোমরা সত্যবাদী হলে বল;
কবে হবে এই ফয়সালা?
[28] They say: “When will this Fath
(Decision) be (between us and you, i.e.
the Day of Resurrection), if you are
telling the truth?”
[29] ﻗُﻞ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻔَﺘﺢِ ﻻ ﻳَﻨﻔَﻊُ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺇﻳﻤٰﻨُﻬُﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ
ﻳُﻨﻈَﺮﻭﻥَ
[29] বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান
তাদের কোন কাজে আসবে না এবং
তাদেরকে অবকাশ ও দেয়া হবে না।
[29] Say: “On the Day of Al¬Fath
(Decision), no profit will it be to those
who disbelieve if they (then) believe! Nor
will they be granted a respite.”
[30] ﻓَﺄَﻋﺮِﺽ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻭَﺍﻧﺘَﻈِﺮ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻣُﻨﺘَﻈِﺮﻭﻥَ
[30] অতএব আপনি তাদের থেকে মুখ
ফিরিয়ে নিন এবং অপেক্ষা করুন, তারাও
অপেক্ষা করছে।
[30] So turn aside from them (O
Muhammad SAW) and await, verily they
(too) are awaiting
Bangla translation of Quran. Developed
Surah Al Sajdah Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. আলিফ-লাম-মীম। 2. এ কিতাবের অবতরণ বিশ্বপালনকর্তার নিকট থেকে এতে কোন সন্দেহ নেই। 3. তারা কি বলে, এটা সে মিথ্যা রচনা করেছে? বরং এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন, যাদের কাছে আপনার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। সম্ভবতঃ এরা সুপথ প্রাপ্ত হবে। 4. আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে বিরাজমান হয়েছেন। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই। এরপরও কি তোমরা বুঝবে না? 5. তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সমস্ত কর্ম পরিচালনা করেন, অতঃপর তা তাঁর কাছে পৌছবে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় হাজার বছরের সমান। 6. তিনিই দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু, 7. যিনি তাঁর প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সুন্দর করেছেন এবং কাদামাটি থেকে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন। 8. অতঃপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি করেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে। 9. অতঃপর তিনি তাকে সুষম করেন, তাতে রূহ সঞ্চার করেন এবং তোমাদেরকে দেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ। তোমরা সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। 10. তারা বলে, আমরা মৃত্তিকায় মিশ্রিত হয়ে গেলেও পুনরায় নতুন করে সৃজিত হব কি? বরং তারা তাদের পালনকর্তার সাক্ষাতকে অস্বীকার করে। 11. বলুন, তোমাদের প্রাণ হরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। 12. যদি আপনি দেখতেন যখন অপরাধীরা তাদের পালনকর্তার সামনে নতশির হয়ে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা দেখলাম ও শ্রবণ করলাম। এখন আমাদেরকে পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকর্ম করব। আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়ে গেছি। 13. আমি ইচ্ছা করলে প্রত্যেককে সঠিক দিক নির্দেশ দিতাম; কিন্তু আমার এ উক্তি অবধারিত সত্য যে, আমি জিন ও মানব সকলকে দিয়ে অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করব। 14. অতএব এ দিবসকে ভূলে যাওয়ার কারণে তোমরা মজা আস্বাদন কর। আমিও তোমাদেরকে ভুলে গেলাম। তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের কারণে স্থায়ী আযাব ভোগ কর। 15. কেবল তারাই আমার আয়াতসমূহের প্রতি ঈমান আনে, যারা আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশপ্রাপ্ত হয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং অহংকারমুক্ত হয়ে তাদের পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা বর্ণনা করে। 16. তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে। 17. কেউ জানে না তার জন্যে কৃতকর্মের কি কি নয়ন- প্রীতিকর প্রতিদান লুক্কায়িত আছে। 18. ঈমানদার ব্যক্তি কি অবাধ্যের অনুরূপ? তারা সমান নয়। 19. যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে তাদের কৃতকর্মের আপ্যায়নস্বরূপ বসবাসের জান্নাত। 20. পক্ষান্তরে যারা অবাধ্য হয়, তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তথায় ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের যে আযাবকে মিথ্যা বলতে, তার স্বাদ আস্বাদন কর। 21. গুরু শাস্তির পূর্বে আমি অবশ্যই তাদেরকে লঘু শাস্তি আস্বাদন করাব, যাতে তারা প্রত্যাবর্তন করে। 22. যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার চেয়ে যালেম আর কে? আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দেব। 23. আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি, অতএব আপনি কোরআন প্রাপ্তির বিষয়ে কোন সন্দেহ করবেন না। আমি একে বনী ইসরাঈলের জন্যে পথ প্রদর্শক করেছিলাম। 24. তারা সবর করত বিধায় আমি তাদের মধ্য থেকে নেতা মনোনীত করেছিলাম, যারা আমার আদেশে পথ প্রদর্শন করত। তারা আমার আয়াতসমূহে দৃঢ় বিশ্বাসী ছিল। 25. তারা যে বিষয়ে মত বিরোধ করছে, আপনার পালনকর্তাই কেয়ামতের দিন সে বিষয়ে তাদের মধ্যে ফয়সালা দেবেন। 26. এতে কি তাদের চোখ খোলেনি যে, আমি তাদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি, যাদের বাড়ী-ঘরে এরা বিচরণ করে। অবশ্যই এতে নিদর্শনাবলী রয়েছে। তারা কি শোনে না? 27. তারা কি লক্ষ্য করে না যে, আমি উষর ভূমিতে পানি প্রবাহিত করে শস্য উদগত করি, যা থেকে ভক্ষণ করে তাদের জন্তুরা এবং তারা কি দেখে না? 28. তারা বলে তোমরা সত্যবাদী হলে বল; কবে হবে এই ফয়সালা? 29. বলুন, ফয়সালার দিনে কাফেরদের ঈমান তাদের কোন কাজে আসবে না এবং তাদেরকে অবকাশ ও দেয়া হবে না। 30. অতএব আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং অপেক্ষা করুন, তারাও অপেক্ষা করছে। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s