9. সুরা আত – তাওবাহ(01-129)


ﺑَﺮﺍﺀَﺓٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[1] সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের
সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ
হয়েছিলে।
[1] Freedom from (all) obligations (is
declared) from Allâh and His Messenger
(SAW) to those of the Mushrikûn
(polytheists, pagans, idolaters,
disbelievers in the Oneness of Allâh),
with whom you made a treaty.
[2] ﻓَﺴﻴﺤﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺃَﺭﺑَﻌَﺔَ ﺃَﺷﻬُﺮٍ ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧَّﻜُﻢ
ﻏَﻴﺮُ ﻣُﻌﺠِﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۙ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻣُﺨﺰِﻯ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[2] অতঃপর তোমরা পরিভ্রমণ কর এ দেশে
চার মাসকাল। আর জেনে রেখো, তোমরা
আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবে না, আর
নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদিগকে লাঞ্ছিত করে
থাকেন।
[2] So travel freely (O Mushrikûn – see
V.2:105) for four months (as you will)
throughout the land, but know that you
cannot escape (from the Punishment of)
Allâh, and Allâh will disgrace the
disbelievers.
[3] ﻭَﺃَﺫٰﻥٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﺤَﺞِّ ﺍﻷَﻛﺒَﺮِ
ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺑَﺮﻱﺀٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ۙ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﺗُﺒﺘُﻢ ﻓَﻬُﻮَ ﺧَﻴﺮٌ
ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻴﺘُﻢ ﻓَﺎﻋﻠَﻤﻮﺍ
ﺃَﻧَّﻜُﻢ ﻏَﻴﺮُ ﻣُﻌﺠِﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ
ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﻌَﺬﺍﺏٍ
ﺃَﻟﻴﻢٍ
[3] আর মহান হজ্বের দিনে আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি
ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ
মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর
রসূলও। অবশ্য যদি তোমরা তওবা কর, তবে তা,
তোমাদের জন্যেও কল্যাণকর, আর যদি মুখ
ফেরাও, তবে জেনে রেখো,
আল্লাহকে তোমরা পরাভূত করতে পারবে না।
আর কাফেরদেরকে মর্মান্তিক শাস্তির
সুসংবাদ দাও।
[3] And a declaration from Allâh and His
Messenger to mankind on the greatest
day (the 10th of Dhul-Hijjah – the 12th
month of Islâmic calendar) that Allâh is
free from (all) obligations to the
Mushrikûn (see V.2:105) and so is His
Messenger. So if you (Mushrikûn) repent,
it is better for you, but if you turn away,
then know that you cannot escape (from
the Punishment of) Allâh. And give
tidings (O Muhammad SAW) of a painful
torment to those who disbelieve.
[4] ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺛُﻢَّ ﻟَﻢ ﻳَﻨﻘُﺼﻮﻛُﻢ
ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻟَﻢ ﻳُﻈٰﻬِﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺃَﺣَﺪًﺍ ﻓَﺄَﺗِﻤّﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻋَﻬﺪَﻫُﻢ
ﺇِﻟﻰٰ ﻣُﺪَّﺗِﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ
ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[4] তবে যে মুশরিকদের সাথে তোমরা
চুক্তি বদ্ধ, অতপরঃ যারা তোমাদের ব্যাপারে
কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে
কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত
চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ
কর। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ
করেন।
[4] Except those of the Mushrikûn (see
V.2:105) with whom you have a treaty,
and who have not subsequently failed
you in aught, nor have supported anyone
against you. So fulfill their treaty to
them for the end of their term. Surely
Allâh loves Al- Mattaqûn (the pious – see
V.2:2).
[5] ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﻧﺴَﻠَﺦَ ﺍﻷَﺷﻬُﺮُ ﺍﻟﺤُﺮُﻡُ
ﻓَﺎﻗﺘُﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺣَﻴﺚُ
ﻭَﺟَﺪﺗُﻤﻮﻫُﻢ ﻭَﺧُﺬﻭﻫُﻢ
ﻭَﺍﺣﺼُﺮﻭﻫُﻢ ﻭَﺍﻗﻌُﺪﻭﺍ ﻟَﻬُﻢ
ﻛُﻞَّ ﻣَﺮﺻَﺪٍ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﺗﺎﺑﻮﺍ
ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻮُﺍ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻓَﺨَﻠّﻮﺍ ﺳَﺒﻴﻠَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[5] অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে
মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও,
তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর
প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ
পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে,
নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে
তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[5] Then when the Sacred Months (the
Ist, 7th, 11th, and 12th months of the
Islâmic calendar) have passed, then kill
the Mushrikûn (see V.2:105) wherever
you find them, and capture them and
besiege them, and lie in wait for them in
each and every ambush. But if they
repent and perform As-Salât (Iqâmat-as-
Salât), and give Zakât, then leave their
way free. Verily, Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[6] ﻭَﺇِﻥ ﺃَﺣَﺪٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
ﺍﺳﺘَﺠﺎﺭَﻙَ ﻓَﺄَﺟِﺮﻩُ ﺣَﺘّﻰٰ
ﻳَﺴﻤَﻊَ ﻛَﻠٰﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛُﻢَّ ﺃَﺑﻠِﻐﻪُ
ﻣَﺄﻣَﻨَﻪُ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻗَﻮﻡٌ ﻻ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[6] আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে
আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয়
দেবে, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে
পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে
পৌছে দেবে। এটি এজন্যে যে এরা
জ্ঞান রাখে না।
[6] And if anyone of the Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh)
seeks your protection then grant him
protection, so that he may hear the Word
of Allâh (the Qur’ân), and then escort
him to where he can be secure, that is
because they are men who know not.
[7] ﻛَﻴﻒَ ﻳَﻜﻮﻥُ ﻟِﻠﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
ﻋَﻬﺪٌ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻋِﻨﺪَ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡِ ۖ ﻓَﻤَﺎ
ﺍﺳﺘَﻘٰﻤﻮﺍ ﻟَﻜُﻢ ﻓَﺎﺳﺘَﻘﻴﻤﻮﺍ
ﻟَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[7] মুশরিকদের চুক্তি আল্লাহর নিকট ও তাঁর
রসূলের নিকট কিরূপে বলবৎ থাকবে। তবে
যাদের সাথে তোমরা চুক্তি সম্পাদন করেছ
মসজিদুল-হারামের নিকট। অতএব, যে পর্যন্ত
তারা তোমাদের জন্যে সরল থাকে, তোমরাও
তাদের জন্য সরল থাক। নিঃসন্দেহের আল্লাহ
সাবধানীদের পছন্দ করেন।
[7] How can there be a covenant with
Allâh and with His Messenger for the
Mushrikûn (polytheists, idolaters,
pagans, disbelievers in the Oneness of
Allâh) except those with whom you made
a covenant near Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah)? So long, as they are true to
you, stand you true to them. Verily, Allâh
loves Al-Muttaqûn (the pious – see V.2:2)
[8] ﻛَﻴﻒَ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﻈﻬَﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻻ ﻳَﺮﻗُﺒﻮﺍ ﻓﻴﻜُﻢ ﺇِﻟًّﺎ ﻭَﻻ ﺫِﻣَّﺔً ۚ
ﻳُﺮﺿﻮﻧَﻜُﻢ ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ﻭَﺗَﺄﺑﻰٰ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﻭَﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻓٰﺴِﻘﻮﻥَ
[8] কিরূপে? তারা তোমাদের উপর জয়ী
হলে তোমাদের আত্নীয়তার ও
অঙ্গীকারের কোন মর্যাদা দেবে না। তারা
মুখে তোমাদের সন্তুষ্ট করে, কিন্তু
তাদের অন্তরসমূহ তা অস্বীকার করে, আর
তাদের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী।
[8] How (can there be such a covenant
with them) that when you are
overpowered by them, they regard not
the ties, either of kinship or of covenant
with you? With (good words from) their
mouths they please you, but their hearts
are averse to you, and most of them are
Fâsiqûn (rebellious, disobedient to
Allâh).
[9] ﺍﺷﺘَﺮَﻭﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛَﻤَﻨًﺎ
ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻓَﺼَﺪّﻭﺍ ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ۚ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[9] তারা আল্লাহর আয়াত সমূহ নগন্য মুল্যে
বিক্রয় করে, অতঃপর লোকদের নিবৃত রাখে
তাঁর পথ থেকে, তারা যা করে চলছে, তা অতি
নিকৃষ্ট।
[9] They have purchased with the Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) of Allâh a little gain,
and they hindered men from His Way;
evil indeed is that which they used to do.
[10] ﻻ ﻳَﺮﻗُﺒﻮﻥَ ﻓﻰ ﻣُﺆﻣِﻦٍ ﺇِﻟًّﺎ
ﻭَﻻ ﺫِﻣَّﺔً ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤُﻌﺘَﺪﻭﻥَ
[10] তারা মর্যাদা দেয় না কোন মুসলমানের
ক্ষেত্রে আত্নীয়তার, আর না
অঙ্গীকারের। আর তারাই সীমালংঘনকারী।
[10] With regard to a believer, they
respect not the ties, either of kinship or
of covenant! It is they who are the
transgressors.
[11] ﻓَﺈِﻥ ﺗﺎﺑﻮﺍ ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ
ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻮُﺍ ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ
ﻓَﺈِﺧﻮٰﻧُﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ۗ
ﻭَﻧُﻔَﺼِّﻞُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[11] অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম
করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা
তোমাদের দ্বীনী ভাই। আর আমি
বিধানসমূহে জ্ঞানী লোকদের জন্যে
সর্বস্তরে র্বণনা করে থাকি।
[11] But if they repent, perform As-Salât
(Iqâmat-as-Salât) and give Zakât, then
they are your brethren in religion. (In
this way) We explain the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) in detail for a people
who know.
[12] ﻭَﺇِﻥ ﻧَﻜَﺜﻮﺍ ﺃَﻳﻤٰﻨَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِ ﻋَﻬﺪِﻫِﻢ ﻭَﻃَﻌَﻨﻮﺍ ﻓﻰ
ﺩﻳﻨِﻜُﻢ ﻓَﻘٰﺘِﻠﻮﺍ ﺃَﺋِﻤَّﺔَ ﺍﻟﻜُﻔﺮِ ۙ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻻ ﺃَﻳﻤٰﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﻨﺘَﻬﻮﻥَ
[12] আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ
প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের
দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের
সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ
নেই যাতে তারা ফিরে আসে।
[12] But if they violate their oaths after
their covenant, and attack your religion
with disapproval and criticism then fight
(you) the leaders of disbelief (chiefs of
Quraish – pagans of Makkah) – for surely
their oaths are nothing to them – so that
they may stop (evil actions).
[13] ﺃَﻻ ﺗُﻘٰﺘِﻠﻮﻥَ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻧَﻜَﺜﻮﺍ
ﺃَﻳﻤٰﻨَﻬُﻢ ﻭَﻫَﻤّﻮﺍ ﺑِﺈِﺧﺮﺍﺝِ
ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝِ ﻭَﻫُﻢ ﺑَﺪَﺀﻭﻛُﻢ ﺃَﻭَّﻝَ
ﻣَﺮَّﺓٍ ۚ ﺃَﺗَﺨﺸَﻮﻧَﻬُﻢ ۚ ﻓَﺎﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣَﻖُّ
ﺃَﻥ ﺗَﺨﺸَﻮﻩُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[13] তোমরা কি সেই দলের সাথে যুদ্ধ
করবে না; যারা ভঙ্গ করেছে নিজেদের
শপথ এবং সঙ্কল্প নিয়েছে রসূলকে
বহিস্কারের? আর এরাই প্রথম তোমাদের
সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। তোমরা কি
তাদের ভয় কর? অথচ তোমাদের ভয়ের
অধিকতর যোগ্য হলেন আল্লাহ, যদি তোমরা
মুমিন হও।
[13] Will you not fight a people who have
violated their oaths (pagans of Makkah)
and intended to expel the Messenger,
while they did attack you first? Do you
fear them? Allâh has more right that you
should fear Him, if you are believers.
[14] ﻗٰﺘِﻠﻮﻫُﻢ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﺄَﻳﺪﻳﻜُﻢ ﻭَﻳُﺨﺰِﻫِﻢ
ﻭَﻳَﻨﺼُﺮﻛُﻢ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻳَﺸﻒِ
ﺻُﺪﻭﺭَ ﻗَﻮﻡٍ ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[14] যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ
তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন।
তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে
তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের
অন্তরসমূহ শান্ত করবেন।
[14] Fight against them so that Allâh will
punish them by your hands and disgrace
them and give you victory over them
and heal the breasts of a believing
people,
[15] ﻭَﻳُﺬﻫِﺐ ﻏَﻴﻆَ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ۗ
ﻭَﻳَﺘﻮﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[15] এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন।
আর আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা ক্ষমাশীল হবে,
আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[15] And remove the anger of their
(believers’) hearts. Allâh accepts the
repentance of whom He wills. Allâh is
All-Knowing, All-Wise.
[16] ﺃَﻡ ﺣَﺴِﺒﺘُﻢ ﺃَﻥ ﺗُﺘﺮَﻛﻮﺍ
ﻭَﻟَﻤّﺎ ﻳَﻌﻠَﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺟٰﻬَﺪﻭﺍ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻭَﻟﻴﺠَﺔً ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﺒﻴﺮٌ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[16] তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদের
ছেড়ে দেয়া হবে এমনি, যতক্ষণ না আল্লাহ
জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ
করেছে এবং কে আল্লাহ, তাঁর রসূল ও
মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে
অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত
রয়েছে। আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে
আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।
[16] Do you think that you shall be left
alone while Allâh has not yet tested those
among you who have striven hard and
fought and have not taken Walîjah
[(Batanah – helpers, advisors and
consultants from disbelievers, pagans)
giving openly to them their secrets]
besides Allâh and His Messenger, and the
believers. Allâh is Well-Acquainted with
what you do.
[17] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻠﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺃَﻥ
ﻳَﻌﻤُﺮﻭﺍ ﻣَﺴٰﺠِﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺷٰﻬِﺪﻳﻦَ
ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺑِﺎﻟﻜُﻔﺮِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺣَﺒِﻄَﺖ ﺃَﻋﻤٰﻠُﻬُﻢ ﻭَﻓِﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
ﻫُﻢ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[17] মুশরিকরা যোগ্যতা রাখে না আল্লাহর
মসজিদ আবাদ করার, যখন তারা নিজেরাই
নিজেদের কুফরীর স্বীকৃতি দিচ্ছে।
এদের আমল বরবাদ হবে এবং এরা আগুনে
স্থায়ীভাবে বসবাস করবে।
[17] It is not for the Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh), to
maintain the Mosques of Allâh (i.e. to
pray and worship Allâh therein, to look
after their cleanliness and their
building), while they witness against
their ownselves of disbelief. The works
of such are in vain and in Fire shall they
abide.
[18] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﻌﻤُﺮُ ﻣَﺴٰﺠِﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﻦ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ
ﻭَﺃَﻗﺎﻡَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻰ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﺨﺶَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۖ
ﻓَﻌَﺴﻰٰ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[18] নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর মসজিদ আবাদ
করবে যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও
শেষ দিনের প্রতি এবং কায়েম করেছে
নামায ও আদায় করে যাকাত; আল্লাহ ব্যতীত
আর কাউকে ভয় করে না। অতএব, আশা করা
যায়, তারা হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত
হবে।
[18] The Mosques of Allâh shall be
maintained only by those who believe in
Allâh and the Last Day; perform As-Salât
(Iqâmat-as-Salât), and give Zakât and
fear none but Allâh. It is they who are
on true guidance.
[19] ۞ ﺃَﺟَﻌَﻠﺘُﻢ ﺳِﻘﺎﻳَﺔَ
ﺍﻟﺤﺎﺝِّ ﻭَﻋِﻤﺎﺭَﺓَ ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ
ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡِ ﻛَﻤَﻦ ﺀﺍﻣَﻦَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﻭَﺟٰﻬَﺪَ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻻ ﻳَﺴﺘَﻮۥﻥَ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[19] তোমরা কি হাজীদের পানি সরবরাহ ও
মসজিদুল-হারাম আবাদকরণকে সেই লোকের
সমান মনে কর, যে ঈমান রাখে আল্লাহ ও
শেষ দিনের প্রতি এবং যুদ্ধ করেছে
আল্লাহর রাহে, এরা আল্লাহর দৃষ্টিতে সমান
নয়, আর আল্লাহ জালেম লোকদের
হেদায়েত করেন না।
[19] Do you consider the providing of
drinking water to the pilgrims and the
maintenance of Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah) as equal to the worth of those
who believe in Allâh and the Last Day,
and strive hard and fight in the Cause of
Allâh? They are not equal before Allâh.
And Allâh guides not those people who
are the Zâlimûn (polytheists and wrong-
doers).
[20] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻫﺎﺟَﺮﻭﺍ
ﻭَﺟٰﻬَﺪﻭﺍ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺃَﻋﻈَﻢُ
ﺩَﺭَﺟَﺔً ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻔﺎﺋِﺰﻭﻥَ
[20] যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ
করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের
জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের
বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে আর তারাই
সফলকাম।
[20] Those who believed (in the Oneness
of Allâh – Islâmic Monotheism) and
emigrated and strove hard and fought in
Allâh’s Cause with their wealth and their
lives are far higher in degree with Allâh.
They are the successful.
[21] ﻳُﺒَﺸِّﺮُﻫُﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﺑِﺮَﺣﻤَﺔٍ
ﻣِﻨﻪُ ﻭَﺭِﺿﻮٰﻥٍ ﻭَﺟَﻨّٰﺖٍ ﻟَﻬُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﻧَﻌﻴﻢٌ ﻣُﻘﻴﻢٌ
[21] তাদের সুসংবাদ দিচ্ছেন তাদের
পরওয়ারদেগার স্বীয় দয়া ও সন্তোষের
এবং জান্নাতের, সেখানে আছে তাদের
জন্য স্থায়ী শান্তি।
[21] Their Lord gives them glad tidings of
Mercy from Him, and that His being
pleased (with them), and of Gardens
(Paradise) for them wherein are
everlasting delights.
[22] ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋِﻨﺪَﻩُ ﺃَﺟﺮٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[22] তথায় তারা থাকবে চিরদিন। নিঃসন্দেহে
আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরস্কার।
[22] They will dwell therein forever.
Verily, with Allâh is a great reward.
[23] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﺀﺍﺑﺎﺀَﻛُﻢ ﻭَﺇِﺧﻮٰﻧَﻜُﻢ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﺇِﻥِ ﺍﺳﺘَﺤَﺒُّﻮﺍ ﺍﻟﻜُﻔﺮَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻹﻳﻤٰﻦِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻮَﻟَّﻬُﻢ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[23] হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও
ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি
তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর
তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ
করে তারা সীমালংঘনকারী।
[23] O you who believe! Take not for
Auliyâ’ (supporters and helpers) your
fathers and your brothers if they prefer
disbelief to Belief. And whoever of you
does so, then he is one of the Zâlimûn
(wrong-doers).
[24] ﻗُﻞ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ
ﻭَﺃَﺑﻨﺎﺅُﻛُﻢ ﻭَﺇِﺧﻮٰﻧُﻜُﻢ
ﻭَﺃَﺯﻭٰﺟُﻜُﻢ ﻭَﻋَﺸﻴﺮَﺗُﻜُﻢ
ﻭَﺃَﻣﻮٰﻝٌ ﺍﻗﺘَﺮَﻓﺘُﻤﻮﻫﺎ ﻭَﺗِﺠٰﺮَﺓٌ
ﺗَﺨﺸَﻮﻥَ ﻛَﺴﺎﺩَﻫﺎ ﻭَﻣَﺴٰﻜِﻦُ
ﺗَﺮﺿَﻮﻧَﻬﺎ ﺃَﺣَﺐَّ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﺟِﻬﺎﺩٍ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ﻓَﺘَﺮَﺑَّﺼﻮﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺄﺗِﻰَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻴﻦَ
[24] বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা
তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই
তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র
তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের
ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং
তোমাদের বাসস্থান-যাকে তোমরা পছন্দ কর-
আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা
থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর,
আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ
ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
[24] Say: If your fathers, your sons, your
brothers, your wives, your kindred, the
wealth that you have gained, the
commerce in which you fear a decline,
and the dwellings in which you delight
are dearer to you than Allâh and His
Messenger, and striving hard and
fighting in His Cause, then wait until
Allâh brings about His Decision
(torment). And Allâh guides not the
people who are Al-Fâsiqûn (the
rebellious, disobedient to Allâh)
[25] ﻟَﻘَﺪ ﻧَﺼَﺮَﻛُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓﻰ
ﻣَﻮﺍﻃِﻦَ ﻛَﺜﻴﺮَﺓٍ ۙ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺣُﻨَﻴﻦٍ ۙ
ﺇِﺫ ﺃَﻋﺠَﺒَﺘﻜُﻢ ﻛَﺜﺮَﺗُﻜُﻢ ﻓَﻠَﻢ
ﺗُﻐﻦِ ﻋَﻨﻜُﻢ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﺿﺎﻗَﺖ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ ﺍﻷَﺭﺽُ ﺑِﻤﺎ ﺭَﺣُﺒَﺖ ﺛُﻢَّ
ﻭَﻟَّﻴﺘُﻢ ﻣُﺪﺑِﺮﻳﻦَ
[25] আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছেন
অনেক ক্ষেত্রে এবং হোনাইনের দিনে,
যখন তোমাদের সংখ্যধিক্য তোমাদের
প্রফুল্ল করেছিল, কিন্তু তা তোমাদের কোন
কাজে আসেনি এবং পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া
সত্তেও তোমাদের জন্য সংকুচিত হয়েছিল।
অতঃপর পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পলায়ন
করেছিলে।
[25] Truly Allâh has given you victory on
many battlefields, and on the Day of
Hunain (battle) when you rejoiced at
your great number but it availed you
naught and the earth, vast as it is, was
straitened for you, then you turned back
in flight.
