51. সুরাহ আল যারিয়াত(01-60)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻭَﺍﻟﺬّٰﺭِﻳٰﺖِ ﺫَﺭﻭًﺍ
[1] কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর।
[1] By (the winds) that scatter dust.
[2] ﻓَﺎﻟﺤٰﻤِﻠٰﺖِ ﻭِﻗﺮًﺍ
[2] অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের।
[2] And (the clouds) that bear heavy
weight of water;
[3] ﻓَﺎﻟﺠٰﺮِﻳٰﺖِ ﻳُﺴﺮًﺍ
[3] অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের,
[3] And (the ships) that float with ease
and gentleness;
[4] ﻓَﺎﻟﻤُﻘَﺴِّﻤٰﺖِ ﺃَﻣﺮًﺍ
[4] অতঃপর কর্ম বন্টনকারী
ফেরেশতাগণের,
[4] And those (angels) who distribute
(provisions, rain, and other blessings) by
(Allâh’s) Command;¬
[5] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺗﻮﻋَﺪﻭﻥَ ﻟَﺼﺎﺩِﻕٌ
[5] তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই
সত্য।
[5] Verily, that which you are promised
(i.e. Resurrection in the Hereafter and
receiving the reward or punishment of
good or bad deeds) is surely true.
[6] ﻭَﺇِﻥَّ ﺍﻟﺪّﻳﻦَ ﻟَﻮٰﻗِﻊٌ
[6] ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।
[6] And verily, the Recompense is sure to
happen.
[7] ﻭَﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﺫﺍﺕِ ﺍﻟﺤُﺒُﻚِ
[7] পথবিশিষ্ট আকাশের কসম,
[7] By the heaven full of paths,
[8] ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﻟَﻔﻰ ﻗَﻮﻝٍ ﻣُﺨﺘَﻠِﻒٍ
[8] তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা
বলছ।
[8] Certainly, you have different ideas
(about Muhammad SAW and the
Qur’ân).
[9] ﻳُﺆﻓَﻚُ ﻋَﻨﻪُ ﻣَﻦ ﺃُﻓِﻚَ
[9] যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়,
[9] Turned aside therefrom (i.e. from
Muhammad SAW and the Qur’ân) is he
who is turned aside (by the Decree and
Preordainment ﺍﻟﻘﻀﺎﺀ ﻭﺍﻟﻘﺪﺭ of Allâh).
[10] ﻗُﺘِﻞَ ﺍﻟﺨَﺮّٰﺻﻮﻥَ
[10] অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,
[10] Cursed be the liars,
[11] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫُﻢ ﻓﻰ ﻏَﻤﺮَﺓٍ
ﺳﺎﻫﻮﻥَ
[11] যারা উদাসীন, ভ্রান্ত।
[11] Who are under a cover of
heedlessness (think not about the gravity
of the Hereafter),
[12] ﻳَﺴـَٔﻠﻮﻥَ ﺃَﻳّﺎﻥَ ﻳَﻮﻡُ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ
[12] তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত
কবে হবে?
[12] They ask;”When will be the Day of
Recompense?”
[13] ﻳَﻮﻡَ ﻫُﻢ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
ﻳُﻔﺘَﻨﻮﻥَ
[13] যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে,
[13] (It will be) a Day when they will be
tried (punished i.e. burnt) over the Fire!
[14] ﺫﻭﻗﻮﺍ ﻓِﺘﻨَﺘَﻜُﻢ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﺗَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻥَ
[14] তোমরা তোমাদের শাস্তি
আস্বাদন কর। তোমরা একেই
ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।
[14] “Taste you your trial (punishment
i.e. burning)! This is what you used to
ask to be hastened!”
[15] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ ﻓﻰ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﻭَﻋُﻴﻮﻥٍ
[15] খোদাভীরুরা জান্নাতে ও
প্রস্রবণে থাকবে।
[15] Verily, the Muttaqûn (pious – see
V.2:2) will be in the midst of Gardens
and Springs (in the Paradise),
[16] ﺀﺍﺧِﺬﻳﻦَ ﻣﺎ ﺀﺍﺗﻯٰﻬُﻢ
ﺭَﺑُّﻬُﻢ ۚ ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻗَﺒﻞَ ﺫٰﻟِﻚَ
ﻣُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[16] এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে
যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে
দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল
সৎকর্মপরায়ণ,
[16] Taking joy in the things which their
Lord has given them. Verily, they were
before this Muhsinûn (good-doers – see
V.2:112)
[17] ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟَّﻴﻞِ ﻣﺎ
ﻳَﻬﺠَﻌﻮﻥَ
[17] তারা রাত্রির সামান্য অংশেই
নিদ্রা যেত,
[17] They used to sleep but little by night
[invoking their Lord (Allâh) and praying,
with fear and hope].
