35. সুরাহ ফাতির (01-45)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﻓﺎﻃِﺮِ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﺟﺎﻋِﻞِ ﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ ﺭُﺳُﻠًﺎ
ﺃُﻭﻟﻰ ﺃَﺟﻨِﺤَﺔٍ ﻣَﺜﻨﻰٰ ﻭَﺛُﻠٰﺚَ
ﻭَﺭُﺑٰﻊَ ۚ ﻳَﺰﻳﺪُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺨَﻠﻖِ ﻣﺎ
ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[1] সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি
আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং
ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক-
তারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার
পাখাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টি মধ্যে যা
ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ
সর্ববিষয়ে সক্ষম।
[1] All the praises and thanks are to
Allâh, the (only) Originator [or the (Only)
Creator] of the heavens and the earth,
Who made the angels messengers with
wings, – two or three or four. He
increases in creation what He wills.
Verily, Allâh is Able to do all things.
[2] ﻣﺎ ﻳَﻔﺘَﺢِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻣِﻦ
ﺭَﺣﻤَﺔٍ ﻓَﻼ ﻣُﻤﺴِﻚَ ﻟَﻬﺎ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﻳُﻤﺴِﻚ ﻓَﻼ ﻣُﺮﺳِﻞَ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِﻩِ ۚ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[2] আল্লাহ মানুষের জন্য অনুগ্রহের মধ্য
থেকে যা খুলে দেন, তা ফেরাবার কেউ
নেই এবং তিনি যা বারণ করেন, তা
কেউ প্রেরণ করতে পারে না তিনি
ব্যতিত। তিনি পরাক্রমশালী
প্রজ্ঞাময়।
[2] Whatever of mercy (i.e.of good), Allâh
may grant to mankind, none can
withhold it, and whatever He may
withhold, none can grant it thereafter.
And He is the All¬Mighty, the All¬Wise.
[3] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺍﺫﻛُﺮﻭﺍ
ﻧِﻌﻤَﺖَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۚ ﻫَﻞ ﻣِﻦ
ﺧٰﻠِﻖٍ ﻏَﻴﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺮﺯُﻗُﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ
ﻫُﻮَ ۖ ﻓَﺄَﻧّﻰٰ ﺗُﺆﻓَﻜﻮﻥَ
[3] হে মানুষ, তোমাদের প্রতি
আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর। আল্লাহ
ব্যতীত এমন কোন স্রষ্টা আছে কি, যে
তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে
রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন
উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায়
ফিরে যাচ্ছ?
[3] O mankind! Remember the Grace of
Allâh upon you! Is there any creator
other than Allâh who provides for you
from the sky (rain) and the earth? Lâ
ilâha illa Huwa (none has the right to be
worshipped but He). How then are you
turning away (from Him)?
[4] ﻭَﺇِﻥ ﻳُﻜَﺬِّﺑﻮﻙَ ﻓَﻘَﺪ ﻛُﺬِّﺑَﺖ
ﺭُﺳُﻞٌ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻚَ ۚ ﻭَﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺗُﺮﺟَﻊُ ﺍﻷُﻣﻮﺭُ
[4] তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী
বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী
পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা
হয়েছিল। আল্লাহর প্রতিই যাবতীয়
বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়।
[4] And if they belie you (O Muhammad
SAW), so were Messengers belied before
you. And to Allâh return all matters (for
decision).
[5] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺇِﻥَّ ﻭَﻋﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺣَﻖٌّ ۖ ﻓَﻼ ﺗَﻐُﺮَّﻧَّﻜُﻢُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓُ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﻻ ﻳَﻐُﺮَّﻧَّﻜُﻢ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻐَﺮﻭﺭُ
[5] হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা
সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন
তোমাদেরকে প্রতারণা না করে। এবং
সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই
তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে
প্রবঞ্চিত না করে।
[5] O mankind! Verily, the Promise of
Allâh is true. So let not this present life
deceive you, and let not the chief
deceiver (Satan) deceive you about Allâh.
[6] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦَ ﻟَﻜُﻢ ﻋَﺪُﻭٌّ
ﻓَﺎﺗَّﺨِﺬﻭﻩُ ﻋَﺪُﻭًّﺍ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺪﻋﻮﺍ
ﺣِﺰﺑَﻪُ ﻟِﻴَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻣِﻦ ﺃَﺻﺤٰﺐِ
ﺍﻟﺴَّﻌﻴﺮِ
[6] শয়তান তোমাদের শত্রু; অতএব
তাকে শত্রু রূপেই গ্রহণ কর। সে তার
দলবলকে আহবান করে যেন তারা
জাহান্নামী হয়।
[6] Surely, Shaitân (Satan) is an enemy
to you, so take (treat) him as an enemy.
He only invites his Hizb (followers) that
they may become the dwellers of the
blazing Fire.
[7] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﺷَﺪﻳﺪٌ ۖ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ
ﻭَﺃَﺟﺮٌ ﻛَﺒﻴﺮٌ
[7] যারা কুফর করে তাদের জন্যে
রয়েছে কঠোর আযাব। আর যারা ঈমান
আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে
রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
[7] Those who disbelieve, theirs will be a
severe torment; and those who believe
(in the Oneness of Allâh Islâmic
Monotheism) and do righteous good
deeds, theirs will be forgiveness and a
great reward (i.e. Paradise).
