33. সুরাহ আল আহযাব (01-73)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺍﺗَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻻ
ﺗُﻄِﻊِ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ ۗ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ ﺣَﻜﻴﻤًﺎ
[1] হে নবী! আল্লাহকে ভয় করুন এবং
কাফের ও কপট বিশ্বাসীদের কথা মানবেন
না। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[1] O Prophet (Muhammad SAW)! Keep
your duty to Allâh, and obey not the
disbelievers and the hypocrites (i.e., do
not follow their advice). Verily, Allâh is
Ever All¬Knower, All¬Wise.
[2] ﻭَﺍﺗَّﺒِﻊ ﻣﺎ ﻳﻮﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻚَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺧَﺒﻴﺮًﺍ
[2] আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা
অবতীর্ণ হয়, আপনি তার অনুসরণ করুন। নিশ্চয়
তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর
রাখেন।
[2] And follow that which is revealed to
you from your Lord. Verily, Allâh is
Well¬Acquainted with what you do.
[3] ﻭَﺗَﻮَﻛَّﻞ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻛَﻔﻰٰ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻛﻴﻠًﺎ
[3] আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন।
কার্যনির্বাহীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট।
[3] And put your trust in Allâh, and
Sufficient is Allâh as a Wakîl (Trustee, or
Disposer of affairs).
[4] ﻣﺎ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﺮَﺟُﻞٍ ﻣِﻦ
ﻗَﻠﺒَﻴﻦِ ﻓﻰ ﺟَﻮﻓِﻪِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻞَ
ﺃَﺯﻭٰﺟَﻜُﻢُ ﺍﻟّٰـٔﻰ ﺗُﻈٰﻬِﺮﻭﻥَ ﻣِﻨﻬُﻦَّ
ﺃُﻣَّﻬٰﺘِﻜُﻢ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻞَ
ﺃَﺩﻋِﻴﺎﺀَﻛُﻢ ﺃَﺑﻨﺎﺀَﻛُﻢ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢ
ﻗَﻮﻟُﻜُﻢ ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻜُﻢ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻭَﻫُﻮَ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞَ
[4] আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয়
স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ
যাদের সাথে তোমরা যিহার কর, তাদেরকে
তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের
পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র
করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা
মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ
প্রদর্শন করেন।
[4] Allâh has not made for any man two
hearts inside his body. Neither has He
made your wives whom you declare to be
like your mothers’ backs, your real
mothers. [Az¬Zihâr is the saying of a
husband to his wife, “You are to me like
the back of my mother” i.e. You are
unlawful for me to approach.], nor has
He made your adopted sons your real
sons. That is but your saying with your
mouths. But Allâh says the truth, and He
guides to the (Right) Way.
[5] ﺍﺩﻋﻮﻫُﻢ ﻝِﺀﺍﺑﺎﺋِﻬِﻢ ﻫُﻮَ
ﺃَﻗﺴَﻂُ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﺀﺍﺑﺎﺀَﻫُﻢ ﻓَﺈِﺧﻮٰﻧُﻜُﻢ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ﻭَﻣَﻮٰﻟﻴﻜُﻢ ۚ ﻭَﻟَﻴﺲَ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺟُﻨﺎﺡٌ ﻓﻴﻤﺎ ﺃَﺧﻄَﺄﺗُﻢ
ﺑِﻪِ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻣﺎ ﺗَﻌَﻤَّﺪَﺕ ﻗُﻠﻮﺑُﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[5] তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে
ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত। যদি
তোমরা তাদের পিতৃ-পরিচয় না জান, তবে তারা
তোমাদের ধর্মীয় ভাই ও বন্ধুরূপে গণ্য
হবে। এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি
হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই,
তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[5] Call them (adopted sons) by (the
names of) their fathers, that is more just
with Allâh. But if you know not their
father’s (names, call them) your brothers
in faith and Mawâlîkum (your freed
slaves). And there is no sin on you
concerning that in which you made a
mistake, except in regard to what your
hearts deliberately intend. And Allâh is
Ever Oft-Forgiving, Most Merciful.
[6] ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺃَﻭﻟﻰٰ ﺑِﺎﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻣِﻦ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۖ ﻭَﺃَﺯﻭٰﺟُﻪُ
ﺃُﻣَّﻬٰﺘُﻬُﻢ ۗ ﻭَﺃُﻭﻟُﻮﺍ ﺍﻷَﺭﺣﺎﻡِ
ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﺃَﻭﻟﻰٰ ﺑِﺒَﻌﺾٍ ﻓﻰ
ﻛِﺘٰﺐِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻬٰﺠِﺮﻳﻦَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﺗَﻔﻌَﻠﻮﺍ
ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺋِﻜُﻢ ﻣَﻌﺮﻭﻓًﺎ ۚ ﻛﺎﻥَ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻣَﺴﻄﻮﺭًﺍ
[6] নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের
অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ
তাদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও
মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা
পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি
তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য
করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-
মাহফুযে লিখিত আছে।
[6] The Prophet is closer to the believers
than their ownselves, and his wives are
their (believers’) mothers (as regards
respect and marriage). And blood
relations among each other have closer
personal ties in the Decree of Allâh
(regarding inheritance) than (the
brotherhood of) the believers and the
Muhajirûn (emigrants from Makkah),
except that you do kindness to those
brothers (when the Prophet SAW joined
them in brotherhood ties). This has been
written in the (Allâh’s Book of Divine)
Decrees (Al¬Lauh Al¬Mahfûz).”
[7] ﻭَﺇِﺫ ﺃَﺧَﺬﻧﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲّۦﻥَ
ﻣﻴﺜٰﻘَﻬُﻢ ﻭَﻣِﻨﻚَ ﻭَﻣِﻦ ﻧﻮﺡٍ
ﻭَﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻭَﻣﻮﺳﻰٰ ﻭَﻋﻴﺴَﻰ
ﺍﺑﻦِ ﻣَﺮﻳَﻢَ ۖ ﻭَﺃَﺧَﺬﻧﺎ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻣﻴﺜٰﻘًﺎ ﻏَﻠﻴﻈًﺎ
[7] যখন আমি পয়গম্বরগণের কাছ থেকে,
আপনার কাছ থেকে এবং নূহ, ইব্রাহীম, মূসা ও
মরিয়ম তনয় ঈসার কাছ থেকে অঙ্গীকার
নিলাম এবং অঙ্গীকার নিলাম তাদের কাছ
থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার।
[7] And (remember) when We took from
the Prophets their covenant, and from
you (O Muhammad SAW), and from Nûh
(Noah), Ibrâhim (Abraham), Mûsa
(Moses), and ‘Īsā (Jesus), son of Maryam
(Mary). We took from them a strong
covenant.
[8] ﻟِﻴَﺴـَٔﻞَ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ ﻋَﻦ
ﺻِﺪﻗِﻬِﻢ ۚ ﻭَﺃَﻋَﺪَّ ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﺃَﻟﻴﻤًﺎ
[8] সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতা
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য। তিনি
কাফেরদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত
রেখেছেন।
[8] That He may ask the truthful (Allâh’s
Messengers and His Prophets) about
their truth (i.e. the conveyance of Allâh’s
Message that which they were charged
with). And He has prepared for the
disbelievers a painful torment (Hell-fire).
[9] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ
ﺍﺫﻛُﺮﻭﺍ ﻧِﻌﻤَﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺇِﺫ
ﺟﺎﺀَﺗﻜُﻢ ﺟُﻨﻮﺩٌ ﻓَﺄَﺭﺳَﻠﻨﺎ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺭﻳﺤًﺎ ﻭَﺟُﻨﻮﺩًﺍ ﻟَﻢ
ﺗَﺮَﻭﻫﺎ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺑَﺼﻴﺮًﺍ
[9] হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের প্রতি
আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যখন
শত্রুবাহিনী তোমাদের নিকটবর্তী
হয়েছিল, অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে
ঝঞ্চাবায়ু এবং এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ
করেছিলাম, যাদেরকে তোমরা দেখতে না।
তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন।
[9] O you who believe! Remember Allâh’s
Favour to you, when there came against
you hosts, and We sent against them a
wind and forces that you saw not [i.e.
troops of angels during the battle of
Al¬Ahzâb (the Confederates)]. And Allâh
is Ever All¬Seer of what you do.
[10] ﺇِﺫ ﺟﺎﺀﻭﻛُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻜُﻢ
ﻭَﻣِﻦ ﺃَﺳﻔَﻞَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﺇِﺫ ﺯﺍﻏَﺖِ
ﺍﻷَﺑﺼٰﺮُ ﻭَﺑَﻠَﻐَﺖِ ﺍﻟﻘُﻠﻮﺏُ
ﺍﻟﺤَﻨﺎﺟِﺮَ ﻭَﺗَﻈُﻨّﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻈُّﻨﻮﻧﺎ۠
[10] যখন তারা তোমাদের নিকটবর্তী
হয়েছিল উচ্চ ভূমি ও নিম্নভূমি থেকে এবং
যখন তোমাদের দৃষ্টিভ্রম হচ্ছিল, প্রাণ
কন্ঠাগত হয়েছিল এবং তোমরা আল্লাহ
সম্পর্কে নানা বিরূপ ধারণা পোষণ করতে শুরু
করছিলে।
[10] When they came upon you from
above you and from below you, and
when the eyes grew wild and the hearts
reached to the throats, and you were
harbouring doubts about Allâh.
[11] ﻫُﻨﺎﻟِﻚَ ﺍﺑﺘُﻠِﻰَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﻭَﺯُﻟﺰِﻟﻮﺍ ﺯِﻟﺰﺍﻟًﺎ ﺷَﺪﻳﺪًﺍ
[11] সে সময়ে মুমিনগণ পরীক্ষিত হয়েছিল
এবং ভীষণভাবে প্রকম্পিত হচ্ছিল।
[11] There, the believers were tried and
shaken with a mighty shaking.
