34. সুরাহ সাবা (01-54)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻟَﻪُ ﻣﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻟَﻪُ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻓِﻰ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۚ
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ ﺍﻟﺨَﺒﻴﺮُ
[1] সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি
নভোমন্ডলে যা আছে এবং ভূমন্ডলে যা
আছে সব কিছুর মালিক এবং তাঁরই
প্রশংসা পরকালে। তিনি প্রজ্ঞাময়,
সর্বজ্ঞ।
[1] All the praises and thanks are to
Allâh, to Whom belongs all that is in the
heavens and all that is in the earth. His
is all the praises and thanks in the
Hereafter, and He is the All¬Wise, the
All¬Aware.
[2] ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﻳَﻠِﺞُ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻣﺎ ﻳَﺨﺮُﺝُ ﻣِﻨﻬﺎ ﻭَﻣﺎ ﻳَﻨﺰِﻝُ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﻣﺎ ﻳَﻌﺮُﺝُ ﻓﻴﻬﺎ ۚ
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ ﺍﻟﻐَﻔﻮﺭُ
[2] তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ
করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়, যা
আকাশ থেকে বর্ষিত হয় এবং যা
আকাশে উত্থিত হয়। তিনি পরম দয়ালু
ক্ষমাশীল।
[2] He knows that which goes into the
earth and that which comes forth from
it, and that which descend from the
heaven and that which ascends to it. And
He is the Most Merciful, the
Oft¬Forgiving.
[3] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻻ
ﺗَﺄﺗﻴﻨَﺎ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔُ ۖ ﻗُﻞ ﺑَﻠﻰٰ
ﻭَﺭَﺑّﻰ ﻟَﺘَﺄﺗِﻴَﻨَّﻜُﻢ ﻋٰﻠِﻢِ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ ۖ
ﻻ ﻳَﻌﺰُﺏُ ﻋَﻨﻪُ ﻣِﺜﻘﺎﻝُ ﺫَﺭَّﺓٍ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻻ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻻ
ﺃَﺻﻐَﺮُ ﻣِﻦ ﺫٰﻟِﻚَ ﻭَﻻ ﺃَﻛﺒَﺮُ ﺇِﻟّﺎ
ﻓﻰ ﻛِﺘٰﺐٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[3] কাফেররা বলে আমাদের উপর
কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে
না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই
আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত।
নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর
আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না
তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই
আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।
[3] Those who disbelieve say: “The Hour
will not come to us.” Say: “Yes, by my
Lord, the All¬Knower of the unseen, it
will come to you.” not even the weight of
an atom (or a small ant) or less than that
or greater, escapes His Knowledge in the
heavens or in the earth, but it is in a
Clear Book (Al¬Lauh Al¬Mahfûz).
[4] ﻟِﻴَﺠﺰِﻯَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ ﻭَﺭِﺯﻕٌ ﻛَﺮﻳﻢٌ
[4] তিনি পরিণামে যারা মুমিন ও
সৎকর্ম পরায়ণ, তাদেরকে প্রতিদান
দেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও
সম্মান জনক রিযিক।
[4] That He may recompense those who
believe (in the Oneness of Allâh Islâmic
Monotheism) and do righteous good
deeds. Those, theirs is forgiveness and
Rizq Karîm (generous provision, i.e.
Paradise).
[5] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺳَﻌَﻮ ﻓﻰ ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻣُﻌٰﺠِﺰﻳﻦَ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﻣِﻦ ﺭِﺟﺰٍ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[5] আর যারা আমার আয়াত সমূহকে
ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়,
তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক
শাস্তি।
[5] But those who strive against Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) to frustrate them, those,
for them will be a severe painful
torment.
[6] ﻭَﻳَﺮَﻯ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻌِﻠﻢَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻚَ ﻫُﻮَ
ﺍﻟﺤَﻖَّ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﺇِﻟﻰٰ ﺻِﺮٰﻁِ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰِ ﺍﻟﺤَﻤﻴﺪِ
[6] যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তারা আপনার
পালনকর্তার নিকট থেকে অবর্তীর্ণ
কোরআনকে সত্য জ্ঞান করে এবং এটা
মানুষকে পরাক্রমশালী, প্রশংসার্হ
আল্লাহর পথ প্রদর্শন করে।
[6] And those who have been given
knowledge see that what is revealed to
you (O Muhammad SAW) from your Lord
is the truth, and that it guides to the Path
of the Exalted in Might, Owner of all
praise.
[7] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻫَﻞ
ﻧَﺪُﻟُّﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺟُﻞٍ ﻳُﻨَﺒِّﺌُﻜُﻢ ﺇِﺫﺍ
ﻣُﺰِّﻗﺘُﻢ ﻛُﻞَّ ﻣُﻤَﺰَّﻕٍ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻟَﻔﻰ
ﺧَﻠﻖٍ ﺟَﺪﻳﺪٍ
[7] কাফেররা বলে, আমরা কি
তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান
দেব, যে তোমাদেরকে খবর দেয় যে;
তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে
গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে।
[7] Those who disbelieve say: “Shall we
direct you to a man (Muhammad SAW)
who will tell you (that) when you have
become fully disintegrated into dust with
full dispersion, then, you will be created
(again) anew?”
[8] ﺃَﻓﺘَﺮﻯٰ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻡ
ﺑِﻪِ ﺟِﻨَّﺔٌ ۗ ﺑَﻞِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻭَﺍﻟﻀَّﻠٰﻞِ ﺍﻟﺒَﻌﻴﺪِ
[8] সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে,
না হয় সে উম্মাদ এবং যারা পরকালে
অবিশ্বাসী, তারা আযাবে ও ঘোর
পথভ্রষ্টতায় পতিত আছে।
[8] Has he (Muhammad SAW) invented a
lie against Allâh, or is there a madness
in him? Nay, but those who disbelieve in
the Hereafter are (themselves) in a
torment, and in far error.
[9] ﺃَﻓَﻠَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺇِﻟﻰٰ ﻣﺎ ﺑَﻴﻦَ
ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ ﻭَﻣﺎ ﺧَﻠﻔَﻬُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺇِﻥ ﻧَﺸَﺄ
ﻧَﺨﺴِﻒ ﺑِﻬِﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ ﺃَﻭ
ﻧُﺴﻘِﻂ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻛِﺴَﻔًﺎ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳَﺔً
ﻟِﻜُﻞِّ ﻋَﺒﺪٍ ﻣُﻨﻴﺐٍ
[9] তারা কি তাদের সামনের ও
পশ্চাতের আকাশ ও পৃথিবীর
প্রতিলক্ষ্য করে না? আমি ইচ্ছা করলে
তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা
আকাশের কোন খন্ড তাদের উপর পতিত
করব। আল্লাহ অভিমুখী প্রত্যেক
বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন
রয়েছে।
[9] See they not what is before them and
what is behind them, of the heaven and
the earth? If We will, We shall sink the
earth with them, or cause a piece of the
heaven to fall upon them. Verily, in this
is a sign for every slave who truns to
Allah in repentance (i.e. the one who
believes in the Oneness of Allah and
performs deeds of His obedience and
always begs His Pardon).
[10] ۞ ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺀﺍﺗَﻴﻨﺎ ﺩﺍﻭۥﺩَ ﻣِﻨّﺎ
ﻓَﻀﻠًﺎ ۖ ﻳٰﺠِﺒﺎﻝُ ﺃَﻭِّﺑﻰ ﻣَﻌَﻪُ
ﻭَﺍﻟﻄَّﻴﺮَ ۖ ﻭَﺃَﻟَﻨّﺎ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺤَﺪﻳﺪَ
[10] আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ
করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে
পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে
আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং হে
পক্ষী সকল, তোমরাও। আমি তাঁর জন্য
লৌহকে নরম করে ছিলাম।
[10] And indeed We bestowed grace on
Dawud (David) from Us (saying): “O you
mountains. Glorify (Allâh) with him! And
you birds (also)! And We made the iron
soft for him.”
[11] ﺃَﻥِ ﺍﻋﻤَﻞ ﺳٰﺒِﻐٰﺖٍ ﻭَﻗَﺪِّﺭ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﺮﺩِ ۖ ﻭَﺍﻋﻤَﻠﻮﺍ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ۖ
ﺇِﻧّﻰ ﺑِﻤﺎ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺑَﺼﻴﺮٌ
[11] এবং তাকে আমি বলে ছিলাম,
প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর, কড়াসমূহ
যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম
সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি
তা দেখি।
[11] Saying: “Make you perfect coats of
mail, and balance well the rings of chain
armour, and work you (men)
righteousness. Truly, I am All¬Seer of
what you do.”
[12] ﻭَﻟِﺴُﻠَﻴﻤٰﻦَ ﺍﻟﺮّﻳﺢَ ﻏُﺪُﻭُّﻫﺎ
ﺷَﻬﺮٌ ﻭَﺭَﻭﺍﺣُﻬﺎ ﺷَﻬﺮٌ ۖ ﻭَﺃَﺳَﻠﻨﺎ
ﻟَﻪُ ﻋَﻴﻦَ ﺍﻟﻘِﻄﺮِ ۖ ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﺠِﻦِّ
ﻣَﻦ ﻳَﻌﻤَﻞُ ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻳﻪِ ﺑِﺈِﺫﻥِ
ﺭَﺑِّﻪِ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺰِﻍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻋَﻦ
ﺃَﻣﺮِﻧﺎ ﻧُﺬِﻗﻪُ ﻣِﻦ ﻋَﺬﺍﺏِ
ﺍﻟﺴَّﻌﻴﺮِ
[12] আর আমি সোলায়মানের অধীন
করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক
মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের
পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্যে
গলিত তামার এক ঝরণা প্রবাহিত
করেছিলাম। কতক জিন তার সামনে
কাজ করত তার পালনকর্তার আদেশে।
তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য
করবে, আমি জ্বলন্ত অগ্নির-শাস্তি
আস্বাদন করাব।
[12] And to Solomon (We subjected) the
wind, its morning (stride from sunrise
till midnoon) was a month’s (journey),
and its afternoon (stride from the
midday decline of the sun to sunset) was
a month’s (journey i.e. in one day he
could travel two months’ journey). And
We caused a fount of (molten) brass to
flow for him, and there were jinn that
worked in front of him, by the Leave of
his Lord, And whosoever of them turned
aside from Our Command, We shall
cause him to taste of the torment of the
blazing Fire.
[13] ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﻟَﻪُ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ
ﻣَﺤٰﺮﻳﺐَ ﻭَﺗَﻤٰﺜﻴﻞَ ﻭَﺟِﻔﺎﻥٍ
ﻛَﺎﻟﺠَﻮﺍﺏِ ﻭَﻗُﺪﻭﺭٍ ﺭﺍﺳِﻴٰﺖٍ ۚ
ﺍﻋﻤَﻠﻮﺍ ﺀﺍﻝَ ﺩﺍﻭۥﺩَ ﺷُﻜﺮًﺍ ۚ
ﻭَﻗَﻠﻴﻞٌ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻯَ ﺍﻟﺸَّﻜﻮﺭُ
[13] তারা সোলায়মানের ইচ্ছানুযায়ী
দুর্গ, ভাস্কর্য, হাউযসদৃশ বৃহদাকার পাত্র
এবং চুল্লির উপর স্থাপিত বিশাল ডেগ
নির্মাণ করত। হে দাউদ পরিবার!
কৃতজ্ঞতা সহকারে তোমরা কাজ করে
যাও। আমার বান্দাদের মধ্যে
অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ।
[13] They worked for him as he desired,
(making) high rooms, images, basins as
large as reservoirs, and (cooking)
cauldrons fixed (in their places). “Work
you, O family of Dâwud (David), with
thanks!” But few of My slaves are
grateful.
[14] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻗَﻀَﻴﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺍﻟﻤَﻮﺕَ
ﻣﺎ ﺩَﻟَّﻬُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻮﺗِﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﺩﺍﺑَّﺔُ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺗَﺄﻛُﻞُ ﻣِﻨﺴَﺄَﺗَﻪُ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ
ﺧَﺮَّ ﺗَﺒَﻴَّﻨَﺖِ ﺍﻟﺠِﻦُّ ﺃَﻥ ﻟَﻮ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﺍﻟﻐَﻴﺐَ ﻣﺎ
ﻟَﺒِﺜﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﺍﻟﻤُﻬﻴﻦِ
[14] যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু
ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে
তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল।
সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল।
যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন
জিনেরা বুঝতে পারল যে, অদৃশ্য
বিষয়ের জ্ঞান থাকলে তারা এই
লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ
থাকতো না।
[14] Then when We decreed death for
him [Sulaimân (Solomon)], nothing
informed them (jinn) of his death except
a little worm of the earth, which kept
(slowly) gnawing away at his stick, so
when he fell down, the jinn saw clearly
that if they had known the unseen, they
would not have stayed in the humiliating
torment.
[15] ﻟَﻘَﺪ ﻛﺎﻥَ ﻟِﺴَﺒَﺈٍ ﻓﻰ
ﻣَﺴﻜَﻨِﻬِﻢ ﺀﺍﻳَﺔٌ ۖ ﺟَﻨَّﺘﺎﻥِ ﻋَﻦ
ﻳَﻤﻴﻦٍ ﻭَﺷِﻤﺎﻝٍ ۖ ﻛُﻠﻮﺍ ﻣِﻦ ﺭِﺯﻕِ
ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﻭَﺍﺷﻜُﺮﻭﺍ ﻟَﻪُ ۚ ﺑَﻠﺪَﺓٌ
ﻃَﻴِّﺒَﺔٌ ﻭَﺭَﺏٌّ ﻏَﻔﻮﺭٌ
[15] সাবার অধিবাসীদের জন্যে
তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন-
দুটি উদ্যান, একটি ডানদিকে, একটি
বামদিকে। তোমরা তোমাদের
পালনকর্তার রিযিক খাও এবং তাঁর
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। স্বাস্থ্যকর
শহর এবং ক্ষমাশীল পালনকর্তা।
[15] Indeed there was for Saba’ (Sheba) a
sign in their dwelling place, – two
gardens on the right hand and on the
left (and it was said to them) “Eat of the
provision of your Lord, and be grateful
to Him, A fair land and an Oft¬Forgiving
Lord!
[16] ﻓَﺄَﻋﺮَﺿﻮﺍ ﻓَﺄَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﺳَﻴﻞَ ﺍﻟﻌَﺮِﻡِ ﻭَﺑَﺪَّﻟﻨٰﻬُﻢ
ﺑِﺠَﻨَّﺘَﻴﻬِﻢ ﺟَﻨَّﺘَﻴﻦِ ﺫَﻭﺍﺗَﻰ ﺃُﻛُﻞٍ
ﺧَﻤﻂٍ ﻭَﺃَﺛﻞٍ ﻭَﺷَﻲﺀٍ ﻣِﻦ
ﺳِﺪﺭٍ ﻗَﻠﻴﻞٍ
[16] অতঃপর তারা অবাধ্যতা করল ফলে
আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম প্রবল
বন্যা! আর তাদের উদ্যানদ্বয়কে
পরিবর্তন করে দিলাম এমন দুই উদ্যানে,
যাতে উদগত হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ
গাছ এবং সামান্য কুলবৃক্ষ।
[16] But they turned away (from the
obedience of Allâh), so We sent against
them Sail Al¬’Arim (flood released from
the dam), and We converted their two
gardens into gardens producing bitter
bad fruit, and tamarisks, and some few
lote¬trees.
[17] ﺫٰﻟِﻚَ ﺟَﺰَﻳﻨٰﻬُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ۖ
ﻭَﻫَﻞ ﻧُﺠٰﺰﻯ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻜَﻔﻮﺭَ
[17] এটা ছিল কুফরের কারণে তাদের
প্রতি আমার শাস্তি। আমি অকৃতজ্ঞ
ব্যতীত কাউকে শাস্তি দেই না।
[17] Like this We requited them because
they were ungrateful disbelievers. And
never do We requite in such a way
except those who are ungrateful,
(disbelievers).
[18] ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﻭَﺑَﻴﻦَ
ﺍﻟﻘُﺮَﻯ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺑٰﺮَﻛﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻗُﺮًﻯ
ﻇٰﻬِﺮَﺓً ﻭَﻗَﺪَّﺭﻧﺎ ﻓﻴﻬَﺎ ﺍﻟﺴَّﻴﺮَ ۖ
ﺳﻴﺮﻭﺍ ﻓﻴﻬﺎ ﻟَﻴﺎﻟِﻰَ ﻭَﺃَﻳّﺎﻣًﺎ
ﺀﺍﻣِﻨﻴﻦَ
[18] তাদের এবং যেসব জনপদের
লোকদের প্রতি আমি অনুগ্রহ
করেছিলম সেগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে
অনেক দৃশ্যমান জনপদ স্থাপন
করেছিলাম এবং সেগুলোতে ভ্রমণ
নির্ধারিত করেছিলাম। তোমরা এসব
জনপদে রাত্রে ও দিনে নিরাপদে ভ্রমণ
কর।
[18] And We placed between them and
the towns which We had blessed, towns
easy to be seen, and We made the stages
(of journey) between them easy (saying):
“Travel in them safely both by night and
day.”
[19] ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺑٰﻌِﺪ ﺑَﻴﻦَ
ﺃَﺳﻔﺎﺭِﻧﺎ ﻭَﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ
ﻓَﺠَﻌَﻠﻨٰﻬُﻢ ﺃَﺣﺎﺩﻳﺚَ ﻭَﻣَﺰَّﻗﻨٰﻬُﻢ
ﻛُﻞَّ ﻣُﻤَﺰَّﻕٍ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻜُﻞِّ ﺻَﺒّﺎﺭٍ ﺷَﻜﻮﺭٍ
[19] অতঃপর তারা বলল, হে আমাদের
পালনকর্তা, আমাদের ভ্রমণের পরিসর
বাড়িয়ে দাও। তারা নিজেদের প্রতি
জুলুম করেছিল। ফলে আমি তাদেরকে
উপাখ্যানে পরিণত করলাম এবং
সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে
দিলাম। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল
কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[19] But they said: “Our Lord! Make the
stages between our journey longer,” and
they wronged themselves, so We made
them as tales (in the land), and We
dispersed them all, totally. Verily, in this
are indeed signs for every steadfast
grateful (person).
[20] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺻَﺪَّﻕَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﺇِﺑﻠﻴﺲُ ﻇَﻨَّﻪُ ﻓَﺎﺗَّﺒَﻌﻮﻩُ ﺇِﻟّﺎ
ﻓَﺮﻳﻘًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[20] আর তাদের উপর ইবলীস তার অনুমান
সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। ফলে
তাদের মধ্যে মুমিনদের একটি দল
ব্যতীত সকলেই তার পথ অনুসরণ করল।
[20] And indeed Iblîs (Satan) did prove
true his thought about them, and they
followed him, all except a group of true
believers (in the Oneness of Allâh).
[21] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻣِﻦ
ﺳُﻠﻄٰﻦٍ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻨَﻌﻠَﻢَ ﻣَﻦ ﻳُﺆﻣِﻦُ
ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻣِﻤَّﻦ ﻫُﻮَ ﻣِﻨﻬﺎ ﻓﻰ
ﺷَﻚٍّ ۗ ﻭَﺭَﺑُّﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ
ﺣَﻔﻴﻆٌ
[21] তাদের উপর শয়তানের কোন
ক্ষমতা ছিল না, তবে কে পরকালে
বিশ্বাস করে এবং কে তাতে সন্দেহ
করে, তা প্রকাশ করাই ছিল আমার
উদ্দেশ্য। আপনার পালনকর্তা সব
বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক।
[21] And he (Iblîs Satan) had no
authority over them, except that We
might test him, who believes in the
Hereafter from him who is in doubt
about it. And your Lord is a Hafiz
(watchful) over everything. (All¬Knower
of everything i.e. He keeps record of
every person as regards deeds, and then
He will reward them accordingly).
[22] ﻗُﻞِ ﺍﺩﻋُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺯَﻋَﻤﺘُﻢ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﻻ ﻳَﻤﻠِﻜﻮﻥَ
ﻣِﺜﻘﺎﻝَ ﺫَﺭَّﺓٍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻻ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻓﻴﻬِﻤﺎ
ﻣِﻦ ﺷِﺮﻙٍ ﻭَﻣﺎ ﻟَﻪُ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻇَﻬﻴﺮٍ
[22] বলুন, তোমরা তাদেরকে আহবান
কর, যাদেরকে উপাস্য মনে করতে
আল্লাহ ব্যতীত। তারা নভোমন্ডল ও ভূ-
মন্ডলের অনু পরিমাণ কোন কিছুর
মালিক নয়, এতে তাদের কোন অংশও
নেই এবং তাদের কেউ আল্লাহর
সহায়কও নয়।
[22] Say: (O Muhammad SAW to
polytheists, pagans) “Call upon those
whom you assert (to be associate gods)
besides Allâh, they possess not even an
atom’s (or a small ant’s) weight either in
the heavens or on the earth, nor have
they any share in either, nor there is for
Him any supporter from among them.
[23] ﻭَﻻ ﺗَﻨﻔَﻊُ ﺍﻟﺸَّﻔٰﻌَﺔُ ﻋِﻨﺪَﻩُ ﺇِﻟّﺎ
ﻟِﻤَﻦ ﺃَﺫِﻥَ ﻟَﻪُ ۚ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﻓُﺰِّﻉَ
ﻋَﻦ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﺎﺫﺍ ﻗﺎﻝَ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ۖ ﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺍﻟﺤَﻖَّ ۖ ﻭَﻫُﻮَ
ﺍﻟﻌَﻠِﻰُّ ﺍﻟﻜَﺒﻴﺮُ
[23] যার জন্যে অনুমতি দেয়া হয়, তার
জন্যে ব্যতীত আল্লাহর কাছে কারও
সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। যখন তাদের
মন থেকে ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে, তখন
তারা পরস্পরে বলবে, তোমাদের
পালনকর্তা কি বললেন? তারা বলবে,
তিনি সত্য বলেছেন এবং তিনিই সবার
উপরে মহান।
[23] Intercession with Him profits not,
except for him whom He permits. So
much so that when fear is banished from
their (angels’) hearts, they (angels) say:
“What is it that your Lord has said?”
They say: “The truth. And He is the Most
High, the Most Great.”
