72. সুরাহ আল জিন(01-28)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻗُﻞ ﺃﻭﺣِﻰَ ﺇِﻟَﻰَّ ﺃَﻧَّﻪُ ﺍﺳﺘَﻤَﻊَ
ﻧَﻔَﺮٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺠِﻦِّ ﻓَﻘﺎﻟﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ
ﺳَﻤِﻌﻨﺎ ﻗُﺮﺀﺍﻧًﺎ ﻋَﺠَﺒًﺎ
[1] বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে
যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ
করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা
বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি;
[1] Say (O Muhammad SAW): “It has
been revealed to me that a group (from
three to ten in number) of jinn listened
(to this Qur’ân). They said: ‘Verily! We
have heard a wonderful Recitation (this
Qur’ân)!
[2] ﻳَﻬﺪﻯ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﺮُّﺷﺪِ ﻓَـٔﺎﻣَﻨّﺎ
ﺑِﻪِ ۖ ﻭَﻟَﻦ ﻧُﺸﺮِﻙَ ﺑِﺮَﺑِّﻨﺎ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[2] যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা
তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও
আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক
করব না।
[2] ‘It guides to the Right Path, and we
have believed therein, and we shall
never join (in worship) anything with
our Lord (Allâh).
[3] ﻭَﺃَﻧَّﻪُ ﺗَﻌٰﻠﻰٰ ﺟَﺪُّ ﺭَﺑِّﻨﺎ ﻣَﺎ
ﺍﺗَّﺨَﺬَ ﺻٰﺤِﺒَﺔً ﻭَﻻ ﻭَﻟَﺪًﺍ
[3] এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের
পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি
কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন
সন্তান নেই।
[3] ‘And He, exalted is the Majesty of our
Lord, has taken neither a wife, nor a son
(or offspring or children).
[4] ﻭَﺃَﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺳَﻔﻴﻬُﻨﺎ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺷَﻄَﻄًﺎ
[4] আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা আল্লাহ
তা’আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত।
[4] ‘And that the foolish among us [i.e.
Iblîs (Satan) or the polytheists amongst
the jinn] used to utter against Allâh that
which was an enormity is falsehood.
[5] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻇَﻨَﻨّﺎ ﺃَﻥ ﻟَﻦ ﺗَﻘﻮﻝَ
ﺍﻹِﻧﺲُ ﻭَﺍﻟﺠِﻦُّ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻛَﺬِﺑًﺎ
[5] অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন
কখনও আল্লাহ তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা
বলতে পারে না।
[5] ‘And verily, we thought that men and
jinn would not utter a lie against Allâh.
[6] ﻭَﺃَﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﺭِﺟﺎﻝٌ ﻣِﻦَ
ﺍﻹِﻧﺲِ ﻳَﻌﻮﺫﻭﻥَ ﺑِﺮِﺟﺎﻝٍ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺠِﻦِّ ﻓَﺰﺍﺩﻭﻫُﻢ ﺭَﻫَﻘًﺎ
[6] অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত,
ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত।
[6] ‘And verily, there were men among
mankind who took shelter with the males
among the jinn, but they (jinn) increased
them (mankind) in sin and
transgression.
[7] ﻭَﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻇَﻨّﻮﺍ ﻛَﻤﺎ ﻇَﻨَﻨﺘُﻢ
ﺃَﻥ ﻟَﻦ ﻳَﺒﻌَﺚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[7] তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা
ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর আল্লাহ তা’আলা
কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না।
[7] ‘And they thought as you thought, that
Allâh will not send any Messenger (to
mankind or jinn).
[8] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻟَﻤَﺴﻨَﺎ ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀَ
ﻓَﻮَﺟَﺪﻧٰﻬﺎ ﻣُﻠِﺌَﺖ ﺣَﺮَﺳًﺎ
ﺷَﺪﻳﺪًﺍ ﻭَﺷُﻬُﺒًﺎ
[8] আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর
দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী
ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ।
[8] ‘And we have sought to reach the
heaven; but found it filled with stern
guards and flaming fires.