[12] ﻭَﺇِﺫ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻮﻥَ
ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻣَﺮَﺽٌ
ﻣﺎ ﻭَﻋَﺪَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﺇِﻟّﺎ
ﻏُﺮﻭﺭًﺍ
[12] এবং যখন মুনাফিক ও যাদের অন্তরে
রোগ ছিল তারা বলছিল, আমাদেরকে প্রদত্ত
আল্লাহ ও রসূলের প্রতিশ্রুতি প্রতারণা বৈ নয়।
[12] And when the hypocrites and those
in whose hearts is a disease (of doubts)
said: “Allâh and His Messenger (SAW)
promised us nothing but delusion!”
[13] ﻭَﺇِﺫ ﻗﺎﻟَﺖ ﻃﺎﺋِﻔَﺔٌ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻳٰﺄَﻫﻞَ ﻳَﺜﺮِﺏَ ﻻ ﻣُﻘﺎﻡَ ﻟَﻜُﻢ
ﻓَﺎﺭﺟِﻌﻮﺍ ۚ ﻭَﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻥُ ﻓَﺮﻳﻖٌ
ﻣِﻨﻬُﻢُ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰَّ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺇِﻥَّ
ﺑُﻴﻮﺗَﻨﺎ ﻋَﻮﺭَﺓٌ ﻭَﻣﺎ ﻫِﻰَ ﺑِﻌَﻮﺭَﺓٍ ۖ
ﺇِﻥ ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻓِﺮﺍﺭًﺍ
[13] এবং যখন তাদের একদল বলেছিল, হে
ইয়াসরেববাসী, এটা টিকবার মত জায়গা নয়,
তোমরা ফিরে চল। তাদেরই একদল নবীর
কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে বলেছিল,
আমাদের বাড়ী-ঘর খালি, অথচ সেগুলো খালি
ছিল না, পলায়ন করাই ছিল তাদের ইচ্ছা।
[13] And when a party of them said: “O
people of Yathrib (Al¬Madinah)! There is
no stand (possible) for you (against the
enemy attack!) Therefore go back!” And
a band of them ask for permission of the
Prophet ( SAW) saying: “Truly, our
homes lie open (to the enemy).” And they
lay not open. They but wished to flee.
[14] ﻭَﻟَﻮ ﺩُﺧِﻠَﺖ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻣِﻦ
ﺃَﻗﻄﺎﺭِﻫﺎ ﺛُﻢَّ ﺳُﺌِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻔِﺘﻨَﺔَ
ﻝَﺀﺍﺗَﻮﻫﺎ ﻭَﻣﺎ ﺗَﻠَﺒَّﺜﻮﺍ ﺑِﻬﺎ ﺇِﻟّﺎ
ﻳَﺴﻴﺮًﺍ
[14] যদি শত্রুপক্ষ চতুর্দিক থেকে নগরে
প্রবেশ করে তাদের সাথে মিলিত হত,
অতঃপর বিদ্রোহ করতে প্ররোচিত করত,
তবে তারা অবশ্যই বিদ্রোহ করত এবং তারা
মোটেই বিলম্ব করত না।
[14] And if the enemy had entered from
all sides (of the city), and they had been
exhorted to Al¬Fitnah (i.e. to renegade
from Islâm to polytheism) they would
surely have committed it and would have
hesitated thereupon but little.
[15] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻋٰﻬَﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ﻻ ﻳُﻮَﻟّﻮﻥَ ﺍﻷَﺩﺑٰﺮَ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﻋَﻬﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﺴـٔﻮﻟًﺎ
[15] অথচ তারা পূর্বে আল্লাহর সাথে
অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন
করবে না। আল্লাহর অঙ্গীকার সম্পর্কে
জিজ্ঞাসা করা হবে।
[15] And indeed they had already made
a covenant with Allâh not to turn their
backs, and a covenant with Allâh must
be answered for.
[16] ﻗُﻞ ﻟَﻦ ﻳَﻨﻔَﻌَﻜُﻢُ ﺍﻟﻔِﺮﺍﺭُ ﺇِﻥ
ﻓَﺮَﺭﺗُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ﺃَﻭِ ﺍﻟﻘَﺘﻞِ
ﻭَﺇِﺫًﺍ ﻻ ﺗُﻤَﺘَّﻌﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
[16] বলুন! তোমরা যদি মৃত্যু অথবা হত্যা
থেকে পলায়ন কর, তবে এ পলায়ন
তোমাদের কাজে আসবে না। তখন
তোমাদেরকে সামান্যই ভোগ করতে দেয়া
হবে।
[16] Say (O Muhammad SAW to these
hypocrites who ask your permission to
run away from you): “Flight will not
avail you if you flee from death or
killing, and then you will enjoy no more
than a little while!”
[17] ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﺫَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳَﻌﺼِﻤُﻜُﻢ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺑِﻜُﻢ ﺳﻮﺀًﺍ
ﺃَﻭ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺑِﻜُﻢ ﺭَﺣﻤَﺔً ۚ ﻭَﻻ
ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻭَﻻ ﻧَﺼﻴﺮًﺍ
[17] বলুন! কে তোমাদেরকে আল্লাহ
থেকে রক্ষা করবে যদি তিনি তোমাদের
অমঙ্গল ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের প্রতি
অনুকম্পার ইচ্ছা? তারা আল্লাহ ব্যতীত
নিজেদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যদাতা পাবে
না।
[17] Say: “Who is he who can protect you
from Allâh if He intends to harm you, or
intends mercy on you?” And they will
not find, besides Allâh, for themselves
any Walî (protector, supporter) or any
helper.
[18] ۞ ﻗَﺪ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻟﻤُﻌَﻮِّﻗﻴﻦَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﺍﻟﻘﺎﺋِﻠﻴﻦَ
ﻟِﺈِﺧﻮٰﻧِﻬِﻢ ﻫَﻠُﻢَّ ﺇِﻟَﻴﻨﺎ ۖ ﻭَﻻ
ﻳَﺄﺗﻮﻥَ ﺍﻟﺒَﺄﺱَ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
[18] আল্লাহ খুব জানেন তোমাদের মধ্যে
কারা তোমাদেরকে বাধা দেয় এবং কারা তাদের
ভাইদেরকে বলে, আমাদের কাছে এস।
তারা কমই যুদ্ধ করে।
[18] Allâh already knows those among
you who keep back (men) from fighting
in Allâh’s Cause, and those who say to
their brethren “Come here towards us,”
while they (themselves) come not to the
battle except a little.
[19] ﺃَﺷِﺤَّﺔً ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۖ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ
ﺍﻟﺨَﻮﻑُ ﺭَﺃَﻳﺘَﻬُﻢ ﻳَﻨﻈُﺮﻭﻥَ
ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺗَﺪﻭﺭُ ﺃَﻋﻴُﻨُﻬُﻢ ﻛَﺎﻟَّﺬﻯ
ﻳُﻐﺸﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﻮﺕِ ۖ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﺫَﻫَﺐَ ﺍﻟﺨَﻮﻑُ ﺳَﻠَﻘﻮﻛُﻢ
ﺑِﺄَﻟﺴِﻨَﺔٍ ﺣِﺪﺍﺩٍ ﺃَﺷِﺤَّﺔً ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﺨَﻴﺮِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻢ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﺍ
ﻓَﺄَﺣﺒَﻂَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻤٰﻠَﻬُﻢ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺴﻴﺮًﺍ
[19] তারা তোমাদের প্রতি কুন্ঠাবোধ করে।
যখন বিপদ আসে, তখন আপনি দেখবেন
মৃত্যুভয়ে অচেতন ব্যক্তির মত চোখ
উল্টিয়ে তারা আপনার প্রতি তাকায়। অতঃপর যখন
বিপদ টলে যায় তখন তারা ধন-সম্পদ লাভের
আশায় তোমাদের সাথে বাকচাতুরীতে
অবতীর্ণ হয়। তারা মুমিন নয়। তাই আল্লাহ
তাদের কর্মসমূহ নিস্ফল করে দিয়েছেন।
এটা আল্লাহর জন্যে সহজ।
[19] Being miserly towards you (as
regards help and aid in Allâh’s Cause).
Then when fear comes, you will see them
looking to you, their eyes revolving like
(those of) one over whom hovers death,
but when the fear departs, they will
smite you with sharp tongues, miserly
towards (spending anything in any) good
(and only covetous of booty and wealth).
Such have not believed. Therefore Allâh
makes their deeds fruitless, and that is
ever easy for Allâh.
[20] ﻳَﺤﺴَﺒﻮﻥَ ﺍﻷَﺣﺰﺍﺏَ ﻟَﻢ
ﻳَﺬﻫَﺒﻮﺍ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﺄﺕِ ﺍﻷَﺣﺰﺍﺏُ
ﻳَﻮَﺩّﻭﺍ ﻟَﻮ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺑﺎﺩﻭﻥَ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﻳَﺴـَٔﻠﻮﻥَ ﻋَﻦ ﺃَﻧﺒﺎﺋِﻜُﻢ ۖ
ﻭَﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻓﻴﻜُﻢ ﻣﺎ ﻗٰﺘَﻠﻮﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
[20] তারা মনে করে শক্রবাহিনী চলে যায়নি।
যদি শক্রবাহিনী আবার এসে পড়ে, তবে তারা
কামনা করবে যে, যদি তারা গ্রামবাসীদের
মধ্য থেকে তোমাদের সংবাদাদি জেনে
নিত, তবেই ভাল হত। তারা তোমাদের মধ্যে
অবস্থান করলেও যুদ্ধ সামান্যই করত।
[20] They think that Al¬Ahzâb (the
Confederates) have not yet withdrawn,
and if Al¬Ahzâb (the Confederates)
should come (again), they would wish
they were in the deserts (wandering)
among the bedouins, seeking news about
you (from a far place); and if they
(happen) to be among you, they would
not fight but little.