[18] ﻭَﺑِﺎﻷَﺳﺤﺎﺭِ ﻫُﻢ
ﻳَﺴﺘَﻐﻔِﺮﻭﻥَ
[18] রাতের শেষ প্রহরে তারা
ক্ষমাপ্রার্থনা করত,
[18] And in the hours before dawn, they
were (found) asking (Allâh) for
forgiveness,
[19] ﻭَﻓﻰ ﺃَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﺣَﻖٌّ ﻟِﻠﺴّﺎﺋِﻞِ
ﻭَﺍﻟﻤَﺤﺮﻭﻡِ
[19] এবং তাদের ধন-সম্পদে প্রার্থী ও
বঞ্চিতের হক ছিল।
[19] And in their properties there was
the right of the Sa’il (the beggar who
asks), and the Mahrûm (the poor who
does not ask the others) ,
[20] ﻭَﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺀﺍﻳٰﺖٌ
ﻟِﻠﻤﻮﻗِﻨﻴﻦَ
[20] বিশ্বাসকারীদের জন্যে
পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে,
[20] And on the earth are signs for those
who have Faith with certainty,
[21] ﻭَﻓﻰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ۚ ﺃَﻓَﻼ
ﺗُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[21] এবং তোমাদের নিজেদের
মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না?
[21] And also in your ownselves. Will
you not then see?
[22] ﻭَﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﺭِﺯﻗُﻜُﻢ ﻭَﻣﺎ
ﺗﻮﻋَﺪﻭﻥَ
[22] আকাশে রয়েছে তোমাদের
রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।
[22] And in the heaven is your provision,
and that which you are promised.
[23] ﻓَﻮَﺭَﺏِّ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﺤَﻖٌّ ﻣِﺜﻞَ ﻣﺎ ﺃَﻧَّﻜُﻢ
ﺗَﻨﻄِﻘﻮﻥَ
[23] নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের
পালনকর্তার কসম, তোমাদের
কথাবার্তার মতই এটা সত্য।
[23] Then, by the Lord of the heaven and
the earth, it is the truth (i.e. what has
been promised to you), just as it is the
truth that you can speak.
[24] ﻫَﻞ ﺃَﺗﻯٰﻚَ ﺣَﺪﻳﺚُ ﺿَﻴﻒِ
ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﺍﻟﻤُﻜﺮَﻣﻴﻦَ
[24] আপনার কাছে ইব্রাহীমের
সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে
কি?
[24] Has the story reached you, of the
honoured guests [three angels; Jibril
(Gabriel) along with another two] of
Ibrahîm (Abraham)?
[25] ﺇِﺫ ﺩَﺧَﻠﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ
ﺳَﻠٰﻤًﺎ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺳَﻠٰﻢٌ ﻗَﻮﻡٌ
ﻣُﻨﻜَﺮﻭﻥَ
[25] যখন তারা তাঁর কাছে উপস্থিত
হয়ে বললঃ সালাম, তখন সে বললঃ
সালাম। এরা তো অপরিচিত লোক।
[25] When they came in to him, and
said, “Salâm, (peace be upon you)!” He
answered;”Salâm, (peace be upon you ),”
and said: “You are a people unknown to
me,”
[26] ﻓَﺮﺍﻍَ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻫﻠِﻪِ ﻓَﺠﺎﺀَ
ﺑِﻌِﺠﻞٍ ﺳَﻤﻴﻦٍ
[26] অতঃপর সে গ্রহে গেল এবং একটি
ঘৃতেপক্ক মোটা গোবৎস নিয়ে হাযির
হল।
[26] Then he turned to his household,
and brought out a roasted calf [as the
property of Ibrahîm (Abraham) was
mainly cows].
[27] ﻓَﻘَﺮَّﺑَﻪُ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻗﺎﻝَ ﺃَﻻ
ﺗَﺄﻛُﻠﻮﻥَ
[27] সে গোবৎসটি তাদের সামনে
রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না
কেন?
[27] And placed it before them, (saying):
“Will you not eat?”
[28] ﻓَﺄَﻭﺟَﺲَ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺧﻴﻔَﺔً ۖ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻻ ﺗَﺨَﻒ ۖ ﻭَﺑَﺸَّﺮﻭﻩُ ﺑِﻐُﻠٰﻢٍ
ﻋَﻠﻴﻢٍ
[28] অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে
মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন
না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র
সন্তানের সুসংবাদ দিল।
[28] Then he conceived fear of them
(when they ate not). They said: “Fear
not.” And they gave him glad tidings of
son, having knowledge (about Allâh and
His religion of True Monotheism).
[29] ﻓَﺄَﻗﺒَﻠَﺖِ ﺍﻣﺮَﺃَﺗُﻪُ ﻓﻰ ﺻَﺮَّﺓٍ
ﻓَﺼَﻜَّﺖ ﻭَﺟﻬَﻬﺎ ﻭَﻗﺎﻟَﺖ
ﻋَﺠﻮﺯٌ ﻋَﻘﻴﻢٌ
[29] অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে
করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে
বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।
[29] Then his wife came forward with a
loud voice, she smote her face, and said:
“A barren old woman!”
[30] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻛَﺬٰﻟِﻚِ ﻗﺎﻝَ ﺭَﺑُّﻚِ ۖ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
[30] তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা
এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি
প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।
[30] They said: “Even so says your Lord.
Verily, He is the All-Wise, the All-
Knower.”
[31] ۞ ﻗﺎﻝَ ﻓَﻤﺎ ﺧَﻄﺒُﻜُﻢ ﺃَﻳُّﻬَﺎ
ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻮﻥَ
[31] ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত
ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি?
[31] [Ibrâhim (Abraham)] said: “Then for
what purpose you have come, O
Messengers?”
[32] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ ﺃُﺭﺳِﻠﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﻗَﻮﻡٍ
ﻣُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[32] তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী
সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি,
[32] They said: “We have been sent to a
people who are Mujrimûn (polytheists,
sinners, criminals, disbelievers in Allâh);
[33] ﻟِﻨُﺮﺳِﻞَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺣِﺠﺎﺭَﺓً
ﻣِﻦ ﻃﻴﻦٍ
[33] যাতে তাদের উপর মাটির ঢিলা
নিক্ষেপ করি।
[33] To send down upon them stones of
baked clay.
[34] ﻣُﺴَﻮَّﻣَﺔً ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻚَ
ﻟِﻠﻤُﺴﺮِﻓﻴﻦَ
[34] যা সীমাতিক্রমকারীদের জন্যে
আপনার পালনকর্তার কাছে চিহিßত
আছে।
[34] Marked by your Lord for the
Musrifûn (polytheists, criminals, sinners
— those who trespass Allâh’s set limits in
evil-doings by committing great sins).
[35] ﻓَﺄَﺧﺮَﺟﻨﺎ ﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻓﻴﻬﺎ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[35] অতঃপর সেখানে যারা ঈমানদার
ছিল, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।
[35] So We brought out from therein the
believers.
[36] ﻓَﻤﺎ ﻭَﺟَﺪﻧﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻏَﻴﺮَ
ﺑَﻴﺖٍ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
[36] এবং সেখানে একটি গৃহ ব্যতীত
কোন মুসলমান আমি পাইনি।
[36] But We found not there any
household of the Muslims except one [of
Lut (Lot) and his two daughters].
[37] ﻭَﺗَﺮَﻛﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﺀﺍﻳَﺔً ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ﺍﻷَﻟﻴﻢَ
[37] যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয়
করে, আমি তাদের জন্যে সেখানে
একটি নিদর্শন রেখেছি।
[37] And We have left there a sign (i.e.
the place of the Dead Sea in Palestine)
for those who fear the painful torment.
[38] ﻭَﻓﻰ ﻣﻮﺳﻰٰ ﺇِﺫ ﺃَﺭﺳَﻠﻨٰﻪُ
ﺇِﻟﻰٰ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﺑِﺴُﻠﻄٰﻦٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[38] এবং নিদর্শন রয়েছে মূসার
বৃত্তান্তে; যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট
প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে প্রেরণ
করেছিলাম।
[38] And in Mûsa (Moses) (too, there is a
sign). When We sent him to Fir’aun
(Pharaoh) with a manifest authority.
