52. সুরাহ আল তুর (01-49)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻭَﺍﻟﻄّﻮﺭِ
[1] কসম তূরপর্বতের,
[1] By the Tur (Mount);
[2] ﻭَﻛِﺘٰﺐٍ ﻣَﺴﻄﻮﺭٍ
[2] এবং লিখিত কিতাবের,
[2] And by the Book Inscribed.
[3] ﻓﻰ ﺭَﻕٍّ ﻣَﻨﺸﻮﺭٍ
[3] প্রশস্ত পত্রে,
[3] In parchment unrolled.
[4] ﻭَﺍﻟﺒَﻴﺖِ ﺍﻟﻤَﻌﻤﻮﺭِ
[4] কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের,
[4] And by the Al Bait-ul-Ma’mûr (the
house over the heavens parallel to the
Ka’bah at Makkah, continuously visited
by the angels);
[5] ﻭَﺍﻟﺴَّﻘﻒِ ﺍﻟﻤَﺮﻓﻮﻉِ
[5] এবং সমুন্নত ছাদের,
[5] And by the roof raised high (i.e. the
heaven).
[6] ﻭَﺍﻟﺒَﺤﺮِ ﺍﻟﻤَﺴﺠﻮﺭِ
[6] এবং উত্তাল সমুদ্রের,
[6] And by the sea kept filled (or it will
be fire kindled on the Day of
Resurrection).
[7] ﺇِﻥَّ ﻋَﺬﺍﺏَ ﺭَﺑِّﻚَ ﻟَﻮٰﻗِﻊٌ
[7] আপনার পালনকর্তার শাস্তি
অবশ্যম্ভাবী,
[7] Verily, the Torment of your Lord will
surely come to pass,
[8] ﻣﺎ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﺩﺍﻓِﻊٍ
[8] তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে
না।
[8] There is none that can avert it;
[9] ﻳَﻮﻡَ ﺗَﻤﻮﺭُ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀُ ﻣَﻮﺭًﺍ
[9] সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে
প্রবলভাবে।
[9] On the Day when the heaven will
shake with a dreadful shaking,
[10] ﻭَﺗَﺴﻴﺮُ ﺍﻟﺠِﺒﺎﻝُ ﺳَﻴﺮًﺍ
[10] এবং পর্বতমালা হবে চলমান,
[10] And the mountains will move away
with a (horrible) movement.
[11] ﻓَﻮَﻳﻞٌ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﻟِﻠﻤُﻜَﺬِّﺑﻴﻦَ
[11] সেদিন মিথ্যারোপকারীদের
দুর্ভোগ হবে,
[11] Then woe that Day to the beliers;
[12] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻫُﻢ ﻓﻰ ﺧَﻮﺽٍ
ﻳَﻠﻌَﺒﻮﻥَ
[12] যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি
কথা বানায়।
[12] Who are playing in falsehood.
[13] ﻳَﻮﻡَ ﻳُﺪَﻋّﻮﻥَ ﺇِﻟﻰٰ ﻧﺎﺭِ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﺩَﻋًّﺎ
[13] সেদিন তোমাদেরকে
জাহান্নামের অগ্নির দিকে ধাক্কা
মেরে মেরে নিয়ে যাওয়া হবে।
[13] The Day when they will be pushed
down by force to the Fire of Hell, with a
horrible, forceful pushing.
[14] ﻫٰﺬِﻩِ ﺍﻟﻨّﺎﺭُ ﺍﻟَّﺘﻰ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺑِﻬﺎ
ﺗُﻜَﺬِّﺑﻮﻥَ
[14] এবং বলা হবেঃ এই সেই অগ্নি,
যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে,
[14] This is the Fire which you used to
belie.
[15] ﺃَﻓَﺴِﺤﺮٌ ﻫٰﺬﺍ ﺃَﻡ ﺃَﻧﺘُﻢ ﻻ
ﺗُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[15] এটা কি জাদু, না তোমরা চোখে
দেখছ না?
[15] Is this magic, or do you not see?