[9] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻛُﻨّﺎ ﻧَﻘﻌُﺪُ ﻣِﻨﻬﺎ ﻣَﻘٰﻌِﺪَ
ﻟِﻠﺴَّﻤﻊِ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﻳَﺴﺘَﻤِﻊِ ﺍﻝﺀﺍﻥَ
ﻳَﺠِﺪ ﻟَﻪُ ﺷِﻬﺎﺑًﺎ ﺭَﺻَﺪًﺍ
[9] আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ
শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে
চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে
থাকতে দেখে।
[9] ‘And verily, we used to sit there in
stations, to (steal) a hearing, but any
who listens now will find a flaming fire
watching him in ambush.
[10] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻻ ﻧَﺪﺭﻯ ﺃَﺷَﺮٌّ ﺃُﺭﻳﺪَ
ﺑِﻤَﻦ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﺃَﻡ ﺃَﺭﺍﺩَ ﺑِﻬِﻢ
ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﺭَﺷَﺪًﺍ
[10] আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল
সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা
তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন।
[10] ‘And we know not whether evil is
intended for those on earth, or whether
their Lord intends for them a Right Path.
[11] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻣِﻨَّﺎ ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻮﻥَ ﻭَﻣِﻨّﺎ
ﺩﻭﻥَ ﺫٰﻟِﻚَ ۖ ﻛُﻨّﺎ ﻃَﺮﺍﺋِﻖَ ﻗِﺪَﺩًﺍ
[11] আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ
এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন
পথে বিভক্ত।
[11] ‘There are among us some that are
righteous, and some the contrary; we are
groups each having a different ways
(religious sects).
[12] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻇَﻨَﻨّﺎ ﺃَﻥ ﻟَﻦ ﻧُﻌﺠِﺰَ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ ﻭَﻟَﻦ ﻧُﻌﺠِﺰَﻩُ
ﻫَﺮَﺑًﺎ
[12] আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা
পৃথিবীতে আল্লাহ তা’আলাকে পরাস্ত
করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে
অপারক করত পরব না।
[12] ‘And we think that we cannot escape
(the punishment of) Allâh in the earth,
nor can we escape Him by flight.
[13] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻟَﻤّﺎ ﺳَﻤِﻌﻨَﺎ ﺍﻟﻬُﺪﻯٰ
ﺀﺍﻣَﻨّﺎ ﺑِﻪِ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﻳُﺆﻣِﻦ ﺑِﺮَﺑِّﻪِ
ﻓَﻼ ﻳَﺨﺎﻑُ ﺑَﺨﺴًﺎ ﻭَﻻ ﺭَﻫَﻘًﺎ
[13] আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম,
তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে
তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে
লোকসান ও জোর-জবরের আশংকা করে না।
[13] ‘And indeed when we heard the
Guidance (this Qur’ân), we believed
therein (Islâmic Monotheism), and
whosoever believes in his Lord shall
have no fear, either of a decrease in the
reward of his good deeds or an increase
in punishment for his sins.
[14] ﻭَﺃَﻧّﺎ ﻣِﻨَّﺎ ﺍﻟﻤُﺴﻠِﻤﻮﻥَ ﻭَﻣِﻨَّﺎ
ﺍﻟﻘٰﺴِﻄﻮﻥَ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﺃَﺳﻠَﻢَ
ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺗَﺤَﺮَّﻭﺍ ﺭَﺷَﺪًﺍ
[14] আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং
কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা
সৎপথ বেছে নিয়েছে।
[14] ‘And of us some are Muslims (who
have submitted to Allâh, after listening
to this Qur’ân), and of us some are Al-
Qâsitûn (disbelievers — those who have
deviated from the Right Path)’. And
whosoever has embraced Islâm (i.e. has
become a Muslim by submitting to
Allâh), then such have sought the Right
Path.”
[15] ﻭَﺃَﻣَّﺎ ﺍﻟﻘٰﺴِﻄﻮﻥَ ﻓَﻜﺎﻧﻮﺍ
ﻟِﺠَﻬَﻨَّﻢَ ﺣَﻄَﺒًﺎ
[15] আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো
জাহান্নামের ইন্ধন।
[15] And as for the Qâsitûn (disbelievers
who deviated from the Right Path), they
shall be firewood for Hell,
[16] ﻭَﺃَﻟَّﻮِ ﺍﺳﺘَﻘٰﻤﻮﺍ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻄَّﺮﻳﻘَﺔِ ﻟَﺄَﺳﻘَﻴﻨٰﻬُﻢ ﻣﺎﺀً
ﻏَﺪَﻗًﺎ
[16] আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে,
তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি
তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম।
[16] If they (non-Muslims) had believed
in Allâh, and went on the Right Way (i.e.