[8] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﺯُﻳِّﻦَ ﻟَﻪُ ﺳﻮﺀُ ﻋَﻤَﻠِﻪِ
ﻓَﺮَﺀﺍﻩُ ﺣَﺴَﻨًﺎ ۖ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﻀِﻞُّ
ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۖ
ﻓَﻼ ﺗَﺬﻫَﺐ ﻧَﻔﺴُﻚَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﺣَﺴَﺮٰﺕٍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﻤﺎ
ﻳَﺼﻨَﻌﻮﻥَ
[8] যাকে মন্দকর্ম শোভনীয় করে
দেখানো হয়, সে তাকে উত্তম মনে
করে, সে কি সমান যে মন্দকে মন্দ মনে
করে। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা
পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচছা সৎপথ
প্রদর্শন করেন। সুতরাং আপনি তাদের
জন্যে অনুতাপ করে নিজেকে ধ্বংস
করবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ জানেন
তারা যা করে।
[8] Is he, then, to whom the evil of his
deeds made fair¬seeming, so that he
considers it as good (equal to one who is
rightly guided)? Verily, Allâh sends
astray whom He wills, and guides whom
He wills. So destroy not yourself (O
Muhammad SAW) in sorrow for them.
Truly, Allâh is the All¬Knower of what
they do!
[9] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺭﺳَﻞَ ﺍﻟﺮِّﻳٰﺢَ
ﻓَﺘُﺜﻴﺮُ ﺳَﺤﺎﺑًﺎ ﻓَﺴُﻘﻨٰﻪُ ﺇِﻟﻰٰ
ﺑَﻠَﺪٍ ﻣَﻴِّﺖٍ ﻓَﺄَﺣﻴَﻴﻨﺎ ﺑِﻪِ ﺍﻷَﺭﺽَ
ﺑَﻌﺪَ ﻣَﻮﺗِﻬﺎ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻨُّﺸﻮﺭُ
[9] আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর
সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে।
অতঃপর আমি তা মৃত ভূ-খন্ডের দিকে
পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে
ভূ-খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে
দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান।
[9] And it is Allâh Who sends the winds,
so that they raise up the clouds, and We
drive them to a dead land, and revive
therewith the earth after its death. As
such (will be) the Resurrection!
[10] ﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻌِﺰَّﺓَ ﻓَﻠِﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻌِﺰَّﺓُ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۚ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻳَﺼﻌَﺪُ
ﺍﻟﻜَﻠِﻢُ ﺍﻟﻄَّﻴِّﺐُ ﻭَﺍﻟﻌَﻤَﻞُ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺢُ
ﻳَﺮﻓَﻌُﻪُ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻤﻜُﺮﻭﻥَ
ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺷَﺪﻳﺪٌ ۖ
ﻭَﻣَﻜﺮُ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻮَ ﻳَﺒﻮﺭُ
[10] কেউ সম্মান চাইলে জেনে রাখুন,
সমস্ত সম্মান আল্লাহরই জন্যে। তাঁরই
দিকে আরোহণ করে সৎবাক্য এবং
সৎকর্ম তাকে তুলে নেয়। যারা মন্দ
কার্যের চক্রান্তে লেগে থাকে,
তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ হবে।
[10] Whosoever desires honour, (power
and glory) then to Allâh belong all
honour, power and glory [and one can
get honour, power and glory only by
obeying and worshipping Allâh (Alone)].
To Him ascend (all) the goodly words,
and the righteous deeds exalt it (i.e. the
goodly words are not accepted by Allâh
unless and until they are followed by
good deeds), but those who plot evils,
theirs will be severe torment. And the
plotting of such will perish.
[11] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺗُﺮﺍﺏٍ
ﺛُﻢَّ ﻣِﻦ ﻧُﻄﻔَﺔٍ ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻠَﻜُﻢ
ﺃَﺯﻭٰﺟًﺎ ۚ ﻭَﻣﺎ ﺗَﺤﻤِﻞُ ﻣِﻦ ﺃُﻧﺜﻰٰ
ﻭَﻻ ﺗَﻀَﻊُ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﻌِﻠﻤِﻪِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻳُﻌَﻤَّﺮُ
ﻣِﻦ ﻣُﻌَﻤَّﺮٍ ﻭَﻻ ﻳُﻨﻘَﺺُ ﻣِﻦ
ﻋُﻤُﺮِﻩِ ﺇِﻟّﺎ ﻓﻰ ﻛِﺘٰﺐٍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺴﻴﺮٌ
[11] আল্লাহ তোমাদেরকে সৃষ্টি
করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য
থেকে, তারপর করেছেন তোমাদেরকে
যুগল। কোন নারী গর্ভধারণ করে না
এবং সন্তান প্রসব করে না; কিন্তু তাঁর
জ্ঞাতসারে। কোন বয়স্ক ব্যক্তি বয়স
পায় না। এবং তার বয়স হ্রাস পায় না;
কিন্তু তা লিখিত আছে কিতাবে।
নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
[11] And Allâh did create you (Adam)
from dust, then from Nutfah (male and
female discharge semen drops i.e.
Adam’s offspring), then He made you
pairs (male and female). And no female
conceives or gives birth, but with His
Knowledge. And no aged man is granted
a length of life, nor is a part cut off from
his life (or another man’s life), but is in
a Book (Al¬Lauh Al¬Mahfûz) Surely, that
is easy for Allâh.
