79.সুরাহ আন নাযিয়াত (01-46)


ﺑِﺴﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣﻤٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢِ – শুরু
করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম
করুণাময়, অতি দয়ালু
[1] ﻭَﺍﻟﻨّٰﺰِﻋٰﺖِ ﻏَﺮﻗًﺎ
[1] শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব
দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
[1] By those (angels) who pull out (the
souls of the disbelievers and the wicked)
with great violence;
[2] ﻭَﺍﻟﻨّٰﺸِﻄٰﺖِ ﻧَﺸﻄًﺎ
[2] শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন
খুলে দেয় মৃদুভাবে;
[2] By those (angels) who gently take out
(the souls of the believers);
[3] ﻭَﺍﻟﺴّٰﺒِﺤٰﺖِ ﺳَﺒﺤًﺎ
[3] শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে
দ্রুতগতিতে,
[3] And by those that swim along (i.e.
angels or planets in their orbits).
[4] ﻓَﺎﻟﺴّٰﺒِﻘٰﺖِ ﺳَﺒﻘًﺎ
[4] শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে
অগ্রসর হয় এবং
[4] And by those that press forward as in
a race (i.e. the angels or stars or the
horses)
[5] ﻓَﺎﻟﻤُﺪَﺑِّﺮٰﺕِ ﺃَﻣﺮًﺍ
[5] শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ
করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
[5] And by those angels who arrange to
do the Commands of their Lord, (so
verily, you disbelievers will be called to
account).
[6] ﻳَﻮﻡَ ﺗَﺮﺟُﻒُ ﺍﻟﺮّﺍﺟِﻔَﺔُ
[6] যেদিন প্রকম্পিত করবে
প্রকম্পিতকারী,
[6] On the Day (when the first blowing of
the Trumpet is blown), the earth and the
mountains will shake violently (and
everybody will die),
[7] ﺗَﺘﺒَﻌُﻬَﺎ ﺍﻟﺮّﺍﺩِﻓَﺔُ
[7] অতঃপর পশ্চাতে আসবে
পশ্চাদগামী;
[7] The second blowing of the Trumpet
follows it (and everybody will be
resurected),
[8] ﻗُﻠﻮﺏٌ ﻳَﻮﻣَﺌِﺬٍ ﻭﺍﺟِﻔَﺔٌ
[8] সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।
[8] (Some) hearts that Day will shake
with fear and anxiety.
[9] ﺃَﺑﺼٰﺮُﻫﺎ ﺧٰﺸِﻌَﺔٌ
[9] তাদের দৃষ্টি নত হবে।
[9] Their eyes will be downcast.
[10] ﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﺃَﺀِﻧّﺎ ﻟَﻤَﺮﺩﻭﺩﻭﻥَ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺤﺎﻓِﺮَﺓِ
[10] তারা বলেঃ আমরা কি উলটো
পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-
[10] They say: “Shall we indeed be
returned to (our) former state of life?
[11] ﺃَﺀِﺫﺍ ﻛُﻨّﺎ ﻋِﻈٰﻤًﺎ ﻧَﺨِﺮَﺓً
[11] গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
[11] “Even after we are crumbled
bones?”
[12] ﻗﺎﻟﻮﺍ ﺗِﻠﻚَ ﺇِﺫًﺍ ﻛَﺮَّﺓٌ
ﺧﺎﺳِﺮَﺓٌ
[12] তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা
হবে!
[12] They say: “It would in that case, be a
return with loss!”
[13] ﻓَﺈِﻧَّﻤﺎ ﻫِﻰَ ﺯَﺟﺮَﺓٌ ﻭٰﺣِﺪَﺓٌ
[13] অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-
নাদ,
[13] But, it will be only a single Zajrah
[shout (i.e., the second blowing of the
Trumpet)]. (See Verse 37:19)
[14] ﻓَﺈِﺫﺍ ﻫُﻢ ﺑِﺎﻟﺴّﺎﻫِﺮَﺓِ
[14] তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
[14] When, behold, they find themselves
on the surface of the earth alive after
their death,
[15] ﻫَﻞ ﺃَﺗﻯٰﻚَ ﺣَﺪﻳﺚُ
ﻣﻮﺳﻰٰ
[15] মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে
পৌছেছে কি?
[15] Has there come to you the story of
Mûsa (Moses)?
[16] ﺇِﺫ ﻧﺎﺩﻯٰﻪُ ﺭَﺑُّﻪُ ﺑِﺎﻟﻮﺍﺩِ
ﺍﻟﻤُﻘَﺪَّﺱِ ﻃُﻮًﻯ
[16] যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র
তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
[16] When his Lord called him in the
sacred valley of Tûwa.
[17] ﺍﺫﻫَﺐ ﺇِﻟﻰٰ ﻓِﺮﻋَﻮﻥَ ﺇِﻧَّﻪُ
ﻃَﻐﻰٰ
[17] ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে
সীমালংঘন করেছে।
[17] Go to Fir’aun (Pharaoh), verily, he
has transgressed all bounds (in crimes,
sins, polytheism, disbelief).
[18] ﻓَﻘُﻞ ﻫَﻞ ﻟَﻚَ ﺇِﻟﻰٰ ﺃَﻥ
ﺗَﺰَﻛّﻰٰ
[18] অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র
হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
[18] And say to him: “Would you purify
yourself (from the sin of disbelief by
becoming a believer)”,
[19] ﻭَﺃَﻫﺪِﻳَﻚَ ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻚَ
ﻓَﺘَﺨﺸﻰٰ
[19] আমি তোমাকে তোমার
পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে
তুমি তাকে ভয় কর।
[19] And that I guide you to your Lord,
so you should fear Him?
[20] ﻓَﺄَﺭﻯٰﻪُ ﺍﻝﺀﺍﻳَﺔَ ﺍﻟﻜُﺒﺮﻯٰ
[20] অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন
দেখাল।
[20] Then [Mûsa (Moses)] showed him
the great sign (miracles).
[21] ﻓَﻜَﺬَّﺏَ ﻭَﻋَﺼﻰٰ
[21] কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং
অমান্য করল।
[21] But [Fir’aun (Pharaoh)] belied and
disobeyed;
[22] ﺛُﻢَّ ﺃَﺩﺑَﺮَ ﻳَﺴﻌﻰٰ
[22] অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায়
প্রস্থান করল।
[22] Then he turned his back, striving
(against Allâh)
[23] ﻓَﺤَﺸَﺮَ ﻓَﻨﺎﺩﻯٰ
[23] সে সকলকে সমবেত করল এবং
সজোরে আহবান করল,
[23] Then he gathered (his people) and
cried aloud,
[24] ﻓَﻘﺎﻝَ ﺃَﻧﺎ۠ ﺭَﺑُّﻜُﻢُ ﺍﻷَﻋﻠﻰٰ
[24] এবং বললঃ আমিই তোমাদের
সেরা পালনকর্তা।
[24] Saying: “I am your lord, most high”,
[25] ﻓَﺄَﺧَﺬَﻩُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻧَﻜﺎﻝَ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﻭَﺍﻷﻭﻟﻰٰ
[25] অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের
ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
[25] So Allâh, seized him with
punishment for his last and first
transgression. [Tafsir At-Tabari]
[26] ﺇِﻥَّ ﻓﻰ ﺫٰﻟِﻚَ ﻟَﻌِﺒﺮَﺓً ﻟِﻤَﻦ
ﻳَﺨﺸﻰٰ
[26] যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে
শিক্ষা রয়েছে।
[26] Verily, in this is an instructive
admonition for whosoever fears Allâh.
[27] ﺀَﺃَﻧﺘُﻢ ﺃَﺷَﺪُّ ﺧَﻠﻘًﺎ ﺃَﻡِ
ﺍﻟﺴَّﻤﺎﺀُ ۚ ﺑَﻨﻯٰﻬﺎ
[27] তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না
আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
[27] Are you more difficult to create, or
is the heaven that He constructed?
[28] ﺭَﻓَﻊَ ﺳَﻤﻜَﻬﺎ ﻓَﺴَﻮّﻯٰﻬﺎ
[28] তিনি একে উচ্চ করেছেন ও
সুবিন্যস্ত করেছেন।
[28] He raised its height, and has
perfected it,
[29] ﻭَﺃَﻏﻄَﺶَ ﻟَﻴﻠَﻬﺎ ﻭَﺃَﺧﺮَﺝَ
ﺿُﺤﻯٰﻬﺎ
[29] তিনি এর রাত্রিকে করেছেন
অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক
প্রকাশ করেছেন।
[29] Its night He covers with darkness,
and its forenoon He brings out (with
light).
[30] ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﺑَﻌﺪَ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺩَﺣﻯٰﻬﺎ
[30] পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত
করেছেন।
[30] And after that He spread the earth;
[31] ﺃَﺧﺮَﺝَ ﻣِﻨﻬﺎ ﻣﺎﺀَﻫﺎ
ﻭَﻣَﺮﻋﻯٰﻬﺎ
[31] তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও
ঘাম নির্গত করেছেন,
[31] And brought forth therefrom its
water and its pasture;
[32] ﻭَﺍﻟﺠِﺒﺎﻝَ ﺃَﺭﺳﻯٰﻬﺎ
[32] পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত
করেছেন,
[32] And the mountains He has fixed
firmly,
[33] ﻣَﺘٰﻌًﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻭَﻟِﺄَﻧﻌٰﻤِﻜُﻢ
[33] তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ
জন্তুদের উপকারার্থে।
[33] (To be) a provision and benefit for
you and your cattle,
[34] ﻓَﺈِﺫﺍ ﺟﺎﺀَﺕِ ﺍﻟﻄّﺎﻣَّﺔُ
ﺍﻟﻜُﺒﺮﻯٰ
[34] অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
[34] But when there comes the greatest
catastrophe (i.e. the Day of Recompense),
[35] ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮُ ﺍﻹِﻧﺴٰﻦُ ﻣﺎ
ﺳَﻌﻰٰ
[35] অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম
স্মরণ করবে
[35] The Day when man shall remember
what he strove for,
[36] ﻭَﺑُﺮِّﺯَﺕِ ﺍﻟﺠَﺤﻴﻢُ ﻟِﻤَﻦ
ﻳَﺮﻯٰ
[36] এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম
প্রকাশ করা হবে,
[36] And Hell-fire shall be made
apparent in full view for (every) one
who sees,
[37] ﻓَﺄَﻣّﺎ ﻣَﻦ ﻃَﻐﻰٰ
[37] তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন
করেছে;
[37] Then, for him who transgressed all
bounds (in disbelief, oppression and evil
deeds of disobedience to Allâh).
[38] ﻭَﺀﺍﺛَﺮَ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓَ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
[38] এবং পার্থিব জীবনকে
অগ্রাধিকার দিয়েছে,
[38] And preferred the life of this world
(by following his evil desires and lusts),
[39] ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﺠَﺤﻴﻢَ ﻫِﻰَ ﺍﻟﻤَﺄﻭﻯٰ
[39] তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
[39] Verily, his abode will be Hell-fire;
[40] ﻭَﺃَﻣّﺎ ﻣَﻦ ﺧﺎﻑَ ﻣَﻘﺎﻡَ ﺭَﺑِّﻪِ
ﻭَﻧَﻬَﻰ ﺍﻟﻨَّﻔﺲَ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻬَﻮﻯٰ
[40] পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার
পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান
হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-খুশী
থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
[40] But as for him who feared standing
before his Lord, and restrained himself
from impure evil desires, and lusts.
[41] ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ﻫِﻰَ ﺍﻟﻤَﺄﻭﻯٰ
[41] তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
[41] Verily, Paradise will be his abode.
[42] ﻳَﺴـَٔﻠﻮﻧَﻚَ ﻋَﻦِ ﺍﻟﺴّﺎﻋَﺔِ
ﺃَﻳّﺎﻥَ ﻣُﺮﺳﻯٰﻬﺎ
[42] তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে,
কেয়ামত কখন হবে?