[21] ﻟَﻘَﺪ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻰ ﺭَﺳﻮﻝِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃُﺳﻮَﺓٌ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ﻟِﻤَﻦ ﻛﺎﻥَ
ﻳَﺮﺟُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَ
ﻭَﺫَﻛَﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ
[21] যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে
এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের
জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা
রয়েছে।
[21] Indeed in the Messenger of Allâh
(Muhammad SAW) you have a good
example to follow for him who hopes for
(the Meeting with) Allâh and the Last
Day and remembers Allâh much.
[22] ﻭَﻟَﻤّﺎ ﺭَﺀَﺍ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺍﻷَﺣﺰﺍﺏَ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻫٰﺬﺍ ﻣﺎ
ﻭَﻋَﺪَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻭَﺻَﺪَﻕَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺯﺍﺩَﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ
ﺇﻳﻤٰﻨًﺎ ﻭَﺗَﺴﻠﻴﻤًﺎ
[22] যখন মুমিনরা শক্রবাহিনীকে দেখল,
তখন বলল, আল্লাহ ও তাঁর রসূল এরই ওয়াদা
আমাদেরকে দিয়েছিলেন এবং আল্লাহ ও তাঁর
রসূল সত্য বলেছেন। এতে তাদের ঈমান ও
আত্নসমর্পণই বৃদ্ধি পেল।
[22] And when the believers saw
Al¬Ahzâb (the Confederates), they said:
“This is what Allâh and His Messenger
(Muhammad SAW) had promised us, and
Allâh and His Messenger (Muhammad
SAW) had spoken the truth, And it only
added to their faith and to their
submissiveness (to Allâh).
[23] ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺭِﺟﺎﻝٌ
ﺻَﺪَﻗﻮﺍ ﻣﺎ ﻋٰﻬَﺪُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ۖ
ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻗَﻀﻰٰ ﻧَﺤﺒَﻪُ
ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻨﺘَﻈِﺮُ ۖ ﻭَﻣﺎ ﺑَﺪَّﻟﻮﺍ
ﺗَﺒﺪﻳﻠًﺎ
[23] মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে
কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ
কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ
প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প
মোটেই পরিবর্তন করেনি।
[23] Among the believers are men who
have been true to their covenant with
Allâh [i.e. they have gone out for Jihâd
(holy fighting), and showed not their
backs to the disbelievers], of them some
have fulfilled their obligations (i.e. have
been martyred), and some of them are
still waiting, but they have never
changed [i.e.they never proved
treacherous to their covenant which they
concluded with Allâh] in the least
[24] ﻟِﻴَﺠﺰِﻯَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
ﺑِﺼِﺪﻗِﻬِﻢ ﻭَﻳُﻌَﺬِّﺏَ ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ
ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ ﺃَﻭ ﻳَﺘﻮﺏَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[24] এটা এজন্য যাতে আল্লাহ,
সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার
কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে
মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা
করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[24] That Allâh may reward the men of
truth for their truth (i.e. for their
patience at the accomplishment of that
which they covenanted with Allâh), and
punish the hypocrites if He wills or
accept their repentance by turning to
them (in Mercy). Verily, Allâh is
Oft¬Forgiving, Most Merciful.
[25] ﻭَﺭَﺩَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺑِﻐَﻴﻈِﻬِﻢ ﻟَﻢ ﻳَﻨﺎﻟﻮﺍ ﺧَﻴﺮًﺍ ۚ
ﻭَﻛَﻔَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺍﻟﻘِﺘﺎﻝَ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻗَﻮِﻳًّﺎ ﻋَﺰﻳﺰًﺍ
[25] আল্লাহ কাফেরদেরকে ক্রুদ্ধাবস্থায়
ফিরিয়ে দিলেন। তারা কোন কল্যাণ পায়নি। যুদ্ধ
করার জন্য আল্লাহ মুমিনদের জন্যে
যথেষ্ট হয়ে গেছেন। আল্লাহ শক্তিধর,
পরাক্রমশালী।
[25] And Allâh drove back those who
disbelieved in their rage, they gained no
advantage (booty). Allâh sufficed for the
believers in the fighting (by sending
against the disbelievers a severe wind
and troops of angels). And Allâh is Ever
All¬Strong, All¬Mighty.
[26] ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻇٰﻬَﺮﻭﻫُﻢ
ﻣِﻦ ﺃَﻫﻞِ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻣِﻦ
ﺻَﻴﺎﺻﻴﻬِﻢ ﻭَﻗَﺬَﻑَ ﻓﻰ
ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢُ ﺍﻟﺮُّﻋﺐَ ﻓَﺮﻳﻘًﺎ
ﺗَﻘﺘُﻠﻮﻥَ ﻭَﺗَﺄﺳِﺮﻭﻥَ ﻓَﺮﻳﻘًﺎ
[26] কিতাবীদের মধ্যে যারা কাফেরদের
পৃষ্টপোষকতা করেছিল, তাদেরকে তিনি
তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন এবং
তাদের অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করলেন।
ফলে তোমরা একদলকে হত্যা করছ এবং
একদলকে বন্দী করছ।
[26] And those of the people of the
Scripture who backed them (the
disbelievers) Allâh brought them down
from their forts and cast terror into
their hearts, (so that) a group (of them)
you killed, and a group (of them) you
made captives.
[27] ﻭَﺃَﻭﺭَﺛَﻜُﻢ ﺃَﺭﺿَﻬُﻢ
ﻭَﺩِﻳٰﺮَﻫُﻢ ﻭَﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ ﻭَﺃَﺭﺿًﺎ ﻟَﻢ
ﺗَﻄَـٔﻮﻫﺎ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮًﺍ
[27] তিনি তোমাদেরকে তাদের ভূমির, ঘর-
বাড়ীর, ধন-সম্পদের এবং এমন এক ভূ-
খন্ডের মালিক করে দিয়েছেন, যেখানে
তোমরা অভিযান করনি। আল্লাহ সর্ববিষয়োপরি
সর্বশক্তিমান।
[27] And He caused you to inherit their
lands, and their houses, and their riches,
and a land which you had not trodden
(before). And Allâh is Able to do all
things.
[28] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﻗُﻞ ﻟِﺄَﺯﻭٰﺟِﻚَ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻦَّ ﺗُﺮِﺩﻥَ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺯﻳﻨَﺘَﻬﺎ ﻓَﺘَﻌﺎﻟَﻴﻦَ
ﺃُﻣَﺘِّﻌﻜُﻦَّ ﻭَﺃُﺳَﺮِّﺣﻜُﻦَّ ﺳَﺮﺍﺣًﺎ
ﺟَﻤﻴﻠًﺎ
[28] হে নবী, আপনার পত্নীগণকে বলুন,
তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা
কর, তবে আস, আমি তোমাদের ভোগের
ব্যবস্থা করে দেই এবং উত্তম পন্থায়
তোমাদের বিদায় নেই।
[28] O Prophet (Muhammad SAW)! Say to
your wives: If you desire the life of this
world, and its glitter, then come! I will
make a provision for you and set you
free in a handsome manner (divorce).
[29] ﻭَﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻦَّ ﺗُﺮِﺩﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻭَﺍﻟﺪّﺍﺭَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓَ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺃَﻋَﺪَّ ﻟِﻠﻤُﺤﺴِﻨٰﺖِ
ﻣِﻨﻜُﻦَّ ﺃَﺟﺮًﺍ ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[29] পক্ষান্তরে যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর
রসূল ও পরকাল কামনা কর, তবে তোমাদের
সৎকর্মপরায়ণদের জন্য আল্লাহ মহা পুরস্কার
প্রস্তুত করে রেখেছেন।
[29] But if you desire Allâh and His
Messenger, and the home of the
Hereafter, then verily, Allâh has
prepared for Al¬Muhsinât (good¬doers)
amongst you an enormous reward.
[30] ﻳٰﻨِﺴﺎﺀَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﻣَﻦ ﻳَﺄﺕِ
ﻣِﻨﻜُﻦَّ ﺑِﻔٰﺤِﺸَﺔٍ ﻣُﺒَﻴِّﻨَﺔٍ ﻳُﻀٰﻌَﻒ
ﻟَﻬَﺎ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﺿِﻌﻔَﻴﻦِ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺴﻴﺮًﺍ
[30] হে নবী পত্নীগণ! তোমাদের
মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ
করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। এটা
আল্লাহর জন্য সহজ।
[30] O wives of the Prophet! Whoever of
you commits an open illegal sexual
intercourse, the torment for her will be
doubled, and that is ever easy for Allâh.
[31] ۞ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻘﻨُﺖ ﻣِﻨﻜُﻦَّ ﻟِﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﺗَﻌﻤَﻞ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﻧُﺆﺗِﻬﺎ
ﺃَﺟﺮَﻫﺎ ﻣَﺮَّﺗَﻴﻦِ ﻭَﺃَﻋﺘَﺪﻧﺎ ﻟَﻬﺎ
ﺭِﺯﻗًﺎ ﻛَﺮﻳﻤًﺎ
[31] তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ
ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম
করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব এবং
তার জন্য আমি সম্মান জনক রিযিক প্রস্তুত
রেখেছি।
[31] And whosoever of you is obedient to
Allâh and His Messenger SAW , and does
righteous good deeds, We shall give her,
her reward twice over, and We have
prepared for her Rizqan Karim (a noble
provision -Paradise).