[16] ﺍﺻﻠَﻮﻫﺎ ﻓَﺎﺻﺒِﺮﻭﺍ ﺃَﻭ ﻻ
ﺗَﺼﺒِﺮﻭﺍ ﺳَﻮﺍﺀٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۖ ﺇِﻧَّﻤﺎ
ﺗُﺠﺰَﻭﻥَ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[16] এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা
সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের
জন্য সমান। তোমরা যা করতে
তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল
দেয়া হবে।
[16] Taste you therein its heat, and
whether you are patient of it or
impatient of it, it is all the same. You are
only being requited for what you used to
do.
[17] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ ﻓﻰ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﻭَﻧَﻌﻴﻢٍ
[17] নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে
জান্নাতে ও নেয়ামতে।
[17] Verily, the Muttaqûn (pious – see
V.2:2) will be in Gardens (Paradise), and
Delight.
[18] ﻓٰﻜِﻬﻴﻦَ ﺑِﻤﺎ ﺀﺍﺗﻯٰﻬُﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ
ﻭَﻭَﻗﻯٰﻬُﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏَ
ﺍﻟﺠَﺤﻴﻢِ
[18] তারা উপভোগ করবে যা তাদের
পালনকর্তা তাদের দেবেন এবং তিনি
জাহান্নামের আযাব থেকে তাদেরকে
রক্ষা করবেন।
[18] Enjoying in that which their Lord
has bestowed on them, and (the fact that)
their Lord saved them from the torment
of the blazing Fire.
[19] ﻛُﻠﻮﺍ ﻭَﺍﺷﺮَﺑﻮﺍ ﻫَﻨﻴـًٔﺎ ﺑِﻤﺎ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[19] তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা যা
করতে তার প্রতিফলস্বরূপ তোমরা তৃপ্ত
হয়ে পানাহার কর।
[19] “Eat and drink with happiness
because of what you used to do.”
[20] ﻣُﺘَّﻜِـٔﻴﻦَ ﻋَﻠﻰٰ ﺳُﺮُﺭٍ
ﻣَﺼﻔﻮﻓَﺔٍ ۖ ﻭَﺯَﻭَّﺟﻨٰﻬُﻢ ﺑِﺤﻮﺭٍ
ﻋﻴﻦٍ
[20] তারা শ্রেণীবদ্ধ সিংহাসনে
হেলান দিয়ে বসবে। আমি তাদেরকে
আয়তলোচনা হুরদের সাথে
বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে দেব।
[20] They will recline (with ease) on
thrones arranged in ranks. And We shall
marry them to Hûr (female, fair ones)
with wide lovely eyes.
[21] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﺍﺗَّﺒَﻌَﺘﻬُﻢ
ﺫُﺭِّﻳَّﺘُﻬُﻢ ﺑِﺈﻳﻤٰﻦٍ ﺃَﻟﺤَﻘﻨﺎ ﺑِﻬِﻢ
ﺫُﺭِّﻳَّﺘَﻬُﻢ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻟَﺘﻨٰﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻋَﻤَﻠِﻬِﻢ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﻛُﻞُّ ﺍﻣﺮِﺉٍ
ﺑِﻤﺎ ﻛَﺴَﺐَ ﺭَﻫﻴﻦٌ
[21] যারা ঈমানদার এবং যাদের
সন্তানরা ঈমানে তাদের অনুগামী,
আমি তাদেরকে তাদের পিতৃপুরুষদের
সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের
আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করব না।
প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃত কর্মের জন্য
দায়ী।
[21] And those who believe and whose
offspring follow them in Faith, to them
shall We join their offspring, and We
shall not decrease the reward of their
deeds in anything. Every person is a
pledge for that which he has earned.
[22] ﻭَﺃَﻣﺪَﺩﻧٰﻬُﻢ ﺑِﻔٰﻜِﻬَﺔٍ ﻭَﻟَﺤﻢٍ
ﻣِﻤّﺎ ﻳَﺸﺘَﻬﻮﻥَ
[22] আমি তাদেরকে দেব ফল-মূল এবং
মাংস যা তারা চাইবে।
[22] And We shall provide them with
fruit and meat, such as they desire.