[12] ﻭَﻣﺎ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻟﺒَﺤﺮﺍﻥِ
ﻫٰﺬﺍ ﻋَﺬﺏٌ ﻓُﺮﺍﺕٌ ﺳﺎﺋِﻎٌ
ﺷَﺮﺍﺑُﻪُ ﻭَﻫٰﺬﺍ ﻣِﻠﺢٌ ﺃُﺟﺎﺝٌ ۖ
ﻭَﻣِﻦ ﻛُﻞٍّ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻥَ ﻟَﺤﻤًﺎ ﻃَﺮِﻳًّﺎ
ﻭَﺗَﺴﺘَﺨﺮِﺟﻮﻥَ ﺣِﻠﻴَﺔً
ﺗَﻠﺒَﺴﻮﻧَﻬﺎ ۖ ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﻔُﻠﻚَ ﻓﻴﻪِ
ﻣَﻮﺍﺧِﺮَ ﻟِﺘَﺒﺘَﻐﻮﺍ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ
ﻭَﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[12] দু’টি সমুদ্র সমান হয় না-একটি মিঠা
ও তৃষ্ণানিবারক এবং অপরটি লোনা।
ঊভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশত
(মৎস) আহার কর এবং পরিধানে
ব্যবহার্য গয়নাগাটি আহরণ কর। তুমি
তাতে তার বুক চিরে জাহাজ চলতে
দেখ, যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ
অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
[12] And the two seas (kinds of water)
are not alike, this is fresh sweet, and
pleasant to drink, and that is salt and
bitter. And from them both you eat fresh
tender meat (fish), and derive the
ornaments that you wear. And you see
the ships cleaving (the sea¬water as they
sail through it), that you may seek of His
Bounty, and that you may give thanks.
[13] ﻳﻮﻟِﺞُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ
ﻭَﻳﻮﻟِﺞُ ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﻓِﻰ ﺍﻟَّﻴﻞِ
ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ﻛُﻞٌّ
ﻳَﺠﺮﻯ ﻟِﺄَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﻟَﻪُ ﺍﻟﻤُﻠﻚُ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﻣﺎ ﻳَﻤﻠِﻜﻮﻥَ
ﻣِﻦ ﻗِﻄﻤﻴﺮٍ
[13] তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট
করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট
করেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে
নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটি
আবর্তন করে এক নির্দিষ্ট মেয়াদ
পর্যন্ত। ইনি আল্লাহ; তোমাদের
পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর
পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক,
তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকারী
নয়।
[13] He merges the night into the day
(i.e. the decrease in the hours of the
night are added to the hours of the day),
and He merges the day into the night
(i.e. the decrease in the hours of the day
are added to the hours of the night). And
He has subjected the sun and the moon,
each runs its course for a term
appointed. Such is Allâh your Lord; His
is the kingdom. And those, whom you
invoke or call upon instead of Him, own
not even a Qitmîr (the thin membrane
over the date¬stone).
[14] ﺇِﻥ ﺗَﺪﻋﻮﻫُﻢ ﻻ ﻳَﺴﻤَﻌﻮﺍ
ﺩُﻋﺎﺀَﻛُﻢ ﻭَﻟَﻮ ﺳَﻤِﻌﻮﺍ ﻣَﺎ
ﺍﺳﺘَﺠﺎﺑﻮﺍ ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ
ﻳَﻜﻔُﺮﻭﻥَ ﺑِﺸِﺮﻛِﻜُﻢ ۚ ﻭَﻻ
ﻳُﻨَﺒِّﺌُﻚَ ﻣِﺜﻞُ ﺧَﺒﻴﺮٍ
[14] তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা
তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও
তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না।
কেয়ামতের দিন তারা তোমাদের
শেরক অস্বীকার করবে। বস্তুতঃ
আল্লাহর ন্যায় তোমাকে কেউ অবহিত
করতে পারবে না।
[14] If you invoke (or call upon) them,
they hear not your call, and if (in case)
they were to hear, they could not grant it
(your request) to you. And on the Day of
Resurrection, they will disown your
worshipping them. And none can inform
you (O Muhammad SAW) like Him Who
is the All¬Knower (of everything).
[15] ۞ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺃَﻧﺘُﻢُ
ﺍﻟﻔُﻘَﺮﺍﺀُ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻫُﻮَ
ﺍﻟﻐَﻨِﻰُّ ﺍﻟﺤَﻤﻴﺪُ
[15] হে মানুষ, তোমরা আল্লাহর
গলগ্রহ। আর আল্লাহ; তিনি অভাবমুক্ত,
প্রশংসিত।
[15] O mankind! it is you who stand in
need of Allâh, But Allâh is Rich (Free of
all needs), Worthy of all praise.
[16] ﺇِﻥ ﻳَﺸَﺄ ﻳُﺬﻫِﺒﻜُﻢ ﻭَﻳَﺄﺕِ
ﺑِﺨَﻠﻖٍ ﺟَﺪﻳﺪٍ
[16] তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে
বিলুপ্ত করে এক নতুন সৃষ্টির উদ্ভব
করবেন।
[16] If He willed, He could destroy you
and bring about a new creation.
[17] ﻭَﻣﺎ ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﻌَﺰﻳﺰٍ
[17] এটা আল্লাহর পক্ষে কঠিন নয়।
[17] And that is not hard for Allâh.