[32] ﻳٰﻨِﺴﺎﺀَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﻟَﺴﺘُﻦَّ
ﻛَﺄَﺣَﺪٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ ۚ ﺇِﻥِ ﺍﺗَّﻘَﻴﺘُﻦَّ
ﻓَﻼ ﺗَﺨﻀَﻌﻦَ ﺑِﺎﻟﻘَﻮﻝِ ﻓَﻴَﻄﻤَﻊَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻓﻰ ﻗَﻠﺒِﻪِ ﻣَﺮَﺽٌ ﻭَﻗُﻠﻦَ
ﻗَﻮﻟًﺎ ﻣَﻌﺮﻭﻓًﺎ
[32] হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য
নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে
ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও
আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে
সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি
রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।
[32] O wives of the Prophet! You are not
like any other women. If you keep your
duty (to Allâh), then be not soft in
speech, lest he in whose heart is a
disease (of hypocrisy, or evil desire for
adultery) should be moved with desire,
but speak in an honourable manner.
[33] ﻭَﻗَﺮﻥَ ﻓﻰ ﺑُﻴﻮﺗِﻜُﻦَّ ﻭَﻻ
ﺗَﺒَﺮَّﺟﻦَ ﺗَﺒَﺮُّﺝَ ﺍﻟﺠٰﻬِﻠِﻴَّﺔِ ﺍﻷﻭﻟﻰٰ ۖ
ﻭَﺃَﻗِﻤﻦَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗﻴﻦَ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﺃَﻃِﻌﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ۚ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻴُﺬﻫِﺐَ ﻋَﻨﻜُﻢُ
ﺍﻟﺮِّﺟﺲَ ﺃَﻫﻞَ ﺍﻟﺒَﻴﺖِ
ﻭَﻳُﻄَﻬِّﺮَﻛُﻢ ﺗَﻄﻬﻴﺮًﺍ
[33] তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-
মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে
প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে,
যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী
পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান
তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে
এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র
রাখতে।
[33] And stay in your houses, and do not
display yourselves like that of the times
of ignorance, and perform As-Salât
(Iqamât¬as¬Salât), and give Zakât and
obey Allâh and His Messenger. Allâh
wishes only to remove Ar¬Rijs (evil
deeds and sins) from you, O members of
the family (of the Prophet SAW), and to
purify you with a thorough purification.
[34] ﻭَﺍﺫﻛُﺮﻥَ ﻣﺎ ﻳُﺘﻠﻰٰ ﻓﻰ
ﺑُﻴﻮﺗِﻜُﻦَّ ﻣِﻦ ﺀﺍﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺍﻟﺤِﻜﻤَﺔِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻄﻴﻔًﺎ
ﺧَﺒﻴﺮًﺍ
[34] আল্লাহর আয়াত ও জ্ঞানগর্ভ কথা, যা
তোমাদের গৃহে পঠিত হয় তোমরা সেগুলো
স্মরণ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ সূক্ষ্নদর্শী,
সর্ববিষয়ে খবর রাখেন।
[34] And remember (O you the members
of the Prophet’s family, the Graces of
your Lord), that which is recited in your
houses of the Verses of Allâh and
Al¬Hikmah (i.e. Prophet’s Sunnah – legal
ways, so give your thanks to Allâh and
glorify His Praises for this Qur’an and
the Sunnah). Verily, Allâh is Ever Most
Courteous, Well¬Acquainted with all
things.
[35] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﻘٰﻨِﺘﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﻘٰﻨِﺘٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﺼّٰﺪِﻗٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﺼّٰﺒِﺮﻳﻦَ ﻭَﺍﻟﺼّٰﺒِﺮٰﺕِ
ﻭَﺍﻟﺨٰﺸِﻌﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﺨٰﺸِﻌٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﻤُﺘَﺼَﺪِّﻗﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﺘَﺼَﺪِّﻗٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﺼّٰﺌِﻤﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﺼّٰﺌِﻤٰﺖِ
ﻭَﺍﻟﺤٰﻔِﻈﻴﻦَ ﻓُﺮﻭﺟَﻬُﻢ
ﻭَﺍﻟﺤٰﻔِﻈٰﺖِ ﻭَﺍﻟﺬّٰﻛِﺮﻳﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﻭَﺍﻟﺬّٰﻛِﺮٰﺕِ ﺃَﻋَﺪَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬُﻢ
ﻣَﻐﻔِﺮَﺓً ﻭَﺃَﺟﺮًﺍ ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[35] নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী,
ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ,
অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী
নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী,
বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ,
দানশীল নারী, রোযা পালণকারী পুরুষ,
রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ
হেফাযতকারী পুরুষ, , যৌনাঙ্গ
হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক
যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের
জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও
মহাপুরষ্কার।
[35] Verily, the Muslims (those who
submit to Allâh in Islâm) men and
women, the believers men and women
(who believe in Islâmic Monotheism), the
men and the women who are obedient
(to Allâh), the men and women who are
truthful (in their speech and deeds), the
men and the women who are patient (in
performing all the duties which Allâh
has ordered and in abstaining from all
that Allâh has forbidden), the men and
the women who are humble (before their
Lord Allâh), the men and the women
who give Sadaqât (i.e. Zakât, and alms),
the men and the women who observe
Saum (fast) (the obligatory fasting during
the month of Ramadân, and the optional
Nawâfil fasting), the men and the women
who guard their chastity (from illegal
sexual acts) and the men and the women
who remember Allâh much with their
hearts and tongues. Allâh has prepared
for them forgiveness and a great reward
(i.e. Paradise).
[36] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻤُﺆﻣِﻦٍ ﻭَﻻ
ﻣُﺆﻣِﻨَﺔٍ ﺇِﺫﺍ ﻗَﻀَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﺃَﻣﺮًﺍ ﺃَﻥ ﻳَﻜﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢُ
ﺍﻟﺨِﻴَﺮَﺓُ ﻣِﻦ ﺃَﻣﺮِﻫِﻢ ۗ ﻭَﻣَﻦ
ﻳَﻌﺺِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻓَﻘَﺪ ﺿَﻞَّ
ﺿَﻠٰﻠًﺎ ﻣُﺒﻴﻨًﺎ
[36] আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের
আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও
ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা
নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ
অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত
হয়।
[36] It is not for a believer, man or
woman, when Allâh and His Messenger
have decreed a matter that they should
have any option in their decision. And
whoever disobeys Allâh and His
Messenger, he has indeed strayed in to a
plain error.
[37] ﻭَﺇِﺫ ﺗَﻘﻮﻝُ ﻟِﻠَّﺬﻯ ﺃَﻧﻌَﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻭَﺃَﻧﻌَﻤﺖَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺃَﻣﺴِﻚ
ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺯَﻭﺟَﻚَ ﻭَﺍﺗَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺗُﺨﻔﻰ ﻓﻰ ﻧَﻔﺴِﻚَ ﻣَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻣُﺒﺪﻳﻪِ ﻭَﺗَﺨﺸَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺃَﺣَﻖُّ ﺃَﻥ ﺗَﺨﺸﻯٰﻪُ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ
ﻗَﻀﻰٰ ﺯَﻳﺪٌ ﻣِﻨﻬﺎ ﻭَﻃَﺮًﺍ
ﺯَﻭَّﺟﻨٰﻜَﻬﺎ ﻟِﻜَﻰ ﻻ ﻳَﻜﻮﻥَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺣَﺮَﺝٌ ﻓﻰ ﺃَﺯﻭٰﺝِ
ﺃَﺩﻋِﻴﺎﺋِﻬِﻢ ﺇِﺫﺍ ﻗَﻀَﻮﺍ ﻣِﻨﻬُﻦَّ
ﻭَﻃَﺮًﺍ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﻔﻌﻮﻟًﺎ
[37] আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন;
আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে
যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার
স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং
আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন
বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ
করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয়
করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয়
করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের
সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে
আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম
যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের
স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব
স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের
কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ
কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।
[37] And (remember) when you said to
him (Zaid bin Hârithah radhiallahu’anhu
the freed¬slave of the Prophet SAW) on
whom Allâh has bestowed Grace (by
guiding him to Islâm) and you (O
Muhammad SAW too) have done favour
(by manumitting him) “Keep your wife to
yourself, and fear Allâh.” But you did
hide in yourself (i.e. what Allâh has
already made known to you that He will
give her to you in marriage) that which
Allâh will make manifest, you did fear
the people (i.e., their saying that
Muhammad SAW married the divorced
wife of his manumitted slave) whereas
Allâh had a better right that you should
fear Him. So when Zaid had
accomplished his desire from her (i.e.
divorced her), We gave her to you in
marriage, so that (in future) there may
be no difficulty to the believers in
respect of (the marriage of) the wives of
their adopted sons when the latter have
no desire to keep them (i.e. they have
divorced them). And Allâh’s Command
must be fulfilled.
[38] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﻣِﻦ
ﺣَﺮَﺝٍ ﻓﻴﻤﺎ ﻓَﺮَﺽَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻪُ ۖ
ﺳُﻨَّﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓِﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﻠَﻮﺍ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻗَﺪَﺭًﺍ ﻣَﻘﺪﻭﺭًﺍ
[38] আল্লাহ নবীর জন্যে যা নির্ধারণ
করেন, তাতে তাঁর কোন বাধা নেই
পূর্ববর্তী নবীগণের ক্ষেত্রে এটাই
ছিল আল্লাহর চিরাচরিত বিধান। আল্লাহর আদেশ
নির্ধারিত, অবধারিত।
[38] There is no blame on the Prophet
(SAW) in that which Allâh has made legal
for him.That has been Allâh’s Way with
those who have passed away of (the
Prophets of) old. And the Command of
Allâh is a decree determined.
