60. সুরাহ আল মুমতাহিনাহ(1-13)


Surah Al Mumtahinah Recitation: ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﻋَﺪُﻭّﻯ ﻭَﻋَﺪُﻭَّﻛُﻢ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﺗُﻠﻘﻮﻥَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﺑِﺎﻟﻤَﻮَﺩَّﺓِ
ﻭَﻗَﺪ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﻤﺎ ﺟﺎﺀَﻛُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻳُﺨﺮِﺟﻮﻥَ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝَ
ﻭَﺇِﻳّﺎﻛُﻢ ۙ ﺃَﻥ ﺗُﺆﻣِﻨﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺧَﺮَﺟﺘُﻢ
ﺟِﻬٰﺪًﺍ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻠﻰ ﻭَﺍﺑﺘِﻐﺎﺀَ
ﻣَﺮﺿﺎﺗﻰ ۚ ﺗُﺴِﺮّﻭﻥَ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ
ﺑِﺎﻟﻤَﻮَﺩَّﺓِ ﻭَﺃَﻧﺎ۠ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤﺎ
ﺃَﺧﻔَﻴﺘُﻢ ﻭَﻣﺎ ﺃَﻋﻠَﻨﺘُﻢ ۚ ﻭَﻣَﻦ
ﻳَﻔﻌَﻠﻪُ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻓَﻘَﺪ ﺿَﻞَّ ﺳَﻮﺍﺀَ
ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ
[1] মুমিনগণ, তোমরা আমার ও
তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধরূপে গ্রহণ
করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি
বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা যে
সত্য তোমাদের কাছে আগমন করেছে,
তা অস্বীকার করছে। তারা রসূলকে ও
তোমাদেরকে বহিস্কার করে এই
অপরাধে যে, তোমরা তোমাদের
পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস রাখ। যদি
তোমরা আমার সন্তুষ্টিলাভের জন্যে
এবং আমার পথে জেহাদ করার জন্যে
বের হয়ে থাক, তবে কেন তাদের প্রতি
গোপনে বন্ধুত্বের পয়গাম প্রেরণ করছ?
তোমরা যা গোপন কর এবং যা প্রকাশ
কর, ত আমি খুব জানি। তোমাদের
মধ্যে যে এটা করে, সে সরলপথ থেকে
বিচ্যুত হয়ে যায়।
[1] O you who believe! Take not My
enemies and your enemies (i.e.
disbelievers and polytheists) as friends,
showing affection towards them, while
they have disbelieved in what has come
to you of the truth (i.e. Islâmic
Monotheism, this Qur’ân, and
Muhammad SAW), and have driven out
the Messenger (Muhammad SAW) and
yourselves (from your homeland)
because you believe in Allâh your Lord!
If you have come forth to strive in My
Cause and to seek My Good Pleasure,
(then take not these disbelievers and
polytheists, as your friends). You show
friendship to them in secret, while I am
All-Aware of what you conceal and what
you reveal. And whosoever of you
(Muslims) does that, then indeed he has
gone (far) astray, from the Straight Path.
[2] ﺇِﻥ ﻳَﺜﻘَﻔﻮﻛُﻢ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻟَﻜُﻢ
ﺃَﻋﺪﺍﺀً ﻭَﻳَﺒﺴُﻄﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ
ﺃَﻳﺪِﻳَﻬُﻢ ﻭَﺃَﻟﺴِﻨَﺘَﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺴّﻮﺀِ
ﻭَﻭَﺩّﻭﺍ ﻟَﻮ ﺗَﻜﻔُﺮﻭﻥَ
[2] তোমাদেরকে করতলগত করতে
পারলে তারা তোমাদের শত্রু হয়ে
যাবে এবং মন্দ উদ্দেশ্যে তোমাদের
প্রতি বাহু ও রসনা প্রসারিত করবে
এবং চাইবে যে, কোনরূপে তোমরা ও
কাফের হয়ে যাও।
[2] Should they gain the upper hand over
you, they would behave to you as
enemies, and stretch forth their hands
and their tongues against you with evil,
and they desire that you should
disbelieve.
[3] ﻟَﻦ ﺗَﻨﻔَﻌَﻜُﻢ ﺃَﺭﺣﺎﻣُﻜُﻢ ﻭَﻻ
ﺃَﻭﻟٰﺪُﻛُﻢ ۚ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ﻳَﻔﺼِﻞُ
ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻤﺎ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
ﺑَﺼﻴﺮٌ
[3] তোমাদের স্বজন-পরিজন ও সন্তান-
সন্ততি কিয়ামতের দিন কোন উপকারে
আসবে না। তিনি তোমাদের মধ্যে
ফয়সালা করবেন। তোমরা যা কর,
আল্লাহ তা দেখেন।
[3] Neither your relatives nor your
children will benefit you on the Day of
Resurrection (against Allâh). He will
judge between you. And Allâh is the All-
Seer of what you do.
