7.সুরা আল – আরাফ(01-206)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﺍﻟﻤﺺ
[1] আলিফ, লাম, মীম, ছোয়াদ।
[1] Alif-Lâm-Mîm-Sâd. [These letters are
one of the miracles of the Qur’ân and
none but Allâh (Alone) knows their
meanings].
[2] ﻛِﺘٰﺐٌ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺇِﻟَﻴﻚَ ﻓَﻼ ﻳَﻜُﻦ
ﻓﻰ ﺻَﺪﺭِﻙَ ﺣَﺮَﺝٌ ﻣِﻨﻪُ ﻟِﺘُﻨﺬِﺭَ
ﺑِﻪِ ﻭَﺫِﻛﺮﻯٰ ﻟِﻠﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[2] এটি একটি গ্রন্থ, যা আপনার প্রতি
অবতীর্ণ হয়েছে, যাতে করে আপনি এর
মাধ্যমে ভীতি-প্রদর্শন করেন। অতএব,
এটি পৌছে দিতে আপনার মনে
কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়।
আর এটিই বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ।
[2] (This is the) Book (the Qur’ân) sent
down unto you (O Muhammad SAW), so
let not your breast be narrow therefrom,
that you warn thereby, and a reminder
unto the believers.
[3] ﺍﺗَّﺒِﻌﻮﺍ ﻣﺎ ﺃُﻧﺰِﻝَ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﻣِﻦ
ﺭَﺑِّﻜُﻢ ﻭَﻻ ﺗَﺘَّﺒِﻌﻮﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ۗ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣﺎ ﺗَﺬَﻛَّﺮﻭﻥَ
[3] তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের
প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ
হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য
সাথীদের অনুসরণ করো না।
[3] [Say (O Muhammad SAW) to these
idolaters (pagan Arabs) of your folk:]
Follow what has been sent down unto
you from your Lord (the Qur’ân and
Prophet Muhammad’s Sunnah), and
follow not any Auliyâ’ (protectors and
helpers who order you to associate
partners in worship with Allâh), besides
Him (Allâh). Little do you remember!
[4] ﻭَﻛَﻢ ﻣِﻦ ﻗَﺮﻳَﺔٍ ﺃَﻫﻠَﻜﻨٰﻬﺎ
ﻓَﺠﺎﺀَﻫﺎ ﺑَﺄﺳُﻨﺎ ﺑَﻴٰﺘًﺎ ﺃَﻭ ﻫُﻢ
ﻗﺎﺋِﻠﻮﻥَ
[4] আর তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর।
অনেক জনপদকে আমি ধ্বংস করে
দিয়েছি। তাদের কাছে আমার আযাব
রাত্রি বেলায় পৌছেছে অথবা
দ্বিপ্রহরে বিশ্রামরত অবস্থায়।
[4] And a great number of towns (their
population) We destroyed (for their
crimes). Our torment came upon them
(suddenly) by night or while they were
taking their midday nap.
[5] ﻓَﻤﺎ ﻛﺎﻥَ ﺩَﻋﻮﻯٰﻬُﻢ ﺇِﺫ
ﺟﺎﺀَﻫُﻢ ﺑَﺄﺳُﻨﺎ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺇِﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻇٰﻠِﻤﻴﻦَ
[5] অনন্তর যখন তাদের কাছে আমার
আযাব উপস্থিত হয়, তখন তাদের কথা এই
ছিল যে, তারা বললঃ নিশ্চয় আমরা
অত্যাচারী ছিলাম।
[5] No cry did they utter when Our
Torment came upon them but this:
“Verily, we were Zâlimûn (polytheists
and wrong-doers)”.
[6] ﻓَﻠَﻨَﺴـَٔﻠَﻦَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃُﺭﺳِﻞَ
ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻭَﻟَﻨَﺴـَٔﻠَﻦَّ ﺍﻟﻤُﺮﺳَﻠﻴﻦَ
[6] অতএব, আমি অবশ্যই তাদেরকে
জিজ্ঞেস করব যাদের কাছে রসূল
প্রেরিত হয়েছিল এবং আমি অবশ্যই
তাদেরকে জিজ্ঞেস করব রসূলগণকে।
[6] Then surely, We shall question those
(people) to whom it (the Book) was sent
and verily, We shall question the
Messengers.
[7] ﻓَﻠَﻨَﻘُﺼَّﻦَّ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺑِﻌِﻠﻢٍ ۖ ﻭَﻣﺎ
ﻛُﻨّﺎ ﻏﺎﺋِﺒﻴﻦَ
[7] অতঃপর আমি স্বজ্ঞানে তাদের
কাছে অবস্থা বর্ণনা করব। বস্তুতঃ
আমি অনুপস্থিত তো ছিলাম না।
[7] Then surely, We shall narrate unto
them (their whole story) with knowledge,
and indeed We were not been absent.
[8] ﻭَﺍﻟﻮَﺯﻥُ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﺍﻟﺤَﻖُّ ۚ
ﻓَﻤَﻦ ﺛَﻘُﻠَﺖ ﻣَﻮٰﺯﻳﻨُﻪُ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﻫُﻢُ ﺍﻟﻤُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[8] আর সেদিন যথার্থই ওজন হবে।
অতঃপর যাদের পাল্লা ভারী হবে,
তারাই সফলকাম হবে।
[8] And the weighing on that day (Day of
Resurrection) will be the true (weighing).
So as for those whose scale (of good
deeds) will be heavy, they will be the
successful (by entering Paradise).
[9] ﻭَﻣَﻦ ﺧَﻔَّﺖ ﻣَﻮٰﺯﻳﻨُﻪُ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺧَﺴِﺮﻭﺍ
ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻳَﻈﻠِﻤﻮﻥَ
[9] এবং যাদের পাল্লা হাল্কা হবে,
তারাই এমন হবে, যারা নিজেদের
ক্ষতি করেছে। কেননা, তারা আমার
আয়াত সমূহ অস্বীকার করতো।
[9] And as for those whose scale will be
light, they are those who will lose their
ownselves (by entering Hell) because
they denied and rejected Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.).
[10] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻣَﻜَّﻨّٰﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﻭَﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﻣَﻌٰﻴِﺶَ ۗ
ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻣﺎ ﺗَﺸﻜُﺮﻭﻥَ
[10] আমি তোমাদেরকে পৃথিবীতে
ঠাই দিয়েছি এবং তোমাদের
জীবিকা নির্দিষ্ট করে দিয়েছি।
তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।
[10] And surely, We gave you authority
on the earth and appointed for you
therein provisions (for your life). Little
thanks do you give.