[26] ﺛُﻢَّ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻜﻴﻨَﺘَﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ ﺟُﻨﻮﺩًﺍ ﻟَﻢ
ﺗَﺮَﻭﻫﺎ ﻭَﻋَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ۚ
ﻭَﺫٰﻟِﻚَ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[26] তারপর আল্লাহ নাযিল করেন নিজের
পক্ষ থেকে সান্ত্বনা, তাঁর রসূল ও মুমিনদের
প্রতি এবং অবতীর্ণ করেন এমন
সেনাবাহিনী যাদের তোমরা দেখতে পাওনি।
আর শাস্তি প্রদান করেন কাফেরদের এবং এটি
হল কাফেরদের কর্মফল।
[26] Then Allâh did send down His
Sakînah (calmness, tranquillity and
reassurance, etc.) on the Messenger
(Muhammad SAW), and on the believers,
and sent down forces (angels) which you
saw not, and punished the disbelievers.
Such is the recompense of disbelievers.
[27] ﺛُﻢَّ ﻳَﺘﻮﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[27] এরপর আল্লাহ যাদের প্রতি ইচ্ছা তওবার
তওফীক দেবেন, আর আল্লাহ অতীব
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[27] Then after that Allâh will accept the
repentance of whom He wills. And Allâh
is Oft-Forgiving, Most Merciful.
[28] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺇِﻧَّﻤَﺎ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻮﻥَ ﻧَﺠَﺲٌ ﻓَﻼ ﻳَﻘﺮَﺑُﻮﺍ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪَ ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡَ ﺑَﻌﺪَ ﻋﺎﻣِﻬِﻢ
ﻫٰﺬﺍ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﺧِﻔﺘُﻢ ﻋَﻴﻠَﺔً
ﻓَﺴَﻮﻑَ ﻳُﻐﻨﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[28] হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র।
সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল-
হারামের নিকট না আসে। আর যদি তোমরা
দারিদ্রেøর আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে
নিজ করুনায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত
করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ
সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[28] O you who believe (in Allâh’s
Oneness and in His Messenger
(Muhammad SAW)! Verily, the
Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh, and in the Message of Muhammad
SAW) are Najasun (impure). So let them
not come near Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah) after this year, and if you fear
poverty, Allâh will enrich you if He wills,
out of His Bounty. Surely, Allâh is All-
Knowing, All-Wise.
[29] ﻗٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺑِﺎﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﻭَﻻ
ﻳُﺤَﺮِّﻣﻮﻥَ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻭَﻻ ﻳَﺪﻳﻨﻮﻥَ ﺩﻳﻦَ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻣِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﻌﻄُﻮﺍ ﺍﻟﺠِﺰﻳَﺔَ
ﻋَﻦ ﻳَﺪٍ ﻭَﻫُﻢ ﺻٰﻐِﺮﻭﻥَ
[29] তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ
লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ
হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা
হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং
গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না
করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
[29] Fight against those who (1) believe
not in Allâh, (2) nor in the Last Day, (3)
nor forbid that which has been
forbidden by Allâh and His Messenger
(Muhammad SAW) (4) and those who
acknowledge not the religion of truth
(i.e. Islâm) among the people of the
Scripture (Jews and Christians), until
they pay the Jizyah with willing
submission, and feel themselves
subdued.
[30] ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻟﻴَﻬﻮﺩُ ﻋُﺰَﻳﺮٌ ﺍﺑﻦُ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻟﻨَّﺼٰﺮَﻯ ﺍﻟﻤَﺴﻴﺢُ
ﺍﺑﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺫٰﻟِﻚَ ﻗَﻮﻟُﻬُﻢ
ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ۖ ﻳُﻀٰﻬِـٔﻮﻥَ ﻗَﻮﻝَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۚ ﻗٰﺘَﻠَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﺃَﻧّﻰٰ ﻳُﺆﻓَﻜﻮﻥَ
[30] ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহর পুত্র এবং
নাসারারা বলে ‘মসীহ আল্লাহর পুত্র’। এ
হচ্ছে তাদের মুখের কথা। এরা পূর্ববর্তী
কাফেরদের মত কথা বলে। আল্লাহ এদের
ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে
যাচ্ছে।
[30] And the Jews say: ‘Uzair (Ezra) is
the son of Allâh, and the Christians say:
Messiah is the son of Allâh. That is their
saying with their mouths, resembling the
saying of the those who disbelieved
aforetime. Allâh’s Curse be on them, how
they are deluded away from the truth!
[31] ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﺃَﺣﺒﺎﺭَﻫُﻢ
ﻭَﺭُﻫﺒٰﻨَﻬُﻢ ﺃَﺭﺑﺎﺑًﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺍﻟﻤَﺴﻴﺢَ ﺍﺑﻦَ ﻣَﺮﻳَﻢَ ﻭَﻣﺎ
ﺃُﻣِﺮﻭﺍ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻴَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟٰﻬًﺎ ﻭٰﺣِﺪًﺍ ۖ
ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻋَﻤّﺎ
ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[31] তারা তাদের পন্ডিত ও সংসার-
বিরাগীদিগকে তাদের পালনকর্তারূপে গ্রহণ
করেছে আল্লাহ ব্যতীত এবং মরিয়মের
পুত্রকেও। অথচ তারা আদিষ্ট ছিল একমাত্র
মাবুদের এবাদতের জন্য। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ
নেই, তারা তাঁর শরীক সাব্যস্ত করে, তার
থেকে তিনি পবিত্র।
[31] They (Jews and Christians) took
their rabbis and their monks to be their
lords besides Allâh (by obeying them in
things which they made lawful or
unlawful according to their own desires
without being ordered by Allâh), and
(they also took as their Lord) Messiah,
son of Maryam (Mary), while they (Jews
and Christians) were commanded [in the
Taurât (Torah) and the Injeel (Gospel)) to
worship none but One Ilâh (God – Allâh)
Lâ ilâha illa Huwa (none has the right to
be worshipped but He). Praise and glory
is to Him, (far above is He) from having
the partners they associate (with Him).”
[32] ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ ﺃَﻥ ﻳُﻄﻔِـٔﻮﺍ ﻧﻮﺭَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ﻭَﻳَﺄﺑَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻥ ﻳُﺘِﻢَّ ﻧﻮﺭَﻩُ ﻭَﻟَﻮ ﻛَﺮِﻩَ
ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ
[32] তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর
নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ
অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন,
যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে।
[32] They (the disbelievers, the Jews and
the Christians) want to extinguish Allâh’s
Light (with which Muhammad SAW has
been sent – Islâmic Monotheism) with
their mouths, but Allâh will not allow
except that His Light should be perfected
even though the Kâfirûn (disbelievers)
hate (it).
[33] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺭﺳَﻞَ ﺭَﺳﻮﻟَﻪُ
ﺑِﺎﻟﻬُﺪﻯٰ ﻭَﺩﻳﻦِ ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻟِﻴُﻈﻬِﺮَﻩُ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ﻛُﻠِّﻪِ ﻭَﻟَﻮ ﻛَﺮِﻩَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[33] তিনিই প্রেরণ করেছেন আপন
রসূলকে হেদায়েত ও সত্য দ্বীন
সহকারে, যেন এ দ্বীনকে অপরাপর
দ্বীনের উপর জয়যুক্ত করেন, যদিও
মুশরিকরা তা অপ্রীতিকর মনে করে।
[33] It is He Who has sent His Messenger
(Muhammad SAW) with guidance and
the religion of truth (Islâm), to make it
superior over all religions even though
the Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh) hate (it).
[34] ۞ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﺇِﻥَّ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﻣِﻦَ ﺍﻷَﺣﺒﺎﺭِ
ﻭَﺍﻟﺮُّﻫﺒﺎﻥِ ﻟَﻴَﺄﻛُﻠﻮﻥَ ﺃَﻣﻮٰﻝَ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﺑِﺎﻟﺒٰﻄِﻞِ ﻭَﻳَﺼُﺪّﻭﻥَ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻜﻨِﺰﻭﻥَ
ﺍﻟﺬَّﻫَﺐَ ﻭَﺍﻟﻔِﻀَّﺔَ ﻭَﻻ
ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻧَﻬﺎ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻓَﺒَﺸِّﺮﻫُﻢ ﺑِﻌَﺬﺍﺏٍ ﺃَﻟﻴﻢٍ
[34] হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও
সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের
মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং
আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত
রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে
রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে,
তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
[34] O you who believe! Verily, there are
many of the (Jewish) rabbis and the
(Christian) monks who devour the wealth
of mankind in falsehood, and hinder
(them) from the Way of Allâh (i.e. Allâh’s
religion of Islâmic Monotheism). And
those who hoard up gold and silver [Al-
Kanz: the money, the Zakât of which has
not been paid], and spend them not in
the Way of Allâh, -announce unto them a
painful torment.
[35] ﻳَﻮﻡَ ﻳُﺤﻤﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻓﻰ
ﻧﺎﺭِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻓَﺘُﻜﻮﻯٰ ﺑِﻬﺎ
ﺟِﺒﺎﻫُﻬُﻢ ﻭَﺟُﻨﻮﺑُﻬُﻢ
ﻭَﻇُﻬﻮﺭُﻫُﻢ ۖ ﻫٰﺬﺍ ﻣﺎ ﻛَﻨَﺰﺗُﻢ
ﻟِﺄَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﻓَﺬﻭﻗﻮﺍ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻜﻨِﺰﻭﻥَ
[35] সে দিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত
করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও
পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে (সেদিন বলা
হবে), এগুলো যা তোমরা নিজেদের
জন্যে জমা রেখেছিলে, সুতরাং এক্ষণে
আস্বাদ গ্রহণ কর জমা করে রাখার।
[35] On the Day when that (Al-Kanz:
money, gold and silver, the Zakât of
which has not been paid) will be heated
in the Fire of Hell and with it will be
branded their foreheads, their flanks,
and their backs, (and it will be said unto
them):-“This is the treasure which you
hoarded for yourselves. Now taste of
what you used to hoard.”
[36] ﺇِﻥَّ ﻋِﺪَّﺓَ ﺍﻟﺸُّﻬﻮﺭِ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺍﺛﻨﺎ ﻋَﺸَﺮَ ﺷَﻬﺮًﺍ ﻓﻰ ﻛِﺘٰﺐِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﻮﻡَ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻣِﻨﻬﺎ ﺃَﺭﺑَﻌَﺔٌ ﺣُﺮُﻡٌ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﺍﻟﻘَﻴِّﻢُ ۚ ﻓَﻼ
ﺗَﻈﻠِﻤﻮﺍ ﻓﻴﻬِﻦَّ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻗٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﻛﺎﻓَّﺔً ﻛَﻤﺎ
ﻳُﻘٰﺘِﻠﻮﻧَﻜُﻢ ﻛﺎﻓَّﺔً ۚ ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[36] নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি,
আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে।
তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান;
সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি
অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে
তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে
সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ
মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
[36] Verily, the number of months with
Allâh is twelve months (in a year), so
was it ordained by Allâh on the Day
when He created the heavens and the
earth; of them four are Sacred, (i.e. the
1st, the 7th, the 11th and the 12th
months of the Islâmic calendar). That is
the right religion, so wrong not
yourselves therein, and fight against the
Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh) collectively, as they fight against
you collectively. But know that Allâh is
with those who are Al-Muttaqûn (the
pious – see V.2:2).
[37] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻨَّﺴﻲﺀُ ﺯِﻳﺎﺩَﺓٌ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻜُﻔﺮِ ۖ ﻳُﻀَﻞُّ ﺑِﻪِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻳُﺤِﻠّﻮﻧَﻪُ ﻋﺎﻣًﺎ ﻭَﻳُﺤَﺮِّﻣﻮﻧَﻪُ
ﻋﺎﻣًﺎ ﻟِﻴُﻮﺍﻃِـٔﻮﺍ ﻋِﺪَّﺓَ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻴُﺤِﻠّﻮﺍ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ
ﺯُﻳِّﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﺳﻮﺀُ ﺃَﻋﻤٰﻠِﻬِﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[37] এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল
কুফরীর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে
কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল
করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে
নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে
নেয় আল্লাহর নিষিদ্ধ মাসগুলোর। অতঃপর হালাল
করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে।
তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে
শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ
কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
[37] The postponing (of a Sacred Month)
is indeed an addition to disbelief:
thereby the disbelievers are led astray,
for they make it lawful one year and
forbid it another year in order to adjust
the number of months forbidden by
Allâh, and make such forbidden ones
lawful. The evil of their deeds is made
fair-seeming pleasing to them. And Allâh
guides not the people, who disbelieve.
[38] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻣﺎ
ﻟَﻜُﻢ ﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻧﻔِﺮﻭﺍ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﺛّﺎﻗَﻠﺘُﻢ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺃَﺭَﺿﻴﺘُﻢ ﺑِﺎﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۚ ﻓَﻤﺎ
ﻣَﺘٰﻊُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻞٌ
[38] হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন
আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে
তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর,
তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার
জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ
আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের
উপকরণ অতি অল্প।
[38] O you who believe! What is the
matter with you, that when you are
asked to march forth in the Cause of
Allâh (i.e. Jihâd) you cling heavily to the
earth? Are you pleased with the life of
this world rather than the Hereafter? But
little is the enjoyment of the life of this
world as compared to the Hereafter.
[39] ﺇِﻟّﺎ ﺗَﻨﻔِﺮﻭﺍ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻜُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﺃَﻟﻴﻤًﺎ ﻭَﻳَﺴﺘَﺒﺪِﻝ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻏَﻴﺮَﻛُﻢ
ﻭَﻻ ﺗَﻀُﺮّﻭﻩُ ﺷَﻴـًٔﺎ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[39] যদি বের না হও, তবে আল্লাহ
তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং
অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত
করবেন। তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে
পারবে না, আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।
[39] If you march not forth, He will
punish you with a painful torment and
will replace you by another people, and
you cannot harm Him at all, and Allâh is
Able to do all things
[40] ﺇِﻟّﺎ ﺗَﻨﺼُﺮﻭﻩُ ﻓَﻘَﺪ ﻧَﺼَﺮَﻩُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﺫ ﺃَﺧﺮَﺟَﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺛﺎﻧِﻰَ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ﺇِﺫ ﻫُﻤﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﻐﺎﺭِ
ﺇِﺫ ﻳَﻘﻮﻝُ ﻟِﺼٰﺤِﺒِﻪِ ﻻ ﺗَﺤﺰَﻥ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻌَﻨﺎ ۖ ﻓَﺄَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺳَﻜﻴﻨَﺘَﻪُ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻭَﺃَﻳَّﺪَﻩُ ﺑِﺠُﻨﻮﺩٍ
ﻟَﻢ ﺗَﺮَﻭﻫﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻛَﻠِﻤَﺔَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﺍﻟﺴُّﻔﻠﻰٰ ۗ ﻭَﻛَﻠِﻤَﺔُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻫِﻰَ ﺍﻟﻌُﻠﻴﺎ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰﻳﺰٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[40] যদি তোমরা তাকে (রসূলকে) সাহায্য না
কর, তবে মনে রেখো, আল্লাহ তার সাহায্য
করেছিলেন, যখন তাকে কাফেররা বহিষ্কার
করেছিল, তিনি ছিলেন দু’জনের একজন, যখন
তারা গুহার মধ্যে ছিলেন। তখন তিনি আপন
সঙ্গীকে বললেন বিষন্ন হয়ো না, আল্লাহ
আমাদের সাথে আছেন। অতঃপর আল্লাহ তার
প্রতি স্বীয় সান্তনা নাযিল করলেন এবং তাঁর
সাহায্যে এমন বাহিনী পাঠালেন, যা তোমরা
দেখনি। বস্তুতঃ আল্লাহ কাফেরদের মাথা
নীচু করে দিলেন আর আল্লাহর কথাই সদা
সমুন্নত এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী,
প্রজ্ঞাময়।
[40] If you help him (Muhammad SAW)
not (it does not matter), for Allâh did
indeed help him when the disbelievers
drove him out, the second of two, when
they (Muhammad SAW and Abu Bakr
radhiallahu’anhu) were in the cave, and
he (SAW) said to his companion (Abu
Bakr radhiallahu’anhu): “Be not sad (or
afraid), surely Allâh is with us.” Then
Allâh sent down His Sakînah (calmness,
tranquillity, peace) upon him, and
strengthened him with forces (angels)
which you saw not, and made the word
of those who disbelieved the lowermost,
while the Word of Allâh that became the
uppermost, and Allâh is All-Mighty, All-
Wise.
[41] ﺍﻧﻔِﺮﻭﺍ ﺧِﻔﺎﻓًﺎ ﻭَﺛِﻘﺎﻟًﺎ
ﻭَﺟٰﻬِﺪﻭﺍ ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻜُﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ
ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﺫٰﻟِﻜُﻢ ﺧَﻴﺮٌ
ﻟَﻜُﻢ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ ﺗَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[41] তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর
সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর
পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি
তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা
বুঝতে পার।
[41] March forth, whether you are light
(being healthy, young and wealthy) or
heavy (being ill, old and poor), strive
hard with your wealth and your lives in
the Cause of Allâh. This is better for you,
if you but knew.
[42] ﻟَﻮ ﻛﺎﻥَ ﻋَﺮَﺿًﺎ ﻗَﺮﻳﺒًﺎ
ﻭَﺳَﻔَﺮًﺍ ﻗﺎﺻِﺪًﺍ ﻟَﺎﺗَّﺒَﻌﻮﻙَ ﻭَﻟٰﻜِﻦ
ﺑَﻌُﺪَﺕ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻟﺸُّﻘَّﺔُ ۚ
ﻭَﺳَﻴَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻮِ
ﺍﺳﺘَﻄَﻌﻨﺎ ﻟَﺨَﺮَﺟﻨﺎ ﻣَﻌَﻜُﻢ
ﻳُﻬﻠِﻜﻮﻥَ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﻌﻠَﻢُ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻟَﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[42] যদি আশু লাভের সম্ভাবনা থাকতো এবং
যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত হতো, তবে তারা অবশ্যই
আপনার সহযাত্রী হতো, কিন্তু তাদের নিকট
যাত্রাপথ সুদীর্ঘ মনে হল। আর তারা এমনই
শপথ করে বলবে, আমাদের সাধ্য থাকলে
অবশ্যই তোমাদের সাথে বের হতাম, এরা
নিজেরাই নিজেদের বিনষ্ট করছে, আর
আল্লাহ জানেন যে, এরা মিথ্যাবাদী।
[42] Had it been a near gain (booty in
front of them) and an easy journey, they
would have followed you, but the
distance (Tabuk expedition) was long for
them, and they would swear by Allâh, “If
we only could, we would certainly have
come forth with you.” They destroy their
ownselves, and Allâh knows that they are
liars—
[43] ﻋَﻔَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨﻚَ ﻟِﻢَ ﺃَﺫِﻧﺖَ
ﻟَﻬُﻢ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺘَﺒَﻴَّﻦَ ﻟَﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺻَﺪَﻗﻮﺍ ﻭَﺗَﻌﻠَﻢَ ﺍﻟﻜٰﺬِﺑﻴﻦَ
[43] আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন, আপনি
কেন তাদের অব্যাহতি দিলেন, যে পর্যন্ত না
আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যেত
সত্যবাদীরা এবং জেনে নিতেন
মিথ্যাবাদীদের।
[43] May Allâh forgive you (O
Muhammad SAW). Why did you grant
them leave (for remaining behind, you
should have persisted as regards your
order to them to proceed on Jihâd), until
those who told the truth were seen by
you in a clear light, and you had known
the liars?
[44] ﻻ ﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻧُﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﺃَﻥ ﻳُﺠٰﻬِﺪﻭﺍ
ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﺎﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[44] আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতের প্রতি
যাদের ঈমান রয়েছে তারা মাল ও জান দ্বারা
জেহাদ করা থেকে আপনার কাছে অব্যাহতি
কামনা করবে না, আর আল্লাহ সাবধানীদের
ভাল জানেন।
[44] Those who believe in Allâh and the
Last Day would not ask your leave to be
exempted from fighting with their
properties and their lives, and Allâh is
the All-Knower of Al-Muttaqûn (the pious
– see V.2:2)
[45] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻧُﻚَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﻭَﺍﺭﺗﺎﺑَﺖ ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ
ﻓَﻬُﻢ ﻓﻰ ﺭَﻳﺒِﻬِﻢ ﻳَﺘَﺮَﺩَّﺩﻭﻥَ
[45] নিঃসন্দেহে তারাই আপনার কাছে অব্যাহতি
চায়, যারা আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতে ঈমান
রাখে না এবং তাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত
হয়ে পড়েছে, সুতরাং সন্দেহের
আবর্তে তারা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে।
[45] It is only those who believe not in
Allâh and the Last Day and whose hearts
are in doubt that ask your leave (to be
exempted from Jihâd). So in their doubts
they waver.
[46] ۞ ﻭَﻟَﻮ ﺃَﺭﺍﺩُﻭﺍ ﺍﻟﺨُﺮﻭﺝَ
ﻟَﺄَﻋَﺪّﻭﺍ ﻟَﻪُ ﻋُﺪَّﺓً ﻭَﻟٰﻜِﻦ ﻛَﺮِﻩَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻧﺒِﻌﺎﺛَﻬُﻢ ﻓَﺜَﺒَّﻄَﻬُﻢ ﻭَﻗﻴﻞَ
ﺍﻗﻌُﺪﻭﺍ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻘٰﻌِﺪﻳﻦَ
[46] আর যদি তারা বের হবার সংকল্প নিত, তবে
অবশ্যই কিছু সরঞ্জাম প্রস্তুত করতো। কিন্তু
তাদের উত্থান আল্লাহর পছন্দ নয়, তাই তাদের
নিবৃত রাখলেন এবং আদেশ হল বসা
লোকদের সাথে তোমরা বসে থাক।
[46] And if they had intended to march
out, certainly, they would have made
some preparation for it, but Allâh was
averse to their being sent forth, so He
made them lag behind, and it was said
(to them), “Sit you among those who sit
(at home).”
