67.সুরাহ আল মূলক(01-30)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﺗَﺒٰﺮَﻙَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺑِﻴَﺪِﻩِ ﺍﻟﻤُﻠﻚُ
ﻭَﻫُﻮَ ﻋَﻠﻰٰ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[1] পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর
উপর সর্বশক্তিমান।
[1] Blessed is He in Whose Hand is the
dominion, and He is Able to do all
things.
[2] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﻤَﻮﺕَ
ﻭَﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ ﻟِﻴَﺒﻠُﻮَﻛُﻢ ﺃَﻳُّﻜُﻢ
ﺃَﺣﺴَﻦُ ﻋَﻤَﻠًﺎ ۚ ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟﻌَﺰﻳﺰُ
ﺍﻟﻐَﻔﻮﺭُ
[2] যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন,
যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে
তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি
পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।
[2] Who has created death and life, that
He may test you which of you is best in
deed. And He is the All-Mighty, the Oft-
Forgiving;
[3] ﺍﻟَّﺬﻯ ﺧَﻠَﻖَ ﺳَﺒﻊَ ﺳَﻤٰﻮٰﺕٍ
ﻃِﺒﺎﻗًﺎ ۖ ﻣﺎ ﺗَﺮﻯٰ ﻓﻰ ﺧَﻠﻖِ
ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﻣِﻦ ﺗَﻔٰﻮُﺕٍ ۖ ﻓَﺎﺭﺟِﻊِ
ﺍﻟﺒَﺼَﺮَ ﻫَﻞ ﺗَﺮﻯٰ ﻣِﻦ ﻓُﻄﻮﺭٍ
[3] তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি
করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার
সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না।
আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও
কি?
[3] Who has created the seven heavens
one above another, you can see no fault
in the creation of the Most Gracious.
Then look again: “Can you see any rifts?”
[4] ﺛُﻢَّ ﺍﺭﺟِﻊِ ﺍﻟﺒَﺼَﺮَ ﻛَﺮَّﺗَﻴﻦِ
ﻳَﻨﻘَﻠِﺐ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﺍﻟﺒَﺼَﺮُ ﺧﺎﺳِﺌًﺎ
ﻭَﻫُﻮَ ﺣَﺴﻴﺮٌ
[4] অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার
দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে
ফিরে আসবে।
[4] Then look again and yet again, your
sight will return to you in a state of
humiliation and worn out
[5] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺯَﻳَّﻨَّﺎ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﺑِﻤَﺼٰﺒﻴﺢَ ﻭَﺟَﻌَﻠﻨٰﻬﺎ ﺭُﺟﻮﻣًﺎ
ﻟِﻠﺸَّﻴٰﻄﻴﻦِ ۖ ﻭَﺃَﻋﺘَﺪﻧﺎ ﻟَﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏَ ﺍﻟﺴَّﻌﻴﺮِ
[5] আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা
সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের
জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত
করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত
অগ্নির শাস্তি।
[5] And indeed We have adorned the
nearest heaven with lamps, and We have
made such lamps (as) missiles to drive
away the Shayâtin (devils), and have
prepared for them the torment of the
blazing Fire
[6] ﻭَﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺮَﺑِّﻬِﻢ
ﻋَﺬﺍﺏُ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ۖ ﻭَﺑِﺌﺲَ ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[6] যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার
করেছে তাদের জন্যে রয়েছে
জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।
[6] And for those who disbelieve in their
Lord (Allâh) is the torment of Hell, and
worst indeed is that destination
[7] ﺇِﺫﺍ ﺃُﻟﻘﻮﺍ ﻓﻴﻬﺎ ﺳَﻤِﻌﻮﺍ ﻟَﻬﺎ
ﺷَﻬﻴﻘًﺎ ﻭَﻫِﻰَ ﺗَﻔﻮﺭُ
[7] যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার
উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।
[7] When they are cast therein, they will
hear the (terrible) drawing in of its
breath as it blazes forth
[8] ﺗَﻜﺎﺩُ ﺗَﻤَﻴَّﺰُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻐَﻴﻆِ ۖ ﻛُﻠَّﻤﺎ
ﺃُﻟﻘِﻰَ ﻓﻴﻬﺎ ﻓَﻮﺝٌ ﺳَﺄَﻟَﻬُﻢ
ﺧَﺰَﻧَﺘُﻬﺎ ﺃَﻟَﻢ ﻳَﺄﺗِﻜُﻢ ﻧَﺬﻳﺮٌ
[8] ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে
পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত
হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা
করবে। তোমাদের কাছে কি কোন
সতর্ককারী আগমন করেনি?
[8] It almost bursts up with fury. Every
time a group is cast therein, its keeper
will ask: “Did no warner come to you?”
[9] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺑَﻠﻰٰ ﻗَﺪ ﺟﺎﺀَﻧﺎ ﻧَﺬﻳﺮٌ
ﻓَﻜَﺬَّﺑﻨﺎ ﻭَﻗُﻠﻨﺎ ﻣﺎ ﻧَﺰَّﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻣِﻦ ﺷَﻲﺀٍ ﺇِﻥ ﺃَﻧﺘُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﻓﻰ
ﺿَﻠٰﻞٍ ﻛَﺒﻴﺮٍ
[9] তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে
সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা
মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ
তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা
মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ।
[9] They will say: “Yes indeed a warner
did come to us, but we belied him and
said: ‘Allâh never sent down anything
(of revelation), you are only in great
error.'”
[10] ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻮ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﺴﻤَﻊُ ﺃَﻭ
ﻧَﻌﻘِﻞُ ﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻓﻰ ﺃَﺻﺤٰﺐِ
ﺍﻟﺴَّﻌﻴﺮِ
[10] তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা
বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের
মধ্যে থাকতাম না।
[10] And they will say: “Had we but
listened or used our intelligence, we
would not have been among the dwellers
of the blazing Fire!”
[11] ﻓَﺎﻋﺘَﺮَﻓﻮﺍ ﺑِﺬَﻧﺒِﻬِﻢ
ﻓَﺴُﺤﻘًﺎ ﻟِﺄَﺻﺤٰﺐِ ﺍﻟﺴَّﻌﻴﺮِ
[11] অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার
করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।
[11] Then they will confess their sin. So,
away with the dwellers of the blazing
Fire
[12] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺨﺸَﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻬُﻢ
ﺑِﺎﻟﻐَﻴﺐِ ﻟَﻬُﻢ ﻣَﻐﻔِﺮَﺓٌ ﻭَﺃَﺟﺮٌ
ﻛَﺒﻴﺮٌ
[12] নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না
দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে
রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
[12] Verily, those who fear their Lord
unseen (i.e. they do not see Him, nor His
Punishment in the Hereafter), theirs will
be forgiveness and a great reward (i.e.
Paradise).
[13] ﻭَﺃَﺳِﺮّﻭﺍ ﻗَﻮﻟَﻜُﻢ ﺃَﻭِ
ﺍﺟﻬَﺮﻭﺍ ﺑِﻪِ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﺬﺍﺕِ
ﺍﻟﺼُّﺪﻭﺭِ
[13] তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল
অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের
বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত।
[13] And whether you keep your talk
secret or disclose it, verily, He is the All-
Knower of what is in the breasts (of
men).
[14] ﺃَﻻ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﻣَﻦ ﺧَﻠَﻖَ ﻭَﻫُﻮَ
ﺍﻟﻠَّﻄﻴﻒُ ﺍﻟﺨَﺒﻴﺮُ
[14] যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে
জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক
জ্ঞাত।
[14] Should not He Who has created
know? And He is the Most Kind and
Courteous (to His slaves) All-Aware (of
everything).
[15] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ
ﺍﻷَﺭﺽَ ﺫَﻟﻮﻟًﺎ ﻓَﺎﻣﺸﻮﺍ ﻓﻰ
ﻣَﻨﺎﻛِﺒِﻬﺎ ﻭَﻛُﻠﻮﺍ ﻣِﻦ ﺭِﺯﻗِﻪِ ۖ
ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﺍﻟﻨُّﺸﻮﺭُ
[15] তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে
সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে
বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই
কাছে পুনরুজ্জীবন হবে।
[15] He it is, Who has made the earth
subservient to you (i.e. easy for you to
walk, to live and to do agriculture on it),
so walk in the path thereof and eat of
His provision, and to Him will be the
Resurrection.
[16] ﺀَﺃَﻣِﻨﺘُﻢ ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﺃَﻥ ﻳَﺨﺴِﻒَ ﺑِﻜُﻢُ ﺍﻷَﺭﺽَ ﻓَﺈِﺫﺍ
ﻫِﻰَ ﺗَﻤﻮﺭُ
[16] তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে,
আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে
ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা
কাঁপতে থাকবে।
[16] Do you feel secure that He, Who is
over the heaven (Allâh), will not cause
the earth to sink with you, and then it as
in an should quake?
[17] ﺃَﻡ ﺃَﻣِﻨﺘُﻢ ﻣَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ
ﺃَﻥ ﻳُﺮﺳِﻞَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺣﺎﺻِﺒًﺎ ۖ
ﻓَﺴَﺘَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﻛَﻴﻒَ ﻧَﺬﻳﺮِ
[17] না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে,
আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর
প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা
জানতে পারবে কেমন ছিল আমার
সতর্কবাণী।
[17] Or do you feel secure that He, Who
is over the heaven (Allâh), will not send
against you a violent whirlwind? Then
you shall know how (terrible) has been
My Warning.
[18] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻛَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻓَﻜَﻴﻒَ ﻛﺎﻥَ ﻧَﻜﻴﺮِ
[18] তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ
করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার
অস্বীকৃতি।
[18] And indeed those before them belied
(the Messengers of Allâh), then how
terrible was My denial (punishment)?
[19] ﺃَﻭَﻟَﻢ ﻳَﺮَﻭﺍ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻄَّﻴﺮِ
ﻓَﻮﻗَﻬُﻢ ﺻٰﻔّٰﺖٍ ﻭَﻳَﻘﺒِﻀﻦَ ۚ ﻣﺎ
ﻳُﻤﺴِﻜُﻬُﻦَّ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦُ ۚ ﺇِﻧَّﻪُ
ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﺑَﺼﻴﺮٌ
[19] তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর
উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী
ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই
তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয়
দেখেন।
[19] Do they not see the birds above
them, spreading out their wings and
folding them in? None upholds them
except the Most Gracious (Allâh). Verily,
He is the All-Seer of everything.
[20] ﺃَﻣَّﻦ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻫُﻮَ ﺟُﻨﺪٌ
ﻟَﻜُﻢ ﻳَﻨﺼُﺮُﻛُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ۚ ﺇِﻥِ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻓﻰ
ﻏُﺮﻭﺭٍ
[20] রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত
তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে
তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা
বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে।
[20] Who is he besides the Most Gracious
that can be an army to you to help you?
The disbelievers are in nothing but
delusion
[21] ﺃَﻣَّﻦ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻳَﺮﺯُﻗُﻜُﻢ
ﺇِﻥ ﺃَﻣﺴَﻚَ ﺭِﺯﻗَﻪُ ۚ ﺑَﻞ ﻟَﺠّﻮﺍ
ﻓﻰ ﻋُﺘُﻮٍّ ﻭَﻧُﻔﻮﺭٍ
[21] তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে
কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক
দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে
রয়েছে।
[21] Who is he that can provide for you
if He should withhold His provision?
Nay, but they continue to be in pride,
and (they) flee (from the truth).
[22] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﻳَﻤﺸﻰ ﻣُﻜِﺒًّﺎ ﻋَﻠﻰٰ
ﻭَﺟﻬِﻪِ ﺃَﻫﺪﻯٰ ﺃَﻣَّﻦ ﻳَﻤﺸﻰ
ﺳَﻮِﻳًّﺎ ﻋَﻠﻰٰ ﺻِﺮٰﻁٍ ﻣُﺴﺘَﻘﻴﻢٍ
[22] যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে
চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে
ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে?
[22] Is he who walks (without seeing) on
his face, more rightly guided, or he who
(sees and) walks upright on a Straight
Way (i.e. Islâmic Monotheism)?
[23] ﻗُﻞ ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﻧﺸَﺄَﻛُﻢ
ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻤﻊَ ﻭَﺍﻷَﺑﺼٰﺮَ
ﻭَﺍﻷَﻓـِٔﺪَﺓَ ۖ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣﺎ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[23] বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি
করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও
অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
[23] Say it is He Who has created you,
and endowed you with hearing (ears),
seeing (eyes), and hearts. Little thanks
you give.
[24] ﻗُﻞ ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺫَﺭَﺃَﻛُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﺇِﻟَﻴﻪِ ﺗُﺤﺸَﺮﻭﻥَ
[24] বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে
বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা
সমবেত হবে।
[24] Say: “It is He Who has created you
from the earth, and to Him shall you be
gathered (in the Hereafter).”
[25] ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻣَﺘﻰٰ ﻫٰﺬَﺍ
ﺍﻟﻮَﻋﺪُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[25] কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে
হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
[25] They say: “When will this promise
(i.e. the Day of Resurrection) come to
pass if you are telling the truth?”
[26] ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻌِﻠﻢُ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻧﺎ۠ ﻧَﺬﻳﺮٌ ﻣُﺒﻴﻦٌ
[26] বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই
আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য
সতর্ককারী।
[26] Say (O Muhammad SAW): “The
knowledge (of its exact time) is with
Allâh only, and I am only a plain
warner.”
[27] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺭَﺃَﻭﻩُ ﺯُﻟﻔَﺔً ﺳﻴـَٔﺖ
ﻭُﺟﻮﻩُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻭَﻗﻴﻞَ
ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟَّﺬﻯ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺑِﻪِ ﺗَﺪَّﻋﻮﻥَ
[27] যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন
দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন
হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা
চাইতে।
[27] But when they will see it (the
torment on the Day of Resurrection)
approaching, the faces of those who
disbelieve will change and trun black
with sadness and in grief and it will be
said (to them): “This is (the promise)
which you were calling for!”
[28] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ ﺃَﻫﻠَﻜَﻨِﻰَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﻣَﻦ ﻣَﻌِﻰَ ﺃَﻭ ﺭَﺣِﻤَﻨﺎ
ﻓَﻤَﻦ ﻳُﺠﻴﺮُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻋَﺬﺍﺏٍ ﺃَﻟﻴﻢٍ
[28] বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি
আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার
সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের
প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে
কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা
করবে?
[28] Say (O Muhammad SAW): “Tell me!
If Allâh destroys me, and those with me,
or He bestows His Mercy on us — who
can save the disbelievers from a painful
torment?”
[29] ﻗُﻞ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦُ ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﺑِﻪِ
ﻭَﻋَﻠَﻴﻪِ ﺗَﻮَﻛَّﻠﻨﺎ ۖ ﻓَﺴَﺘَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
ﻣَﻦ ﻫُﻮَ ﻓﻰ ﺿَﻠٰﻞٍ ﻣُﺒﻴﻦٍ
[29] বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে
বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই
তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-
ভ্রষ্টতায় আছে।
[29] Say: “He is the Most Gracious
(Allâh), in Him we believe, and in Him
we put our trust. So you will come to
know who is it that is in manifest error.”
[30] ﻗُﻞ ﺃَﺭَﺀَﻳﺘُﻢ ﺇِﻥ ﺃَﺻﺒَﺢَ
ﻣﺎﺅُﻛُﻢ ﻏَﻮﺭًﺍ ﻓَﻤَﻦ ﻳَﺄﺗﻴﻜُﻢ
ﺑِﻤﺎﺀٍ ﻣَﻌﻴﻦٍ
[30] বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি
তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে
যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ
করবে পানির স্রোতধারা?
[30] Say (O Muhammad SAW): “Tell me!
If (all) your water were to sink away,
who then can supply you with flowing
(spring) water?”
Surah Al Mulk Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। 2. যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়। 3. তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? 4. অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। 5. আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি। 6. যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান। 7. যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে। 8. ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি? 9. তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ। 10. তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না। 11. অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক। 12. নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। 13. তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত। 14. যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত। 15. তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে। 16. তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে। 17. না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী। 18. তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি। 19. তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন। 20. রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে। 21. তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে। 22. যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে? 23. বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। 24. বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে। 25. কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও? 26. বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী। 27. যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে। 28. বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে? 29. বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ- ভ্রষ্টতায় আছে। 30. বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা? *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s