66. সুরাহ আত তাহরীম(01-12)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﻟِﻢَ ﺗُﺤَﺮِّﻡُ ﻣﺎ
ﺃَﺣَﻞَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻚَ ۖ ﺗَﺒﺘَﻐﻰ
ﻣَﺮﺿﺎﺕَ ﺃَﺯﻭٰﺟِﻚَ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[1] হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা
হালাল করছেন, আপনি আপনার
স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা
নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন?
আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
[1] O Prophet! Why do you forbid (for
yourself) that which Allâh has allowed to
you, seeking to please your wives? And
Allâh is Oft-Forgiving, Most Merciful.
[2] ﻗَﺪ ﻓَﺮَﺽَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻜُﻢ ﺗَﺤِﻠَّﺔَ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻜُﻢ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻮﻟﻯٰﻜُﻢ ۖ
ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ ﺍﻟﺤَﻜﻴﻢُ
[2] আল্লাহ তোমাদের জন্যে কসম
থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে
দিয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের মালিক। তিনি
সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[2] Allâh has already ordained for you (O
men), the absolution from your oaths.
And Allâh is your Maula (Lord, or
Master, or Protector) and He is the All-
Knower, the All-Wise.
[3] ﻭَﺇِﺫ ﺃَﺳَﺮَّ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻌﺾِ
ﺃَﺯﻭٰﺟِﻪِ ﺣَﺪﻳﺜًﺎ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻧَﺒَّﺄَﺕ ﺑِﻪِ
ﻭَﺃَﻇﻬَﺮَﻩُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻋَﺮَّﻑَ
ﺑَﻌﻀَﻪُ ﻭَﺃَﻋﺮَﺽَ ﻋَﻦ ﺑَﻌﺾٍ ۖ
ﻓَﻠَﻤّﺎ ﻧَﺒَّﺄَﻫﺎ ﺑِﻪِ ﻗﺎﻟَﺖ ﻣَﻦ
ﺃَﻧﺒَﺄَﻙَ ﻫٰﺬﺍ ۖ ﻗﺎﻝَ ﻧَﺒَّﺄَﻧِﻰَ ﺍﻟﻌَﻠﻴﻢُ
ﺍﻟﺨَﺒﻴﺮُ
[3] যখন নবী তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে
একটি কথা গোপনে বললেন, অতঃপর স্ত্রী
যখন তা বলে দিল এবং আল্লাহ নবীকে তা
জানিয়ে দিলেন, তখন নবী সে বিষয়ে
স্ত্রীকে কিছু বললেন এবং কিছু বললেন
না। নবী যখন তা স্ত্রীকে বললেন, তখন
স্ত্রী বললেনঃ কে আপনাকে এ
সম্পর্কে অবহিত করল? নবী বললেন,ঃ যিনি
সর্বজ্ঞ, ওয়াকিফহাল, তিনি আমাকে অবহিত
করেছেন।
[3] And (remember) when the Prophet
(SAW) disclosed a matter in confidence
to one of his wives (Hafsah), then she
told it (to another i.e. ‘Aishah), and Allâh
made it known to him, he informed part
thereof and left a part. Then when he
told her (Hafsah) thereof, she said: “Who
told you this?” He said: “The All-Knower,
the All-Aware (Allâh) has told me”.
[4] ﺇِﻥ ﺗَﺘﻮﺑﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻘَﺪ
ﺻَﻐَﺖ ﻗُﻠﻮﺑُﻜُﻤﺎ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻈٰﻬَﺮﺍ
ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ ﻣَﻮﻟﻯٰﻪُ
ﻭَﺟِﺒﺮﻳﻞُ ﻭَﺻٰﻠِﺢُ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ۖ
ﻭَﺍﻟﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔُ ﺑَﻌﺪَ ﺫٰﻟِﻚَ ﻇَﻬﻴﺮٌ
[4] তোমাদের অন্তর অন্যায়ের দিকে
ঝুঁকে পড়েছে বলে যদি তোমরা উভয়ে
তওবা কর, তবে ভাল কথা। আর যদি নবীর
বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে
জেনে রেখ আল্লাহ জিবরাঈল এবং
সৎকর্মপরায়ণ মুমিনগণ তাঁর সহায়। উপরন্তুত
ফেরেশতাগণও তাঁর সাহায্যকারী।
[4] If you two (wives of the Prophet SAW,
‘Aishah and Hafsah radhiallahu’anhu)
turn in repentance to Allâh, (it will be
better for you), your hearts are indeed so
inclined (to oppose what the Prophet
SAW likes); but if you help one another
against him (Muhammad SAW), then
verily, Allâh is his Maula (Lord, or
Master, or Protector), and Jibril
(Gabriel), and the righteous among the
believers, and furthermore, the angels
are his helpers.