[47] ﻟَﻮ ﺧَﺮَﺟﻮﺍ ﻓﻴﻜُﻢ ﻣﺎ
ﺯﺍﺩﻭﻛُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﺧَﺒﺎﻟًﺎ ﻭَﻟَﺄَﻭﺿَﻌﻮﺍ
ﺧِﻠٰﻠَﻜُﻢ ﻳَﺒﻐﻮﻧَﻜُﻢُ ﺍﻟﻔِﺘﻨَﺔَ
ﻭَﻓﻴﻜُﻢ ﺳَﻤّٰﻌﻮﻥَ ﻟَﻬُﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺑِﺎﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[47] যদি তোমাদের সাথে তারা বের হত,
তবে তোমাদের অনিষ্ট ছাড়া আর কিছু বৃদ্ধি
করতো না, আর অশ্ব ছুটাতো তোমাদের
মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশে। আর
তোমাদের মাঝে রয়েছে তাদের গুপ্তচর।
বস্তুতঃ আল্লাহ যালিমদের ভালভাবেই জানেন।
[47] Had they marched out with you,
they would have added to you nothing
except disorder, and they would have
hurried about in your midst (spreading
corruption) and sowing sedition among
you, and there are some among you who
would have listened to them. And Allâh
is the All-Knower of the Zâlimûn
(polytheists and wrong-doers).
[48] ﻟَﻘَﺪِ ﺍﺑﺘَﻐَﻮُﺍ ﺍﻟﻔِﺘﻨَﺔَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻞُ ﻭَﻗَﻠَّﺒﻮﺍ ﻟَﻚَ ﺍﻷُﻣﻮﺭَ ﺣَﺘّﻰٰ
ﺟﺎﺀَ ﺍﻟﺤَﻖُّ ﻭَﻇَﻬَﺮَ ﺃَﻣﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻫُﻢ ﻛٰﺮِﻫﻮﻥَ
[48] তারা পূর্বে থেকেই বিভেদ সৃষ্টির
সুযোগ সন্ধানে ছিল এবং আপনার কার্যসমূহ
উল্টা-পাল্টা করে দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সত্য
প্রতিশ্রুতি এসে গেল এবং জয়ী হল
আল্লাহর হুকুম, যে অবস্থায় তারা মন্দবোধ
করল।
[48] Verily, they had plotted sedition
before, and had upset matters for you, –
until the truth (victory) came and the
Decree of Allâh (His religion, Islâm)
became manifest though they hated it
[49] ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺍﺋﺬَﻥ
ﻟﻰ ﻭَﻻ ﺗَﻔﺘِﻨّﻰ ۚ ﺃَﻻ ﻓِﻰ ﺍﻟﻔِﺘﻨَﺔِ
ﺳَﻘَﻄﻮﺍ ۗ ﻭَﺇِﻥَّ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻟَﻤُﺤﻴﻄَﺔٌ
ﺑِﺎﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[49] আর তাদের কেউ বলে, আমাকে
অব্যাহতি দিন এবং পথভ্রষ্ট করবেন না।
শোনে রাখ, তারা তো পূর্ব থেকেই
পথভ্রষ্ট এবং নিঃসন্দেহে জাহান্নাম এই
কাফেরদের পরিবেষ্টন করে রয়েছে।
[49] And among them is he who
says:”Grant me leave (to be exempted
from Jihâd) and put me not into trial.”
Surely, they have fallen into trial. And
verily, Hell is surrounding the
disbelievers.
[50] ﺇِﻥ ﺗُﺼِﺒﻚَ ﺣَﺴَﻨَﺔٌ ﺗَﺴُﺆﻫُﻢ ۖ
ﻭَﺇِﻥ ﺗُﺼِﺒﻚَ ﻣُﺼﻴﺒَﺔٌ ﻳَﻘﻮﻟﻮﺍ
ﻗَﺪ ﺃَﺧَﺬﻧﺎ ﺃَﻣﺮَﻧﺎ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ
ﻭَﻳَﺘَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻓَﺮِﺣﻮﻥَ
[50] আপনার কোন কল্যাণ হলে তারা
মন্দবোধ করে এবং কোন বিপদ উপস্থিত
হলে তারা বলে, আমরা পূর্ব থেকেই
নিজেদের কাজ সামলে নিয়েছি এবং ফিরে
যায় উল্লসিত মনে।
[50] If good befalls you (O Muhammad
SAW), it grieves them, but if a calamity
overtakes you, they say: “We took our
precaution beforehand,” and they turn
away rejoicing.
[51] ﻗُﻞ ﻟَﻦ ﻳُﺼﻴﺒَﻨﺎ ﺇِﻟّﺎ ﻣﺎ
ﻛَﺘَﺐَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻨﺎ ﻫُﻮَ ﻣَﻮﻟﻯٰﻨﺎ ۚ
ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻠﻴَﺘَﻮَﻛَّﻞِ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
[51] আপনি বলুন, আমাদের কাছে কিছুই
পৌঁছবে না, কিন্তু যা আল্লাহ আমাদের জন্য
রেখেছেন; তিনি আমাদের কার্যনির্বাহক।
আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত।
[51] Say: “Nothing shall ever happen to
us except what Allâh has ordained for us.
He is our Maulâ (Lord, Helper and
Protector).” And in Allâh let the believers
put their trust.
[52] ﻗُﻞ ﻫَﻞ ﺗَﺮَﺑَّﺼﻮﻥَ ﺑِﻨﺎ ﺇِﻟّﺎ
ﺇِﺣﺪَﻯ ﺍﻟﺤُﺴﻨَﻴَﻴﻦِ ۖ ﻭَﻧَﺤﻦُ
ﻧَﺘَﺮَﺑَّﺺُ ﺑِﻜُﻢ ﺃَﻥ ﻳُﺼﻴﺒَﻜُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻌَﺬﺍﺏٍ ﻣِﻦ ﻋِﻨﺪِﻩِ ﺃَﻭ
ﺑِﺄَﻳﺪﻳﻨﺎ ۖ ﻓَﺘَﺮَﺑَّﺼﻮﺍ ﺇِﻧّﺎ ﻣَﻌَﻜُﻢ
ﻣُﺘَﺮَﺑِّﺼﻮﻥَ
[52] আপনি বলুন, তোমরা তো তোমাদের
জন্যে দুটি কল্যাণের একটি প্রত্যাশা কর; আর
আমরা প্রত্যাশায় আছি তোমাদের জন্যে যে,
আল্লাহ তোমাদের আযাব দান করুন নিজের
পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হস্তে। সুতরাং
তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও তোমাদের
সাথে অপেক্ষমাণ।
[52] Say: “Do you wait for us (anything)
except one of the two best things
(martyrdom or victory); while we await
for you either that Allâh will afflict you
with a punishment from Himself or at
our hands. So wait, we too are waiting
with you.”
[53] ﻗُﻞ ﺃَﻧﻔِﻘﻮﺍ ﻃَﻮﻋًﺎ ﺃَﻭ
ﻛَﺮﻫًﺎ ﻟَﻦ ﻳُﺘَﻘَﺒَّﻞَ ﻣِﻨﻜُﻢ ۖ ﺇِﻧَّﻜُﻢ
ﻛُﻨﺘُﻢ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻓٰﺴِﻘﻴﻦَ
[53] আপনি বলুন, তোমরা ইচ্ছায় অর্থ ব্যয় কর
বা অনিচ্ছায়, তোমাদের থেকে তা কখনো
কবুল হবে না, তোমরা নাফরমানের দল।
[53] Say: “Spend (in Allâh’s Cause)
willingly or unwillingly, it will not be
accepted from you. Verily, you are ever a
people who are Fâsiqûn (rebellious,
disobedient to Allâh).”
[54] ﻭَﻣﺎ ﻣَﻨَﻌَﻬُﻢ ﺃَﻥ ﺗُﻘﺒَﻞَ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻧَﻔَﻘٰﺘُﻬُﻢ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺑِﺮَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﻻ ﻳَﺄﺗﻮﻥَ
ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﺇِﻟّﺎ ﻭَﻫُﻢ ﻛُﺴﺎﻟﻰٰ ﻭَﻻ
ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﻭَﻫُﻢ ﻛٰﺮِﻫﻮﻥَ
[54] তাদের অর্থ ব্যয় কবুল না হওয়ার এছাড়া
আর কোন কারণ নেই যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের প্রতি অবিশ্বাসী, তারা নামাযে আসে
অলসতার সাথে ব্যয় করে সঙ্কুচিত মনে।
[54] And nothing prevents their
contributions from being accepted from
them except that they disbelieved in
Allâh and in His Messenger (Muhammad
SAW); and that they came not to As-Salât
(the prayer) except in a lazy state; and
that they offer not contributions but
unwillingly.
[55] ﻓَﻼ ﺗُﻌﺠِﺒﻚَ ﺃَﻣﻮٰﻟُﻬُﻢ ﻭَﻻ
ﺃَﻭﻟٰﺪُﻫُﻢ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻟِﻴُﻌَﺬِّﺑَﻬُﻢ ﺑِﻬﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻭَﺗَﺰﻫَﻖَ ﺃَﻧﻔُﺴُﻬُﻢ ﻭَﻫُﻢ
ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[55] সুতরাং তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি
যেন আপনাকে বিস্মিত না করে। আল্লাহর
ইচ্ছা হল এগুলো দ্বারা দুনিয়ার জীবনে
তাদের আযাবে নিপতিত রাখা এবং প্রাণবিয়োগ
হওয়া কুফরী অবস্থায়।
[55] So let not their wealth or their
children amaze you (O Muhammad
SAW); in reality Allâh’s Plan is to punish
them with these things in the life of the
this world, and that their souls shall
depart (die) while they are disbelievers.
[56] ﻭَﻳَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻧَّﻬُﻢ
ﻟَﻤِﻨﻜُﻢ ﻭَﻣﺎ ﻫُﻢ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻨَّﻬُﻢ
ﻗَﻮﻡٌ ﻳَﻔﺮَﻗﻮﻥَ
[56] তারা আল্লাহর নামে হলফ করে বলে
যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত, অথচ তারা
তোমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়, অবশ্য তারা
তোমাদের ভয় করে।
[56] They swear by Allâh that they are
truly of you while they are not of you,
but they are a people (hypocrites) who
are afraid (that you may kill them).
[57] ﻟَﻮ ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﻣَﻠﺠَـًٔﺎ ﺃَﻭ
ﻣَﻐٰﺮٰﺕٍ ﺃَﻭ ﻣُﺪَّﺧَﻠًﺎ ﻟَﻮَﻟَّﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻪِ
ﻭَﻫُﻢ ﻳَﺠﻤَﺤﻮﻥَ
[57] তারা কোন আশ্রয়স্থল, কোন গুহা বা মাথা
গোঁজার ঠাই পেলে সেদিকে পলায়ন
করবে দ্রুতগতিতে।
[57] Should they find a refuge, or caves,
or a place of concealment, they would
turn straightway thereto with a swift
rush.
[58] ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻠﻤِﺰُﻙَ ﻓِﻰ
ﺍﻟﺼَّﺪَﻗٰﺖِ ﻓَﺈِﻥ ﺃُﻋﻄﻮﺍ ﻣِﻨﻬﺎ
ﺭَﺿﻮﺍ ﻭَﺇِﻥ ﻟَﻢ ﻳُﻌﻄَﻮﺍ ﻣِﻨﻬﺎ
ﺇِﺫﺍ ﻫُﻢ ﻳَﺴﺨَﻄﻮﻥَ
[58] তাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে
যারা সদকা বন্টনে আপনাকে দোষারূপ করে।
এর থেকে কিছু পেলে সন্তুষ্ট হয় এবং না
পেলে বিক্ষুব্ধ হয়।
[58] And of them are some who accuse
you (O Muhammad SAW) in the matter
of (the distribution of) the alms. If they
are given part thereof, they are pleased,
but if they are not given thereof, behold!
They are enraged!
[59] ﻭَﻟَﻮ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺭَﺿﻮﺍ ﻣﺎ
ﺀﺍﺗﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ
ﺣَﺴﺒُﻨَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻴُﺆﺗﻴﻨَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﺇِﻧّﺎ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺭٰﻏِﺒﻮﻥَ
[59] কতই না ভাল হত, যদি তারা সন্তুষ্ট হত
আল্লাহ ও তার রসূলের উপর এবং বলত,
আল্লাহই আমাদের জন্যে যথেষ্ট, আল্লাহ
আমাদের দেবেন নিজ করুণায় এবং তাঁর
রসূলও, আমরা শুধু আল্লাহকেই কামনা করি।
[59] Would that they were contented
with what Allâh and His Messenger
(SAW) gave them and had said: “Allâh is
Sufficient for us. Allâh will give us of His
Bounty, and so will His Messenger (from
alms, etc.). We implore Allâh (to enrich
us).”
[60] ۞ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺼَّﺪَﻗٰﺖُ
ﻟِﻠﻔُﻘَﺮﺍﺀِ ﻭَﺍﻟﻤَﺴٰﻜﻴﻦِ ﻭَﺍﻟﻌٰﻤِﻠﻴﻦَ
ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻭَﺍﻟﻤُﺆَﻟَّﻔَﺔِ ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ
ﻭَﻓِﻰ ﺍﻟﺮِّﻗﺎﺏِ ﻭَﺍﻟﻐٰﺮِﻣﻴﻦَ
ﻭَﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﺑﻦِ
ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞِ ۖ ﻓَﺮﻳﻀَﺔً ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[60] যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত
আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ
প্রয়োজন তাদে হক এবং তা দাস-মুক্তির
জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর
পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং
মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত
বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[60] As-Sadaqât (here it means Zakât)
are only for the Fuqarâ’ (poor), and Al-
Masâkin (the poor) and those employed
to collect (the funds); and to attract the
hearts of those who have been inclined
(towards Islâm); and to free the captives;
and for those in debt; and for Allâh’s
Cause (i.e. for Mujâhidûn – those fighting
in the holy battle), and for the wayfarer
(a traveller who is cut off from
everything); a duty imposed by Allâh.
And Allâh is All-Knower, All-Wise.
[61] ﻭَﻣِﻨﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳُﺆﺫﻭﻥَ
ﺍﻟﻨَّﺒِﻰَّ ﻭَﻳَﻘﻮﻟﻮﻥَ ﻫُﻮَ ﺃُﺫُﻥٌ ۚ ﻗُﻞ
ﺃُﺫُﻥُ ﺧَﻴﺮٍ ﻟَﻜُﻢ ﻳُﺆﻣِﻦُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﻳُﺆﻣِﻦُ ﻟِﻠﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺭَﺣﻤَﺔٌ
ﻟِﻠَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻣِﻨﻜُﻢ ۚ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻳُﺆﺫﻭﻥَ ﺭَﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[61] আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ
নবীকে ক্লেশ দেয়, এবং বলে, এ
লোকটি তো কানসর্বস্ব। আপনি বলে দিন, কান
হলেও তোমাদেরই মঙ্গলের জন্য,
আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে
মুসলমানদের কথার উপর। বস্তুতঃ তোমাদের
মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্য তিনি
রহমতবিশেষ। আর যারা আল্লাহর রসূলের
প্রতি কুৎসা রটনা করে, তাদের জন্য
রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
[61] And among them are men who
annoy the Prophet (Muhammad SAW)
and say: “He is (lending his) ear (to
every news).” Say: “He listens to what is
best for you; he believes in Allâh; has
faith in the believers; and is a mercy to
those of you who believe.” But those who
hurt Allâh’s Messenger (Muhammad
SAW) will have a painful torment.
[62] ﻳَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻜُﻢ
ﻟِﻴُﺮﺿﻮﻛُﻢ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ
ﺃَﺣَﻖُّ ﺃَﻥ ﻳُﺮﺿﻮﻩُ ﺇِﻥ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[62] তোমাদের সামনে আল্লাহর কসম খায়
যাতে তোমাদের রাযী করতে পারে।
অবশ্য তারা যদি ঈমানদার হয়ে থাকে, তবে
আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে রাযী করা
অত্যন্ত জরুরী।
[62] They swear by Allâh to you
(Muslims) in order to please you, but it is
more fitting that they should please Allâh
and His Messenger (Muhammad SAW), if
they are believers.
[63] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧَّﻪُ ﻣَﻦ ﻳُﺤﺎﺩِﺩِ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻓَﺄَﻥَّ ﻟَﻪُ ﻧﺎﺭَ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﺧٰﻠِﺪًﺍ ﻓﻴﻬﺎ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ
ﺍﻟﺨِﺰﻯُ ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[63] তারা কি একথা জেনে নেয়নি যে,
আল্লাহর সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে যে
মোকাবেলা করে তার জন্যে নির্ধারিত
রয়েছে দোযখ; তাতে সব সময় থাকবে।
এটিই হল মহা-অপমান।
[63] Know they not that whoever opposes
and shows hostility to Allâh (swt) and
His Messenger (SAW), certainly for him
will be the Fire of Hell to abide therein.
That is extreme disgrace.
[64] ﻳَﺤﺬَﺭُ ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻮﻥَ ﺃَﻥ ﺗُﻨَﺰَّﻝَ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺳﻮﺭَﺓٌ ﺗُﻨَﺒِّﺌُﻬُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻓﻰ
ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ۚ ﻗُﻞِ ﺍﺳﺘَﻬﺰِﺀﻭﺍ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣُﺨﺮِﺝٌ ﻣﺎ ﺗَﺤﺬَﺭﻭﻥَ
[64] মুনাফেকরা এ ব্যাপারে ভয় করে যে,
মুসলমানদের উপর না এমন কোন সূরা নাযিল হয়,
যাতে তাদের অন্তরের গোপন বিষয় অবহিত
করা হবে। সুতরাং আপনি বলে দিন, ঠাট্টা-বিদ্রপ
করতে থাক; আল্লাহ তা অবশ্যই প্রকাশ
করবেন যার ব্যাপারে তোমরা ভয় করছ।
[64] The hypocrites fear lest a Sûrah
(chapter of the Qur’ân) should be
revealed about them, showing them what
is in their hearts. Say: “(Go ahead and)
mock! But certainly Allâh will bring to
light all that you fear.”
[65] ﻭَﻟَﺌِﻦ ﺳَﺄَﻟﺘَﻬُﻢ ﻟَﻴَﻘﻮﻟُﻦَّ ﺇِﻧَّﻤﺎ
ﻛُﻨّﺎ ﻧَﺨﻮﺽُ ﻭَﻧَﻠﻌَﺐُ ۚ ﻗُﻞ
ﺃَﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺀﺍﻳٰﺘِﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﺴﺘَﻬﺰِﺀﻭﻥَ
[65] আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস
কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা
বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন,
তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম
আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে
ঠাট্টা করছিলে?
[65] If you ask them (about this), they
declare: “We were only talking idly and
joking.” Say: “Was it at Allâh (swt), and
His Ayât (proofs, evidences, verses,
lessons, signs, revelations) and His
Messenger (SAW) that you were
mocking?”
[66] ﻻ ﺗَﻌﺘَﺬِﺭﻭﺍ ﻗَﺪ ﻛَﻔَﺮﺗُﻢ ﺑَﻌﺪَ
ﺇﻳﻤٰﻨِﻜُﻢ ۚ ﺇِﻥ ﻧَﻌﻒُ ﻋَﻦ ﻃﺎﺋِﻔَﺔٍ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻧُﻌَﺬِّﺏ ﻃﺎﺋِﻔَﺔً ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻣُﺠﺮِﻣﻴﻦَ
[66] ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে
গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের
মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা
করে দেইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে
আযাবও দেব। কারণ, তারা ছিল গোনাহগার।
[66] Make no excuse; you have
disbelieved after you had believed. If We
pardon some of you, We will punish
others amongst you because they were
Mujrimûn (disbelievers, polytheists,
sinners, criminals).
[67] ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘٰﺖُ
ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺾٍ ۚ ﻳَﺄﻣُﺮﻭﻥَ
ﺑِﺎﻟﻤُﻨﻜَﺮِ ﻭَﻳَﻨﻬَﻮﻥَ ﻋَﻦِ
ﺍﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ ﻭَﻳَﻘﺒِﻀﻮﻥَ ﺃَﻳﺪِﻳَﻬُﻢ ۚ
ﻧَﺴُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻓَﻨَﺴِﻴَﻬُﻢ ۗ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻮﻥَ
[67] মুনাফেক নর-নারী সবারই গতিবিধি
একরকম; শিখায় মন্দ কথা, ভাল কথা থেকে
বারণ করে এবং নিজ মুঠো বন্ধ রাখে।
আল্লাহকে ভুলে গেছে তার, কাজেই
তিনিও তাদের ভূলে গেছেন নিঃসন্দেহে
মুনাফেকরাই নাফরমান।
[67] The hypocrites, men and women,
are one from another, they enjoin (on
the people) Al-Munkar (i.e. disbelief and
polytheism of all kinds and all that Islâm
has forbidden), and forbid (people) from
Al-Ma’rûf (i.e. Islâmic Monotheism and
all that Islâm orders one to do), and they
close their hands [from giving (spending
in Allâh’s Cause) alms]. They have
forgotten Allâh, so He has forgotten
them. Verily, the hypocrites are the
Fâsiqûn (rebellious, disobedient to
Allâh).