[24] ۞ ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﻳَﺮﺯُﻗُﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ
ﻭَﺇِﻧّﺎ ﺃَﻭ ﺇِﻳّﺎﻛُﻢ ﻟَﻌَﻠﻰٰ ﻫُﺪًﻯ ﺃَﻭ
ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[24] বলুন, নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল থেকে
কে তোমাদের কে রিযিক দেয়। বলুন,
আল্লাহ। আমরা অথবা তোমরা সৎপথে
অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছি ও আছ?
[24] Say (O Muhammad SAW to
polytheists, pagans) “Who gives you
provision from the heavens and the
earth?” Say: “Allâh, And verily, (either)
we or you are rightly guided or in plain
error.”
[25] ﻗُﻞ ﻻ ﺗُﺴـَٔﻠﻮﻥَ ﻋَﻤّﺎ
ﺃَﺟﺮَﻣﻨﺎ ﻭَﻻ ﻧُﺴـَٔﻞُ ﻋَﻤّﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[25] বলুন, আমাদের অপরাধের জন্যে
তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না এবং
তোমরা যা কিছু কর, সে সম্পর্কে
আমরা জিজ্ঞাসিত হব না।
[25] Say (O Muhammad SAW to
polytheists, pagans) “You will not be
asked about our sins, nor shall we be
asked of what you do.”
[26] ﻗُﻞ ﻳَﺠﻤَﻊُ ﺑَﻴﻨَﻨﺎ ﺭَﺑُّﻨﺎ ﺛُﻢَّ
ﻳَﻔﺘَﺢُ ﺑَﻴﻨَﻨﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻭَﻫُﻮَ
ﺍﻟﻔَﺘّﺎﺡُ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
[26] বলুন, আমাদের পালনকর্তা
আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর
তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে
ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী,
সর্বজ্ঞ।
[26] Say: “Our Lord will assemble us all
together (on the Day of Resurrection),
then He will judge between us with truth.
And He is the Just judge, the All-Knower
of the true state of affairs.” (Tafsir Ibn
Kathir)
[27] ﻗُﻞ ﺃَﺭﻭﻧِﻰَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃَﻟﺤَﻘﺘُﻢ
ﺑِﻪِ ﺷُﺮَﻛﺎﺀَ ۖ ﻛَﻠّﺎ ۚ ﺑَﻞ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[27] বলুন, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর
সাথে অংশীদাররূপে সংযুক্ত করেছ,
তাদেরকে এনে আমাকে দেখাও। বরং
তিনিই আল্লাহ, পরাক্রমশীল,
প্রজ্ঞাময়।
[27] Say (O Muhammad SAW to
polytheists and pagans): “Show me those
whom you have joined with Him as
partners. Nay (there are not at all any
partners with Him)! But He is Allâh
(Alone), the All¬Mighty, the All¬Wise.”
[28] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻚَ ﺇِﻟّﺎ ﻛﺎﻓَّﺔً
ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﺑَﺸﻴﺮًﺍ ﻭَﻧَﺬﻳﺮًﺍ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ
ﺃَﻛﺜَﺮَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[28] আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির
জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে
পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা
জানে না।
[28] And We have not sent you (O
Muhammad SAW) except as a giver of
glad tidings and a warner to all
mankind, but most of men know not
[29] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﺘﻰٰ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻮَﻋﺪُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[29] তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী
হও, তবে বল, এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত
হবে?
[29] And they say: “When is this promise
(i.e. the Day of Resurrection) if you are
truthful?”
[30] ﻗُﻞ ﻟَﻜُﻢ ﻣﻴﻌﺎﺩُ ﻳَﻮﻡٍ ﻻ
ﺗَﺴﺘَـٔﺨِﺮﻭﻥَ ﻋَﻨﻪُ ﺳﺎﻋَﺔً ﻭَﻻ
ﺗَﺴﺘَﻘﺪِﻣﻮﻥَ
[30] বলুন, তোমাদের জন্যে একটি
দিনের ওয়াদা রয়েছে যাকে তোমরা
এক মহূর্তও বিলম্বিত করতে পারবে না
এবং ত্বরান্বিত ও করতে পারবে না।
[30] Say (O Muhammad SAW): “The
appointment to you is for a Day, which
you cannot put back for an hour (or a
moment) nor put forward.”
[31] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻦ
ﻧُﺆﻣِﻦَ ﺑِﻬٰﺬَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﻭَﻻ
ﺑِﺎﻟَّﺬﻯ ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻳﻪِ ۗ ﻭَﻟَﻮ ﺗَﺮﻯٰ ﺇِﺫِ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ ﻣَﻮﻗﻮﻓﻮﻥَ ﻋِﻨﺪَ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻳَﺮﺟِﻊُ ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﺇِﻟﻰٰ
ﺑَﻌﺾٍ ﺍﻟﻘَﻮﻝَ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺳﺘُﻀﻌِﻔﻮﺍ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ
ﻟَﻮﻻ ﺃَﻧﺘُﻢ ﻟَﻜُﻨّﺎ ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[31] কাফেররা বলে, আমরা কখনও এ
কোরআনে বিশ্বাস করব না এবং এর
পূর্ববর্তী কিতাবেও নয়। আপনি যদি
পাপিষ্ঠদেরকে দেখতেন, যখন
তাদেরকে তাদের পালনকর্তার সামনে
দাঁড় করানো হবে, , তখন তারা পরস্পর
কথা কাটাকাটি করবে। যাদেরকে
দুর্বল মনে করা হত, তারা
অহংকারীদেরকে বলবে, তোমরা না
থাকলে আমরা অবশ্যই মুমিন হতাম।
[31] And those who disbelieve say: “We
believe not in this Qur’ân nor in that
which was before it,” but if you could see
when the Zâlimûn (polytheists and
wrong¬doers) will be made to stand
before their Lord, how they will cast the
(blaming) word one to another! Those
who were deemed weak will say to those
who were arrogant: “Had it not been for
you, we should certainly have been
believers!”
[32] ﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘُﻀﻌِﻔﻮﺍ ﺃَﻧَﺤﻦُ
ﺻَﺪَﺩﻧٰﻜُﻢ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻬُﺪﻯٰ ﺑَﻌﺪَ ﺇِﺫ
ﺟﺎﺀَﻛُﻢ ۖ ﺑَﻞ ﻛُﻨﺘُﻢ ﻣُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[32] অহংকারীরা দুর্বলকে বলবে,
তোমাদের কাছে হেদায়েত আসার পর
আমরা কি তোমাদেরকে বাধা
দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই তো
ছিলে অপরাধী।
[32] And those who were arrogant will
say to those who were deemed weak:
“Did we keep you back from guidance
after it had come to you? Nay, but you
were Mujrimûn (polytheists, sinners,
disbeliveres, criminals).
[33] ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘُﻀﻌِﻔﻮﺍ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ ﺑَﻞ ﻣَﻜﺮُ
ﺍﻟَّﻴﻞِ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ﺇِﺫ ﺗَﺄﻣُﺮﻭﻧَﻨﺎ ﺃَﻥ
ﻧَﻜﻔُﺮَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻧَﺠﻌَﻞَ ﻟَﻪُ ﺃَﻧﺪﺍﺩًﺍ ۚ
ﻭَﺃَﺳَﺮُّﻭﺍ ﺍﻟﻨَّﺪﺍﻣَﺔَ ﻟَﻤّﺎ ﺭَﺃَﻭُﺍ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨَﺎ ﺍﻷَﻏﻠٰﻞَ ﻓﻰ
ﺃَﻋﻨﺎﻕِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ۚ ﻫَﻞ
ﻳُﺠﺰَﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[33] দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে,
বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি
চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ
দিতে যেন আমরা আল্লাহকে না মানি
এবং তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত করি
তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের
অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি
কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাব। তারা
সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা
করত।
[33] Those who were deemed weak will
say to those who were arrogant: “Nay,
but it was your plotting by night and
day, when you ordered us to disbelieve
in Allâh and set up rivals to Him!” And
each of them (parties) will conceal their
own regrets (for disobeying Allâh during
this worldly life), when they behold the
torment. And We shall put iron collars
round the necks of those who
disbelieved. Are they requited aught
except what they used to do?
[34] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﻓﻰ ﻗَﺮﻳَﺔٍ ﻣِﻦ
ﻧَﺬﻳﺮٍ ﺇِﻟّﺎ ﻗﺎﻝَ ﻣُﺘﺮَﻓﻮﻫﺎ ﺇِﻧّﺎ
ﺑِﻤﺎ ﺃُﺭﺳِﻠﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[34] কোন জনপদে সতর্ককারী প্রেরণ
করা হলেই তার বিত্তশালী
অধিবাসীরা বলতে শুরু করেছে,
তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ,
আমরা তা মানি না।
[34] And We did not send a warner to a
township, but those who were given the
worldly wealth and luxuries among them
said: “We believe not in the (Message)
with which you have been sent.”
[35] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻧَﺤﻦُ ﺃَﻛﺜَﺮُ ﺃَﻣﻮٰﻟًﺎ
ﻭَﺃَﻭﻟٰﺪًﺍ ﻭَﻣﺎ ﻧَﺤﻦُ ﺑِﻤُﻌَﺬَّﺑﻴﻦَ
[35] তারা আরও বলেছে, আমরা ধনে-
জনে সমৃদ্ধ, সুতরাং আমরা
শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।
[35] And they say: “We are more in
wealth and in children, and we are not
going to be punished.”
[36] ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﻳَﺒﺴُﻂُ ﺍﻟﺮِّﺯﻕَ
ﻟِﻤَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻘﺪِﺭُ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[36] বলুন, আমার পালনকর্তা যাকে
ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং
পরিমিত দেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ
তা বোঝে না।
[36] Say (O Muhammad SAW): “Verily,
my Lord enlarges the provision to whom
He wills and restricts, but most men
know not.”
[37] ﻭَﻣﺎ ﺃَﻣﻮٰﻟُﻜُﻢ ﻭَﻻ ﺃَﻭﻟٰﺪُﻛُﻢ
ﺑِﺎﻟَّﺘﻰ ﺗُﻘَﺮِّﺑُﻜُﻢ ﻋِﻨﺪَﻧﺎ ﺯُﻟﻔﻰٰ
ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻦ ﺀﺍﻣَﻦَ ﻭَﻋَﻤِﻞَ ﺻٰﻠِﺤًﺎ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟﻀِّﻌﻒِ
ﺑِﻤﺎ ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﻐُﺮُﻓٰﺖِ
ﺀﺍﻣِﻨﻮﻥَ
[37] তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-
সন্ততি তোমাদেরকে আমার
নিকটবর্তী করবে না। তবে যারা
বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে,
তারা তাদের কর্মের বহুগুণ প্রতিদান
পাবে এবং তারা সুউচ্চ প্রাসাদে
নিরাপদে থাকবে।
[37] And it is not your wealth, nor your
children that bring you nearer to Us (i.e.
pleases Allâh), but only he who believes
(in the Islâmic Monotheism), and does
righteous deeds (will please us); as for
such, there will be twofold reward for
what they did, and they will reside in the
high dwellings (Paradise) in peace and
security.
