4. সুরা আন- নিসা (01-176)


হেِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺍﺗَّﻘﻮﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢُ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻧَﻔﺲٍ
ﻭٰﺣِﺪَﺓٍ ﻭَﺧَﻠَﻖَ ﻣِﻨﻬﺎ ﺯَﻭﺟَﻬﺎ
ﻭَﺑَﺚَّ ﻣِﻨﻬُﻤﺎ ﺭِﺟﺎﻟًﺎ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ
ﻭَﻧِﺴﺎﺀً ۚ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﺗَﺴﺎﺀَﻟﻮﻥَ ﺑِﻪِ ﻭَﺍﻷَﺭﺣﺎﻡَ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺭَﻗﻴﺒًﺎ
[1] হে মানব সমাজ! তোমরা
তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর,
যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে
সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে
তার সঙ্গীনীকে সৃষ্টি করেছেন; আর
বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে
অগণিত পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয়
কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের
নিকট যাচঞ্ঝা করে থাক এবং আত্নীয়
জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা
অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ
তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন।
[1] O mankind! Be dutiful to your Lord,
Who created you from a single person
(Adam), and from him (Adam) He
created his wife [Hawwa (Eve)], and
from them both He created many men
and women; and fear Allâh through
Whom you demand (your mutual rights),
and (do not cut the relations of) the
wombs (kinship). Surely, Allâh is Ever an
All¬Watcher over you.
[2] ﻭَﺀﺍﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻴَﺘٰﻤﻰٰ ﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ ۖ
ﻭَﻻ ﺗَﺘَﺒَﺪَّﻟُﻮﺍ ﺍﻟﺨَﺒﻴﺚَ
ﺑِﺎﻟﻄَّﻴِّﺐِ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﺍ ﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ
ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻣﻮٰﻟِﻜُﻢ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﺣﻮﺑًﺎ
ﻛَﺒﻴﺮًﺍ
[2] এতীমদেরকে তাদের সম্পদ বুঝিয়ে
দাও। খারাপ মালামালের সাথে
ভালো মালামালের অদল-বদল করো
না। আর তাদের ধন-সম্পদ নিজেদের ধন-
সম্পদের সাথে সংমিশ্রিত করে তা
গ্রাস করো না। নিশ্চয় এটা বড়ই মন্দ
কাজ।
[2] And give unto orphans their property
and do not exchange (your) bad things
for (their) good ones; and devour not
their substance (by adding it) to your
substance. Surely, this is a great sin.
[3] ﻭَﺇِﻥ ﺧِﻔﺘُﻢ ﺃَﻟّﺎ ﺗُﻘﺴِﻄﻮﺍ
ﻓِﻰ ﺍﻟﻴَﺘٰﻤﻰٰ ﻓَﺎﻧﻜِﺤﻮﺍ ﻣﺎ
ﻃﺎﺏَ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ ﻣَﺜﻨﻰٰ
ﻭَﺛُﻠٰﺚَ ﻭَﺭُﺑٰﻊَ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﺧِﻔﺘُﻢ ﺃَﻟّﺎ
ﺗَﻌﺪِﻟﻮﺍ ﻓَﻮٰﺣِﺪَﺓً ﺃَﻭ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ
ﺃَﻳﻤٰﻨُﻜُﻢ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﺩﻧﻰٰ ﺃَﻟّﺎ
ﺗَﻌﻮﻟﻮﺍ
[3] আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম
মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে
পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে
থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে
করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি
পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে,
তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায়
রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা
তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে;
এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার
অধিকতর সম্ভাবনা।
[3] And if you fear that you shall not be
able to deal justly with the orphan¬girls,
then marry (other) women of your
choice, two or three, or four but if you
fear that you shall not be able to deal
justly (with them), then only one or
(slaves) that your right hands possess.
That is nearer to prevent you from doing
injustice.
[4] ﻭَﺀﺍﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀَ ﺻَﺪُﻗٰﺘِﻬِﻦَّ
ﻧِﺤﻠَﺔً ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻃِﺒﻦَ ﻟَﻜُﻢ ﻋَﻦ
ﺷَﻲﺀٍ ﻣِﻨﻪُ ﻧَﻔﺴًﺎ ﻓَﻜُﻠﻮﻩُ ﻫَﻨﻴـًٔﺎ
ﻣَﺮﻳـًٔﺎ
[4] আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের
মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি
খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়,
তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ
কর।
[4] And give to the women (whom you
marry) their Mahr (obligatory bridal-
money given by the husband to his wife
at the time of marriage) with a good
heart, but if they, of their own good
pleasure, remit any part of it to you, take
it, and enjoy it without fear of any harm
(as Allâh has made it lawful).
[5] ﻭَﻻ ﺗُﺆﺗُﻮﺍ ﺍﻟﺴُّﻔَﻬﺎﺀَ
ﺃَﻣﻮٰﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟَّﺘﻰ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢ
ﻗِﻴٰﻤًﺎ ﻭَﺍﺭﺯُﻗﻮﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﻭَﺍﻛﺴﻮﻫُﻢ ﻭَﻗﻮﻟﻮﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻗَﻮﻟًﺎ
ﻣَﻌﺮﻭﻓًﺎ
[5] আর যে সম্পদকে আল্লাহ
তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন
করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে
দিও না। বরং তা থেকে তাদেরকে
খাওয়াও, পরাও এবং তাদেরকে
সান্তনার বানী শোনাও।
[5] And give not unto the foolish your
property which Allâh has made a means
of support for you, but feed and clothe
them therewith, and speak to them
words of kindness and justice.
[6] ﻭَﺍﺑﺘَﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻴَﺘٰﻤﻰٰ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ
ﺑَﻠَﻐُﻮﺍ ﺍﻟﻨِّﻜﺎﺡَ ﻓَﺈِﻥ ﺀﺍﻧَﺴﺘُﻢ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﺭُﺷﺪًﺍ ﻓَﺎﺩﻓَﻌﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻫﺎ ﺇِﺳﺮﺍﻓًﺎ
ﻭَﺑِﺪﺍﺭًﺍ ﺃَﻥ ﻳَﻜﺒَﺮﻭﺍ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ
ﻏَﻨِﻴًّﺎ ﻓَﻠﻴَﺴﺘَﻌﻔِﻒ ۖ ﻭَﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ
ﻓَﻘﻴﺮًﺍ ﻓَﻠﻴَﺄﻛُﻞ ﺑِﺎﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ ۚ
ﻓَﺈِﺫﺍ ﺩَﻓَﻌﺘُﻢ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ
ﻓَﺄَﺷﻬِﺪﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ ﻭَﻛَﻔﻰٰ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﺣَﺴﻴﺒًﺎ
[6] আর এতীমদের প্রতি বিশেষভাবে
নজর রাখবে, যে পর্যন্ত না তারা
বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে
বুদ্ধি-বিবেচনার উন্মেষ আঁচ করতে
পার, তবে তাদের সম্পদ তাদের হাতে
অর্পন করতে পার। এতীমের মাল
প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ করো না বা
তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে
তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলো না। যারা
স্বচ্ছল তারা অবশ্যই এতীমের মাল খরচ
করা থেকে বিরত থাকবে। আর যে
অভাবগ্রস্ত সে সঙ্গত পরিমাণ খেতে
পারে। যখন তাদের হাতে তাদের সম্পদ
প্রত্যার্পণ কর, তখন সাক্ষী রাখবে।
অবশ্য আল্লাহই হিসাব নেয়ার
ব্যাপারে যথেষ্ট।
[6] And try orphans (as regards their
intelligence) until they reach the age of
marriage; if then you find sound
judgement in them, release their
property to them, but consume it not
wastefully, and hastily fearing that they
should grow up, and whoever (amongst
guardians) is rich, he should take no
wages, but if he is poor, let him have for
himself what is just and reasonable
(according to his labour). And when you
release their property to them, take
witness in their presence; and Allâh is
All¬Sufficient in taking account.
[7] ﻟِﻠﺮِّﺟﺎﻝِ ﻧَﺼﻴﺐٌ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻙَ
ﺍﻟﻮٰﻟِﺪﺍﻥِ ﻭَﺍﻷَﻗﺮَﺑﻮﻥَ ﻭَﻟِﻠﻨِّﺴﺎﺀِ
ﻧَﺼﻴﺐٌ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻙَ ﺍﻟﻮٰﻟِﺪﺍﻥِ
ﻭَﺍﻷَﻗﺮَﺑﻮﻥَ ﻣِﻤّﺎ ﻗَﻞَّ ﻣِﻨﻪُ ﺃَﻭ
ﻛَﺜُﺮَ ۚ ﻧَﺼﻴﺒًﺎ ﻣَﻔﺮﻭﺿًﺎ
[7] পিতা-মাতা ও আত্নীয়-স্বজনদের
পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদেরও অংশ
আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্নীয়-
স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে
নারীদেরও অংশ আছে; অল্প হোক
কিংবা বেশী। এ অংশ নির্ধারিত।
[7] There is a share for men and a share
for women from what is left by parents
and those nearest related, whether, the
property be small or large – a legal share.
[8] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺣَﻀَﺮَ ﺍﻟﻘِﺴﻤَﺔَ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ
ﺍﻟﻘُﺮﺑﻰٰ ﻭَﺍﻟﻴَﺘٰﻤﻰٰ ﻭَﺍﻟﻤَﺴٰﻜﻴﻦُ
ﻓَﺎﺭﺯُﻗﻮﻫُﻢ ﻣِﻨﻪُ ﻭَﻗﻮﻟﻮﺍ ﻟَﻬُﻢ
ﻗَﻮﻟًﺎ ﻣَﻌﺮﻭﻓًﺎ
[8] সম্পতি বন্টনের সময় যখন আত্নীয়-
স্বজন, এতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়,
তখন তা থেকে তাদের কিছু খাইয়ে দাও
এবং তাদের সাথে কিছু সদালাপ
করো।
[8] And when the relatives and the
orphans and Al¬Masâkin (the poor) are
present at the time of division, give them
out of the property, and speak to them
words of kindness and justice.
[9] ﻭَﻟﻴَﺨﺶَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻟَﻮ ﺗَﺮَﻛﻮﺍ
ﻣِﻦ ﺧَﻠﻔِﻬِﻢ ﺫُﺭِّﻳَّﺔً ﺿِﻌٰﻔًﺎ
ﺧﺎﻓﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻓَﻠﻴَﺘَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﻟﻴَﻘﻮﻟﻮﺍ ﻗَﻮﻟًﺎ ﺳَﺪﻳﺪًﺍ
[9] তাদের ভয় করা উচিত, যারা
নিজেদের পশ্চাতে দুর্বল অক্ষম সন্তান-
সন্ততি ছেড়ে গেলে তাদের জন্যে
তারাও আশঙ্কা করে; সুতরাং তারা
যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং সংগত
কথা বলে।
[9] And let those (executors and
guardians) have the same fear in their
minds as they would have for their own,
if they had left weak offspring behind.
So let them fear Allâh and speak right
words.
[10] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺄﻛُﻠﻮﻥَ ﺃَﻣﻮٰﻝَ
ﺍﻟﻴَﺘٰﻤﻰٰ ﻇُﻠﻤًﺎ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺄﻛُﻠﻮﻥَ
ﻓﻰ ﺑُﻄﻮﻧِﻬِﻢ ﻧﺎﺭًﺍ ۖ
ﻭَﺳَﻴَﺼﻠَﻮﻥَ ﺳَﻌﻴﺮًﺍ
[10] যারা এতীমদের অর্থ-সম্পদ
অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের
পেটে আগুনই ভর্তি করেছে এবং
সত্ত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
[10] Verily, those who unjustly eat up the
property of orphans, they eat up only a
fire into their bellies, and they will be
burnt in the blazing Fire!
[11] ﻳﻮﺻﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓﻰ
ﺃَﻭﻟٰﺪِﻛُﻢ ۖ ﻟِﻠﺬَّﻛَﺮِ ﻣِﺜﻞُ ﺣَﻆِّ
ﺍﻷُﻧﺜَﻴَﻴﻦِ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛُﻦَّ ﻧِﺴﺎﺀً
ﻓَﻮﻕَ ﺍﺛﻨَﺘَﻴﻦِ ﻓَﻠَﻬُﻦَّ ﺛُﻠُﺜﺎ ﻣﺎ
ﺗَﺮَﻙَ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻧَﺖ ﻭٰﺣِﺪَﺓً ﻓَﻠَﻬَﺎ
ﺍﻟﻨِّﺼﻒُ ۚ ﻭَﻟِﺄَﺑَﻮَﻳﻪِ ﻟِﻜُﻞِّ ﻭٰﺣِﺪٍ
ﻣِﻨﻬُﻤَﺎ ﺍﻟﺴُّﺪُﺱُ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻙَ ﺇِﻥ
ﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻭَﻟَﺪٌ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ ﻳَﻜُﻦ ﻟَﻪُ
ﻭَﻟَﺪٌ ﻭَﻭَﺭِﺛَﻪُ ﺃَﺑَﻮﺍﻩُ ﻓَﻠِﺄُﻣِّﻪِ
ﺍﻟﺜُّﻠُﺚُ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﺇِﺧﻮَﺓٌ
ﻓَﻠِﺄُﻣِّﻪِ ﺍﻟﺴُّﺪُﺱُ ۚ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﻭَﺻِﻴَّﺔٍ ﻳﻮﺻﻰ ﺑِﻬﺎ ﺃَﻭ ﺩَﻳﻦٍ ۗ
ﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ ﻭَﺃَﺑﻨﺎﺅُﻛُﻢ ﻻ ﺗَﺪﺭﻭﻥَ
ﺃَﻳُّﻬُﻢ ﺃَﻗﺮَﺏُ ﻟَﻜُﻢ ﻧَﻔﻌًﺎ ۚ
ﻓَﺮﻳﻀَﺔً ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ
ﻋَﻠﻴﻤًﺎ ﺣَﻜﻴﻤًﺎ
[11] আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের
সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ
একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর
অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই
হয় দু` এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ
মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ
করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে
তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-
মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে
ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ,
যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না
থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়,
তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ।
অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই
থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয়
ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে
মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর।
তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে
তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী
তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক
নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ
সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।
[11] Allâh commands you as regards your
children’s (inheritance); to the male, a
portion equal to that of two females; if
(there are) only daughters, two or more,
their share is two thirds of the
inheritance; if only one, her share is
half. For parents, a sixth share of
inheritance to each if the deceased left
children; if no children, and the parents
are the (only) heirs, the mother has a
third; if the deceased left brothers or
(sisters), the mother has a sixth. (The
distribution in all cases is) after the
payment of legacies he may have
bequeathed or debts. You know not
which of them, whether your parents or
your children, are nearest to you in
benefit, (these fixed shares) are ordained
by Allâh. And Allâh is Ever All¬Knower,
All¬Wise.
[12] ۞ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻧِﺼﻒُ ﻣﺎ ﺗَﺮَﻙَ
ﺃَﺯﻭٰﺟُﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻟَﻢ ﻳَﻜُﻦ ﻟَﻬُﻦَّ
ﻭَﻟَﺪٌ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻬُﻦَّ ﻭَﻟَﺪٌ ﻓَﻠَﻜُﻢُ
ﺍﻟﺮُّﺑُﻊُ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻛﻦَ ۚ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﻭَﺻِﻴَّﺔٍ ﻳﻮﺻﻴﻦَ ﺑِﻬﺎ ﺃَﻭ ﺩَﻳﻦٍ ۚ
ﻭَﻟَﻬُﻦَّ ﺍﻟﺮُّﺑُﻊُ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻛﺘُﻢ ﺇِﻥ ﻟَﻢ
ﻳَﻜُﻦ ﻟَﻜُﻢ ﻭَﻟَﺪٌ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻜُﻢ
ﻭَﻟَﺪٌ ﻓَﻠَﻬُﻦَّ ﺍﻟﺜُّﻤُﻦُ ﻣِﻤّﺎ ﺗَﺮَﻛﺘُﻢ ۚ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻭَﺻِﻴَّﺔٍ ﺗﻮﺻﻮﻥَ ﺑِﻬﺎ
ﺃَﻭ ﺩَﻳﻦٍ ۗ ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﺭَﺟُﻞٌ
ﻳﻮﺭَﺙُ ﻛَﻠٰﻠَﺔً ﺃَﻭِ ﺍﻣﺮَﺃَﺓٌ ﻭَﻟَﻪُ ﺃَﺥٌ
ﺃَﻭ ﺃُﺧﺖٌ ﻓَﻠِﻜُﻞِّ ﻭٰﺣِﺪٍ ﻣِﻨﻬُﻤَﺎ
ﺍﻟﺴُّﺪُﺱُ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﻛﺜَﺮَ ﻣِﻦ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻓَﻬُﻢ ﺷُﺮَﻛﺎﺀُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺜُّﻠُﺚِ ۚ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻭَﺻِﻴَّﺔٍ ﻳﻮﺻﻰٰ ﺑِﻬﺎ
ﺃَﻭ ﺩَﻳﻦٍ ﻏَﻴﺮَ ﻣُﻀﺎﺭٍّ ۚ ﻭَﺻِﻴَّﺔً
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻠﻴﻢٌ
[12] আর, তোমাদের হবে অর্ধেক
সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের
স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না
থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে
তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ
সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়;
ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ
পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-
চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা
তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের
কোন সন্তান না থাকে। আর যদি
তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের
জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক
ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও
ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ
পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য
সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা
স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই
কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের
প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর
যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক
তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের
পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর
এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না
করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ
সর্বজ্ঞ, সহনশীল।
[12] In that which your wives leave, your
share is a half if they have no child; but
if they leave a child, you get a fourth of
that which they leave after payment of
legacies that they may have bequeathed
or debts. In that which you leave, their
(your wives) share is a fourth if you
leave no child; but if you leave a child,
they get an eighth of that which you
leave after payment of legacies that you
may have bequeathed or debts. If the
man or woman whose inheritance is in
question has left neither ascendants nor
descendants, but has left a brother or a
sister, each one of the two gets a sixth;
but if more than two, they share in a
third; after payment of lagacies he (or
she) may have bequeathed or debts, so
that no loss is caused (to anyone). This is
a Commandment from Allâh; and Allâh
is Ever All¬Knowing, Most¬Forbearing.
[13] ﺗِﻠﻚَ ﺣُﺪﻭﺩُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻣَﻦ
ﻳُﻄِﻊِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻳُﺪﺧِﻠﻪُ
ﺟَﻨّٰﺖٍ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ
ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ۚ ﻭَﺫٰﻟِﻚَ
ﺍﻟﻔَﻮﺯُ ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[13] এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত
সীমা। যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের
আদেশমত চলে, তিনি তাকে জান্নাত
সমূহে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর
তলদেশ দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত
হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে।
এ হল বিরাট সাফল্য।
[13] These are the limits (set by) Allâh (or
ordainments as regards laws of
inheritance), and whosoever obeys Allâh
and His Messenger (Muhammad SAW)
will be admitted to Gardens under which
rivers flow (in Paradise), to abide
therein, and that will be the great
success.
[14] ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻌﺺِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ
ﻭَﻳَﺘَﻌَﺪَّ ﺣُﺪﻭﺩَﻩُ ﻳُﺪﺧِﻠﻪُ ﻧﺎﺭًﺍ
ﺧٰﻠِﺪًﺍ ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻟَﻪُ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﻣُﻬﻴﻦٌ
[14] যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের
অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা
অতিক্রম করে তিনি তাকে আগুনে
প্রবেশ করাবেন। সে সেখানে চিরকাল
থাকবে। তার জন্যে রয়েছে অপমানজনক
শাস্তি।
[14] And whosoever disobeys Allâh and
His Messenger (Muhammad SAW), and
transgresses His limits, He will cast him
into the Fire, to abide therein; and he
shall have a disgraceful torment.
[15] ﻭَﺍﻟّٰﺘﻰ ﻳَﺄﺗﻴﻦَ ﺍﻟﻔٰﺤِﺸَﺔَ
ﻣِﻦ ﻧِﺴﺎﺋِﻜُﻢ ﻓَﺎﺳﺘَﺸﻬِﺪﻭﺍ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﺃَﺭﺑَﻌَﺔً ﻣِﻨﻜُﻢ ۖ ﻓَﺈِﻥ
ﺷَﻬِﺪﻭﺍ ﻓَﺄَﻣﺴِﻜﻮﻫُﻦَّ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺒُﻴﻮﺕِ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺘَﻮَﻓّﻯٰﻬُﻦَّ
ﺍﻟﻤَﻮﺕُ ﺃَﻭ ﻳَﺠﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬُﻦَّ
ﺳَﺒﻴﻠًﺎ
[15] আর তোমাদের নারীদের মধ্যে
যারা ব্যভিচারিণী তাদের বিরুদ্ধে
তোমাদের মধ্য থেকে চার জন পুরুষকে
সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি
তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে
সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে
পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয়
অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন
পথ নির্দেশ না করেন।
[15] And those of your women who
commit illegal sexual intercourse, take
the evidence of four witnesses from
amongst you against them; and if they
testify, confine them (i.e. women) to
houses until death comes to them or
Allâh ordains for them some (other) way.
[16] ﻭَﺍﻟَّﺬﺍﻥِ ﻳَﺄﺗِﻴٰﻨِﻬﺎ ﻣِﻨﻜُﻢ
ﻓَـٔﺎﺫﻭﻫُﻤﺎ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﺗﺎﺑﺎ ﻭَﺃَﺻﻠَﺤﺎ
ﻓَﺄَﻋﺮِﺿﻮﺍ ﻋَﻨﻬُﻤﺎ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻛﺎﻥَ ﺗَﻮّﺍﺑًﺎ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[16] তোমাদের মধ্য থেকে যে দু’জন
সেই কুকর্মে লিপ্ত হয়, তাদেরকে
শাস্তি প্রদান কর। অতঃপর যদি উভয়ে
তওবা করে এবং নিজেদের সংশোধন
করে, তবে তাদের থেকে হাত গুটিয়ে
নাও। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী,
দয়ালু।
[16] And the two persons (man and
woman) among you who commit illegal
sexual intercourse, hurt them both. And
if they repent (promise Allâh that they
will never repeat, i.e. commit illegal
sexual intercourse and other similar
sins) and do righteous good deeds, leave
them alone. Surely, Allâh is Ever All-
Forgiving (the One Who forgives and
accepts repentance), (and He is) Most
Merciful.
[17] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺘَّﻮﺑَﺔُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺍﻟﺴّﻮﺀَ ﺑِﺠَﻬٰﻠَﺔٍ
ﺛُﻢَّ ﻳَﺘﻮﺑﻮﻥَ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻳﺐٍ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻳَﺘﻮﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۗ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ ﺣَﻜﻴﻤًﺎ
[17] অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল
করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে,
অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে;
এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে
আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ
মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ।
[17] Allâh accepts only the repentance of
those who do evil in ignorance and
foolishness and repent soon afterwards;
it is they whom Allâh will forgive and
Allâh is Ever All¬Knower, All¬Wise.
[18] ﻭَﻟَﻴﺴَﺖِ ﺍﻟﺘَّﻮﺑَﺔُ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ ﺍﻟﺴَّﻴِّـٔﺎﺕِ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ
ﺣَﻀَﺮَ ﺃَﺣَﺪَﻫُﻢُ ﺍﻟﻤَﻮﺕُ ﻗﺎﻝَ
ﺇِﻧّﻰ ﺗُﺒﺖُ ﺍﻟـٰٔﻦَ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﻤﻮﺗﻮﻥَ ﻭَﻫُﻢ ﻛُﻔّﺎﺭٌ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺃَﻋﺘَﺪﻧﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﺃَﻟﻴﻤًﺎ
[18] আর এমন লোকদের জন্য কোন
ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই
থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো
মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে
থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর
তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী
অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের
জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে
রেখেছি।
[18] And of no effect is the repentance of
those who continue to do evil deeds until
death faces one of them and he says:
“Now I repent;” nor of those who die
while they are disbelievers. For them We
have prepared a painful torment.
[19] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﻳَﺤِﻞُّ ﻟَﻜُﻢ ﺃَﻥ ﺗَﺮِﺛُﻮﺍ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀَ
ﻛَﺮﻫًﺎ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﻌﻀُﻠﻮﻫُﻦَّ
ﻟِﺘَﺬﻫَﺒﻮﺍ ﺑِﺒَﻌﺾِ ﻣﺎ
ﺀﺍﺗَﻴﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻳَﺄﺗﻴﻦَ
ﺑِﻔٰﺤِﺸَﺔٍ ﻣُﺒَﻴِّﻨَﺔٍ ۚ ﻭَﻋﺎﺷِﺮﻭﻫُﻦَّ
ﺑِﺎﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻛَﺮِﻫﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ
ﻓَﻌَﺴﻰٰ ﺃَﻥ ﺗَﻜﺮَﻫﻮﺍ ﺷَﻴـًٔﺎ
ﻭَﻳَﺠﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓﻴﻪِ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ
[19] হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক
নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন
করা তোমাদের জন্যে হালাল নয় এবং
তাদেরকে আটক রেখো না যাতে
তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ
তার কিয়দংশ নিয়ে নাও; কিন্তু তারা
যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে!
নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন
কর। অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর,
তবে হয়ত তোমরা এমন এক জিনিসকে
অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক
কল্যাণ রেখেছেন।
[19] O you who believe! You are
forbidden to inherit women against their
will, and you should not treat them with
harshness, that you may take away part
of the Mahr you have given them, unless
they commit open illegal sexual
intercourse. And live with them
honourably. If you dislike them, it may
be that you dislike a thing and Allâh
brings through it a great deal of good.
[20] ﻭَﺇِﻥ ﺃَﺭَﺩﺗُﻢُ ﺍﺳﺘِﺒﺪﺍﻝَ
ﺯَﻭﺝٍ ﻣَﻜﺎﻥَ ﺯَﻭﺝٍ ﻭَﺀﺍﺗَﻴﺘُﻢ
ﺇِﺣﺪﻯٰﻬُﻦَّ ﻗِﻨﻄﺎﺭًﺍ ﻓَﻼ ﺗَﺄﺧُﺬﻭﺍ
ﻣِﻨﻪُ ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ ﺃَﺗَﺄﺧُﺬﻭﻧَﻪُ ﺑُﻬﺘٰﻨًﺎ
ﻭَﺇِﺛﻤًﺎ ﻣُﺒﻴﻨًﺎ
[20] যদি তোমরা এক স্ত্রীর স্থলে অন্য
স্ত্রী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং
তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান
করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত
গ্রহণ করো না। তোমরা কি তা
অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর
মাধ্যমে গ্রহণ করবে?
[20] But if you intend to replace a wife
by another and you have given one of
them a Qintar (of gold i.e. a great
amount as Mahr), take not the least bit of
it back; would you take it wrongfully
without a right and (with) a manifest
sin?
[21] ﻭَﻛَﻴﻒَ ﺗَﺄﺧُﺬﻭﻧَﻪُ ﻭَﻗَﺪ
ﺃَﻓﻀﻰٰ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ
ﻭَﺃَﺧَﺬﻥَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻣﻴﺜٰﻘًﺎ ﻏَﻠﻴﻈًﺎ
[21] তোমরা কিরূপে তা গ্রহণ করতে
পার, অথচ তোমাদের একজন অন্য জনের
কাছে গমন এবং নারীরা তোমাদের
কাছে থেকে সুদৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ
করেছে।
[21] And how could you take it (back)
while you have gone in unto each other,
and they have taken from you a firm
and strong covenant?
[22] ﻭَﻻ ﺗَﻨﻜِﺤﻮﺍ ﻣﺎ ﻧَﻜَﺢَ
ﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ
ﻗَﺪ ﺳَﻠَﻒَ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻓٰﺤِﺸَﺔً
ﻭَﻣَﻘﺘًﺎ ﻭَﺳﺎﺀَ ﺳَﺒﻴﻠًﺎ
[22] যে নারীকে তোমাদের পিতা-
পিতামহ বিবাহ করেছে তোমরা
তাদের বিবাহ করো না। কিন্তু যা
বিগত হয়ে গেছে। এটা অশ্লীল, গযবের
কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।
[22] And marry not women whom your
fathers married, except what has already
passed; indeed it was shameful and most
hateful, and an evil way.
[23] ﺣُﺮِّﻣَﺖ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺃُﻣَّﻬٰﺘُﻜُﻢ
ﻭَﺑَﻨﺎﺗُﻜُﻢ ﻭَﺃَﺧَﻮٰﺗُﻜُﻢ ﻭَﻋَﻤّٰﺘُﻜُﻢ
ﻭَﺧٰﻠٰﺘُﻜُﻢ ﻭَﺑَﻨﺎﺕُ ﺍﻷَﺥِ ﻭَﺑَﻨﺎﺕُ
ﺍﻷُﺧﺖِ ﻭَﺃُﻣَّﻬٰﺘُﻜُﻢُ ﺍﻟّٰﺘﻰ
ﺃَﺭﺿَﻌﻨَﻜُﻢ ﻭَﺃَﺧَﻮٰﺗُﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺮَّﺿٰﻌَﺔِ ﻭَﺃُﻣَّﻬٰﺖُ ﻧِﺴﺎﺋِﻜُﻢ
ﻭَﺭَﺑٰﺌِﺒُﻜُﻢُ ﺍﻟّٰﺘﻰ ﻓﻰ ﺣُﺠﻮﺭِﻛُﻢ
ﻣِﻦ ﻧِﺴﺎﺋِﻜُﻢُ ﺍﻟّٰﺘﻰ ﺩَﺧَﻠﺘُﻢ
ﺑِﻬِﻦَّ ﻓَﺈِﻥ ﻟَﻢ ﺗَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺩَﺧَﻠﺘُﻢ
ﺑِﻬِﻦَّ ﻓَﻼ ﺟُﻨﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻭَﺣَﻠٰﺌِﻞُ ﺃَﺑﻨﺎﺋِﻜُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﺃَﺻﻠٰﺒِﻜُﻢ ﻭَﺃَﻥ ﺗَﺠﻤَﻌﻮﺍ ﺑَﻴﻦَ
ﺍﻷُﺧﺘَﻴﻦِ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻗَﺪ ﺳَﻠَﻒَ ۗ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻏَﻔﻮﺭًﺍ ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[23] তোমাদের জন্যে হারাম করা
হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের
কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের
ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা;
ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা,
যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান
করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন,
তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা
যাদের সাথে সহবাস করেছ সে
স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের
লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে
সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে
তোমাদের কোন গোনাহ নেই।
তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী
এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা;
কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয়
আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।
[23] Forbidden to you (for marriage) are:
your mothers, your daughters, your
sisters, your father’s sisters, your
mother’s sisters, your brother’s
daughters, your sister’s daughters, your
foster mother who gave you suck, your
foster milk suckling sisters, your wives’
mothers, your step daughters under your
guardianship, born of your wives to
whom you have gone in – but there is no
sin on you if you have not gone in them
(to marry their daughters), – the wives of
your sons who (spring) from your own
loins, and two sisters in wedlock at the
same time, except for what has already
passed; verily, Allâh is Oft¬Forgiving,
Most Merciful.
[24] ۞ ﻭَﺍﻟﻤُﺤﺼَﻨٰﺖُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀِ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ ﺃَﻳﻤٰﻨُﻜُﻢ ۖ
ﻛِﺘٰﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۚ ﻭَﺃُﺣِﻞَّ ﻟَﻜُﻢ
ﻣﺎ ﻭَﺭﺍﺀَ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺃَﻥ ﺗَﺒﺘَﻐﻮﺍ
ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻜُﻢ ﻣُﺤﺼِﻨﻴﻦَ ﻏَﻴﺮَ
ﻣُﺴٰﻔِﺤﻴﻦَ ۚ ﻓَﻤَﺎ ﺍﺳﺘَﻤﺘَﻌﺘُﻢ ﺑِﻪِ
ﻣِﻨﻬُﻦَّ ﻓَـٔﺎﺗﻮﻫُﻦَّ ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻦَّ
ﻓَﺮﻳﻀَﺔً ۚ ﻭَﻻ ﺟُﻨﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻓﻴﻤﺎ ﺗَﺮٰﺿَﻴﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺍﻟﻔَﺮﻳﻀَﺔِ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ
ﺣَﻜﻴﻤًﺎ
[24] এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া
সকল সধবা স্ত্রীলোক তোমাদের
জন্যে নিষিদ্ধ; তোমাদের দক্ষিণ হস্ত
যাদের মালিক হয়ে যায়-এটা
তোমাদের জন্য আল্লাহর হুকুম।
এদেরকে ছাড়া তোমাদের জন্যে সব
নারী হালাল করা হয়েছে, শর্ত এই যে,
তোমরা তাদেরকে স্বীয় অর্থের
বিনিময়ে তলব করবে বিবাহ বন্ধনে
আবদ্ধ করার জন্য-ব্যভিচারের জন্য নয়।
অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা
ভোগ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক
দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ
হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা
পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ
সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ।
[24] Also (forbidden are) women already
married, except those (slaves) whom
your right hands possess. Thus has Allâh
ordained for you. All others are lawful,
provided you seek (them in marriage)
with Mahr (bridal – money given by the
husband to his wife at the time of
marriage) from your property, desiring
chastity, not committing illegal sexual
intercourse, so with those of whom you
have enjoyed sexual relations, give them
their Mahr as prescribed; but if after a
Mahr is prescribed, you agree mutually
(to give more), there is no sin on you.
Surely, Allâh is Ever All¬Knowing,
All¬Wise
[25] ﻭَﻣَﻦ ﻟَﻢ ﻳَﺴﺘَﻄِﻊ ﻣِﻨﻜُﻢ
ﻃَﻮﻟًﺎ ﺃَﻥ ﻳَﻨﻜِﺢَ ﺍﻟﻤُﺤﺼَﻨٰﺖِ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ﻓَﻤِﻦ ﻣﺎ ﻣَﻠَﻜَﺖ
ﺃَﻳﻤٰﻨُﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﺘَﻴٰﺘِﻜُﻢُ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﺈﻳﻤٰﻨِﻜُﻢ ۚ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺾٍ ۚ
ﻓَﺎﻧﻜِﺤﻮﻫُﻦَّ ﺑِﺈِﺫﻥِ ﺃَﻫﻠِﻬِﻦَّ
ﻭَﺀﺍﺗﻮﻫُﻦَّ ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻦَّ
ﺑِﺎﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ ﻣُﺤﺼَﻨٰﺖٍ ﻏَﻴﺮَ
ﻣُﺴٰﻔِﺤٰﺖٍ ﻭَﻻ ﻣُﺘَّﺨِﺬٰﺕِ
ﺃَﺧﺪﺍﻥٍ ۚ ﻓَﺈِﺫﺍ ﺃُﺣﺼِﻦَّ ﻓَﺈِﻥ
ﺃَﺗَﻴﻦَ ﺑِﻔٰﺤِﺸَﺔٍ ﻓَﻌَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﻧِﺼﻒُ
ﻣﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤُﺤﺼَﻨٰﺖِ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟِﻤَﻦ ﺧَﺸِﻰَ
ﺍﻟﻌَﻨَﺖَ ﻣِﻨﻜُﻢ ۚ ﻭَﺃَﻥ ﺗَﺼﺒِﺮﻭﺍ
ﺧَﻴﺮٌ ﻟَﻜُﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[25] আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি
স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার
সামর্থ্য রাখে না, সে তোমাদের
অধিকারভুক্ত মুসলিম
ক্রীতদাসীদেরকে বিয়ে করবে।
আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে
ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন।
তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে
তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে
কর এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে
মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে,
তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-
ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি
গ্রহণকারিণী হবে না। অতঃপর যখন
তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি
কোন অশ্লীল কাজ করে, তবে
তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক
শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ব্যবস্থা
তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা
ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয়
করে। আর যদি সবর কর, তবে তা
তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ
ক্ষমাশীল, করুণাময়।
[25] And whoever of you have not the
means wherewith to wed free, believing
women, they may wed believing girls
from among those (slaves) whom your
right hands possess, and Allâh has full
knowledge about your Faith, you are one
from another. Wed them with the
permission of their own folk (guardians,
Auliyâ’ or masters) and give them their
Mahr according to what is reasonable;
they (the above said captive and slave-
girls) should be chaste, not adulterous,
nor taking boy-friends. And after they
have been taken in wedlock, if they
commit illegal sexual intercourse, their
punishment is half that for free
(unmarried) women. This is for him
among you who is afraid of being
harmed in his religion or in his body;
but it is better for you that you practise
self¬restraint, and Allâh is
Oft¬Forgiving, Most Merciful
[26] ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻴُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻜُﻢ
ﻭَﻳَﻬﺪِﻳَﻜُﻢ ﺳُﻨَﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻭَﻳَﺘﻮﺏَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[26] আল্লাহ তোমাদের জন্যে সব কিছু
পরিষ্কার বর্ণনা করে দিতে চান,
তোমাদের পূর্ববর্তীদের পথ প্রদর্শন
করতে চান। এবং তোমাদেরকে ক্ষমা
করতে চান, আল্লাহ মহাজ্ঞানী
রহস্যবিদ।
[26] Allâh wishes to make clear (what is
lawful and what is unlawful) to you, and
to show you the ways of those before
you, and accept your repentance, and
Allâh is All¬Knower, All¬Wise.
[27] ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺃَﻥ ﻳَﺘﻮﺏَ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻭَﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺘَّﺒِﻌﻮﻥَ
ﺍﻟﺸَّﻬَﻮٰﺕِ ﺃَﻥ ﺗَﻤﻴﻠﻮﺍ ﻣَﻴﻠًﺎ
ﻋَﻈﻴﻤًﺎ
[27] আল্লাহ তোমাদের প্রতি
ক্ষমাশীল হতে চান, এবং যারা
কামনা-বাসনার অনুসারী, তারা চায়
যে, তোমরা পথ থেকে অনেক দূরে
বিচ্যুত হয়ে পড়।
[27] Allâh wishes to accept your
repentance, but those who follow their
lusts, wish that you (believers) should
deviate tremendously away (from the
Right Path).
[28] ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ ﻳُﺨَﻔِّﻒَ
ﻋَﻨﻜُﻢ ۚ ﻭَﺧُﻠِﻖَ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ ﺿَﻌﻴﻔًﺎ
[28] আল্লাহ তোমাদের বোঝা
হালকা করতে চান। মানুষ দুর্বল সৃজিত
হয়েছে।
[28] Allâh wishes to lighten (the burden)
for you; and man was created weak
(cannot be patient to leave sexual
intercourse with woman).
[29] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺄﻛُﻠﻮﺍ ﺃَﻣﻮٰﻟَﻜُﻢ ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﺑِﺎﻟﺒٰﻄِﻞِ
ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻥَ ﺗِﺠٰﺮَﺓً ﻋَﻦ
ﺗَﺮﺍﺽٍ ﻣِﻨﻜُﻢ ۚ ﻭَﻻ ﺗَﻘﺘُﻠﻮﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﺑِﻜُﻢ
ﺭَﺣﻴﻤًﺎ
[29] হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে
অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো
না। কেবলমাত্র তোমাদের পরস্পরের
সম্মতিক্রমে যে ব্যবসা করা হয় তা
বৈধ। আর তোমরা নিজেদের কাউকে
হত্যা করো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ
তা’আলা তোমাদের প্রতি দয়ালু।
[29] O you who believe! Eat not up your
property among yourselves unjustly
except it be a trade amongst you, by
mutual consent. And do not kill
yourselves (nor kill one another). Surely,
Allâh is Most Merciful to you.
[30] ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻔﻌَﻞ ﺫٰﻟِﻚَ ﻋُﺪﻭٰﻧًﺎ
ﻭَﻇُﻠﻤًﺎ ﻓَﺴَﻮﻑَ ﻧُﺼﻠﻴﻪِ ﻧﺎﺭًﺍ ۚ
ﻭَﻛﺎﻥَ ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺴﻴﺮًﺍ
[30] আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন কিংবা
জুলুমের বশবর্তী হয়ে এরূপ করবে, তাকে
খুব শীঘ্রই আগুনে নিক্ষেপ করা হবে।
এটা আল্লাহর পক্ষে খুবই সহজসাধ্য।
[30] And whoever commits that through
aggression and injustice, We shall cast
him into the Fire, and that is easy for
Allâh.
[31] ﺇِﻥ ﺗَﺠﺘَﻨِﺒﻮﺍ ﻛَﺒﺎﺋِﺮَ ﻣﺎ
ﺗُﻨﻬَﻮﻥَ ﻋَﻨﻪُ ﻧُﻜَﻔِّﺮ ﻋَﻨﻜُﻢ
ﺳَﻴِّـٔﺎﺗِﻜُﻢ ﻭَﻧُﺪﺧِﻠﻜُﻢ ﻣُﺪﺧَﻠًﺎ
ﻛَﺮﻳﻤًﺎ
[31] যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের
নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব
বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে
পার। তবে আমি তোমাদের ক্রটি-
বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে দেব এবং
সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ
করার।
[31] If you avoid the great sins which
you are forbidden to do, We shall expiate
from you your (small) sins, and admit
you to a Noble Entrance (i.e. Paradise).
[32] ﻭَﻻ ﺗَﺘَﻤَﻨَّﻮﺍ ﻣﺎ ﻓَﻀَّﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﻪِ ﺑَﻌﻀَﻜُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ ۚ
ﻟِﻠﺮِّﺟﺎﻝِ ﻧَﺼﻴﺐٌ ﻣِﻤَّﺎ ﺍﻛﺘَﺴَﺒﻮﺍ ۖ
ﻭَﻟِﻠﻨِّﺴﺎﺀِ ﻧَﺼﻴﺐٌ ﻣِﻤَّﺎ
ﺍﻛﺘَﺴَﺒﻦَ ۚ ﻭَﺳـَٔﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻛﺎﻥَ ﺑِﻜُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻤًﺎ
[32] আর তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো না
এমন সব বিষয়ে যাতে আল্লাহ তা’আলা
তোমাদের একের উপর অপরের
শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। পুরুষ যা অর্জন
করে সেটা তার অংশ এবং নারী যা
অর্জন করে সেটা তার অংশ। আর
আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা
কর। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তা’আলা সর্ব
বিষয়ে জ্ঞাত।
[32] And wish not for the things in which
Allâh has made some of you to excel
others. For men there is reward for what
they have earned, (and likewise) for