[18] ﻭَﻻ ﺗَﺰِﺭُ ﻭﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯﺭَ ﺃُﺧﺮﻯٰ ۚ
ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺪﻉُ ﻣُﺜﻘَﻠَﺔٌ ﺇِﻟﻰٰ ﺣِﻤﻠِﻬﺎ
ﻻ ﻳُﺤﻤَﻞ ﻣِﻨﻪُ ﺷَﻲﺀٌ ﻭَﻟَﻮ ﻛﺎﻥَ
ﺫﺍ ﻗُﺮﺑﻰٰ ۗ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺗُﻨﺬِﺭُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺨﺸَﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ
ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﺗَﺰَﻛّﻰٰ
ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺘَﺰَﻛّﻰٰ ﻟِﻨَﻔﺴِﻪِ ۚ ﻭَﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[18] কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না।
কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে
অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে
না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়।
আপনি কেবল তাদেরকে সতর্ক করেন,
যারা তাদের পালনকর্তাকে না
দেখেও ভয় করে এবং নামায কায়েম
করে। যে কেউ নিজের সংশোধন করে,
সে সংশোধন করে, স্বীয় কল্যাণের
জন্যেই আল্লাহর নিকটই সকলের
প্রত্যাবর্তন।
[18] And no bearer of burdens shall bear
another’s burden, and if one heavily
laden calls another to (bear) his load,
nothing of it will be lifted even though
he be near of kin. You (O Muhammad
SAW) can warn only those who fear
their Lord unseen, and perform As-Salât
(Iqâmat¬as¬Salât). And he who purifies
himself (from all kinds of sins), then he
purifies only for the benefit of his
ownself. And to Allâh is the (final)
Return (of all).
[19] ﻭَﻣﺎ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻷَﻋﻤﻰٰ
ﻭَﺍﻟﺒَﺼﻴﺮُ
[19] দৃষ্টিমান ও দৃষ্টিহীন সমান নয়।
[19] Not alike are the blind (disbelievers
in Islâmic Monotheism) and the seeing
(believers in Islâmic Monotheism).
[20] ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖُ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻨّﻮﺭُ
[20] সমান নয় অন্ধকার ও আলো।
[20] Nor are (alike) the darkness
(disbelief) and the light (Belief in Islâmic
Monotheism).
[21] ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻈِّﻞُّ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﺤَﺮﻭﺭُ
[21] সমান নয় ছায়া ও তপ্তরোদ।
[21] Nor are (alike) the shade and the
sun’s heat.
[22] ﻭَﻣﺎ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻷَﺣﻴﺎﺀُ ﻭَﻟَﺎ
ﺍﻷَﻣﻮٰﺕُ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺴﻤِﻊُ ﻣَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ۖ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺖَ ﺑِﻤُﺴﻤِﻊٍ ﻣَﻦ
ﻓِﻰ ﺍﻟﻘُﺒﻮﺭِ
[22] আরও সমান নয় জীবিত ও মৃত।
আল্লাহ শ্রবণ করান যাকে ইচ্ছা।
আপনি কবরে শায়িতদেরকে শুনাতে
সক্ষম নন।
[22] Nor are (alike) the living (i.e. the
believers) and the dead (i.e. the
disbelievers). Verily, Allâh makes whom
He wills to hear, but you cannot make
hear those who are in graves.
[23] ﺇِﻥ ﺃَﻧﺖَ ﺇِﻟّﺎ ﻧَﺬﻳﺮٌ
[23] আপনি তো কেবল একজন
সতর্ককারী।
[23] You (O Muhammad SAW) are only a
warner (i.e. your duty is to convey
Allâh’s Message to mankind but the
guidance is in Allâh’s).
[24] ﺇِﻧّﺎ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻚَ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﺑَﺸﻴﺮًﺍ
ﻭَﻧَﺬﻳﺮًﺍ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﻣِﻦ ﺃُﻣَّﺔٍ ﺇِﻟّﺎ ﺧَﻼ
ﻓﻴﻬﺎ ﻧَﺬﻳﺮٌ
[24] আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ
পাঠিয়েছি সংবাদদাতা ও
সতর্ককারীরূপে। এমন কোন সম্প্রদায়
নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি।
[24] Verily! We have sent you with the
truth, a bearer of glad tidings, and a
warner. And there never was a nation
but a warner had passed among them.
[25] ﻭَﺇِﻥ ﻳُﻜَﺬِّﺑﻮﻙَ ﻓَﻘَﺪ ﻛَﺬَّﺏَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﺟﺎﺀَﺗﻬُﻢ
ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ﻭَﺑِﺎﻟﺰُّﺑُﺮِ
ﻭَﺑِﺎﻟﻜِﺘٰﺐِ ﺍﻟﻤُﻨﻴﺮِ
[25] তারা যদি আপনার প্রতি
মিথ্যারোপ করে, তাদের
পূর্ববর্তীরাও মিথ্যারোপ করেছিল।
তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট
নিদর্শন, সহীফা এবং উজ্জল কিতাবসহ
এসেছিলেন।
[25] And if they belie you, those before
them also belied. Their Messengers came
to them with clear signs, and with the
Scriptures, and the book giving light.
[26] ﺛُﻢَّ ﺃَﺧَﺬﺕُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ۖ
ﻓَﻜَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻧَﻜﻴﺮِ
[26] অতঃপর আমি কাফেরদেরকে ধৃত
করেছিলাম। কেমন ছিল আমার আযাব!
