39. সুরাহ আল জুমার(01-75)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺗَﻨﺰﻳﻞُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰِ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢِ
[1] কিতাব অবতীর্ণ হয়েছে
পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহর
পক্ষ থেকে।
[1] The revelation of this Book (the
Qur’ân) is from Allâh, the All-Mighty, the
All-Wise.
[2] ﺇِﻧّﺎ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻓَﺎﻋﺒُﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺨﻠِﺼًﺎ ﻟَﻪُ
ﺍﻟﺪّﻳﻦَ
[2] আমি আপনার প্রতি এ কিতাব
যথার্থরূপে নাযিল করেছি। অতএব,
আপনি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর এবাদত
করুন।
[2] Verily, We have sent down the Book
to you (O Muhammad SAW) in truth: So
worship Allâh (Alone) by doing religious
deeds sincerely for Allâh’s sake only.
[3] ﺃَﻻ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﺍﻟﺨﺎﻟِﺺُ ۚ
ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﻣﺎ ﻧَﻌﺒُﺪُﻫُﻢ ﺇِﻟّﺎ
ﻟِﻴُﻘَﺮِّﺑﻮﻧﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺯُﻟﻔﻰٰ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺤﻜُﻢُ ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﻓﻰ ﻣﺎ ﻫُﻢ
ﻓﻴﻪِ ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ
ﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ ﻫُﻮَ ﻛٰﺬِﺏٌ ﻛَﻔّﺎﺭٌ
[3] জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ এবাদত
আল্লাহরই নিমিত্ত। যারা আল্লাহ
ব্যতীত অপরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে
রেখেছে এবং বলে যে, আমরা তাদের
এবাদত এ জন্যেই করি, যেন তারা
আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে
দেয়। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের মধ্যে
তাদের পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ
বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন। আল্লাহ
মিথ্যাবাদী কাফেরকে সৎপথে
পরিচালিত করেন না।
[3] Surely, the religion (i.e. the worship
and the obedience) is for Allâh only. And
those who take Auliyâ’ (protectors,
helpers, lords, gods) besides Him (say):
“We worship them only that they may
bring us near to Allâh.” Verily, Allâh will
judge between them concerning that
wherein they differ. Truly, Allâh guides
not him who is a liar, and a disbeliever.
[4] ﻟَﻮ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ ﻳَﺘَّﺨِﺬَ ﻭَﻟَﺪًﺍ
ﻟَﺎﺻﻄَﻔﻰٰ ﻣِﻤّﺎ ﻳَﺨﻠُﻖُ ﻣﺎ
ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ۖ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺍﻟﻮٰﺣِﺪُ ﺍﻟﻘَﻬّﺎﺭُ
[4] আল্লাহ যদি সন্তান গ্রহণ করার
ইচ্ছা করতেন, তবে তাঁর সৃষ্টির মধ্য
থেকে যা কিছু ইচ্ছা মনোনীত করতেন,
তিনি পবিত্র। তিনি আল্লাহ, এক
পরাক্রমশালী।
[4] Had Allâh willed to take a son (or
offspring), He could have chosen whom
He willed out of those whom He created.
But glory is to Him! (He is above such
things). He is Allâh, the One, the
Irresistible.
[5] ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۖ ﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟَّﻴﻞَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ﻭَﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟَّﻴﻞِ ۖ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺸَّﻤﺲَ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮَ ۖ
ﻛُﻞٌّ ﻳَﺠﺮﻯ ﻟِﺄَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۗ ﺃَﻻ
ﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﻐَﻔّٰﺮُ
[5] তিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি
করেছেন যথাযথভাবে। তিনি
রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত
করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা
আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সুর্য ও
চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন
প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট
সময়কাল পর্যন্ত। জেনে রাখুন, তিনি
পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
[5] He has created the heavens and the
earth with truth. He makes the night to
go in the day and makes the day to go in
the night. And He has subjected the sun
and the moon. Each running (on a fixed
course) for an appointed term. Verily, He
is the All-Mighty, the Oft-Forgiving.
[6] ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻧَﻔﺲٍ ﻭٰﺣِﺪَﺓٍ
ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻞَ ﻣِﻨﻬﺎ ﺯَﻭﺟَﻬﺎ ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ
ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻷَﻧﻌٰﻢِ ﺛَﻤٰﻨِﻴَﺔَ ﺃَﺯﻭٰﺝٍ ۚ
ﻳَﺨﻠُﻘُﻜُﻢ ﻓﻰ ﺑُﻄﻮﻥِ ﺃُﻣَّﻬٰﺘِﻜُﻢ
ﺧَﻠﻘًﺎ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﺧَﻠﻖٍ ﻓﻰ
ﻇُﻠُﻤٰﺖٍ ﺛَﻠٰﺚٍ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺑُّﻜُﻢ
ﻟَﻪُ ﺍﻟﻤُﻠﻚُ ۖ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۖ ﻓَﺄَﻧّﻰٰ
ﺗُﺼﺮَﻓﻮﻥَ
[6] তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে
একই ব্যক্তি থেকে। অতঃপর তা থেকে
তার যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি
তোমাদের জন্যে আট প্রকার চতুষ্পদ
জন্তু অবতীর্ণ করেছেন। তিনি
তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
তোমাদের মাতৃগর্ভে পর্যায়ক্রমে
একের পর এক ত্রিবিধ অন্ধকারে। তিনি
আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা,
সাম্রাজ্য তাঁরই। তিনি ব্যতীত কোন
উপাস্য নেই। অতএব, তোমরা কোথায়
বিভ্রান্ত হচ্ছ?