[38] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺴﻌَﻮﻥَ ﻓﻰ
ﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ ﻣُﻌٰﺠِﺰﻳﻦَ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻣُﺤﻀَﺮﻭﻥَ
[38] আর যারা আমার আয়াতসমূহকে
ব্যর্থ করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়,
তাদেরকে আযাবে উপস্থিত করা হবে।
[38] And those who strive against Our
Ayât (proofs, evidences, verses, lessons,
signs, revelations, etc.), to frustrate
them, will be brought to the torment.
[39] ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﻳَﺒﺴُﻂُ ﺍﻟﺮِّﺯﻕَ
ﻟِﻤَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ﻭَﻳَﻘﺪِﺭُ
ﻟَﻪُ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻘﺘُﻢ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ
ﻓَﻬُﻮَ ﻳُﺨﻠِﻔُﻪُ ۖ ﻭَﻫُﻮَ ﺧَﻴﺮُ
ﺍﻟﺮّٰﺯِﻗﻴﻦَ
[39] বলুন, আমার পালনকর্তা তাঁর
বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা রিযিক
বাড়িয়ে দেন এবং সীমিত পরিমাণে
দেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, তিনি
তার বিনিময় দেন। তিনি উত্তম রিযিক
দাতা।
[39] Say: “Truly, my Lord enlarges the
provision for whom He wills of His
slaves, and (also) restricts (it) for him,
and whatsoever you spend of anything
(in Allâh’s Cause), He will replace it. And
He is the Best of providers.”
[40] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻳَﺤﺸُﺮُﻫُﻢ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ
ﺛُﻢَّ ﻳَﻘﻮﻝُ ﻟِﻠﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ ﺃَﻫٰﺆُﻻﺀِ
ﺇِﻳّﺎﻛُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
[40] যেদিন তিনি তাদের সবাইকে
একত্রিত করবেন এবং
ফেরেশতাদেরকে বলবেন, এরা কি
তোমাদেরই পূজা করত?
[40] And (remember) the Day when He
will gather them all together, then He
will say to the angels: “Was it you that
these people used to worship?”
[41] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻚَ ﺃَﻧﺖَ ﻭَﻟِﻴُّﻨﺎ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻬِﻢ ۖ ﺑَﻞ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻥَ ﺍﻟﺠِﻦَّ ۖ ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﺑِﻬِﻢ
ﻣُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[41] ফেরেশতারা বলবে, আপনি পবিত্র,
আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই,
বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের
অধিকাংশই শয়তানে বিশ্বাসী।
[41] They (the angels) will say: “Glorified
are You! You are our Walî (Lord) instead
of them. Nay, but they used to worship
the jinn; most of them were believers in
them.”
[42] ﻓَﺎﻟﻴَﻮﻡَ ﻻ ﻳَﻤﻠِﻚُ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ
ﻟِﺒَﻌﺾٍ ﻧَﻔﻌًﺎ ﻭَﻻ ﺿَﺮًّﺍ ﻭَﻧَﻘﻮﻝُ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﺫﻭﻗﻮﺍ ﻋَﺬﺍﺏَ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﺍﻟَّﺘﻰ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺑِﻬﺎ ﺗُﻜَﺬِّﺑﻮﻥَ
[42] অতএব আজকের দিনে তোমরা
একে অপরের কোন উপকার ও অপকার
করার অধিকারী হবে না আর আমি
জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের
যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা
আস্বাদন কর।
[42] So Today (i.e. the Day of
Resurrection), none of you can profit or
harm one another. And We shall say to
those who did wrong [i.e. worshipped
others (like angels, jinn, prophets, saints,
righteous persons) along with Allâh]:
“Taste the torment of the Fire which you
used to belie.
[43] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺗُﺘﻠﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺀﺍﻳٰﺘُﻨﺎ
ﺑَﻴِّﻨٰﺖٍ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﺎ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺭَﺟُﻞٌ
ﻳُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﻳَﺼُﺪَّﻛُﻢ ﻋَﻤّﺎ ﻛﺎﻥَ
ﻳَﻌﺒُﺪُ ﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﺎ ﻫٰﺬﺍ
ﺇِﻟّﺎ ﺇِﻓﻚٌ ﻣُﻔﺘَﺮًﻯ ۚ ﻭَﻗﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟِﻠﺤَﻖِّ ﻟَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﺇِﻥ
ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺳِﺤﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[43] যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট
আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন
তারা বলে, তোমাদের বাপ-দাদারা
যার এবাদত করত এ লোকটি যে তা
থেকে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়।
তারা আরও বলে, এটা মনগড়া মিথ্যা
বৈ নয়। আর কাফেরদের কাছে যখন সত্য
আগমন করে, তখন তারা বলে, এতো এক
সুস্পষ্ট যাদু।
[43] And when Our Clear Verses are
recited to them, they say: “This
(Muhammad SAW) is naught but a man
who wishes to hinder you from that
which your fathers used to worship.”
And they say: “This (the Quran) is
nothing but an invented lie.” And those
who disbelieve say of the truth when it
has come to them (i.e. Prophet
Muhammad SAW when Allâh sent him as
a Messenger with proofs, evidences,
verses of this Quran, lessons, signs, etc.):
“This is nothing but evident magic!”
[44] ﻭَﻣﺎ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻛُﺘُﺐٍ
ﻳَﺪﺭُﺳﻮﻧَﻬﺎ ۖ ﻭَﻣﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﻗَﺒﻠَﻚَ ﻣِﻦ ﻧَﺬﻳﺮٍ
[44] আমি তাদেরকে কোন কিতাব
দেইনি, যা তারা অধ্যয়ন করবে এবং
আপনার পূর্বে তাদের কাছে কোন
সতর্ককারী প্রেরণ করিনি।
[44] And We had not given them
Scriptures which they could study, nor
sent to them before you (O Muhammad
SAW) any warner (Messenger)
[45] ﻭَﻛَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ
ﻭَﻣﺎ ﺑَﻠَﻐﻮﺍ ﻣِﻌﺸﺎﺭَ ﻣﺎ
ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢ ﻓَﻜَﺬَّﺑﻮﺍ ﺭُﺳُﻠﻰ ۖ
ﻓَﻜَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻧَﻜﻴﺮِ
[45] তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যা
আরোপ করেছে। আমি তাদেরকে যা
দিয়েছিলাম, এরা তার এক দশমাংশও
পায়নি। এরপরও তারা আমার
রাসূলগনকে মিথ্যা বলেছে। অতএব
কেমন হয়েছে আমার শাস্তি।
[45] And those before them belied; these
have not received even a tenth of what
We had granted to those (of old); yet
they belied My Messengers, Then how
(terrible) was My denial (punishment)!
[46] ۞ ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻋِﻈُﻜُﻢ
ﺑِﻮٰﺣِﺪَﺓٍ ۖ ﺃَﻥ ﺗَﻘﻮﻣﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ
ﻣَﺜﻨﻰٰ ﻭَﻓُﺮٰﺩﻯٰ ﺛُﻢَّ ﺗَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﺍ ۚ
ﻣﺎ ﺑِﺼﺎﺣِﺒِﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺟِﻨَّﺔٍ ۚ ﺇِﻥ
ﻫُﻮَ ﺇِﻟّﺎ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻟَﻜُﻢ ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻯ
ﻋَﺬﺍﺏٍ ﺷَﺪﻳﺪٍ
[46] বলুন, আমি তোমাদেরকে একটি
বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছিঃ তোমরা
আল্লাহর নামে এক একজন করে ও দু, দু
জন করে দাঁড়াও, অতঃপর চিন্তা-
ভাবনা কর-তোমাদের সঙ্গীর মধ্যে
কোন উম্মাদনা নেই। তিনি তো
আসন্ন কাঠোর শাস্তি সম্পর্কে
তোমাদেরকে সতর্ক করেন মাত্র।
[46] Say (to them O Muhammad SAW): “I
exhort you to one (thing) only: that you
stand up for Allâh’s sake in pairs and
singly, and reflect (within yourselves the
life history of the Prophet (SAW): there
is no madness in your companion
(Muhammad SAW), He is only a warner
to you in face of a severe torment.”
[47] ﻗُﻞ ﻣﺎ ﺳَﺄَﻟﺘُﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺃَﺟﺮٍ
ﻓَﻬُﻮَ ﻟَﻜُﻢ ۖ ﺇِﻥ ﺃَﺟﺮِﻯَ ﺇِﻟّﺎ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ
ﺷَﻬﻴﺪٌ
[47] বলুন, আমি তোমাদের কাছে
কোন পারিশ্রমিক চাই না বরং তা
তোমরাই রাখ। আমার পুরস্কার তো
আল্লাহর কাছে রয়েছে। প্রত্যেক বস্তুই
তাঁর সামনে।
[47] Say (O Muhammad SAW): “Whatever
wage I might have asked of you is yours.
My wage is from Allâh only. and He is a
Witness over all things.”
[48] ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑّﻰ ﻳَﻘﺬِﻑُ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻋَﻠّٰﻢُ ﺍﻟﻐُﻴﻮﺏِ
[48] বলুন, আমার পালনকর্তা সত্য দ্বীন
অবতরণ করেছেন। তিনি আলেমুল গায়ব।
[48] Say (O Muhammad SAW): “Verily!
my Lord sends down (Revelation and
makes apparent) the truth (i.e. this
Revelation that had come to me), the
All¬Knower of the Ghaib (unseen).
[49] ﻗُﻞ ﺟﺎﺀَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻭَﻣﺎ ﻳُﺒﺪِﺉُ
ﺍﻟﺒٰﻄِﻞُ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌﻴﺪُ
[49] বলুন, সত্য আগমন করেছে এবং
অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে
এবং না পারে পূনঃ প্রত্যাবর্তিত হতে।
[49] Say (O Muhammad SAW): “Al-Haqq
(the truth the Qur’ân and Allâh’s
Revealation) has come, and Al¬Bâtil
[falsehood – Iblîs (Satan)] can neither
create anything nor resurrect
(anything).”
[50] ﻗُﻞ ﺇِﻥ ﺿَﻠَﻠﺖُ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﺃَﺿِﻞُّ
ﻋَﻠﻰٰ ﻧَﻔﺴﻰ ۖ ﻭَﺇِﻥِ ﺍﻫﺘَﺪَﻳﺖُ
ﻓَﺒِﻤﺎ ﻳﻮﺣﻰ ﺇِﻟَﻰَّ ﺭَﺑّﻰ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻗَﺮﻳﺐٌ
[50] বলুন, আমি পথভ্রষ্ট হলে নিজের
ক্ষতির জন্যেই পথভ্রষ্ট হব; আর যদি
আমি সৎপথ প্রাপ্ত হই, তবে তা এ জন্যে
যে, আমার পালনকর্তা আমার প্রতি
ওহী প্রেরণ করেন। নিশ্চয় তিনি
সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী।
[50] Say: “If (even) I go astray, I shall
stray only to my own loss. But if I
remain guided, it is because of the
Revealation of my Lord to me. Truly, He
is All¬Hearer, Ever Near (to all things).”
[51] ﻭَﻟَﻮ ﺗَﺮﻯٰ ﺇِﺫ ﻓَﺰِﻋﻮﺍ ﻓَﻼ
ﻓَﻮﺕَ ﻭَﺃُﺧِﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﻣَﻜﺎﻥٍ
ﻗَﺮﻳﺐٍ
[51] যদি আপনি দে