[4] ﻗَﺪ ﻛﺎﻧَﺖ ﻟَﻜُﻢ ﺃُﺳﻮَﺓٌ
ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ﻓﻰ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻣَﻌَﻪُ ﺇِﺫ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟِﻘَﻮﻣِﻬِﻢ ﺇِﻧّﺎ
ﺑُﺮَﺀٰﺅُﺍ۟ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﻣِﻤّﺎ ﺗَﻌﺒُﺪﻭﻥَ
ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﻔَﺮﻧﺎ ﺑِﻜُﻢ
ﻭَﺑَﺪﺍ ﺑَﻴﻨَﻨﺎ ﻭَﺑَﻴﻨَﻜُﻢُ ﺍﻟﻌَﺪٰﻭَﺓُ
ﻭَﺍﻟﺒَﻐﻀﺎﺀُ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﺗُﺆﻣِﻨﻮﺍ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺣﺪَﻩُ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻮﻝَ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ
ﻟِﺄَﺑﻴﻪِ ﻟَﺄَﺳﺘَﻐﻔِﺮَﻥَّ ﻟَﻚَ ﻭَﻣﺎ
ﺃَﻣﻠِﻚُ ﻟَﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ۖ
ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻋَﻠَﻴﻚَ ﺗَﻮَﻛَّﻠﻨﺎ ﻭَﺇِﻟَﻴﻚَ
ﺃَﻧَﺒﻨﺎ ﻭَﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[4] তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর
সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ
রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে
বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং
তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার
এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন
সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি
না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি
বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের
মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা
থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর
পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের
ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি
অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা
করব। তোমার উপকারের জন্যে
আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার
নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা
তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই
দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট
আমাদের প্রত্যাবর্তন।
[4] Indeed there has been an excellent
example for you in Ibrâhim (Abraham)
and those with him, when they said to
their people: “Verily, we are free from
you and whatever you worship besides
Allâh, we have rejected you, and there
has started between us and you, hostility
and hatred for ever, until you believe in
Allâh Alone,” except the saying of
Ibrâhim (Abraham) to his father: “Verily,
I will ask forgiveness (from Allâh) for
you, but I have no power to do anything
for you before Allâh .” Our Lord! In You
(Alone) we put our trust, and to You
(Alone) we turn in repentance, and to
You (Alone) is (our) final Return,
[5] ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻻ ﺗَﺠﻌَﻠﻨﺎ ﻓِﺘﻨَﺔً ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻭَﺍﻏﻔِﺮ ﻟَﻨﺎ ﺭَﺑَّﻨﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ
ﺃَﻧﺖَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[5] হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি
আমাদেরকে কাফেরদের জন্য
পরীক্ষার পাত্র করো না। হে
আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ক্ষমা
কর। নিশ্চয় তুমি পরাক্রমশালী,
প্রজ্ঞাময়।
[5] “Our Lord! Make us not a trial for the
disbelievers, and forgive us, Our Lord!
Verily, You, only You are the All-Mighty,
the All-Wise.”
[6] ﻟَﻘَﺪ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬِﻢ ﺃُﺳﻮَﺓٌ
ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ﻟِﻤَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻳَﺮﺟُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻮَﻝَّ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻐَﻨِﻰُّ ﺍﻟﺤَﻤﻴﺪُ
[6] তোমরা যারা আল্লাহ ও পরকাল
প্রত্যাশা কর, তোমাদের জন্য তাদের
মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। আর যে মুখ
ফিরিয়ে নেয়, তার জানা উচিত যে,
আল্লাহ বেপরওয়া, প্রশংসার মালিক।
[6] Certainly, there has been in them an
excellent example for you to follow — for
those who look forward to (the Meeting
with) Allâh and the Last Day. And
whosoever turns away, then verily, Allâh
is Rich (Free of all needs), Worthy of all
Praise.
[7] ۞ ﻋَﺴَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ ﻳَﺠﻌَﻞَ
ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ﻭَﺑَﻴﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋﺎﺩَﻳﺘُﻢ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻮَﺩَّﺓً ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻗَﺪﻳﺮٌ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[7] যারা তোমাদের শত্রু আল্লাহ
তাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে
সম্ভবতঃ বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন।
আল্লাহ সবই করতে পারেন এবং
আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
[7] Perhaps Allâh will make friendship
between you and those whom you hold
as enemies. And Allâh has power (over
all things), and Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[8] ﻻ ﻳَﻨﻬﻯٰﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻦِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻟَﻢ ﻳُﻘٰﺘِﻠﻮﻛُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ﻭَﻟَﻢ
ﻳُﺨﺮِﺟﻮﻛُﻢ ﻣِﻦ ﺩِﻳٰﺮِﻛُﻢ ﺃَﻥ
ﺗَﺒَﺮّﻭﻫُﻢ ﻭَﺗُﻘﺴِﻄﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﻘﺴِﻄﻴﻦَ
[8] ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের
বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং
তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত
করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ
করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ
করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ
ইনসাফকারীদেরকে ভালবাসেন।
[8] Allâh does not forbid you to deal
justly and kindly with those who fought
not against you on account of religion
nor drove you out of your homes. Verily,
Allâh loves those who deal with equity.
[9] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﻨﻬﻯٰﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻦِ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻗٰﺘَﻠﻮﻛُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ
ﻭَﺃَﺧﺮَﺟﻮﻛُﻢ ﻣِﻦ ﺩِﻳٰﺮِﻛُﻢ
ﻭَﻇٰﻬَﺮﻭﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺇِﺧﺮﺍﺟِﻜُﻢ ﺃَﻥ
ﺗَﻮَﻟَّﻮﻫُﻢ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻮَﻟَّﻬُﻢ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[9] আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব
করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের
ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে
বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে
সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে
বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম।
[9] It is only as regards those who fought
against you on account of religion, and
have driven you out of your homes, and
helped to drive you out, that Allâh
forbids you to befriend them. And
whosoever will befriend them, then such
are the Zâlimûn (wrong-doers those who
disobey Allâh).
[10] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺇِﺫﺍ
ﺟﺎﺀَﻛُﻢُ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖُ ﻣُﻬٰﺠِﺮٰﺕٍ
ﻓَﺎﻣﺘَﺤِﻨﻮﻫُﻦَّ ۖ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﺈﻳﻤٰﻨِﻬِﻦَّ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﻋَﻠِﻤﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ
ﻣُﺆﻣِﻨٰﺖٍ ﻓَﻼ ﺗَﺮﺟِﻌﻮﻫُﻦَّ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭِ ۖ ﻻ ﻫُﻦَّ ﺣِﻞٌّ ﻟَﻬُﻢ ﻭَﻻ
ﻫُﻢ ﻳَﺤِﻠّﻮﻥَ ﻟَﻬُﻦَّ ۖ ﻭَﺀﺍﺗﻮﻫُﻢ
ﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻘﻮﺍ ۚ ﻭَﻻ ﺟُﻨﺎﺡَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺃَﻥ ﺗَﻨﻜِﺤﻮﻫُﻦَّ ﺇِﺫﺍ
ﺀﺍﺗَﻴﺘُﻤﻮﻫُﻦَّ ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻦَّ ۚ ﻭَﻻ
ﺗُﻤﺴِﻜﻮﺍ ﺑِﻌِﺼَﻢِ ﺍﻟﻜَﻮﺍﻓِﺮِ
ﻭَﺳـَٔﻠﻮﺍ ﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻘﺘُﻢ ﻭَﻟﻴَﺴـَٔﻠﻮﺍ
ﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻘﻮﺍ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺣُﻜﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ
ﻳَﺤﻜُﻢُ ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[10] মুমিনগণ, যখন তোমাদের কাছে
ঈমানদার নারীরা হিজরত করে আগমন
করে, তখন তাদেরকে পরীক্ষা কর।
আল্লাহ তাদের ঈমান সম্পর্কে সম্যক
অবগত আছেন। যদি তোমরা জান যে,
তারা ঈমানদার, তবে আর তাদেরকে
কাফেরদের কাছে ফেরত পাঠিও না।
এরা কাফেরদের জন্যে হালাল নয় এবং
কাফেররা এদের জন্যে হালাল নয়।
কাফেররা যা ব্যয় করেছে, তা তাদের
দিয়ে দাও। তোমরা, এই নারীদেরকে
প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করলে
তোমাদের অপরাধ হবে না। তোমরা
কাফের নারীদের সাথে দাম্পত্য
সম্পর্ক বজায় রেখো না। তোমরা যা
ব্যয় করেছ, তা চেয়ে নাও এবং তারাও
চেয়ে নিবে যা তারা ব্যয় করেছে। এটা
আল্লাহর বিধান; তিনি তোমাদের
মধ্যে ফয়সালা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ
প্রজ্ঞাময়।
[10] O you who believe! When believing
women come to you as emigrants,
examine them, Allâh knows best as to
their Faith, then if you ascertain that
they are true believers, send them not
back to the disbelievers, They are not
lawful (wives) for the disbelievers nor
are the disbelievers lawful (husbands)
for them. But give (the disbelievers) that
(amount of money) which they have
spent [as their Mahr] to them. And there
will be no sin on you to marry them if
you have paid their Mahr to them.
Likewise hold not the disbelieving
women as wives, and ask for (the return
of) that which you have spent (as Mahr)
and let them (the disbelievers) ask back
for that which they have spent. That is
the Judgement of Allâh. He judges
between you. And Allâh is All-Knowing,
All-Wise.
[11] ﻭَﺇِﻥ ﻓﺎﺗَﻜُﻢ ﺷَﻲﺀٌ ﻣِﻦ
ﺃَﺯﻭٰﺟِﻜُﻢ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭِ ﻓَﻌﺎﻗَﺒﺘُﻢ
ﻓَـٔﺎﺗُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺫَﻫَﺒَﺖ ﺃَﺯﻭٰﺟُﻬُﻢ
ﻣِﺜﻞَ ﻣﺎ ﺃَﻧﻔَﻘﻮﺍ ۚ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻧﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﻣُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[11] তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যদি
কেউ হাতছাড়া হয়ে কাফেরদের কাছে
থেকে যায়, অতঃপর তোমরা সুযোগ
পাও, তখন যাদের স্ত্রী হাতছাড়া হয়ে
গেছে, তাদেরকে তাদের ব্যয়কৃত
অর্থের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান কর এবং
আল্লাহকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা
বিশ্বাস রাখ।
[11] And if any of your wives have gone
from you to the disbelievers, (as
apostates and you asked them to retrun
back your Mahr but they refused) — then
you went our for a Ghazwah (military
expedition) (against them and) gained
booty; then pay from that booty to those
whose wives have gone, the equivalent of
what they had spent (on their Mahr).
And fear Allâh in Whom you believe.
[12] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺇِﺫﺍ ﺟﺎﺀَﻙَ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖُ ﻳُﺒﺎﻳِﻌﻨَﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻥ
ﻻ ﻳُﺸﺮِﻛﻦَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻻ
ﻳَﺴﺮِﻗﻦَ ﻭَﻻ ﻳَﺰﻧﻴﻦَ ﻭَﻻ ﻳَﻘﺘُﻠﻦَ
ﺃَﻭﻟٰﺪَﻫُﻦَّ ﻭَﻻ ﻳَﺄﺗﻴﻦَ ﺑِﺒُﻬﺘٰﻦٍ
ﻳَﻔﺘَﺮﻳﻨَﻪُ ﺑَﻴﻦَ ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻦَّ
ﻭَﺃَﺭﺟُﻠِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ ﻳَﻌﺼﻴﻨَﻚَ ﻓﻰ
ﻣَﻌﺮﻭﻑٍ ۙ ﻓَﺒﺎﻳِﻌﻬُﻦَّ ﻭَﺍﺳﺘَﻐﻔِﺮ
ﻟَﻬُﻦَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۖ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[12] হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন
আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ
করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে
শরীক করবে না, চুরি করবে না,
ব্যভিচার করবে না, তাদের
সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ
সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন
গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী
করবে না এবং ভাল কাজে আপনার
অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের
আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে
আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।
নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত
দয়ালু।
[12] O Prophet! When believing women
come to you to give you the Bai’âh
(pledge), that they will not associate
anything in worship with Allâh, that they
will not steal, that they will not commit
illegal sexual intercourse, that they will
not kill their children, that they will not
utter slander, intentionally forging
falsehood (i.e. by making illegal children
belonging to their husbands), and that
they will not disobey you in Ma’rûf
(Islâmic Monotheism and all that which
Islâm ordains) then accept their Bai’âh
(pledge), and ask Allâh to forgive them,
Verily, Allâh is Oft-Forgiving, Most
Merciful.
[13] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺘَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻏَﻀِﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻗَﺪ ﻳَﺌِﺴﻮﺍ ﻣِﻦَ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻛَﻤﺎ ﻳَﺌِﺲَ ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭُ
ﻣِﻦ ﺃَﺻﺤٰﺐِ ﺍﻟﻘُﺒﻮﺭِ
[13] মুমিনগণ, আল্লাহ যে জাতির প্রতি
রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব
করো না। তারা পরকাল সম্পর্কে
নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ
কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে।
[13] O you who believe! Take not as
friends the people who incurred the
Wrath of Allâh (i.e. the Jews). Surely,
they have despaired of (receiveing any
good in) the Hereafter, just as the
disbelievers have despaired of those
(buried) in graves (that they will not be
resurrected on the Day of Resurrection).
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel
Sa’ad Al Ghamdi 1. মুমিনগণ, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা যে সত্য তোমাদের কাছে আগমন করেছে, তা অস্বীকার করছে। তারা রসূলকে ও তোমাদেরকে বহিস্কার করে এই অপরাধে যে, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস রাখ। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টিলাভের জন্যে এবং আমার পথে জেহাদ করার জন্যে বের হয়ে থাক, তবে কেন তাদের প্রতি গোপনে বন্ধুত্বের পয়গাম প্রেরণ করছ? তোমরা যা গোপন কর এবং যা প্রকাশ কর, ত আমি খুব জানি। তোমাদের মধ্যে যে এটা করে, সে সরলপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়। 2. তোমাদেরকে করতলগত করতে পারলে তারা তোমাদের শত্রু হয়ে যাবে এবং মন্দ উদ্দেশ্যে তোমাদের প্রতি বাহু ও রসনা প্রসারিত করবে এবং চাইবে যে, কোনরূপে তোমরা ও কাফের হয়ে যাও। 3. তোমাদের স্বজন-পরিজন ও সন্তান-সন্ততি কিয়ামতের দিন কোন উপকারে আসবে না। তিনি তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন। 4. তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করব। তোমার উপকারের জন্যে আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন। 5. হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি আমাদেরকে কাফেরদের জন্য পরীক্ষার পাত্র করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। 6. তোমরা যারা আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা কর, তোমাদের জন্য তাদের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। আর যে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার জানা উচিত যে, আল্লাহ বেপরওয়া, প্রশংসার মালিক। 7. যারা তোমাদের শত্রু আল্লাহ তাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সম্ভবতঃ বন্ধুত্ব সৃষ্টি করে দেবেন। আল্লাহ সবই করতে পারেন এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়। 8. ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালবাসেন। 9. আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম। 10. মুমিনগণ, যখন তোমাদের কাছে ঈমানদার নারীরা হিজরত করে আগমন করে, তখন তাদেরকে পরীক্ষা কর। আল্লাহ তাদের ঈমান সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন। যদি তোমরা জান যে, তারা ঈমানদার, তবে আর তাদেরকে কাফেরদের কাছে ফেরত পাঠিও না। এরা কাফেরদের জন্যে হালাল নয় এবং কাফেররা এদের জন্যে হালাল নয়। কাফেররা যা ব্যয় করেছে, তা তাদের দিয়ে দাও। তোমরা, এই নারীদেরকে প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করলে তোমাদের অপরাধ হবে না। তোমরা কাফের নারীদের সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রেখো না। তোমরা যা ব্যয় করেছ, তা চেয়ে নাও এবং তারাও চেয়ে নিবে যা তারা ব্যয় করেছে। এটা আল্লাহর বিধান; তিনি তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়। 11. তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যদি কেউ হাতছাড়া হয়ে কাফেরদের কাছে থেকে যায়, অতঃপর তোমরা সুযোগ পাও, তখন যাদের স্ত্রী হাতছাড়া হয়ে গেছে, তাদেরকে তাদের ব্যয়কৃত অর্থের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান কর এবং আল্লাহকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা বিশ্বাস রাখ। 12. হে নবী, ঈমানদার নারীরা যখন আপনার কাছে এসে আনুগত্যের শপথ করে যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, তাদের সন্তানদেরকে হত্যা করবে না, জারজ সন্তানকে স্বামীর ঔরস থেকে আপন গর্ভজাত সন্তান বলে মিথ্যা দাবী করবে না এবং ভাল কাজে আপনার অবাধ্যতা করবে না, তখন তাদের আনুগত্য গ্রহণ করুন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল অত্যন্ত দয়ালু। 13. মুমিনগণ, আল্লাহ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল সম্পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s