[6] He created you (all) from a single
person (Adam); then made from him his
wife [Hawwa’ (Eve)]. And He has sent
down for you of cattle eight pairs (of the
sheep, two, male and female; of the
goats, two, male and female; of the oxen,
two, male and female; and of the camels,
two, male and female). He creates you in
the wombs of your mothers, creation
after creation in three veils of darkness,
such is Allâh your Lord. His is the
kingdom, Lâ ilâha illa Huwa (none has
the right to be worshipped but He). How
then are you turned away?
[7] ﺇِﻥ ﺗَﻜﻔُﺮﻭﺍ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻨِﻰٌّ
ﻋَﻨﻜُﻢ ۖ ﻭَﻻ ﻳَﺮﺿﻰٰ ﻟِﻌِﺒﺎﺩِﻩِ
ﺍﻟﻜُﻔﺮَ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﺍ ﻳَﺮﺿَﻪُ
ﻟَﻜُﻢ ۗ ﻭَﻻ ﺗَﺰِﺭُ ﻭﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯﺭَ
ﺃُﺧﺮﻯٰ ۗ ﺛُﻢَّ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻜُﻢ
ﻣَﺮﺟِﻌُﻜُﻢ ﻓَﻴُﻨَﺒِّﺌُﻜُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﺬﺍﺕِ
ﺍﻟﺼُّﺪﻭﺭِ
[7] যদি তোমরা অস্বীকার কর, তবে
আল্লাহ তোমাদের থেকে বেপরওয়া।
তিনি তাঁর বান্দাদের কাফের হয়ে
পড়া পছন্দ করেন না। পক্ষান্তরে যদি
তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি
তোমাদের জন্যে তা পছন্দ করেন।
একের পাপ ভার অন্যে বহন করবে না।
অতঃপর তোমরা তোমাদের
পালনকর্তার কাছে ফিরে যাবে। তিনি
তোমাদেরকে তোমাদের কর্ম
সম্বন্ধে অবহিত করবেন। নিশ্চয় তিনি
অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও অবগত।
[7] If you disbelieve, then verily, Allâh is
not in need of you, He likes not disbelief
for His slaves. And if you are grateful (by
being believers), He is pleased therewith
for you. No bearer of burdens shall bear
the burden of another. Then to your
Lord is your return, and He will inform
you what you used to do. Verily, He is
the All-Knower of that which is in
(men’s) breasts.
[8] ۞ ﻭَﺇِﺫﺍ ﻣَﺲَّ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﺿُﺮٌّ
ﺩَﻋﺎ ﺭَﺑَّﻪُ ﻣُﻨﻴﺒًﺎ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ
ﺧَﻮَّﻟَﻪُ ﻧِﻌﻤَﺔً ﻣِﻨﻪُ ﻧَﺴِﻰَ ﻣﺎ
ﻛﺎﻥَ ﻳَﺪﻋﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ
ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟِﻠَّﻪِ ﺃَﻧﺪﺍﺩًﺍ ﻟِﻴُﻀِﻞَّ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ۚ ﻗُﻞ ﺗَﻤَﺘَّﻊ ﺑِﻜُﻔﺮِﻙَ
ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ ﻣِﻦ ﺃَﺻﺤٰﺐِ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
[8] যখন মানুষকে দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে,
তখন সে একাগ্রচিত্তে তার
পালনকর্তাকে ডাকে, অতঃপর তিনি
যখন তাকে নেয়ামত দান করেন, তখন সে
কষ্টের কথা বিস্মৃত হয়ে যায়, যার
জন্যে পূর্বে ডেকেছিল এবং আল্লাহর
সমকক্ষ স্থির করে; যাতে করে অপরকে
আল্লাহর পথ থেকে বিভ্রান্ত করে।
বলুন, তুমি তোমার কুফর সহকারে
কিছুকাল জীবনোপভোগ করে নাও।
নিশ্চয় তুমি জাহান্নামীদের
অন্তর্ভূক্ত।
[8] And when some hurt touches man, he
cries to his Lord (Allâh Alone), turning to
Him in repentance, but when He bestows
a favour upon him from Himself, he
forgets that for which he cried for
before, and he sets up rivals to Allâh, in
order to mislead others from His Path.
Say: “Take pleasure in your disbelief for
a while: surely, you are (one) of the
dwellers of the Fire!”
[9] ﺃَﻣَّﻦ ﻫُﻮَ ﻗٰﻨِﺖٌ ﺀﺍﻧﺎﺀَ ﺍﻟَّﻴﻞِ
ﺳﺎﺟِﺪًﺍ ﻭَﻗﺎﺋِﻤًﺎ ﻳَﺤﺬَﺭُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓَ ﻭَﻳَﺮﺟﻮﺍ ﺭَﺣﻤَﺔَ ﺭَﺑِّﻪِ ۗ
ﻗُﻞ ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ۗ
ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮُ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ ﺍﻷَﻟﺒٰﺐِ
[9] যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার
মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে,
পরকালের আশংকা রাখে এবং তার
পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে
কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন,
যারা জানে এবং যারা জানে না;
তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-
ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা
বুদ্ধিমান।
[9] Is one who is obedient to Allâh,
prostrating himself or standing (in
prayer) during the hours of the night,
fearing the Hereafter and hoping for the
Mercy of his Lord (like one who
disbelieves)? Say: “Are those who know
equal to those who know not?” It is only
men of understanding who will
remember (i.e. get a lesson from Allâh’s
Signs and Verses).