[26] Then I took hold of those who
disbelieved, and how terrible was My
denial (punishment)!
[27] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً ﻓَﺄَﺧﺮَﺟﻨﺎ ﺑِﻪِ
ﺛَﻤَﺮٰﺕٍ ﻣُﺨﺘَﻠِﻔًﺎ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻬﺎ ۚ ﻭَﻣِﻦَ
ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝِ ﺟُﺪَﺩٌ ﺑﻴﺾٌ ﻭَﺣُﻤﺮٌ
ﻣُﺨﺘَﻠِﻒٌ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻬﺎ ﻭَﻏَﺮﺍﺑﻴﺐُ
ﺳﻮﺩٌ
[27] তুমি কি দেখনি আল্লাহ আকাশ
থেকে বৃষ্টিবর্ষণ করেন, অতঃপর
তদ্দ্বারা আমি বিভিন্ন বর্ণের ফল-মূল
উদগত করি। পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে
বিভিন্ন বর্ণের গিরিপথ-সাদা, লাল ও
নিকষ কালো কৃষ্ণ।
[27] See you not that Allâh sends down
water (rain) from the sky, and We
produce therewith fruits of varying
colours, and among the mountains are
streaks white and red, of varying colours
and (others) very black
[28] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻭَﺍﻟﺪَّﻭﺍﺏِّ
ﻭَﺍﻷَﻧﻌٰﻢِ ﻣُﺨﺘَﻠِﻒٌ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻪُ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ۗ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺨﺸَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ
ﺍﻟﻌُﻠَﻤٰﺆُﺍ۟ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﺰﻳﺰٌ ﻏَﻔﻮﺭٌ
[28] অনুরূপ ভাবে বিভিন্ন বর্ণের মানুষ,
জন্তু, চতুস্পদ প্রাণী রয়েছে। আল্লাহর
বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীরাই কেবল
তাঁকে ভয় করে। নিশ্চয় আল্লাহ
পরাক্রমশালী ক্ষমাময়।
[28] And likewise of men and
Ad¬Dawâbb (moving (living) creatures,
beasts), and cattle, of various colours. It
is only those who have knowledge among
His slaves that fear Allâh. Verily, Allâh is
All¬Mighty, Oft¬Forgiving.
[29] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺘﻠﻮﻥَ ﻛِﺘٰﺐَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ
ﻭَﺃَﻧﻔَﻘﻮﺍ ﻣِﻤّﺎ ﺭَﺯَﻗﻨٰﻬُﻢ ﺳِﺮًّﺍ
ﻭَﻋَﻼﻧِﻴَﺔً ﻳَﺮﺟﻮﻥَ ﺗِﺠٰﺮَﺓً ﻟَﻦ
ﺗَﺒﻮﺭَ
[29] যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে,
নামায কায়েম করে, এবং আমি যা
দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও
প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা
আশা কর, যাতে কখনও লোকসান হবে
না।
[29] Verily, those who recite the Book of
Allâh (this Qur’ân), and perform
As¬Salât (Iqâmat¬as¬Salât), and spend
(in charity) out of what We have
provided for them, secretly and openly,
they hope for a (sure) trade¬gain that
will never perish.
[30] ﻟِﻴُﻮَﻓِّﻴَﻬُﻢ ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻢ
ﻭَﻳَﺰﻳﺪَﻫُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺷَﻜﻮﺭٌ
[30] পরিণামে তাদেরকে আল্লাহ
তাদের সওয়াব পুরোপুরি দেবেন এবং
নিজ অনুগ্রহে আরও বেশী দেবেন।
নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।
[30] That He may pay them their wages
in full, and give them (even) more, out of
His Grace. Verily! He is Oft¬Forgiving,
Most Ready to appreciate (good deeds
and to recompense).
[31] ﻭَﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻭﺣَﻴﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻣُﺼَﺪِّﻗًﺎ ﻟِﻤﺎ
ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻳﻪِ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺑِﻌِﺒﺎﺩِﻩِ
ﻟَﺨَﺒﻴﺮٌ ﺑَﺼﻴﺮٌ
[31] আমি আপনার প্রতি যে কিতাব
প্রত্যাদেশ করেছি, তা সত্য-পূর্ববর্তী
কিতাবের সত্যায়ন কারী নিশ্চয়
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সব
জানেন, দেখেন।
[31] And what We have revealed to you
(O Muhammad SAW), of the Book (the
Qur’ân), it is the (very) truth [that you
(Muhammad SAW) and your followers
must act on its instructions], confirming
that which was (revealed) before it.
Verily! Allâh is indeed All¬Aware, and
All¬Seer of His slaves.
[32] ﺛُﻢَّ ﺃَﻭﺭَﺛﻨَﺎ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺻﻄَﻔَﻴﻨﺎ ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻧﺎ ۖ ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ
ﻇﺎﻟِﻢٌ ﻟِﻨَﻔﺴِﻪِ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣُﻘﺘَﺼِﺪٌ
ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﺳﺎﺑِﻖٌ ﺑِﺎﻟﺨَﻴﺮٰﺕِ ﺑِﺈِﺫﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻔَﻀﻞُ ﺍﻟﻜَﺒﻴﺮُ
[32] অতঃপর আমি কিতাবের অধিকারী
করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমি
আমার বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত
করেছি। তাদের কেউ কেউ নিজের
প্রতি অত্যাচারী, কেউ মধ্যপন্থা
অবলম্বনকারী এবং তাদের মধ্যে কেউ
কেউ আল্লাহর নির্দেশক্রমে কল্যাণের
পথে এগিয়ে গেছে। এটাই মহা অনুগ্রহ।
[32] Then We gave the (Book the Qur’ân)
as inheritance to such of Our slaves
whom We chose (the followers of
Muhammad SAW). Then of them are
some who wrong their ownselves, and of
them are some who follow a middle
course, and of them are some who are,
by Allâh’s Leave, foremost in good deeds.
