74. সুরাহ আল মুদাসসির(01-56)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি
দয়ালু
[1] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻤُﺪَّﺛِّﺮُ
[1] হে চাদরাবৃত!
[1] O you (Muhammad SAW) enveloped
in garments!
[2] ﻗُﻢ ﻓَﺄَﻧﺬِﺭ
[2] উঠুন, সতর্ক করুন,
[2] Arise and warn!
[3] ﻭَﺭَﺑَّﻚَ ﻓَﻜَﺒِّﺮ
[3] আপন পালনকর্তার মাহাত্ম্য ঘোষনা করুন,
[3] And magnify your Lord (Allâh)!
[4] ﻭَﺛِﻴﺎﺑَﻚَ ﻓَﻄَﻬِّﺮ
[4] আপন পোশাক পবিত্র করুন
[4] And purify your garments!
[5] ﻭَﺍﻟﺮُّﺟﺰَ ﻓَﺎﻫﺠُﺮ
[5] এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন।
[5] And keep away from Ar-Rujz (the
idols)!
[6] ﻭَﻻ ﺗَﻤﻨُﻦ ﺗَﺴﺘَﻜﺜِﺮُ
[6] অধিক প্রতিদানের আশায় অন্যকে কিছু
দিবেন না।
[6] And give not a thing in order to have
more (or consider not your deeds of
obedience to Allah as a favour to Him).
[7] ﻭَﻟِﺮَﺑِّﻚَ ﻓَﺎﺻﺒِﺮ
[7] এবং আপনার পালনকর্তার উদ্দেশে সবর
করুন।
[7] And be patient for the sake of your
Lord (i.e. perform your duty to Allâh)!
[8] ﻓَﺈِﺫﺍ ﻧُﻘِﺮَ ﻓِﻰ ﺍﻟﻨّﺎﻗﻮﺭِ
[8] যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে;
[8] Then, when the Trumpet is sounded
(i.e. the second blowing of horn);
[9] ﻓَﺬٰﻟِﻚَ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﻳَﻮﻡٌ ﻋَﺴﻴﺮٌ
[9] সেদিন হবে কঠিন দিন,
[9] Truly, that Day will be a Hard Day —
[10] ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ ﻏَﻴﺮُ ﻳَﺴﻴﺮٍ
[10] কাফেরদের জন্যে এটা সহজ নয়।
[10] Far from easy for the disbelievers.
[11] ﺫَﺭﻧﻰ ﻭَﻣَﻦ ﺧَﻠَﻘﺖُ
ﻭَﺣﻴﺪًﺍ
[11] যাকে আমি অনন্য করে সৃষ্টি করেছি,
তাকে আমার হাতে ছেড়ে দিন।
[11] Leave Me Alone (to deal) with whom
I created Alone (without any means, i.e.
Al-Walîd bin Al-Mughîrah Al-
Makhzûmî)!
[12] ﻭَﺟَﻌَﻠﺖُ ﻟَﻪُ ﻣﺎﻟًﺎ ﻣَﻤﺪﻭﺩًﺍ
[12] আমি তাকে বিপুল ধন-সম্পদ দিয়েছি।
[12] And then granted him resources in
abundance.
[13] ﻭَﺑَﻨﻴﻦَ ﺷُﻬﻮﺩًﺍ
[13] এবং সদা সংগী পুত্রবর্গ দিয়েছি,
[13] And children to be by his side!
[14] ﻭَﻣَﻬَّﺪﺕُ ﻟَﻪُ ﺗَﻤﻬﻴﺪًﺍ
[14] এবং তাকে খুব সচ্ছলতা দিয়েছি।
[14] And made life smooth and
comfortable for him!
[15] ﺛُﻢَّ ﻳَﻄﻤَﻊُ ﺃَﻥ ﺃَﺯﻳﺪَ
[15] এরপরও সে আশা করে যে, আমি
তাকে আরও বেশী দেই।
[15] After all that he desires that I should
give more;
[16] ﻛَﻠّﺎ ۖ ﺇِﻧَّﻪُ ﻛﺎﻥَ ﻝِﺀﺍﻳٰﺘِﻨﺎ
ﻋَﻨﻴﺪًﺍ
[16] কখনই নয়! সে আমার নিদর্শনসমূহের
বিরুদ্ধাচরণকারী।
[16] Nay! Verily, he has been opposing
Our Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations).