Islâm) We would surely have bestowed
on them water (rain) in abundance.
[17] ﻟِﻨَﻔﺘِﻨَﻬُﻢ ﻓﻴﻪِ ۚ ﻭَﻣَﻦ
ﻳُﻌﺮِﺽ ﻋَﻦ ﺫِﻛﺮِ ﺭَﺑِّﻪِ ﻳَﺴﻠُﻜﻪُ
ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﺻَﻌَﺪًﺍ
[17] যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা
করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার
স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে
উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন।
[17] That We might try them thereby.
And whosoever turns away from the
Reminder of his Lord (i.e. this Qur’ân —
and practise not its laws and orders), He
will cause him to enter in a severe
torment (i.e. Hell).
[18] ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻤَﺴٰﺠِﺪَ ﻟِﻠَّﻪِ ﻓَﻼ
ﺗَﺪﻋﻮﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[18] এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে,
মসজিদসমূহ আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করার
জন্য। অতএব, তোমরা আল্লাহ তা’আলার সাথে
কাউকে ডেকো না।
[18] And the mosques are for Allâh
(Alone), so invoke not anyone along with
Allâh.
[19] ﻭَﺃَﻧَّﻪُ ﻟَﻤّﺎ ﻗﺎﻡَ ﻋَﺒﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻳَﺪﻋﻮﻩُ ﻛﺎﺩﻭﺍ ﻳَﻜﻮﻧﻮﻥَ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﻟِﺒَﺪًﺍ
[19] আর যখন আল্লাহ তা’আলার বান্দা তাঁকে
ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন
তার কাছে ভিড় জমাল।
[19] And when the slave of Allâh
(Muhammad SAW) stood up invoking
(his Lord Allâh) in prayer they (the jinn)
just made round him a dense crowd as if
sticking one over the other (in order to
listen to the Prophet’s recitation).
[20] ﻗُﻞ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﺩﻋﻮﺍ ﺭَﺑّﻰ ﻭَﻻ
ﺃُﺷﺮِﻙُ ﺑِﻪِ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[20] বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি
এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না।
[20] Say (O Muhammad SAW): “I invoke
only my Lord (Allâh Alone), and I
associate none as partners along with
Him.”
[21] ﻗُﻞ ﺇِﻧّﻰ ﻻ ﺃَﻣﻠِﻚُ ﻟَﻜُﻢ
ﺿَﺮًّﺍ ﻭَﻻ ﺭَﺷَﺪًﺍ
[21] বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও
সুপথে আনয়ন করার মালিক নই।
[21] Say: “It is not in my power to cause
you harm, or to bring you to the Right
Path.”
[22] ﻗُﻞ ﺇِﻧّﻰ ﻟَﻦ ﻳُﺠﻴﺮَﻧﻰ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﺣَﺪٌ ﻭَﻟَﻦ ﺃَﺟِﺪَ ﻣِﻦ ﺩﻭﻧِﻪِ
ﻣُﻠﺘَﺤَﺪًﺍ
[22] বলুনঃ আল্লাহ তা’আলার কবল থেকে
আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং
তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না।
[22] Say (O Muhammad SAW): “None can
protect me from Allâh’s punishment (if I
were to disobey Him), nor can I find
refuge except in Him.
[23] ﺇِﻟّﺎ ﺑَﻠٰﻐًﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭِﺳٰﻠٰﺘِﻪِ ۚ
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻌﺺِ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ
ﻓَﺈِﻥَّ ﻟَﻪُ ﻧﺎﺭَ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ
ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ
[23] কিন্তু আল্লাহ তা’আলার বাণী পৌছানো
ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে
আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার
জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায়
তারা চিরকাল থাকবে।
[23] “(Mine is) but conveyance (of the
truth) from Allâh and His Messages (of
Islâmic Monotheism), and whosoever
disobeys Allâh and His Messenger, then
verily, for him is the Fire of Hell, he shall
dwell therein forever .”
[24] ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺭَﺃَﻭﺍ ﻣﺎ
ﻳﻮﻋَﺪﻭﻥَ ﻓَﺴَﻴَﻌﻠَﻤﻮﻥَ ﻣَﻦ
ﺃَﺿﻌَﻒُ ﻧﺎﺻِﺮًﺍ ﻭَﺃَﻗَﻞُّ ﻋَﺪَﺩًﺍ
[24] এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি
দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে,
কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম।
[24] Till, when they see that which they
are promised, then they will know who it
is that is weaker concerning helpers and
less important concerning numbers
[25] ﻗُﻞ ﺇِﻥ ﺃَﺩﺭﻯ ﺃَﻗَﺮﻳﺐٌ ﻣﺎ
ﺗﻮﻋَﺪﻭﻥَ ﺃَﻡ ﻳَﺠﻌَﻞُ ﻟَﻪُ ﺭَﺑّﻰ
ﺃَﻣَﺪًﺍ
[25] বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত
বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে
কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন।
[25] Say (O Muhammad SAW): “I know
not whether (the punishment) which you
are promised is near or whether my
Lord will appoint for it a distant term
[26] ﻋٰﻠِﻢُ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ ﻓَﻼ ﻳُﻈﻬِﺮُ
ﻋَﻠﻰٰ ﻏَﻴﺒِﻪِ ﺃَﺣَﺪًﺍ
[26] তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি
অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না।
[26] “(He Alone is) the All-Knower of the
Ghâ’ib (unseen), and He reveals to none
His Ghâ’ib (unseen).”
[27] ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻦِ ﺍﺭﺗَﻀﻰٰ ﻣِﻦ
ﺭَﺳﻮﻝٍ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻳَﺴﻠُﻚُ ﻣِﻦ ﺑَﻴﻦِ
ﻳَﺪَﻳﻪِ ﻭَﻣِﻦ ﺧَﻠﻔِﻪِ ﺭَﺻَﺪًﺍ
[27] তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি
তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত
করেন
[27] Except to a Messenger (from
mankind) whom He has chosen (He
informs him of unseen as much as He
likes), and then He makes a band of
watching guards (angels) to march
before him and behind him
[28] ﻟِﻴَﻌﻠَﻢَ ﺃَﻥ ﻗَﺪ ﺃَﺑﻠَﻐﻮﺍ
ﺭِﺳٰﻠٰﺖِ ﺭَﺑِّﻬِﻢ ﻭَﺃَﺣﺎﻁَ ﺑِﻤﺎ
ﻟَﺪَﻳﻬِﻢ ﻭَﺃَﺣﺼﻰٰ ﻛُﻞَّ ﺷَﻲﺀٍ
ﻋَﺪَﺩًﺍ
[28] যাতে আল্লাহ তা’আলা জেনে নেন
যে, রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম
পৌছিয়েছেন কি না। রসূলগণের কাছে যা
আছে, তা তাঁর জ্ঞান-গোচর। তিনি সবকিছুর
সংখ্যার হিসাব রাখেন।
[28] [He (Allâh) protects them (the
Messengers)], till He sees that they (the
Messengers) have conveyed the Messages
of their Lord (Allâh). And He (Allâh)
surrounds all that which is with them,
and He (Allâh) keeps count of all things
(i.e. He knows the exact number of
everything)
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel
Surah Al Jinn Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. বলুনঃ আমার প্রতি ওহী নাযিল করা হয়েছে যে, জিনদের একটি দল কোরআন শ্রবণ করেছে, অতঃপর তারা বলেছেঃ আমরা বিস্ময়কর কোরআন শ্রবণ করেছি; 2. যা সৎপথ প্রদর্শন করে। ফলে আমরা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমরা কখনও আমাদের পালনকর্তার সাথে কাউকে শরীক করব না। 3. এবং আরও বিশ্বাস করি যে, আমাদের পালনকর্তার মহান মর্যাদা সবার উর্ধ্বে। তিনি কোন পত্নী গ্রহণ করেননি এবং তাঁর কোন সন্তান নেই। 4. আমাদের মধ্যে নির্বোধেরা আল্লাহ তা’আলা সম্পর্কে বাড়াবাড়ির কথাবার্তা বলত। 5. অথচ আমরা মনে করতাম, মানুষ ও জিন কখনও আল্লাহ তা’আলা সম্পর্কে মিথ্যা বলতে পারে না। 6. অনেক মানুষ অনেক জিনের আশ্রয় নিত, ফলে তারা জিনদের আত্নম্ভরিতা বাড়িয়ে দিত। 7. তারা ধারণা করত, যেমন তোমরা মানবেরা ধারণা কর যে, মৃত্যুর পর আল্লাহ তা’আলা কখনও কাউকে পুনরুত্থিত করবেন না। 8. আমরা আকাশ পর্যবেক্ষণ করছি, অতঃপর দেখতে পেয়েছি যে, কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিন্ড দ্বারা আকাশ পরিপূর্ণ। 9. আমরা আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শ্রবণার্থে বসতাম। এখন কেউ সংবাদ শুনতে চাইলে সে জলন্ত উল্কাপিন্ড ওঁৎ পেতে থাকতে দেখে। 10. আমরা জানি না পৃথিবীবাসীদের অমঙ্গল সাধন করা অভীষ্ট, না তাদের পালনকর্তা তাদের মঙ্গল সাধন করার ইচ্ছা রাখেন। 11. আমাদের কেউ কেউ সৎকর্মপরায়ণ এবং কেউ কেউ এরূপ নয়। আমরা ছিলাম বিভিন্ন পথে বিভক্ত। 12. আমরা বুঝতে পেরেছি যে, আমরা পৃথিবীতে আল্লাহ তা’আলাকে পরাস্ত করতে পারব না এবং পলায়ন করেও তাকে অপারক করত পরব না। 13. আমরা যখন সুপথের নির্দেশ শুনলাম, তখন তাতে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব, যে তার পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস করে, সে লোকসান ও জোর- জবরের আশংকা করে না। 14. আমাদের কিছুসংখ্যক আজ্ঞাবহ এবং কিছুসংখ্যক অন্যায়কারী। যারা আজ্ঞাবহ হয়, তারা সৎপথ বেছে নিয়েছে। 15. আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন। 16. আর এই প্রত্যাদেশ করা হয়েছে যে, তারা যদি সত্যপথে কায়েম থাকত, তবে আমি তাদেরকে প্রচুর পানি বর্ষণে সিক্ত করতাম। 17. যাতে এ ব্যাপারে তাদেরকে পরীক্ষা করি। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তিনি তাকে উদীয়মান আযাবে পরিচালিত করবেন। 18. এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে ডেকো না। 19. আর যখন আল্লাহ তা’আলার বান্দা তাঁকে ডাকার জন্যে দন্ডায়মান হল, তখন অনেক জিন তার কাছে ভিড় জমাল। 20. বলুনঃ আমি তো আমার পালনকর্তাকেই ডাকি এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করি না। 21. বলুনঃ আমি তোমাদের ক্ষতি সাধন করার ও সুপথে আনয়ন করার মালিক নই। 22. বলুনঃ আল্লাহ তা’আলার কবল থেকে আমাকে কেউ রক্ষা করতে পারবে না এবং তিনি ব্যতীত আমি কোন আশ্রয়স্থল পাব না। 23. কিন্তু আল্লাহ তা’আলার বাণী পৌছানো ও তাঁর পয়গাম প্রচার করাই আমার কাজ। যে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে অমান্য করে, তার জন্যে রয়েছে জাহান্নামের অগ্নি। তথায় তারা চিরকাল থাকবে। 24. এমনকি যখন তারা প্রতিশ্রুত শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা জানতে পারবে, কার সাহায্যকারী দূর্বল এবং কার সংখ্যা কম। 25. বলুনঃ আমি জানি না তোমাদের প্রতিশ্রুত বিষয় আসন্ন না আমার পালনকর্তা এর জন্যে কোন মেয়াদ স্থির করে রেখেছেন। 26. তিনি অদৃশ্যের জ্ঞানী। পরন্ত তিনি অদৃশ্য বিষয় কারও কাছে প্রকাশ করেন না। 27. তাঁর মনোনীত রসূল ব্যতীত। তখন তিনি তার অগ্রে ও পশ্চাতে প্রহরী নিযুক্ত করেন 28. যাতে আল্লাহ তা’আলা জেনে নেন যে, রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পয়গাম পৌছিয়েছেন কি না। রসূলগণের কাছে যা আছে, তা তাঁর জ্ঞান-গোচর। তিনি সবকিছুর সংখ্যার হিসাব রাখেন। *********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s