That (inheritance of the Qur’ân), that is
indeed a great grace.
[33] ﺟَﻨّٰﺖُ ﻋَﺪﻥٍ ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻧَﻬﺎ
ﻳُﺤَﻠَّﻮﻥَ ﻓﻴﻬﺎ ﻣِﻦ ﺃَﺳﺎﻭِﺭَ ﻣِﻦ
ﺫَﻫَﺐٍ ﻭَﻟُﺆﻟُﺆًﺍ ۖ ﻭَﻟِﺒﺎﺳُﻬُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﺣَﺮﻳﺮٌ
[33] তারা প্রবেশ করবে বসবাসের
জান্নাতে। তথায় তারা স্বর্ণনির্মিত,
মোতি খচিত কংকন দ্বারা অলংকৃত
হবে। সেখানে তাদের পোশাক হবে
রেশমের।
[33] ‘Adn (Eden) Paradise (everlasting
Gardens) will they enter, therein will
they be adorned with bracelets of gold
and pearls, and their garments there will
be of silk.
[34] ﻭَﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﺃَﺫﻫَﺐَ ﻋَﻨَّﺎ ﺍﻟﺤَﺰَﻥَ ۖ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻨﺎ
ﻟَﻐَﻔﻮﺭٌ ﺷَﻜﻮﺭٌ
[34] আর তারা বলবে-সমস্ত প্রশংসা
আল্লাহর, যিনি আমাদের দূঃখ দূর
করেছেন। নিশ্চয় আমাদের পালনকর্তা
ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী।
[34] And they will say: “All the praises
and thanks are to Allâh, Who has
removed from us (all) grief. Verily, our
Lord is indeed Oft¬Forgiving, Most
Ready to appreciate (good deeds and to
recompense).
[35] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺣَﻠَّﻨﺎ ﺩﺍﺭَ ﺍﻟﻤُﻘﺎﻣَﺔِ
ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ ﻻ ﻳَﻤَﺴُّﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ
ﻧَﺼَﺐٌ ﻭَﻻ ﻳَﻤَﺴُّﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻟُﻐﻮﺏٌ
[35] যিনি স্বীয় অনুগ্রহে আমাদেরকে
বসবাসের গৃহে স্থান দিয়েছেন, তথায়
কষ্ট আমাদেরকে স্পর্শ করে না এবং
স্পর্শ করে না ক্লান্তি।
[35] Who, out of His Grace, has lodged us
in a home that will last forever; were,
toil will touch us not, nor weariness will
touch us.”
[36] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻧﺎﺭُ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻻ ﻳُﻘﻀﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻓَﻴَﻤﻮﺗﻮﺍ ﻭَﻻ ﻳُﺨَﻔَّﻒُ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﻣِﻦ ﻋَﺬﺍﺑِﻬﺎ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰﻯ ﻛُﻞَّ
ﻛَﻔﻮﺭٍ
[36] আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের
জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন।
তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না
যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের
থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে
না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই
শাস্তি দিয়ে থাকি।
[36] But those who disbelieve, (in the
Oneness of Allâh – Islâmic Monotheism)
for them will be the Fire of Hell. Neither
will it have a complete killing effect on
them so that they die, nor shall its
torment be lightened for them. Thus do
We requite every disbeliever!
[37] ﻭَﻫُﻢ ﻳَﺼﻄَﺮِﺧﻮﻥَ ﻓﻴﻬﺎ
ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺃَﺧﺮِﺟﻨﺎ ﻧَﻌﻤَﻞ ﺻٰﻠِﺤًﺎ
ﻏَﻴﺮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﻌﻤَﻞُ ۚ ﺃَﻭَﻟَﻢ
ﻧُﻌَﻤِّﺮﻛُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮُ ﻓﻴﻪِ ﻣَﻦ
ﺗَﺬَﻛَّﺮَ ﻭَﺟﺎﺀَﻛُﻢُ ﺍﻟﻨَّﺬﻳﺮُ ۖ
ﻓَﺬﻭﻗﻮﺍ ﻓَﻤﺎ ﻟِﻠﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ ﻣِﻦ
ﻧَﺼﻴﺮٍ
[37] সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে
বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের
করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব,
পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (আল্লাহ
বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা
বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার
বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু
তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন
করেছিল। অতএব আস্বাদন কর।
জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী
নেই।
[37] Therein they will cry: “Our Lord!
Bring us out, we shall do righteous good
deeds, not (the evil deeds) that we used
to do.” (Allâh will reply): “Did We not
give you lives long enough, so that
whosoever would receive admonition,
could receive it? And the warner came to
you. So taste you (the evil of your deeds).
For the Zâlimûn (polytheists and
wrong¬doers) there is no helper.”