[39] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺒَﻠِّﻐﻮﻥَ ﺭِﺳٰﻠٰﺖِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻳَﺨﺸَﻮﻧَﻪُ ﻭَﻻ ﻳَﺨﺸَﻮﻥَ
ﺃَﺣَﺪًﺍ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۗ ﻭَﻛَﻔﻰٰ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﺣَﺴﻴﺒًﺎ
[39] সেই নবীগণ আল্লাহর পয়গাম প্রচার
করতেন ও তাঁকে ভয় করতেন। তারা আল্লাহ
ব্যতীত অন্যকাউকে ভয় করতেন না। হিসাব
গ্রহণের জন্যে আল্লাহ যথেষ্ঠ।
[39] Those who convey the Message of
Allâh and fear Him, and fear none save
Allâh. And Sufficient is Allâh as a
Reckoner.
[40] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻣُﺤَﻤَّﺪٌ ﺃَﺑﺎ ﺃَﺣَﺪٍ
ﻣِﻦ ﺭِﺟﺎﻟِﻜُﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﺭَﺳﻮﻝَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺧﺎﺗَﻢَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲّۦﻥَ ۗ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ
[40] মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা
নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।
আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
[40] Muhammad (SAW) is not the father
of any of your men, but he is the
Messenger of Allâh and the last (end) of
the Prophets. And Allâh is Ever
All¬Aware of everything.
[41] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ
ﺍﺫﻛُﺮُﻭﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺫِﻛﺮًﺍ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ
[41] মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে অধিক
পরিমাণে স্মরণ কর।
[41] O you who believe! Remember Allâh
with much remembrance.
[42] ﻭَﺳَﺒِّﺤﻮﻩُ ﺑُﻜﺮَﺓً ﻭَﺃَﺻﻴﻠًﺎ
[42] এবং সকাল বিকাল আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা
কর।
[42] And glorify His Praises morning and
afternoon [the early morning (Fajr) and
‘Asr prayers].
[43] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳُﺼَﻠّﻰ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﻣَﻠٰﺌِﻜَﺘُﻪُ ﻟِﻴُﺨﺮِﺟَﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﻮﺭِ ۚ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺑِﺎﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[43] তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত করেন এবং
তাঁর ফেরেশতাগণও রহমতের দোয়া করেন-
অন্ধকার থেকে তোমাদেরকে
আলোকে বের করার জন্য। তিনি মুমিনদের
প্রতি পরম দয়ালু।
[43] He it is Who sends Salât (His
blessings) on you, and His angels too
(ask Allâh to bless and forgive you), that
He may bring you out from darkness (of
disbelief and polytheism) into light (of
Belief and Islâmic Monotheism). And He
is Ever Most Merciful to the believers.
[44] ﺗَﺤِﻴَّﺘُﻬُﻢ ﻳَﻮﻡَ ﻳَﻠﻘَﻮﻧَﻪُ
ﺳَﻠٰﻢٌ ۚ ﻭَﺃَﻋَﺪَّ ﻟَﻬُﻢ ﺃَﺟﺮًﺍ ﻛَﺮﻳﻤًﺎ
[44] যেদিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে;
সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি
তাদের জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত
রেখেছেন।
[44] Their greeting on the Day they shall
meet Him will be “Salâm: Peace (i.e. the
angels will say to them: Salâmu
‘Alaikum)!” And He has prepared for
them a generous reward (i.e. Paradise).
[45] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺇِﻧّﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻚَ
ﺷٰﻬِﺪًﺍ ﻭَﻣُﺒَﺸِّﺮًﺍ ﻭَﻧَﺬﻳﺮًﺍ
[45] হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী,
সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ
করেছি।
[45] O Prophet (MuhammadSAW )!
Verily, We have sent you as witness, and
a bearer of glad tidings, and a warner,
[46] ﻭَﺩﺍﻋِﻴًﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﺈِﺫﻧِﻪِ
ﻭَﺳِﺮﺍﺟًﺎ ﻣُﻨﻴﺮًﺍ
[46] এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে
আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।
[46] And as one who invites to Allâh
[Islâmic Monotheism, i.e. to worship
none but Allâh (Alone)] by His Leave,
and as a lamp spreading light (through
your instructions from the Qur’ân and
the Sunnah the legal ways of the Prophet
SAW ).
[47] ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺑِﺄَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻀﻠًﺎ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[47] আপনি মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন যে,
তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিরাট
অনুগ্রহ রয়েছে।
[47] And announce to the believers (in
the Oneness of Allâh and in His
Messenger Muhammad SAW) the glad
tidings, that they will have from Allâh a
Great Bounty.
[48] ﻭَﻻ ﺗُﻄِﻊِ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ ﻭَﺩَﻉ ﺃَﺫﻯٰﻬُﻢ
ﻭَﺗَﻮَﻛَّﻞ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻛَﻔﻰٰ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻛﻴﻠًﺎ
[48] আপনি কাফের ও মুনাফিকদের আনুগত্য
করবেন না এবং তাদের উৎপীড়ন উপেক্ষা
করুন ও আল্লাহর উপর ভরসা করুন। আল্লাহ
কার্যনিবার্হীরূপে যথেষ্ট।
[48] And obey not the disbelievers and
the hypocrites, and harm them not (in
revenge for their harming you till you
are ordered). And put your trust in
Allâh, and Sufficient is Allâh as a Wakîl
(Trustee, or Disposer of affairs). [Tafsir
At-Qurtubi]
[49] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺇِﺫﺍ
ﻧَﻜَﺤﺘُﻢُ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ﺛُﻢَّ
ﻃَﻠَّﻘﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞِ ﺃَﻥ
ﺗَﻤَﺴّﻮﻫُﻦَّ ﻓَﻤﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ
ﻣِﻦ ﻋِﺪَّﺓٍ ﺗَﻌﺘَﺪّﻭﻧَﻬﺎ ۖ
ﻓَﻤَﺘِّﻌﻮﻫُﻦَّ ﻭَﺳَﺮِّﺣﻮﻫُﻦَّ
ﺳَﺮﺍﺣًﺎ ﺟَﻤﻴﻠًﺎ
[49] মুমিনগণ! তোমরা যখন মুমিন
নারীদেরকে বিবাহ কর, অতঃপর তাদেরকে
স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তখন
তাদেরকে ইদ্দত পালনে বাধ্য করার অধিকার
তোমাদের নাই। অতঃপর তোমরা তাদেরকে
কিছু দেবে এবং উত্তম পন্থায় বিদায় দেবে।
[49] O you who believe! When you marry
believing women, and then divorce them
before you have sexual intercourse with
them, no ‘Iddah [divorce prescribed
period, see (V.65:4)] have you to count in
respect of them. So give them a present,
and set them free (i.e. divorce), in a
handsome manner.
[50] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺇِﻧّﺎ ﺃَﺣﻠَﻠﻨﺎ ﻟَﻚَ
ﺃَﺯﻭٰﺟَﻚَ ﺍﻟّٰﺘﻰ ﺀﺍﺗَﻴﺖَ
ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻦَّ ﻭَﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﻳَﻤﻴﻨُﻚَ
ﻣِﻤّﺎ ﺃَﻓﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻭَﺑَﻨﺎﺕِ
ﻋَﻤِّﻚَ ﻭَﺑَﻨﺎﺕِ ﻋَﻤّٰﺘِﻚَ ﻭَﺑَﻨﺎﺕِ
ﺧﺎﻟِﻚَ ﻭَﺑَﻨﺎﺕِ ﺧٰﻠٰﺘِﻚَ ﺍﻟّٰﺘﻰ
ﻫﺎﺟَﺮﻥَ ﻣَﻌَﻚَ ﻭَﺍﻣﺮَﺃَﺓً ﻣُﺆﻣِﻨَﺔً
ﺇِﻥ ﻭَﻫَﺒَﺖ ﻧَﻔﺴَﻬﺎ ﻟِﻠﻨَّﺒِﻰِّ ﺇِﻥ
ﺃَﺭﺍﺩَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺃَﻥ ﻳَﺴﺘَﻨﻜِﺤَﻬﺎ
ﺧﺎﻟِﺼَﺔً ﻟَﻚَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ۗ ﻗَﺪ ﻋَﻠِﻤﻨﺎ ﻣﺎ
ﻓَﺮَﺿﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻓﻰ ﺃَﺯﻭٰﺟِﻬِﻢ
ﻭَﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﺃَﻳﻤٰﻨُﻬُﻢ ﻟِﻜَﻴﻼ
ﻳَﻜﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺣَﺮَﺝٌ ۗ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[50] হে নবী! আপনার জন্য আপনার
স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে
আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর
দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে
আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং
বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো
ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো
ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত
করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে
নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে
বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ
করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য
নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের
উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও
দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার
জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
[50] O Prophet (Muhammad SAW)!
Verily, We have made lawful to you your
wives, to whom you have paid their
Mahr (bridal money given by the
husband to his wife at the time of
marriage), and those (slaves) whom your
right hand possesses – whom Allâh has
given to you, and the daughters of your
‘Ammat (paternal uncles) and the
daughters of your ‘Amm (paternal aunts)
and the daughters of your Khâlat
(maternal uncles) and the daughters of
your Khâl (maternal aunts) who
migrated (from Makkah) with you, and a
believing woman if she offers herself to
the Prophet, and the Prophet wishes to
marry her; a privilege for you only, not
for the (rest of) the believers. Indeed We
know what We have enjoined upon them
about their wives and those (slaves)
whom their right hands possess, – in
order that there should be no difficulty
on you. And Allâh is Ever Oft¬Forgiving,
Most Merciful.