[5] ﻋَﺴﻰٰ ﺭَﺑُّﻪُ ﺇِﻥ ﻃَﻠَّﻘَﻜُﻦَّ ﺃَﻥ
ﻳُﺒﺪِﻟَﻪُ ﺃَﺯﻭٰﺟًﺎ ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻨﻜُﻦَّ
ﻣُﺴﻠِﻤٰﺖٍ ﻣُﺆﻣِﻨٰﺖٍ ﻗٰﻨِﺘٰﺖٍ
ﺗٰﺌِﺒٰﺖٍ ﻋٰﺒِﺪٰﺕٍ ﺳٰﺌِﺤٰﺖٍ ﺛَﻴِّﺒٰﺖٍ
ﻭَﺃَﺑﻜﺎﺭًﺍ
[5] যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ
করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে
পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম
স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী
তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার,
অকুমারী ও কুমারী।
[5] It may be if he divorced you (all) that
his Lord will give him instead of you,
wives better than you, Muslims (who
submit to Allâh), believers, obedient (to
Allâh), turning to Allâh in repentance,
worshipping Allâh sincerely, given to
fasting or emigrants (for Allâh’s sake),
previously married and virgins.
[6] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻗﻮﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ﻭَﺃَﻫﻠﻴﻜُﻢ ﻧﺎﺭًﺍ
ﻭَﻗﻮﺩُﻫَﺎ ﺍﻟﻨّﺎﺱُ ﻭَﺍﻟﺤِﺠﺎﺭَﺓُ
ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻣَﻠٰﺌِﻜَﺔٌ ﻏِﻼﻅٌ ﺷِﺪﺍﺩٌ ﻻ
ﻳَﻌﺼﻮﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣﺎ ﺃَﻣَﺮَﻫُﻢ
ﻭَﻳَﻔﻌَﻠﻮﻥَ ﻣﺎ ﻳُﺆﻣَﺮﻭﻥَ
[6] মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং
তোমাদের পরিবার-পরিজনকে সেই অগ্নি
থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও
প্রস্তর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয়,
কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ। তারা আল্লাহ
তা’আলা যা আদেশ করেন, তা অমান্য করে না
এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করে।
[6] O you who believe! Ward off from
yourselves and your families against a
Fire (Hell) whose fuel is men and stones,
over which are (appointed) angels stern
(and) severe, who disobey not, (from
executing) the Commands they receive
from Allâh, but do that which they are
commanded.
[7] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻻ
ﺗَﻌﺘَﺬِﺭُﻭﺍ ﺍﻟﻴَﻮﻡَ ۖ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺗُﺠﺰَﻭﻥَ
ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[7] হে কাফের সম্প্রদায়, তোমরা আজ ওযর
পেশ করো না। তোমাদেরকে তারই
প্রতিফল দেয়া হবে, যা তোমরা করতে।
[7] (It will be said in the Hereafter) O
you who disbelieve (in the Oneness of
Allâh – Islâmic Monotheism)! Make no
excuses this Day! You are being requited
only for what you used to do.
[8] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺗﻮﺑﻮﺍ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺗَﻮﺑَﺔً ﻧَﺼﻮﺣًﺎ ﻋَﺴﻰٰ
ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺃَﻥ ﻳُﻜَﻔِّﺮَ ﻋَﻨﻜُﻢ
ﺳَﻴِّـٔﺎﺗِﻜُﻢ ﻭَﻳُﺪﺧِﻠَﻜُﻢ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ﻳَﻮﻡَ
ﻻ ﻳُﺨﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰَّ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻣَﻌَﻪُ ۖ ﻧﻮﺭُﻫُﻢ ﻳَﺴﻌﻰٰ
ﺑَﻴﻦَ ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ ﻭَﺑِﺄَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ
ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﺃَﺗﻤِﻢ ﻟَﻨﺎ ﻧﻮﺭَﻧﺎ
ﻭَﺍﻏﻔِﺮ ﻟَﻨﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ
ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[8] মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা’আলার কাছে
তওবা কর-আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়,
তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ
কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং
তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার
তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ
নবী এবং তাঁর বিশ্বাসী সহচরদেরকে
অপদস্থ করবেন না। তাদের নূর তাদের
সামনে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। তারা
বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের
নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে
ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব
শক্তিমান।
[8] O you who believe! Turn to Allâh with
sincere repentance! It may be that your
Lord will expaite from you your sins,
and admit you into Gardens under which
rivers flow (Paradise) the Day that Allâh
will not disgrace the Prophet
(Muhammad SAW) and those who
believe with him, Their Light will run
forward before them and (with their
Records — Books of deeds) in their right
hands They will say: “Our Lord! Keep
perfect our Light for us [and do not put it
off till we cross over the Sirât (a slippery
bridge over the Hell) safely] and grant us
forgiveness. Verily, You are Able to do all
things .”
[9] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺟٰﻬِﺪِ ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ ﻭَﺍﻏﻠُﻆ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ
ﻭَﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢ ﺟَﻬَﻨَّﻢُ ۖ ﻭَﺑِﺌﺲَ
ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[9] হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের
বিরুদ্ধে জেহাদ করুন এবং তাদের প্রতি
কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সেটা
কতই না নিকৃষ্ট স্থান।
[9] O Prophet (Muhammad SAW)! Strive
hard against the disbelievers and the
hypocrites, and be severe against them;
their abode will be Hell, and worst
indeed is that destination.
[10] ﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﺍﻣﺮَﺃَﺕَ ﻧﻮﺡٍ ﻭَﺍﻣﺮَﺃَﺕَ
ﻟﻮﻁٍ ۖ ﻛﺎﻧَﺘﺎ ﺗَﺤﺖَ ﻋَﺒﺪَﻳﻦِ
ﻣِﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻧﺎ ﺻٰﻠِﺤَﻴﻦِ
ﻓَﺨﺎﻧَﺘﺎﻫُﻤﺎ ﻓَﻠَﻢ ﻳُﻐﻨِﻴﺎ ﻋَﻨﻬُﻤﺎ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻗﻴﻞَ ﺍﺩﺧُﻠَﺎ
ﺍﻟﻨّﺎﺭَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﺪّٰﺧِﻠﻴﻦَ
[10] আল্লাহ তা’আলা কাফেরদের জন্যে
নূহ-পত্নী ও লূত-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা
করেছেন। তারা ছিল আমার দুই ধর্মপরায়ণ
বান্দার গৃহে। অতঃপর তারা তাদের সাথে
বিশ্বাসঘাতকতা করল। ফলে নূহ ও লূত
তাদেরকে আল্লাহ তা’আলার কবল থেকে
রক্ষা করতে পারল না এবং তাদেরকে বলা হলঃ
জাহান্নামীদের সাথে জাহান্নামে চলে যাও।
[10] Allâh sets forth an example for those
who disbelieve, the wife of Nûh (Noah)
and the wife of Lut (Lot). They were
under two of our righteous slaves, but
they both betrayed them (their husbands
by rejecting their doctrine) So they [Nûh
(Noah) and Lut (Lot) A.S.] availed them
(their respective wives) not, against
Allâh, and it was said: “Enter the Fire
along with those who enter!”
[11] ﻭَﺿَﺮَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﻣﺮَﺃَﺕَ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﺇِﺫ
ﻗﺎﻟَﺖ ﺭَﺏِّ ﺍﺑﻦِ ﻟﻰ ﻋِﻨﺪَﻙَ
ﺑَﻴﺘًﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﻭَﻧَﺠِّﻨﻰ ﻣِﻦ
ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﻭَﻋَﻤَﻠِﻪِ ﻭَﻧَﺠِّﻨﻰ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘَﻮﻡِ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[11] আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের জন্যে
ফেরাউন-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা
করেছেন। সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা!
আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে
একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার
দুস্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে
যালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।
[11] And Allâh has set forth an example
for those who believe; the wife of Fir’aun
(Pharaoh), when she said: “My Lord!
Build for me a home with You in
Paradise, and save me from Fir’aun
(Pharaoh) and his work, and save me
from the people who are Zâlimûn
(polytheists, wrong-doers and
disbelievers in Allâh).
[12] ﻭَﻣَﺮﻳَﻢَ ﺍﺑﻨَﺖَ ﻋِﻤﺮٰﻥَ ﺍﻟَّﺘﻰ
ﺃَﺣﺼَﻨَﺖ ﻓَﺮﺟَﻬﺎ ﻓَﻨَﻔَﺨﻨﺎ ﻓﻴﻪِ
ﻣِﻦ ﺭﻭﺣِﻨﺎ ﻭَﺻَﺪَّﻗَﺖ ﺑِﻜَﻠِﻤٰﺖِ
ﺭَﺑِّﻬﺎ ﻭَﻛُﺘُﺒِﻪِ ﻭَﻛﺎﻧَﺖ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻘٰﻨِﺘﻴﻦَ
[12] আর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন এমরান-
তনয়া মরিয়মের, যে তার সতীত্ব বজায়
রেখেছিল। অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার
পক্ষ থেকে জীবন ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং
সে তার পালনকর্তার বানী ও কিতাবকে
সত্যে পরিণত করেছিল। সে ছিল বিনয়
প্রকাশকারীনীদের একজন।
[12] And Maryam (Mary), the daughter
of ‘Imrân who guarded her chastity; and
We breathed into (the sleeve of her shirt
or her garment) through Our Rûh [i.e.
Jibril (Gabriel)], and she testified to the
truth of the Words of her Lord [i.e.
believed in the Words of Allâh: “Be!” and
he was; that is ‘Īsā (Jesus) son of Maryam
(Mary) as a Messenger of Allâh], and
(also believed in) His Scriptures, and she
was of the Qanitun (i.e. obedient to
Allâh).
Surah Al Tahrim Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়। 2. আল্লাহ তোমাদের জন্যে কসম থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের মালিক। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 3. যখন নবী তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে একটি কথা গোপনে বললেন, অতঃপর স্ত্রী যখন তা বলে দিল এবং আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দিলেন, তখন নবী সে বিষয়ে স্ত্রীকে কিছু বললেন এবং কিছু বললেন না। নবী যখন তা স্ত্রীকে বললেন, তখন স্ত্রী বললেনঃ কে আপনাকে এ সম্পর্কে অবহিত করল? নবী বললেন, যিনি সর্বজ্ঞ, ওয়াকিফহাল, তিনি আমাকে অবহিত করেছেন। 4. তোমাদের অন্তর অন্যায়ের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে যদি তোমরা উভয়ে তওবা কর, তবে ভাল কথা। আর যদি নবীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে জেনে রেখ আল্লাহ জিবরাঈল এবং সৎকর্মপরায়ণ মুমিনগণ তাঁর সহায়। উপরন্তুত ফেরেশতাগণও তাঁর সাহায্যকারী। 5. যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী। 6. মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার- পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও প্রস্তর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয়, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ। তারা আল্লাহ তা’আলা যা আদেশ করেন, তা অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করে। 7. হে কাফের সম্প্রদায়, তোমরা আজ ওযর পেশ করো না। তোমাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে, যা তোমরা করতে। 8. মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা’আলার কাছে তওবা কর- আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেদিন আল্লাহ নবী এবং তাঁর বিশ্বাসী সহচরদেরকে অপদস্থ করবেন না। তাদের নূর তাদের সামনে ও ডানদিকে ছুটোছুটি করবে। তারা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের নূরকে পূর্ণ করে দিন এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি সবকিছুর উপর সর্ব শক্তিমান। 9. হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জেহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। 10. আল্লাহ তা’আলা কাফেরদের জন্যে নূহ-পত্নী ও লূত-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। তারা ছিল আমার দুই ধর্মপরায়ণ বান্দার গৃহে। অতঃপর তারা তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করল। ফলে নূহ ও লূত তাদেরকে আল্লাহ তা’আলার কবল থেকে রক্ষা করতে পারল না এবং তাদেরকে বলা হলঃ জাহান্নামীদের সাথে জাহান্নামে চলে যাও। 11. আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের জন্যে ফেরাউন-পত্নীর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আপনার সন্নিকটে জান্নাতে আমার জন্যে একটি গৃহ নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার দুস্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন এবং আমাকে যালেম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন। 12. আর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন এমরান-তনয়া মরিয়মের, যে তার সতীত্ব বজায় রেখেছিল। অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে জীবন ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং সে তার পালনকর্তার বানী ও কিতাবকে সত্যে পরিণত করেছিল। সে ছিল বিনয় প্রকাশকারীনীদের একজন। *********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s