65. সুরাহ আল তালাক(01-12)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺇِﺫﺍ ﻃَﻠَّﻘﺘُﻢُ
ﺍﻟﻨِّﺴﺎﺀَ ﻓَﻄَﻠِّﻘﻮﻫُﻦَّ ﻟِﻌِﺪَّﺗِﻬِﻦَّ
ﻭَﺃَﺣﺼُﻮﺍ ﺍﻟﻌِﺪَّﺓَ ۖ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺭَﺑَّﻜُﻢ ۖ ﻻ ﺗُﺨﺮِﺟﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦ
ﺑُﻴﻮﺗِﻬِﻦَّ ﻭَﻻ ﻳَﺨﺮُﺟﻦَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﻳَﺄﺗﻴﻦَ ﺑِﻔٰﺤِﺸَﺔٍ ﻣُﺒَﻴِّﻨَﺔٍ ۚ ﻭَﺗِﻠﻚَ
ﺣُﺪﻭﺩُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻌَﺪَّ
ﺣُﺪﻭﺩَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻘَﺪ ﻇَﻠَﻢَ ﻧَﻔﺴَﻪُ ۚ
ﻻ ﺗَﺪﺭﻯ ﻟَﻌَﻞَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤﺪِﺙُ ﺑَﻌﺪَ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﻣﺮًﺍ
[1] হে নবী, তোমরা যখন
স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন
তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি
লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো।
তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয়
করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে
বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয়
যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে
লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা।
যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে
নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো
আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায়
করে দেবেন।
[1] O Prophet (SAW)! When you divorce
women, divorce them at their ‘Iddah
(prescribed periods), and count
(accurately) their ‘Iddah (periods ). And
fear Allâh your Lord (O Muslims), And
turn them not out of their (husband’s)
homes, nor shall they (themselves) leave,
except in case they are guilty of some
open illegal sexual intercourse. And
those are the set limits of Allâh. And
whosoever transgresses the set limits of
Allâh, then indeed he has wronged
himself. You (the one who divorces his
wife) know not, it may be that Allâh will
afterward bring some new thing to pass
(i.e. to return her back to you if that was
the first or second divorce).
[2] ﻓَﺈِﺫﺍ ﺑَﻠَﻐﻦَ ﺃَﺟَﻠَﻬُﻦَّ
ﻓَﺄَﻣﺴِﻜﻮﻫُﻦَّ ﺑِﻤَﻌﺮﻭﻑٍ ﺃَﻭ
ﻓﺎﺭِﻗﻮﻫُﻦَّ ﺑِﻤَﻌﺮﻭﻑٍ ﻭَﺃَﺷﻬِﺪﻭﺍ
ﺫَﻭَﻯ ﻋَﺪﻝٍ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﺃَﻗﻴﻤُﻮﺍ
ﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓَ ﻟِﻠَّﻪِ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﻳﻮﻋَﻆُ ﺑِﻪِ
ﻣَﻦ ﻛﺎﻥَ ﻳُﺆﻣِﻦُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻳَﺠﻌَﻞ ﻟَﻪُ ﻣَﺨﺮَﺟًﺎ
[2] অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে
পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায়
রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায়
ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য
থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে
সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর
উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে
ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে,
তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে
আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে
নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।
[2] Then when they are about to attain
their term appointed, either take them
back in a good manner or part with
them in a good manner. And take as
witness two just persons from among
you (Muslims). And establish the
testimony for Allâh. That will be an
admonition given to him who believes in
Allâh and the Last Day. And whosoever
fears Allâh and keeps his duty to Him,
He will make a way for him to get out
(from every difficulty).
[3] ﻭَﻳَﺮﺯُﻗﻪُ ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ ﻻ
ﻳَﺤﺘَﺴِﺐُ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻮَﻛَّﻞ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻬُﻮَ ﺣَﺴﺒُﻪُ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺑٰﻠِﻎُ
ﺃَﻣﺮِﻩِ ۚ ﻗَﺪ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻜُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﺭًﺍ
[3] এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে
রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর
ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট।
আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ
সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে
রেখেছেন।
[3] And He will provide him from
(sources) he never could imagine. And
whosoever puts his trust in Allâh, then
He will suffice him. Verily, Allâh will
accomplish his purpose. Indeed Allâh has
set a measure for all things.
[4] ﻭَﺍﻟّٰـٔﻰ ﻳَﺌِﺴﻦَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤَﺤﻴﺾِ
ﻣِﻦ ﻧِﺴﺎﺋِﻜُﻢ ﺇِﻥِ ﺍﺭﺗَﺒﺘُﻢ
ﻓَﻌِﺪَّﺗُﻬُﻦَّ ﺛَﻠٰﺜَﺔُ ﺃَﺷﻬُﺮٍ ﻭَﺍﻟّٰـٔﻰ ﻟَﻢ
ﻳَﺤِﻀﻦَ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺖُ ﺍﻷَﺣﻤﺎﻝِ
ﺃَﺟَﻠُﻬُﻦَّ ﺃَﻥ ﻳَﻀَﻌﻦَ ﺣَﻤﻠَﻬُﻦَّ ۚ
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺠﻌَﻞ ﻟَﻪُ ﻣِﻦ
ﺃَﻣﺮِﻩِ ﻳُﺴﺮًﺍ
[4] তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের
ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের
ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে
তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি,
তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী
নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত।
যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ
সহজ করে দেন।
[4] And those of your women as have
passed the age of monthly courses, for
them the ‘Iddah (prescribed periods), if
you have doubt (about their period), is
three months, and for those who have no
courses [(i.e. they are still immature)
their ‘Iddah (prescribed period) is three
months likewise, except in case of
death] . And for those who are pregnant
(whether they are divorced or their
husbands are dead), their ‘Iddah
(prescribed period) is until they laydown
their burden, and whosoever fears Allâh
and keeps his duty to Him, He will make
his matter easy for him.
[5] ﺫٰﻟِﻚَ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻧﺰَﻟَﻪُ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَّﻖِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﻜَﻔِّﺮ ﻋَﻨﻪُ
ﺳَﻴِّـٔﺎﺗِﻪِ ﻭَﻳُﻌﻈِﻢ ﻟَﻪُ ﺃَﺟﺮًﺍ
[5] এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের
প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয়
করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং
তাকে মহাপুরস্কার দেন।
[5] That is the Command of Allâh, which
He has sent down to you, and whosoever
fears Allâh and keeps his duty to Him,
He will expiate from him his sins, and
will enlarge his reward.
[6] ﺃَﺳﻜِﻨﻮﻫُﻦَّ ﻣِﻦ ﺣَﻴﺚُ
ﺳَﻜَﻨﺘُﻢ ﻣِﻦ ﻭُﺟﺪِﻛُﻢ ﻭَﻻ
ﺗُﻀﺎﺭّﻭﻫُﻦَّ ﻟِﺘُﻀَﻴِّﻘﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ۚ
ﻭَﺇِﻥ ﻛُﻦَّ ﺃُﻭﻟٰﺖِ ﺣَﻤﻞٍ ﻓَﺄَﻧﻔِﻘﻮﺍ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻦَّ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﻀَﻌﻦَ ﺣَﻤﻠَﻬُﻦَّ ۚ
ﻓَﺈِﻥ ﺃَﺭﺿَﻌﻦَ ﻟَﻜُﻢ ﻓَـٔﺎﺗﻮﻫُﻦَّ
ﺃُﺟﻮﺭَﻫُﻦَّ ۖ ﻭَﺃﺗَﻤِﺮﻭﺍ ﺑَﻴﻨَﻜُﻢ
ﺑِﻤَﻌﺮﻭﻑٍ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻌﺎﺳَﺮﺗُﻢ
ﻓَﺴَﺘُﺮﺿِﻊُ ﻟَﻪُ ﺃُﺧﺮﻯٰ
[6] তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী
যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও
বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও।
তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না।
যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব
পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা
তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে,
তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে
এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ
করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর,
তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
[6] Lodge them (the divorced women)
where you dwell, according to your
means, and do not harm them so as to
straiten them (that they be obliged to
leave your house). And if they are
pregnant, then spend on them till they
laydown their burden. Then if they give
suck to the children for you, give them
their due payment, and let each of you
accept the advice of the other in a just
way. But if you make difficulties for one
another, then some other woman may
give suck for him (the father of the
child).
[7] ﻟِﻴُﻨﻔِﻖ ﺫﻭ ﺳَﻌَﺔٍ ﻣِﻦ ﺳَﻌَﺘِﻪِ ۖ
ﻭَﻣَﻦ ﻗُﺪِﺭَ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺭِﺯﻗُﻪُ
ﻓَﻠﻴُﻨﻔِﻖ ﻣِﻤّﺎ ﺀﺍﺗﻯٰﻪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻻ
ﻳُﻜَﻠِّﻒُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻧَﻔﺴًﺎ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ
ﺀﺍﺗﻯٰﻬﺎ ۚ ﺳَﻴَﺠﻌَﻞُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑَﻌﺪَ
ﻋُﺴﺮٍ ﻳُﺴﺮًﺍ
[7] বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয়
করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে
রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা
থেকে ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যা
দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার
আদেশ কাউকে করেন না। আল্লাহ কষ্টের
পর সুখ দেবেন।
[7] Let the rich man spend according to
his means, and the man whose resources
are restricted, let him spend according to
what Allâh has given him. Allâh puts no
burden on any person beyond what He
has given him. Allâh will grant after
hardship, ease.
[8] ﻭَﻛَﺄَﻳِّﻦ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻳَﺔٍ ﻋَﺘَﺖ
ﻋَﻦ ﺃَﻣﺮِ ﺭَﺑِّﻬﺎ ﻭَﺭُﺳُﻠِﻪِ
ﻓَﺤﺎﺳَﺒﻨٰﻬﺎ ﺣِﺴﺎﺑًﺎ ﺷَﺪﻳﺪًﺍ
ﻭَﻋَﺬَّﺑﻨٰﻬﺎ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﻧُﻜﺮًﺍ
[8] অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর
রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর
আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত
করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি
দিয়েছিলাম।
[8] And many a town (population)
revolted against the Command of its
Lord and His Messengers, and We called
it to a severe account (i.e. torment in this
worldly life), and we shall punish it with
a horrible torment (in Hell, in the
Hereafter).
[9] ﻓَﺬﺍﻗَﺖ ﻭَﺑﺎﻝَ ﺃَﻣﺮِﻫﺎ ﻭَﻛﺎﻥَ
ﻋٰﻘِﺒَﺔُ ﺃَﻣﺮِﻫﺎ ﺧُﺴﺮًﺍ
[9] অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন
করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল।
[9] So it tasted the evil result of its affair
(disbelief), and the consequence of its
affair (disbelief) was loss (destruction in
this life and an eternal punishment in
the Hereafter).
[10] ﺃَﻋَﺪَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﺷَﺪﻳﺪًﺍ ۖ ﻓَﺎﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳٰﺄُﻭﻟِﻰ
ﺍﻷَﻟﺒٰﺐِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ۚ ﻗَﺪ
ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﺫِﻛﺮًﺍ
[10] আল্লাহ তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক
শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে
বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা
আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি
উপদেশ নাযিল করেছেন।
[10] Allâh has prepared for them a
severe torment. So fear Allâh and keep
your duty to Him, O men of
understanding — who have believed! –
Allâh has indeed sent down to you a
Reminder (this Qur’ân).
[11] ﺭَﺳﻮﻟًﺎ ﻳَﺘﻠﻮﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺀﺍﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣُﺒَﻴِّﻨٰﺖٍ ﻟِﻴُﺨﺮِﺝَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈُّﻠُﻤٰﺖِ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﻨّﻮﺭِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﺆﻣِﻦ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻳَﻌﻤَﻞ ﺻٰﻠِﺤًﺎ ﻳُﺪﺧِﻠﻪُ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۖ ﻗَﺪ ﺃَﺣﺴَﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻪُ ﺭِﺯﻗًﺎ
[11] একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে
আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন,
যাতে বিশ্বাসী ও সৎকর্মপরায়ণদের
অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন
করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে
দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে
নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে।
আল্লাহ তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।
[11] (And has also sent to you) a
Messenger (Muhammad SAW), who
recites to you the Verses of Allâh (the
Qur’ân) containing clear explanations,
that He may take out, those who believe
and do righteous good deeds from the
darkness (of polytheism and disbelief) to
the light (of Islamic Monotheism). And
whosoever believes in Allâh and
performs righteous good deeds, He will
admit him into Gardens under which
rivers flow (Paradise), to dwell therein
forever. Allâh has indeed granted for
him an excellent provision.
[12] ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺳَﺒﻊَ
ﺳَﻤٰﻮٰﺕٍ ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣِﺜﻠَﻬُﻦَّ
ﻳَﺘَﻨَﺰَّﻝُ ﺍﻷَﻣﺮُ ﺑَﻴﻨَﻬُﻦَّ ﻟِﺘَﻌﻠَﻤﻮﺍ
ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺪ ﺃَﺣﺎﻁَ ﺑِﻜُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻋِﻠﻤًﺎ
[12] আল্লাহ সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং
পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে
তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা
জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং
সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।
[12] It is Allâh Who has created seven
heavens and of the earth the like thereof
(i.e. seven). His Command descends
between them (heavens and earth), that
you may know that Allâh has power over
all things, and that Allâh surrounds all
things in (His) Knowledge.
Surah Al Talaq Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন। 2. অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন। 3. এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন। 4. তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন। 5. এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন। 6. মহিলাদের একই স্টাইল হিসাবে তোমরা বসবাস লাইভ, আপনার মানে অনুযায়ী এবার তাদের জ্বালানো না, যাতে তাদের সীমিত। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে। 7. বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন। 8. অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম। 9. অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল। 10. আল্লাহ তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন। 11. একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে বিশ্বাসী ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাকে উত্তম রিযিক দেবেন। 12. আল্লাহ সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত। *********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s