[11] ﻭَﻟَﻘَﺪ ﺧَﻠَﻘﻨٰﻜُﻢ ﺛُﻢَّ
ﺻَﻮَّﺭﻧٰﻜُﻢ ﺛُﻢَّ ﻗُﻠﻨﺎ ﻟِﻠﻤَﻠٰﺌِﻜَﺔِ
ﺍﺳﺠُﺪﻭﺍ ﻝِﺀﺍﺩَﻡَ ﻓَﺴَﺠَﺪﻭﺍ
ﺇِﻟّﺎ ﺇِﺑﻠﻴﺲَ ﻟَﻢ ﻳَﻜُﻦ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺴّٰﺠِﺪﻳﻦَ
[11] আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি
করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরী
করেছি। অতঃপর আমি
ফেরেশতাদেরকে বলছি-আদমকে
সেজদা কর তখন সবাই সেজদা করেছে,
কিন্তু ইবলীস সে সেজদাকারীদের
অন্তর্ভূক্ত ছিল না।
[11] And surely, We created you (your
father Adam) and then gave you shape
(the noble shape of a human being);
then We told the angels, “Prostrate
yourselves to Adam”, and they prostrated
themselves, except Iblîs (Satan), he
refused to be of those who prostrated
themselves.
[12] ﻗﺎﻝَ ﻣﺎ ﻣَﻨَﻌَﻚَ ﺃَﻟّﺎ ﺗَﺴﺠُﺪَ
ﺇِﺫ ﺃَﻣَﺮﺗُﻚَ ۖ ﻗﺎﻝَ ﺃَﻧﺎ۠ ﺧَﻴﺮٌ ﻣِﻨﻪُ
ﺧَﻠَﻘﺘَﻨﻰ ﻣِﻦ ﻧﺎﺭٍ ﻭَﺧَﻠَﻘﺘَﻪُ ﻣِﻦ
ﻃﻴﻦٍ
[12] আল্লাহ বললেনঃ আমি যখন
নির্দেশ দিয়েছি, তখন তোকে কিসে
সেজদা করতে বারণ করল? সে বললঃ
আমি তার চাইতে শ্রেষ্ট। আপনি
আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন
এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটির
দ্বারা।
[12] (Allâh) said: “What prevented you (O
Iblîs) that you did not prostrate yourself,
when I commanded you?” Iblîs said: “I
am better than him (Adam), You created
me from fire, and him You created from
clay.”
[13] ﻗﺎﻝَ ﻓَﺎﻫﺒِﻂ ﻣِﻨﻬﺎ ﻓَﻤﺎ
ﻳَﻜﻮﻥُ ﻟَﻚَ ﺃَﻥ ﺗَﺘَﻜَﺒَّﺮَ ﻓﻴﻬﺎ
ﻓَﺎﺧﺮُﺝ ﺇِﻧَّﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺼّٰﻐِﺮﻳﻦَ
[13] বললেন তুই এখান থেকে যা। এখানে
অহংকার করার কোন অধিকার তোর
নাই। অতএব তুই বের হয়ে যা। তুই
হীনতমদের অন্তর্ভুক্ত।
[13] (Allâh) said: “(O Iblîs) get down from
this (Paradise), it is not for you to be
arrogant here. Get out, for you are of
those humiliated and disgraced.”
[14] ﻗﺎﻝَ ﺃَﻧﻈِﺮﻧﻰ ﺇِﻟﻰٰ ﻳَﻮﻡِ
ﻳُﺒﻌَﺜﻮﻥَ
[14] সে বললঃ আমাকে কেয়ামত দিবস
পর্যন্ত অবকাশ দিন।
[14] (Iblîs) said: “Allow me respite till the
Day they are raised up (i.e. the Day of
Resurrection).”
[15] ﻗﺎﻝَ ﺇِﻧَّﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﻨﻈَﺮﻳﻦَ
[15] আল্লাহ বললেনঃ তোকে সময়
দেয়া হল।
[15] (Allâh) said: “You are of those
respited.”
[16] ﻗﺎﻝَ ﻓَﺒِﻤﺎ ﺃَﻏﻮَﻳﺘَﻨﻰ
ﻟَﺄَﻗﻌُﺪَﻥَّ ﻟَﻬُﻢ ﺻِﺮٰﻃَﻚَ
ﺍﻟﻤُﺴﺘَﻘﻴﻢَ
[16] সে বললঃ আপনি আমাকে যেমন
উদভ্রান্ত করেছেন, আমিও অবশ্য
তাদের জন্যে আপনার সরল পথে বসে
থাকবো।
[16] (Iblîs) said: “Because You have sent
me astray, surely I will sit in wait
against them (human beings) on Your
Straight Path
[17] ﺛُﻢَّ ﻝَﺀﺍﺗِﻴَﻨَّﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻴﻦِ
ﺃَﻳﺪﻳﻬِﻢ ﻭَﻣِﻦ ﺧَﻠﻔِﻬِﻢ ﻭَﻋَﻦ
ﺃَﻳﻤٰﻨِﻬِﻢ ﻭَﻋَﻦ ﺷَﻤﺎﺋِﻠِﻬِﻢ ۖ ﻭَﻻ
ﺗَﺠِﺪُ ﺃَﻛﺜَﺮَﻫُﻢ ﺷٰﻜِﺮﻳﻦَ
[17] এরপর তাদের কাছে আসব তাদের
সামনের দিক থেকে, পেছন দিক থেকে,
ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে।
আপনি তাদের অধিকাংশকে কৃতজ্ঞ
পাবেন না।
[17] Then I will come to them from
before them and behind them, from
their right and from their left, and You
will not find most of them as thankful
ones (i.e. they will not be dutiful to
You).”
[18] ﻗﺎﻝَ ﺍﺧﺮُﺝ ﻣِﻨﻬﺎ ﻣَﺬﺀﻭﻣًﺎ
ﻣَﺪﺣﻮﺭًﺍ ۖ ﻟَﻤَﻦ ﺗَﺒِﻌَﻚَ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻟَﺄَﻣﻠَﺄَﻥَّ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﺃَﺟﻤَﻌﻴﻦَ
[18] আল্লাহ বললেনঃ বের হয়ে যা
এখান থেকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত
হয়ে। তাদের যে কেউ তোর পথেচলবে,
নিশ্চয় আমি তোদের সবার দ্বারা
জাহান্নাম পূর্ণ করে দিব।
[18] (Allâh) said (to Iblîs) “Get out from
this (Paradise) disgraced and expelled.