[68] ﻭَﻋَﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘٰﺖِ ﻭَﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭَ ﻧﺎﺭَ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ۚ ﻫِﻰَ ﺣَﺴﺒُﻬُﻢ ۚ
ﻭَﻟَﻌَﻨَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۖ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ
ﻣُﻘﻴﻢٌ
[68] ওয়াদা করেছেন আল্লাহ, মুনাফেক পুরুষ
ও মুনাফেক নারীদের এবং কাফেরদের
জন্যে দোযখের আগুনের-তাতে পড়ে
থাকবে সর্বদা। সেটাই তাদের জন্যে
যথেষ্ট। আর আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত
করেছেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে
স্থায়ী আযাব।
[68] Allâh has promised the hypocrites —
men and women — and the disbelievers,
the Fire of Hell, therein shall they abide.
It will suffice them. Allâh has cursed
them and for them is the lasting torment.
[69] ﻛَﺎﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﺃَﺷَﺪَّ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻗُﻮَّﺓً ﻭَﺃَﻛﺜَﺮَ ﺃَﻣﻮٰﻟًﺎ
ﻭَﺃَﻭﻟٰﺪًﺍ ﻓَﺎﺳﺘَﻤﺘَﻌﻮﺍ ﺑِﺨَﻠٰﻘِﻬِﻢ
ﻓَﺎﺳﺘَﻤﺘَﻌﺘُﻢ ﺑِﺨَﻠٰﻘِﻜُﻢ ﻛَﻤَﺎ
ﺍﺳﺘَﻤﺘَﻊَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻠِﻜُﻢ
ﺑِﺨَﻠٰﻘِﻬِﻢ ﻭَﺧُﻀﺘُﻢ ﻛَﺎﻟَّﺬﻯ
ﺧﺎﺿﻮﺍ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺣَﺒِﻄَﺖ
ﺃَﻋﻤٰﻠُﻬُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﺨٰﺴِﺮﻭﻥَ
[69] যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তী
লোকেরা তোমাদের চেয়ে বেশী ছিল
শক্তিতে এবং ধন-সম্পদের ও সন্তান-সন্ততির
অধিকারীও ছিল বেশী; অতঃপর উপকৃত
হয়েছে নিজেদের ভাগের দ্বারা আবার
তোমরা ফায়দা উঠিয়েছ তোমাদের ভাগের
দ্বারা-যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীরা
ফায়দা উঠিয়েছিল নিজেদের ভাগের দ্বারা।
আর তোমরাও বলছ তাদেরই চলন অনুযায়ী।
তারা ছিল সে লোক, যাদের আমলসমূহ
নিঃশেষিত হয়ে গেছে দুনিয়া ও আখেরাতে।
আর তারাই হয়েছে ক্ষতির সম্মুখীন।
[69] Like those before you: they were
mightier than you in power, and more
abundant in wealth and children. They
had enjoyed their portion (awhile), so
enjoy your portion (awhile) as those
before you enjoyed their portion
(awhile); and you indulged in play and
pastime (and in telling lies against Allâh
and His Messenger Muhammad SAW) as
they indulged in play and pastime. Such
are they whose deeds are in vain in this
world and in the Hereafter. Such are
they who are the losers.
[70] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﺄﺗِﻬِﻢ ﻧَﺒَﺄُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻣِﻦ
ﻗَﺒﻠِﻬِﻢ ﻗَﻮﻡِ ﻧﻮﺡٍ ﻭَﻋﺎﺩٍ
ﻭَﺛَﻤﻮﺩَ ﻭَﻗَﻮﻡِ ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ
ﻭَﺃَﺻﺤٰﺐِ ﻣَﺪﻳَﻦَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﺗَﻔِﻜٰﺖِ ۚ
ﺃَﺗَﺘﻬُﻢ ﺭُﺳُﻠُﻬُﻢ ﺑِﺎﻟﺒَﻴِّﻨٰﺖِ ۖ ﻓَﻤﺎ
ﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻴَﻈﻠِﻤَﻬُﻢ ﻭَﻟٰﻜِﻦ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻳَﻈﻠِﻤﻮﻥَ
[70] তাদের সংবাদ কি এদের কানে এসে
পৌঁছায়নি, যারা ছিল তাদের পূর্বে; নূহের
আ’দের ও সামুদের সম্প্রদায় এবং
ইব্রাহীমের সম্প্রদায়ের এবং
মাদইয়ানবাসীদের? এবং সেসব জনপদের
যেগুলোকে উল্টে দেয়া হয়েছিল?
তাদের কাছে এসেছিলেন তাদের নবী
পরিষ্কার নির্দেশ নিয়ে। বস্তুতঃ আল্লাহ তো
এমন ছিলেন না যে, তাদের উপর জুলুম
করতেন, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের
উপর জুলুম করতো।
[70] Has not the story reached them of
those before them? – The people of Nûh
(Noah), ‘Âd, and Thamûd, the people of
Ibrâhîm (Abraham), the dwellers of
Madyan (Midian) and the cities
overthrown [i.e. the people to whom Lût
(Lot) preached]; to them came their
Messengers with clear proofs. So it was
not Allâh Who wronged them, but they
used to wrong themselves.
[71] ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖُ
ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀُ ﺑَﻌﺾٍ ۚ
ﻳَﺄﻣُﺮﻭﻥَ ﺑِﺎﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ ﻭَﻳَﻨﻬَﻮﻥَ
ﻋَﻦِ ﺍﻟﻤُﻨﻜَﺮِ ﻭَﻳُﻘﻴﻤﻮﻥَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ
ﻭَﻳُﺆﺗﻮﻥَ ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﻳُﻄﻴﻌﻮﻥَ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺳَﻴَﺮﺣَﻤُﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋَﺰﻳﺰٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[71] আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে
অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং
মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা
করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের
নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে।
এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী।
[71] The believers, men and women, are
Auliyâ’ (helpers, supporters, friends,
protectors) of one another; they enjoin
(on the people) Al-Ma‘rûf (i.e. Islâmic
Monotheism and all that Islâm orders
one to do), and forbid (people) from Al-
Munkar (i.e. polytheism and disbelief of
all kinds, and all that Islâm has
forbidden); they perform As-Salât
(Iqâmat-as-Salât), and give the Zakât,
and obey Allâh and His Messenger. Allâh
will have His Mercy on them. Surely
Allâh is All-Mighty, All-Wise.
[72] ﻭَﻋَﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨٰﺖِ ﺟَﻨّٰﺖٍ ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ
ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ
ﻭَﻣَﺴٰﻜِﻦَ ﻃَﻴِّﺒَﺔً ﻓﻰ ﺟَﻨّٰﺖِ
ﻋَﺪﻥٍ ۚ ﻭَﺭِﺿﻮٰﻥٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻛﺒَﺮُ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻔَﻮﺯُ ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[72] আল্লাহ ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার
নারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেনে কানন-
কুঞ্জের, যার তলদেশে প্রবাহিত হয়
প্রস্রবণ। তারা সে গুলোরই মাঝে থাকবে।
আর এসব কানন-কুঞ্জে থাকবে পরিচ্ছন্ন
থাকার ঘর। বস্তুতঃ এ সমুদয়ের মাঝে
সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। এটিই হল
মহান কৃতকার্যতা।
[72] Allâh has promised the believers –
men and women, – Gardens under which
rivers flow to dwell therein forever, and
beautiful mansions in Gardens of ‘Adn
(Eden Paradise). But the greatest bliss is
the Good Pleasure of Allâh. That is the
supreme success.
[73] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺟٰﻬِﺪِ ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭَ
ﻭَﺍﻟﻤُﻨٰﻔِﻘﻴﻦَ ﻭَﺍﻏﻠُﻆ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ
ﻭَﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢ ﺟَﻬَﻨَّﻢُ ۖ ﻭَﺑِﺌﺲَ
ﺍﻟﻤَﺼﻴﺮُ
[73] হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ
করুন এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের সাথে
কঠোরতা অবলম্বন করুন। তাদের ঠিকানা হল
দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা।
[73] O Prophet (Muhammad SAW)! Strive
hard against the disbelievers and the
hypocrites, and be harsh against them,
their abode is Hell, – and worst indeed is
that destination.
[74] ﻳَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣﺎ ﻗﺎﻟﻮﺍ
ﻭَﻟَﻘَﺪ ﻗﺎﻟﻮﺍ ﻛَﻠِﻤَﺔَ ﺍﻟﻜُﻔﺮِ
ﻭَﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑَﻌﺪَ ﺇِﺳﻠٰﻤِﻬِﻢ ﻭَﻫَﻤّﻮﺍ
ﺑِﻤﺎ ﻟَﻢ ﻳَﻨﺎﻟﻮﺍ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻧَﻘَﻤﻮﺍ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻥ ﺃَﻏﻨﻯٰﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﻳَﺘﻮﺑﻮﺍ ﻳَﻚُ ﺧَﻴﺮًﺍ
ﻟَﻬُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﺘَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ ﺃَﻟﻴﻤًﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻭَﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۚ ﻭَﻣﺎ ﻟَﻬُﻢ ﻓِﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ﻣِﻦ ﻭَﻟِﻰٍّ ﻭَﻻ ﻧَﺼﻴﺮٍ
[74] তারা কসম খায় যে, আমরা বলিনি, অথচ
নিঃসন্দেহে তারা বলেছে কুফরী বাক্য এবং
মুসলমান হবার পর অস্বীকৃতিজ্ঞাপনকারী
হয়েছে। আর তারা কামনা করেছিল এমন
বস্তুর যা তারা প্রাপ্ত হয়নি। আর এসব তারই
পরিণতি ছিল যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল
তাদেরকে সম্পদশালী করে দিয়েছিলেন
নিজের অনুগ্রহের মাধ্যমে। বস্তুতঃ এরা যদি
তওবা করে নেয়, তবে তাদের জন্য
মঙ্গল। আর যদি তা না মানে, তবে তাদের
কে আযাব দেবেন আল্লাহ তা’আলা,
বেদনাদায়ক আযাব দুনিয়া ও আখেরাতে।
অতএব, বিশ্বচরাচরে তাদের জন্য কোন
সাহায্যকারী-সমর্থক নেই।
[74] They swear by Allâh that they said
nothing (bad), but really they said the
word of disbelief, and they disbelieved
after accepting Islâm, and they resolved
that (plot to murder Prophet Muhammad
SAW) which they were unable to carry
out, and they could not find any cause to
do so except that Allâh and His
Messenger had enriched them of His
Bounty. If then they repent, it will be
better for them, but if they turn away,
Allâh will punish them with a painful
torment in this worldly life and in the
Hereafter. And there is none for them on
earth as a Walî (supporter, protector) or
a helper.
[75] ۞ ﻭَﻣِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻋٰﻬَﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻟَﺌِﻦ ﺀﺍﺗﻯٰﻨﺎ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ
ﻟَﻨَﺼَّﺪَّﻗَﻦَّ ﻭَﻟَﻨَﻜﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﺼّٰﻠِﺤﻴﻦَ
[75] তাদের মধ্যে কেউ কেউ রয়েছে
যারা আল্লাহ তা’আলার সাথে ওয়াদা করেছিল
যে, তিনি যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ দান
করেন, তবে অবশ্যই আমরা ব্যয় করব এবং
সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকব।
[75] And of them are some who made a
covenant with Allâh (saying): “If He
bestowed on us of His Bounty, we will
verily, give Sadaqâh (Zakât and
voluntary charity in Allâh’s Cause) and
will be certainly among those who are
righteous.”
[76] ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺀﺍﺗﻯٰﻬُﻢ ﻣِﻦ ﻓَﻀﻠِﻪِ
ﺑَﺨِﻠﻮﺍ ﺑِﻪِ ﻭَﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ
ﻣُﻌﺮِﺿﻮﻥَ
[76] অতঃপর যখন তাদেরকে স্বীয়
অনুগ্রহের মাধ্যমে দান করা হয়, তখন তাতে
কার্পণ্য করেছে এবং কৃত ওয়াদা থেকে
ফিরে গেছে তা ভেঙ্গে দিয়ে।
[76] Then when He gave them of His
Bounty, they became niggardly [refused
to pay the Sadaqâh (Zakât or voluntary
charity)], and turned away, averse.
[77] ﻓَﺄَﻋﻘَﺒَﻬُﻢ ﻧِﻔﺎﻗًﺎ ﻓﻰ
ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﻳَﻮﻡِ ﻳَﻠﻘَﻮﻧَﻪُ ﺑِﻤﺎ
ﺃَﺧﻠَﻔُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣﺎ ﻭَﻋَﺪﻭﻩُ ﻭَﺑِﻤﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻜﺬِﺑﻮﻥَ
[77] তারপর এরই পরিণতিতে তাদের অন্তরে
কপটতা স্থান করে নিয়েছে সেদিন পর্যন্ত,
যেদিন তার তাঁর সাথে গিয়ে মিলবে। তা এজন্য
যে, তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা লংঘন
করেছিল এবং এজন্যে যে, তারা মিথ্যা কথা
বলতো।
[77] So He punished them by putting
hypocrisy into their hearts till the Day
whereon they shall meet Him, because
they broke that (covenant with Allâh)
which they had promised to Him and
because they used to tell lies.
[78] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﻌﻠَﻢُ
ﺳِﺮَّﻫُﻢ ﻭَﻧَﺠﻮﻯٰﻬُﻢ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋَﻠّٰﻢُ ﺍﻟﻐُﻴﻮﺏِ
[78] তারা কি জেনে নেয়নি যে, আল্লাহ
তাদের রহস্য ও শলা-পরামর্শ সম্পর্কে
অবগত এবং আল্লাহ খুব ভাল করেই জানেন
সমস্ত গোপন বিষয় ?
[78] Know they not that Allâh knows
their secret ideas, and their Najwa
(secret counsels), and that Allâh is the
All-Knower of the unseen.
[79] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻠﻤِﺰﻭﻥَ
ﺍﻟﻤُﻄَّﻮِّﻋﻴﻦَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺼَّﺪَﻗٰﺖِ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ
ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﺇِﻟّﺎ ﺟُﻬﺪَﻫُﻢ
ﻓَﻴَﺴﺨَﺮﻭﻥَ ﻣِﻨﻬُﻢ ۙ ﺳَﺨِﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻣِﻨﻬُﻢ ﻭَﻟَﻬُﻢ ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[79] সে সমস্ত লোক যারা ভৎর্সনা-বিদ্রূপ
করে সেসব মুসলমানদের প্রতি যারা মন
খুলে দান-খয়রাত করে এবং তাদের প্রতি
যাদের কিছুই নেই শুধুমাত্র নিজের
পরিশ্রমলব্দ বস্তু ছাড়া। অতঃপর তাদের প্রতি
ঠাট্টা করে। আল্লাহ তাদের প্রতি ঠাট্টা
করেছেন এবং তাদের জন্য রয়েছে
বেদনাদায়ক আযাব।
[79] Those who defame such of the
believers who give charity (in Allâh’s
Cause) voluntarily, and such who could
not find to give charity (in Allâh’s Cause)
except what is available to them, so they
mock at them (believers), Allâh will
throw back their mockery on them, and
they shall have a painful torment.
[80] ﺍﺳﺘَﻐﻔِﺮ ﻟَﻬُﻢ ﺃَﻭ ﻻ
ﺗَﺴﺘَﻐﻔِﺮ ﻟَﻬُﻢ ﺇِﻥ ﺗَﺴﺘَﻐﻔِﺮ ﻟَﻬُﻢ
ﺳَﺒﻌﻴﻦَ ﻣَﺮَّﺓً ﻓَﻠَﻦ ﻳَﻐﻔِﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻟَﻬُﻢ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻴﻦَ
[80] তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না
কর। যদি তুমি তাদের জন্য সত্তর বারও
ক্ষমাপ্রার্থনা কর, তথাপি কখনোই তাদেরকে
আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তা এজন্য যে, তারা
আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অস্বীকার
করেছে। বস্তুতঃ আল্লাহ না-ফারমানদেরকে
পথ দেখান না।
[80] Whether you (O Muhammad SAW)
ask forgiveness for them (hypocrites) or
ask not forgiveness for them … (and
even) if you ask seventy times for their
forgiveness … Allâh will not forgive
them, because they have disbelieved in
Allâh and His Messenger (Muhammad
SAW). And Allâh guides not those people
who are Fâsiqûn (rebellious, disobedient
to Allâh).
[81] ﻓَﺮِﺡَ ﺍﻟﻤُﺨَﻠَّﻔﻮﻥَ ﺑِﻤَﻘﻌَﺪِﻫِﻢ
ﺧِﻠٰﻒَ ﺭَﺳﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻛَﺮِﻫﻮﺍ ﺃَﻥ
ﻳُﺠٰﻬِﺪﻭﺍ ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ
ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﻻ
ﺗَﻨﻔِﺮﻭﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺤَﺮِّ ۗ ﻗُﻞ ﻧﺎﺭُ
ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﺃَﺷَﺪُّ ﺣَﺮًّﺍ ۚ ﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ
ﻳَﻔﻘَﻬﻮﻥَ
[81] পেছনে থেকে যাওয়া লোকেরা
আল্লাহর রসূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বসে
থাকতে পেরে আনন্দ লাভ করেছে; আর
জান ও মালের দ্বারা আল্লাহর রাহে জেহাদ
করতে অপছন্দ করেছে এবং বলেছে,
এই গরমের মধ্যে অভিযানে বের হয়ো না।
বলে দাও, উত্তাপে জাহান্নামের আগুন
প্রচন্ডতম। যদি তাদের বিবেচনা শক্তি থাকত।
[81] Those who stayed away (from Tabuk
expedition) rejoiced in their staying
behind the Messenger of Allâh; they
hated to strive and fight with their
properties and their lives in the Cause of
Allâh, and they said: “March not forth in
the heat.” Say: “The Fire of Hell is more
intense in heat”, if only they could
understand!
[82] ﻓَﻠﻴَﻀﺤَﻜﻮﺍ ﻗَﻠﻴﻠًﺎ
ﻭَﻟﻴَﺒﻜﻮﺍ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﺟَﺰﺍﺀً ﺑِﻤﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[82] অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক এবং তারা
তাদের কৃতকর্মের বদলাতে অনেক
বেশী কাঁদবে।
[82] So let them laugh a little and (they
will) cry much as a recompense of what
they used to earn (by committing sins).
[83] ﻓَﺈِﻥ ﺭَﺟَﻌَﻚَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟﻰٰ
ﻃﺎﺋِﻔَﺔٍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻓَﺎﺳﺘَـٔﺬَﻧﻮﻙَ
ﻟِﻠﺨُﺮﻭﺝِ ﻓَﻘُﻞ ﻟَﻦ ﺗَﺨﺮُﺟﻮﺍ
ﻣَﻌِﻰَ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﻭَﻟَﻦ ﺗُﻘٰﺘِﻠﻮﺍ ﻣَﻌِﻰَ
ﻋَﺪُﻭًّﺍ ۖ ﺇِﻧَّﻜُﻢ ﺭَﺿﻴﺘُﻢ ﺑِﺎﻟﻘُﻌﻮﺩِ
ﺃَﻭَّﻝَ ﻣَﺮَّﺓٍ ﻓَﺎﻗﻌُﺪﻭﺍ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﺨٰﻠِﻔﻴﻦَ
[83] বস্তুতঃ আল্লাহ যদি তোমাকে তাদের
মধ্য থেকে কোন শ্রেণীবিশেষের
দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যান এবং অতঃপর তারা
তোমার কাছে অভিযানে বেরোবার অনুমতি
কামনা করে, তবে তুমি বলো যে, তোমরা
কখনো আমার সাথে বেরোবে না এবং আমার
পক্ষ হয়ে কোন শত্রুর সাথে যুদ্ধ করবে
না, তোমরা তো প্রথমবারে বসে থাকা পছন্দ
করেছ, কাজেই পেছনে পড়ে থাকা
লোকদের সাথেই বসে থাক।
[83] If Allâh brings you back to a party
of them (the hypocrites), and they ask
your permission to go out (to fight), say:
“Never shall you go out with me, nor
fight an enemy with me; you were
pleased to sit (inactive) on the first
occasion, then you sit (now) with those
who lag behind.”
[84] ﻭَﻻ ﺗُﺼَﻞِّ ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﺣَﺪٍ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻣﺎﺕَ ﺃَﺑَﺪًﺍ ﻭَﻻ ﺗَﻘُﻢ ﻋَﻠﻰٰ ﻗَﺒﺮِﻩِ ۖ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﻭَﻣﺎﺗﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻓٰﺴِﻘﻮﻥَ
[84] আর তাদের মধ্য থেকে কারো মৃত্যু
হলে তার উপর কখনও নামায পড়বেন না এবং
তার কবরে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহর
প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং
রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা না ফরমান অবস্থায়
মৃত্যু বরণ করেছে।
[84] And never (O Muhammad SAW)
pray (funeral prayer) for any of them
(hypocrites) who dies, nor stand at his
grave. Certainly they disbelieved in
Allâh and His Messenger, and died while
they were Fâsiqûn (rebellious, –
disobedient to Allâh and His Messenger
SAW).
[85] ﻭَﻻ ﺗُﻌﺠِﺒﻚَ ﺃَﻣﻮٰﻟُﻬُﻢ
ﻭَﺃَﻭﻟٰﺪُﻫُﻢ ۚ ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳُﺮﻳﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ
ﻳُﻌَﺬِّﺑَﻬُﻢ ﺑِﻬﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ
ﻭَﺗَﺰﻫَﻖَ ﺃَﻧﻔُﺴُﻬُﻢ ﻭَﻫُﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[85] আর বিস্মিত হয়ো না তাদের ধন সম্পদ ও
সন্তান-সন্তুতির দরুন। আল্লাহ তো এই চান যে,
এ সবের কারণে তাদেরকে আযাবের
ভেতরে রাখবেন দুনিয়ায় এবং তাদের প্রাণ
নির্গত হওয়া পর্যন্ত যেন তারা কাফেরই
থাকে।
[85] And let not their wealth or their
children amaze you. Allâh’s Plan is to
punish them with these things in this
world, and that their souls shall depart
(die) while they are disbelievers.
