50. সুরাহ আল কফ (01-45)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻕ ۚ ﻭَﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﺍﻟﻤَﺠﻴﺪِ
[1] ক্বাফ! সম্মানিত কোরআনের শপথ;
[1] Qâf. [These letters (Qâf, etc.) are one
of the miracles of the Qur’ân, and none
but Allâh (Alone) knows their meanings].
By the Glorious Qur’ân.
[2] ﺑَﻞ ﻋَﺠِﺒﻮﺍ ﺃَﻥ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ
ﻣُﻨﺬِﺭٌ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻓَﻘﺎﻝَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ
ﻫٰﺬﺍ ﺷَﻲﺀٌ ﻋَﺠﻴﺐٌ
[2] বরং তারা তাদের মধ্য থেকেই
একজন ভয় প্রদর্শনকারী আগমন করেছে
দেখে বিস্ময় বোধ করে। অতঃপর
কাফেররা বলেঃ এটা আশ্চর্যের
ব্যাপার।
[2] Nay, they wonder that there has come
to them a warner (Muhammad SAW)
from among themselves. So the
disbelievers say: “This is a strange thing!
[3] ﺃَﺀِﺫﺍ ﻣِﺘﻨﺎ ﻭَﻛُﻨّﺎ ﺗُﺮﺍﺑًﺎ ۖ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺭَﺟﻊٌ ﺑَﻌﻴﺪٌ
[3] আমরা মরে গেলে এবং মৃত্তিকায়
পরিণত হয়ে গেলেও কি পুনরুত্থিত হব? এ
প্রত্যাবর্তন সুদূরপরাহত।
[3] “When we are dead and have become
dust (shall we be resurrected?) That is a
far return.”
[4] ﻗَﺪ ﻋَﻠِﻤﻨﺎ ﻣﺎ ﺗَﻨﻘُﺺُ
ﺍﻷَﺭﺽُ ﻣِﻨﻬُﻢ ۖ ﻭَﻋِﻨﺪَﻧﺎ ﻛِﺘٰﺐٌ
ﺣَﻔﻴﻆٌ
[4] মৃত্তিকা তাদের কতটুকু গ্রাস করবে,
তা আমার জানা আছে এবং আমার
কাছে আছে সংরক্ষিত কিতাব।
[4] We know that which the earth takes
of them (their dead bodies), and with Us
is a Book preserved (i.e. the Book of
Decrees).
[5] ﺑَﻞ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻟَﻤّﺎ
ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﻓَﻬُﻢ ﻓﻰ ﺃَﻣﺮٍ ﻣَﺮﻳﺞٍ
[5] বরং তাদের কাছে সত্য আগমন করার
পর তারা তাকে মিথ্যা বলছে। ফলে
তারা সংশয়ে পতিত রয়েছে।
[5] Nay, but they have denied the truth
(this Qur’ân) when it has come to them,
so they are in a confused state (can not
differentiate between right and wrong).
[6] ﺃَﻓَﻠَﻢ ﻳَﻨﻈُﺮﻭﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﻓَﻮﻗَﻬُﻢ ﻛَﻴﻒَ ﺑَﻨَﻴﻨٰﻬﺎ ﻭَﺯَﻳَّﻨّٰﻬﺎ
ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬﺎ ﻣِﻦ ﻓُﺮﻭﺝٍ
[6] তারা কি তাদের উপরস্থিত
আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না
আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি
এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন
ছিদ্রও নেই।
[6] Have they not looked at the heaven
above them, how We have made it and
adorned it, and there are no rifts in it?
[7] ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻣَﺪَﺩﻧٰﻬﺎ ﻭَﺃَﻟﻘَﻴﻨﺎ
ﻓﻴﻬﺎ ﺭَﻭٰﺳِﻰَ ﻭَﺃَﻧﺒَﺘﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ
ﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺯَﻭﺝٍ ﺑَﻬﻴﺞٍ
[7] আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি, তাতে
পর্বতমালার ভার স্থাপন করেছি এবং
তাতে সর্বপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিদ
উদগত করেছি।
[7] And the earth! We have spread it out,
and set thereon mountains standing
firm, and have produced therein every
kind of lovely growth (plants).
[8] ﺗَﺒﺼِﺮَﺓً ﻭَﺫِﻛﺮﻯٰ ﻟِﻜُﻞِّ ﻋَﺒﺪٍ
ﻣُﻨﻴﺐٍ
[8] এটা জ্ঞান আহরণ ও স্মরণ করার মত
ব্যাপার প্রত্যেক অনুরাগী বান্দার
জন্যে।
[8] An insight and a Reminder for every
slave who turns to Allâh in repentance
(i.e. the one who believes in the Oneness
of Allâh and performs deeds of His
obedience, and always begs His pardon).
[9] ﻭَﻧَﺰَّﻟﻨﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻣﺎﺀً
ﻣُﺒٰﺮَﻛًﺎ ﻓَﺄَﻧﺒَﺘﻨﺎ ﺑِﻪِ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﻭَﺣَﺐَّ ﺍﻟﺤَﺼﻴﺪِ
[9] আমি আকাশ থেকে কল্যাণময় বৃষ্টি
বর্ষণ করি এবং তদ্বারা বাগান ও শস্য
উদগত করি, যেগুলোর ফসল আহরণ করা
হয়।
[9] And We send down blessed water
(rain) from the sky, then We produce
therewith gardens and grain (every kind
of harvests) that are reaped.
[10] ﻭَﺍﻟﻨَّﺨﻞَ ﺑﺎﺳِﻘٰﺖٍ ﻟَﻬﺎ ﻃَﻠﻊٌ
ﻧَﻀﻴﺪٌ
[10] এবং লম্বমান খর্জুর বৃক্ষ, যাতে
আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খর্জুর,
[10] And tall date-palms, with ranged
clusters;
[11] ﺭِﺯﻗًﺎ ﻟِﻠﻌِﺒﺎﺩِ ۖ ﻭَﺃَﺣﻴَﻴﻨﺎ ﺑِﻪِ
ﺑَﻠﺪَﺓً ﻣَﻴﺘًﺎ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺍﻟﺨُﺮﻭﺝُ
[11] বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ এবং
বৃষ্টি দ্বারা আমি মৃত জনপদকে
সঞ্জীবিত করি। এমনিভাবে পুনরুত্থান
ঘটবে।
[11] A provision for (Allâh’s) slaves. And
We give life therewith to a dead land.
Thus will be the resurrection (of the
dead).
[12] ﻛَﺬَّﺑَﺖ ﻗَﺒﻠَﻬُﻢ ﻗَﻮﻡُ ﻧﻮﺡٍ
ﻭَﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﺮَّﺱِّ ﻭَﺛَﻤﻮﺩُ
[12] তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে
নূহের সম্প্রদায়, কুপবাসীরা এবং সামুদ
সম্প্রদায়।
[12] Denied before them (i.e. these
pagans of Makkah) the people of Nûh
(Noah), and the dwellers of Rass, and the
Thamûd,
[13] ﻭَﻋﺎﺩٌ ﻭَﻓِﺮﻋَﻮﻥُ ﻭَﺇِﺧﻮٰﻥُ
ﻟﻮﻁٍ
[13] আদ, ফেরাউন, ও লূতের সম্প্রদায়,
[13] And ‘Ad, and Fir’aun (Pharaoh), and
the brethren of Lut (Lot),
[14] ﻭَﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻷَﻳﻜَﺔِ ﻭَﻗَﻮﻡُ
ﺗُﺒَّﻊٍ ۚ ﻛُﻞٌّ ﻛَﺬَّﺏَ ﺍﻟﺮُّﺳُﻞَ ﻓَﺤَﻖَّ
ﻭَﻋﻴﺪِ
[14] বনবাসীরা এবং তোব্বা
সম্প্রদায়। প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যা
বলেছে, অতঃপর আমার শাস্তির যোগ্য
হয়েছে।
[14] And the Dwellers of the Wood, and
the people of Tubba’; Everyone of them
denied (their) Messengers, so My Threat
took effect.
[15] ﺃَﻓَﻌَﻴﻴﻨﺎ ﺑِﺎﻟﺨَﻠﻖِ ﺍﻷَﻭَّﻝِ ۚ
ﺑَﻞ ﻫُﻢ ﻓﻰ ﻟَﺒﺲٍ ﻣِﻦ ﺧَﻠﻖٍ
ﺟَﺪﻳﺪٍ
[15] আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই
ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বরং তারা নতুন
সৃষ্টির ব্যাপারে সন্দেহ পোষন
করেছে।
[15] Were We then tired with the first
creation? Nay, they are in confused
doubt about a new creation (i.e.
Resurrection)?
[16] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺧَﻠَﻘﻨَﺎ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦَ
ﻭَﻧَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗُﻮَﺳﻮِﺱُ ﺑِﻪِ ﻧَﻔﺴُﻪُ ۖ
ﻭَﻧَﺤﻦُ ﺃَﻗﺮَﺏُ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻣِﻦ ﺣَﺒﻞِ
ﺍﻟﻮَﺭﻳﺪِ
[16] আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার
মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে
সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার
গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক
নিকটবর্তী।
[16] And indeed We have created man,
and We know what his ownself whispers
to him. And We are nearer to him than
his jugular vein (by Our Knowledge).
[17] ﺇِﺫ ﻳَﺘَﻠَﻘَّﻰ ﺍﻟﻤُﺘَﻠَﻘِّﻴﺎﻥِ ﻋَﻦِ
ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ ﻭَﻋَﻦِ ﺍﻟﺸِّﻤﺎﻝِ ﻗَﻌﻴﺪٌ
[17] যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে
বসে তার আমল গ্রহণ করে।
[17] (Remember!) that the two receivers
(recording angels) receive (each human
being), one sitting on the right and one
on the left (to note his or her actions)
[18] ﻣﺎ ﻳَﻠﻔِﻆُ ﻣِﻦ ﻗَﻮﻝٍ ﺇِﻟّﺎ
ﻟَﺪَﻳﻪِ ﺭَﻗﻴﺐٌ ﻋَﺘﻴﺪٌ
[18] সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই
গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা
প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে।
[18] Not a word does he (or she) utter,
but there is a watcher by him ready (to
record it).
[19] ﻭَﺟﺎﺀَﺕ ﺳَﻜﺮَﺓُ ﺍﻟﻤَﻮﺕِ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۖ ﺫٰﻟِﻚَ ﻣﺎ ﻛُﻨﺖَ ﻣِﻨﻪُ
ﺗَﺤﻴﺪُ
[19] মৃত্যুযন্ত্রণা নিশ্চিতই আসবে। এ
থেকেই তুমি টালবাহানা করতে।
[19] And the stupor of death will come in
truth: “This is what you have been
avoiding!”
[20] ﻭَﻧُﻔِﺦَ ﻓِﻰ ﺍﻟﺼّﻮﺭِ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻳَﻮﻡُ ﺍﻟﻮَﻋﻴﺪِ
[20] এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে
এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন।
[20] And the Trumpet will be blown —
that will be the Day whereof warning
(had been given) (i.e. the Day of
Resurrection).
[21] ﻭَﺟﺎﺀَﺕ ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ ﻣَﻌَﻬﺎ
ﺳﺎﺋِﻖٌ ﻭَﺷَﻬﻴﺪٌ
[21] প্রত্যেক ব্যক্তি আগমন করবে। তার
সাথে থাকবে চালক ও কর্মের সাক্ষী।
[21] And every person will come forth
along with an (angel) to drive (him), and
an (angel) to bear witness.
[22] ﻟَﻘَﺪ ﻛُﻨﺖَ ﻓﻰ ﻏَﻔﻠَﺔٍ ﻣِﻦ
ﻫٰﺬﺍ ﻓَﻜَﺸَﻔﻨﺎ ﻋَﻨﻚَ ﻏِﻄﺎﺀَﻙَ
ﻓَﺒَﺼَﺮُﻙَ ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﺣَﺪﻳﺪٌ
[22] তুমি তো এই দিন সম্পর্কে উদাসীন
ছিলে। এখন তোমার কাছ থেকে
যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি। ফলে আজ
তোমার দৃষ্টি সুতীক্ষ্ন।
[22] (It will be said to the sinners):
“Indeed you were heedless of this, now
We have removed your covering, and
sharp is your sight this Day!”
[23] ﻭَﻗﺎﻝَ ﻗَﺮﻳﻨُﻪُ ﻫٰﺬﺍ ﻣﺎ ﻟَﺪَﻯَّ
ﻋَﺘﻴﺪٌ
[23] তার সঙ্গী ফেরেশতা বলবেঃ
আমার কাছে যে, আমলনামা ছিল, তা
এই।
[23] And his companion (angel) will say:
“Here is (this Record) ready with me!”
[24] ﺃَﻟﻘِﻴﺎ ﻓﻰ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻛُﻞَّ ﻛَﻔّﺎﺭٍ
ﻋَﻨﻴﺪٍ
[24] তোমরা উভয়েই নিক্ষেপ কর
জাহান্নামে প্রত্যেক অকৃতজ্ঞ
বিরুদ্ধবাদীকে,
[24] (Allah will say to the angels): “Both
of you throw into Hell, every stubborn
disbeliever (in the Oneness of Allâh, in
His Messengers) —
[25] ﻣَﻨّﺎﻉٍ ﻟِﻠﺨَﻴﺮِ ﻣُﻌﺘَﺪٍ ﻣُﺮﻳﺐٍ
[25] যে বাধা দিত মঙ্গলজনক কাজে,
সীমালঙ্ঘনকারী, সন্দেহ
পোষণকারীকে।
[25] “Hinderer of good, transgressor,
doubter,
[26] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺟَﻌَﻞَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ
ﺀﺍﺧَﺮَ ﻓَﺄَﻟﻘِﻴﺎﻩُ ﻓِﻰ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏِ
ﺍﻟﺸَّﺪﻳﺪِ
[26] যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য
উপাস্য গ্রহণ করত, তাকে তোমরা
কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর।
[26] “Who set up another ilâh (god) with
Allâh, Then both of you cast him in the
severe torment.”
[27] ۞ ﻗﺎﻝَ ﻗَﺮﻳﻨُﻪُ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻣﺎ
ﺃَﻃﻐَﻴﺘُﻪُ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻛﺎﻥَ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ
ﺑَﻌﻴﺪٍ
[27] তার সঙ্গী শয়তান বলবেঃ হে
আমাদের পালনকর্তা, আমি তাকে
অবাধ্যতায় লিপ্ত করিনি। বস্তুতঃ সে
নিজেই ছিল সুদূর পথভ্রান্তিতে লিপ্ত।
[27] His companion (Satan — devil)] will
say: “Our Lord! I did not push him to
transgression, (in disbelief, oppression,
and evil deeds) but he was himself in
error far astray.”
[28] ﻗﺎﻝَ ﻻ ﺗَﺨﺘَﺼِﻤﻮﺍ ﻟَﺪَﻯَّ
ﻭَﻗَﺪ ﻗَﺪَّﻣﺖُ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﺑِﺎﻟﻮَﻋﻴﺪِ
[28] আল্লাহ বলবেনঃ আমার সামনে
বাকবিতন্ডা করো না আমি তো
পূর্বেই তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ভয়
প্রদর্শন করেছিলাম।
[28] Allâh will say: “Dispute not in front
of Me, I had already, in advance, sent
you the threat.
[29] ﻣﺎ ﻳُﺒَﺪَّﻝُ ﺍﻟﻘَﻮﻝُ ﻟَﺪَﻯَّ ﻭَﻣﺎ
ﺃَﻧﺎ۠ ﺑِﻈَﻠّٰﻢٍ ﻟِﻠﻌَﺒﻴﺪِ
[29] আমার কাছে কথা রদবদল হয় না
এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী
নই।
[29] The Sentence that comes from Me
cannot be changed, and I am not unjust
to the slaves.”
[30] ﻳَﻮﻡَ ﻧَﻘﻮﻝُ ﻟِﺠَﻬَﻨَّﻢَ ﻫَﻞِ
ﺍﻣﺘَﻠَﺄﺕِ ﻭَﺗَﻘﻮﻝُ ﻫَﻞ ﻣِﻦ ﻣَﺰﻳﺪٍ
[30] যেদিন আমি জাহান্নামকে
জিজ্ঞাসা করব; তুমি কি পূর্ণ হয়ে
গেছ? সে বলবেঃ আরও আছে কি?
[30] On the Day when We will say to
Hell: “Are you filled?” It will say: “Are
there any more (to come)?”
[31] ﻭَﺃُﺯﻟِﻔَﺖِ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔُ ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
ﻏَﻴﺮَ ﺑَﻌﻴﺪٍ
[31] জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে
খোদাভীরুদের অদূরে।
[31] And Paradise will be brought near
to the Muttaqûn (pious – see V.2:2) not
far off.
[32] ﻫٰﺬﺍ ﻣﺎ ﺗﻮﻋَﺪﻭﻥَ ﻟِﻜُﻞِّ
ﺃَﻭّﺍﺏٍ ﺣَﻔﻴﻆٍ
[32] তোমাদের প্রত্যেক অনুরাগী ও
স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া
হয়েছিল।
[32] (It will be said): “This is what you
were promised, – (it is) for those oft-
returning (to Allâh) in sincere
repentance, and those who preserve
their covenant with Allâh (by obeying
Him in all what He has ordered, and
worshipping none but Allâh Alone, i.e.
follow Allâh’s religion, Islâmic
Monotheism).
[33] ﻣَﻦ ﺧَﺸِﻰَ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦَ
ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ ﻭَﺟﺎﺀَ ﺑِﻘَﻠﺐٍ ﻣُﻨﻴﺐٍ
[33] যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ
তা’আলাকে ভয় করত এবং বিনীত
অন্তরে উপস্থিত হত।
[33] “Who feared the Most Gracious
(Allâh) in the Ghaib (unseen) and
brought a heart turned in repentance (to
Him – and absolutely free from each and
every kind of polytheism).
[34] ﺍﺩﺧُﻠﻮﻫﺎ ﺑِﺴَﻠٰﻢٍ ۖ ﺫٰﻟِﻚَ ﻳَﻮﻡُ
ﺍﻟﺨُﻠﻮﺩِ
[34] তোমরা এতে শান্তিতে প্রবেশ
কর। এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য
প্রবেশ করার দিন।
[34] “Enter you therein in peace and
security — this is a Day of eternal life!”
[35] ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺸﺎﺀﻭﻥَ ﻓﻴﻬﺎ
ﻭَﻟَﺪَﻳﻨﺎ ﻣَﺰﻳﺪٌ
[35] তারা তথায় যা চাইবে, তাই পাবে
এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক।
[35] There they will have all that they
desire — and We have more (for them,
i.e. a glance at the All-Mighty, All-
Majestic swt )
[36] ﻭَﻛَﻢ ﺃَﻫﻠَﻜﻨﺎ ﻗَﺒﻠَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻗَﺮﻥٍ ﻫُﻢ ﺃَﺷَﺪُّ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺑَﻄﺸًﺎ
ﻓَﻨَﻘَّﺒﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺒِﻠٰﺪِ ﻫَﻞ ﻣِﻦ
ﻣَﺤﻴﺺٍ
[36] আমি তাদের পূর্বে বহু সম্প্রদায়কে
ধ্বংস করেছি, তারা এদের অপেক্ষা
অধিক শক্তিশালী ছিল এবং দেশে-
বিদেশে বিচরণ করে ফিরত। তাদের
কোন পলায়ন স্থান ছিল না।
[36] And how many a generation We
have destroyed before them, who were
stronger in power than they, and (when
Our Torment came) they ran for a refuge
in the land! Could they find any place of
refuge (for them to save themselves from
destruction)?
[37] ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟَﺬِﻛﺮﻯٰ ﻟِﻤَﻦ
ﻛﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻗَﻠﺐٌ ﺃَﻭ ﺃَﻟﻘَﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ
ﻭَﻫُﻮَ ﺷَﻬﻴﺪٌ
[37] এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্যে,
যার অনুধাবন করার মত অন্তর রয়েছে।
অথবা সে নিবিষ্ট মনে শ্রবণ করে।
[37] Verily, therein is indeed a reminder
for him who has a heart or gives ear
while he is heedful.
[38] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺧَﻠَﻘﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻭَﻣﺎ ﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﻓﻰ
ﺳِﺘَّﺔِ ﺃَﻳّﺎﻡٍ ﻭَﻣﺎ ﻣَﺴَّﻨﺎ ﻣِﻦ
ﻟُﻐﻮﺏٍ
[38] আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও
এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয়দিনে
সৃষ্টি করেছি এবং আমাকে কোনরূপ
ক্লান্তি স্পর্শ করেনি।
[38] And indeed We created the heavens
and the earth and all between them in
six Days and nothing of fatigue touched
Us.
[39] ﻓَﺎﺻﺒِﺮ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ
ﻭَﺳَﺒِّﺢ ﺑِﺤَﻤﺪِ ﺭَﺑِّﻚَ ﻗَﺒﻞَ
ﻃُﻠﻮﻉِ ﺍﻟﺸَّﻤﺲِ ﻭَﻗَﺒﻞَ
ﺍﻟﻐُﺮﻭﺏِ
[39] অতএব, তারা যা কিছু বলে,
তজ্জন্যে আপনি ছবর করুন এবং,
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনার
পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা
ঘোষণা করুন।
[39] So bear with patience (O
Muhammad SAW) all that they say, and
glorify the Praises of your Lord, before
the rising of the sun and before (its)
setting (i.e. the Fajr, Zuhr, and ‘Asr
prayers).
[40] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟَّﻴﻞِ ﻓَﺴَﺒِّﺤﻪُ ﻭَﺃَﺩﺑٰﺮَ
ﺍﻟﺴُّﺠﻮﺩِ
[40] রাত্রির কিছু অংশে তাঁর
পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং নামাযের
পশ্চাতেও।
[40] And during a part of the night
(also), glorify His praises (i.e. Maghrib
and ‘Isha prayers), and (so likewise)
after the prayers [As-Sunnah, Nawâfil —
optional and additional prayers, And
also glorify, praise and magnify Allâh –
Subhân Allâh, Alhamdu lillâh, Allâhu-
Akbar].
[41] ﻭَﺍﺳﺘَﻤِﻊ ﻳَﻮﻡَ ﻳُﻨﺎﺩِ ﺍﻟﻤُﻨﺎﺩِ
ﻣِﻦ ﻣَﻜﺎﻥٍ ﻗَﺮﻳﺐٍ
[41] শুন, যে দিন এক আহবানকারী
নিকটবর্তী স্থান থেকে আহবান করবে।
[41] And listen on the Day when the
caller will call from a near place,
[42] ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺴﻤَﻌﻮﻥَ ﺍﻟﺼَّﻴﺤَﺔَ
ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻳَﻮﻡُ ﺍﻟﺨُﺮﻭﺝِ
[42] যেদিন মানুষ নিশ্চিত সেই ভয়াবহ
আওয়াজ শুনতে পাবে, সেদিনই
পুনরত্থান দিবস।
[42] The Day when they will hear As-
Saihah (shout) in truth, that will be the
Day of coming out (from the graves i.e.
the Day of Resurrection).
[43] ﺇِﻧّﺎ ﻧَﺤﻦُ ﻧُﺤﻲۦ ﻭَﻧُﻤﻴﺖُ
ﻭَﺇِﻟَﻴﻨَﺎ ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[43] আমি জীবন দান করি, মৃত্যু ঘটাই
এবং আমারই দিকে সকলের
প্রত্যাবর্তন।
[43] Verily, We it is Who give life and
cause death; and to Us is the final
return,
[44] ﻳَﻮﻡَ ﺗَﺸَﻘَّﻖُ ﺍﻷَﺭﺽُ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﺳِﺮﺍﻋًﺎ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺣَﺸﺮٌ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ
ﻳَﺴﻴﺮٌ
[44] যেদিন ভূমন্ডল বিদীর্ণ হয়ে মানুষ
ছুটাছুটি করে বের হয়ে আসবে। এটা
এমন সমবেত করা, যা আমার জন্যে অতি
সহজ।
[44] On the Day when the earth shall be
cleft, from off them, (they will come out)
hastening forth. That will be a gathering,
quite easy for Us.
[45] ﻧَﺤﻦُ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ۖ
ﻭَﻣﺎ ﺃَﻧﺖَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺑِﺠَﺒّﺎﺭٍ ۖ
ﻓَﺬَﻛِّﺮ ﺑِﺎﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ﻣَﻦ ﻳَﺨﺎﻑُ
ﻭَﻋﻴﺪِ
[45] তারা যা বলে, তা আমি সম্যক
অবগত আছি। আপনি তাদের উপর
জোরজবরকারী নন। অতএব, যে আমার
শাস্তিকে ভয় করে, তাকে কোরআনের
মাধ্যমে উপদেশ দান করুন।
[45] We know of best what they say; and
you (O Muhammad SAW) are not the one
to force them (to Belief). But warn by the
Surah Qaf Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. ক্বাফ! সম্মানিত কোরআনের শপথ; 2. বরং তারা তাদের মধ্য থেকেই একজন ভয় প্রদর্শনকারী আগমন করেছে দেখে বিস্ময় বোধ করে। অতঃপর কাফেররা বলেঃ এটা আশ্চর্যের ব্যাপার। 3. আমরা মরে গেলে এবং মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে গেলেও কি পুনরুত্থিত হব? এ প্রত্যাবর্তন সুদূরপরাহত। 4. মৃত্তিকা তাদের কতটুকু গ্রাস করবে, তা আমার জানা আছে এবং আমার কাছে আছে সংরক্ষিত কিতাব। 5. বরং তাদের কাছে সত্য আগমন করার পর তারা তাকে মিথ্যা বলছে। ফলে তারা সংশয়ে পতিত রয়েছে। 6. তারা কি তাদের উপরস্থিত আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কিভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই। 7. আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি, তাতে পর্বতমালার ভার স্থাপন করেছি এবং তাতে সর্বপ্রকার নয়নাভিরাম উদ্ভিদ উদগত করেছি। 8. এটা জ্ঞান আহরণ ও স্মরণ করার মত ব্যাপার প্রত্যেক অনুরাগী বান্দার জন্যে। 9. আমি আকাশ থেকে কল্যাণময় বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তদ্বারা বাগান ও শস্য উদগত করি, যেগুলোর ফসল আহরণ করা হয়। 10. এবং লম্বমান খর্জুর বৃক্ষ, যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খর্জুর, 11. বান্দাদের জীবিকাস্বরূপ এবং বৃষ্টি দ্বারা আমি মৃত জনপদকে সঞ্জীবিত করি। এমনিভাবে পুনরুত্থান ঘটবে। 12. তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে নূহের সম্প্রদায়, কুপবাসীরা এবং সামুদ সম্প্রদায়। 13. আদ, ফেরাউন, ও লূতের সম্প্রদায়, 14. বনবাসীরা এবং তোব্বা সম্প্রদায়। প্রত্যেকেই রসূলগণকে মিথ্যা বলেছে, অতঃপর আমার শাস্তির যোগ্য হয়েছে। 15. আমি কি প্রথমবার সৃষ্টি করেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বরং তারা নতুন সৃষ্টির ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করেছে। 16. আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে যে কুচিন্তা করে, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। 17. যখন দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল গ্রহণ করে। 18. সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে। 19. মৃত্যুযন্ত্রণা নিশ্চিতই আসবে। এ থেকেই তুমি টালবাহানা করতে। 20. এবং শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে এটা হবে ভয় প্রদর্শনের দিন। 21. প্রত্যেক ব্যক্তি আগমন করবে। তার সাথে থাকবে চালক ও কর্মের সাক্ষী। 22. তুমি তো এই দিন সম্পর্কে উদাসীন ছিলে। এখন তোমার কাছ থেকে যবনিকা সরিয়ে দিয়েছি। ফলে আজ তোমার দৃষ্টি সুতীক্ষ্ন। 23. তার সঙ্গী ফেরেশতা বলবেঃ আমার কাছে যে, আমলনামা ছিল, তা এই। 24. তোমরা উভয়েই নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক অকৃতজ্ঞ বিরুদ্ধবাদীকে, 25. যে বাধা দিত মঙ্গলজনক কাজে, সীমালঙ্ঘনকারী, সন্দেহ পোষণকারীকে। 26. যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য গ্রহণ করত, তাকে তোমরা কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর। 27. তার সঙ্গী শয়তান বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমি তাকে অবাধ্যতায় লিপ্ত করিনি। বস্তুতঃ সে নিজেই ছিল সুদূর পথভ্রান্তিতে লিপ্ত। 28. আল্লাহ বলবেনঃ আমার সামনে বাকবিতন্ডা করো না আমি তো পূর্বেই তোমাদেরকে আযাব দ্বারা ভয় প্রদর্শন করেছিলাম। 29. আমার কাছে কথা রদবদল হয় না এবং আমি বান্দাদের প্রতি জুলুমকারী নই। 30. যেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করব; তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছ? সে বলবেঃ আরও আছে কি? 31. জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে খোদাভীরুদের অদূরে। 32. তোমাদের প্রত্যেক অনুরাগী ও স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। 33. যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ তা’আলাকে ভয় করত এবং বিনীত অন্তরে উপস্থিত হত। 34. তোমরা এতে শান্তিতে প্রবেশ কর। এটাই অনন্তকাল বসবাসের জন্য প্রবেশ করার দিন। 35. তারা তথায় যা চাইবে, তাই পাবে এবং আমার কাছে রয়েছে আরও অধিক। 36. আমি তাদের পূর্বে বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি, তারা এদের অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী ছিল এবং দেশে-বিদেশে বিচরণ করে ফিরত। তাদের কোন পলায়ন স্থান ছিল না। 37. এতে উপদেশ রয়েছে তার জন্যে, যার অনুধাবন করার মত অন্তর রয়েছে। অথবা সে নিবিষ্ট মনে শ্রবণ করে। 38. আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃষ্টি করেছি এবং আমাকে কোনরূপ ক্লান্তি স্পর্শ করেনি। 39. অতএব, তারা যা কিছু বলে, তজ্জন্যে আপনি ছবর করুন এবং, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন। 40. রাত্রির কিছু অংশে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন এবং নামাযের পশ্চাতেও। 41. শুন, যে দিন এক আহবানকারী নিকটবর্তী স্থান থেকে আহবান করবে। 42. যেদিন মানুষ নিশ্চিত সেই ভয়াবহ আওয়াজ শুনতে পাবে, সেদিনই পুনরত্থান দিবস। 43. আমি জীবন দান করি, মৃত্যু ঘটাই এবং আমারই দিকে সকলের প্রত্যাবর্তন। 44. যেদিন ভূমন্ডল বিদীর্ণ হয়ে মানুষ ছুটাছুটি করে বের হয়ে আসবে। এটা এমন সমবেত করা, যা আমার জন্যে অতি সহজ। 45. তারা যা বলে, তা আমি সম্যক অবগত আছি। আপনি তাদের উপর জোরজবরকারী নন। অতএব, যে আমার শাস্তিকে ভয় করে, তাকে কোরআনের মাধ্যমে উপদেশ দান করুন। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s