Whoever of them (mankind) will follow
you, then surely I will fill Hell with you
all.”
[19] ﻭَﻳٰـٔﺎﺩَﻡُ ﺍﺳﻜُﻦ ﺃَﻧﺖَ
ﻭَﺯَﻭﺟُﻚَ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﻓَﻜُﻼ ﻣِﻦ
ﺣَﻴﺚُ ﺷِﺌﺘُﻤﺎ ﻭَﻻ ﺗَﻘﺮَﺑﺎ ﻫٰﺬِﻩِ
ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓَ ﻓَﺘَﻜﻮﻧﺎ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[19] হে আদম তুমি এবং তোমার স্ত্রী
জান্নাতে বসবাস কর। অতঃপর সেখান
থেকে যা ইচ্ছা খাও তবে এ বৃক্ষের
কাছে যেয়োনা তাহলে তোমরা
গোনাহগার হয়ে যাবে।
[19] “And O Adam! Dwell you and your
wife in Paradise, and eat thereof as you
both wish, but approach not this tree
otherwise you both will be of the
Zâlimûn (unjust and wrong-doers).”
[20] ﻓَﻮَﺳﻮَﺱَ ﻟَﻬُﻤَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ
ﻟِﻴُﺒﺪِﻯَ ﻟَﻬُﻤﺎ ﻣﺎ ﻭۥﺭِﻯَ ﻋَﻨﻬُﻤﺎ
ﻣِﻦ ﺳَﻮﺀٰﺗِﻬِﻤﺎ ﻭَﻗﺎﻝَ ﻣﺎ
ﻧَﻬﻯٰﻜُﻤﺎ ﺭَﺑُّﻜُﻤﺎ ﻋَﻦ ﻫٰﺬِﻩِ
ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓِ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﺗَﻜﻮﻧﺎ ﻣَﻠَﻜَﻴﻦِ
ﺃَﻭ ﺗَﻜﻮﻧﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺨٰﻠِﺪﻳﻦَ
[20] অতঃপর শয়তান উভয়কে প্ররোচিত
করল, যাতে তাদের অঙ্গ, যা তাদের
কাছে গোপন ছিল, তাদের সামনে
প্রকাশ করে দেয়। সে বললঃ
তোমাদের পালনকর্তা তোমাদেরকে
এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করেননি; তবে তা
এ কারণে যে, তোমরা না আবার
ফেরেশতা হয়ে যাও-কিংবা হয়ে যাও
চিরকাল বসবাসকারী।
[20] Then Shaitân (Satan) whispered
suggestions to them both in order to
uncover that which was hidden from
them of their private parts (before); he
said: “Your Lord did not forbid you this
tree save that you should become angels
or become of the immortals.”
[21] ﻭَﻗﺎﺳَﻤَﻬُﻤﺎ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻜُﻤﺎ ﻟَﻤِﻦَ
ﺍﻟﻨّٰﺼِﺤﻴﻦَ
[21] সে তাদের কাছে কসম খেয়ে
বললঃ আমি অবশ্যই তোমাদের
হিতাকাঙ্খী।
[21] And he [Shaitân (Satan)] swore by
Allâh to them both (saying): “Verily, I am
one of the sincere well-wishers for you
both.”
[22] ﻓَﺪَﻟّﻯٰﻬُﻤﺎ ﺑِﻐُﺮﻭﺭٍ ۚ ﻓَﻠَﻤّﺎ
ﺫﺍﻗَﺎ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓَ ﺑَﺪَﺕ ﻟَﻬُﻤﺎ
ﺳَﻮﺀٰﺗُﻬُﻤﺎ ﻭَﻃَﻔِﻘﺎ ﻳَﺨﺼِﻔﺎﻥِ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻤﺎ ﻣِﻦ ﻭَﺭَﻕِ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ۖ
ﻭَﻧﺎﺩﻯٰﻬُﻤﺎ ﺭَﺑُّﻬُﻤﺎ ﺃَﻟَﻢ ﺃَﻧﻬَﻜُﻤﺎ
ﻋَﻦ ﺗِﻠﻜُﻤَﺎ ﺍﻟﺸَّﺠَﺮَﺓِ ﻭَﺃَﻗُﻞ
ﻟَﻜُﻤﺎ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦَ ﻟَﻜُﻤﺎ ﻋَﺪُﻭٌّ
ﻣُﺒﻴﻦٌ
[22] অতঃপর প্রতারণাপূর্বক তাদেরকে
সম্মত করে ফেলল। অনন্তর যখন তারা
বৃক্ষ আস্বাদন করল, তখন তাদের
লজ্জাস্থান তাদের সামনে খুলে গেল
এবং তারা নিজের উপর বেহেশতের
পাতা জড়াতে লাগল। তাদের
প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেনঃ
আমি কি তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে
নিষেধ করিনি এবং বলিনি যে, শয়তান
তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
[22] So he misled them with deception.
Then when they tasted of the tree, that
which was hidden from them of their
shame (private parts) became manifest to
them and they began to cover themselves
with the leaves of Paradise (in order to
cover their shame). And their Lord called
out to them (saying): “Did I not forbid
you that tree and tell you: Verily, Shaitân
(Satan) is an open enemy unto you?”
[23] ﻗﺎﻻ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻇَﻠَﻤﻨﺎ ﺃَﻧﻔُﺴَﻨﺎ
ﻭَﺇِﻥ ﻟَﻢ ﺗَﻐﻔِﺮ ﻟَﻨﺎ ﻭَﺗَﺮﺣَﻤﻨﺎ
ﻟَﻨَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻳﻦَ
[23] তারা উভয়ে বললঃ হে আমাদের
পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি
জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে
ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি
অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই
অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
[23] They said: “Our Lord! We have
wronged ourselves. If You forgive us not,
and bestow not upon us Your Mercy, we
shall certainly be of the losers.”