[38] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋٰﻠِﻢُ ﻏَﻴﺐِ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﺑِﺬﺍﺕِ ﺍﻟﺼُّﺪﻭﺭِ
[38] আল্লাহ আসমান ও যমীনের অদৃশ্য
বিষয় সম্পর্কে জ্ঞাত। তিনি অন্তরের
বিষয় সম্পর্কেও সবিশেষ অবহিত।
[38] Verily, Allâh is the All¬Knower of
the unseen of the heavens and the earth.
Verily! He is the All¬Knower of that is in
the breasts.
[39] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺟَﻌَﻠَﻜُﻢ ﺧَﻠٰﺌِﻒَ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻓَﻤَﻦ ﻛَﻔَﺮَ ﻓَﻌَﻠَﻴﻪِ
ﻛُﻔﺮُﻩُ ۖ ﻭَﻻ ﻳَﺰﻳﺪُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
ﻛُﻔﺮُﻫُﻢ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻘﺘًﺎ ۖ
ﻭَﻻ ﻳَﺰﻳﺪُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﻛُﻔﺮُﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ
ﺧَﺴﺎﺭًﺍ
[39] তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে
স্বীয় প্রতিনিধি করেছেন। অতএব যে
কুফরী করবে তার কুফরী তার উপরই
বর্তাবে। কাফেরদের কুফর কেবল
তাদের পালনকর্তার ক্রোধই বৃদ্ধি
করে এবং কাফেরদের কুফর কেবল
তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।
[39] He it is Who has made you
successors generations after generations
in the earth, so whosoever disbelieves
(in Islâmic Monotheism) on him will be
his disbelief. And the disbelief of the
disbelievers adds nothing but hatred of
their Lord. And the disbelief of the
disbelievers adds nothing but loss.
[40] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺷُﺮَﻛﺎﺀَﻛُﻢُ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺃَﺭﻭﻧﻰ ﻣﺎﺫﺍ ﺧَﻠَﻘﻮﺍ ﻣِﻦَ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﻡ ﻟَﻬُﻢ ﺷِﺮﻙٌ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﺃَﻡ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢ ﻛِﺘٰﺒًﺎ
ﻓَﻬُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻴِّﻨَﺖٍ ﻣِﻨﻪُ ۚ ﺑَﻞ ﺇِﻥ
ﻳَﻌِﺪُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﺑَﻌﻀًﺎ
ﺇِﻟّﺎ ﻏُﺮﻭﺭًﺍ
[40] বলুন, তোমরা কি তোমাদের সে
শরীকদের কথা ভেবে দেখেছ,
যাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা
ডাক? তারা পৃথিবীতে কিছু সৃষ্টি করে
থাকলে আমাকে দেখাও। না আসমান
সৃষ্টিতে তাদের কোন অংশ আছে, না
আমি তাদেরকে কোন কিতাব
দিয়েছি যে, তারা তার দলীলের উপর
কায়েম রয়েছে, বরং জালেমরা একে
অপরকে কেবল প্রতারণামূলক ওয়াদা
দিয়ে থাকে।
[40] Say (O Muhammad SAW): “Tell me
or inform me (what) do you think about
your (so¬called) partner¬gods to whom
you call upon besides Allâh? show me,
what they have created of the earth? Or
have they any share in the heavens? Or
have We given them a Book, so that they
act on clear proof therefrom? Nay, the
Zâlimûn (polytheists and wrong¬doers)
promise one another nothing but
delusions.”
[41] ۞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﻤﺴِﻚُ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﺃَﻥ ﺗَﺰﻭﻻ ۚ
ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺯﺍﻟَﺘﺎ ﺇِﻥ ﺃَﻣﺴَﻜَﻬُﻤﺎ ﻣِﻦ
ﺃَﺣَﺪٍ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻩِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ
ﺣَﻠﻴﻤًﺎ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ
[41] নিশ্চয় আল্লাহ আসমান ও যমীনকে
স্থির রাখেন, যাতে টলে না যায়। যদি
এগুলো টলে যায় তবে তিনি ব্যতীত কে
এগুলোকে স্থির রাখবে? তিনি
সহনশীল, ক্ষমাশীল।
[41] Verily! Allâh grasps the heavens and
the earth lest they should move away
from their places, and if they were to
move away from their places, there is
not one that could grasp them after Him.
Truly, He is Ever Most Forbearing,
Oft¬Forgiving.
[42] ﻭَﺃَﻗﺴَﻤﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺟَﻬﺪَ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ﻟَﺌِﻦ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﻧَﺬﻳﺮٌ
ﻟَﻴَﻜﻮﻧُﻦَّ ﺃَﻫﺪﻯٰ ﻣِﻦ ﺇِﺣﺪَﻯ
ﺍﻷُﻣَﻢِ ۖ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻣﺎ
ﺯﺍﺩَﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻧُﻔﻮﺭًﺍ
[42] তারা জোর শপথ করে বলত, তাদের
কাছে কোন সতর্ককারী আগমন করলে
তারা অন্য যে কোন সম্প্রদায়
অপেক্ষা অধিকতর সৎপথে চলবে।
অতঃপর যখন তাদের কাছে সতর্ককারী
আগমন করল, তখন তাদের ঘৃণাই কেবল
বেড়ে গেল।
[42] And they swore by Allâh their most
binding oath, that if a warner came to
them, they would be more guided than
any of the nations (before them), yet
when a warner (Muhammad SAW) came
to them, it increased in them nothing but
flight (from the truth),
[43] ﺍﺳﺘِﻜﺒﺎﺭًﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻣَﻜﺮَ ﺍﻟﺴَّﻴِّﺊِ ۚ ﻭَﻻ ﻳَﺤﻴﻖُ
ﺍﻟﻤَﻜﺮُ ﺍﻟﺴَّﻴِّﺊُ ﺇِﻟّﺎ ﺑِﺄَﻫﻠِﻪِ ۚ ﻓَﻬَﻞ
ﻳَﻨﻈُﺮﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺳُﻨَّﺖَ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ ۚ
ﻓَﻠَﻦ ﺗَﺠِﺪَ ﻟِﺴُﻨَّﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﺒﺪﻳﻠًﺎ ۖ
ﻭَﻟَﻦ ﺗَﺠِﺪَ ﻟِﺴُﻨَّﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﺤﻮﻳﻠًﺎ
[43] পৃথিবীতে ঔদ্ধত্যের কারণে এবং
কুচক্রের কারণে। কুচক্র কুচক্রীদেরকেই
ঘিরে ধরে। তারা কেবল পূর্ববর্তীদের
দশারই অপেক্ষা করছে। অতএব আপনি
আল্লাহর বিধানে পরিবর্তন পাবেন না
এবং আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোন
রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।
[43] (They took to flight because of their)
arrogance in the land and their plotting
of evil. But the evil plot encompasses
only him who makes it. Then, can they
expect anything (else), but the Sunnah
(way of dealing) of the peoples of old? So
no change will you find in Allâh’s
Sunnah (way of dealing), and no turning
off will you find in Allâh’s Sunnah (way
of dealing).
[44] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺴﻴﺮﻭﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻓَﻴَﻨﻈُﺮﻭﺍ ﻛَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻭَﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﺷَﺪَّ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻗُﻮَّﺓً ۚ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻟِﻴُﻌﺠِﺰَﻩُ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﻻ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ ﻗَﺪﻳﺮًﺍ
[44] তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করে না?
করলে দেখত তাদের পূর্ববর্তীদের কি
পরিণাম হয়েছে। অথচ তারা তাদের
অপেক্ষা অধিকতর শক্তিশালী ছিল।
আকাশ ও পৃথিবীতে কোন কিছুই
আল্লাহকে অপারগ করতে পারে না।
নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ সর্বশক্তিমান।
[44] Have they not travelled in the land,
and seen what was the end of those
before them, though they were superior
to them in power? Allâh is not such that
anything in the heavens or in the earth
escapes Him. Verily, He is All¬Knowing,
All¬Omnipotent.
[45] ﻭَﻟَﻮ ﻳُﺆﺍﺧِﺬُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻨّﺎﺱَ
ﺑِﻤﺎ ﻛَﺴَﺒﻮﺍ ﻣﺎ ﺗَﺮَﻙَ ﻋَﻠﻰٰ
ﻇَﻬﺮِﻫﺎ ﻣِﻦ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻭَﻟٰﻜِﻦ
ﻳُﺆَﺧِّﺮُﻫُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۖ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَ ﺃَﺟَﻠُﻬُﻢ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻛﺎﻥَ ﺑِﻌِﺒﺎﺩِﻩِ ﺑَﺼﻴﺮًﺍ
[45] যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের
কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন,
তবে ভুপৃষ্ঠে চলমানকাউকে ছেড়ে
দিতেন না। কিন্তু তিনি এক নির্দিষ্ট
মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন।
অতঃপর যখন সে নির্দিষ্ট মেয়াদ এসে
যাবে তখন আল্লাহর সব বান্দা তাঁর
দৃষ্টিতে থাকবে।
[45] And if Allâh were to punish men for
that which they earned, He would not
leave a moving (living) creature on the
surface of the earth, but He gives them
respite to an appointed term, and when
their term comes, then verily, Allâh is
Ever All¬Seer of His slaves.
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel
# Surah Fatir Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক- তারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টি মধ্যে যা ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সক্ষম। 2. আল্লাহ মানুষের জন্য অনুগ্রহের মধ্য থেকে যা খুলে দেন, তা ফেরাবার কেউ নেই এবং তিনি যা বারণ করেন, তা কেউ প্রেরণ করতে পারে না তিনি ব্যতিত। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। 3. হে মানুষ, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর। আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন স্রষ্টা আছে কি, যে তোমাদেরকে আসমান ও যমীন থেকে রিযিক দান করে? তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। অতএব তোমরা কোথায় ফিরে যাচ্ছ? 4. তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল। আল্লাহর প্রতিই যাবতীয় বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়। 5. হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে প্রতারণা না করে। এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে। 6. শয়তান তোমাদের শত্রু; অতএব তাকে শত্রু রূপেই গ্রহণ কর। সে তার দলবলকে আহবান করে যেন তারা জাহান্নামী হয়। 7. যারা কুফর করে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার। 8. যাকে মন্দকর্ম শোভনীয় করে দেখানো হয়, সে তাকে উত্তম মনে করে, সে কি সমান যে মন্দকে মন্দ মনে করে। নিশ্চয় আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। সুতরাং আপনি তাদের জন্যে অনুতাপ করে নিজেকে ধ্বংস করবেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ জানেন তারা যা করে। 9. আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত