49. সুরাহ আল হুজুরাত(01-18)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗُﻘَﺪِّﻣﻮﺍ ﺑَﻴﻦَ ﻳَﺪَﻯِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ۖ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[1] মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রসূলের
সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং
আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ
সবকিছু শুনেন ও জানেন।
[1] O you who believe! Make not (a
decision) in advance before Allâh and
His Messenger (SAW), and fear Allâh.
Verily! Allâh is All-Hearing, All-Knowing.
[2] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺮﻓَﻌﻮﺍ ﺃَﺻﻮٰﺗَﻜُﻢ ﻓَﻮﻕَ
ﺻَﻮﺕِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﻭَﻻ ﺗَﺠﻬَﺮﻭﺍ ﻟَﻪُ
ﺑِﺎﻟﻘَﻮﻝِ ﻛَﺠَﻬﺮِ ﺑَﻌﻀِﻜُﻢ
ﻟِﺒَﻌﺾٍ ﺃَﻥ ﺗَﺤﺒَﻂَ ﺃَﻋﻤٰﻠُﻜُﻢ
ﻭَﺃَﻧﺘُﻢ ﻻ ﺗَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[2] মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের
উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না
এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ
উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ
উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে
তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে
এবং তোমরা টেরও পাবে না।
[2] O you who believe! Raise not your
voices above the voice of the Prophet
(SAW), nor speak aloud to him in talk as
you speak aloud to one another, lest your
deeds may be rendered fruitless while
you perceive not.
[3] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻐُﻀّﻮﻥَ
ﺃَﺻﻮٰﺗَﻬُﻢ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺳﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﻣﺘَﺤَﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻗُﻠﻮﺑَﻬُﻢ ﻟِﻠﺘَّﻘﻮﻯٰ ۚ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ
ﻭَﺃَﺟﺮٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[3] যারা আল্লাহর রসূলের সামনে
নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ
তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে
শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে
রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
[3] Verily, those who lower their voices
in the presence of Allâh’s Messenger
(SAW), they are the ones whose hearts
Allâh has tested for piety. For them is
forgiveness and a great reward.
[4] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﻨﺎﺩﻭﻧَﻚَ ﻣِﻦ
ﻭَﺭﺍﺀِ ﺍﻟﺤُﺠُﺮٰﺕِ ﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[4] যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে
আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের
অধিকাংশই অবুঝ।
[4] Verily, those who call you from
behind the dwellings, most of them have
no sense.
[5] ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺻَﺒَﺮﻭﺍ ﺣَﺘّﻰٰ
ﺗَﺨﺮُﺝَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻟَﻜﺎﻥَ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻟَﻬُﻢ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[5] যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের
কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা-ই
তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। আল্লাহ
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[5] And if they had patience till you
could come out to them, it would have
been better for them. And Allâh is Oft-
Forgiving, Most Merciful.
[6] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺇِﻥ
ﺟﺎﺀَﻛُﻢ ﻓﺎﺳِﻖٌ ﺑِﻨَﺒَﺈٍ ﻓَﺘَﺒَﻴَّﻨﻮﺍ
ﺃَﻥ ﺗُﺼﻴﺒﻮﺍ ﻗَﻮﻣًﺎ ﺑِﺠَﻬٰﻠَﺔٍ
ﻓَﺘُﺼﺒِﺤﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ ﻓَﻌَﻠﺘُﻢ
ﻧٰﺪِﻣﻴﻦَ
[6] মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী
ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন
সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা
পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে
অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন
সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও
এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে
অনুতপ্ত না হও।
[6] O you who believe! If a Fasiq (liar —
evil person) comes to you with any news,
verify it, lest you should harm people in
ignorance, and afterwards you become
regretful for what you have done.
[7] ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﻓﻴﻜُﻢ ﺭَﺳﻮﻝَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻟَﻮ ﻳُﻄﻴﻌُﻜُﻢ ﻓﻰ ﻛَﺜﻴﺮٍ
ﻣِﻦَ ﺍﻷَﻣﺮِ ﻟَﻌَﻨِﺘُّﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺣَﺒَّﺐَ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢُ ﺍﻹﻳﻤٰﻦَ ﻭَﺯَﻳَّﻨَﻪُ
ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻜُﻢ ﻭَﻛَﺮَّﻩَ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢُ
ﺍﻟﻜُﻔﺮَ ﻭَﺍﻟﻔُﺴﻮﻕَ ﻭَﺍﻟﻌِﺼﻴﺎﻥَ ۚ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺮّٰﺷِﺪﻭﻥَ
[7] তোমরা জেনে রাখ তোমাদের
মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি
যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার
মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে।
কিন্তু আল্লাহ তোমাদের অন্তরে
ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন
এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন।
পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও
নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে
দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।
[7] And know that, among you there is
the Messenger of Allâh (SAW). If he were
to obey you (i.e. follow your opinions
and desires) in much of the matter, you
would surely be in trouble, But Allâh has
endeared the Faith to you and has
beautified it in your hearts, and has
made disbelief, wickedness and
disobedience (to Allâh and His
Messenger SAW) hateful to you. Such are
they who are the rightly guided,
[8] ﻓَﻀﻠًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻧِﻌﻤَﺔً ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[8] এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ
আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
[8] (This is) a Grace from Allâh and His
Favour. And Allâh is All-Knowing, All-
Wise.
[9] ﻭَﺇِﻥ ﻃﺎﺋِﻔَﺘﺎﻥِ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺍﻗﺘَﺘَﻠﻮﺍ ﻓَﺄَﺻﻠِﺤﻮﺍ
ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﺑَﻐَﺖ ﺇِﺣﺪﻯٰﻬُﻤﺎ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻷُﺧﺮﻯٰ ﻓَﻘٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﺗَﺒﻐﻰ ﺣَﺘّﻰٰ ﺗَﻔﻲﺀَ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻣﺮِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻓﺎﺀَﺕ ﻓَﺄَﺻﻠِﺤﻮﺍ
ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﺑِﺎﻟﻌَﺪﻝِ ﻭَﺃَﻗﺴِﻄﻮﺍ ۖ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﻘﺴِﻄﻴﻦَ
[9] যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত
হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে
মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি
তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়,
তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের
বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না
তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে
ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে
তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায়
মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ
করবে। নিশ্চয় আল্লাহ
ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।
[9] And if two parties or groups among
the believers fall to fighting, then make
peace between them both, But if one of
them outrages against the other, then
fight you (all) against the one that which
outrages till it complies with the
Command of Allâh; then if it complies,
then make reconciliation between them
justly, and be equitable. Verily! Allâh
loves those who are equitable.
[10] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺇِﺧﻮَﺓٌ
ﻓَﺄَﺻﻠِﺤﻮﺍ ﺑَﻴﻦَ ﺃَﺧَﻮَﻳﻜُﻢ ۚ
ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗُﺮﺣَﻤﻮﻥَ
[10] মুমিনরা তো পরস্পর ভাই-ভাই।
অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের
মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে
ভয় করবে-যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত
হও।
[10] The believers are nothing else than
brothers (in Islâmic religion). So make
reconciliation between your brothers,
and fear Allâh, that you may receive
mercy.
[11] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﻳَﺴﺨَﺮ ﻗَﻮﻡٌ ﻣِﻦ ﻗَﻮﻡٍ ﻋَﺴﻰٰ
ﺃَﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻭَﻻ
ﻧِﺴﺎﺀٌ ﻣِﻦ ﻧِﺴﺎﺀٍ ﻋَﺴﻰٰ ﺃَﻥ
ﻳَﻜُﻦَّ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻨﻬُﻦَّ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﻠﻤِﺰﻭﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ﻭَﻻ ﺗَﻨﺎﺑَﺰﻭﺍ ﺑِﺎﻷَﻟﻘٰﺐِ ۖ
ﺑِﺌﺲَ ﺍﻟِﺎﺳﻢُ ﺍﻟﻔُﺴﻮﻕُ ﺑَﻌﺪَ
ﺍﻹﻳﻤٰﻦِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻟَﻢ ﻳَﺘُﺐ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[11] মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে
উপহাস না করে। কেননা, সে
উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে
এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন
উপহাস না করে। কেননা, সে
উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে
পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি
দোষারোপ করো না এবং একে
অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ
বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ
নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন
কাজ থেকে তওবা না করে তারাই
যালেম।
[11] O you who believe! Let not a group
scoff at another group, it may be that the
latter are better than the former; Nor let
(some) women scoff at other women, it
may be that the latter are better than the
former, Nor defame one another, nor
insult one another by nicknames. How
bad is it, to insult one’s brother after
having Faith [i.e. to call your Muslim
brother (a faithful believer) as: “O
sinner”, or “O wicked”]. And whosoever
does not repent, then such are indeed
Zâlimûn (wrong-doers).
[12] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ
ﺍﺟﺘَﻨِﺒﻮﺍ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈَّﻦِّ ﺇِﻥَّ
ﺑَﻌﺾَ ﺍﻟﻈَّﻦِّ ﺇِﺛﻢٌ ۖ ﻭَﻻ
ﺗَﺠَﺴَّﺴﻮﺍ ﻭَﻻ ﻳَﻐﺘَﺐ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ
ﺑَﻌﻀًﺎ ۚ ﺃَﻳُﺤِﺐُّ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢ ﺃَﻥ
ﻳَﺄﻛُﻞَ ﻟَﺤﻢَ ﺃَﺧﻴﻪِ ﻣَﻴﺘًﺎ
ﻓَﻜَﺮِﻫﺘُﻤﻮﻩُ ۚ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﻮّﺍﺏٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[12] মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা
থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা
গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান
করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও
পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের
কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ
করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা
তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর।
নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম
দয়ালু।
[12] O you who believe! Avoid much
suspicion, indeed some suspicions are
sins. And spy not, neither backbite one
another. Would one of you like to eat the
flesh of his dead brother? You would
hate it (so hate backbiting) . And fear
Allâh. Verily, Allâh is the One Who
forgives and accepts repentance, Most
Merciful.
[13] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﺇِﻧّﺎ ﺧَﻠَﻘﻨٰﻜُﻢ
ﻣِﻦ ﺫَﻛَﺮٍ ﻭَﺃُﻧﺜﻰٰ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻜُﻢ
ﺷُﻌﻮﺑًﺎ ﻭَﻗَﺒﺎﺋِﻞَ ﻟِﺘَﻌﺎﺭَﻓﻮﺍ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺃَﻛﺮَﻣَﻜُﻢ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﺗﻘﻯٰﻜُﻢ ۚ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺧَﺒﻴﺮٌ
[13] হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক
পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি
এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও
গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে
তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয়
আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক
সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার।
নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর
রাখেন।
[13] O mankind! We have created you
from a male and a female, and made
you into nations and tribes, that you
may know one another. Verily, the most
honourable of you with Allâh is that
(believer) who has At-Taqwa [i.e. he is
one of the Muttaqûn (pious – see V.2:2).
Verily, Allâh is All-Knowing, All-Aware.
[14] ۞ ﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏُ ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ۖ
ﻗُﻞ ﻟَﻢ ﺗُﺆﻣِﻨﻮﺍ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻗﻮﻟﻮﺍ
ﺃَﺳﻠَﻤﻨﺎ ﻭَﻟَﻤّﺎ ﻳَﺪﺧُﻞِ ﺍﻹﻳﻤٰﻦُ
ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻜُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗُﻄﻴﻌُﻮﺍ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻻ ﻳَﻠِﺘﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺃَﻋﻤٰﻠِﻜُﻢ ﺷَﻴـًٔﺎ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[14] মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস
স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা
বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা
বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও
তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি।
যদি তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের
আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম
বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না।
নিশ্চয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম
মেহেরবান।
[14] The bedouins say: “We believe.” Say:
“You believe not but you only say, ‘We
have surrendered (in Islâm),’ for Faith
has not yet entered your hearts. But if
you obey Allâh and His Messenger
(SAW), He will not decrease anything in
reward for your deeds. Verily, Allâh is
Oft-Forgiving, Most Merciful.”
[15] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﺛُﻢَّ ﻟَﻢ
ﻳَﺮﺗﺎﺑﻮﺍ ﻭَﺟٰﻬَﺪﻭﺍ ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ
ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ
ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻮﻥَ
[15] তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ
পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে
প্রাণ ও ধন-সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে।
তারাই সত্যনিষ্ঠ।
[15] Only those are the believers who
have believed in Allâh and His
Messenger, and afterward doubt not but
strive with their wealth and their lives
for the Cause of Allâh. Those! They are
the truthful.
[16] ﻗُﻞ ﺃَﺗُﻌَﻠِّﻤﻮﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺑِﺪﻳﻨِﻜُﻢ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻜُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[16] বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম
পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত
করছ? অথচ আল্লাহ জানেন যা কিছু
আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে
নভোমন্ডলে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক
জ্ঞাত।
[16] Say: “Will you inform Allâh of your
religion While Allâh knows all that is in
the heavens and all that is in the earth,
and Allâh is All-Aware of everything.
[17] ﻳَﻤُﻨّﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺃَﻥ ﺃَﺳﻠَﻤﻮﺍ ۖ
ﻗُﻞ ﻻ ﺗَﻤُﻨّﻮﺍ ﻋَﻠَﻰَّ ﺇِﺳﻠٰﻤَﻜُﻢ ۖ
ﺑَﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻤُﻦُّ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺃَﻥ
ﻫَﺪﻯٰﻜُﻢ ﻟِﻺﻳﻤٰﻦِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[17] তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য
করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা
মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে
করো না। বরং আল্লাহ ঈমানের পথে
পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য
করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে
থাক।
[17] They regard as favour to you (O
Muhammad SAW) that they have
embraced Islâm. Say: “Count not your
Islâm as a favour to me. Nay, but Allâh
has conferred a favour upon you, that He
has guided you to the Faith, if you
indeed are true.
[18] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻏَﻴﺐَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑَﺼﻴﺮٌ ﺑِﻤﺎ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[18] আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের
অদৃশ্য বিষয় জানেন, তোমরা যা কর
আল্লাহ তা দেখেন।
[18] Verily, Allâh knows the unseen of
the heavens and the earth. And Allâh is
the All-Seer of what you do.Surah Al Hujurat Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন। 2. মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না। 3. যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। 4. যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ। 5. যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা-ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 6. মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও। 7. তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু আল্লাহ তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী। 8. এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়। 9. যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন। 10. মুমিনরা তো পরস্পর ভাই- ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে- যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও। 11. মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম। 12. মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। 13. হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে- ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন। 14. মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান। 15. তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন- সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ। 16. বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করছ? অথচ আল্লাহ জানেন যা কিছু আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে নভোমন্ডলে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। 17. তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে করো না। বরং আল্লাহ ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাক। 18. আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের অদৃশ্য বিষয় জানেন, তোমরা যা কর আল্লাহ তা দেখেন। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s