[24] ﻗﺎﻝَ ﺍﻫﺒِﻄﻮﺍ ﺑَﻌﻀُﻜُﻢ
ﻟِﺒَﻌﺾٍ ﻋَﺪُﻭٌّ ۖ ﻭَﻟَﻜُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣُﺴﺘَﻘَﺮٌّ ﻭَﻣَﺘٰﻊٌ ﺇِﻟﻰٰ
ﺣﻴﻦٍ
[24] আল্লাহ বললেনঃ তোমরা নেমে
যাও। তোমরা এক অপরের শত্রু।
তোমাদের জন্যে পৃথিবীতে বাসস্থান
আছে এবং একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ
পর্যন্ত ফল ভোগ আছে।
[24] (Allâh) said: “Get down, one of you
is an enemy to the other [i.e. Adam,
Hawwa (Eve), and Shaitân (Satan),]. On
earth will be a dwelling-place for you
and an enjoyment, – for a time.”
[25] ﻗﺎﻝَ ﻓﻴﻬﺎ ﺗَﺤﻴَﻮﻥَ ﻭَﻓﻴﻬﺎ
ﺗَﻤﻮﺗﻮﻥَ ﻭَﻣِﻨﻬﺎ ﺗُﺨﺮَﺟﻮﻥَ
[25] বললেনঃ তোমরা সেখানেই
জীবিত থাকবে, সেখানেই মৃত্যুবরন
করবে এবং সেখান থেকেই পুনরুঙ্খিত
হবে।
[25] He said: “Therein you shall live, and
therein you shall die, and from it you
shall be brought out (i.e.resurrected).”
[26] ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺀﺍﺩَﻡَ ﻗَﺪ ﺃَﻧﺰَﻟﻨﺎ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻟِﺒﺎﺳًﺎ ﻳُﻮٰﺭﻯ ﺳَﻮﺀٰﺗِﻜُﻢ
ﻭَﺭﻳﺸًﺎ ۖ ﻭَﻟِﺒﺎﺱُ ﺍﻟﺘَّﻘﻮﻯٰ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺧَﻴﺮٌ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﻣِﻦ ﺀﺍﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺬَّﻛَّﺮﻭﻥَ
[26] হে বনী-আদম আমি তোমাদের
জন্যে পোশাক অবর্তীণ করেছি, যা
তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে
এবং অবর্তীণ করেছি সাজ সজ্জার
বস্ত্র এবং পরহেযগারীর পোশাক, এটি
সর্বোত্তম। এটি আল্লাহর
কুদরতেরঅন্যতম নিদর্শন, যাতে তারা
চিন্তা-ভাবনা করে।
[26] O Children of Adam! We have
bestowed raiment upon you to cover
yourselves (screen your private parts)
and as an adornment, and the raiment
of righteousness, that is better. Such are
among the Ayât (proofs, evidences,
verses, lessons, signs, revelations, etc.) of
Allâh, that they may remember (i.e. leave
falsehood and follow truth).
[27] ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺀﺍﺩَﻡَ ﻻ ﻳَﻔﺘِﻨَﻨَّﻜُﻢُ
ﺍﻟﺸَّﻴﻄٰﻦُ ﻛَﻤﺎ ﺃَﺧﺮَﺝَ ﺃَﺑَﻮَﻳﻜُﻢ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﻳَﻨﺰِﻉُ ﻋَﻨﻬُﻤﺎ
ﻟِﺒﺎﺳَﻬُﻤﺎ ﻟِﻴُﺮِﻳَﻬُﻤﺎ ﺳَﻮﺀٰﺗِﻬِﻤﺎ ۗ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻳَﺮﻯٰﻜُﻢ ﻫُﻮَ ﻭَﻗَﺒﻴﻠُﻪُ ﻣِﻦ
ﺣَﻴﺚُ ﻻ ﺗَﺮَﻭﻧَﻬُﻢ ۗ ﺇِﻧّﺎ ﺟَﻌَﻠﻨَﺎ
ﺍﻟﺸَّﻴٰﻄﻴﻦَ ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[27] হে বনী-আদম শয়তান যেন
তোমাদেরকে বিভ্রান্ত না করে;
যেমন সে তোমাদের পিতামাতাকে
জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে
এমতাবস্থায় যে, তাদের পোশাক
তাদের থেকে খুলিয়ে দিয়েছি-যাতে
তাদেরকে লজ্জাস্থান দেখিয়ে দেয়।
সে এবং তার দলবল তোমাদেরকে
দেখে, যেখান থেকে তোমরা
তাদেরকে দেখ না। আমি শয়তানদেরকে
তাদের বন্ধু করে দিয়েছি, , যারা
বিশ্বাস স্থাপন করে না।
[27] O Children of Adam! Let not Shaitân
(Satan) deceive you, as he got your
parents [Adam and Hawwa (Eve)] out of
Paradise, stripping them of their
raiments, to show them their private
parts. Verily, he and Qabîluhu (his
soldiers from the jinn or his tribe) see
you from where you cannot see them.
Verily, We made the Shayâtin (devils)
Auliyâ’ (protectors and helpers) for those
who believe not.
[28] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻓَﻌَﻠﻮﺍ ﻓٰﺤِﺸَﺔً ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﻭَﺟَﺪﻧﺎ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﺀﺍﺑﺎﺀَﻧﺎ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺃَﻣَﺮَﻧﺎ ﺑِﻬﺎ ۗ ﻗُﻞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﺄﻣُﺮُ
ﺑِﺎﻟﻔَﺤﺸﺎﺀِ ۖ ﺃَﺗَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[28] তারা যখন কোন মন্দ কাজ করে,
তখন বলে আমরা বাপ-দাদাকে এমনি
করতে দেখেছি এবং আল্লাহও
আমাদেরকে এ নির্দেশই দিয়েছেন।
আল্লাহ মন্দকাজের আদেশ দেন না।
এমন কথা আল্লাহর প্রতি কেন আরোপ
কর, যা তোমরা জান না।
[28] And when they commit a Fâhishah
(evil deed, going round the Ka’bah in
naked state, and every kind of unlawful
sexual intercourse), they say: “We found
our fathers doing it, and Allâh has
commanded it on us.” Say: “Nay, Allâh
never commands of Fâhishah. Do you say
of Allâh what you know not?
[29] ﻗُﻞ ﺃَﻣَﺮَ ﺭَﺑّﻰ ﺑِﺎﻟﻘِﺴﻂِ ۖ
ﻭَﺃَﻗﻴﻤﻮﺍ ﻭُﺟﻮﻫَﻜُﻢ ﻋِﻨﺪَ ﻛُﻞِّ
ﻣَﺴﺠِﺪٍ ﻭَﺍﺩﻋﻮﻩُ ﻣُﺨﻠِﺼﻴﻦَ ﻟَﻪُ
ﺍﻟﺪّﻳﻦَ ۚ ﻛَﻤﺎ ﺑَﺪَﺃَﻛُﻢ ﺗَﻌﻮﺩﻭﻥَ
[29] আপনি বলে দিনঃ আমার
প্রতিপালক সুবিচারের নির্দেশ
দিয়েছেন এবং তোমরা প্রত্যেক
সেজদার সময় স্বীয় মুখমন্ডল সোজা
রাখ এবং তাঁকে খাঁটি আনুগত্যশীল হয়ে
ডাক। তোমাদেরকে প্রথমে যেমন
সৃষ্টি করেছেন, পুনর্বারও সৃজিত হবে।
[29] Say (O Muhammad SAW): My Lord
has commanded justice and (said) that
you should face Him only (i.e. worship
none but Allâh and face the Qiblah, i.e.
the Ka’bah at Makkah during prayers) in
every place of worship, in prayers (and
not to face other false deities and idols),
and invoke Him only making your
religion sincere to Him (by not joining in
worship any partner to Him and with
the intention that you are doing your
deeds for Allâh’s sake only). As He
brought you (into being) in the
beginning, so shall you be brought into
being [on the Day of Resurrection (in
two groups, one as a blessed one
(believers), and the other as a wretched
one (disbelievers)].
[30] ﻓَﺮﻳﻘًﺎ ﻫَﺪﻯٰ ﻭَﻓَﺮﻳﻘًﺎ ﺣَﻖَّ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﻀَّﻠٰﻠَﺔُ ۗ ﺇِﻧَّﻬُﻢُ ﺍﺗَّﺨَﺬُﻭﺍ
ﺍﻟﺸَّﻴٰﻄﻴﻦَ ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻳَﺤﺴَﺒﻮﻥَ ﺃَﻧَّﻬُﻢ
ﻣُﻬﺘَﺪﻭﻥَ
[30] একদলকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং
একদলের জন্যে পথভ্রষ্টতা অবধারিত
হয়ে গেছে। তারা আল্লাহকে ছেড়ে
শয়তানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ
করেছে এবং ধারণা করে যে, তারা
সৎপথে রয়েছে।
[30] A group He has guided, and a group
deserved to be in error; (because) surely
they took the Shayâtin (devils) as
Auliyâ’ (protectors and helpers) instead
of Allâh, and think that they are guided.
[31] ۞ ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺀﺍﺩَﻡَ ﺧُﺬﻭﺍ
ﺯﻳﻨَﺘَﻜُﻢ ﻋِﻨﺪَ ﻛُﻞِّ ﻣَﺴﺠِﺪٍ
ﻭَﻛُﻠﻮﺍ ﻭَﺍﺷﺮَﺑﻮﺍ ﻭَﻻ ﺗُﺴﺮِﻓﻮﺍ ۚ
ﺇِﻧَّﻪُ ﻻ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﺴﺮِﻓﻴﻦَ
[31] হে বনী-আদম! তোমরা প্রত্যেক
নামাযের সময় সাজসজ্জা পরিধান
করে নাও, খাও ও পান কর এবং অপব্যয়
করো না। তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ
করেন না।
[31] O Children of Adam! Take your
adornment (by wearing your clean
clothes), while praying and going round
(the Tawâf of ) the Ka’bah, and eat and
drink but waste not by extravagance,
certainly He (Allâh) likes not Al-
Musrifûn (those who waste by
extravagance).
[32] ﻗُﻞ ﻣَﻦ ﺣَﺮَّﻡَ ﺯﻳﻨَﺔَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺍﻟَّﺘﻰ ﺃَﺧﺮَﺝَ ﻟِﻌِﺒﺎﺩِﻩِ ﻭَﺍﻟﻄَّﻴِّﺒٰﺖِ
ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮِّﺯﻕِ ۚ ﻗُﻞ ﻫِﻰَ ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﺧﺎﻟِﺼَﺔً ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﻘِﻴٰﻤَﺔِ ۗ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻧُﻔَﺼِّﻞُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[32] আপনি বলুনঃ আল্লাহর সাজ-
সজ্জাকে, যা তিনি বান্দাদের জন্যে
সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র
খাদ্রবস্তুসমূহকে কে হারাম করেছে?
আপনি বলুনঃ এসব নেয়ামত আসলে
পার্থিব জীবনে মুমিনদের জন্যে এবং
কিয়ামতের দিন খাঁটিভাবে তাদেরই
জন্যে। এমনিভাবে আমি আয়াতসমূহ
বিস্তারিত বর্ণনা করি তাদের জন্যে
যারা বুঝে।
[32] Say (O Muhammad SAW): “Who has
forbidden the adornment with clothes
given by Allâh, which He has produced
for His slaves, and At-Taiyyibât [all kinds
of Halâl (lawful) things] of food?” Say:
“They are, in the life of this world, for
those who believe, (and) exclusively for
them (believers) on the Day of
Resurrection (the disbelievers will not
share them).” Thus We explain the Ayât
(Islâmic laws) in detail for people who
have knowledge.
[33] ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺭَﺑِّﻰَ
ﺍﻟﻔَﻮٰﺣِﺶَ ﻣﺎ ﻇَﻬَﺮَ ﻣِﻨﻬﺎ ﻭَﻣﺎ
ﺑَﻄَﻦَ ﻭَﺍﻹِﺛﻢَ ﻭَﺍﻟﺒَﻐﻰَ ﺑِﻐَﻴﺮِ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻭَﺃَﻥ ﺗُﺸﺮِﻛﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ
ﻟَﻢ ﻳُﻨَﺰِّﻝ ﺑِﻪِ ﺳُﻠﻄٰﻨًﺎ ﻭَﺃَﻥ
ﺗَﻘﻮﻟﻮﺍ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻻ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[33] আপনি বলে দিনঃ আমার
পালনকর্তা কেবলমাত্র অশ্লীল
বিষয়সমূহ হারাম করেছেন যা প্রকাশ্য
ও অপ্রকাশ্য এবং হারাম করেছেন
গোনাহ, অন্যায়-অত্যাচার আল্লাহর
সাথে এমন বস্তুকে অংশীদার করা,
তিনি যার কোন, সনদ অবতীর্ণ
করেননি এবং আল্লাহর প্রতি এমন কথা
আরোপ করা, যা তোমরা জান না।
[33] Say (O Muhammad SAW): “(But) the
things that my Lord has indeed
forbidden are Al-Fawâhish (great evil
sins, every kind of unlawful sexual
intercourse,) whether committed openly
or secretly, sins (of all kinds),
unrighteous oppression, joining partners
(in worship) with Allâh for which He has
given no authority, and saying things
about Allâh of which you have no
knowledge.”
[34] ﻭَﻟِﻜُﻞِّ ﺃُﻣَّﺔٍ ﺃَﺟَﻞٌ ۖ ﻓَﺈِﺫﺍ
ﺟﺎﺀَ ﺃَﺟَﻠُﻬُﻢ ﻻ ﻳَﺴﺘَﺄﺧِﺮﻭﻥَ
ﺳﺎﻋَﺔً ۖ ﻭَﻻ ﻳَﺴﺘَﻘﺪِﻣﻮﻥَ
[34] প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি মেয়াদ
রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে,
তখন তারা না এক মুহুর্ত পিছে যেতে
পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।
[34] And every nation has its appointed
term; when their term comes, neither
can they delay it nor can they advance it
an hour (or a moment).
[35] ﻳٰﺒَﻨﻰ ﺀﺍﺩَﻡَ ﺇِﻣّﺎ ﻳَﺄﺗِﻴَﻨَّﻜُﻢ
ﺭُﺳُﻞٌ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻳَﻘُﺼّﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺀﺍﻳٰﺘﻰ ۙ ﻓَﻤَﻦِ ﺍﺗَّﻘﻰٰ ﻭَﺃَﺻﻠَﺢَ
ﻓَﻼ ﺧَﻮﻑٌ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻻ ﻫُﻢ
ﻳَﺤﺰَﻧﻮﻥَ
[35] হে বনী-আদম, যদি তোমাদের
কাছে তোমাদেরই মধ্য থেকে পয়গম্বর
আগমন করে তোমাদেরকে আমার
আয়াত সমূহ শুনায়, তবে যে ব্যক্তি
সংযত হয় এবং সৎকাজ অবলম্বন করে,
তাদের কোন আশঙ্কা নেই এবং তারা
দুঃখিত হবে না।
[35] O Children of Adam! If there come
to you Messengers from amongst you,
reciting to you, My Verses, then
whosoever becomes pious and righteous,
on them shall be no fear, nor shall they
grieve
[36] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻭَﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ ﻋَﻨﻬﺎ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ ﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ
ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[36] যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা
বলবে এবং তা থেকে অহংকার করবে,
তারাই দোযখী এবং তথায় চিরকাল
থাকবে।
[36] But those who reject Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations,) and treat them with
arrogance, they are the dwellers of the
(Hell) Fire, they will abide therein
forever
[37] ﻓَﻤَﻦ ﺃَﻇﻠَﻢُ ﻣِﻤَّﻦِ ﺍﻓﺘَﺮﻯٰ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ ﺃَﻭ ﻛَﺬَّﺏَ
ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻪِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻳَﻨﺎﻟُﻬُﻢ
ﻧَﺼﻴﺒُﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐِ ۖ ﺣَﺘّﻰٰ
ﺇِﺫﺍ ﺟﺎﺀَﺗﻬُﻢ ﺭُﺳُﻠُﻨﺎ
ﻳَﺘَﻮَﻓَّﻮﻧَﻬُﻢ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺃَﻳﻦَ ﻣﺎ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﺪﻋﻮﻥَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺿَﻠّﻮﺍ ﻋَﻨّﺎ ﻭَﺷَﻬِﺪﻭﺍ
ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻛٰﻔِﺮﻳﻦَ
[37] অতঃপর ঐ ব্যক্তির চাইতে অধিক
জালেম কে, যে আল্লাহর প্রতি মিথ্যা
আরোপ করে অথবা তার
নির্দেশাবলীকে মিথ্যা বলে? তারা
তাদের গ্রন্থে লিখিত অংশ পেয়ে
যাবে। এমন কি, যখন তাদের কাছে
আমার প্রেরিত ফেরশতারা প্রাণ
নেওয়ার জন্যে পৌছে, তখন তারা
বলে; তারা কোথায় গেল, যাদের কে
তোমরা আল্লাহ ব্যতীত আহবান
করতে? তারা উত্তর দেবেঃ আমাদের
কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে, তারা
নিজেদের সম্পর্কে স্বীকার করবে যে,
তারা অবশ্যই কাফের ছিল।
[37] Who is more unjust than one who
invents a lie against Allâh or rejects His
Ayât (proofs, evidences, verses, lessons,
signs, revelations)? For such their
appointed portion (good things of this
worldly life and their period of stay
therein) will reach them from the Book
(of Decrees) until, when Our Messengers
(the angel of death and his assistants)
come to them to take their souls, they
(the angels) will say: “Where are those
whom you used to invoke and worship
besides Allâh,” they will reply, “They
have vanished and deserted us.” And
they will bear witness against
themselves, that they were disbelievers.
[38] ﻗﺎﻝَ ﺍﺩﺧُﻠﻮﺍ ﻓﻰ ﺃُﻣَﻢٍ ﻗَﺪ
ﺧَﻠَﺖ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠِﻦِّ
ﻭَﺍﻹِﻧﺲِ ﻓِﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ ﻛُﻠَّﻤﺎ
ﺩَﺧَﻠَﺖ ﺃُﻣَّﺔٌ ﻟَﻌَﻨَﺖ ﺃُﺧﺘَﻬﺎ ۖ
ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫَﺍ ﺍﺩّﺍﺭَﻛﻮﺍ ﻓﻴﻬﺎ
ﺟَﻤﻴﻌًﺎ ﻗﺎﻟَﺖ ﺃُﺧﺮﻯٰﻬُﻢ
ﻟِﺄﻭﻟﻯٰﻬُﻢ ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻫٰﺆُﻻﺀِ ﺃَﺿَﻠّﻮﻧﺎ
ﻓَـٔﺎﺗِﻬِﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﺿِﻌﻔًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ۖ
ﻗﺎﻝَ ﻟِﻜُﻞٍّ ﺿِﻌﻒٌ ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻻ
ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[38] আল্লাহ বলবেনঃ তোমাদের
পূর্বে জিন ও মানবের যেসব সম্প্রদায়
চলে গেছে, তাদের সাথে তোমরাও
দোযখে যাও। যখন এক সম্প্রদায়
প্রবেশ করবে; তখন অন্য সম্প্রদায়কে
অভিসম্পাত করবে। এমনকি, যখন তাতে
সবাই পতিত হবে, তখন পরবর্তীরা
পূর্ববর্তীদের সম্পর্কে বলবেঃ হে
আমাদের প্রতিপালক এরাই
আমাদেরকে বিপথগামী করেছিল।
অতএব, আপনি তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি
দিন। আল্লাহ বলবেন প্রত্যেকেরই
দ্বিগুণ; তোমরা জান না।
[38] (Allâh) will say: “Enter you in the
company of nations who passed away
before you, of men and jinn, into the
Fire.” Every time a new nation enters, it
curses its sister nation (that went
before), until they will be gathered all
together in the Fire. The last of them will
say to the first of them: “Our Lord! These
misled us, so give them a double torment
of the Fire.” He will say: “For each one
there is double (torment), but you know
not.”