[10] ﻗُﻞ ﻳٰﻌِﺒﺎﺩِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ
ﺍﺗَّﻘﻮﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢ ۚ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺣﺴَﻨﻮﺍ
ﻓﻰ ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ۗ
ﻭَﺃَﺭﺽُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭٰﺳِﻌَﺔٌ ۗ ﺇِﻧَّﻤﺎ
ﻳُﻮَﻓَّﻰ ﺍﻟﺼّٰﺒِﺮﻭﻥَ ﺃَﺟﺮَﻫُﻢ
ﺑِﻐَﻴﺮِ ﺣِﺴﺎﺏٍ
[10] বলুন, হে আমার বিশ্বাসী
বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের
পালনকর্তাকে ভয় কর। যারা এ
দুনিয়াতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে
রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত।
যারা সবরকারী, তারাই তাদের
পুরস্কার পায় অগণিত।
[10] Say (O Muhammad SAW): “O My
slaves who believe (in the Oneness of
Allâh Islâmic — Monotheism), be afraid
of your Lord (Allâh) and keep your duty
to Him. Good is (the reward) for those
who do good in this world, and Allâh’s
earth is spacious (so if you cannot
worship Allâh at a place, then go to
another)! Only those who are patient
shall receive their reward in full,
without reckoning.”
[11] ﻗُﻞ ﺇِﻧّﻰ ﺃُﻣِﺮﺕُ ﺃَﻥ ﺃَﻋﺒُﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺨﻠِﺼًﺎ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺪّﻳﻦَ
[11] বলুন, আমি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর
এবাদত করতে আদিষ্ট হয়েছি।
[11] Say (O Muhammad SAW): “Verily, I
am commanded to worship Allâh (Alone)
by obeying Him and doing religious
deeds sincerely for His sake only.
[12] ﻭَﺃُﻣِﺮﺕُ ﻟِﺄَﻥ ﺃَﻛﻮﻥَ ﺃَﻭَّﻝَ
ﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
[12] আরও আদিষ্ট হয়েছি, সর্ব প্রথম
নির্দেশ পালনকারী হওয়ার জন্যে।
[12] “And I am commanded (this) in
order that I may be the first of those who
submit themselves to Allâh (in Islâm) as
Muslims.”
[13] ﻗُﻞ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺧﺎﻑُ ﺇِﻥ
ﻋَﺼَﻴﺖُ ﺭَﺑّﻰ ﻋَﺬﺍﺏَ ﻳَﻮﻡٍ
ﻋَﻈﻴﻢٍ
[13] বলুন, আমি আমার পালনকর্তার
অবাধ্য হলে এক মহাদিবসের শাস্তির
ভয় করি।
[13] Say (O Muhammad SAW): “Verily, if
I disobey my Lord, I am afraid of the
torment of a great Day.”
[14] ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺃَﻋﺒُﺪُ ﻣُﺨﻠِﺼًﺎ ﻟَﻪُ
ﺩﻳﻨﻰ
[14] বলুন, আমি নিষ্ঠার সাথে আল্লাহ
তা’আলারই এবাদত করি।
[14] Say (O Muhammad SAW) “Allâh
Alone I worship by doing religious deeds
sincerely for His sake only (and not to
show off, and not to set up rivals with
Him in worship).”
[15] ﻓَﺎﻋﺒُﺪﻭﺍ ﻣﺎ ﺷِﺌﺘُﻢ ﻣِﻦ
ﺩﻭﻧِﻪِ ۗ ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻳﻦَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮﻭﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ
ﻭَﺃَﻫﻠﻴﻬِﻢ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۗ ﺃَﻻ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺨُﺴﺮﺍﻥُ ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[15] অতএব, তোমরা আল্লাহর
পরিবর্তে যার ইচ্ছা তার এবাদত কর।
বলুন, কেয়ামতের দিন তারাই বেশী
ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যারা নিজেদের ও
পরিবারবর্গের তরফ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত
হবে। জেনে রাখ, এটাই সুস্পষ্ট ক্ষতি।
[15] So worship what you like besides
Him. Say (O Muhammad SAW): “The
losers are those who will lose themselves
and their families on the Day of
Resurrection. Verily, that will be a
manifest loss!”
[16] ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻇُﻠَﻞٌ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﻭَﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬِﻢ ﻇُﻠَﻞٌ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻳُﺨَﻮِّﻑُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻪِ ﻋِﺒﺎﺩَﻩُ ۚ ﻳٰﻌِﺒﺎﺩِ
ﻓَﺎﺗَّﻘﻮﻥِ
[16] তাদের জন্যে উপর দিক থেকে এবং
নীচের দিক থেকে আগুনের মেঘমালা
থাকবে। এ শাস্তি দ্বারা আল্লাহ তাঁর
বান্দাদেরকে সতর্ক করেন যে, হে
আমার বান্দাগণ, আমাকে ভয় কর।
[16] They shall have coverings of Fire,
above them and covering (of Fire)
beneath them; with this Allâh does
frighten His slaves: “O My slaves,
therefore fear Me!”