[51] ۞ ﺗُﺮﺟﻰ ﻣَﻦ ﺗَﺸﺎﺀُ
ﻣِﻨﻬُﻦَّ ﻭَﺗُـٔﻮﻯ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣَﻦ ﺗَﺸﺎﺀُ ۖ
ﻭَﻣَﻦِ ﺍﺑﺘَﻐَﻴﺖَ ﻣِﻤَّﻦ ﻋَﺰَﻟﺖَ
ﻓَﻼ ﺟُﻨﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴﻚَ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﺩﻧﻰٰ
ﺃَﻥ ﺗَﻘَﺮَّ ﺃَﻋﻴُﻨُﻬُﻦَّ ﻭَﻻ ﻳَﺤﺰَﻥَّ
ﻭَﻳَﺮﺿَﻴﻦَ ﺑِﻤﺎ ﺀﺍﺗَﻴﺘَﻬُﻦَّ ﻛُﻠُّﻬُﻦَّ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ ﺣَﻠﻴﻤًﺎ
[51] আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে
রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে
পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন,
তাকে কামনা করলে তাতে আপনার কোন
দোষ নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে
যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ
পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা
সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের
অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ
সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
[51] You (O Muhammad SAW) can
postpone (the turn of) whom you will of
them (your wives), and you may receive
whom you will. And whomsoever you
desire of those whom you have set aside
(her turn temporarily), it is no sin on
you (to receive her again), that is better
that they may be comforted and not
grieved, and may all be pleased with
what you give them. Allâh knows what is
in your hearts. And Allâh is Ever
All¬Knowing, Most Forbearing.
[52] ﻻ ﻳَﺤِﻞُّ ﻟَﻚَ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀُ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪُ ﻭَﻻ ﺃَﻥ ﺗَﺒَﺪَّﻝَ ﺑِﻬِﻦَّ ﻣِﻦ
ﺃَﺯﻭٰﺝٍ ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻋﺠَﺒَﻚَ ﺣُﺴﻨُﻬُﻦَّ
ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﻳَﻤﻴﻨُﻚَ ۗ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﺭَﻗﻴﺒًﺎ
[52] এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল
নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ
করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য
আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার
ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর
রাখেন।
[52] It is not lawful for you (to marry
other) women after this, nor to change
them for other wives even though their
beauty attracts you, except those (slaves)
whom your right hand possesses. And
Allâh is Ever a Watcher over all things.
[53] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺪﺧُﻠﻮﺍ ﺑُﻴﻮﺕَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﻳُﺆﺫَﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﻃَﻌﺎﻡٍ ﻏَﻴﺮَ
ﻧٰﻈِﺮﻳﻦَ ﺇِﻧﻯٰﻪُ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﺇِﺫﺍ
ﺩُﻋﻴﺘُﻢ ﻓَﺎﺩﺧُﻠﻮﺍ ﻓَﺈِﺫﺍ ﻃَﻌِﻤﺘُﻢ
ﻓَﺎﻧﺘَﺸِﺮﻭﺍ ﻭَﻻ ﻣُﺴﺘَـٔﻨِﺴﻴﻦَ
ﻟِﺤَﺪﻳﺚٍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﻛﺎﻥَ
ﻳُﺆﺫِﻯ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰَّ ﻓَﻴَﺴﺘَﺤﻲۦ
ﻣِﻨﻜُﻢ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﺴﺘَﺤﻲۦ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ۚ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺳَﺄَﻟﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ ﻣَﺘٰﻌًﺎ
ﻓَﺴـَٔﻠﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦ ﻭَﺭﺍﺀِ ﺣِﺠﺎﺏٍ ۚ
ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺃَﻃﻬَﺮُ ﻟِﻘُﻠﻮﺑِﻜُﻢ
ﻭَﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻦَّ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﺃَﻥ
ﺗُﺆﺫﻭﺍ ﺭَﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺃَﻥ
ﺗَﻨﻜِﺤﻮﺍ ﺃَﺯﻭٰﺟَﻪُ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻩِ
ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﻛﺎﻥَ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[53] হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি
দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য
রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে
প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে
প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে
আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল
হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য
কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ
বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে
সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের
কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে
চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে
এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর
পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট
দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর
পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ
নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।
[53] O you who believe! Enter not the
Prophet’s houses, unless permission is
given to you for a meal, (and then) not
(so early as) to wait for its preparation.
But when you are invited, enter, and
when you have taken your meal,
disperse, without sitting for a talk.
Verily, such (behaviour) annoys the
Prophet, and he is shy of (asking) you (to
go), but Allâh is not shy of (telling you)
the truth. And when you ask (his wives)
for anything you want, ask them from
behind a screen, that is purer for your
hearts and for their hearts. And it is not
(right) for you that you should annoy
Allâh’s Messenger, nor that you should
ever marry his wives after him (his
death). Verily! With Allâh that shall be
an enormity
[54] ﺇِﻥ ﺗُﺒﺪﻭﺍ ﺷَﻴـًٔﺎ ﺃَﻭ ﺗُﺨﻔﻮﻩُ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ
ﻋَﻠﻴﻤًﺎ
[54] তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন
রাখ, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ।
[54] Whether you reveal anything or
conceal it, verily, Allâh is Ever
All¬Knower of everything.
[55] ﻻ ﺟُﻨﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﻓﻰ
ﺀﺍﺑﺎﺋِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ ﺃَﺑﻨﺎﺋِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ
ﺇِﺧﻮٰﻧِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ ﺃَﺑﻨﺎﺀِ ﺇِﺧﻮٰﻧِﻬِﻦَّ
ﻭَﻻ ﺃَﺑﻨﺎﺀِ ﺃَﺧَﻮٰﺗِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ
ﻧِﺴﺎﺋِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ
ﺃَﻳﻤٰﻨُﻬُﻦَّ ۗ ﻭَﺍﺗَّﻘﻴﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﺷَﻬﻴﺪًﺍ
[55] নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের
পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র,
সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত
দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে
গোনাহ নেই। নবী-পত্নীগণ, তোমরা
আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয়
প্রত্যক্ষ করেন।
[55] It is no sin on them (the Prophet’s
wives, if they appear unveiled) before
their fathers, or their sons, or their
brothers, or their brother’s sons, or the
sons of their sisters, or their own
(believing) women, or their (female)
slaves, And coradies keep your duty to
Allâh. Verily, Allâh is Ever All¬Witness
over everything.
[56] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻣَﻠٰﺌِﻜَﺘَﻪُ ﻳُﺼَﻠّﻮﻥَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ۚ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺻَﻠّﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻭَﺳَﻠِّﻤﻮﺍ
ﺗَﺴﻠﻴﻤًﺎ
[56] আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর
প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ!
তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে
দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।
[56] Allâh sends His Salât (Graces,
Honours, Blessings, Mercy) on the
Prophet (Muhammad SAW) and also His
angels (ask Allâh to bless and forgive
him). O you who believe! Send your Salât
on (ask Allâh to bless) him (Muhammad
SAW), and (you should) greet (salute) him
with the Islâmic way of greeting
(salutation i.e. As¬Salâmu ‘Alaikum).
[57] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﺫﻭﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻟَﻌَﻨَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻭَﺃَﻋَﺪَّ ﻟَﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﻣُﻬﻴﻨًﺎ
[57] যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়,
আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে
অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে
প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।
[57] Verily, those who annoy Allâh and
His Messenger (SAW) Allâh has cursed
them in this world, and in the Hereafter,
and has prepared for them a humiliating
torment.
[58] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﺫﻭﻥَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ﺑِﻐَﻴﺮِ ﻣَﺎ ﺍﻛﺘَﺴَﺒﻮﺍ
ﻓَﻘَﺪِ ﺍﺣﺘَﻤَﻠﻮﺍ ﺑُﻬﺘٰﻨًﺎ ﻭَﺇِﺛﻤًﺎ
ﻣُﺒﻴﻨًﺎ
[58] যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন
নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ
ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।
[58] And those who annoy believing men
and women undeservedly, they bear (on
themselves) the crime of slander and
plain sin.
[59] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﻗُﻞ ﻟِﺄَﺯﻭٰﺟِﻚَ
ﻭَﺑَﻨﺎﺗِﻚَ ﻭَﻧِﺴﺎﺀِ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻳُﺪﻧﻴﻦَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﻣِﻦ ﺟَﻠٰﺒﻴﺒِﻬِﻦَّ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﺩﻧﻰٰ ﺃَﻥ ﻳُﻌﺮَﻓﻦَ ﻓَﻼ
ﻳُﺆﺫَﻳﻦَ ۗ ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ
ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[59] হে নবী! আপনি আপনার
পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের
স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের
চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে
নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে।
ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।
আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
[59] O Prophet! Tell your wives and your
daughters and the women of the
believers to draw their cloaks (veils) all
over their bodies (i.e.screen themselves
completely except the eyes or one eye to
see the way). That will be better, that
they should be known (as free
respectable women) so as not to be
annoyed. And Allâh is Ever
Oft¬Forgiving, Most Merciful
[60] ۞ ﻟَﺌِﻦ ﻟَﻢ ﻳَﻨﺘَﻪِ
ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻮﻥَ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓﻰ
ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻣَﺮَﺽٌ ﻭَﺍﻟﻤُﺮﺟِﻔﻮﻥَ
ﻓِﻰ ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ ﻟَﻨُﻐﺮِﻳَﻨَّﻚَ ﺑِﻬِﻢ ﺛُﻢَّ
ﻻ ﻳُﺠﺎﻭِﺭﻭﻧَﻚَ ﻓﻴﻬﺎ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
[60] মুনাফিকরা এবং যাদের অন্তরে রোগ
আছে এবং মদীনায় গুজব রটনাকারীরা যদি
বিরত না হয়, তবে আমি অবশ্যই তাদের
বিরুদ্ধে আপনাকে উত্তেজিত করব। অতঃপর
এই শহরে আপনার প্রতিবেশী অল্পই
থাকবে।
[60] If the hypocrites, and those in
whose hearts is a disease (evil desire for
adultery), and those who spread false
news among the people in Al¬Madinah,
stop not, We shall certainly let you
overpower them; then they will not be
able to stay in it as your neighbours but
a little while.
[61] ﻣَﻠﻌﻮﻧﻴﻦَ ۖ ﺃَﻳﻨَﻤﺎ ﺛُﻘِﻔﻮﺍ
ﺃُﺧِﺬﻭﺍ ﻭَﻗُﺘِّﻠﻮﺍ ﺗَﻘﺘﻴﻠًﺎ
[61] অভিশপ্ত অবস্থায় তাদেরকে
যেখানেই পাওয়া যাবে, ধরা হবে এবং প্রাণে
বধ করা হবে।
[61] Accursed, they shall be seized
wherever found and killed with a
(terrible) slaughter.
[62] ﺳُﻨَّﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓِﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﻠَﻮﺍ
ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۖ ﻭَﻟَﻦ ﺗَﺠِﺪَ ﻟِﺴُﻨَّﺔِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺗَﺒﺪﻳﻠًﺎ
[62] যারা পূর্বে অতীত হয়ে গেছে,
তাদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর রীতি।
আপনি আল্লাহর রীতিতে কখনও পরিবর্তন
পাবেন না।
[62] That was the Way of Allâh in the
case of those who passed away of old,
and you will not find any change in the
Way of Allâh.
[63] ﻳَﺴـَٔﻠُﻚَ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻋَﻦِ
ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔِ ۖ ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻋِﻠﻤُﻬﺎ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻳُﺪﺭﻳﻚَ ﻟَﻌَﻞَّ
ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔَ ﺗَﻜﻮﻥُ ﻗَﺮﻳﺒًﺎ
[63] লোকেরা আপনাকে কেয়ামত
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, এর জ্ঞান
আল্লাহর কাছেই। আপনি কি করে জানবেন
যে সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটেই।
[63] People ask you concerning the Hour,
say: “The knowledge of it is with Allâh
only. What do you know? It may be that
the Hour is near!”
[64] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻌَﻦَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
ﻭَﺃَﻋَﺪَّ ﻟَﻬُﻢ ﺳَﻌﻴﺮًﺍ
[64] নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে
অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে
জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছেন।
[64] Verily, Allâh has cursed the
disbelievers, and has prepared for them
a flaming Fire (Hell).
[65] ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۖ ﻻ
ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻭَﻻ ﻧَﺼﻴﺮًﺍ
[65] তথায় তারা অনন্তকাল থাকবে এবং কোন
অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।
[65] Wherein they will abide for ever,
and they will find neither a Walî (a
protector) nor a helper.
[66] ﻳَﻮﻡَ ﺗُﻘَﻠَّﺐُ ﻭُﺟﻮﻫُﻬُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻳٰﻠَﻴﺘَﻨﺎ ﺃَﻃَﻌﻨَﺎ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺃَﻃَﻌﻨَﺎ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻻ۠
[66] যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট
পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা
যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের
আনুগত্য করতাম।
[66] On the Day when their faces will be
turned over in the Fire, they will say:
“Oh, would that we had obeyed Allâh and
obeyed the Messenger (Muhammad
SAW).”
[67] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺇِﻧّﺎ ﺃَﻃَﻌﻨﺎ
ﺳﺎﺩَﺗَﻨﺎ ﻭَﻛُﺒَﺮﺍﺀَﻧﺎ ﻓَﺄَﺿَﻠّﻮﻧَﺎ
ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻼ۠
[67] তারা আরও বলবে, হে আমাদের
পালনকর্তা, আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের
কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের
পথভ্রষ্ট করেছিল।
[67] And they will say: “Our Lord! Verily,
we obeyed our chiefs and our great ones,
and they misled us from the (Right) Way.
[68] ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺀﺍﺗِﻬِﻢ ﺿِﻌﻔَﻴﻦِ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻭَﺍﻟﻌَﻨﻬُﻢ ﻟَﻌﻨًﺎ ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[68] হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে
দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহা অভিসম্পাত
করুন।
[68] Our Lord! Give them double torment
and curse them with a mighty curse!”
[69] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻛَﺎﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﺫَﻭﺍ
ﻣﻮﺳﻰٰ ﻓَﺒَﺮَّﺃَﻩُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻤّﺎ ﻗﺎﻟﻮﺍ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺟﻴﻬًﺎ
[69] হে মুমিনগণ! মূসাকে যারা কষ্ট
দিয়েছে, তোমরা তাদের মত হয়ো না। তারা যা
বলেছিল, আল্লাহ তা থেকে তাঁকে নির্দোষ
প্রমাণ করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে
ছিলেন মর্যাদাবান।
[69] O you who believe! Be not like those
who annoyed Mûsa (Moses), but Allâh
cleared him of that which they alleged,
and he was honourable before Allâh
[70] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻗﻮﻟﻮﺍ ﻗَﻮﻟًﺎ ﺳَﺪﻳﺪًﺍ
[70] হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং
সঠিক কথা বল।
[70] O you who believe! Keep your duty
to Allâh and fear Him, and speak
(always) the truth.
[71] ﻳُﺼﻠِﺢ ﻟَﻜُﻢ ﺃَﻋﻤٰﻠَﻜُﻢ
ﻭَﻳَﻐﻔِﺮ ﻟَﻜُﻢ ﺫُﻧﻮﺑَﻜُﻢ ۗ ﻭَﻣَﻦ
ﻳُﻄِﻊِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻓَﻘَﺪ ﻓﺎﺯَ
ﻓَﻮﺯًﺍ ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[71] তিনি তোমাদের আমল-আচরণ সংশোধন
করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা
করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের
আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য
অর্জন করবে।
[71] He will direct you to do righteous
good deeds and will forgive you your
sins. And whosoever obeys Allâh and His
Messenger (SAW) he has indeed achieved
a great achievement (i.e. he will be saved
from the Hell-fire and will be admitted
to Paradise).
[72] ﺇِﻧّﺎ ﻋَﺮَﺿﻨَﺎ ﺍﻷَﻣﺎﻧَﺔَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﺍﻟﺠِﺒﺎﻝِ
ﻓَﺄَﺑَﻴﻦَ ﺃَﻥ ﻳَﺤﻤِﻠﻨَﻬﺎ ﻭَﺃَﺷﻔَﻘﻦَ
ﻣِﻨﻬﺎ ﻭَﺣَﻤَﻠَﻬَﺎ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻛﺎﻥَ ﻇَﻠﻮﻣًﺎ ﺟَﻬﻮﻟًﺎ
[72] আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে
এই আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা
একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং
এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহণ করল।
নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ।
[72] Truly, We did offer Al¬Amânah (the
trust or moral responsibility or honesty
and all the duties which Allâh has
ordained) to the heavens and the earth,
and the mountains, but they declined to
bear it and were afraid of it (i.e. afraid
of Allâh’s Torment). But man bore it.
Verily, he was unjust (to himself) and
ignorant (of its results).
[73] ﻟِﻴُﻌَﺬِّﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘٰﺖِ ﻭَﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛٰﺖِ ﻭَﻳَﺘﻮﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ۗ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[73] যাতে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক
নারী, মুশরিক পুরুষ, মুশরিক নারীদেরকে
শাস্তি দেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন
নারীদেরকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[73] So that Allâh will punish the
hypocrites, men and women, and the
men and women who are Al¬Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh, and
His Messenger Muhammad SAW ). And
Allâh will pardon (accept the repentance
of) the true believers of the Islâmic
Monotheism, men and women. And Allâh
is Ever Oft¬Forgiving, Most Merciful.