[42] They ask you (O Muhammad (SAW))
about the Hour, – when will be its
appointed time?
[43] ﻓﻴﻢَ ﺃَﻧﺖَ ﻣِﻦ ﺫِﻛﺮﻯٰﻬﺎ
[43] এর বর্ণনার সাথে আপনার কি
সম্পর্ক ?
[43] You have no knowledge to say
anything about it,
[44] ﺇِﻟﻰٰ ﺭَﺑِّﻚَ ﻣُﻨﺘَﻬﻯٰﻬﺎ
[44] এর চরম জ্ঞান আপনার
পালনকর্তার কাছে।
[44] To your Lord belongs (the
knowledge of) the term thereof?
[45] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﺃَﻧﺖَ ﻣُﻨﺬِﺭُ ﻣَﻦ
ﻳَﺨﺸﻯٰﻬﺎ
[45] যে একে ভয় করে, আপনি তো
কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
[45] You (O Muhammad (SAW)) are only
a warner for those who fear it,
[46] ﻛَﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻳَﻮﻡَ ﻳَﺮَﻭﻧَﻬﺎ ﻟَﻢ
ﻳَﻠﺒَﺜﻮﺍ ﺇِﻟّﺎ ﻋَﺸِﻴَّﺔً ﺃَﻭ ﺿُﺤﻯٰﻬﺎ
[46] যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন
মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র
এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান
করেছে।
[46] The Day they see it, (it will be) as if
they had not tarried (in this world)
except an afternoon or a morning.
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad Rasel
dvertisement

Earn upto $50k per month just
to try out my efranchise
Total amount earned :
$120Today Join For Free!
Just got paid $120 bonus)
Ads by AdClickMedia
ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ
1.
শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা
ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
2.
শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে
দেয় মৃদুভাবে;
3.
শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে
দ্রুতগতিতে,
4.
শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে
অগ্রসর হয় এবং
5.
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ
করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
6.
যেদিন প্রকম্পিত করবে
প্রকম্পিতকারী,
7.
অতঃপর পশ্চাতে আসবে
পশ্চাদগামী;
8.
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল
হবে।
9.
তাদের দৃষ্টি নত হবে।
10.
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে
প্রত্যাবর্তিত হবই-
11.
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
12.
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা
হবে!
13.
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,
14.
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
15.
মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে
পৌছেছে কি?
16.
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া
উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
17.
ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে
সীমালংঘন করেছে।
18.
অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার
আগ্রহ আছে কি?
19.
আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার
দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে
ভয় কর।
20.
অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন
দেখাল।
21.
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং
অমান্য করল।
22.
অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায়
প্রস্থান করল।
23.
সে সকলকে সমবেত করল এবং
সজোরে আহবান করল,
24.
এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা
পালনকর্তা।
25.
অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও
ইহকালের শাস্তি দিলেন।
26.
যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই
এতে শিক্ষা রয়েছে।
27.
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না
আকাশের,
যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
28.
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও
সুবিন্যস্ত করেছেন।
29.
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন
অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক
প্রকাশ করেছেন।
30.
পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত
করেছেন।
31.
তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম
নির্গত করেছেন,
32.
পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত
করেছেন,
33.
তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ
জন্তুদের উপকারার্থে।
34.
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
35.
অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম
স্মরণ করবে
36.
এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম
প্রকাশ করা হবে,
37.
তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন
করেছে;
38.
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার
দিয়েছে,
39.
তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
40.
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার
পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান
হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-
খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত
রেখেছে,
41.
তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
42.
তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে,
কেয়ামত কখন হবে?
43.
এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক
?
44.
এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার
কাছে।
45.
যে একে ভয় করে, আপনি তো
কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
46.
যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন
মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র
এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান
করেছে।
*********.

Advertisements