[17] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺟﺘَﻨَﺒُﻮﺍ ﺍﻟﻄّٰﻐﻮﺕَ
ﺃَﻥ ﻳَﻌﺒُﺪﻭﻫﺎ ﻭَﺃَﻧﺎﺑﻮﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺒُﺸﺮﻯٰ ۚ ﻓَﺒَﺸِّﺮ ﻋِﺒﺎﺩِ
[17] যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা
থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ
অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে
সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার
বান্দাদেরকে।
[17] Those who avoid At-Tâghût (false
deities) by not worshipping them and
turn to Allâh (in repentance), for them
are glad tidings; so announce the good
news to My slaves,—
[18] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺴﺘَﻤِﻌﻮﻥَ ﺍﻟﻘَﻮﻝَ
ﻓَﻴَﺘَّﺒِﻌﻮﻥَ ﺃَﺣﺴَﻨَﻪُ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫَﺪﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻫُﻢ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ ﺍﻷَﻟﺒٰﺐِ
[18] যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা
শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ
করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ
প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
[18] Those who listen to the Word [good
advice Lâ ilâha ill-allâh — (none has the
right to be worshipped but Allâh) and
Islâmic Monotheism] and follow the best
thereof (i.e. worship Allâh Alone, repent
to Him and avoid Tâghût) those are (the
ones) whom Allâh has guided and those
are men of understanding.
[19] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﺣَﻖَّ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻛَﻠِﻤَﺔُ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﺃَﻓَﺄَﻧﺖَ ﺗُﻨﻘِﺬُ ﻣَﻦ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
[19] যার জন্যে শাস্তির হুকুম অবধারিত
হয়ে গেছে আপনি কি সে
জাহান্নামীকে মুক্ত করতে পারবেন?
[19] Is, then one against whom the Word
of punishment is justified (equal to the
one who avoids evil)? Will you (O
Muhammad SAW) rescue him who is in
the Fire?
[20] ﻟٰﻜِﻦِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﻘَﻮﺍ ﺭَﺑَّﻬُﻢ
ﻟَﻬُﻢ ﻏُﺮَﻑٌ ﻣِﻦ ﻓَﻮﻗِﻬﺎ ﻏُﺮَﻑٌ
ﻣَﺒﻨِﻴَّﺔٌ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ
ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﻭَﻋﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﻻ ﻳُﺨﻠِﻒُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤﻴﻌﺎﺩَ
[20] কিন্তু যারা তাদের পালনকর্তাকে
ভয় করে, তাদের জন্যে নির্মিত রয়েছে
প্রাসাদের উপর প্রাসাদ। এগুলোর
তলদেশে নদী প্রবাহিত। আল্লাহ
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ
প্রতিশ্রুতির খেলাফ করেন না।
[20] But those who fear their Lord
(Allâh) and keep their duty to Him, for
them are built lofty rooms; one above
another under which rivers flow (i.e.
Paradise). (This is) the Promise of Allâh:
and Allâh does not fail in (His) Promise.
[21] ﺃَﻟَﻢ ﺗَﺮَ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً ﻓَﺴَﻠَﻜَﻪُ ﻳَﻨٰﺒﻴﻊَ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺛُﻢَّ ﻳُﺨﺮِﺝُ ﺑِﻪِ
ﺯَﺭﻋًﺎ ﻣُﺨﺘَﻠِﻔًﺎ ﺃَﻟﻮٰﻧُﻪُ ﺛُﻢَّ ﻳَﻬﻴﺞُ
ﻓَﺘَﺮﻯٰﻪُ ﻣُﺼﻔَﺮًّﺍ ﺛُﻢَّ ﻳَﺠﻌَﻠُﻪُ
ﺣُﻄٰﻤًﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟَﺬِﻛﺮﻯٰ
ﻟِﺄُﻭﻟِﻰ ﺍﻷَﻟﺒٰﺐِ
[21] তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ
আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন,
অতঃপর সে পানি যমীনের ঝর্ণাসমূহে
প্রবাহিত করেছেন, এরপর তদ্দ্বারা
বিভিন্ন রঙের ফসল উৎপন্ন করেন,
অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তোমরা
তা পীতবর্ণ দেখতে পাও। এরপর
আল্লাহ তাকে খড়-কুটায় পরিণত করে
দেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে
উপদেশ রয়েছে।
[21] See you not, that Allâh sends down
water (rain) from the sky, and causes it
to penetrate the earth, (and then makes
it to spring up) as water-springs and
afterward thereby produces crops of
different colours, and afterward they
wither and you see them turn yellow,
then He makes them dry and broken
pieces. Verily, in this, is a Reminder for
men of understanding.
[22] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﺷَﺮَﺡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺻَﺪﺭَﻩُ
ﻟِﻺِﺳﻠٰﻢِ ﻓَﻬُﻮَ ﻋَﻠﻰٰ ﻧﻮﺭٍ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻪِ ۚ ﻓَﻮَﻳﻞٌ ﻟِﻠﻘٰﺴِﻴَﺔِ ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ
ﻣِﻦ ﺫِﻛﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻓﻰ
ﺿَﻠٰﻞٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[22] আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে
উম্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার
পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর
মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে
এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের
ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে
দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ঠ গোমরাহীতে
রয়েছে।
[22] Is he whose breast Allâh has opened
to Islâm, so that he is in light from His
Lord (as he who is non-Muslim)? So, woe
to those whose hearts are hardened
against remembrance of Allâh! They are
in plain error!