Bangla translation of Quran. Developed
Surah Al Ahzab Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. হে নবী! আল্লাহকে ভয় করুন এবং কাফের ও কপট বিশ্বাসীদের কথা মানবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 2. আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়, আপনি তার অনুসরণ করুন। নিশ্চয় তোমরা যা কর, আল্লাহ সে বিষয়ে খবর রাখেন। 3. আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন। কার্যনির্বাহীরূপে আল্লাহই যথেষ্ট। 4. আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর, তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন। 5. তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাক। এটাই আল্লাহর কাছে ন্যায়সঙ্গত। যদি তোমরা তাদের পিতৃ- পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের ধর্মীয় ভাই ও বন্ধুরূপে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 6. নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-মাহফুযে লিখিত আছে। 7. যখন আমি পয়গম্বরগণের কাছ থেকে, আপনার কাছ থেকে এবং নূহ, ইব্রাহীম, মূসা ও মরিয়ম তনয় ঈসার কাছ থেকে অঙ্গীকার নিলাম এবং অঙ্গীকার নিলাম তাদের কাছ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার। 8. সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য। তিনি কাফেরদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন। 9. হে মুমিনগণ! তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যখন শত্রুবাহিনী তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল, অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে ঝঞ্চাবায়ু এবং এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম, যাদেরকে তোমরা দেখতে না। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন। 10. যখন তারা তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল উচ্চ ভূমি ও নিম্নভূমি থেকে এবং যখন তোমাদের দৃষ্টিভ্রম হচ্ছিল, প্রাণ কন্ঠাগত হয়েছিল এবং তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে নানা বিরূপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করছিলে। 11. সে সময়ে মুমিনগণ পরীক্ষিত হয়েছিল এবং ভীষণভাবে প্রকম্পিত হচ্ছিল। 12. এবং যখন মুনাফিক ও যাদের অন্তরে রোগ ছিল তারা বলছিল, আমাদেরকে প্রদত্ত আল্লাহ ও রসূলের প্রতিশ্রুতি প্রতারণা বৈ নয়। 13. এবং যখন তাদের একদল বলেছিল, হে ইয়াসরেববাসী, এটা টিকবার মত জায়গা নয়, তোমরা ফিরে চল। তাদেরই একদল নবীর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে বলেছিল, আমাদের বাড়ী-ঘর খালি, অথচ সেগুলো খালি ছিল না, পলায়ন করাই ছিল তাদের ইচ্ছা। 14. যদি শত্রুপক্ষ চতুর্দিক থেকে নগরে প্রবেশ করে তাদের সাথে মিলিত হত, অতঃপর বিদ্রোহ করতে প্ররোচিত করত, তবে তারা অবশ্যই বিদ্রোহ করত এবং তারা মোটেই বিলম্ব করত না। 15. অথচ তারা পূর্বে আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার করেছিল যে, তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। আল্লাহর অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। 16. বলুন! তোমরা যদি মৃত্যু অথবা হত্যা থেকে পলায়ন কর, তবে এ পলায়ন তোমাদের কাজে আসবে না। তখন তোমাদেরকে সামান্যই ভোগ করতে দেয়া হবে। 17. বলুন! কে তোমাদেরকে আল্লাহ থেকে রক্ষা করবে যদি তিনি তোমাদের অমঙ্গল ইচ্ছা করেন অথবা তোমাদের প্রতি অনুকম্পার ইচ্ছা? তারা আল্লাহ ব্যতীত নিজেদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যদাতা পাবে না। 18. আল্লাহ খুব জানেন তোমাদের মধ্যে কারা তোমাদেরকে বাধা দেয় এবং কারা তাদের ভাইদেরকে বলে, আমাদের কাছে এস। তারা কমই যুদ্ধ করে। 19. তারা তোমাদের প্রতি কুন্ঠাবোধ করে। যখন বিপদ আসে, তখন আপনি দেখবেন মৃত্যুভয়ে অচেতন ব্যক্তির মত চোখ উল্টিয়ে তারা আপনার প্রতি তাকায়। অতঃপর যখন বিপদ টলে যায় তখন তারা ধন-সম্পদ লাভের আশায় তোমাদের সাথে বাকচাতুরীতে অবতীর্ণ হয়। তারা মুমিন নয়। তাই আল্লাহ তাদের কর্মসমূহ নিস্ফল করে দিয়েছেন। এটা আল্লাহর জন্যে সহজ। 20. তারা মনে করে শক্রবাহিনী চলে যায়নি। যদি শক্রবাহিনী আবার এসে পড়ে, তবে তারা কামনা করবে যে, যদি তারা গ্রামবাসীদের মধ্য থেকে তোমাদের সংবাদাদি জেনে নিত, তবেই ভাল হত। তারা তোমাদের মধ্যে অবস্থান করলেও যুদ্ধ সামান্যই করত। 21. যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে। 22. যখন মুমিনরা শক্রবাহিনীকে দেখল, তখন বলল, আল্লাহ ও তাঁর রসূল এরই ওয়াদা আমাদেরকে দিয়েছিলেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূল সত্য বলেছেন। এতে তাদের ঈমান ও আত্নসমর্পণই বৃদ্ধি পেল। 23. মুমিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি। 24. এটা এজন্য যাতে আল্লাহ, সত্যবাদীদেরকে তাদের সত্যবাদিতার কারণে প্রতিদান দেন এবং ইচ্ছা করলে মুনাফেকদেরকে শাস্তি দেন অথবা ক্ষমা করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 25. আল্লাহ কাফেরদেরকে ক্রুদ্ধাবস্থায় ফিরিয়ে দিলেন। তারা কোন কল্যাণ পায়নি। যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ মুমিনদের জন্যে যথেষ্ট হয়ে গেছেন। আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী। 26. কিতাবীদের মধ্যে যারা কাফেরদের পৃষ্টপোষকতা করেছিল, তাদেরকে তিনি তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন এবং তাদের অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করলেন। ফলে তোমরা একদলকে হত্যা করছ এবং একদলকে বন্দী করছ। 27. তিনি তোমাদেরকে তাদের ভূমির, ঘর-বাড়ীর, ধন- সম্পদের এবং এমন এক ভূ- খন্ডের মালিক করে দিয়েছেন, যেখানে তোমরা অভিযান করনি। আল্লাহ সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান। 28. হে নবী, আপনার পত্নীগণকে বলুন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা কর, তবে আস, আমি তোমাদের ভোগের ব্যবস্থা করে দেই এবং উত্তম পন্থায় তোমাদের বিদায় নেই। 29. পক্ষান্তরে যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রসূল ও পরকাল কামনা কর, তবে তোমাদের সৎকর্মপরায়ণদের জন্য আল্লাহ মহা পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন। 30. হে নবী পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। এটা আল্লাহর জন্য সহজ। 31. তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব এবং তার জন্য আমি সম্মান জনক রিযিক প্রস্তুত রেখেছি। 32. হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে। 33. তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে। 34. আল্লাহর আয়াত ও জ্ঞানগর্ভ কথা, যা তোমাদের গৃহে পঠিত হয় তোমরা সেগুলো স্মরণ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ সূক্ষ্নদর্শী, সর্ববিষয়ে খবর রাখেন। 35. নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালণকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী- তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। 36. আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়। 37. আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে। 38. আল্লাহ নবীর জন্যে যা নির্ধারণ করেন, তাতে তাঁর কোন বাধা নেই পূর্ববর্তী নবীগণের ক্ষেত্রে এটাই ছিল আল্লাহর চিরাচরিত বিধান। আল্লাহর আদেশ নির্ধারিত, অবধারিত। 39. সেই নবীগণ আল্লাহর পয়গাম প্রচার করতেন ও তাঁকে ভয় করতেন। তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্যকাউকে ভয় করতেন না। হিসাব গ্রহণের জন্যে আল্লাহ যথেষ্ঠ। 40. মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত। 41. মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। 42. এবং সকাল বিকাল আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা কর। 43. তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও রহমতের দোয়া করেন- অন্ধকার থেকে তোমাদেরকে আলোকে বের করার জন্য। তিনি মুমিনদের প্রতি পরম দয়ালু। 44. যেদিন আল্লাহর সাথে মিলিত হবে; সেদিন তাদের অভিবাদন হবে সালাম। তিনি তাদের জন্যে সম্মানজনক পুরস্কার প্রস্তুত রেখেছেন। 45. হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। 46. এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে। 47. আপনি মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিরাট অনুগ্রহ রয়েছে। 48. আপনি কাফের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের উৎপীড়ন উপেক্ষা করুন ও আল্লাহর উপর ভরসা করুন। আল্লাহ কার্যনিবার্হীরূপে যথেষ্ট। 49. মুমিনগণ! তোমরা যখন মুমিন নারীদেরকে বিবাহ কর, অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তখন তাদেরকে ইদ্দত পালনে বাধ্য করার অধিকার তোমাদের নাই। অতঃপর তোমরা তাদেরকে কিছু দেবে এবং উত্তম পন্থায় বিদায় দেবে। 50. হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। 51. আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে কামনা করলে তাতে আপনার কোন দোষ নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল। 52. এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন। 53. হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ। 54. তোমরা খোলাখুলি কিছু বল অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বজ্ঞ। 55. নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র, সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই। নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন। 56. আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর। 57. যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি। 58. যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। 59. হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। 60. মুনাফিকরা এবং যাদের অন্তরে রোগ আছে এবং মদীনায় গুজব রটনাকারীরা যদি বিরত না হয়, তবে আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আপনাকে উত্তেজিত করব। অতঃপর এই শহরে আপনার প্রতিবেশী অল্পই থাকবে। 61. অভিশপ্ত অবস্থায় তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, ধরা হবে এবং প্রাণে বধ করা হবে। 62. যারা পূর্বে অতীত হয়ে গেছে, তাদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর রীতি। আপনি আল্লাহর রীতিতে কখনও পরিবর্তন পাবেন না। 63. লোকেরা আপনাকে কেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহর কাছেই। আপনি কি করে জানবেন যে সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটেই। 64. নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছেন। 65. তথায় তারা অনন্তকাল থাকবে এবং কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না। 66. যেদিন অগ্নিতে তাদের মুখমন্ডল ওলট পালট করা হবে; সেদিন তারা বলবে, হায়। আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম ও রসূলের আনুগত্য করতাম। 67. তারা আরও বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল। 68. হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহা অভিসম্পাত করুন। 69. হে মুমিনগণ! মূসাকে যারা কষ্ট দিয়েছে, তোমরা তাদের মত হয়ো না। তারা যা বলেছিল, আল্লাহ তা থেকে তাঁকে নির্দোষ প্রমাণ করেছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছে ছিলেন মর্যাদাবান। 70. হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। 71. তিনি তোমাদের আমল- আচরণ সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে। 72. আমি আকাশ পৃথিবী ও পর্বতমালার সামনে এই আমানত পেশ করেছিলাম, অতঃপর তারা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হল; কিন্তু মানুষ তা বহণ করল। নিশ্চয় সে জালেম-অজ্ঞ। 73. যাতে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ, মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ, মুশরিক নারীদেরকে শাস্তি দেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s