[39] ﻭَﻗﺎﻟَﺖ ﺃﻭﻟﻯٰﻬُﻢ
ﻟِﺄُﺧﺮﻯٰﻬُﻢ ﻓَﻤﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﻋَﻠَﻴﻨﺎ
ﻣِﻦ ﻓَﻀﻞٍ ﻓَﺬﻭﻗُﻮﺍ ﺍﻟﻌَﺬﺍﺏَ
ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[39] পূর্ববর্তীরা পরবর্তীদেরকে
বলবেঃ তাহলে আমাদের উপর
তোমাদের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই অতএব,
শাস্তি আস্বাদন কর স্বীয় কর্মের
কারণে।
[39] The first of them will say to the last
of them: “You were not better than us, so
taste the torment for what you used to
earn.”
[40] ﺇِﻥَّ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَّﺑﻮﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻭَﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮﻭﺍ ﻋَﻨﻬﺎ ﻻ ﺗُﻔَﺘَّﺢُ
ﻟَﻬُﻢ ﺃَﺑﻮٰﺏُ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀِ ﻭَﻻ
ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻥَ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﻠِﺞَ
ﺍﻟﺠَﻤَﻞُ ﻓﻰ ﺳَﻢِّ ﺍﻟﺨِﻴﺎﻁِ ۚ
ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻧَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[40] নিশ্চয়ই যারা আমার আয়াতসমূহকে
মিথ্যা বলেছে এবং এগুলো থেকে
অহংকার করেছে, তাদের জন্যে
আকাশের দ্বার উম্মুক্ত করা হবে না
এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে
না। যে পর্যন্ত না সূচের ছিদ্র দিয়ে উট
প্রবেশ করে। আমি এমনিভাবে
পাপীদেরকে শাস্তি প্রদান করি।
[40] Verily, those who belie Our Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations) and treat them with
arrogance, for them the gates of heaven
will not be opened, and they will not
enter Paradise until the camel goes
through the eye of the needle (which is
impossible). Thus do We recompense the
Mujrimûn (criminals, polytheists, and
sinners).
[41] ﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻣِﻬﺎﺩٌ ﻭَﻣِﻦ
ﻓَﻮﻗِﻬِﻢ ﻏَﻮﺍﺵٍ ۚ ﻭَﻛَﺬٰﻟِﻚَ
ﻧَﺠﺰِﻯ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[41] তাদের জন্যে নরকাগ্নির শয্যা
রয়েছে এবং উপর থেকে চাদর। আমি
এমনিভাবে জালেমদেরকে শাস্তি
প্রদান করি।
[41] Theirs will be a bed of Hell (Fire),
and over them coverings (of Hell-fire).
Thus do We recompense the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers).
[42] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻋَﻤِﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤٰﺖِ ﻻ ﻧُﻜَﻠِّﻒُ ﻧَﻔﺴًﺎ ﺇِﻟّﺎ
ﻭُﺳﻌَﻬﺎ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﺻﺤٰﺐُ
ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ۖ ﻫُﻢ ﻓﻴﻬﺎ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[42] যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং
সৎকর্ম করেছে আমি কাউকে তার
সামর্থ্যের চাইতে বেশী বোঝা দেই
না। তারাই জান্নাতের অধিবাসী।
তারা তাতেই চিরকাল থাকবে।
[42] But those who believed (in the
Oneness of Allâh – Islâmic Monotheism),
and worked righteousness – We tax not
any person beyond his scope,— such are
the dwellers of Paradise. They will abide
therein.
[43] ﻭَﻧَﺰَﻋﻨﺎ ﻣﺎ ﻓﻰ ﺻُﺪﻭﺭِﻫِﻢ
ﻣِﻦ ﻏِﻞٍّ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬِﻢُ
ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ۖ ﻭَﻗﺎﻟُﻮﺍ ﺍﻟﺤَﻤﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ
ﺍﻟَّﺬﻯ ﻫَﺪﻯٰﻨﺎ ﻟِﻬٰﺬﺍ ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨّﺎ
ﻟِﻨَﻬﺘَﺪِﻯَ ﻟَﻮﻻ ﺃَﻥ ﻫَﺪﻯٰﻨَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ
ﻟَﻘَﺪ ﺟﺎﺀَﺕ ﺭُﺳُﻞُ ﺭَﺑِّﻨﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ۖ
ﻭَﻧﻮﺩﻭﺍ ﺃَﻥ ﺗِﻠﻜُﻢُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔُ
ﺃﻭﺭِﺛﺘُﻤﻮﻫﺎ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[43] তাদের অন্তরে যা কিছু দুঃখ ছিল,
আমি তা বের করে দেব। তাদের তলদেশ
দিয়ে নির্ঝরণী প্রবাহিত হবে। তারা
বলবেঃ আল্লাহ শোকর, যিনি
আমাদেরকে এ পর্যন্ত পৌছিয়েছেন।
আমরা কখনও পথ পেতাম না, যদি
আল্লাহ আমাদেরকে পথ প্রদর্শন না
করতেন। আমাদের প্রতিপালকের রসূল
আমাদের কাছে সত্যকথা নিয়ে
এসেছিলেন। আওয়াজ আসবেঃ এটি
জান্নাত। তোমরা এর উত্তরাধিকারী
হলে তোমাদের কর্মের প্রতিদানে।
[43] And We shall remove from their
breasts any (mutual) hatred or sense of
injury (which they had, if at all, in the
life of this world); rivers flowing under
them, and they will say: “All the praises
and thanks be to Allâh, Who has guided
us to this, and never could we have
found guidance, were it not that Allâh
had guided us! Indeed, the Messengers of
our Lord did come with the truth.” And it
will be cried out to them: “This is the
Paradise which you have inherited for
what you used to do.”