[23] ﻳَﺘَﻨٰﺰَﻋﻮﻥَ ﻓﻴﻬﺎ ﻛَﺄﺳًﺎ ﻻ
ﻟَﻐﻮٌ ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻻ ﺗَﺄﺛﻴﻢٌ
[23] সেখানে তারা একে অপরকে
পানপাত্র দেবে; যাতে অসার বকাবকি
নেই এবং পাপকর্মও নেই।
[23] There they shall pass from hand to
hand a (wine) cup, free from any Laghw
(dirty, false, evil vagin talk between
them), and free from sin (because it will
be lawful for them to drink).
[24] ۞ ﻭَﻳَﻄﻮﻑُ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻏِﻠﻤﺎﻥٌ ﻟَﻬُﻢ ﻛَﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻟُﺆﻟُﺆٌ
ﻣَﻜﻨﻮﻥٌ
[24] সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা
তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে।
[24] And there will go round boy-
servants of theirs, to serve them as if
they were preserved pearls.
[25] ﻭَﺃَﻗﺒَﻞَ ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﻋَﻠﻰٰ
ﺑَﻌﺾٍ ﻳَﺘَﺴﺎﺀَﻟﻮﻥَ
[25] তারা একে অপরের দিকে মুখ করে
জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
[25] And some of them draw near to
others, questioning.
[26] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻗَﺒﻞُ ﻓﻰ
ﺃَﻫﻠِﻨﺎ ﻣُﺸﻔِﻘﻴﻦَ
[26] তারা বলবেঃ আমরা ইতিপূর্বে
নিজেদের বাসগৃহে ভীত-কম্পিত
ছিলাম।
[26] Saying: “Aforetime, we were afraid
(of the punishment of Allâh) in the
midest of our families.
[27] ﻓَﻤَﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ ﻭَﻭَﻗﻯٰﻨﺎ
ﻋَﺬﺍﺏَ ﺍﻟﺴَّﻤﻮﻡِ
[27] অতঃপর আল্লাহ আমাদের প্রতি
অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে
আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন।
[27] “So Allâh has been gracious to us,
and has saved us from the torment of the
Fire.
[28] ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ﻧَﺪﻋﻮﻩُ ۖ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺒَﺮُّ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[28] আমরা পূর্বেও আল্লাহকে
ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম
দয়ালু।
[28] “Verily, We used to invoke Him
(Alone and none else) before. Verily, He
is Al¬Barr (the Most Subtle, Kind,
Courteous, and Generous), the Most
Merciful.”
[29] ﻓَﺬَﻛِّﺮ ﻓَﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ ﺑِﻨِﻌﻤَﺖِ
ﺭَﺑِّﻚَ ﺑِﻜﺎﻫِﻦٍ ﻭَﻻ ﻣَﺠﻨﻮﻥٍ
[29] অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন।
আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি
অতীন্দ্রিয়বাদী নন এবং উম্মাদও নন।
[29] Therefore, remind (mankind of
Islâmic Monotheism, O Muhammad
SAW). By the Grace of Allâh, you are
neither a soothsayer, nor a madman.
[30] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺷﺎﻋِﺮٌ
ﻧَﺘَﺮَﺑَّﺺُ ﺑِﻪِ ﺭَﻳﺐَ ﺍﻟﻤَﻨﻮﻥِ
[30] তারা কি বলতে চায়ঃ সে একজন
কবি আমরা তার মৃত্যু-দুর্ঘটনার
প্রতীক্ষা করছি।
[30] Or do they say: “(Muhammad SAW
is) a poet! We await for him some
calamity by time.!”
[31] ﻗُﻞ ﺗَﺮَﺑَّﺼﻮﺍ ﻓَﺈِﻧّﻰ ﻣَﻌَﻜُﻢ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺘَﺮَﺑِّﺼﻴﻦَ
[31] বলুনঃ তোমরা প্রতীক্ষা কর,
আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত
আছি।
[31] Say (O Muhammad SAW to them):
“Wait! I am with you, among the
waiters!”
[32] ﺃَﻡ ﺗَﺄﻣُﺮُﻫُﻢ ﺃَﺣﻠٰﻤُﻬُﻢ ﺑِﻬٰﺬﺍ ۚ
ﺃَﻡ ﻫُﻢ ﻗَﻮﻡٌ ﻃﺎﻏﻮﻥَ
[32] তাদের বুদ্ধি কি এ বিষয়ে
তাদেরকে আদেশ করে, না তারা
সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?
[32] Do their minds command them this
[i.e. to tell a lie against you (Muhammad
SAW)] or are they people transgressing
all the bounds?
[33] ﺃَﻡ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺗَﻘَﻮَّﻟَﻪُ ۚ ﺑَﻞ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[33] না তারা বলেঃ এই কোরআন সে
নিজে রচনা করেছে? বরং তারা
অবিশ্বাসী।
[33] Or do they say: “He (Muhammad
SAW) has forged it (this Qur’ân)?” Nay!
They believe not!
[34] ﻓَﻠﻴَﺄﺗﻮﺍ ﺑِﺤَﺪﻳﺚٍ ﻣِﺜﻠِﻪِ ﺇِﻥ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[34] যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে,
তবেএর অনুরূপ কোন রচনা উপস্থিত
করুক।
[34] Let them then produce a recital like
unto it (the Qur’ân) if they are truthful.
[35] ﺃَﻡ ﺧُﻠِﻘﻮﺍ ﻣِﻦ ﻏَﻴﺮِ ﺷَﻲﺀٍ
ﺃَﻡ ﻫُﻢُ ﺍﻟﺨٰﻠِﻘﻮﻥَ
[35] তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত
হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই
স্রষ্টা?
[35] Were they created by nothing? or
were they themselves the creators?
[36] ﺃَﻡ ﺧَﻠَﻘُﻮﺍ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ۚ ﺑَﻞ ﻻ ﻳﻮﻗِﻨﻮﻥَ
[36] না তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল
সৃষ্টি করেছে? বরং তারা বিশ্বাস
করে না।
[36] Or did they create the heavens and
the earth? Nay, but they have no firm
Belief.
[37] ﺃَﻡ ﻋِﻨﺪَﻫُﻢ ﺧَﺰﺍﺋِﻦُ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺃَﻡ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻤُﺼَۣﻴﻄِﺮﻭﻥَ
[37] তাদের কাছে কি আপনার
পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না
তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক?
[37] Or are with them the treasures of
your Lord? Or are they the tyrants with
the authority to do as they like?
[38] ﺃَﻡ ﻟَﻬُﻢ ﺳُﻠَّﻢٌ ﻳَﺴﺘَﻤِﻌﻮﻥَ
ﻓﻴﻪِ ۖ ﻓَﻠﻴَﺄﺕِ ﻣُﺴﺘَﻤِﻌُﻬُﻢ
ﺑِﺴُﻠﻄٰﻦٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[38] না তাদের কোন সিঁড়ি আছে,
যাতে আরোহণ করে তারা শ্রবণ করে?
থাকলে তাদের শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ
উপস্থিত করুক।
[38] Or have they a stairway (to heaven),
by means of which they listen (to the
talks of the angels)? Then let their
listener produce some manifest proof.
[39] ﺃَﻡ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺒَﻨٰﺖُ ﻭَﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺒَﻨﻮﻥَ
[39] না তার কন্যা-সন্তান আছে আর
তোমাদের আছে পুত্রসন্তান?
[39] Or has He (Allâh) only daughters
and you have sons?
[40] ﺃَﻡ ﺗَﺴـَٔﻠُﻬُﻢ ﺃَﺟﺮًﺍ ﻓَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻣَﻐﺮَﻡٍ ﻣُﺜﻘَﻠﻮﻥَ
[40] না আপনি তাদের কাছে
পারিশ্রমিক চান যে, তাদের উপর
জরিমানার বোঝা চেপে বসে?
[40] Or is it that you (O Muhammad
SAW) ask a wage from them (for your
preaching of Islâmic Monotheism) so that
they are burdened with a load of debt?
[41] ﺃَﻡ ﻋِﻨﺪَﻫُﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐُ ﻓَﻬُﻢ
ﻳَﻜﺘُﺒﻮﻥَ
[41] না তাদের কাছে অদৃশ্য বিষয়ের
জ্ঞান আছে যে, তারাই তা লিপিবদ্ধ
করে?
[41] Or that the Ghaib (unseen) is with
them, and they write it down?
[42] ﺃَﻡ ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ ﻛَﻴﺪًﺍ ۖ ﻓَﺎﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻤَﻜﻴﺪﻭﻥَ
[42] না তারা চক্রান্ত করতে চায়?
অতএব যারা কাফের, তারই চক্রান্তের
শিকার হবে।
[42] Or do they intend a plot (against you
O Muhammad SAW)? But those who
disbelieve (in the Oneness of Allâh —
Islâmic Monotheism) are themselves
plotted against!
[43] ﺃَﻡ ﻟَﻬُﻢ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻏَﻴﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ
ﺳُﺒﺤٰﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻤّﺎ ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[43] না তাদের আল্লাহ তা’আলা
ব্যতীত কোন উপাস্য আছে? তারা
যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা’আলা তা
থেকে পবিত্র।
[43] Or have they an ilâh (a god) other
than Allâh? Glorified is Allâh from all
that they ascribe as partners (to Him)
[44] ﻭَﺇِﻥ ﻳَﺮَﻭﺍ ﻛِﺴﻔًﺎ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﺳﺎﻗِﻄًﺎ ﻳَﻘﻮﻟﻮﺍ
ﺳَﺤﺎﺏٌ ﻣَﺮﻛﻮﻡٌ
[44] তারা যদি আকাশের কোন খন্ডকে
পতিত হতে দেখে, তবে বলে এটা তো
পুঞ্জীভুত মেঘ।
[44] And if they were to see a piece of
the heaven falling down, they would say:
“Clouds gathered in heaps!”
[45] ﻓَﺬَﺭﻫُﻢ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﻠٰﻘﻮﺍ
ﻳَﻮﻣَﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻓﻴﻪِ ﻳُﺼﻌَﻘﻮﻥَ
[45] তাদেরকে ছেড়ে দিন সেদিন
পর্যন্ত, যেদিন তাদের উপর বজ্রাঘাত
পতিত হবে।
[45] So leave them alone till they meet
their Day, in which they will sink into a
fainting (with horror).
[46] ﻳَﻮﻡَ ﻻ ﻳُﻐﻨﻰ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﻛَﻴﺪُﻫُﻢ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ ﻫُﻢ
ﻳُﻨﺼَﺮﻭﻥَ
[46] সেদিন তাদের চক্রান্ত তাদের
কোন উপকারে আসবে না এবং তারা
সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।
[46] The Day when their plotting shall
not avail them at all nor will they be
helped (i.e. they will receive their
torment in Hell).
[47] ﻭَﺇِﻥَّ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﺩﻭﻥَ ﺫٰﻟِﻚَ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ ﻻ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[47] গোনাহগারদের জন্যে এছাড়া
আরও শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তাদের
অধিকাংশই তা জানে না।
[47] And verily, for those who do wrong,
there is another punishment (i.e. the
torment in this world and in their
graves) before this, but most of them
know not. [Tafsir At-Tabarî]
[48] ﻭَﺍﺻﺒِﺮ ﻟِﺤُﻜﻢِ ﺭَﺑِّﻚَ ﻓَﺈِﻧَّﻚَ
ﺑِﺄَﻋﻴُﻨِﻨﺎ ۖ ﻭَﺳَﺒِّﺢ ﺑِﺤَﻤﺪِ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺣﻴﻦَ ﺗَﻘﻮﻡُ
[48] আপনি আপনার পালনকর্তার
নির্দেশের অপেক্ষায় সবর করুন। আপনি
আমার দৃষ্টির সামনে আছেন এবং
আপনি আপনার পালনকর্তêার সপ্রশংস
পবিত্রতা ঘোষণা করুন যখন আপনি
গাত্রোত্থান করেন।
[48] So wait patiently (O Muhammad
SAW) for the Decision of your Lord, for
verily, you are under Our Eyes , and
glorify the Praises of your Lord when
you get up from sleep.
[49] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻟَّﻴﻞِ ﻓَﺴَﺒِّﺤﻪُ ﻭَﺇِﺩﺑٰﺮَ
ﺍﻟﻨُّﺠﻮﻡِ
[49] এবং রাত্রির কিছু অংশে এবং
তারকা অস্তমিত হওয়ার সময় তাঁর
পবিত্রতা ঘোষণা করুন।
[49] And in the night-time, also glorify
His Praises — and at the setting of the
stars.Surah Al Tur Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. কসম তূরপর্বতের, 2. এবং লিখিত কিতাবের, 3. প্রশস্ত পত্রে, 4. কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের, 5. এবং সমুন্নত ছাদের, 6. এবং উত্তাল সমুদ্রের, 7. আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী, 8. তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে না। 9. সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে প্রবলভাবে। 10. এবং পর্বতমালা হবে চলমান, 11. সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে, 12. যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি কথা বানায়। 13. সেদিন তোমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নির দিকে ধাক্কা মেরে মেরে নিয়ে যাওয়া হবে। 14. এবং বলা হবেঃ এই সেই অগ্নি, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে, 15. এটা কি জাদু, না তোমরা চোখে দেখছ না? 16. এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যা করতে তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে। 17. নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নেয়ামতে। 18. তারা উপভোগ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদের দেবেন এবং তিনি জাহান্নামের আযাব থেকে তাদেরকে রক্ষা করবেন। 19. তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার প্রতিফলস্বরূপ তোমরা তৃপ্ত হয়ে পানাহার কর। 20. তারা শ্রেণীবদ্ধ সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। আমি তাদেরকে আয়তলোচনা হুরদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে দেব। 21. যারা ঈমানদার এবং যাদের সন্তানরা ঈমানে তাদের অনুগামী, আমি তাদেরকে তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করব না। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃত কর্মের জন্য দায়ী। 22. আমি তাদেরকে দেব ফল- মূল এবং মাংস যা তারা চাইবে। 23. সেখানে তারা একে অপরকে পানপাত্র দেবে; যাতে অসার বকাবকি নেই এবং পাপকর্মও নেই। 24. সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে। 25. তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। 26. তারা বলবেঃ আমরা ইতিপূর্বে নিজেদের বাসগৃহে ভীত-কম্পিত ছিলাম। 27. অতঃপর আল্লাহ আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন। 28. আমরা পূর্বেও আল্লাহকে ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম দয়ালু। 29. অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন। আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি অতীন্দ্রিয়বাদী নন এবং উম্মাদও নন। 30. তারা কি বলতে চায়ঃ সে একজন কবি আমরা তার মৃত্যু-দুর্ঘটনার প্রতীক্ষা করছি। 31. বলুনঃ তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত আছি। 32. তাদের বুদ্ধি কি এ বিষয়ে তাদেরকে আদেশ করে, না তারা সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়? 33. না তারা বলেঃ এই কোরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী। 34. যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবেএর অনুরূপ কোন রচনা উপস্থিত করুক। 35. তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? 36. না তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছে? বরং তারা বিশ্বাস করে না। 37. তাদের কাছে কি আপনার পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক? 38. না তাদের কোন সিঁড়ি আছে, যাতে আরোহণ করে তারা শ্রবণ করে? থাকলে তাদের শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থিত করুক। 39. না তার কন্যা-সন্তান আছে আর তোমাদের আছে পুত্রসন্তান? 40. না আপনি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান যে, তাদের উপর জরিমানার বোঝা চেপে বসে? 41. না তাদের কাছে অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান আছে যে, তারাই তা লিপিবদ্ধ করে? 42. না তারা চক্রান্ত করতে চায়? অতএব যারা কাফের, তারই চক্রান্তের শিকার হবে। 43. না তাদের আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কোন উপাস্য আছে? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা’আলা তা থেকে পবিত্র। 44. তারা যদি আকাশের কোন খন্ডকে পতিত হতে দেখে, তবে বলে এটা তো পুঞ্জীভুত মেঘ। 45. তাদেরকে ছেড়ে দিন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তাদের উপর বজ্রাঘাত পতিত হবে। 46. সেদিন তাদের চক্রান্ত তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না। 47. গোনাহগারদের জন্যে এছাড়া আরও শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না। 48. আপনি আপনার পালনকর্তার নির্দেশের অপেক্ষায় সবর করুন। আপনি আমার দৃষ্টির সামনে আছেন এবং আপনি আপনার পালনকর্ত উদযাপন; র সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন যখন আপনি গাত্রোত্থান করেন। 49. এবং রাত্রির কিছু অংশে এবং তারকা অস্তমিত হওয়ার সময় তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s