68. সুরাহ আল কলাম(01-52)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻥ ۚ ﻭَﺍﻟﻘَﻠَﻢِ ﻭَﻣﺎ ﻳَﺴﻄُﺮﻭﻥَ
[1] নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা
তারা লিপিবদ্ধ করে,
[1] Nûn [These letters (Nûn, etc.) are one
of the miracles of the Qur’ân, and none
but Allâh (Alone) knows their meanings].
By the pen and by what the (the angels)
write (in the Records of men).
[2] ﻣﺎ ﺃَﻧﺖَ ﺑِﻨِﻌﻤَﺔِ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺑِﻤَﺠﻨﻮﻥٍ
[2] আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি
উম্মাদ নন।
[2] You (O Muhammad SAW) are not, by
the Grace of your Lord, a madman.
[3] ﻭَﺇِﻥَّ ﻟَﻚَ ﻟَﺄَﺟﺮًﺍ ﻏَﻴﺮَ
ﻣَﻤﻨﻮﻥٍ
[3] আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে
অশেষ পুরস্কার।
[3] And verily, for you (O Muhammad
SAW) will be an endless reward.
[4] ﻭَﺇِﻧَّﻚَ ﻟَﻌَﻠﻰٰ ﺧُﻠُﻖٍ ﻋَﻈﻴﻢٍ
[4] আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
[4] And verily, you (O Muhammad SAW)
are on an exalted (standard of)
character.
[5] ﻓَﺴَﺘُﺒﺼِﺮُ ﻭَﻳُﺒﺼِﺮﻭﻥَ
[5] সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও
দেখে নিবে।
[5] You will see, and they will see,
[6] ﺑِﺄَﻳﻴِﻜُﻢُ ﺍﻟﻤَﻔﺘﻮﻥُ
[6] কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
[6] Which of you is afflicted with
madness.
[7] ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻫُﻮَ ﺃَﻋﻠَﻢُ ﺑِﻤَﻦ
ﺿَﻞَّ ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻋﻠَﻢُ
ﺑِﺎﻟﻤُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[7] আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর
পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন
যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
[7] Verily, your Lord is Best Knower of
him who has gone astray from His Path,
and He is the Best Knower of those who
are guided.
[8] ﻓَﻼ ﺗُﻄِﻊِ ﺍﻟﻤُﻜَﺬِّﺑﻴﻦَ
[8] অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের
আনুগত্য করবেন না।
[8] So (O Muhammad SAW) obey you not
the deniers [(of Islâmic Monotheism
those who belie the Verses of Allâh), the
Oneness of Allâh, and the Messengership
of Muhammad SAW].
[9] ﻭَﺩّﻭﺍ ﻟَﻮ ﺗُﺪﻫِﻦُ ﻓَﻴُﺪﻫِﻨﻮﻥَ
[9] তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও
নমনীয় হবে।
[9] They wish that you should
compromise (in religion out of courtesy)
with them, so they (too) would
compromise with you.
[10] ﻭَﻻ ﺗُﻄِﻊ ﻛُﻞَّ ﺣَﻠّﺎﻑٍ ﻣَﻬﻴﻦٍ
[10] যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,
আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
[10] And (O Muhammad SAW) obey you
not everyone Hallaf Mahin (the one who
swears much, and is a liar or is
worthless). (Tafsir At-Tabari)
[11] ﻫَﻤّﺎﺯٍ ﻣَﺸّﺎﺀٍ ﺑِﻨَﻤﻴﻢٍ
[11] যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা
অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
[11] A slanderer, going about with
calumnies,
[12] ﻣَﻨّﺎﻉٍ ﻟِﻠﺨَﻴﺮِ ﻣُﻌﺘَﺪٍ ﺃَﺛﻴﻢٍ
[12] যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে
সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
[12] Hinderer of the good, transgressor,
sinful,
[13] ﻋُﺘُﻞٍّ ﺑَﻌﺪَ ﺫٰﻟِﻚَ ﺯَﻧﻴﻢٍ
[13] কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
[13] Cruel, and moreover baseborn (of
illegitimate birth).
[14] ﺃَﻥ ﻛﺎﻥَ ﺫﺍ ﻣﺎﻝٍ ﻭَﺑَﻨﻴﻦَ
[14] এ কারণে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান
সন্ততির অধিকারী।
[14] (He was so) because he had wealth
and children.
[15] ﺇِﺫﺍ ﺗُﺘﻠﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺀﺍﻳٰﺘُﻨﺎ
ﻗﺎﻝَ ﺃَﺳٰﻄﻴﺮُ ﺍﻷَﻭَّﻟﻴﻦَ
[15] তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে
সে বলে; সেকালের উপকথা।
[15] When Our Verses (of the Qur’ân) are
recited to him, he says: “Tales of the men
of old!”
[16] ﺳَﻨَﺴِﻤُﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺨُﺮﻃﻮﻡِ
[16] আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
[16] We shall brand him on the snout
(nose)!
[17] ﺇِﻧّﺎ ﺑَﻠَﻮﻧٰﻬُﻢ ﻛَﻤﺎ ﺑَﻠَﻮﻧﺎ
ﺃَﺻﺤٰﺐَ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﺇِﺫ ﺃَﻗﺴَﻤﻮﺍ
ﻟَﻴَﺼﺮِﻣُﻨَّﻬﺎ ﻣُﺼﺒِﺤﻴﻦَ
[17] আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি,
যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের,
যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে
বাগানের ফল আহরণ করবে,
[17] Verily, We have tried them as We
tried the people of the garden, when
they swore to pluck the fruits of the
(garden) in the morning.
[18] ﻭَﻻ ﻳَﺴﺘَﺜﻨﻮﻥَ
[18] ইনশাআল্লাহ না বলে।
[18] Without saying: Inshâ’ Allâh (If
Allâh wills).
[19] ﻓَﻄﺎﻑَ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻃﺎﺋِﻒٌ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻚَ ﻭَﻫُﻢ ﻧﺎﺋِﻤﻮﻥَ
[19] অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ
থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো।
যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
[19] Then there passed by on the
(garden) visitation (fire) from your Lord
at night and burnt it while they were
asleep.
[20] ﻓَﺄَﺻﺒَﺤَﺖ ﻛَﺎﻟﺼَّﺮﻳﻢِ
[20] ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল
ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
[20] So the (garden) became black by the
morning, like a pitch dark night (in
complete ruins).
[21] ﻓَﺘَﻨﺎﺩَﻭﺍ ﻣُﺼﺒِﺤﻴﻦَ
[21] সকালে তারা একে অপরকে ডেকে
বলল,
[21] Then they called out one to another
as soon as the morning broke,
[22] ﺃَﻥِ ﺍﻏﺪﻭﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺣَﺮﺛِﻜُﻢ
ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺻٰﺮِﻣﻴﻦَ
[22] তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও,
তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
[22] Saying: “Go to your tilth in the
morning, if you would pluck the fruits.”
[23] ﻓَﺎﻧﻄَﻠَﻘﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻳَﺘَﺨٰﻔَﺘﻮﻥَ
[23] অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা
বলতে বলতে,
[23] So they departed, conversing in
secret low tones (saying),
[24] ﺃَﻥ ﻻ ﻳَﺪﺧُﻠَﻨَّﻬَﺎ ﺍﻟﻴَﻮﻡَ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻣِﺴﻜﻴﻦٌ
[24] অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি
তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না
পারে।
[24] No Miskîn (poor man) shall enter
upon you into it today.
[25] ﻭَﻏَﺪَﻭﺍ ﻋَﻠﻰٰ ﺣَﺮﺩٍ ﻗٰﺪِﺭﻳﻦَ
[25] তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে
রওয়ানা হল।
[25] And they went in the morning with
strong intention, thinking that they have
power (to prevent the poor taking
anything of the fruits therefrom).
[26] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺭَﺃَﻭﻫﺎ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ
ﻟَﻀﺎﻟّﻮﻥَ
[26] অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ
আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
[26] But when they saw the (garden),
they said: “Verily, we have gone astray,”
[27] ﺑَﻞ ﻧَﺤﻦُ ﻣَﺤﺮﻭﻣﻮﻥَ
[27] বরং আমরা তো কপালপোড়া,
[27] (Then they said): “Nay! Indeed we
are deprived of (the fruits)!”
[28] ﻗﺎﻝَ ﺃَﻭﺳَﻄُﻬُﻢ ﺃَﻟَﻢ ﺃَﻗُﻞ
ﻟَﻜُﻢ ﻟَﻮﻻ ﺗُﺴَﺒِّﺤﻮﻥَ
[28] তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি
তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ
তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
[28] The best among them said: “Did I
not tell you: why say you not: Inshâ’
Allâh (If Allâh wills).”
[29] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺳُﺒﺤٰﻦَ ﺭَﺑِّﻨﺎ ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ
ﻇٰﻠِﻤﻴﻦَ
[29] তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার
পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা
সীমালংঘনকারী ছিলাম।
[29] They said: “Glory to Our Lord!
Verily, we have been Zâlimûn (wrong-
doers).”
[30] ﻓَﺄَﻗﺒَﻞَ ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﻋَﻠﻰٰ
ﺑَﻌﺾٍ ﻳَﺘَﻠٰﻮَﻣﻮﻥَ
[30] অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা
করতে লাগল।
[30] Then they turned, one against
another, blaming.
[31] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻳٰﻮَﻳﻠَﻨﺎ ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ
ﻃٰﻐﻴﻦَ
[31] তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা
ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
[31] They said: “Woe to us! Verily, we
were Tâghûn (transgressors and
disobedient).
[32] ﻋَﺴﻰٰ ﺭَﺑُّﻨﺎ ﺃَﻥ ﻳُﺒﺪِﻟَﻨﺎ
ﺧَﻴﺮًﺍ ﻣِﻨﻬﺎ ﺇِﻧّﺎ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻨﺎ
ﺭٰﻏِﺒﻮﻥَ
[32] সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে
এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে
দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে
আশাবাদী।
[32] We hope that our Lord will give us
in exchange a better (garden) than this.
Truly, we turn to our Lord (wishing for
good that He may forgive our sins, and
reward us in the Hereafter).”
[33] ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏُ ۖ ﻭَﻟَﻌَﺬﺍﺏُ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺃَﻛﺒَﺮُ ۚ ﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[33] শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের
শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
[33] Such is the punishment (in this life),
but truly, the punishment of the
Hereafter is greater, if they but knew.
[34] ﺇِﻥَّ ﻟِﻠﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ ﻋِﻨﺪَ ﺭَﺑِّﻬِﻢ
ﺟَﻨّٰﺖِ ﺍﻟﻨَّﻌﻴﻢِ
[34] মোত্তাকীদের জন্যে তাদের
পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের
জান্নাত।
[34] Verily, for the Muttaqûn (pious and
righteous persons – see V.2:2) are
Gardens of delight (Paradise) with their
Lord.
[35] ﺃَﻓَﻨَﺠﻌَﻞُ ﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤﻴﻦَ
ﻛَﺎﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[35] আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে
অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
[35] Shall We then treat the Muslims
(believers of Islamic Monotheism, doers
of righteous deeds) like the Mujrimûn
(criminals, polytheists and disbelievers)?
[36] ﻣﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻛَﻴﻒَ ﺗَﺤﻜُﻤﻮﻥَ
[36] তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন
সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
[36] What is the matter with you? How
judge you?
[37] ﺃَﻡ ﻟَﻜُﻢ ﻛِﺘٰﺐٌ ﻓﻴﻪِ
ﺗَﺪﺭُﺳﻮﻥَ
[37] তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা
তোমরা পাঠ কর।
[37] Or have you a Book where in you
learn,
[38] ﺇِﻥَّ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻪِ ﻟَﻤﺎ ﺗَﺨَﻴَّﺮﻭﻥَ
[38] তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
[38] That you shall therein have all that
you choose?
[39] ﺃَﻡ ﻟَﻜُﻢ ﺃَﻳﻤٰﻦٌ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ ﺑٰﻠِﻐَﺔٌ
ﺇِﻟﻰٰ ﻳَﻮﻡِ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۙ ﺇِﻥَّ ﻟَﻜُﻢ ﻟَﻤﺎ
ﺗَﺤﻜُﻤﻮﻥَ
[39] না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত
পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে,
তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
[39] Or have you oaths from Us, reaching
to the Day of Resurrection that yours will
be what you judge?
[40] ﺳَﻠﻬُﻢ ﺃَﻳُّﻬُﻢ ﺑِﺬٰﻟِﻚَ ﺯَﻋﻴﻢٌ
[40] আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের
কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
[40] Ask them, which of them will stand
surety for that!
[41] ﺃَﻡ ﻟَﻬُﻢ ﺷُﺮَﻛﺎﺀُ ﻓَﻠﻴَﺄﺗﻮﺍ
ﺑِﺸُﺮَﻛﺎﺋِﻬِﻢ ﺇِﻥ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺻٰﺪِﻗﻴﻦَ
[41] না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে?
থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে
উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
[41] Or have they “partners”? Then let
them bring their “partners” if they are
truthful!
[42] ﻳَﻮﻡَ ﻳُﻜﺸَﻒُ ﻋَﻦ ﺳﺎﻕٍ
ﻭَﻳُﺪﻋَﻮﻥَ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺴُّﺠﻮﺩِ ﻓَﻼ
ﻳَﺴﺘَﻄﻴﻌﻮﻥَ
[42] গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা
স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা
করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা
সক্ষম হবে না।
[42] (Remember) the Day when the Shin
shall be laid bare (i.e. the Day of
Resurrection) and they shall be called to
prostrate themselves (to Allâh), but they
(hypocrites) shall not be able to do so.
[43] ﺧٰﺸِﻌَﺔً ﺃَﺑﺼٰﺮُﻫُﻢ ﺗَﺮﻫَﻘُﻬُﻢ
ﺫِﻟَّﺔٌ ۖ ﻭَﻗَﺪ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳُﺪﻋَﻮﻥَ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟﺴُّﺠﻮﺩِ ﻭَﻫُﻢ ﺳٰﻠِﻤﻮﻥَ
[43] তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা
লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও
স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে
সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
[43] Their eyes will be cast down and
ignominy will cover them; they used to
be called to prostrate themselves (offer
prayers), while they were healthy and
good (in the life of the world, but they
did not).
[44] ﻓَﺬَﺭﻧﻰ ﻭَﻣَﻦ ﻳُﻜَﺬِّﺏُ ﺑِﻬٰﺬَﺍ
ﺍﻟﺤَﺪﻳﺚِ ۖ ﺳَﻨَﺴﺘَﺪﺭِﺟُﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺣَﻴﺚُ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[44] অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে,
তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি
এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে
জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে
পারবে না।
[44] Then leave Me Alone with such as
belie this Qur’ân. We shall punish them
gradually from directions they perceive
not.
[45] ﻭَﺃُﻣﻠﻰ ﻟَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﻛَﻴﺪﻯ
ﻣَﺘﻴﻦٌ
[45] আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার
কৌশল মজবুত।
[45] And I will grant them a respite.
Verily, My Plan is strong.
[46] ﺃَﻡ ﺗَﺴـَٔﻠُﻬُﻢ ﺃَﺟﺮًﺍ ﻓَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﻣَﻐﺮَﻡٍ ﻣُﺜﻘَﻠﻮﻥَ
[46] আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান?
ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
[46] Or is it that you (O Muhammad
SAW) ask them a wage, so that they are
heavily burdened with debt?
[47] ﺃَﻡ ﻋِﻨﺪَﻫُﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐُ ﻓَﻬُﻢ
ﻳَﻜﺘُﺒﻮﻥَ
[47] না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে?
অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
[47] Or that the Ghaib (unseen — here in
this Verse it means Al-Lauh Al-Mahfûz)
is in their hands, so that they can write
it down?
[48] ﻓَﺎﺻﺒِﺮ ﻟِﺤُﻜﻢِ ﺭَﺑِّﻚَ ﻭَﻻ
ﺗَﻜُﻦ ﻛَﺼﺎﺣِﺐِ ﺍﻟﺤﻮﺕِ ﺇِﺫ
ﻧﺎﺩﻯٰ ﻭَﻫُﻮَ ﻣَﻜﻈﻮﻡٌ
[48] আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের
অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের
মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা
করেছিল।
[48] So wait with patience for the
Decision of your Lord, and be not like
the Companion of the Fish — when he
cried out (to Us) while he was in deep
sorrow. (See the Qur’ân, Verse 21:87).
[49] ﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﺗَﺪٰﺭَﻛَﻪُ ﻧِﻌﻤَﺔٌ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻪِ ﻟَﻨُﺒِﺬَ ﺑِﺎﻟﻌَﺮﺍﺀِ ﻭَﻫُﻮَ
ﻣَﺬﻣﻮﻡٌ
[49] যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল
না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য
প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
[49] Had not a Grace from his Lord
reached him, he would indeed have been
(left in the stomach of the fish, but We
forgave him), so he was cast off on the
naked shore, while he was to be blamed.
[50] ﻓَﺎﺟﺘَﺒٰﻪُ ﺭَﺑُّﻪُ ﻓَﺠَﻌَﻠَﻪُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ
[50] অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত
করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের
অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
[50] Then his Lord chose him and made
him of the righteous.
[51] ﻭَﺇِﻥ ﻳَﻜﺎﺩُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻟَﻴُﺰﻟِﻘﻮﻧَﻚَ ﺑِﺄَﺑﺼٰﺮِﻫِﻢ ﻟَﻤّﺎ
ﺳَﻤِﻌُﻮﺍ ﺍﻟﺬِّﻛﺮَ ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻟَﻤَﺠﻨﻮﻥٌ
[51] কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন
তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড়
দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো
একজন পাগল।
[51] And verily, those who disbelieve
would almost make you slip with their
eyes (through hatred) when they hear the
Reminder (the Qur’ân), and they say:
“Verily, he (Muhammad SAW) is a
madman!”
[52] ﻭَﻣﺎ ﻫُﻮَ ﺇِﻟّﺎ ﺫِﻛﺮٌ ﻟِﻠﻌٰﻠَﻤﻴﻦَ
[52] অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের
জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
[52] But it is nothing else than a
Reminder to all the ‘Alamîn (mankind,
jinn and all that exists).
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel

Surah Al Qalm Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে, 2. আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন। 3. আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার। 4. আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী। 5. সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে। 6. কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত। 7. আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত। 8. অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না। 9. তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে। 10. যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। 11. যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে। 12. যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ, 13. কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত; 14. এ কারণে যে, সে ধন- সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী। 15. তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা। 16. আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব। 17. আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে, 18. ইনশাআল্লাহ না বলে। 19. অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল। 20. ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম। 21. সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল, 22. তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল। 23. অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে, 24. অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে। 25. তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল। 26. অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি। 27. বরং আমরা তো কপালপোড়া, 28. তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন? 29. তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম। 30. অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল। 31. তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী। 32. সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী। 33. শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত! 34. মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত। 35. আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব? 36. তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ? 37. তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর। 38. তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও? 39. না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে? 40. আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল? 41. না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়। 42. গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না। 43. তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত। 44. অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না। 45. আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত। 46. আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে? 47. না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে। 48. আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল। 49. যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত। 50. অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন। 51. কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল। 52. অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়। *********

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s