[86] ﻭَﺇِﺫﺍ ﺃُﻧﺰِﻟَﺖ ﺳﻮﺭَﺓٌ ﺃَﻥ
ﺀﺍﻣِﻨﻮﺍ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺟٰﻬِﺪﻭﺍ ﻣَﻊَ
ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﺍﺳﺘَـٔﺬَﻧَﻚَ ﺃُﻭﻟُﻮﺍ
ﺍﻟﻄَّﻮﻝِ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻭَﻗﺎﻟﻮﺍ ﺫَﺭﻧﺎ
ﻧَﻜُﻦ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻘٰﻌِﺪﻳﻦَ
[86] আর যখন নাযিল হয় কোন সূরা যে,
তোমরা ঈমান আন আল্লাহর উপর, তাঁর রসূলের
সাথে একাত্ন হয়ে; তখন বিদায় কামনা করে
তাদের সামর্থøবান লোকেরা এবং বলে
আমাদের অব্যাহতি দিন, যাতে আমরা
(নিস্ক্রিয়ভাবে) বসে থাকা লোকদের সাথে
থেকে যেতে পারি।
[86] And when a Sûrah (chapter from the
Qur’ân) is revealed, enjoining them to
believe in Allâh and to strive hard and
fight along with His Messenger, the
wealthy among them ask your leave to
exempt them (from Jihâd) and say,
“Leave us (behind), we would be with
those who sit (at home).”
[87] ﺭَﺿﻮﺍ ﺑِﺄَﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﺨَﻮﺍﻟِﻒِ ﻭَﻃُﺒِﻊَ ﻋَﻠﻰٰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ
ﻓَﻬُﻢ ﻻ ﻳَﻔﻘَﻬﻮﻥَ
[87] তারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের
সাথে থেকে যেতে পেরে আনন্দিত
হয়েছে এবং মোহর এঁটে দেয়া হয়েছে
তাদের অন্তরসমূহের উপর। বস্তুতঃ তারা
বোঝে না।
[87] They are content to be with those
(the women) who sit behind (at home).
Their hearts are sealed up (from all
kinds of goodness and right guidance), so
they understand not.
[88] ﻟٰﻜِﻦِ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝُ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻣَﻌَﻪُ ﺟٰﻬَﺪﻭﺍ ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ
ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻟَﻬُﻢُ
ﺍﻟﺨَﻴﺮٰﺕُ ۖ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤُﻔﻠِﺤﻮﻥَ
[88] কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান
এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে
নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই
জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই
মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে।
[88] But the Messenger (Muhammad
SAW) and those who believed with him
(in Islâmic Monotheism) strove hard and
fought with their wealth and their lives
(in Allâh’s Cause). Such are they for
whom are the good things, and it is they
who will be successful.
[89] ﺃَﻋَﺪَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟَﻬُﻢ ﺟَﻨّٰﺖٍ
ﺗَﺠﺮﻯ ﻣِﻦ ﺗَﺤﺘِﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻔَﻮﺯُ
ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[89] আল্লাহ তাদের জন্য তৈরী করে
রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশে
প্রবাহিত রয়েছে প্রস্রবণ। তারা তাতে বাস
করবে অনন্তকাল। এটাই হল বিরাট কৃতকার্যতা।
[89] For them Allâh has got ready
Gardens (Paradise) under which rivers
flow, to dwell therein forever. That is the
supreme success.
[90] ﻭَﺟﺎﺀَ ﺍﻟﻤُﻌَﺬِّﺭﻭﻥَ ﻣِﻦَ
ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﻟِﻴُﺆﺫَﻥَ ﻟَﻬُﻢ ﻭَﻗَﻌَﺪَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﺬَﺑُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ۚ
ﺳَﻴُﺼﻴﺐُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻣِﻨﻬُﻢ
ﻋَﺬﺍﺏٌ ﺃَﻟﻴﻢٌ
[90] আর ছলনাকারী বেদুঈন লোকেরা
এলো, যাতে তাদের অব্যাহতি লাভ হতে
পারে এবং নিবৃত্ত থাকতে পারে তাদেরই যারা
আল্লাহ ও রসূলের সাথে মিথ্যা বলে ছিল।
এবার তাদের উপর শীগ্রই আসবে
বেদনাদায়ক আযাব যারা কাফের।
[90] And those who made excuses from
the bedouins came (to you, O Prophet
SAW) asking your permission to exempt
them (from the battle), and those who
had lied to Allâh and His Messenger sat
at home (without asking the permission
for it); a painful torment will seize those
of them who disbelieve.
[91] ﻟَﻴﺲَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻀُّﻌَﻔﺎﺀِ ﻭَﻻ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤَﺮﺿﻰٰ ﻭَﻻ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳَﺠِﺪﻭﻥَ ﻣﺎ ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ
ﺣَﺮَﺝٌ ﺇِﺫﺍ ﻧَﺼَﺤﻮﺍ ﻟِﻠَّﻪِ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ۚ ﻣﺎ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
ﻣِﻦ ﺳَﺒﻴﻞٍ ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻏَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[91] দূর্বল, রুগ্ন, ব্যয়ভার বহনে অসমর্থ
লোকদের জন্য কোন অপরাধ নেই, যখন
তারা মনের দিক থেকে পবিত্র হবে আল্লাহ
ও রসূলের সাথে। নেককারদের উপর
অভিযোগের কোন পথ নেই। আর আল্লাহ
হচ্ছেন ক্ষমাকারী দয়ালু।
[91] There is no blame on those who are
weak or ill or who find no resources to
spend [in holy fighting (Jihâd)], if they
are sincere and true (in duty) to Allâh
and His Messenger. No ground (of
complaint) can there be against the
Muhsinûn (good-doers – see the footnote
of V.9:120). And Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[92] ﻭَﻻ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺇِﺫﺍ ﻣﺎ
ﺃَﺗَﻮﻙَ ﻟِﺘَﺤﻤِﻠَﻬُﻢ ﻗُﻠﺖَ ﻻ ﺃَﺟِﺪُ
ﻣﺎ ﺃَﺣﻤِﻠُﻜُﻢ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ
ﻭَﺃَﻋﻴُﻨُﻬُﻢ ﺗَﻔﻴﺾُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺪَّﻣﻊِ
ﺣَﺰَﻧًﺎ ﺃَﻟّﺎ ﻳَﺠِﺪﻭﺍ ﻣﺎ ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ
[92] আর না আছে তাদের উপর যারা
এসেছে তোমার নিকট যেন তুমি তাদের
বাহন দান কর এবং তুমি বলেছ, আমার কাছে
এমন কোন বস্তু নেই যে, তার উপর
তোমাদের সওয়ার করাব তখন তারা ফিরে
গেছে অথচ তখন তাদের চোখ দিয়ে অশ্রু
বইতেছিল এ দুঃখে যে, তারা এমন কোন বস্তু
পাচ্ছে না যা ব্যয় করবে।
[92] Nor (is there blame) on those who
came to you to be provided with mounts,
when you said: “I can find no mounts for
you,” they turned back, while their eyes
overflowing with tears of grief that they
could not find anything to spend (for
Jihâd).
[93] ۞ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺴَّﺒﻴﻞُ ﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﺴﺘَـٔﺬِﻧﻮﻧَﻚَ ﻭَﻫُﻢ
ﺃَﻏﻨِﻴﺎﺀُ ۚ ﺭَﺿﻮﺍ ﺑِﺄَﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ
ﻣَﻊَ ﺍﻟﺨَﻮﺍﻟِﻒِ ﻭَﻃَﺒَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﻓَﻬُﻢ ﻻ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[93] অভিযোগের পথ তো তাদের ব্যাপারে
রয়েছে, যারা তোমার নিকট অব্যাহতি কামনা
করে অথচ তারা সম্পদশালী। যারা পেছনে
পড়ে থাকা লোকদের সাথে থাকতে
পেরে আনন্দিত হয়েছে। আর আল্লাহ
মোহর এঁটে দিয়েছেন তাদের
অন্তরসমূহে। বস্তুতঃ তারা জানতেও পারেনি।
[93] The ground (of complaint) is only
against those who are rich, and yet ask
exemption. They are content to be with
(the women) who sit behind (at home)
and Allâh has sealed up their hearts
(from all kinds of goodness and right
guidance) so that they know not (what
they are losing).
[94] ﻳَﻌﺘَﺬِﺭﻭﻥَ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﺇِﺫﺍ
ﺭَﺟَﻌﺘُﻢ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ۚ ﻗُﻞ ﻻ
ﺗَﻌﺘَﺬِﺭﻭﺍ ﻟَﻦ ﻧُﺆﻣِﻦَ ﻟَﻜُﻢ ﻗَﺪ
ﻧَﺒَّﺄَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﺃَﺧﺒﺎﺭِﻛُﻢ ۚ
ﻭَﺳَﻴَﺮَﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻤَﻠَﻜُﻢ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ
ﺛُﻢَّ ﺗُﺮَﺩّﻭﻥَ ﺇِﻟﻰٰ ﻋٰﻠِﻢِ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ
ﻭَﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓِ ﻓَﻴُﻨَﺒِّﺌُﻜُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[94] তুমি যখন তাদের কাছে ফিরে আসবে,
তখন তারা তোমাদের নিকট ছল-ছুতা নিয়ে
উপস্থিত হবে; তুমি বলো, ছল কারো না, আমি
কখনো তোমাদের কথা শুনব না; আমাকে
আল্লাহ তা’আলা তোমাদের অবস্থা সম্পর্কে
অবহিত করে দিয়েছেন। আর এখন
তোমাদের কর্ম আল্লাহই দেখবেন এবং তাঁর
রসূল। তারপর তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে সেই
গোপন ও আগোপন বিষয়ে অবগত সত্তার
নিকট। তিনিই তোমাদের বাতলে দেবেন যা
তোমরা করছিলে।
[94] They (the hypocrites) will present
their excuses to you (Muslims), when you
return to them. Say (O Muhammad SAW)
“Present no excuses, we shall not believe
you. Allâh has already informed us of the
news concerning you. Allâh and His
Messenger will observe your deeds. In
the end you will be brought back to the
All-Knower of the unseen and the seen,
then He (Allâh) will inform you of what
you used to do.” [Tafsir At-Tabari].
[95] ﺳَﻴَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻟَﻜُﻢ ﺇِﺫَﺍ
ﺍﻧﻘَﻠَﺒﺘُﻢ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻟِﺘُﻌﺮِﺿﻮﺍ
ﻋَﻨﻬُﻢ ۖ ﻓَﺄَﻋﺮِﺿﻮﺍ ﻋَﻨﻬُﻢ ۖ ﺇِﻧَّﻬُﻢ
ﺭِﺟﺲٌ ۖ ﻭَﻣَﺄﻭﻯٰﻬُﻢ ﺟَﻬَﻨَّﻢُ
ﺟَﺰﺍﺀً ﺑِﻤﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻜﺴِﺒﻮﻥَ
[95] এখন তারা তোমার সামনে আল্লাহর কসম
খাবে, যখন তুমি তাদের কাছে ফিরে যাবে,
যেন তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও। সুতরাং তুমি
তাদের ক্ষমা কর-নিঃসন্দেহে এরা অপবিত্র
এবং তাদের কৃতকর্মের বদলা হিসাবে তাদের
ঠিকানা হলো দোযখ।
[95] They will swear by Allâh to you
(Muslims) when you return to them, that
you may turn away from them. So turn
away from them. Surely, they are Rijs
[i.e. Najas (impure) because of their evil
deeds], and Hell is their dwelling place, –
a recompense for that which they used to
earn.
[96] ﻳَﺤﻠِﻔﻮﻥَ ﻟَﻜُﻢ ﻟِﺘَﺮﺿَﻮﺍ
ﻋَﻨﻬُﻢ ۖ ﻓَﺈِﻥ ﺗَﺮﺿَﻮﺍ ﻋَﻨﻬُﻢ
ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳَﺮﺿﻰٰ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻘَﻮﻡِ
ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻴﻦَ
[96] তারা তোমার সামনে কসম খাবে যাতে তুমি
তাদের প্রতি রাযী হয়ে যাও। অতএব, তুমি যদি
রাযী হয়ে যাও তাদের প্রতি তবু আল্লাহ
তা’আলা রাযী হবেন না, এ নাফরমান
লোকদের প্রতি।
[96] They (the hypocrites) swear to you
(Muslims) that you may be pleased with
them, but if you are pleased with them,
certainly Allâh is not pleased with the
people who are Al-Fâsiqûn (rebellious,
disobedient to Allâh)
[97] ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏُ ﺃَﺷَﺪُّ ﻛُﻔﺮًﺍ
ﻭَﻧِﻔﺎﻗًﺎ ﻭَﺃَﺟﺪَﺭُ ﺃَﻟّﺎ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﺍ
ﺣُﺪﻭﺩَ ﻣﺎ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[97] বেদুইনরা কুফর ও মোনাফেকীতে
অত্যন্ত কঠোর হয়ে থাকে এবং এরা সেসব
নীতি-কানুন না শেখারই যোগ্য যা আল্লাহ
তা’আলা তাঁর রসূলের উপর নাযিল করেছেন।
বস্তুতঃ আল্লাহ সব কিছুই জানেন এবং তিনি
অত্যন্ত কুশলী।
[97] The bedouins are the worst in
disbelief and hypocrisy, and more likely
to be in ignorance of the limits (Allâh’s
Commandments and His Laws) which
Allâh has revealed to His Messenger. And
Allâh is All-Knower, All-Wise.
[98] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﻣَﻦ ﻳَﺘَّﺨِﺬُ
ﻣﺎ ﻳُﻨﻔِﻖُ ﻣَﻐﺮَﻣًﺎ ﻭَﻳَﺘَﺮَﺑَّﺺُ
ﺑِﻜُﻢُ ﺍﻟﺪَّﻭﺍﺋِﺮَ ۚ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺩﺍﺋِﺮَﺓُ
ﺍﻟﺴَّﻮﺀِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[98] আবার কোন কোন বেদুইন এমন ও
রয়েছে যারা নিজেদের ব্যয় করাকে
জরিমানা। বলে গন্য করে এবং তোমার উপর
কোন দুর্দিন আসে কিনা সে অপেক্ষায়
থাকে। তাদেরই উপর দুর্দিন আসুক। আর
আল্লাহ হচ্ছেন শ্রবণকারী, পরিজ্ঞাত।
[98] And of the bedouins there are some
who look upon what they spend (in
Allâh’s Cause) as a fine and watch for
calamities for you, on them be the
calamity of evil. And Allâh is All-Hearer,
All-Knower.
[99] ﻭَﻣِﻦَ ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﻣَﻦ ﻳُﺆﻣِﻦُ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ
ﻭَﻳَﺘَّﺨِﺬُ ﻣﺎ ﻳُﻨﻔِﻖُ ﻗُﺮُﺑٰﺖٍ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺻَﻠَﻮٰﺕِ ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝِ ۚ ﺃَﻻ
ﺇِﻧَّﻬﺎ ﻗُﺮﺑَﺔٌ ﻟَﻬُﻢ ۚ ﺳَﻴُﺪﺧِﻠُﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓﻰ ﺭَﺣﻤَﺘِﻪِ ۗ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[99] আর কোন কোন বেদুইন হল তারা, যারা
ঈমান আনে আল্লাহর উপর, কেয়ামত দিনের
উপর এবং নিজেদের ব্যয়কে আল্লাহর
নৈকট্য এবং রসূলের দোয়া লাভের উপায় বলে
গণ্য করে। জেনো! তাই হল তাদের
ক্ষেত্রে নৈকট্য। আল্লাহ তাদেরকে
নিজের রহমতের অন্তর্ভূক্ত করবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়।
[99] And of the bedouins there are some
who believe in Allâh and the Last Day,
and look upon what they spend in
Allâh’s Cause as means of nearness to
Allâh, and a cause of receiving the
Messenger’s invocations. Indeed these
(spendings in Allâh’s Cause) are a means
of nearness for them. Allâh will admit
them to His Mercy. Certainly Allâh is
Oft-Forgiving, Most Merciful.
[100] ﻭَﺍﻟﺴّٰﺒِﻘﻮﻥَ ﺍﻷَﻭَّﻟﻮﻥَ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﻬٰﺠِﺮﻳﻦَ ﻭَﺍﻷَﻧﺼﺎﺭِ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺗَّﺒَﻌﻮﻫُﻢ ﺑِﺈِﺣﺴٰﻦٍ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻨﻬُﻢ ﻭَﺭَﺿﻮﺍ ﻋَﻨﻪُ ﻭَﺃَﻋَﺪَّ ﻟَﻬُﻢ
ﺟَﻨّٰﺖٍ ﺗَﺠﺮﻯ ﺗَﺤﺘَﻬَﺎ ﺍﻷَﻧﻬٰﺮُ
ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﻔَﻮﺯُ
ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[100] আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও
আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের
অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত
লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং
তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের
জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার
তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ।
সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান
কৃতকার্যতা।
[100] And the foremost to embrace Islâm
of the Muhâjirûn (those who migrated
from Makkah to Al-Madinah) and the
Ansâr (the citizens of Al-Madinah who
helped and gave aid to the Muhâjirûn)
and also those who followed them
exactly (in Faith). Allâh is well-pleased
with them as they are well-pleased with
Him. He has prepared for them Gardens
under which rivers flow (Paradise), to
dwell therein forever. That is the
supreme success.
[101] ﻭَﻣِﻤَّﻦ ﺣَﻮﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﻣُﻨٰﻔِﻘﻮﻥَ ۖ ﻭَﻣِﻦ ﺃَﻫﻞِ
ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ ۖ ﻣَﺮَﺩﻭﺍ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨِّﻔﺎﻕِ
ﻻ ﺗَﻌﻠَﻤُﻬُﻢ ۖ ﻧَﺤﻦُ ﻧَﻌﻠَﻤُﻬُﻢ ۚ
ﺳَﻨُﻌَﺬِّﺑُﻬُﻢ ﻣَﺮَّﺗَﻴﻦِ ﺛُﻢَّ ﻳُﺮَﺩّﻭﻥَ
ﺇِﻟﻰٰ ﻋَﺬﺍﺏٍ ﻋَﻈﻴﻢٍ
[101] আর কিছু কিছু তোমার আশ-পাশের
মুনাফেক এবং কিছু লোক মদীনাবাসী
কঠোর মুনাফেকীতে অনঢ়। তুমি তাদের
জান না; আমি তাদের জানি। আমি তাদেরকে
আযাব দান করব দু’বার, তারপর তাদেরকে
নিয়ে যাওয়া হবে মহান আযাবের দিকে।
[101] And among the bedouins round
about you, some are hypocrites, and so
are some among the people of Al-
Madinah, who persist in hypocrisy; you
(O Muhammad SAW) know them not, We
know them. We shall punish them twice,
and thereafter they shall be brought back
to a great (horrible) torment.
[102] ﻭَﺀﺍﺧَﺮﻭﻥَ ﺍﻋﺘَﺮَﻓﻮﺍ
ﺑِﺬُﻧﻮﺑِﻬِﻢ ﺧَﻠَﻄﻮﺍ ﻋَﻤَﻠًﺎ ﺻٰﻠِﺤًﺎ
ﻭَﺀﺍﺧَﺮَ ﺳَﻴِّﺌًﺎ ﻋَﺴَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﻥ
ﻳَﺘﻮﺏَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ
ﺭَﺣﻴﻢٌ
[102] আর কোন কোন লোক রয়েছে যারা
নিজেদের পাপ স্বীকার করেছে, তারা
মিশ্রিত করেছে একটি নেককাজ ও অন্য
একটি বদকাজ। শীঘ্রই আল্লাহ হয়ত
তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন।
নিঃঃসন্দেহে আল্লাহ ক্ষমাশীল করুণাময়।
[102] And (there are) others who have
acknowledged their sins, they have
mixed a deed that was righteous with
another that was evil. Perhaps Allâh will
turn unto them in forgiveness. Surely,
Allâh is Oft-Forgiving, Most Merciful.
[103] ﺧُﺬ ﻣِﻦ ﺃَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﺻَﺪَﻗَﺔً
ﺗُﻄَﻬِّﺮُﻫُﻢ ﻭَﺗُﺰَﻛّﻴﻬِﻢ ﺑِﻬﺎ ﻭَﺻَﻞِّ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۖ ﺇِﻥَّ ﺻَﻠﻮٰﺗَﻚَ ﺳَﻜَﻦٌ
ﻟَﻬُﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻤﻴﻊٌ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[103] তাদের মালামাল থেকে যাকাত গ্রহণ কর
যাতে তুমি সেগুলোকে পবিত্র করতে এবং
সেগুলোকে বরকতময় করতে পার এর
মাধ্যমে। আর তুমি তাদের জন্য দোয়া কর,
নিঃসন্দেহে তোমার দোয়া তাদের জন্য
সান্ত্বনা স্বরূপ। বস্তুতঃ আল্লাহ সবকিছুই
শোনেন, জানেন।
[103] Take Sadaqah (alms) from their
wealth in order to purify them and
sanctify them with it, and invoke Allâh
for them. Verily! Your invocations are a
source of security for them, and Allâh is
All-Hearer, All-Knower.
[104] ﺃَﻟَﻢ ﻳَﻌﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ
ﻳَﻘﺒَﻞُ ﺍﻟﺘَّﻮﺑَﺔَ ﻋَﻦ ﻋِﺒﺎﺩِﻩِ
ﻭَﻳَﺄﺧُﺬُ ﺍﻟﺼَّﺪَﻗٰﺖِ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻫُﻮَ ﺍﻟﺘَّﻮّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[104] তারা কি একথা জানতে পারেনি যে,
আল্লাহ নিজেই স্বীয় বান্দাদের তওবা কবুল
করেন এবং যাকাত গ্রহণ করেন? বস্তুতঃ
আল্লাহই তওবা কবুলকারী, করুণাময়।
[104] Know they not that Allâh accepts
repentance from His slaves and takes the
Sadaqât (alms, charity) and that Allah
Alone is the One Who forgives and
accepts repentance, Most Merciful?
[105] ﻭَﻗُﻞِ ﺍﻋﻤَﻠﻮﺍ ﻓَﺴَﻴَﺮَﻯ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻋَﻤَﻠَﻜُﻢ ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻭَﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ ۖ
ﻭَﺳَﺘُﺮَﺩّﻭﻥَ ﺇِﻟﻰٰ ﻋٰﻠِﻢِ ﺍﻟﻐَﻴﺐِ
ﻭَﺍﻟﺸَّﻬٰﺪَﺓِ ﻓَﻴُﻨَﺒِّﺌُﻜُﻢ ﺑِﻤﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[105] আর তুমি বলে দাও, তোমরা আমল
করে যাও, তার পরবর্তীতে আল্লাহ
দেখবেন তোমাদের কাজ এবং দেখবেন
রসূল ও মুসলমানগণ। তাছাড়া তোমরা শীগ্রই
প্রত্যাবর্তিত হবে তাঁর সান্নিধ্যে যিনি গোপন
ও প্রকাশ্য বিষয়ে অবগত। তারপর তিনি জানিয়ে
দেবেন তোমাদেরকে যা করতে।
[105] And say (O Muhammad SAW) “Do
deeds! Allâh will see your deeds, and (so
will) His Messenger and the believers.
And you will be brought back to the All-
Knower of the unseen and the seen.
Then He will inform you of what you
used to do.”
[106] ﻭَﺀﺍﺧَﺮﻭﻥَ ﻣُﺮﺟَﻮﻥَ ﻟِﺄَﻣﺮِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻣّﺎ ﻳُﻌَﺬِّﺑُﻬُﻢ ﻭَﺇِﻣّﺎ ﻳَﺘﻮﺏُ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[106] আবার অনেক লোক রয়েছে যাদের
কাজকর্ম আল্লাহর নির্দেশের উপর স্থগিত
রয়েছে; তিনি হয় তাদের আযাব দেবেন না
হয় তাদের ক্ষমা করে দেবেন। বস্তুতঃ
আল্লাহ সব কিছুই জ্ঞাত, বিজ্ঞতাসম্পন্ন।
[106] And others are made to await for
Allâh’s Decree, whether He will punish
them or will forgive them. And Allâh is
All-Knowing, All-Wise.
[107] ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﻣَﺴﺠِﺪًﺍ
ﺿِﺮﺍﺭًﺍ ﻭَﻛُﻔﺮًﺍ ﻭَﺗَﻔﺮﻳﻘًﺎ ﺑَﻴﻦَ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺇِﺭﺻﺎﺩًﺍ ﻟِﻤَﻦ
ﺣﺎﺭَﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﺭَﺳﻮﻟَﻪُ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۚ
ﻭَﻟَﻴَﺤﻠِﻔُﻦَّ ﺇِﻥ ﺃَﺭَﺩﻧﺎ ﺇِﻟَّﺎ
ﺍﻟﺤُﺴﻨﻰٰ ۖ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳَﺸﻬَﺪُ ﺇِﻧَّﻬُﻢ
ﻟَﻜٰﺬِﺑﻮﻥَ
[107] আর যারা নির্মাণ করেছে মসজিদ
জিদের বশে এবং কুফরীর তাড়নায় মুমিনদের
মধ্যে বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্যে এবং ঐ
লোকের জন্য ঘাটি স্বরূপ যে পূর্ব থেকে
আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে
আসছে, আর তারা অবশ্যই শপথ করবে যে,
আমরা কেবল কল্যাণই চেয়েছি।
পক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষী যে, তারা সবাই
মিথ্যুক।
[107] And as for those who put up a
mosque by way of harm and disbelief,
and to disunite the believers, and as an
outpost for those who warred against
Allâh and His Messenger (Muhammad
SAW) aforetime, they will indeed swear
that their intention is nothing but good.
Allâh bears witness that they are
certainly liars.
[108] ﻻ ﺗَﻘُﻢ ﻓﻴﻪِ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﻟَﻤَﺴﺠِﺪٌ
ﺃُﺳِّﺲَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺘَّﻘﻮﻯٰ ﻣِﻦ ﺃَﻭَّﻝِ
ﻳَﻮﻡٍ ﺃَﺣَﻖُّ ﺃَﻥ ﺗَﻘﻮﻡَ ﻓﻴﻪِ ۚ ﻓﻴﻪِ
ﺭِﺟﺎﻝٌ ﻳُﺤِﺒّﻮﻥَ ﺃَﻥ ﻳَﺘَﻄَﻬَّﺮﻭﺍ ۚ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﻄَّﻬِّﺮﻳﻦَ
[108] তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে
যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার
উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার
দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে
এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর
আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন।
[108] Never stand you therein. Verily, the
mosque whose foundation was laid from
the first day on piety is more worthy that
you stand therein (to pray). In it are men
who love to clean and to purify
themselves. And Allâh loves those who
make themselves clean and pure (i.e.
who clean their private parts with dust
[which has the cleansing properties of
soap) and water from urine and stools,
after answering the call of nature].
[109] ﺃَﻓَﻤَﻦ ﺃَﺳَّﺲَ ﺑُﻨﻴٰﻨَﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﺗَﻘﻮﻯٰ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭِﺿﻮٰﻥٍ ﺧَﻴﺮٌ
ﺃَﻡ ﻣَﻦ ﺃَﺳَّﺲَ ﺑُﻨﻴٰﻨَﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﺷَﻔﺎ ﺟُﺮُﻑٍ ﻫﺎﺭٍ ﻓَﺎﻧﻬﺎﺭَ ﺑِﻪِ
ﻓﻰ ﻧﺎﺭِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[109] যে ব্যাক্তি স্বীয় গৃহের ভিত্তি
রেখেছে কোন গর্তের কিনারায় যা ধ্বসে
পড়ার নিকটবর্তী এবং অতঃপর তা ওকে নিয়ে
দোযখের আগুনে পতিত হয়। আর আল্লাহ
জালেমদের পথ দেখান না।
[109] Is it then he who laid the
foundation of his building on piety to
Allâh and His Good Pleasure better, or he
who laid the foundation of his building
on the brink of an undetermined
precipice ready to crumble down, so that
it crumbled to pieces with him into the
Fire of Hell. And Allâh guides not the
people who are the Zâlimûn (cruel,
violent, proud, polytheist and wrong-
doer).
[110] ﻻ ﻳَﺰﺍﻝُ ﺑُﻨﻴٰﻨُﻬُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ
ﺑَﻨَﻮﺍ ﺭﻳﺒَﺔً ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ﺇِﻟّﺎ ﺃَﻥ
ﺗَﻘَﻄَّﻊَ ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[110] তাদের নির্মিত গৃহটি তাদের অন্তরে
সদা সন্দেহের উদ্রেক করে যাবে যে
পর্যন্ত না তাদের অন্তরগুলো চৌচির
হয়ে যায়। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
[110] The building which they built will
never cease to be a cause of hypocrisy
and doubt in their hearts, unless their
hearts are cut to pieces. (i.e. till they die).
And Allâh is All-Knowing, All-Wise.
[111] ۞ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﺷﺘَﺮﻯٰ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﺃَﻧﻔُﺴَﻬُﻢ ﻭَﺃَﻣﻮٰﻟَﻬُﻢ
ﺑِﺄَﻥَّ ﻟَﻬُﻢُ ﺍﻟﺠَﻨَّﺔَ ۚ ﻳُﻘٰﺘِﻠﻮﻥَ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻓَﻴَﻘﺘُﻠﻮﻥَ
ﻭَﻳُﻘﺘَﻠﻮﻥَ ۖ ﻭَﻋﺪًﺍ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﺣَﻘًّﺎ
ﻓِﻰ ﺍﻟﺘَّﻮﺭﻯٰﺔِ ﻭَﺍﻹِﻧﺠﻴﻞِ
ﻭَﺍﻟﻘُﺮﺀﺍﻥِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﺃَﻭﻓﻰٰ
ﺑِﻌَﻬﺪِﻩِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻓَﺎﺳﺘَﺒﺸِﺮﻭﺍ
ﺑِﺒَﻴﻌِﻜُﻢُ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺑﺎﻳَﻌﺘُﻢ ﺑِﻪِ ۚ
ﻭَﺫٰﻟِﻚَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﻔَﻮﺯُ ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢُ
[111] আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন
মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই
মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।
তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে
ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি
এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর
চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং
তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের
উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল
মহান সাফল্য।
[111] Verily, Allâh has purchased of the
believers their lives and their properties
for (the price) that theirs shall be the
Paradise. They fight in Allâh’s Cause, so
they kill (others) and are killed. It is a
promise in truth which is binding on
Him in the Taurât (Torah) and the Injeel
(Gospel) and the Qur’ân. And who is
truer to his covenant than Allâh? Then
rejoice in the bargain which you have
concluded. That is the supreme success.
[112] ﺍﻟﺘّٰﺌِﺒﻮﻥَ ﺍﻟﻌٰﺒِﺪﻭﻥَ
ﺍﻟﺤٰﻤِﺪﻭﻥَ ﺍﻟﺴّٰﺌِﺤﻮﻥَ
ﺍﻟﺮّٰﻛِﻌﻮﻥَ ﺍﻟﺴّٰﺠِﺪﻭﻥَ
ﺍﻝﺀﺍﻣِﺮﻭﻥَ ﺑِﺎﻟﻤَﻌﺮﻭﻑِ
ﻭَﺍﻟﻨّﺎﻫﻮﻥَ ﻋَﻦِ ﺍﻟﻤُﻨﻜَﺮِ
ﻭَﺍﻟﺤٰﻔِﻈﻮﻥَ ﻟِﺤُﺪﻭﺩِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ
ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[112] তারা তওবাকারী, এবাদতকারী,
শোকরগোযার, (দুনিয়ার সাথে)
সম্পর্কচ্ছেদকারী, রুকু ও সিজদা
আদায়কারী, সৎকাজের আদেশ দানকারী ও
মন্দ কাজ থেকে নিবৃতকারী এবং আল্লাহর
দেওয়া সীমাসমূহের হেফাযতকারী। বস্তুতঃ
সুসংবাদ দাও ঈমানদারদেরকে।
[112] (The believers whose lives Allâh
has purchased are) those who trun to
Allâh in repentance (from polytheism
and hypocrisy, etc.), who worship (Him),
who praise (Him), who fast (or go out in
Allâh’s Cause), who bow down (in
prayer), who prostrate themselves (in
prayer), who enjoin (on people) Al-
Ma’rûf (i.e. Islâmic Monotheism and all
what Islâm has ordained) and forbid
(people) from Al-Munkar (i.e. disbelief,
polytheism of all kinds and all that Islâm
has forbidden), and who observe the
limits set by Allâh (do all that Allâh has
ordained and abstain from all kinds of
sins and evil deeds which Allâh has
forbidden). And give glad tidings to the
believers.
[113] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻠﻨَّﺒِﻰِّ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺃَﻥ ﻳَﺴﺘَﻐﻔِﺮﻭﺍ
ﻟِﻠﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﻭَﻟَﻮ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﺃُﻭﻟﻰ
ﻗُﺮﺑﻰٰ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﺗَﺒَﻴَّﻦَ ﻟَﻬُﻢ
ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﺃَﺻﺤٰﺐُ ﺍﻟﺠَﺤﻴﻢِ
[113] নবী ও মুমিনের উচিত নয়
মুশরেকদের মাগফেরাত কামনা করে, যদিও
তারা আত্নীয় হোক একথা সুস্পষ্ট হওয়ার পর
যে তারা দোযখী।
[113] It is not (proper) for the Prophet
and those who believe to ask Allâh’s
Forgiveness for the Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh)
even though they be of kin, after it has
become clear to them that they are the
dwellers of the Fire (because they died in
a state of disbelief).
[114] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺍﺳﺘِﻐﻔﺎﺭُ
ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻟِﺄَﺑﻴﻪِ ﺇِﻟّﺎ ﻋَﻦ ﻣَﻮﻋِﺪَﺓٍ
ﻭَﻋَﺪَﻫﺎ ﺇِﻳّﺎﻩُ ﻓَﻠَﻤّﺎ ﺗَﺒَﻴَّﻦَ ﻟَﻪُ ﺃَﻧَّﻪُ
ﻋَﺪُﻭٌّ ﻟِﻠَّﻪِ ﺗَﺒَﺮَّﺃَ ﻣِﻨﻪُ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺇِﺑﺮٰﻫﻴﻢَ ﻟَﺄَﻭّٰﻩٌ ﺣَﻠﻴﻢٌ
[114] আর ইব্রাহীম কর্তৃক স্বীয় পিতার
মাগফেরাত কামনা ছিল কেবল সেই প্রতিশ্রুতির
কারণে, যা তিনি তার সাথে করেছিলেন।
অতঃপর যখন তাঁর কাছে একথা প্রকাশ পেল
যে, সে আল্লাহর শত্রু তখন তার সাথে
সম্পর্ক ছিন্ন করে নিলেন। নিঃসন্দেহে
ইব্রাহীম ছিলেন বড় কোমল হৃদয়,
সহনশীল।
[114] And Ibrâhîm’s (Abraham) invoking
(of Allâh) for his father’s forgiveness was
only because of a promise he [Ibrâhîm
(Abraham)] had made to him (his father).
But when it became clear to him
[Ibrâhîm (Abraham)] that he (his father)
is an enemy of Allâh, he dissociated
himself from him. Verily Ibrâhîm
(Abraham) was Awwah (one who invokes
Allâh with humility, glorifies Him and
remembers Him much) and was
forbearing. (Tafsir Al-Qurtubî).
[115] ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻴُﻀِﻞَّ
ﻗَﻮﻣًﺎ ﺑَﻌﺪَ ﺇِﺫ ﻫَﺪﻯٰﻬُﻢ ﺣَﺘّﻰٰ
ﻳُﺒَﻴِّﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﻣﺎ ﻳَﺘَّﻘﻮﻥَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﺑِﻜُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻋَﻠﻴﻢٌ
[115] আর আল্লাহ কোন জাতিকে হেদায়েত
করার পর পথভ্রষ্ট করেন না যতক্ষণ না
তাদের জন্য পরিষ্কারভাবে বলে দেন
সেসব বিষয় যা থেকে তাদের বেঁচে থাকা
দরকার। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব বিষয়ে
ওয়াকেফহাল।
[115] And Allâh will never lead a people
astray after He has guided them until He
makes clear to them as to what they
should avoid. Verily, Allâh is the All-
Knower of everything.
[116] ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟَﻪُ ﻣُﻠﻚُ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽِ ۖ ﻳُﺤﻲۦ ﻭَﻳُﻤﻴﺖُ ۚ
ﻭَﻣﺎ ﻟَﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦ
ﻭَﻟِﻰٍّ ﻭَﻻ ﻧَﺼﻴﺮٍ
[116] নিশ্চয় আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও
যমীনের সাম্রাজ্য। তিনিই জিন্দা করেন ও
মৃত্যু ঘটান, আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের
জন্য কোন সহায়ও নেই, কোন সাহায্যকারীও
নেই।
[116] Verily, Allâh! Unto Him belongs the
dominion of the heavens and the earth,
He gives life and He causes death. And
besides Allâh you have neither any Walî
(protector or guardian) nor any helper.
[117] ﻟَﻘَﺪ ﺗﺎﺏَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ
ﻭَﺍﻟﻤُﻬٰﺠِﺮﻳﻦَ ﻭَﺍﻷَﻧﺼﺎﺭِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺍﺗَّﺒَﻌﻮﻩُ ﻓﻰ ﺳﺎﻋَﺔِ ﺍﻟﻌُﺴﺮَﺓِ
ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ ﻣﺎ ﻛﺎﺩَ ﻳَﺰﻳﻎُ ﻗُﻠﻮﺏُ
ﻓَﺮﻳﻖٍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﺛُﻢَّ ﺗﺎﺏَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ۚ
ﺇِﻧَّﻪُ ﺑِﻬِﻢ ﺭَﺀﻭﻑٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[117] আল্লাহ দয়াশীল নবীর প্রতি এবং
মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মহূর্তে
নবীর সঙ্গে ছিল, যখন তাদের এক দলের
অন্তর ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
অতঃপর তিনি দয়াপরবশ হন তাদের প্রতি।
নিঃসন্দেহে তিনি তাদের প্রতি দয়াশীল ও
করুনাময়।
[117] Allâh has forgiven the Prophet
(SAW), the Muhajirûn (Muslim emigrants
who left their homes and came to Al-
Madinah) and the Ansar (Muslims of Al-
Madinah) who followed him (Muhammad
SAW) in the time of distress (Tabûk
expedition), after the hearts of a party of
them had nearly deviated (from the
Right Path), but He accepted their
repentance. Certainly, He is unto them
full of Kindness, Most Merciful
[118] ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺜَّﻠٰﺜَﺔِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺧُﻠِّﻔﻮﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﺇِﺫﺍ ﺿﺎﻗَﺖ
ﻋَﻠَﻴﻬِﻢُ ﺍﻷَﺭﺽُ ﺑِﻤﺎ ﺭَﺣُﺒَﺖ
ﻭَﺿﺎﻗَﺖ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﺃَﻧﻔُﺴُﻬُﻢ
ﻭَﻇَﻨّﻮﺍ ﺃَﻥ ﻻ ﻣَﻠﺠَﺄَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺇِﻟّﺎ ﺇِﻟَﻴﻪِ ﺛُﻢَّ ﺗﺎﺏَ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ
ﻟِﻴَﺘﻮﺑﻮﺍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻫُﻮَ ﺍﻟﺘَّﻮّﺍﺏُ
ﺍﻟﺮَّﺣﻴﻢُ
[118] এবং অপর তিনজনকে যাদেরকে
পেছনে রাখা হয়েছিল, যখন পৃথিবী বিস্তৃত
হওয়া সত্বেও তাদের জন্য সঙ্কুচিত হয়ে
গেল এবং তাদের জীবন দূর্বিসহ হয়ে
উঠলো; আর তারা বুঝতে পারলো যে,
আল্লাহ ব্যতীত আর কোন আশ্রয়স্থল
নেই-অতঃপর তিনি সদয় হলেন তাদের প্রতি
যাতে তারা ফিরে আসে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ
দয়াময় করুণাশীল।
[118] And (He did forgive also) the three
[who did not join the Tabûk expedition
whose case was deferred (by the Prophet
SAW)] (for Allâh’s Decision) till for them
the earth, vast as it is, was straitened
and their ownselves were straitened to
them, and they perceived that there is no
fleeing from Allâh, and no refuge but
with Him. Then, He forgave them
(accepted their repentance), that they
might beg for His pardon [repent (unto
Him)] Verily, Allâh is the One Who
forgives and accepts repentance, Most
Merciful.
[119] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨُﻮﺍ
ﺍﺗَّﻘُﻮﺍ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻭَﻛﻮﻧﻮﺍ ﻣَﻊَ
ﺍﻟﺼّٰﺪِﻗﻴﻦَ
[119] হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং
সত্যবাদীদের সাথে থাক।
[119] O you who believe! Be afraid of
Allâh, and be with those who are true (in
words and deeds).
[120] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﺄَﻫﻞِ ﺍﻟﻤَﺪﻳﻨَﺔِ
ﻭَﻣَﻦ ﺣَﻮﻟَﻬُﻢ ﻣِﻦَ ﺍﻷَﻋﺮﺍﺏِ ﺃَﻥ
ﻳَﺘَﺨَﻠَّﻔﻮﺍ ﻋَﻦ ﺭَﺳﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ
ﻳَﺮﻏَﺒﻮﺍ ﺑِﺄَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﻋَﻦ ﻧَﻔﺴِﻪِ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻻ ﻳُﺼﻴﺒُﻬُﻢ ﻇَﻤَﺄٌ
ﻭَﻻ ﻧَﺼَﺐٌ ﻭَﻻ ﻣَﺨﻤَﺼَﺔٌ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﻳَﻄَـٔﻮﻥَ ﻣَﻮﻃِﺌًﺎ
ﻳَﻐﻴﻆُ ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭَ ﻭَﻻ ﻳَﻨﺎﻟﻮﻥَ ﻣِﻦ
ﻋَﺪُﻭٍّ ﻧَﻴﻠًﺎ ﺇِﻟّﺎ ﻛُﺘِﺐَ ﻟَﻬُﻢ ﺑِﻪِ
ﻋَﻤَﻞٌ ﺻٰﻠِﺢٌ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻻ ﻳُﻀﻴﻊُ
ﺃَﺟﺮَ ﺍﻟﻤُﺤﺴِﻨﻴﻦَ
[120] মদীনাবাসী ও পাশ্ববর্তী
পল্লীবাসীদের উচিত নয় রসূলুল্লাহর সঙ্গ
ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া এবং
রসূলের প্রাণ থেকে নিজেদের প্রাণকে
অধিক প্রিয় মনে করা। এটি এজন্য যে,
আল্লাহর পথে যে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা
তাদের স্পর্শ করে এবং তাদের এমন
পদক্ষেপ যা কাফেরদের মনে ক্রোধের
কারণ হয় আর শত্রুদের পক্ষ থেকে তারা যা
কিছু প্রাপ্ত হয়-তার প্রত্যেকটির পরিবর্তে
তাদের জন্য লিখিত হয়ে নেক আমল।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ সৎকর্মশীল
লোকদের হক নষ্ট করেন না।
[120] It was not becoming of the people
of Al-Madinah and the bedouins of the
neighbourhood to remain behind Allâh’s
Messenger (Muhammad SAW when
fighting in Allâh’s Cause) and (it was not
becoming of them) to prefer their own
lives to his life. That is because they
suffer neither thirst nor fatigue, nor
hunger in the Cause of Allâh, nor they
take any step to raise the anger of
disbelievers nor inflict any injury upon
an enemy but is written to their credit as
a deed of righteousness. Surely, Allâh
wastes not the reward of the Muhsinûn.
[121] ﻭَﻻ ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻥَ ﻧَﻔَﻘَﺔً
ﺻَﻐﻴﺮَﺓً ﻭَﻻ ﻛَﺒﻴﺮَﺓً ﻭَﻻ
ﻳَﻘﻄَﻌﻮﻥَ ﻭﺍﺩِﻳًﺎ ﺇِﻟّﺎ ﻛُﺘِﺐَ ﻟَﻬُﻢ
ﻟِﻴَﺠﺰِﻳَﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣﺴَﻦَ ﻣﺎ
ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[121] আর তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে,
যত প্রান্তর তারা অতিক্রম করে, তা সবই
তাদের নামে লেখা হয়, যেন আল্লাহ
তাদের কৃতকর্মসমূহের উত্তম বিনিময় প্রদান
করেন।
[121] Nor do they spend anything (in
Allâh’s Cause) – small or great – nor cross
a valley, but is written to their credit,
that Allâh may recompense them with
the best of what they used to do (i.e.
Allâh will reward their good deeds
according to the reward of their best
deeds which they did in the most perfect
manner).
[122] ۞ ﻭَﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﻟِﻴَﻨﻔِﺮﻭﺍ ﻛﺎﻓَّﺔً ۚ ﻓَﻠَﻮﻻ ﻧَﻔَﺮَ ﻣِﻦ
ﻛُﻞِّ ﻓِﺮﻗَﺔٍ ﻣِﻨﻬُﻢ ﻃﺎﺋِﻔَﺔٌ
ﻟِﻴَﺘَﻔَﻘَّﻬﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ
ﻭَﻟِﻴُﻨﺬِﺭﻭﺍ ﻗَﻮﻣَﻬُﻢ ﺇِﺫﺍ ﺭَﺟَﻌﻮﺍ
ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ ﻳَﺤﺬَﺭﻭﻥَ
[122] আর সমস্ত মুমিনের অভিযানে বের
হওয়া সঙ্গত নয়। তাই তাদের প্রত্যেক
দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে
দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান
করে স্বজাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে
প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।
[122] And it is not (proper) for the
believers to go out to fight (Jihâd) all
together. Of every troop of them, a party
only should go forth, that they (who are
left behind) may get instructions in
(Islâmic) religion, and that they may
warn their people when they return to
them, so that they may beware (of evil).
[123] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﻗٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻠﻮﻧَﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻜُﻔّﺎﺭِ ﻭَﻟﻴَﺠِﺪﻭﺍ ﻓﻴﻜُﻢ ﻏِﻠﻈَﺔً ۚ
ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[123] হে ঈমানদারগণ, তোমাদের
নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে
যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা
অনুভব করুক আর জেনে রাখ, আল্লাহ
মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন।
[123] O you who believe! Fight those of
the disbelievers who are close to you,
and let them find harshness in you, and
know that Allâh is with those who are
the Al-Muttaqûn (the pious – see V.2:2).
[124] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻣﺎ ﺃُﻧﺰِﻟَﺖ ﺳﻮﺭَﺓٌ
ﻓَﻤِﻨﻬُﻢ ﻣَﻦ ﻳَﻘﻮﻝُ ﺃَﻳُّﻜُﻢ ﺯﺍﺩَﺗﻪُ
ﻫٰﺬِﻩِ ﺇﻳﻤٰﻨًﺎ ۚ ﻓَﺄَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻓَﺰﺍﺩَﺗﻬُﻢ ﺇﻳﻤٰﻨًﺎ ﻭَﻫُﻢ
ﻳَﺴﺘَﺒﺸِﺮﻭﻥَ
[124] আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়,
তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা
তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি
করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের
ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত
হয়েছে।
[124] And whenever there comes down a
Sûrah (chapter from the Qur’ân), some of
them (hypocrites) say: “Which of you has
had his Faith increased by it?” As for
those who believe, it has increased their
Faith, and they rejoice.
[125] ﻭَﺃَﻣَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻓﻰ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ
ﻣَﺮَﺽٌ ﻓَﺰﺍﺩَﺗﻬُﻢ ﺭِﺟﺴًﺎ ﺇِﻟﻰٰ
ﺭِﺟﺴِﻬِﻢ ﻭَﻣﺎﺗﻮﺍ ﻭَﻫُﻢ ﻛٰﻔِﺮﻭﻥَ
[125] বস্তুতঃ যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে
এটি তাদের কলুষের সাথে আরো কলুষ বৃদ্ধি
করেছে এবং তারা কাফের অবস্থায়ই মৃত্যু
বরণ করলো।
[125] But as for those in whose hearts is
a disease (of doubt, disbelief and
hypocrisy), it will add suspicion and
doubt to their suspicion, disbelief and
doubt, and they die while they are
disbelievers.
[126] ﺃَﻭَﻻ ﻳَﺮَﻭﻥَ ﺃَﻧَّﻬُﻢ ﻳُﻔﺘَﻨﻮﻥَ
ﻓﻰ ﻛُﻞِّ ﻋﺎﻡٍ ﻣَﺮَّﺓً ﺃَﻭ ﻣَﺮَّﺗَﻴﻦِ
ﺛُﻢَّ ﻻ ﻳَﺘﻮﺑﻮﻥَ ﻭَﻻ ﻫُﻢ
ﻳَﺬَّﻛَّﺮﻭﻥَ
[126] তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা
দু’একবার বিপর্যস্ত হচ্ছে, অথচ, তারা এরপরও
তওবা করে না কিংবা উপদেশ গ্রহণ করে না।
[126] See they not that they are put in
trail once or twice every year (with
different kinds of calamities, disease,
famine)? Yet, they turn not in
repentance, nor do they learn a lesson
(from it).
[127] ﻭَﺇِﺫﺍ ﻣﺎ ﺃُﻧﺰِﻟَﺖ ﺳﻮﺭَﺓٌ
ﻧَﻈَﺮَ ﺑَﻌﻀُﻬُﻢ ﺇِﻟﻰٰ ﺑَﻌﺾٍ ﻫَﻞ
ﻳَﺮﻯٰﻜُﻢ ﻣِﻦ ﺃَﺣَﺪٍ ﺛُﻢَّ
ﺍﻧﺼَﺮَﻓﻮﺍ ۚ ﺻَﺮَﻑَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻗُﻠﻮﺑَﻬُﻢ
ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻗَﻮﻡٌ ﻻ ﻳَﻔﻘَﻬﻮﻥَ
[127] আর যখনই কোন সূরা অবতীর্ণ হয়,
তখন তারা একে অন্যের দিকে তাকায় যে,
কোন মুসলমান তোমাদের দেখছে কি-না-
অতঃপর সরে পড়ে। আল্লাহ ওদের
অন্তরকে সত্য বিমুখ করে দিয়েছেন!
নিশ্চয়ই তারা নির্বোধ সম্প্রদায়।
[127] And whenever there comes down a
Sûrah (chapter from the Qur’ân), they
look at one another (saying): “Does any
one see you?” Then they turn away. Allâh
has turned their hearts (from the light)
because they are a people that
understand not.
[128] ﻟَﻘَﺪ ﺟﺎﺀَﻛُﻢ ﺭَﺳﻮﻝٌ ﻣِﻦ
ﺃَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﻋَﺰﻳﺰٌ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻣﺎ ﻋَﻨِﺘُّﻢ
ﺣَﺮﻳﺺٌ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ ﺑِﺎﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﺭَﺀﻭﻑٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[128] তোমাদের কাছে এসেছে
তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল।
তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি
তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি
স্নেহশীল, দয়াময়।
[128] Verily, there has come unto you a
Messenger (Muhammad SAW) from
amongst yourselves (i.e. whom you know
well). It grieves him that you should
receive any injury or difficulty. He
(Muhammad SAW) is anxious over you
(to be rightly guided, to repent to Allâh,
and beg Him to pardon and forgive your
sins, in order that you may enter
Paradise and be saved from the
punishment of the Hell-fire), for the
believers (he SAW is) full of pity, kind,
and merciful.
[129] ﻓَﺈِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻮﺍ ﻓَﻘُﻞ ﺣَﺴﺒِﻰَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۖ ﻋَﻠَﻴﻪِ
ﺗَﻮَﻛَّﻠﺖُ ۖ ﻭَﻫُﻮَ ﺭَﺏُّ ﺍﻟﻌَﺮﺵِ
ﺍﻟﻌَﻈﻴﻢِ
[129] এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে,
তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য
যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী
নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান
আরশের অধিপতি।
[129] But if they turn away, say (O
Muhammad SAW): “Allâh is sufficient for
me. Lâ ilâha illa Huwa (none has the
right to be worshipped but He), in Him I
put my trust and He is the Lord of the
Mighty Throne.”
Bangla translation of Quran. Developed
by Syed Mohammad RaselSurah Al Tawbah Recitation: Sa’ad Al Ghamdi 1. সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে। 2. অতঃপর তোমরা পরিভ্রমণ কর এ দেশে চার মাসকাল। আর জেনে রেখো, তোমরা আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবে না, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদিগকে লাঞ্ছিত করে থাকেন। 3. আর মহান হজ্বের দিনে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর রসূলও। অবশ্য যদি তোমরা তওবা কর, তবে তা, তোমাদের জন্যেও কল্যাণকর, আর যদি মুখ ফেরাও, তবে জেনে রেখো, আল্লাহকে তোমরা পরাভূত করতে পারবে না। আর কাফেরদেরকে মর্মান্তিক শাস্তির সুসংবাদ দাও। 4. তবে যে মুশরিকদের সাথে তোমরা চুক্তি বদ্ধ, অতপরঃ যারা তোমাদের ব্যাপারে কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ কর। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন। 5. অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 6. আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয় দেবে, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌছে দেবে। এটি এজন্যে যে এরা জ্ঞান রাখে না। 7. মুশরিকদের চুক্তি আল্লাহর নিকট ও তাঁর রসূলের নিকট কিরূপে বলবৎ থাকবে। তবে যাদের সাথে তোমরা চুক্তি সম্পাদন করেছ মসজিদুল- হারামের নিকট। অতএব, যে পর্যন্ত তারা তোমাদের জন্যে সরল থাকে, তোমরাও তাদের জন্য সরল থাক। নিঃসন্দেহের আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন। 8. কিরূপে? তারা তোমাদের উপর জয়ী হলে তোমাদের আত্নীয়তার ও অঙ্গীকারের কোন মর্যাদা দেবে না। তারা মুখে তোমাদের সন্তুষ্ট করে, কিন্তু তাদের অন্তরসমূহ তা অস্বীকার করে, আর তাদের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী। 9. তারা আল্লাহর আয়াত সমূহ নগন্য মুল্যে বিক্রয় করে, অতঃপর লোকদের নিবৃত রাখে তাঁর পথ থেকে, তারা যা করে চলছে, তা অতি নিকৃষ্ট। 10. তারা মর্যাদা দেয় না কোন মুসলমানের ক্ষেত্রে আত্নীয়তার, আর না অঙ্গীকারের। আর তারাই সীমালংঘনকারী। 11. অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। আর আমি বিধানসমূহে জ্ঞানী লোকদের জন্যে সর্বস্তরে র্বণনা করে থাকি। 12. আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ নেই যাতে তারা ফিরে আসে। 13. তোমরা কি সেই দলের সাথে যুদ্ধ করবে না; যারা ভঙ্গ করেছে নিজেদের শপথ এবং সঙ্কল্প নিয়েছে রসূলকে বহিস্কারের? আর এরাই প্রথম তোমাদের সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। তোমরা কি তাদের ভয় কর? অথচ তোমাদের ভয়ের অধিকতর যোগ্য হলেন আল্লাহ, যদি তোমরা মুমিন হও। 14. যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন। তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ শান্ত করবেন। 15. এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন। আর আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা ক্ষমাশীল হবে, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 16. তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদের ছেড়ে দেয়া হবে এমনি, যতক্ষণ না আল্লাহ জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ করেছে এবং কে আল্লাহ, তাঁর রসূল ও মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে। আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। 17. মুশরিকরা যোগ্যতা রাখে না আল্লাহর মসজিদ আবাদ করার, যখন তারা নিজেরাই নিজেদের কুফরীর স্বীকৃতি দিচ্ছে। এদের আমল বরবাদ হবে এবং এরা আগুনে স্থায়ীভাবে বসবাস করবে। 18. নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও শেষ দিনের প্রতি এবং কায়েম করেছে নামায ও আদায় করে যাকাত; আল্লাহ ব্যতীত আর কাউকে ভয় করে না। অতএব, আশা করা যায়, তারা হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত হবে। 19. তোমরা কি হাজীদের পানি সরবরাহ ও মসজিদুল- হারাম আবাদকরণকে সেই লোকের সমান মনে কর, যে ঈমান রাখে আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি এবং যুদ্ধ করেছে আল্লাহর রাহে, এরা আল্লাহর দৃষ্টিতে সমান নয়, আর আল্লাহ জালেম লোকদের হেদায়েত করেন না। 20. যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে আর তারাই সফলকাম। 21. তাদের সুসংবাদ দিচ্ছেন তাদের পরওয়ারদেগার স্বীয় দয়া ও সন্তোষের এবং জান্নাতের, সেখানে আছে তাদের জন্য স্থায়ী শান্তি। 22. তথায় তারা থাকবে চিরদিন। নিঃসন্দেহে আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরস্কার। 23. হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা সীমালংঘনকারী। 24. বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান- যাকে তোমরা পছন্দ কর- আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর, আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না। 25. আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছেন অনেক ক্ষেত্রে এবং হোনাইনের দিনে, যখন তোমাদের সংখ্যধিক্য তোমাদের প্রফুল্ল করেছিল, কিন্তু তা তোমাদের কোন কাজে আসেনি এবং পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া সত্তেও তোমাদের জন্য সংকুচিত হয়েছিল। অতঃপর পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পলায়ন করেছিলে। 26. তারপর আল্লাহ নাযিল করেন নিজের পক্ষ থেকে সান্ত্বনা, তাঁর রসূল ও মুমিনদের প্রতি এবং অবতীর্ণ করেন এমন সেনাবাহিনী যাদের তোমরা দেখতে পাওনি। আর শাস্তি প্রদান করেন কাফেরদের এবং এটি হল কাফেরদের কর্মফল। 27. এরপর আল্লাহ যাদের প্রতি ইচ্ছা তওবার তওফীক দেবেন, আর আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। 28. হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র। সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল-হারামের নিকট না আসে। আর যদি তোমরা দারিদ্রের আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে নিজ করুনায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 29. তোমরা যুদ্ধ কর আহলে- কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। 30. ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহর পুত্র এবং নাসারারা বলে ‘মসীহ আল্লাহর পুত্র’। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা। এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত কথা বলে। আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে যাচ্ছে। 31. তারা তাদের পন্ডিত ও সংসার-বিরাগীদিগকে তাদের পালনকর্তারূপে গ্রহণ করেছে আল্লাহ ব্যতীত এবং মরিয়মের পুত্রকেও। অথচ তারা আদিষ্ট ছিল একমাত্র মাবুদের এবাদতের জন্য। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তারা তাঁর শরীক সাব্যস্ত করে, তার থেকে তিনি পবিত্র। 32. তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে। 33. তিনিই প্রেরণ করেছেন আপন রসূলকে হেদায়েত ও সত্য দ্বীন সহকারে, যেন এ দ্বীনকে অপরাপর দ্বীনের উপর জয়যুক্ত করেন, যদিও মুশরিকরা তা অপ্রীতিকর মনে করে। 34. হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন। 35. সে দিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে (সেদিন বলা হবে) , এগুলো যা তোমরা নিজেদের জন্যে জমা রেখেছিলে, সুতরাং এক্ষণে আস্বাদ গ্রহণ কর জমা করে রাখার। 36. নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন। 37. এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল কুফরীর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে নেয় আল্লাহর নিষিদ্ধ মাসগুলোর। অতঃপর হালাল করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে। তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না। 38. হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর, তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প। 39. যদি বের না হও, তবে আল্লাহ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। 40. যদি তোমরা তাকে (রসূলকে) সাহায্য না কর, তবে মনে রেখো, আল্লাহ তার সাহায্য করেছিলেন, যখন তাকে কাফেররা বহিষ্কার করেছিল, তিনি ছিলেন দু’জনের একজন, যখন তারা গুহার মধ্যে ছিলেন। তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন বিষন্ন হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন। অতঃপর আল্লাহ তার প্রতি স্বীয় সান্তনা নাযিল করলেন এবং তাঁর সাহায্যে এমন বাহিনী পাঠালেন, যা তোমরা দেখনি। বস্তুতঃ আল্লাহ কাফেরদের মাথা নীচু করে দিলেন আর আল্লাহর কথাই সদা সমুন্নত এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। 41. তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার। 42. যদি আশু লাভের সম্ভাবনা থাকতো এবং যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত হতো, তবে তারা অবশ্যই আপনার সহযাত্রী হতো, কিন্তু তাদের নিকট যাত্রাপথ সুদীর্ঘ মনে হল। আর তারা এমনই শপথ করে বলবে, আমাদের সাধ্য থাকলে অবশ্যই তোমাদের সাথে বের হতাম, এরা নিজেরাই নিজেদের বিনষ্ট করছে, আর আল্লাহ জানেন যে, এরা মিথ্যাবাদী। 43. আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন, আপনি কেন তাদের অব্যাহতি দিলেন, যে পর্যন্ত না আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যেত সত্যবাদীরা এবং জেনে নিতেন মিথ্যাবাদীদের। 44. আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতের প্রতি যাদের ঈমান রয়েছে তারা মাল ও জান দ্বারা জেহাদ করা থেকে আপনার কাছে অব্যাহতি কামনা করবে না, আর আল্লাহ সাবধানীদের ভাল জানেন। 45. নিঃসন্দেহে তারাই আপনার কাছে অব্যাহতি চায়, যারা আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতে ঈমান রাখে না এবং তাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, সুতরাং সন্দেহের আবর্তে তারা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে। 46. আর যদি তারা বের হবার সংকল্প নিত, তবে অবশ্যই কিছু সরঞ্জাম প্রস্তুত করতো। কিন্তু তাদের উত্থান আল্লাহর পছন্দ নয়, তাই তাদের নিবৃত রাখলেন এবং আদেশ হল বসা লোকদের সাথে তোমরা বসে থাক। 47. যদি তোমাদের সাথে তারা বের হত, তবে তোমাদের অনিষ্ট ছাড়া আর কিছু বৃদ্ধি করতো না, আর অশ্ব ছুটাতো তোমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশে। আর তোমাদের মাঝে রয়েছে তাদের গুপ্তচর। বস্তুতঃ আল্লাহ যালিমদের ভালভাবেই জানেন। 48. তারা পূর্বে থেকেই বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ সন্ধানে ছিল এবং আপনার কার্যসমূহ উল্টা- পাল্টা করে দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সত্য প্রতিশ্রুতি এসে গেল এবং জয়ী হল আল্লাহর হুকুম, যে অবস্থায় তারা মন্দবোধ করল। 49. আর তাদের কেউ বলে, আমাকে অব্যাহতি দিন এবং পথভ্রষ্ট করবেন না। শোনে রাখ, তারা তো পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট এবং নিঃসন্দেহে জাহান্নাম এই কাফেরদের পরিবেষ্টন করে রয়েছে। 50. আপনার কোন কল্যাণ হলে তারা মন্দবোধ করে এবং কোন বিপদ উপস্থিত হলে তারা বলে, আমরা পূর্ব থেকেই নিজেদের কাজ সামলে নিয়েছি এবং ফিরে যায় উল্লসিত মনে। 51. আপনি বলুন, আমাদের কাছে কিছুই পৌঁছবে না, কিন্তু যা আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছেন; তিনি আমাদের কার্যনির্বাহক। আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত। 52. আপনি বলুন, তোমরা তো তোমাদের জন্যে দুটি কল্যাণের একটি প্রত্যাশা কর; আর আমরা প্রত্যাশায় আছি তোমাদের জন্যে যে, আল্লাহ তোমাদের আযাব দান করুন নিজের পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হস্তে। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ। 53. আপনি বলুন, তোমরা ইচ্ছায় অর্থ ব্যয় কর বা অনিচ্ছায়, তোমাদের থেকে তা কখনো কবুল হবে না, তোমরা নাফরমানের দল। 54. তাদের অর্থ ব্যয় কবুল না হওয়ার এছাড়া আর কোন কারণ নেই যে, তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি অবিশ্বাসী, তারা নামাযে আসে অলসতার সাথে ব্যয় করে সঙ্কুচিত মনে। 55. সুতরাং তাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন আপনাকে বিস্মিত না করে। আল্লাহর ইচ্ছা হল এগুলো দ্বারা দুনিয়ার জীবনে তাদের আযাবে নিপতিত রাখা এবং প্রাণবিয়োগ হওয়া কুফরী অবস্থায়। 56. তারা আল্লাহর নামে হলফ করে বলে যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত, অথচ তারা তোমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়, অবশ্য তারা তোমাদের ভয় করে। 57. তারা কোন আশ্রয়স্থল, কোন গুহা বা মাথা গোঁজার ঠাই পেলে সেদিকে পলায়ন করবে দ্রুতগতিতে। 58. তাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যারা সদকা বন্টনে আপনাকে দোষারূপ করে। এর থেকে কিছু পেলে সন্তুষ্ট হয় এবং না পেলে বিক্ষুব্ধ হয়। 59. কতই না ভাল হত, যদি তারা সন্তুষ্ট হত আল্লাহ ও তার রসূলের উপর এবং বলত, আল্লাহই আমাদের জন্যে যথেষ্ট, আল্লাহ আমাদের দেবেন নিজ করুণায় এবং তাঁর রসূলও, আমরা শুধু আল্লাহকেই কামনা করি। 60. যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদে হক এবং তা দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। 61. আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ নবীকে ক্লেশ দেয়, এবং বলে, এ লোকটি তো কানসর্বস্ব। আপনি বলে দিন, কান হলেও তোমাদেরই মঙ্গলের জন্য, আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে মুসলমানদের কথার উপর। বস্তুতঃ তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্য তিনি রহমতবিশেষ। আর যারা আল্লাহর রসূলের প্রতি কুৎসা রটনা করে, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। 62. তোমাদের সামনে আল্লাহর কসম খায় যাতে তোমাদের রাযী করতে পারে। অবশ্য তারা যদি ঈমানদার হয়ে থাকে, তবে আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে রাযী করা অত্যন্ত জরুরী। 63. তারা কি একথা জেনে নেয়নি যে, আল্লাহর সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে যে মোকাবেলা করে তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে দোযখ; তাতে সব সময় থাকবে। এটিই হল মহা-অপমান। 64. মুনাফেকরা এ ব্যাপারে ভয় করে যে, মুসলমানদের উপর না এমন কোন সূরা নাযিল হয়, যাতে তাদের অন্তরের গোপন বিষয় অবহিত করা হবে। সুতরাং আপনি বলে দিন, ঠাট্টা-বিদ্রপ করতে থাক; আল্লাহ তা অবশ্যই প্রকাশ করবেন যার ব্যাপারে তোমরা ভয় করছ। 65. আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে? 66. ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দেইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেব। কারণ, তারা ছিল গোনাহগার। 67. মুনাফেক নর-নারী সবারই গতিবিধি একরকম; শিখায় মন্দ কথা, ভাল কথা থেকে বারণ করে এবং নিজ মুঠো বন্ধ রাখে। আল্লাহকে ভুলে গেছে তার, কাজেই তিনিও তাদের ভূলে গেছেন নিঃসন্দেহে মুনাফেকরাই নাফরমান। 68. ওয়াদা করেছেন আল্লাহ, মুনাফেক পুরুষ ও মুনাফেক নারীদের এবং কাফেরদের জন্যে দোযখের আগুনের- তাতে পড়ে থাকবে সর্বদা। সেটাই তাদের জন্যে যথেষ্ট। আর আল্লাহ তাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আযাব। 69. যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তোমাদের চেয়ে বেশী ছিল শক্তিতে এবং ধন- সম্পদের ও সন্তান-সন্ততির অধিকারীও ছিল বেশী; অতঃপর উপকৃত হয়েছে নিজেদের ভাগের দ্বারা আবার তোমরা ফায়দা উঠিয়েছ তোমাদের ভাগের দ্বারা-যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীরা ফায়দা উঠিয়েছিল নিজেদের ভাগের দ্বারা। আর তোমরাও বলছ তাদেরই চলন অনুযায়ী। তারা ছিল সে লোক, যাদের আমলসমূহ নিঃশেষিত হয়ে গেছে দুনিয়া ও আখেরাতে। আর তারাই হয়েছে ক্ষতির সম্মুখীন। 70. তাদের সংবাদ কি এদের কানে এসে পৌঁছায়নি, যারা ছিল তাদের পূর্বে; নূহের আ’দের ও সামুদের সম্প্রদায় এবং ইব্রাহীমের সম্প্রদায়ের এবং মাদইয়ানবাসীদের? এবং সেসব জনপদের যেগুলোকে উল্টে দেয়া হয়েছিল? তাদের কাছে এসেছিলেন তাদের নবী পরিষ্কার নির্দেশ নিয়ে। বস্তুতঃ আল্লাহ তো এমন ছিলেন না যে, তাদের উপর জুলুম করতেন, কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করতো। 71. আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী। 72. আল্লাহ ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেনে কানন-কুঞ্জের, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণ। তারা সে গুলোরই মাঝে থাকবে। আর এসব কানন- কুঞ্জে থাকবে পরিচ্ছন্ন থাকার ঘর। বস্তুতঃ এ সমুদয়ের মাঝে সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর সন্তুষ্টি। এটিই হল মহান কৃতকার্যতা। 73. হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন। তাদের ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা। 74. তারা কসম খায় যে, আমরা বলিনি, অথচ নিঃসন্দেহে তারা বলেছে কুফরী বাক্য এবং মুসলমান হবার পর অস্বীকৃতিজ্ঞাপনকারী হয়েছে। আর তারা কামনা করেছিল এমন বস্তুর যা তারা প্রাপ্ত হয়নি। আর এসব তারই পরিণতি ছিল যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল তাদেরকে সম্পদশালী করে দিয়েছিলেন নিজের অনুগ্রহের মাধ্যমে। বস্তুতঃ এরা যদি তওবা করে নেয়, তবে তাদের জন্য মঙ্গল। আর যদি তা না মানে, তবে তাদের কে আযাব দেবেন আল্লাহ তা’আলা, বেদনাদায়ক আযাব দুনিয়া ও আখেরাতে। অতএব, বিশ্বচরাচরে তাদের জন্য কোন সাহায্যকারী- সমর্থক নেই। 75. তাদের মধ্যে কেউ কেউ রয়েছে যারা আল্লাহ তা’আলার সাথে ওয়াদা করেছিল যে, তিনি যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ দান করেন, তবে অবশ্যই আমরা ব্যয় করব এবং সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকব। 76. অতঃপর যখন তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহের মাধ্যমে দান করা হয়, তখন তাতে কার্পণ্য করেছে এবং কৃত ওয়াদা থেকে ফিরে গেছে তা ভেঙ্গে দিয়ে। 77. তারপর এরই পরিণতিতে তাদের অন্তরে কপটতা স্থান করে নিয়েছে সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তার তাঁর সাথে গিয়ে মিলবে। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা লংঘন করেছিল এবং এজন্যে যে, তারা মিথ্যা কথা বলতো। 78. তারা কি জেনে নেয়নি যে, আল্লাহ তাদের রহস্য ও শলা-পরামর্শ সম্পর্কে অবগত এবং আল্লাহ খুব ভাল করেই জানেন সমস্ত গোপন বিষয়? 79. সে সমস্ত লোক যারা ভৎর্সনা-বিদ্রূপ করে সেসব মুসলমানদের প্রতি যারা মন খুলে দান-খয়রাত করে এবং তাদের প্রতি যাদের কিছুই নেই শুধুমাত্র নিজের পরিশ্রমলব্দ বস্তু ছাড়া। অতঃপর তাদের প্রতি ঠাট্টা করে। আল্লাহ তাদের প্রতি ঠাট্টা করেছেন এবং তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব। 80. তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর। যদি তুমি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমাপ্রার্থনা কর, তথাপি কখনোই তাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অস্বীকার করেছে। বস্তুতঃ আল্লাহ না- ফারমানদেরকে পথ দেখান না। 81. পেছনে থেকে যাওয়া লোকেরা আল্লাহর রসূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বসে থাকতে পেরে আনন্দ লাভ করেছে; আর জান ও মালের দ্বারা আল্লাহর রাহে জেহাদ করতে অপছন্দ করেছে এবং বলেছে, এই গরমের মধ্যে অভিযানে বের হয়ো না। বলে দাও, উত্তাপে জাহান্নামের আগুন প্রচন্ডতম। যদি তাদের বিবেচনা শক্তি থাকত। 82. অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক এবং তারা তাদের কৃতকর্মের বদলাতে অনেক বেশী কাঁদবে। 83. বস্তুতঃ আল্লাহ যদি তোমাকে তাদের মধ্য থেকে কোন শ্রেণীবিশেষের দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যান এবং অতঃপর তারা তোমার কাছে অভিযানে বেরোবার অনুমতি কামনা করে, তবে তুমি বলো যে, তোমরা কখনো আমার সাথে বেরোবে না এবং আমার পক্ষ হয়ে কোন শত্রুর সাথে যুদ্ধ করবে না, তোমরা তো প্রথমবারে বসে থাকা পছন্দ করেছ, কাজেই পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথেই বসে থাক। 84. আর তাদের মধ্য থেকে কারো মৃত্যু হলে তার উপর কখনও নামায পড়বেন না এবং তার কবরে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহর প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা না ফরমান অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। 85. আর বিস্মিত হয়ো না তাদের ধন সম্পদ ও সন্তান- সন্তুতির দরুন। আল্লাহ তো এই চান যে, এ সবের কারণে তাদেরকে আযাবের ভেতরে রাখবেন দুনিয়ায় এবং তাদের প্রাণ নির্গত হওয়া পর্যন্ত যেন তারা কাফেরই থাকে। 86. আর যখন নাযিল হয় কোন সূরা যে, তোমরা ঈমান আন আল্লাহর উপর, তাঁর রসূলের সাথে একাত্ন হয়ে; তখন বিদায় কামনা করে তাদের সামর্থøবান লোকেরা এবং বলে আমাদের অব্যাহতি দিন, যাতে আমরা (নিস্ক্রিয়ভাবে) বসে থাকা লোকদের সাথে থেকে যেতে পারি। 87. তারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথে থেকে যেতে পেরে আনন্দিত হয়েছে এবং মোহর এঁটে দেয়া হয়েছে তাদের অন্তরসমূহের উপর। বস্তুতঃ তারা বোঝে না। 88. কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে। 89. আল্লাহ তাদের জন্য তৈরী করে রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে প্রস্রবণ। তারা তাতে বাস করবে অনন্তকাল। এটাই হল বিরাট কৃতকার্যতা। 90. আর ছলনাকারী বেদুঈন লোকেরা এলো, যাতে তাদের অব্যাহতি লাভ হতে পারে এবং নিবৃত্ত থাকতে পারে তাদেরই যারা আল্লাহ ও রসূলের সাথে মিথ্যা বলে ছিল। এবার তাদের উপর শীগ্রই আসবে বেদনাদায়ক আযাব যারা কাফের। 91. দূর্বল, রুগ্ন, ব্যয়ভার বহনে অসমর্থ লোকদের জন্য কোন অপরাধ নেই, যখন তারা মনের দিক থেকে পবিত্র হবে আল্লাহ ও রসূলের সাথে। নেককারদের উপর অভিযোগের কোন পথ নেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী দয়ালু। 92. আর না আছে তাদের উপর যারা এসেছে তোমার নিকট যেন তুমি তাদের বাহন দান কর এবং তুমি বলেছ, আমার কাছে এমন কোন বস্তু নেই যে, তার উপর তোমাদের সওয়ার করাব তখন তারা ফিরে গেছে অথচ তখন তাদের চোখ দিয়ে অশ্রু বইতেছিল এ দুঃখে যে, তারা এমন কোন বস্তু পাচ্ছে না যা ব্যয় করবে। 93. অভিযোগের পথ তো তাদের ব্যাপারে রয়েছে, যারা তোমার নিকট অব্যাহতি কামনা করে অথচ তারা সম্পদশালী। যারা পেছনে পড়ে থাকা লোকদের সাথে থাকতে পেরে আনন্দিত হয়েছে। আর আল্লাহ মোহর এঁটে দিয়েছেন তাদের অন্তরসমূহে। বস্তুতঃ তারা জানতেও পারেনি। 94. তুমি যখন তাদের কাছে ফিরে আসবে, তখন তারা তোমাদের নিকট ছল-ছুতা নিয়ে উপস্থিত হবে; তুমি বলো, ছল কারো না, আমি কখনো তোমাদের কথা শুনব না; আমাকে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে দিয়েছেন। আর এখন তোমাদের কর্ম আল্লাহই দেখবেন এবং তাঁর রসূল। তারপর তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে সেই গোপন ও আগোপন বিষয়ে অবগত সত্তার নিকট। তিনিই তোমাদের বাতলে দেবেন যা তোমরা করছিলে। 95. এখন তারা তোমার সামনে আল্লাহর কসম খাবে, যখন তুমি তাদের কাছে ফিরে যাবে, যেন তুমি তাদের ক্ষমা করে দাও। সুতরাং তুমি তাদের ক্ষমা কর- নিঃসন্দেহে এরা অপবিত্র এবং তাদের কৃতকর্মের বদলা হিসাবে তাদের ঠিকানা হলো দোযখ। 96. তারা তোমার সামনে কসম খাবে যাতে তুমি তাদের প্রতি রাযী হয়ে যাও। অতএব, তুমি যদি রাযী হয়ে যাও তাদের প্রতি তবু আল্লাহ তা’আলা রাযী হবেন না, এ নাফরমান লোকদের প্রতি। 97. বেদুইনরা কুফর ও মোনাফেকীতে অত্যন্ত কঠোর হয়ে থাকে এবং এরা সেসব নীতি-কানুন না শেখারই যোগ্য যা আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূলের উপর নাযিল করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ সব কিছুই জানেন এবং তিনি অত্যন্ত কুশলী। 98. আবার কোন কোন বেদুইন এমন ও রয়েছে যারা নিজেদের ব্যয় করাকে জরিমানা। বলে গন্য করে এবং তোমার উপর কোন দুর্দিন আসে কিনা সে অপেক্ষায় থাকে। তাদেরই উপর দুর্দিন আসুক। আর আল্লাহ হচ্ছেন শ্রবণকারী, পরিজ্ঞাত। 99. আর কোন কোন বেদুইন হল তারা, যারা ঈমান আনে আল্লাহর উপর, কেয়ামত দিনের উপর এবং নিজেদের ব্যয়কে আল্লাহর নৈকট্য এবং রসূলের দোয়া লাভের উপায় বলে গণ্য করে। জেনো! তাই হল তাদের ক্ষেত্রে নৈকট্য। আল্লাহ তাদেরকে নিজের রহমতের অন্তর্ভূক্ত করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুনাময়। 100. আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা। 101. আর কিছু কিছু তোমার আশ- পাশের মুনাফেক এবং কিছু লোক মদীনাবাসী কঠোর মুনাফেকীতে অনঢ়। তুমি তাদের জান না; আমি তাদের জানি। আমি তাদেরকে আযাব দান করব দু’বার, তারপর তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হবে মহান আযাবের দিকে। 102. আর কোন কোন লোক রয়েছে যারা নিজেদের পাপ স্বীকার করেছে, তারা মিশ্রিত করেছে একটি নেককাজ ও অন্য একটি বদকাজ। শীঘ্রই আল্লাহ হয়ত তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। নিসন্দেহে আল্লাহ ক্ষমাশীল করুণাময়। 103. তাদের মালামাল থেকে যাকাত গ্রহণ কর যাতে তুমি সেগুলোকে পবিত্র করতে এবং সেগুলোকে বরকতময় করতে পার এর মাধ্যমে। আর তুমি তাদের জন্য দোয়া কর, নিঃসন্দেহে তোমার দোয়া তাদের জন্য সান্ত্বনা স্বরূপ। বস্তুতঃ আল্লাহ সবকিছুই শোনেন, জানেন। 104. তারা কি একথা জানতে পারেনি যে, আল্লাহ নিজেই স্বীয় বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং যাকাত গ্রহণ করেন? বস্তুতঃ আল্লাহই তওবা কবুলকারী, করুণাময়। 105. আর তুমি বলে দাও, তোমরা আমল করে যাও, তার পরবর্তীতে আল্লাহ দেখবেন তোমাদের কাজ এবং দেখবেন রসূল ও মুসলমানগণ। তাছাড়া তোমরা শীগ্রই প্রত্যাবর্তিত হবে তাঁর সান্নিধ্যে যিনি গোপন ও প্রকাশ্য বিষয়ে অবগত। তারপর তিনি জানিয়ে দেবেন তোমাদেরকে যা করতে। 106. আবার অনেক লোক রয়েছে যাদের কাজকর্ম আল্লাহর নির্দেশের উপর স্থগিত রয়েছে; তিনি হয় তাদের আযাব দেবেন না হয় তাদের ক্ষমা করে দেবেন। বস্তুতঃ আল্লাহ সব কিছুই জ্ঞাত, বিজ্ঞতাসম্পন্ন। 107. আর যারা নির্মাণ করেছে মসজিদ জিদের বশে এবং কুফরীর তাড়নায় মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃস্টির উদ্দেশ্যে এবং ঐ লোকের জন্য ঘাটি স্বরূপ যে পূর্ব থেকে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করে আসছে, আর তারা অবশ্যই শপথ করবে যে, আমরা কেবল কল্যাণই চেয়েছি। পক্ষান্তরে আল্লাহ সাক্ষী যে, তারা সবাই মিথ্যুক। 108. তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। 109. যে ব্যাক্তি স্বীয় গৃহের ভিত্তি রেখেছে কোন গর্তের কিনারায় যা ধ্বসে পড়ার নিকটবর্তী এবং অতঃপর তা ওকে নিয়ে দোযখের আগুনে পতিত হয়। আর আল্লাহ জালেমদের পথ দেখান না। 110. তাদের নির্মিত গৃহটি তাদের অন্তরে সদা সন্দেহের উদ্রেক করে যাবে যে পর্যন্ত না তাদের অন্তরগুলো চৌচির হয়ে যায়। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়। 111. আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। 112. তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার, (দুনিয়ার সাথে) সম্পর্কচ্ছেদকারী, রুকু ও সিজদা আদায়কারী, সৎকাজের আদেশ দানকারী ও মন্দ কাজ থেকে নিবৃতকারী এবং আল্লাহর দেওয়া সীমাসমূহের হেফাযতকারী। বস্তুতঃ সুসংবাদ দাও ঈমানদারদেরকে। 113. নবী ও মুমিনের উচিত নয় মুশরেকদের মাগফেরাত কামনা করে, যদিও তারা আত্নীয় হোক একথা সুস্পষ্ট হওয়ার পর যে তারা দোযখী। 114. আর ইব্রাহীম কর্তৃক স্বীয় পিতার মাগফেরাত কামনা ছিল কেবল সেই প্রতিশ্রুতির কারণে, যা তিনি তার সাথে করেছিলেন। অতঃপর যখন তাঁর কাছে একথা প্রকাশ পেল যে, সে আল্লাহর শত্রু তখন তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিলেন। নিঃসন্দেহে ইব্রাহীম ছিলেন বড় কোমল হৃদয়, সহনশীল। 115. আর আল্লাহ কোন জাতিকে হেদায়েত করার পর পথভ্রষ্ট করেন না যতক্ষণ না তাদের জন্য পরিষ্কারভাবে বলে দেন সেসব বিষয় যা থেকে তাদের বেঁচে থাকা দরকার। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সব বিষয়ে ওয়াকেফহাল। 116. নিশ্চয় আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সাম্রাজ্য। তিনিই জিন্দা করেন ও মৃত্যু ঘটান, আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন সহায়ও নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই। 117. আল্লাহ দয়াশীল নবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মহূর্তে নবীর সঙ্গে ছিল, যখন তাদের এক দলের অন্তর ফিরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। অতঃপর তিনি দয়াপরবশ হন তাদের প্রতি। নিঃসন্দেহে তিনি তাদের প্রতি দয়াশীল ও করুনাময়। 118. এবং অপর তিনজনকে যাদেরকে পেছনে রাখা হয়েছিল, যখন পৃথিবী বিস্তৃত হওয়া সত্বেও তাদের জন্য সঙ্কুচিত হয়ে গেল এবং তাদের জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠলো; আর তারা বুঝতে পারলো যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন আশ্রয়স্থল নেই- অতঃপর তিনি সদয় হলেন তাদের প্রতি যাতে তারা ফিরে আসে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ দয়াময় করুণাশীল। 119. হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক। 120. মদীনাবাসী ও পাশ্ববর্তী পল্লীবাসীদের উচিত নয় রসূলুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া এবং রসূলের প্রাণ থেকে নিজেদের প্রাণকে অধিক প্রিয় মনে করা। এটি এজন্য যে, আল্লাহর পথে যে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা তাদের স্পর্শ করে এবং তাদের এমন পদক্ষেপ যা কাফেরদের মনে ক্রোধের কারণ হয় আর শত্রুদের পক্ষ থেকে তারা যা কিছু প্রাপ্ত হয়- তার প্রত্যেকটির পরিবর্তে তাদের জন্য লিখিত হয়ে নেক আমল। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সৎকর্মশীল লোকদের হক নষ্ট করেন না। 121. আর তারা অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে, যত প্রান্তর তারা অতিক্রম করে, তা সবই তাদের নামে লেখা হয়, যেন আল্লাহ তাদের কৃতকর্মসমূহের উত্তম বিনিময় প্রদান করেন। 122. আর সমস্ত মুমিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয়। তাই তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্বজাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে। 123. হে ঈমানদারগণ, তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন। 124. আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে। 125. বস্তুতঃ যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে এটি তাদের কলুষের সাথে আরো কলুষ বৃদ্ধি করেছে এবং তারা কাফের অবস্থায়ই মৃত্যু বরণ করলো। 126. তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা দু’একবার বিপর্যস্ত হচ্ছে, অথচ, তারা এরপরও তওবা করে না কিংবা উপদেশ গ্রহণ করে না। 127. আর যখনই কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তারা একে অন্যের দিকে তাকায় যে, কোন মুসলমান তোমাদের দেখছে কি-না-অতঃপর সরে পড়ে। আল্লাহ ওদের অন্তরকে সত্য বিমুখ করে দিয়েছেন! নিশ্চয়ই তারা নির্বোধ সম্প্রদায়। 128. তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। 129. এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি। *********

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s