[39] ﻓَﺘَﻮَﻟّﻰٰ ﺑِﺮُﻛﻨِﻪِ ﻭَﻗﺎﻝَ
ﺳٰﺤِﺮٌ ﺃَﻭ ﻣَﺠﻨﻮﻥٌ
[39] অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে
নিল এবং বললঃ সে হয় যাদুকর, না হয়
পাগল।
[39] But [Fir’aun (Pharaoh)] turned away
(from Belief in might) along with his
hosts, and said: “A sorcerer, or a
madman.”
[40] ﻓَﺄَﺧَﺬﻧٰﻪُ ﻭَﺟُﻨﻮﺩَﻩُ
ﻓَﻨَﺒَﺬﻧٰﻬُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﻴَﻢِّ ﻭَﻫُﻮَ ﻣُﻠﻴﻢٌ
[40] অতঃপর আমি তাকে ও তার
সেনাবাহিনীকে পাকড়াও করলাম
এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ
করলাম। সে ছিল অভিযুক্ত।
[40] So We took him and his hosts, and
dumped them into the sea for he was
blameworthy.
[41] ﻭَﻓﻰ ﻋﺎﺩٍ ﺇِﺫ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﺮّﻳﺢَ ﺍﻟﻌَﻘﻴﻢَ
[41] এবং নিদর্শন রয়েছে তাদের
কাহিনীতে; যখন আমি তাদের উপর
প্রেরণ করেছিলাম অশুভ বায়ু।
[41] And in ‘Ad (there is also a sign)
when We sent against them the barren
wind;
[42] ﻣﺎ ﺗَﺬَﺭُ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﺃَﺗَﺖ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﺟَﻌَﻠَﺘﻪُ ﻛَﺎﻟﺮَّﻣﻴﻢِ
[42] এই বায়ু যার উপর দিয়ে প্রবাহিত
হয়েছিলঃ তাকেই চুর্ণ-বিচুর্ণ করে
দিয়েছিল।
[42] It spared nothing that it reached,
but blew it into broken spreads of rotten
ruins.
[43] ﻭَﻓﻰ ﺛَﻤﻮﺩَ ﺇِﺫ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻬُﻢ
ﺗَﻤَﺘَّﻌﻮﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﺣﻴﻦٍ
[43] আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের
ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল,
কিছুকাল মজা লুটে নাও।
[43] And in Thamûd (there is also a
sign), when they were told: “Enjoy
yourselves for a while!”
[44] ﻓَﻌَﺘَﻮﺍ ﻋَﻦ ﺃَﻣﺮِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ
ﻓَﺄَﺧَﺬَﺗﻬُﻢُ ﺍﻟﺼّٰﻌِﻘَﺔُ ﻭَﻫُﻢ
ﻳَﻨﻈُﺮﻭﻥَ
[44] অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার
আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি
বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা
দেখেছিল।
[44] But they insolently defied the
Command of their Lord, so the Sâ’iqah
overtook them while they were looking.
[45] ﻓَﻤَﺎ ﺍﺳﺘَﻄٰﻌﻮﺍ ﻣِﻦ ﻗِﻴﺎﻡٍ
ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣُﻨﺘَﺼِﺮﻳﻦَ
[45] অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল
না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল
না।
[45] Then they were unable to rise up,
nor could they help themselves.
[46] ﻭَﻗَﻮﻡَ ﻧﻮﺡٍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۖ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻓٰﺴِﻘﻴﻦَ
[46] আমি ইতিপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে
ধ্বংস করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিল
পাপাচারী সম্প্রদায়।
[46] (So were) the people of Nûh (Noah)
before them. Verily, they were a people
who were Fâsiqûn (rebellious,
disobedient to Allâh).
[47] ﻭَﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ ﺑَﻨَﻴﻨٰﻬﺎ ﺑِﺄَﻳﻴ۟ﺪٍ
ﻭَﺇِﻧّﺎ ﻟَﻤﻮﺳِﻌﻮﻥَ
[47] আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ
নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই
ব্যাপক ক্ষমতাশালী।
[47] With power did We construct the
heaven. Verily, We are Able to extend
the vastness of space thereof.
[48] ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻓَﺮَﺷﻨٰﻬﺎ ﻓَﻨِﻌﻢَ
ﺍﻟﻤٰﻬِﺪﻭﻥَ
[48] আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি
কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।
[48] And We have spread out the earth,
how Excellent Spreader (thereof) are We!
[49] ﻭَﻣِﻦ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﺧَﻠَﻘﻨﺎ
ﺯَﻭﺟَﻴﻦِ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[49] আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায়
জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা
হৃদয়ঙ্গম কর।
[49] And of everything We have created
pairs, that you may remember (the Grace
of Allâh).
[50] ﻓَﻔِﺮّﻭﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻜُﻢ
ﻣِﻨﻪُ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[50] অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।
আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের
জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
[50] So flee to Allâh (from His Torment to
His Mercy — Islâmic Monotheism),
verily, I (Muhammad SAW) am a plain
warner to you from Him.
[51] ﻭَﻻ ﺗَﺠﻌَﻠﻮﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟٰﻬًﺎ
ﺀﺍﺧَﺮَ ۖ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻨﻪُ ﻧَﺬﻳﺮٌ
ﻣُﺒﻴﻦٌ
[51] তোমরা আল্লাহর সাথে কোন
উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর
পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট
সতর্ককারী।
[51] And set not up (or worship not) any
other ilâh (god) along with Allâh
[Glorified be He (Alone), Exalted above
all that they associate as partners with
Him]. Verily, I (Muhammad SAW) am a
plain warner to you from Him.
[52] ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻣﺎ ﺃَﺗَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻣِﻦ ﺭَﺳﻮﻝٍ ﺇِﻟّﺎ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺳﺎﺣِﺮٌ ﺃَﻭ ﻣَﺠﻨﻮﻥٌ
[52] এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের
কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে,
তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ।
[52] Likewise, no Messenger came to
those before them, but they said: “A
sorcerer or a madman!”
[53] ﺃَﺗَﻮﺍﺻَﻮﺍ ﺑِﻪِ ۚ ﺑَﻞ ﻫُﻢ ﻗَﻮﻡٌ
ﻃﺎﻏﻮﻥَ
[53] তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই
দিয়ে গেছে? বস্তুতঃ ওরা দুষ্ট
সম্প্রদায়।
[53] Have they (the people of the past)
transmitted this saying to these (Quraish
pagans)? Nay, they are themselves a
people transgressing beyond bounds (in
disbelief)!
[54] ﻓَﺘَﻮَﻝَّ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻓَﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ
ﺑِﻤَﻠﻮﻡٍ
[54] অতএব, আপনি ওদের থেকে মুখ
ফিরিয়ে নিন। এতে আপনি অপরাধী
হবেন না।
[54] So turn away (O Muhammad SAW)
from them (Quraish pagans) you are not
blameworthy (as you have conveyed
Allâh’s Message).
[55] ﻭَﺫَﻛِّﺮ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﺬِّﻛﺮﻯٰ ﺗَﻨﻔَﻊُ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[55] এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা,
বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে।
[55] And remind (by preaching the
Qur’ân, O Muhammad SAW) for verily,
the reminding profits the believers.
[56] ﻭَﻣﺎ ﺧَﻠَﻘﺖُ ﺍﻟﺠِﻦَّ
ﻭَﺍﻹِﻧﺲَ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻴَﻌﺒُﺪﻭﻥِ
[56] আমার এবাদত করার জন্যই আমি
মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।
[56] And I (Allâh) created not the jinn
and mankind except that they should
worship Me (Alone).
[57] ﻣﺎ ﺃُﺭﻳﺪُ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺭِﺯﻕٍ
ﻭَﻣﺎ ﺃُﺭﻳﺪُ ﺃَﻥ ﻳُﻄﻌِﻤﻮﻥِ
[57] আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই
না এবং এটাও চাই না যে, তারা
আমাকে আহার্য যোগাবে।
[57] I seek not any provision from them
(i.e. provision for themselves or for My
creatures) nor do I ask that they should
feed Me (i.e. feed themselves or My
creatures).
[58] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺮَّﺯّﺍﻕُ ﺫُﻭ
ﺍﻟﻘُﻮَّﺓِ ﺍﻟﻤَﺘﻴﻦُ
[58] আল্লাহ তা’আলাই তো
জীবিকাদাতা শক্তির আধার,
পরাক্রান্ত।
[58] Verily, Allâh is the All-Provider,
Owner of Power, the Most Strong.
[59] ﻓَﺈِﻥَّ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﺫَﻧﻮﺑًﺎ
ﻣِﺜﻞَ ﺫَﻧﻮﺏِ ﺃَﺻﺤٰﺒِﻬِﻢ ﻓَﻼ
ﻳَﺴﺘَﻌﺠِﻠﻮﻥِ
[59] অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই,
যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল।
কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা
তাড়াতাড়ি না চায়।
[59] And verily, for those who do wrong,
there is a portion of torment like to the
evil portion of torment (which came for)
their likes (of old), so let them not ask
Me to hasten on!
[60] ﻓَﻮَﻳﻞٌ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻣِﻦ
ﻳَﻮﻣِﻬِﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳﻮﻋَﺪﻭﻥَ
[60] অতএব, কাফেরদের জন্যে দুর্ভোগ
সেই দিনের, যেদিনের প্রতিশ্রুতি
ওদেরকে দেয়া হয়েছে।
[60] Then, woe to those who disbelieve
(in Allâh and His Oneness — Islâmic
Monotheism) from their Day which they
have been promised (for their
punishment).
Surah Al Dhariyat Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর। 2. অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের। 3. অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের, 4. অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের, 5. তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য। 6. ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী। 7. পথবিশিষ্ট আকাশের কসম, 8. তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ। 9. যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়, 10. অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক, 11. যারা উদাসীন, ভ্রান্ত। 12. তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে? 13. যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে, 14. তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল। 15. খোদাভীরুরা জান্নাতে ও প্রস্রবণে থাকবে। 16. এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ, 17. তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত, 18. রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত, 19. এবং তাদের ধন-সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক ছিল। 20. বিশ্বাসকারীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে, 21. এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না? 22. আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু। 23. নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য। 24. আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি? 25. যখন তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বললঃ সালাম, তখন সে বললঃ সালাম। এরা তো অপরিচিত লোক। 26. অতঃপর সে গ্রহে গেল এবং একটি ঘৃতেপক্ক মোটা গোবৎস নিয়ে হাযির হল। 27. সে গোবৎসটি তাদের সামনে রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না কেন? 28. অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল। 29. অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা। 30. তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ। 31. ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি? 32. তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি, 33. যাতে তাদের উপর মাটির ঢিলা নিক্ষেপ করি। 34. সীমা অতিক্রম যারা ​​পাপ থেকে তোমার পালনকর্তা হিসাবে চিহ্নিত। 35. অতঃপর সেখানে যারা ঈমানদার ছিল, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম। 36. এবং সেখানে একটি গৃহ ব্যতীত কোন মুসলমান আমি পাইনি। 37. যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে, আমি তাদের জন্যে সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি। 38. এবং নিদর্শন রয়েছে মূসার বৃত্তান্তে; যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে প্রেরণ করেছিলাম। 39. অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বললঃ সে হয় যাদুকর, না হয় পাগল। 40. অতঃপর আমি তাকে ও তার সেনাবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে ছিল অভিযুক্ত। 41. এবং নিদর্শন রয়েছে তাদের কাহিনীতে; যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অশুভ বায়ু। 42. এই বায়ু যার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিলঃ তাকেই চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দিয়েছিল। 43. আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছুকাল মজা লুটে নাও। 44. অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল। 45. অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল না। 46. আমি ইতিপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়। 47. আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী। 48. আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম। 49. আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর। 50. অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী। 51. তোমরা আল্লাহর সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী। 52. এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে, তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ। 53. তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই দিয়ে গেছে? বস্তুতঃ ওরা দুষ্ট সম্প্রদায়। 54. অতএব, আপনি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এতে আপনি অপরাধী হবেন না। 55. এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা, বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে। 56. আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি। 57. আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে। 58. আল্লাহ তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত। 59. অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা তাড়াতাড়ি না চায়। 60. অতএব, কাফেরদের জন্যে দুর্ভোগ সেই দিনের, যেদিনের প্রতিশ্রুতি ওদেরকে দেয়া হয়েছে। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s