[17] ﺳَﺄُﺭﻫِﻘُﻪُ ﺻَﻌﻮﺩًﺍ
[17] আমি সত্ত্বরই তাকে শাস্তির পাহাড়ে
আরোহণ করাব।
[17] I shall oblige him to (climb a
slippery mountain in the Hell-fire called
As¬Sa’ûd, or) face a severe torment!
[18] ﺇِﻧَّﻪُ ﻓَﻜَّﺮَ ﻭَﻗَﺪَّﺭَ
[18] সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির
করেছে,
[18] Verily, he thought and plotted;
[19] ﻓَﻘُﺘِﻞَ ﻛَﻴﻒَ ﻗَﺪَّﺭَ
[19] ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির
করেছে!
[19] So let him be cursed! how he plotted!
[20] ﺛُﻢَّ ﻗُﺘِﻞَ ﻛَﻴﻒَ ﻗَﺪَّﺭَ
[20] আবার ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে
মনঃস্থির করেছে!
[20] And once more let him be cursed,
how he plotted!
[21] ﺛُﻢَّ ﻧَﻈَﺮَ
[21] সে আবার দৃষ্টিপাত করেছে,
[21] Then he thought;
[22] ﺛُﻢَّ ﻋَﺒَﺲَ ﻭَﺑَﺴَﺮَ
[22] অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করেছে ও মুখ
বিকৃত করেছে,
[22] Then he frowned and he looked in a
bad tempered way;
[23] ﺛُﻢَّ ﺃَﺩﺑَﺮَ ﻭَﺍﺳﺘَﻜﺒَﺮَ
[23] অতঃপর পৃষ্ঠপ্রদশন করেছে ও অহংকার
করেছে।
[23] Then he turned back and was
proud;
[24] ﻓَﻘﺎﻝَ ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ ﺳِﺤﺮٌ
ﻳُﺆﺛَﺮُ
[24] এরপর বলেছেঃ এতো লোক পরস্পরায়
প্রাপ্ত জাদু বৈ নয়,
[24] Then he said: “This is nothing but
magic from that of old;
[25] ﺇِﻥ ﻫٰﺬﺍ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻮﻝُ ﺍﻟﺒَﺸَﺮِ
[25] এতো মানুষের উক্তি বৈ নয়।
[25] “This is nothing but the word of a
human being!”
[26] ﺳَﺄُﺻﻠﻴﻪِ ﺳَﻘَﺮَ
[26] আমি তাকে দাখিল করব অগ্নিতে।
[26] I will cast him into Hell-fire
[27] ﻭَﻣﺎ ﺃَﺩﺭﻯٰﻚَ ﻣﺎ ﺳَﻘَﺮُ
[27] আপনি কি বুঝলেন অগ্নি কি?
[27] And what will make you know
(exactly) what Hell-fire is?
[28] ﻻ ﺗُﺒﻘﻰ ﻭَﻻ ﺗَﺬَﺭُ
[28] এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না।
[28] It spares not (any sinner), nor does
it leave (anything unburnt)!
[29] ﻟَﻮّﺍﺣَﺔٌ ﻟِﻠﺒَﺸَﺮِ
[29] মানুষকে দগ্ধ করবে।
[29] Burning and blackening the skins!
[30] ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﺗِﺴﻌَﺔَ ﻋَﺸَﺮَ
[30] এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ
(ফেরেশতা)।
[30] Over it are nineteen (angels as
guardians and keepers of Hell).
[31] ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﺃَﺻﺤٰﺐَ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
ﺇِﻟّﺎ ﻣَﻠٰﺌِﻜَﺔً ۙ ﻭَﻣﺎ ﺟَﻌَﻠﻨﺎ ﻋِﺪَّﺗَﻬُﻢ
ﺇِﻟّﺎ ﻓِﺘﻨَﺔً ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻟِﻴَﺴﺘَﻴﻘِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻭَﻳَﺰﺩﺍﺩَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﺇﻳﻤٰﻨًﺎ ۙ ﻭَﻻ ﻳَﺮﺗﺎﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺃﻭﺗُﻮﺍ ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ۙ
ﻭَﻟِﻴَﻘﻮﻝَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ
ﻣَﺮَﺽٌ ﻭَﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ ﻣﺎﺫﺍ ﺃَﺭﺍﺩَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻬٰﺬﺍ ﻣَﺜَﻠًﺎ ۚ ﻛَﺬٰﻟِﻚَ ﻳُﻀِﻞُّ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ﻭَﻳَﻬﺪﻯ ﻣَﻦ
ﻳَﺸﺎﺀُ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻳَﻌﻠَﻢُ ﺟُﻨﻮﺩَ ﺭَﺑِّﻚَ
ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻫِﻰَ ﺇِﻟّﺎ ﺫِﻛﺮﻯٰ
ﻟِﻠﺒَﺸَﺮِ
[31] আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক
ফেরেশতাই রেখেছি। আমি
কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই
তার এই সংখ্যা করেছি-যাতে কিতাবীরা
দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং
কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে
এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা
এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি
বোঝাতে চেয়েছেন। এমনিভাবে আল্লাহ
যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা
সৎপথে চালান। আপনার পালনকর্তার বাহিনী
সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো
মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
[31] And We have set none but angels as
guardians of the Fire, and We have fixed
number (19) only as a trial for the
disbelievers, in order that the people of
the Scripture (Jews and Christians) may
arrive at a certainty [that this Qur’ân is
the truth as it agrees with their Books
regarding their number (19) which is
written in the Taurât (Torah) and the
Injeel (Gospel)] and that the believers
may increase in Faith (as this Qur’ân is
the truth) and that no doubt may be left
for the people of the Scripture and the
believers, and that those in whose hearts
is a disease (of hypocrisy) and the
disbelievers may say: “What Allâh
intends by this (curious) example ?” Thus
Allâh leads astray whom He wills and
guides whom He wills. And none can
know the hosts of your Lord but He. And
this (Hell) is nothing else than a
(warning) reminder to mankind.
[32] ﻛَﻠّﺎ ﻭَﺍﻟﻘَﻤَﺮِ
[32] কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ,
[32] Nay, And by the moon,
[33] ﻭَﺍﻟَّﻴﻞِ ﺇِﺫ ﺃَﺩﺑَﺮَ
[33] শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়,
[33] And by the night when it withdraws,
[34] ﻭَﺍﻟﺼُّﺒﺢِ ﺇِﺫﺍ ﺃَﺳﻔَﺮَ
[34] শপথ প্রভাতকালের যখন তা
আলোকোদ্ভাসিত হয়,
[34] And by the dawn when it brightens,
[35] ﺇِﻧَّﻬﺎ ﻟَﺈِﺣﺪَﻯ ﺍﻟﻜُﺒَﺮِ
[35] নিশ্চয় জাহান্নাম গুরুতর বিপদসমূহের
অন্যতম,
[35] Verily, it (Hell, or their denial of the
Prophet Muhammad SAW , or the Day of
Resurrection) is but one of the greatest
(signs).
[36] ﻧَﺬﻳﺮًﺍ ﻟِﻠﺒَﺸَﺮِ
[36] মানুষের জন্যে সতর্ককারী।
[36] A warning to mankind —
[37] ﻟِﻤَﻦ ﺷﺎﺀَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﺃَﻥ
ﻳَﺘَﻘَﺪَّﻡَ ﺃَﻭ ﻳَﺘَﺄَﺧَّﺮَ
[37] তোমাদের মধ্যে যে সামনে অগ্রসর
হয় অথবা পশ্চাতে থাকে।
[37] To any of you that chooses to go
forward (by working righteous deeds), or
to remain behind (by commiting sins),
[38] ﻛُﻞُّ ﻧَﻔﺲٍ ﺑِﻤﺎ ﻛَﺴَﺒَﺖ
ﺭَﻫﻴﻨَﺔٌ
[38] প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য
দায়ী;
[38] Every person is a pledge for what he
has earned,
[39] ﺇِﻟّﺎ ﺃَﺻﺤٰﺐَ ﺍﻟﻴَﻤﻴﻦِ
[39] কিন্তু ডানদিকস্থরা,
[39] Except those on the Right, (i.e. the
pious true believers of Islâmic
Monotheism);
[40] ﻓﻰ ﺟَﻨّٰﺖٍ ﻳَﺘَﺴﺎﺀَﻟﻮﻥَ
[40] তারা থাকবে জান্নাতে এবং পরস্পরে
জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
[40] In Gardens (Paradise) they will ask
one another,
[41] ﻋَﻦِ ﺍﻟﻤُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[41] অপরাধীদের সম্পর্কে
[41] About Al-Mujrimûn (polytheists,
criminals, disbelievers), (And they will
say to them):
[42] ﻣﺎ ﺳَﻠَﻜَﻜُﻢ ﻓﻰ ﺳَﻘَﺮَ
[42] বলবেঃ তোমাদেরকে কিসে
জাহান্নামে নীত করেছে?
[42] “What has caused you to enter
Hell?”
[43] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻟَﻢ ﻧَﻚُ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺼَﻠّﻴﻦَ
[43] তারা বলবেঃ আমরা নামায পড়তাম না,
[43] They will say: “We were not of those
who used to offer the Salât (prayers)
[44] ﻭَﻟَﻢ ﻧَﻚُ ﻧُﻄﻌِﻢُ ﺍﻟﻤِﺴﻜﻴﻦَ
[44] অভাবগ্রস্তকে আহার্য্য দিতাম না,
[44] “Nor we used to feed Al-Miskin (the
poor);
[45] ﻭَﻛُﻨّﺎ ﻧَﺨﻮﺽُ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﺨﺎﺋِﻀﻴﻦَ
[45] আমরা সমালোচকদের সাথে সমালোচনা
করতাম।
[45] “And we used to talk falsehood (all
that which Allâh hated) with vain talkers
[46] ﻭَﻛُﻨّﺎ ﻧُﻜَﺬِّﺏُ ﺑِﻴَﻮﻡِ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ
[46] এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার
করতাম।
[46] “And we used to belie the Day of
Recompense
[47] ﺣَﺘّﻰٰ ﺃَﺗﻯٰﻨَﺎ ﺍﻟﻴَﻘﻴﻦُ
[47] আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত।
[47] “Until there came to us (the death)
that is certain.”
[48] ﻓَﻤﺎ ﺗَﻨﻔَﻌُﻬُﻢ ﺷَﻔٰﻌَﺔُ
ﺍﻟﺸّٰﻔِﻌﻴﻦَ
[48] অতএব, সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের
কোন উপকারে আসবে না।
[48] So no intercession of intercessors
will be of any use to them
[49] ﻓَﻤﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻋَﻦِ ﺍﻟﺘَّﺬﻛِﺮَﺓِ
ﻣُﻌﺮِﺿﻴﻦَ
[49] তাদের কি হল যে, তারা উপদেশ
থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়?
[49] Then what is wrong with them (i.e.
the polythesists the disbelievers) that
they turn away from (receiving)
admonition?
[50] ﻛَﺄَﻧَّﻬُﻢ ﺣُﻤُﺮٌ ﻣُﺴﺘَﻨﻔِﺮَﺓٌ
[50] যেন তারা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত গর্দভ।
[50] As if they were (frightened) wild
donkeys.
[51] ﻓَﺮَّﺕ ﻣِﻦ ﻗَﺴﻮَﺭَﺓٍ
[51] হট্টগোলের কারণে পলায়নপর।
[51] Fleeing from a hunter, or a lion, or
a beast of prey.
[52] ﺑَﻞ ﻳُﺮﻳﺪُ ﻛُﻞُّ ﺍﻣﺮِﺉٍ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﺃَﻥ ﻳُﺆﺗﻰٰ ﺻُﺤُﻔًﺎ ﻣُﻨَﺸَّﺮَﺓً
[52] বরং তাদের প্রত্যেকেই চায় তাদের
প্রত্যেককে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া
হোক।
[52] Nay, everyone of them desires that
he should be given pages spread out
(coming from Allâh with a writing that
Islâm is the right religion, and
Muhammad SAW has come with the
truth from Allâh the Lord of the heavens
and earth).
[53] ﻛَﻠّﺎ ۖ ﺑَﻞ ﻻ ﻳَﺨﺎﻓﻮﻥَ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓَ
[53] কখনও না, বরং তারা পরকালকে ভয় করে
না।
[53] Nay! But they fear not the Hereafter
(from Allâh’s punishment).
[54] ﻛَﻠّﺎ ﺇِﻧَّﻪُ ﺗَﺬﻛِﺮَﺓٌ
[54] কখনও না, এটা তো উপদেশ মাত্র।
[54] Nay, verily, this (Qur’ân) is an
admonition.
[55] ﻓَﻤَﻦ ﺷﺎﺀَ ﺫَﻛَﺮَﻩُ
[55] অতএব, যার ইচ্ছা, সে একে স্মরণ
করুক।
[55] So whosoever will (let him read it),
and receive admonition (from it)!
[56] ﻭَﻣﺎ ﻳَﺬﻛُﺮﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ ﻳَﺸﺎﺀَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﻫُﻮَ ﺃَﻫﻞُ ﺍﻟﺘَّﻘﻮﻯٰ ﻭَﺃَﻫﻞُ
ﺍﻟﻤَﻐﻔِﺮَﺓِ
[56] তারা স্মরণ করবে না, কিন্তু যদি আল্লাহ
চান। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার
অধিকারী।
[56] And they will not receive
admonition unless Allâh wills; He (Allâh)
is the One, deserving that mankind
should be afraid of, and should be
dutiful to Him, and should not take any
Ilâh (God) along with Him, and He is the
One Who forgives (sins).
Surah Al Mudaththir Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. হে চাদরাবৃত! 2. উঠুন, সতর্ক করুন, 3. আপন পালনকর্তার মাহাত্ম্য ঘোষনা করুন, 4. আপন পোশাক পবিত্র করুন 5. এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন। 6. অধিক প্রতিদানের আশায় অন্যকে কিছু দিবেন না। 7. এবং আপনার পালনকর্তার উদ্দেশে সবর করুন। 8. যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে; 9. সেদিন হবে কঠিন দিন, 10. কাফেরদের জন্যে এটা সহজ নয়। 11. যাকে আমি অনন্য করে সৃষ্টি করেছি, তাকে আমার হাতে ছেড়ে দিন। 12. আমি তাকে বিপুল ধন-সম্পদ দিয়েছি। 13. এবং সদা সংগী পুত্রবর্গ দিয়েছি, 14. এবং তাকে খুব সচ্ছলতা দিয়েছি। 15. এরপরও সে আশা করে যে, আমি তাকে আরও বেশী দেই। 16. কখনই নয়! সে আমার নিদর্শনসমূহের বিরুদ্ধাচরণকারী। 17. আমি সত্ত্বরই তাকে শাস্তির পাহাড়ে আরোহণ করাব। 18. সে চিন্তা করেছে এবং মনঃস্থির করেছে, 19. ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে! 20. আবার ধ্বংস হোক সে, কিরূপে সে মনঃস্থির করেছে! 21. সে আবার দৃষ্টিপাত করেছে, 22. অতঃপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করেছে ও মুখ বিকৃত করেছে, 23. অতঃপর পৃষ্ঠপ্রদশন করেছে ও অহংকার করেছে। 24. এরপর বলেছেঃ এতো লোক পরস্পরায় প্রাপ্ত জাদু বৈ নয়, 25. এতো মানুষের উক্তি বৈ নয়। 26. আমি তাকে দাখিল করব অগ্নিতে। 27. আপনি কি বুঝলেন অগ্নি কি? 28. এটা অক্ষত রাখবে না এবং ছাড়বেও না। 29. মানুষকে দগ্ধ করবে। 30. এর উপর নিয়োজিত আছে উনিশ (ফেরেশতা) । 31. আমি জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক ফেরেশতাই রেখেছি। আমি কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যেই তার এই সংখ্যা করেছি- যাতে কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়, মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে এবং যাতে যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা এবং কাফেররা বলে যে, আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন। এমনিভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান। আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন এটা তো মানুষের জন্যে উপদেশ বৈ নয়। 32. কখনই নয়। চন্দ্রের শপথ, 33. শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়, 34. শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়, 35. নিশ্চয় জাহান্নাম গুরুতর বিপদসমূহের অন্যতম, 36. মানুষের জন্যে সতর্ককারী। 37. তোমাদের মধ্যে যে সামনে অগ্রসর হয় অথবা পশ্চাতে থাকে। 38. প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের জন্য দায়ী; 39. কিন্তু ডানদিকস্থরা, 40. তারা থাকবে জান্নাতে এবং পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। 41. অপরাধীদের সম্পর্কে 42. বলবেঃ তোমাদেরকে কিসে জাহান্নামে নীত করেছে? 43. তারা বলবেঃ আমরা নামায পড়তাম না, 44. অভাবগ্রস্তকে আহার্য্য দিতাম না, 45. আমরা সমালোচকদের সাথে সমালোচনা করতাম। 46. এবং আমরা প্রতিফল দিবসকে অস্বীকার করতাম। 47. আমাদের মৃত্যু পর্যন্ত। 48. অতএব, সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকারে আসবে না। 49. তাদের কি হল যে, তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়? 50. যেন তারা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত গর্দভ। 51. হট্টগোলের কারণে পলায়নপর। 52. বরং তাদের প্রত্যেকেই চায় তাদের প্রত্যেককে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক। 53. কখনও না, বরং তারা পরকালকে ভয় করে না। 54. কখনও না, এটা তো উপদেশ মাত্র। 55. অতএব, যার ইচ্ছা, সে একে স্মরণ করুক। 56. তারা স্মরণ করবে না, কিন্তু যদি আল্লাহ চান। তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী। *********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s