[23] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻧَﺰَّﻝَ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﺍﻟﺤَﺪﻳﺚِ
ﻛِﺘٰﺒًﺎ ﻣُﺘَﺸٰﺒِﻬًﺎ ﻣَﺜﺎﻧِﻰَ ﺗَﻘﺸَﻌِﺮُّ
ﻣِﻨﻪُ ﺟُﻠﻮﺩُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺨﺸَﻮﻥَ
ﺭَﺑَّﻬُﻢ ﺛُﻢَّ ﺗَﻠﻴﻦُ ﺟُﻠﻮﺩُﻫُﻢ
ﻭَﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺫِﻛﺮِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻫُﺪَﻯ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﻬﺪﻯ ﺑِﻪِ ﻣَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﻀﻠِﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻤﺎ
ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻫﺎﺩٍ
[23] আল্লাহ উত্তম বাণী তথা কিতাব
নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ,
পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম
কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা
তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, এরপর
তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর
স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ
নির্দেশ, এর মাধ্যমে আল্লাহ যাকে
ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর আল্লাহ
যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন
পথপ্রদর্শক নেই।
[23] Allâh has sent down the Best
statement, a Book (this Qur’ân), its parts
resembling each other (in goodness and
truth), and oft-repeated. The skins of
those who fear their Lord shiver from it
(when they recite it or hear it). Then
their skin and their heart soften to the
remembrance of Allâh. That is the
guidance of Allâh. He Guides therewith
whom He wills and whomever Allâh
sends astray, for him there is no guide.
[24] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﺘَّﻘﻰ ﺑِﻮَﺟﻬِﻪِ ﺳﻮﺀَ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۚ ﻭَﻗﻴﻞَ
ﻟِﻠﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ ﺫﻭﻗﻮﺍ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[24] যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন তার মুখ
দ্বারা অশুভ আযাব ঠেকাবে এবং এরূপ
জালেমদেরকে বলা হবে, তোমরা যা
করতে তার স্বাদ আস্বাদন কর,-সে কি
তার সমান, যে এরূপ নয়?
[24] Is he then, who will confront with
his face the awful torment on the Day of
Resurrection (as he who enters
peacefully in Paradise)? And it will be
said to the Zâlimûn (polytheists and
wrong-doers): “Taste what you used to
earn!”
[25] ﻛَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ
ﻓَﺄَﺗﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ
ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[25] তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যারোপ
করেছিল, ফলে তাদের কাছে আযাব
এমনভাবে আসল, যা তারা কল্পনাও
করত না।
[25] Those before them belied, and so the
torment came on them from directions
they perceived not.
[26] ﻓَﺄَﺫﺍﻗَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﺨِﺰﻯَ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ۖ ﻭَﻟَﻌَﺬﺍﺏُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺃَﻛﺒَﺮُ ۚ ﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[26] অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে
পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনার স্বাদ
আস্বাদন করালেন, আর পরকালের
আযাব হবে আরও গুরুতর, যদি তারা
জানত!
[26] So Allâh made them to taste the
disgrace in the present life, but greater
is the torment of the Hereafter if they
only knew!
[27] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺿَﺮَﺑﻨﺎ ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﻓﻰ
ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﻣَﺜَﻞٍ
ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[27] আমি এ কোরআনে মানুষের জন্যে
সব দৃষ্টান্তই বর্ণনা করেছি, যাতে
তারা অনুধাবন করে;
[27] And indeed We have put forth for
men, in this Qur’ân every kind of
similitude in order that they may
remember.
[28] ﻗُﺮﺀﺍﻧًﺎ ﻋَﺮَﺑِﻴًّﺎ ﻏَﻴﺮَ ﺫﻯ
ﻋِﻮَﺝٍ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَّﻘﻮﻥَ
[28] আরবী ভাষায় এ কোরআন
বক্রতামুক্ত, যাতে তারা সাবধান হয়ে
চলে।
[28] An Arabic Qur’ân, without any
crookedness (therein) in order that they
may avoid all evil which Allâh has
ordered them to avoid, fear Him and
keep their duty to Him
[29] ﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﺭَﺟُﻠًﺎ ﻓﻴﻪِ
ﺷُﺮَﻛﺎﺀُ ﻣُﺘَﺸٰﻜِﺴﻮﻥَ ﻭَﺭَﺟُﻠًﺎ
ﺳَﻠَﻤًﺎ ﻟِﺮَﺟُﻞٍ ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮِﻳﺎﻥِ
ﻣَﺜَﻠًﺎ ۚ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ۚ ﺑَﻞ ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ
ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[29] আল্লাহ এক দৃষ্টান্ত বর্ণনা
করেছেনঃ একটি লোকের উপর পরস্পর
বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে,
আরেক ব্যক্তির প্রভু মাত্র একজন-
তাদের উভয়ের অবস্থা কি সমান? সমস্ত
প্রশংসা আল্লাহর। কিন্তু তাদের
অধিকাংশই জানে না।
[29] Allâh puts forth a similitude: a
(slave) man belonging to many partners
(like those who worship others along
with Allâh) disputing with one another,
and a (slave) man belonging entirely to
one master, (like those who worship
Allâh Alone). Are those two equal in
comparison? All the praises and thanks
are to Allâh! But most of them know not.
[30] ﺇِﻧَّﻚَ ﻣَﻴِّﺖٌ ﻭَﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻣَﻴِّﺘﻮﻥَ
[30] নিশ্চয় তোমারও মৃত্যু হবে এবং
তাদেরও মৃত্যু হবে।
[30] Verily, you (O Muhammad SAW) will
die and verily, they (too) will die.