[44] ﻭَﻧﺎﺩﻯٰ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ
ﺃَﺻﺤٰﺐَ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﺃَﻥ ﻗَﺪ ﻭَﺟَﺪﻧﺎ
ﻣﺎ ﻭَﻋَﺪَﻧﺎ ﺭَﺑُّﻨﺎ ﺣَﻘًّﺎ ﻓَﻬَﻞ
ﻭَﺟَﺪﺗُﻢ ﻣﺎ ﻭَﻋَﺪَ ﺭَﺑُّﻜُﻢ ﺣَﻘًّﺎ ۖ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻧَﻌَﻢ ۚ ﻓَﺄَﺫَّﻥَ ﻣُﺆَﺫِّﻥٌ
ﺑَﻴﻨَﻬُﻢ ﺃَﻥ ﻟَﻌﻨَﺔُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[44] জান্নাতীরা দোযখীদেরকে
ডেকে বলবেঃ আমাদের সাথে
আমাদের প্রতিপালক যে ওয়াদা
করেছিলেন, তা আমরা সত্য পেয়েছি?
অতএব, তোমরাও কি তোমাদের
প্রতিপালকের ওয়াদা সত্য পেয়েছ?
তারা বলবেঃ হ্যাঁ। অতঃপর একজন
ঘোষক উভয়ের মাঝখানে ঘোষণা
করবেঃ আল্লাহর অভিসম্পাত
জালেমদের উপর।
[44] And the dwellers of Paradise will
call out to the dwellers of the Fire
(saying): “We have indeed found true
what our Lord had promised us; have
you also found true, what your Lord
promised (warnings)?” They shall say:
“Yes.” Then a crier will proclaim
between them: “The Curse of Allâh is on
the Zâlimûn (polytheists and wrong-
doers),”
[45] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺼُﺪّﻭﻥَ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻳَﺒﻐﻮﻧَﻬﺎ ﻋِﻮَﺟًﺎ
ﻭَﻫُﻢ ﺑِﺎﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[45] যারা আল্লাহর পথে বাধা দিত
এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করত।
তারা পরকালের বিষয়েও অবিশ্বাসী
ছিল।
[45] Those who hindered (men) from the
Path of Allâh, and would seek to make it
crooked, and they were disbelievers in
the Hereafter.
[46] ﻭَﺑَﻴﻨَﻬُﻤﺎ ﺣِﺠﺎﺏٌ ۚ ﻭَﻋَﻠَﻰ
ﺍﻷَﻋﺮﺍﻑِ ﺭِﺟﺎﻝٌ ﻳَﻌﺮِﻓﻮﻥَ ﻛُﻠًّﺎ
ﺑِﺴﻴﻤﻯٰﻬُﻢ ۚ ﻭَﻧﺎﺩَﻭﺍ ﺃَﺻﺤٰﺐَ
ﺍﻟﺠَﻨَّﺔِ ﺃَﻥ ﺳَﻠٰﻢٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ۚ ﻟَﻢ
ﻳَﺪﺧُﻠﻮﻫﺎ ﻭَﻫُﻢ ﻳَﻄﻤَﻌﻮﻥَ
[46] উভয়ের মাঝখানে একটি প্রাচীর
থাকবে এবং আরাফের উপরে অনেক
লোক থাকবে। তারা প্রত্যেককে তার
চিহ্ন দ্বারা চিনে নেবে। তারা
জান্নাতীদেরকে ডেকে বলবেঃ
তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করবে
না, কিন্তু প্রবেশ করার ব্যাপারে
আগ্রহী হবে।
[46] And between them will be a
(barrier) screen and on Al-A’râf (a wall
with elevated places) will be men (whose
good and evil deeds would be equal in
scale), who would recognise all (of the
Paradise and Hell people), by their
marks (the dwellers of Paradise by their
white faces and the dwellers of Hell by
their black faces), they will call out to the
dwellers of Paradise, “Salâmun
‘Alaikûm” (peace be on you), and at that
time they (men on Al-A’râf) will not yet
have entered it (Paradise), but they will
hope to enter (it) with certainty.
[47] ۞ ﻭَﺇِﺫﺍ ﺻُﺮِﻓَﺖ ﺃَﺑﺼٰﺮُﻫُﻢ
ﺗِﻠﻘﺎﺀَ ﺃَﺻﺤٰﺐِ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺭَﺑَّﻨﺎ ﻻ ﺗَﺠﻌَﻠﻨﺎ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[47] যখন তাদের দৃষ্টি দোযখীদের উপর
পড়বে, তখন বলবেঃ হে আমাদের
প্রতিপালক, আমাদেরকে এ জালেমদের
সাথী করো না।
[47] And when their eyes will be turned
towards the dwellers of the Fire, they
will say: “Our Lord! Place us not with the
people who are Zâlimûn (polytheists and
wrong-doers).”
[48] ﻭَﻧﺎﺩﻯٰ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻷَﻋﺮﺍﻑِ
ﺭِﺟﺎﻟًﺎ ﻳَﻌﺮِﻓﻮﻧَﻬُﻢ ﺑِﺴﻴﻤﻯٰﻬُﻢ
ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻣﺎ ﺃَﻏﻨﻰٰ ﻋَﻨﻜُﻢ ﺟَﻤﻌُﻜُﻢ
ﻭَﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﺴﺘَﻜﺒِﺮﻭﻥَ
[48] আরাফবাসীরা যাদেরকে তাদের
চিহ্ন দ্বারা চিনবে, তাদেরকে ডেকে
বলবে তোমাদের দলবল ও ঔদ্ধত্য
তোমাদের কোন কাজে আসেনি।
[48] And the men on Al-A’râf (the wall)
will call unto the men whom they would
recognise by their marks, saying: “Of
what benefit to you were your great
numbers (and hoards of wealth), and
your arrogance (against Faith)?”
[49] ﺃَﻫٰﺆُﻻﺀِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃَﻗﺴَﻤﺘُﻢ ﻻ
ﻳَﻨﺎﻟُﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﺮَﺣﻤَﺔٍ ۚ ﺍﺩﺧُﻠُﻮﺍ
ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﻻ ﺧَﻮﻑٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﻭَﻻ