6.সুরা আল আনআম(01-165)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ
ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻭَﺟَﻌَﻞَ
ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ ﻭَﺍﻟﻨّﻮﺭَ ۖ ﺛُﻢَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ ﻳَﻌﺪِﻟﻮﻥَ
[1] সর্ববিধ প্রশংসা আল্লাহরই জন্য
যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি
করেছেন এবং অন্ধকার ও আলোর
উদ্ভব করেছেন। তথাপি কাফেররা
স্বীয় পালনকর্তার সাথে অন্যান্যকে
সমতুল্য স্থির করে।
[1] All praises and thanks be to Allâh,
Who (Alone) created the heavens and the
earth, and originated the darkness and
the light, yet those who disbelieve hold
others as equal with their Lord.
[2] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻘَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﻃﻴﻦٍ
ﺛُﻢَّ ﻗَﻀﻰٰ ﺃَﺟَﻠًﺎ ۖ ﻭَﺃَﺟَﻞٌ
ﻣُﺴَﻤًّﻰ ﻋِﻨﺪَﻩُ ۖ ﺛُﻢَّ ﺃَﻧﺘُﻢ
ﺗَﻤﺘَﺮﻭﻥَ
[2] তিনিই তোমাদেরকে মাটির
দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর
নির্দিষ্টকাল নির্ধারণ করেছেন। আর
অপর নির্দিষ্টকাল আল্লাহর কাছে
আছে। তথাপি তোমরা সন্দেহ কর।
[2] He it is Who has created you from
clay, and then has decreed a (stated)
term (for you to die). And there is with
Him another determined term (for you
to be resurrected), yet you doubt (in the
Resurrection).
[3] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺳِﺮَّﻛُﻢ
ﻭَﺟَﻬﺮَﻛُﻢ ﻭَﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣﺎ ﺗَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[3] তিনিই আল্লাহ নভোমন্ডলে এবং
ভূমন্ডলে। তিনি তোমাদের গোপন ও
প্রকাশ্য বিষয় জানেন এবং তোমরা
যা কর তাও অবগত।
[3] And He is Allâh (to be worshipped
Alone) in the heavens and on the earth,
He knows what you conceal and what
you reveal, and He knows what you earn
(good or bad). (see v.43:84)
[4] ﻭَﻣﺎ ﺗَﺄﺗﻴﻬِﻢ ﻣِﻦ ﺀﺍﻳَﺔٍ ﻣِﻦ
ﺀﺍﻳٰﺖِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻋَﻨﻬﺎ
ﻣُﻌﺮِﺿﻴﻦَ
[4] তাদের কাছে তাদের
প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী থেকে
কোন নিদর্শন আসেনি; যার প্রতি
তারা বিমুখ হয় না।
[4] And never an Ayah (sign) comes to
them from the Ayât (proofs, evidences,
verses, lessons, signs, revelations, etc.) of
their Lord, but that they have been
turning away from it
[5] ﻓَﻘَﺪ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻟَﻤّﺎ
ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ۖ ﻓَﺴَﻮﻑَ ﻳَﺄﺗﻴﻬِﻢ
ﺃَﻧﺒٰﺆُﺍ۟ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِﻪِ
ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[5] অতএব, অবশ্য তারা সত্যকে মিথ্যা
বলেছে যখন তা তাদের কাছে এসেছে।
বস্তুতঃ অচিরেই তাদের কাছে ঐ
বিষয়ের সংবাদ আসবে, যার সাথে
তারা উপহাস করত।
[5] Indeed, they rejected the truth (the
Qur’ân and Muhammad SAW) when it
came to them, but there will come to
them the news of that (the torment)
which they used to mock at.
[6] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﻛَﻢ ﺃَﻫﻠَﻜﻨﺎ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻥٍ ﻣَﻜَّﻨّٰﻬُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣﺎ ﻟَﻢ ﻧُﻤَﻜِّﻦ ﻟَﻜُﻢ
ﻭَﺃَﺭﺳَﻠﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻣِﺪﺭﺍﺭًﺍ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮَ ﺗَﺠﺮﻯ
ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬِﻢ ﻓَﺄَﻫﻠَﻜﻨٰﻬُﻢ
ﺑِﺬُﻧﻮﺑِﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧﺸَﺄﻧﺎ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِﻫِﻢ
ﻗَﺮﻧًﺎ ﺀﺍﺧَﺮﻳﻦَ
[6] তারা কি দেখেনি যে, আমি তাদের
পুর্বে কত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে
দিয়েছি, যাদেরকে আমি পৃথিবীতে
এমন প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, যা
তোমাদেরকে দেইনি। আমি আকাশকে
তাদের উপর অনবরত বৃষ্টি বর্ষণ করতে
দিয়েছি এবং তাদের তলদেশে নদী
সৃষ্টি করে দিয়েছি, অতঃপর আমি
তাদেরকে তাদের পাপের কারণে
ধ্বংস করে দিয়েছি এবং তাদের পরে
অন্য সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
[6] Have they not seen how many a
generation before them We have
destroyed whom We had established on
the earth such as We have not
established you? And We poured out on
them rain from the sky in abundance,
and made the rivers flow under them.
Yet We destroyed them for their sins,
and We created after them other
generations.
[7] ﻭَﻟَﻮ ﻧَﺰَّﻟﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﻛِﺘٰﺒًﺎ ﻓﻰ
ﻗِﺮﻃﺎﺱٍ ﻓَﻠَﻤَﺴﻮﻩُ ﺑِﺄَﻳﺪﻳﻬِﻢ
ﻟَﻘﺎﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﺳِﺤﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[7] যদি আমি কাগজে লিখিত কোন
বিষয় তাদের প্রতি নাযিল করতাম,
অতঃপর তারা তা সহস্তে স্পর্শ করত,
তবুও অবিশ্বাসীরা একথাই বলত যে,
এটা প্রকাশ্য জাদু বৈ কিছু নয়।
[7] And even if We had sent down unto
you (O Muhammad SAW) a Message
written on paper so that they could touch
it with their hands, the disbelievers
would have said: “This is nothing but
obvious magic!”
[8] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻮﻻ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﻣَﻠَﻚٌ ۖ ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ ﻣَﻠَﻜًﺎ ﻟَﻘُﻀِﻰَ
ﺍﻷَﻣﺮُ ﺛُﻢَّ ﻻ ﻳُﻨﻈَﺮﻭﻥَ
[8] তারা আরও বলে যে, তাঁর কাছে
কোন ফেরেশতা কেন প্রেরণ করা হল
না ? যদি আমি কোন ফেরেশতা প্রেরণ
করতাম, তবে গোটা ব্যাপারটাই শেষ
হয়ে যেত। অতঃপর তাদেরকে সামান্যও
অবকাশ দেওয়া হতনা।
[8] And they say: “Why has not an angel
been sent down to him?” Had We sent
down an angel, the matter would have
been judged at once, and no respite
would be granted to them.
[9] ﻭَﻟَﻮ ﺟَﻌَﻠﻨٰﻪُ ﻣَﻠَﻜًﺎ ﻟَﺠَﻌَﻠﻨٰﻪُ
ﺭَﺟُﻠًﺎ ﻭَﻟَﻠَﺒَﺴﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻣﺎ
ﻳَﻠﺒِﺴﻮﻥَ
[9] যদি আমি কোন ফেরেশতাকে রসূল
করে পাঠাতাম, তবে সে মানুষের
আকারেই হত। এতেও ঐ সন্দেহই করত, যা
এখন করছে।
[9] And had We appointed him an angel,
We indeed would have made him a man,
and We would have certainly confused
them in which they are already confused
(i.e. the Message of Prophet Muhammad
SAW).
[10] ﻭَﻟَﻘَﺪِ ﺍﺳﺘُﻬﺰِﺉَ ﺑِﺮُﺳُﻞٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺤﺎﻕَ ﺑِﺎﻟَّﺬﻳﻦَ ﺳَﺨِﺮﻭﺍ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِﻪِ
ﻳَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[10] নিশ্চয়ই আপনার পূর্ববর্তী
পয়গম্বরগণের সাথেও উপহাস করা
হয়েছে। অতঃপর যারা তাঁদের সাথে
উপহাস করেছিল, তাদেরকে ঐ শাস্তি
বেষ্টন করে নিল, যা নিয়ে তারা
উপহাস করত।
[10] And indeed (many) Messengers
before you were mocked at, but their
scoffers were surrounded by the very
thing that they used to mock at.
[11] ﻗُﻞ ﺳﻴﺮﻭﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺛُﻢَّ ﺍﻧﻈُﺮﻭﺍ ﻛَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻋٰﻘِﺒَﺔُ
ﺍﻟﻤُﻜَﺬِّﺑﻴﻦَ
[11] বলে দিনঃ তোমরা পৃথিবীতে
পরিভ্রমণ কর, অতপর দেখ, মিথ্যারোপ
কারীদের পরিণাম কি হয়েছে?
[11] Say (O Muhammad SAW): “Travel in
the land and see what was the end of
those who rejected truth.”
[12] ﻗُﻞ ﻟِﻤَﻦ ﻣﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻗُﻞ ﻟِﻠَّﻪِ ۚ ﻛَﺘَﺐَ ﻋَﻠﻰٰ
ﻧَﻔﺴِﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤَﺔَ ۚ ﻟَﻴَﺠﻤَﻌَﻨَّﻜُﻢ
ﺇِﻟﻰٰ ﻳَﻮﻡِ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻻ ﺭَﻳﺐَ ﻓﻴﻪِ ۚ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮﻭﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻓَﻬُﻢ
ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[12] জিজ্ঞেস করুন, নভোমন্ডল ও
ভুমন্ডলে যা আছে, তার মালিক কে?
বলে দিনঃআল্লাহ। তিনি অনুকম্পা
প্রদর্শনকে নিজ দায়িত্বে লিপিবদ্ধ
করে নিয়েছেন। তিনি অবশ্যই
তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন
একত্রিত করবেন। এর আগমনে কোন
সন্দেহ নেই। যারা নিজেদের কে
ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তারাই বিশ্বাস
স্থাপন করে না।
[12] Say (O Muhammad SAW): “To whom
belongs all that is in the heavens and the
earth?” Say: “To Allâh. He has prescribed
Mercy for Himself. Indeed He will gather
you together on the Day of Resurrection,
about which there is no doubt. Those
who have lost themselves will not believe
[in Allâh as being the only Ilâh (God),
and Muhammad SAW as being one of
His Messengers, and in Resurrection].
[13] ۞ ﻭَﻟَﻪُ ﻣﺎ ﺳَﻜَﻦَ ﻓِﻰ
ﺍﻟَّﻴﻞِ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬﺎﺭِ ۚ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﺴَّﻤﻴﻊُ
ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
[13] যা কিছু রাত ও দিনে স্থিতি লাভ
করে, তাঁরই। তিনিই শ্রোতা,
মহাজ্ঞানী।
[13] And to Him belongs whatsoever
exists in the night and the day, and He is
the All¬Hearing, the All¬Knowing.”
[14] ﻗُﻞ ﺃَﻏَﻴﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﺗَّﺨِﺬُ ﻭَﻟِﻴًّﺎ
ﻓﺎﻃِﺮِ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻫُﻮَ ﻳُﻄﻌِﻢُ ﻭَﻻ ﻳُﻄﻌَﻢُ ۗ ﻗُﻞ
ﺇِﻧّﻰ ﺃُﻣِﺮﺕُ ﺃَﻥ ﺃَﻛﻮﻥَ ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﻦ
ﺃَﺳﻠَﻢَ ۖ ﻭَﻻ ﺗَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[14] আপনি বলে দিনঃ আমি কি
আল্লাহ ব্যতীত-যিনি নভোমন্ডল ও
ভুমন্ডলের স্রষ্টা এবং যিনি সবাইকে
আহার্য দানকরেন ও তাঁকে কেউ
আহার্য দান করে না অপরকে
সাহায্যকারী স্থির করব? আপনি বলে
দিনঃ আমি আদিষ্ট হয়েছি যে,
সর্বাগ্রে আমিই আজ্ঞাবহ হব। আপনি
কদাচ অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন
না।
[14] Say (O Muhammad SAW): “Shall I
take as a Walî (helper, protector, Lord or
God) any other than Allâh, the Creator of
the heavens and the earth? And it is He
Who feeds but is not fed.” Say: “Verily, I
am commanded to be the first of those
who submit themselves to Allâh (as
Muslims).” And be not you (O
Muhammad SAW) of the Mushrikûn
(polytheists, pagans, idolaters and
disbelievers in the Oneness of Allâh).
(Tafsir Al-Qurtubi).
[15] ﻗُﻞ ﺇِﻧّﻰ ﺃَﺧﺎﻑُ ﺇِﻥ
ﻋَﺼَﻴﺖُ ﺭَﺑّﻰ ﻋَﺬﺍﺏَ ﻳَﻮﻡٍ
ﻋَﻈﻴﻢٍ
[15] আপনি বলুন, আমি আমার
প্রতিপালকের অবাধ্য হতে ভয় পাই
কেননা, আমি একটি মহাদিবসের
শাস্তিকে ভয় করি।
[15] Say: “I fear, if I disobey my Lord,
the torment of a Mighty Day.”
[16] ﻣَﻦ ﻳُﺼﺮَﻑ ﻋَﻨﻪُ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ
ﻓَﻘَﺪ ﺭَﺣِﻤَﻪُ ۚ ﻭَﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻔَﻮﺯُ
ﺍﻟﻤُﺒﻴﻦُ
[16] যার কাছ থেকে ঐদিন এ শাস্তি
সরিয়ে নেওয়া হবে, তার প্রতি
আল্লাহর অনুকম্পা হবে। এটাই বিরাট
সাফল্য।
[16] He Who is averted from (such a
torment) on that Day, (Allâh) has surely
been Merciful to him. And that would be
the obvious success
[17] ﻭَﺇِﻥ ﻳَﻤﺴَﺴﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻀُﺮٍّ
ﻓَﻼ ﻛﺎﺷِﻒَ ﻟَﻪُ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۖ ﻭَﺇِﻥ
ﻳَﻤﺴَﺴﻚَ ﺑِﺨَﻴﺮٍ ﻓَﻬُﻮَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[17] আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন
কষ্ট দেন, তবে তিনি ব্যতীত তা
অপসারণকারী কেউ নেই। পক্ষান্তরে
যদি তোমার মঙ্গল করেন, তবে তিনি
সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
[17] And if Allâh touches you with harm,
none can remove it but He, and if He
touches you with good, then He is Able to
do all things
[18] ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻘﺎﻫِﺮُ ﻓَﻮﻕَ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ ۚ
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ ﺍﻟﺨَﺒﻴﺮُ
[18] তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয়
বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়,
সর্বজ্ঞ।
[18] And He is the Irresistible (Supreme),
above His slaves, and He is the All-Wise,
Well¬Acquainted with all things
[19] ﻗُﻞ ﺃَﻯُّ ﺷَﻲﺀٍ ﺃَﻛﺒَﺮُ ﺷَﻬٰﺪَﺓً ۖ
ﻗُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ ﺷَﻬﻴﺪٌ ﺑَﻴﻨﻰ
ﻭَﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ۚ ﻭَﺃﻭﺣِﻰَ ﺇِﻟَﻰَّ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥُ ﻟِﺄُﻧﺬِﺭَﻛُﻢ ﺑِﻪِ ﻭَﻣَﻦ
ﺑَﻠَﻎَ ۚ ﺃَﺋِﻨَّﻜُﻢ ﻟَﺘَﺸﻬَﺪﻭﻥَ ﺃَﻥَّ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺀﺍﻟِﻬَﺔً ﺃُﺧﺮﻯٰ ۚ ﻗُﻞ ﻻ
ﺃَﺷﻬَﺪُ ۚ ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻫُﻮَ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻭٰﺣِﺪٌ
ﻭَﺇِﻧَّﻨﻰ ﺑَﺮﻱﺀٌ ﻣِﻤّﺎ ﺗُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[19] আপনি জিজ্ঞেস করুনঃ সর্ববৃহৎ
সাক্ষ্যদাতা কে ? বলে দিনঃ আল্লাহ
আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী।
আমার প্রতি এ কোরআন অবর্তীর্ণ
হয়েছে-যাতে আমি তোমাদেরকে
এবং যাদের কাছে এ কোরআন পৌঁছে
সবাইকে ভীতি প্রদর্শন করি। তোমরা
কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সাথে
অন্যান্য উপাস্যও রয়েছে ? আপনি বলে
দিনঃ আমি এরূপ সাক্ষ্য দেব না। বলে
দিনঃ তিনিই একমাত্র উপাস্য; আমি
অবশ্যই তোমাদের শিরক থেকে মুক্ত।
[19] Say (O Muhammad SAW): “What
thing is the most great in witness?” Say:
“Allâh (the Most Great!) is Witness
between me and you; this Qur’ân has
been revealed to me that I may
therewith warn you and whomsoever it
may reach. Can you verily bear witness
that besides Allâh there are other alihâh
(gods)?” Say “I bear no (such) witness!”
Say: “But in truth He (Allâh) is the only
one Ilâh (God). And truly I am innocent
of what you join in worship with Him.”
[20] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﺗَﻴﻨٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ
ﻳَﻌﺮِﻓﻮﻧَﻪُ ﻛَﻤﺎ ﻳَﻌﺮِﻓﻮﻥَ
ﺃَﺑﻨﺎﺀَﻫُﻢُ ۘ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮﻭﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻓَﻬُﻢ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[20] যাদেরকে আমি কিতাব দান
করেছি, তারা তাকে চিনে, যেমন
তাদের সন্তানদেরকে চিনে। যারা
নিজেদেরকে ক্ষতির মধ্যে ফেলেছে,
তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না।
[20] Those to whom We have given the
Scripture (Jews and Christians) recognize
him (i.e. Muhammad SAW as a
Messenger of Allâh, and they also know
that there is no Ilah (God) but Allâh and
Islâm is Allâh’s religion), as they
recognize their own sons. Those who
have lost (destroyed) themselves will not
believe. (Tafsir At-Tabarî)
[21] ﻭَﻣَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭ ﻛَﺬَّﺏَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻪِ ۗ ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﻔﻠِﺢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[21] আর যে, আল্লাহর প্রতি অপবাদ
আরোপ করে অথবা তাঁর
নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তার
চাইতে বড় জালেম কে? নিশ্চয়
জালেমরা সফলকাম হবে না।
[21] And who does more wrong
aggression and than he who invents a lie
against Allâh or rejects His Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, or
revelations)? Verily, the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers,) shall
never be successful.
[22] ﻭَﻳَﻮﻡَ ﻧَﺤﺸُﺮُﻫُﻢ ﺟَﻤﻴﻌًﺎ
ﺛُﻢَّ ﻧَﻘﻮﻝُ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺃَﺷﺮَﻛﻮﺍ ﺃَﻳﻦَ
ﺷُﺮَﻛﺎﺅُﻛُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﺰﻋُﻤﻮﻥَ
[22] আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে
একত্রিত করব, অতঃপর যারা শিরক
করেছিল, তাদের বলবঃ যাদেরকে
তোমরা অংশীদার বলে ধারণা করতে,
তারা কোথায়?
[22] And on the Day when We shall
gather them all together, We shall say to
those who joined partners (in worship
with Us): “Where are your partners (false
deities) whom you used to assert (as
partners in worship with Allâh)?”
[23] ﺛُﻢَّ ﻟَﻢ ﺗَﻜُﻦ ﻓِﺘﻨَﺘُﻬُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪِ ﺭَﺑِّﻨﺎ ﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ
ﻣُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[23] অতঃপর তাদের কোন
অপরিচ্ছন্নতা থাকবে না; তবে এটুকুই
যে তারা বলবে আমাদের প্রতিপালক
আল্লাহর কসম, আমরা মুশরিক ছিলাম
না।
[23] There will then be (left) no Fitnah
(excuses or statements or arguments) for
them but to say: “By Allâh, our Lord, we
were not those who joined others in
worship with Allâh.”
[24] ﺍﻧﻈُﺮ ﻛَﻴﻒَ ﻛَﺬَﺑﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۚ ﻭَﺿَﻞَّ ﻋَﻨﻬُﻢ ﻣﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻔﺘَﺮﻭﻥَ
[24] দেখতো, কিভাবে মিথ্যা বলছে
নিজেদের বিপক্ষে ? এবং যেসব বিষয়
তারা আপনার প্রতি মিছামিছি রচনা
করত, তা সবই উধাও হয়ে গেছে।
[24] Look! How they lie against
themselves! But the (lie) which they
invented will disappear from them.
[25] ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﺴﺘَﻤِﻊُ ﺇِﻟَﻴﻚَ ۖ
ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﺃَﻛِﻨَّﺔً
ﺃَﻥ ﻳَﻔﻘَﻬﻮﻩُ ﻭَﻓﻰ ﺀﺍﺫﺍﻧِﻬِﻢ
ﻭَﻗﺮًﺍ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﺮَﻭﺍ ﻛُﻞَّ ﺀﺍﻳَﺔٍ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﺍ ﺑِﻬﺎ ۚ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ
ﺟﺎﺀﻭﻙَ ﻳُﺠٰﺪِﻟﻮﻧَﻚَ ﻳَﻘﻮﻝُ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﺳٰﻄﻴﺮُ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ
[25] তাদের কেউ কেউ আপনার দিকে
কান লাগিয়ে থাকে। আমি তাদের
অন্তরের উপর আবরণ রেখে দিয়েছি
যাতে একে না বুঝে এবং তাদের কানে
বোঝা ভরে দিয়েছি। যদি তারা সব
নিদর্শন অবলোকন করে তবুও সেগুলো
বিশ্বাস করবে না। এমনকি, তারা যখন
আপনার কাছে ঝগড়া করতে আসে, তখন
কাফেররা বলেঃ এটি পুর্ববর্তীদের
কিচ্ছাকাহিনী বৈ তো নয়।
[25] And of them there are some who
listen to you; but We have set veils on
their hearts, so they understand it not,
and deafness in their ears; and even if
they see every one of the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) they will not believe
therein; to the point that when they
come to you to argue with you, the
disbelievers say: “These are nothing but
tales of the men of old.”
[26] ﻭَﻫُﻢ ﻳَﻨﻬَﻮﻥَ ﻋَﻨﻪُ ﻭَﻳَﻨـَٔﻮﻥَ
ﻋَﻨﻪُ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻳُﻬﻠِﻜﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﻣﺎ ﻳَﺸﻌُﺮﻭﻥَ
[26] তারা এ থেকে বাধা প্রদান করে
এবং এ থেকে পলায়ন করে। তারা
নিজেদেরকে ধ্বংস করেছে, কিন্তু
বুঝছে না।
[26] And they prevent others from him
(from following Prophet Muhammad
SAW) and they themselves keep away
from him, and (by doing so) they destroy
not but their ownselves, yet they
perceive (it) not.
[27] ﻭَﻟَﻮ ﺗَﺮﻯٰ ﺇِﺫ ﻭُﻗِﻔﻮﺍ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﻠَﻴﺘَﻨﺎ ﻧُﺮَﺩُّ ﻭَﻻ
ﻧُﻜَﺬِّﺏَ ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺭَﺑِّﻨﺎ ﻭَﻧَﻜﻮﻥَ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[27] আর আপনি যদি দেখেন, যখন
তাদেরকে দোযখের উপর দাঁড় করানো
হবে! তারা বলবেঃ কতই না ভাল হত,
যদি আমরা পুনঃ প্রেরিত হতাম; তা
হলে আমরা স্বীয় পালনকর্তার
নিদর্শনসমূহে মিথ্যারোপ করতাম না
এবং আমরা বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত
হয়ে যেতাম।
[27] If you could but see when they will
be held over the (Hell) Fire! They will
say: “Would that we were but sent back
(to the world)! Then we would not deny
the Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, revelations, etc.) of our Lord,
and we would be of the believers!”
[28] ﺑَﻞ ﺑَﺪﺍ ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳُﺨﻔﻮﻥَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۖ ﻭَﻟَﻮ ﺭُﺩّﻭﺍ
ﻟَﻌﺎﺩﻭﺍ ﻟِﻤﺎ ﻧُﻬﻮﺍ ﻋَﻨﻪُ ﻭَﺇِﻧَّﻬُﻢ
ﻟَﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[28] এবং তারা ইতি পূর্বে যা গোপন
করত, তা তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে
পড়েছে। যদি তারা পুনঃ প্রেরিত হয়,
তবুও তাই করবে, যা তাদেরকে নিষেধ
করা হয়েছিল। নিশ্চয় তারা
মিথ্যাবাদী।
[28] Nay, it has become manifest to them
what they had been concealing before.
But if they were returned (to the world),
they would certainly revert to that which
they were forbidden. And indeed they
are liars.
[29] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻥ ﻫِﻰَ ﺇِﻟّﺎ ﺣَﻴﺎﺗُﻨَﺎ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﻣﺎ ﻧَﺤﻦُ ﺑِﻤَﺒﻌﻮﺛﻴﻦَ
[29] তারা বলেঃ আমাদের এ পার্থিব
জীবনই জীবন। আমাদেরকে পুনরায়
জীবিত হতে হবে না।
[29] And they said: “There is no (other
life) but our (present) life of this world,
and never shall we be resurrected (on
the Day of Resurrection).”
[30] ﻭَﻟَﻮ ﺗَﺮﻯٰ ﺇِﺫ ﻭُﻗِﻔﻮﺍ ﻋَﻠﻰٰ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ۚ ﻗﺎﻝَ ﺃَﻟَﻴﺲَ ﻫٰﺬﺍ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۚ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺑَﻠﻰٰ ﻭَﺭَﺑِّﻨﺎ ۚ ﻗﺎﻝَ
ﻓَﺬﻭﻗُﻮﺍ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻜﻔُﺮﻭﻥَ
[30] আর যদি আপনি দেখেন; যখন
তাদেরকে প্রতিপালকের সামনে দাঁড়
করানো হবে। তিনি বলবেনঃ এটা কি
বাস্তব সত্য নয়? তারা বলবেঃ হঁ্যা
আমাদের প্রতিপালকের কসম। তিনি
বলবেনঃ অতএব, স্বীয় কুফরের কারণে
শাস্তি আস্বাদন কর।
[30] If you could but see when they will
be held (brought and made to stand) in
front of their Lord! He will say: “Is not
this (Resurrection and the taking of the
accounts) the truth?” They will say: “Yes,
by our Lord!” He will then say: “So taste
you the torment because you used not to
believe.”
[31] ﻗَﺪ ﺧَﺴِﺮَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ
ﺑِﻠِﻘﺎﺀِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺟﺎﺀَﺗﻬُﻢُ
ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔُ ﺑَﻐﺘَﺔً ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﺤَﺴﺮَﺗَﻨﺎ
ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ ﻓَﺮَّﻃﻨﺎ ﻓﻴﻬﺎ ﻭَﻫُﻢ
ﻳَﺤﻤِﻠﻮﻥَ ﺃَﻭﺯﺍﺭَﻫُﻢ ﻋَﻠﻰٰ
ﻇُﻬﻮﺭِﻫِﻢ ۚ ﺃَﻻ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ ﻳَﺰِﺭﻭﻥَ
[31] নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত, যারা
আল্লাহর সাক্ষাৎকে মিথ্যা মনে
করেছে। এমনকি, যখন কিয়ামত তাদের
কাছে অকস্মাৎ এসে যাবে, তারা
বলবেঃ হায় আফসোস, এর ব্যাপারে
আমরা কতই না ক্রটি করেছি। তার
স্বীয় বোঝা স্বীয় পৃষ্ঠে বহন করবে।
শুনে রাখ, তারা যে বোঝা বহন করবে,
তা নিকৃষ্টতর বোঝা।
[31] They indeed are losers who denied
their Meeting with Allâh, until all of a
sudden, the Hour (signs of death) is on
them, and they say: “Alas for us that we
gave no thought to it,” while they will
bear their burdens on their backs; and
evil indeed are the burdens that they will
bear!
[32] ﻭَﻣَﺎ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓُ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﺇِﻟّﺎ
ﻟَﻌِﺐٌ ﻭَﻟَﻬﻮٌ ۖ ﻭَﻟَﻠﺪّﺍﺭُ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓُ
ﺧَﻴﺮٌ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺘَّﻘﻮﻥَ ۗ ﺃَﻓَﻼ
ﺗَﻌﻘِﻠﻮﻥَ
[32] পার্থিব জীবন ক্রীড়া ও কৌতুক
ব্যতীত কিছুই নয়। পরকালের আবাস
পরহেযগারদের জন্যে শ্রেষ্টতর।
তোমরা কি বুঝ না ?
[32] And the life of this world is nothing
but play and amusement. But far better
is the house in the Hereafter for those
who are Al¬Muttaqûn (the pious – see
V.2:2). Will you not then understand?
[33] ﻗَﺪ ﻧَﻌﻠَﻢُ ﺇِﻧَّﻪُ ﻟَﻴَﺤﺰُﻧُﻚَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ۖ ﻓَﺈِﻧَّﻬُﻢ ﻻ
ﻳُﻜَﺬِّﺑﻮﻧَﻚَ ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺠﺤَﺪﻭﻥَ
[33] আমার জানা আছে যে, তাদের
উক্তি আপনাকে দুঃখিত করে। অতএব,
তারা আপনাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে
না, বরং জালেমরা আল্লাহর
নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে।
[33] We know indeed the grief which
their words cause you (O Muhammad
SAW): it is not you that they deny, but it
is the Verses (the Qur’ân) of Allâh that
the Zâlimûn (polytheists and
wrong¬doers) deny.
[34] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻛُﺬِّﺑَﺖ ﺭُﺳُﻞٌ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺼَﺒَﺮﻭﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﻣﺎ
ﻛُﺬِّﺑﻮﺍ ﻭَﺃﻭﺫﻭﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﺃَﺗﻯٰﻬُﻢ
ﻧَﺼﺮُﻧﺎ ۚ ﻭَﻻ ﻣُﺒَﺪِّﻝَ ﻟِﻜَﻠِﻤٰﺖِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺟﺎﺀَﻙَ ﻣِﻦ ﻧَﺒَﺈِﻱ۟
ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻴﻦَ
[34] আপনার পূর্ববর্তী অনেক
পয়গম্বরকে মিথ্যা বলা হয়েছে। তাঁরা
এতে ছবর করেছেন। তাদের কাছে
আমার সাহায্য পৌঁছে পর্যন্ত তারা
নির্যাতিত হয়েছেন। আল্লাহর বানী
কেউ পরিবর্তন করতে পারে না।
আপনার কাছে পয়গম্বরদের কিছু
কাহিনী পৌঁছেছে।
[34] Verily, (many) Messengers were
denied before you (O Muhammad SAW),
but with patience they bore the denial,
and they were hurt, till Our Help
reached them, and none can alter the
Words (Decisions) of Allâh. Surely there
has reached you the information (news)
about the Messengers (before you)
[35] ﻭَﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﻛَﺒُﺮَ ﻋَﻠَﻴﻚَ
ﺇِﻋﺮﺍﺿُﻬُﻢ ﻓَﺈِﻥِ ﺍﺳﺘَﻄَﻌﺖَ ﺃَﻥ
ﺗَﺒﺘَﻐِﻰَ ﻧَﻔَﻘًﺎ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﻭ
ﺳُﻠَّﻤًﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻓَﺘَﺄﺗِﻴَﻬُﻢ
ﺑِـٔﺎﻳَﺔٍ ۚ ﻭَﻟَﻮ ﺷﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﺠَﻤَﻌَﻬُﻢ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻬُﺪﻯٰ ۚ ﻓَﻼ ﺗَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺠٰﻬِﻠﻴﻦَ
[35] আর যদি তাদের বিমুখতা আপনার
পক্ষে কষ্টকর হয়, তবে আপনি যদি
ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে
কোন সিড়ি অনুসন্ধান করতে সমর্থ হন,
অতঃপর তাদের কাছে কোন একটি
মোজেযা আনতে পারেন, তবে নিয়ে
আসুন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে সবাইকে
সরল পথে সমবেত করতে পারতেন।
অতএব, আপনি নির্বোধদের অন্তর্ভুক্ত
হবেন না।
[35] If their aversion (from you, O
Muhammad SAW and from that with
which you have been sent) is hard on
you, (and you cannot be patient of their
harm to you), then if you were able to
seek a tunnel in the earth or a ladder to
the sky, so that you may bring them a
sign (and you cannot do it, so be
patient). And had Allâh willed, He could
have gathered them together (all) on true
guidance, so be not you one of those who
are Al-Jâhilûn (the ignorant).
[36] ۞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺴﺘَﺠﻴﺐُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳَﺴﻤَﻌﻮﻥَ ۘ ﻭَﺍﻟﻤَﻮﺗﻰٰ ﻳَﺒﻌَﺜُﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺛُﻢَّ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﻳُﺮﺟَﻌﻮﻥَ
[36] তারাই মানে, যারা শ্রবণ করে।
আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করে উত্থিত
করবেন। অতঃপর তারা তাঁরই দিকে
প্রত্যাবর্তিত হবে।
[36] It is only those who listen (to the
Message of Prophet Muhammad SAW),
will respond (benefit from it), but as for
the dead (disbelievers), Allâh will raise
them up, then to Him they will be
returned (for their recompense).
[37] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻮﻻ ﻧُﺰِّﻝَ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﺀﺍﻳَﺔٌ ﻣِﻦ ﺭَﺑِّﻪِ ۚ ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻗﺎﺩِﺭٌ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻥ ﻳُﻨَﺰِّﻝَ ﺀﺍﻳَﺔً
ﻭَﻟٰﻜِﻦَّ ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[37] তারা বলেঃ তার প্রতি তার
পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন
অবতীর্ণ হয়নি কেন? বলে দিনঃ
আল্লাহ নিদর্শন অবতরণ করতে পূর্ন
সক্ষম; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে
না।
[37] And they said: “Why is not a sign
sent down to him from his Lord?” Say:
“Allâh is certainly Able to send down a
sign, but most of them know not.”
[38] ﻭَﻣﺎ ﻣِﻦ ﺩﺍﺑَّﺔٍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﻻ ﻃٰﺌِﺮٍ ﻳَﻄﻴﺮُ ﺑِﺠَﻨﺎﺣَﻴﻪِ ﺇِﻟّﺎ
ﺃُﻣَﻢٌ ﺃَﻣﺜﺎﻟُﻜُﻢ ۚ ﻣﺎ ﻓَﺮَّﻃﻨﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ۚ ﺛُﻢَّ ﺇِﻟﻰٰ
ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻳُﺤﺸَﺮﻭﻥَ
[38] আর যত প্রকার প্রাণী পৃথিবীতে
বিচরণশীল রয়েছে এবং যত প্রকার
পাখী দু’ ডানাযোগে উড়ে বেড়ায়
তারা সবাই তোমাদের মতই একেকটি
শ্রেণী। আমি কোন কিছু লিখতে
ছাড়িনি। অতঃপর সবাই স্বীয়
প্রতিপালকের কাছে সমবেত হবে।
[38] There is not a moving (living)
creature on earth, nor a bird that flies
with its two wings, but are communities
like you. We have neglected nothing in
the Book, then unto their Lord they (all)
shall be gathered.
[39] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ ﺻُﻢٌّ
ﻭَﺑُﻜﻢٌ ﻓِﻰ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ ۗ ﻣَﻦ ﻳَﺸَﺈِ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳُﻀﻠِﻠﻪُ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺸَﺄ ﻳَﺠﻌَﻠﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﺻِﺮٰﻁٍ ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[39] যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা
বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও
বধির। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট
করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে
পরিচালিত করেন।
[39] Those who reject Our Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) are deaf and dumb in
darkness. Allâh sends astray whom He
wills and He guides on the Straight Path
whom He wills.
[40] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﺃَﺗﻯٰﻜُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻭ ﺃَﺗَﺘﻜُﻢُ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔُ
ﺃَﻏَﻴﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[40] বলুন, বলতো দেখি, যদি
তোমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি
পতিত হয় কিংবা তোমাদের কাছে
কিয়ামত এসে যায়, তবে তোমরা কি
আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে ডাকবে যদি
তোমরা সত্যবাদী হও।
[40] Say (O Muhammad SAW): “Tell me if
Allâh’s Torment comes upon you, or the
Hour comes upon you, would you then
call upon any one other than Allâh?
(Reply) if you are truthful!”
[41] ﺑَﻞ ﺇِﻳّﺎﻩُ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﻓَﻴَﻜﺸِﻒُ
ﻣﺎ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ
ﻭَﺗَﻨﺴَﻮﻥَ ﻣﺎ ﺗُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[41] বরং তোমরা তো তাঁকেই
ডাকবে। অতঃপর যে বিপদের জন্যে
তাঁকে ডাকবে, তিনি ইচ্ছা করলে তা
দুরও করে দেন। যাদেরকে অংশীদার
করছ, তখন তাদেরকে ভুলে যাবে।
[41] Nay! To Him Alone you would call,
and, if He wills, He would remove that
(distress) for which you call upon Him,
and you would forget at that time
whatever partners you joined (with Him
in worship)!
[42] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺃَﺭﺳَﻠﻨﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺃُﻣَﻢٍ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻚَ ﻓَﺄَﺧَﺬﻧٰﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﺄﺳﺎﺀِ
ﻭَﺍﻟﻀَّﺮّﺍﺀِ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺘَﻀَﺮَّﻋﻮﻥَ
[42] আর আমি আপনার পূর্ববর্তী
উম্মতদের প্রতিও পয়গম্বর প্রেরণ
করেছিলাম। অতঃপর আমি তাদেরকে
অভাব-অনটন ও রোগ-ব্যধি দ্বারা
পাকড়াও করেছিলাম যাতে তারা
কাকুতি মিনতি করে।
[42] Verily, We sent (Messengers) to
many nations before you (O Muhammad
SAW). And We seized them with extreme
poverty (or loss in wealth) and loss in
health with calamities so that they might
believe with humility.
[43] ﻓَﻠَﻮﻻ ﺇِﺫ ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﺑَﺄﺳُﻨﺎ
ﺗَﻀَﺮَّﻋﻮﺍ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻗَﺴَﺖ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﻭَﺯَﻳَّﻦَ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ
ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[43] অতঃপর তাদের কাছে যখন আমার
আযাব আসল, তখন কেন কাকুতি-মিনতি
করল না ? বস্তুতঃ তাদের অন্তর কঠোর
হয়ে গেল এবং শয়তান তাদের কাছে
সুশোভিত করে দেখাল, যে কাজ তারা
করছিল।
[43] When Our Torment reached them,
why then did they not humble
themselves (believe with humility)? But
their hearts became hardened, and
Shaitân (Satan) made fair-seeming to
them that which they used to do.
[44] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻧَﺴﻮﺍ ﻣﺎ ﺫُﻛِّﺮﻭﺍ ﺑِﻪِ
ﻓَﺘَﺤﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺃَﺑﻮٰﺏَ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﻓَﺮِﺣﻮﺍ ﺑِﻤﺎ
ﺃﻭﺗﻮﺍ ﺃَﺧَﺬﻧٰﻬُﻢ ﺑَﻐﺘَﺔً ﻓَﺈِﺫﺍ ﻫُﻢ
ﻣُﺒﻠِﺴﻮﻥَ
[44] অতঃপর তারা যখন ঐ উপদেশ ভুলে
গেল, যা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল, তখন
আমি তাদের সামনে সব কিছুর দ্বার
উম্মুক্ত করে দিলাম। এমনকি, যখন
তাদেরকে প্রদত্ত বিষয়াদির জন্যে
তারা খুব গর্বিত হয়ে পড়ল, তখন আমি
অকস্মাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম।
তখন তারা নিরাশ হয়ে গেল।
[44] So, when they forgot (the warning)
with which they had been reminded, We
opened for them the gates of every
(pleasant) thing, until in the midst of
their enjoyment in that which they were
given, all of a sudden, We took them (in
punishment), and lo! They were plunged
into destruction with deep regrets and
sorrows.
[45] ﻓَﻘُﻄِﻊَ ﺩﺍﺑِﺮُ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻇَﻠَﻤﻮﺍ ۚ ﻭَﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ
ﺍﻟﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[45] অতঃপর জালেমদের মূল শিকড়
কর্তিত হল। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই
জন্যে, যিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা।
[45] So the roots of the people who did
wrong was cut off. And all the praises
and thanks are to Allâh, the Lord of the
‘Alamîn (mankind, jinn, and all that
exists).
[46] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ ﺃَﺧَﺬَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺳَﻤﻌَﻜُﻢ ﻭَﺃَﺑﺼٰﺮَﻛُﻢ ﻭَﺧَﺘَﻢَ
ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻜُﻢ ﻣَﻦ ﺇِﻟٰﻪٌ ﻏَﻴﺮُ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻢ ﺑِﻪِ ۗ ﺍﻧﻈُﺮ ﻛَﻴﻒَ
ﻧُﺼَﺮِّﻑُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﺛُﻢَّ ﻫُﻢ
ﻳَﺼﺪِﻓﻮﻥَ
[46] আপনি বলুনঃ বল তো দেখি, যদি
আল্লাহ তোমাদের কান ও চোখ
নিয়ে যান এবং তোমাদের অন্তরে
মোহর এঁটে দেন, তবে এবং তোমাদের
আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে,
যে তোমাদেরকে এগুলো এনে দেবে?
দেখ, আমি কিভাবে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে
নিদর্শনাবলী বর্ণনা করি। তথাপি
তারা বিমুখ হচ্ছে।
[46] Say (to the disbelievers): “Tell me, if
Allâh took away your hearing and your
sight, and sealed up your hearts, who is
there – an ilâh (a god) other than Allâh
who could restore them to you?” See how
variously We explain the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.), yet they turn aside.
[47] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﺃَﺗﻯٰﻜُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑَﻐﺘَﺔً ﺃَﻭ ﺟَﻬﺮَﺓً
ﻫَﻞ ﻳُﻬﻠَﻚُ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻘَﻮﻡُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[47] বলে দিনঃ দেখতো, যদি আল্লাহর
শাস্তি, আকস্মিক কিংবা প্রকাশ্যে
তোমাদের উপর আসে, তবে জালেম,
সম্প্রদায় ব্যতীত কে ধ্বংস হবে?
[47] Say: “Tell me, if the punishment of
Allâh comes to you suddenly (during the
night), or openly (during the day), will
any be destroyed except the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doing people)?”
[48] ﻭَﻣﺎ ﻧُﺮﺳِﻞُ ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻴﻦَ ﺇِﻟّﺎ
ﻣُﺒَﺸِّﺮﻳﻦَ ﻭَﻣُﻨﺬِﺭﻳﻦَ ۖ ﻓَﻤَﻦ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﻭَﺃَﺻﻠَﺢَ ﻓَﻼ ﺧَﻮﻑٌ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ ﻳَﺤﺰَﻧﻮﻥَ
[48] আমি পয়গম্বরদেরকে প্রেরণ করি
না, কিন্তু সুসংবাদাতা ও ভীতি
প্রদর্শকরূপে অতঃপর যে বিশ্বাস
স্থাপন করে এবং সংশোধিত হয়,
তাদের কোন শঙ্কা নেই এবং তারা
দুঃখিত হবে না।
[48] And We send not the Messengers
but as givers of glad tidings and as
warners. So whosoever believes and does
righteous good deeds, upon such shall
come no fear, nor shall they grieve.
[49] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻳَﻤَﺴُّﻬُﻢُ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻔﺴُﻘﻮﻥَ
[49] যারা আমার নিদর্শনাবলীকে
মিথ্যা বলে, তাদেরকে তাদের
নাফরমানীর কারণে আযাব স্পর্শ
করবে।
[49] But those who reject Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.), the torment will touch
them for their disbelief (and for their
belying the Message of Muhammad
SAW). [Tafsir Al-Qurtubî].
[50] ﻗُﻞ ﻻ ﺃَﻗﻮﻝُ ﻟَﻜُﻢ ﻋِﻨﺪﻯ
ﺧَﺰﺍﺋِﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐَ
ﻭَﻻ ﺃَﻗﻮﻝُ ﻟَﻜُﻢ ﺇِﻧّﻰ ﻣَﻠَﻚٌ ۖ ﺇِﻥ
ﺃَﺗَّﺒِﻊُ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ ﻳﻮﺣﻰٰ ﺇِﻟَﻰَّ ۚ ﻗُﻞ
ﻫَﻞ ﻳَﺴﺘَﻮِﻯ ﺍﻷَﻋﻤﻰٰ
ﻭَﺍﻟﺒَﺼﻴﺮُ ۚ ﺃَﻓَﻼ ﺗَﺘَﻔَﻜَّﺮﻭﻥَ
[50] আপনি বলুনঃ আমি তোমাদেরকে
বলি না যে, আমার কাছে আল্লাহর
ভান্ডার রয়েছে। তাছাড়া আমি অদৃশ্য
বিষয় অবগতও নই। আমি এমন বলি না যে,
আমি ফেরেশতা। আমি তো শুধু ঐ ওহীর
অনুসরণ করি, যা আমার কাছে আসে।
আপনি বলে দিনঃ অন্ধ ও চক্ষুমান কি
সমান হতে পারে? তোমর