[31] ﺛُﻢَّ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻋِﻨﺪَ
ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﺗَﺨﺘَﺼِﻤﻮﻥَ
[31] অতঃপর কেয়ামতের দিন তোমরা
সবাই তোমাদের পালনকর্তার সামনে
কথা কাটাকাটি করবে।
[31] Then, on the Day of Resurrection,
you will be disputing before your Lord.
[32] ۞ ﻓَﻤَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦ ﻛَﺬَﺏَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻛَﺬَّﺏَ ﺑِﺎﻟﺼِّﺪﻕِ ﺇِﺫ
ﺟﺎﺀَﻩُ ۚ ﺃَﻟَﻴﺲَ ﻓﻰ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ
ﻣَﺜﻮًﻯ ﻟِﻠﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[32] যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে
মিথ্যা বলে এবং তার কাছে সত্য
আগমন করার পর তাকে মিথ্যা সাব্যস্ত
করে, তার চেয়ে অধিক যালেম আর কে
হবে? কাফেরদের বাসস্থান
জাহান্নামে নয় কি?
[32] Then, who does more wrong than
one who utters a lie against Allâh, and
denies the truth [this Qur’ân, the Prophet
(Muhammad SAW), and the Islâmic
Monotheism] when it comes to him! Is
there not in Hell an abode for the
disbelievers?
[33] ﻭَﺍﻟَّﺬﻯ ﺟﺎﺀَ ﺑِﺎﻟﺼِّﺪﻕِ
ﻭَﺻَﺪَّﻕَ ﺑِﻪِ ۙ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻮﻥَ
[33] যারা সত্য নিয়ে আগমন করছে এবং
সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে; তারাই
তো খোদাভীরু।
[33] And he (Muhammad SAW) who has
brought the truth (this Qur’ân and
Islâmic Monotheism) and (those who)
believed therein (i.e. the true believers of
Islâmic Monotheism), those are Al-
Muttaqûn (the pious and righteous
persons – see V.2:2)
[34] ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀﻭﻥَ ﻋِﻨﺪَ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[34] তাদের জন্যে পালনকর্তার কাছে
তাই রয়েছে, যা তারা চাইবে। এটা
সৎকর্মীদের পুরস্কার।
[34] They shall have all that they will
desire with their Lord. That is the
reward of Muhsinûn (good-doers – see
the footnote of V.9:120)
[35] ﻟِﻴُﻜَﻔِّﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨﻬُﻢ ﺃَﺳﻮَﺃَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻋَﻤِﻠﻮﺍ ﻭَﻳَﺠﺰِﻳَﻬُﻢ
ﺃَﺟﺮَﻫُﻢ ﺑِﺄَﺣﺴَﻦِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[35] যাতে আল্লাহ তাদের মন্দ কর্মসমূহ
মার্জনা করেন এবং তাদের উত্তম
কর্মের পুরস্কার তাদেরকে দান করেন।
[35] So that Allâh may expiate from them
the evil of what they did and give them
the reward, according to the best of what
they used to do
[36] ﺃَﻟَﻴﺲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜﺎﻑٍ ﻋَﺒﺪَﻩُ ۖ
ﻭَﻳُﺨَﻮِّﻓﻮﻧَﻚَ ﺑِﺎﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﺩﻭﻧِﻪِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﻀﻠِﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻤﺎ
ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻫﺎﺩٍ
[36] আল্লাহ কি তাঁর বান্দার পক্ষে
যথেষ্ট নন? অথচ তারা আপনাকে
আল্লাহর পরিবর্তে অন্যান্য
উপাস্যদের ভয় দেখায়। আল্লাহ যাকে
গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক
নেই।
[36] Is not Allâh Sufficient for His slave?
Yet they try to frighten you with those
(whom they worship) besides Him! And
whom Allâh sends astray, for him there
will be no guide.
[37] ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻬﺪِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻤﺎ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ
ﻣُﻀِﻞٍّ ۗ ﺃَﻟَﻴﺲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻌَﺰﻳﺰٍ ﺫِﻯ
ﺍﻧﺘِﻘﺎﻡٍ
[37] আর আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন
করেন, তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই।
আল্লাহ কি পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ
গ্রহণকারী নন?
[37] And whomsoever Allâh guides, for
him there will be no misleader. Is not
Allâh All-Mighty, Possessor of
Retribution?
[38] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺳَﺄَﻟﺘَﻬُﻢ ﻣَﻦ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻟَﻴَﻘﻮﻟُﻦَّ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻗُﻞ ﺃَﻓَﺮَﺀَﻳﺘُﻢ ﻣﺎ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻥ ﺃَﺭﺍﺩَﻧِﻰَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﻀُﺮٍّ ﻫَﻞ ﻫُﻦَّ ﻛٰﺸِﻔٰﺖُ ﺿُﺮِّﻩِ
ﺃَﻭ ﺃَﺭﺍﺩَﻧﻰ ﺑِﺮَﺣﻤَﺔٍ ﻫَﻞ ﻫُﻦَّ
ﻣُﻤﺴِﻜٰﺖُ ﺭَﺣﻤَﺘِﻪِ ۚ ﻗُﻞ
ﺣَﺴﺒِﻰَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻳَﺘَﻮَﻛَّﻞُ
ﺍﻟﻤُﺘَﻮَﻛِّﻠﻮﻥَ
[38] যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস
করেন, আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি
করেছে? তারা অবশ্যই বলবে-আল্লাহ।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি
আল্লাহ আমার অনিষ্ট করার ইচ্ছা
করেন, তবে তোমরা আল্লাহ ব্যতীত
যাদেরকে ডাক, তারা কি সে অনিষ্ট
দূর করতে পারবে? অথবা তিনি আমার
প্রতি রহমত করার ইচ্ছা করলে তারা কি
সে রহমত রোধ করতে পারবে? বলুন,
আমার পক্ষে আল্লাহই যথেষ্ট।
নির্ভরকারীরা তাঁরই উপর নির্ভর করে।
[38] And verily, if you ask them: “Who
created the heavens and the earth?”
Surely, they will say: “Allâh (has created
them).” Say: “Tell me then, the things that
you invoke besides Allâh, if Allâh
intended some harm for me, could they
remove His harm, or if He (Allâh)
intended some mercy for me, could they
withhold His Mercy?” Say : “Sufficient
for me is Allâh; in Him those who trust
(i.e. believers) must put their trust.”
[39] ﻗُﻞ ﻳٰﻘَﻮﻡِ ﺍﻋﻤَﻠﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﻣَﻜﺎﻧَﺘِﻜُﻢ ﺇِﻧّﻰ ﻋٰﻤِﻞٌ ۖ ﻓَﺴَﻮﻑَ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[39] বলুন, হে আমার কওম, তোমরা
তোমাদের জায়গায় কাজ কর, আমিও
কাজ করছি। সত্ত্বরই জানতে পারবে।
[39] Say: (O Muhammad SAW) “O My
people! Work according to your way, I
am working (according to my way). Then
you will come to know,
[40] ﻣَﻦ ﻳَﺄﺗﻴﻪِ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻳُﺨﺰﻳﻪِ
ﻭَﻳَﺤِﻞُّ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻣُﻘﻴﻢٌ
[40] কার কাছে অবমাননাকর আযাব
এবং চিরস্থায়ী শাস্তি নেমে আসে।
[40] “To whom comes a disgracing
torment, and on whom descends an
everlasting torment.”
[41] ﺇِﻧّﺎ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﻟِﻠﻨّﺎﺱِ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۖ ﻓَﻤَﻦِ ﺍﻫﺘَﺪﻯٰ
ﻓَﻠِﻨَﻔﺴِﻪِ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﺿَﻞَّ ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ
ﻳَﻀِﻞُّ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ۖ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺖَ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺑِﻮَﻛﻴﻞٍ
[41] আমি আপনার প্রতি সত্য ধর্মসহ
কিতাব নাযিল করেছি মানুষের
কল্যাণকল্পে। অতঃপর যে সৎপথে আসে,
সে নিজের কল্যাণের জন্যেই আসে,
আর যে পথভ্রষ্ট হয়, সে নিজেরই
অনিষ্টের জন্যে পথভ্রষ্ট হয়। আপনি
তাদের জন্যে দায়ী নন।
[41] Verily, We have sent down to you (O
Muhammad SAW) the Book (this Qur’ân)
for mankind in truth. So whosoever
accepts the guidance, it is only for his
ownself, and whosoever goes astray, he
goes astray only for his (own) loss. And
you (O Muhammad SAW) are not a Wakîl
(trustee or disposer of affairs, or
guardian) over them.
[42] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺘَﻮَﻓَّﻰ ﺍﻷَﻧﻔُﺲَ
ﺣﻴﻦَ ﻣَﻮﺗِﻬﺎ ﻭَﺍﻟَّﺘﻰ ﻟَﻢ ﺗَﻤُﺖ
ﻓﻰ ﻣَﻨﺎﻣِﻬﺎ ۖ ﻓَﻴُﻤﺴِﻚُ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﻗَﻀﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬَﺎ ﺍﻟﻤَﻮﺕَ ﻭَﻳُﺮﺳِﻞُ
ﺍﻷُﺧﺮﻯٰ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ۚ ﺇِﻥَّ
ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻝَﺀﺍﻳٰﺖٍ ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[42] আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন
তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার
নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু
অবধারিত করেন, তার প্রাণ ছাড়েন না
এবং অন্যান্যদের ছেড়ে দেন এক
নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে
চিন্তাশীল লোকদের জন্যে
নিদর্শনাবলী রয়েছে।
[42] It is Allâh Who takes away the souls
at the time of their death, and those that
die not during their sleep. He keeps
those (souls) for which He has ordained
death and sends the rest for a term
appointed. Verily, in this are signs for a
people who think deeply.
[43] ﺃَﻡِ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺷُﻔَﻌﺎﺀَ ۚ ﻗُﻞ ﺃَﻭَﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻻ
ﻳَﻤﻠِﻜﻮﻥَ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[43] তারা কি আল্লাহ ব্যতীত
সুপারিশকারী গ্রহণ করেছে? বলুন,
তাদের কোন এখতিয়ার না থাকলেও
এবং তারা না বুঝলেও?
[43] Have they taken (others) as
intercessors besides Allâh? Say: “Even if
they have power over nothing whatever
and have no intelligence?”
[44] ﻗُﻞ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟﺸَّﻔٰﻌَﺔُ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ۖ
ﻟَﻪُ ﻣُﻠﻚُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ
ﺛُﻢَّ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺗُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[44] বলুন, সমস্ত সুপারিশ আল্লাহরই
ক্ষমতাধীন, আসমান ও যমীনে তাঁরই
সাম্রাজ্য। অতঃপর তাঁরই কাছে
তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
[44] Say: “To Allâh belongs all
intercession. His is the Sovereignty of
the heavens and the earth, Then to Him
you shall be brought back.”
[45] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺫُﻛِﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺣﺪَﻩُ
ﺍﺷﻤَﺄَﺯَّﺕ ﻗُﻠﻮﺏُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۖ ﻭَﺇِﺫﺍ
ﺫُﻛِﺮَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ ﺇِﺫﺍ ﻫُﻢ
ﻳَﺴﺘَﺒﺸِﺮﻭﻥَ
[45] যখন খাঁটিভাবে আল্লাহর নাম
উচ্চারণ করা হয়, তখন যারা পরকালে
বিশ্বাস করে না, তাদের অন্তর
সংকুচিত হয়ে যায়, আর যখন আল্লাহ
ব্যতীত অন্য উপাস্যদের নাম উচ্চারণ
করা হয়, তখন তারা আনন্দে উল্লসিত
হয়ে উঠে।
[45] And when Allâh Alone is mentioned,
the hearts of those who believe not in the
Hereafter are filled with disgust (from
the Oneness of Allâh () and when
those (whom they obey or worship)
besides Him [like all false deities other
than Allâh, it may be a Messenger, an
angel, a pious man, a jinn, or any other
creature even idols, graves of religious
people, saints, priests, monks and others]
are mentioned, behold, they rejoice!
[46] ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﻓﺎﻃِﺮَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ﻋٰﻠِﻢَ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ
ﻭَﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓِ ﺃَﻧﺖَ ﺗَﺤﻜُﻢُ ﺑَﻴﻦَ
ﻋِﺒﺎﺩِﻙَ ﻓﻰ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻓﻴﻪِ
ﻳَﺨﺘَﻠِﻔﻮﻥَ
[46] বলুন, হে আল্লাহ আসমান ও
যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের
জ্ঞানী, আপনিই আপনার বান্দাদের
মধ্যে ফয়সালা করবেন, যে বিষয়ে
তারা মত বিরোধ করত।
[46] Say (O Muhammad SAW): “O Allâh!
Creator of the heavens and the earth!
All-Knower of the Ghaib (unseen) and
the seen. You will judge between your
slaves about that wherein they used to
differ.”
[47] ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻥَّ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﻣﺎ
ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﻭَﻣِﺜﻠَﻪُ
ﻣَﻌَﻪُ ﻟَﺎﻓﺘَﺪَﻭﺍ ﺑِﻪِ ﻣِﻦ ﺳﻮﺀِ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۚ ﻭَﺑَﺪﺍ
ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻟَﻢ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ
ﻳَﺤﺘَﺴِﺒﻮﻥَ
[47] যদি গোনাহগারদের কাছে
পৃথিবীর সবকিছু থাকে এবং তার সাথে
সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে অবশ্যই
তারা কেয়ামতের দিন সে সবকিছুই
নিস্কৃতি পাওয়ার জন্যে মুক্তিপন
হিসেবে দিয়ে দেবে। অথচ তারা
দেখতে পাবে, আল্লাহর পক্ষ থেকে
এমন শাস্তি, যা তারা কল্পনাও করত
না।
[47] And those who did wrong (the
polytheists and disbelievers in the
Oneness of Allâh), if they had all that is
in earth and therewith as much again,
they verily, would offer it to ransom
themselves therewith on the Day of
Resurrection from the evil torment, and
there will become apparent to them from
Allâh, what they had not been reckoning
[48] ﻭَﺑَﺪﺍ ﻟَﻬُﻢ ﺳَﻴِّـٔﺎﺕُ ﻣﺎ
ﻛَﺴَﺒﻮﺍ ﻭَﺣﺎﻕَ ﺑِﻬِﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﺑِﻪِ ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[48] আর দেখবে, তাদের দুস্কর্মসমূহ
এবং যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ
করত, তা তাদেরকে ঘিরে নেবে।
[48] And the evils of that which they
earned will become apparent to them,
and that which they used to mock at will
encircled them.
[49] ﻓَﺈِﺫﺍ ﻣَﺲَّ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ ﺿُﺮٌّ
ﺩَﻋﺎﻧﺎ ﺛُﻢَّ ﺇِﺫﺍ ﺧَﻮَّﻟﻨٰﻪُ ﻧِﻌﻤَﺔً
ﻣِﻨّﺎ ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃﻭﺗﻴﺘُﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻋِﻠﻢٍ ۚ ﺑَﻞ ﻫِﻰَ ﻓِﺘﻨَﺔٌ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ
ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[49] মানুষকে যখন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে,
তখন সে আমাকে ডাকতে শুরু করে, এরপর
আমি যখন তাকে আমার পক্ষ থেকে
নেয়ামত দান করি, তখন সে বলে, এটা
তো আমি পূর্বের জানা মতেই প্রাপ্ত
হয়েছি। অথচ এটা এক পরীক্ষা, কিন্তু
তাদের অধিকাংশই বোঝে না।
[49] When harm touches man, he calls to
Us (for help), then when We have
(rescued him from that harm and)
changed it into a favour from Us, he
says: “Only because of knowledge (that I
possess) I obtained it.” Nay, it is only a
trial, but most of them know not!
[50] ﻗَﺪ ﻗﺎﻟَﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻓَﻤﺎ ﺃَﻏﻨﻰٰ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻣﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[50] তাদের পূর্ববর্তীরাও তাই বলত,
অতঃপর তাদের কৃতকর্ম তাদের কোন
উপকারে আসেনি।
[50] Verily, those before them said it, yet
(all) that they had earned availed them
not.
[51] ﻓَﺄ