9. সুরা আত – তাওবাহ(01-129)


ﺑَﺮﺍﺀَﺓٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
[1] সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের
সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ
হয়েছিলে।
[1] Freedom from (all) obligations (is
declared) from Allâh and His Messenger
(SAW) to those of the Mushrikûn
(polytheists, pagans, idolaters,
disbelievers in the Oneness of Allâh),
with whom you made a treaty.
[2] ﻓَﺴﻴﺤﻮﺍ ﻓِﻰ ﺍﻷَﺭﺽِ
ﺃَﺭﺑَﻌَﺔَ ﺃَﺷﻬُﺮٍ ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻧَّﻜُﻢ
ﻏَﻴﺮُ ﻣُﻌﺠِﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۙ ﻭَﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻣُﺨﺰِﻯ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[2] অতঃপর তোমরা পরিভ্রমণ কর এ দেশে
চার মাসকাল। আর জেনে রেখো, তোমরা
আল্লাহকে পরাভূত করতে পারবে না, আর
নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদিগকে লাঞ্ছিত করে
থাকেন।
[2] So travel freely (O Mushrikûn – see
V.2:105) for four months (as you will)
throughout the land, but know that you
cannot escape (from the Punishment of)
Allâh, and Allâh will disgrace the
disbelievers.
[3] ﻭَﺃَﺫٰﻥٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﻳَﻮﻡَ ﺍﻟﺤَﺞِّ ﺍﻷَﻛﺒَﺮِ
ﺃَﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺑَﺮﻱﺀٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ۙ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﺗُﺒﺘُﻢ ﻓَﻬُﻮَ ﺧَﻴﺮٌ
ﻟَﻜُﻢ ۖ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻴﺘُﻢ ﻓَﺎﻋﻠَﻤﻮﺍ
ﺃَﻧَّﻜُﻢ ﻏَﻴﺮُ ﻣُﻌﺠِﺰِﻯ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ
ﻭَﺑَﺸِّﺮِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﺑِﻌَﺬﺍﺏٍ
ﺃَﻟﻴﻢٍ
[3] আর মহান হজ্বের দিনে আল্লাহ ও তাঁর
রসূলের পক্ষ থেকে লোকদের প্রতি
ঘোষণা করে দেয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ
মুশরেকদের থেকে দায়িত্ব মুক্ত এবং তাঁর
রসূলও। অবশ্য যদি তোমরা তওবা কর, তবে তা,
তোমাদের জন্যেও কল্যাণকর, আর যদি মুখ
ফেরাও, তবে জেনে রেখো,
আল্লাহকে তোমরা পরাভূত করতে পারবে না।
আর কাফেরদেরকে মর্মান্তিক শাস্তির
সুসংবাদ দাও।
[3] And a declaration from Allâh and His
Messenger to mankind on the greatest
day (the 10th of Dhul-Hijjah – the 12th
month of Islâmic calendar) that Allâh is
free from (all) obligations to the
Mushrikûn (see V.2:105) and so is His
Messenger. So if you (Mushrikûn) repent,
it is better for you, but if you turn away,
then know that you cannot escape (from
the Punishment of) Allâh. And give
tidings (O Muhammad SAW) of a painful
torment to those who disbelieve.
[4] ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺛُﻢَّ ﻟَﻢ ﻳَﻨﻘُﺼﻮﻛُﻢ
ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﻟَﻢ ﻳُﻈٰﻬِﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﺃَﺣَﺪًﺍ ﻓَﺄَﺗِﻤّﻮﺍ ﺇِﻟَﻴﻬِﻢ ﻋَﻬﺪَﻫُﻢ
ﺇِﻟﻰٰ ﻣُﺪَّﺗِﻬِﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ
ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[4] তবে যে মুশরিকদের সাথে তোমরা
চুক্তি বদ্ধ, অতপরঃ যারা তোমাদের ব্যাপারে
কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে
কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত
চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ
কর। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ
করেন।
[4] Except those of the Mushrikûn (see
V.2:105) with whom you have a treaty,
and who have not subsequently failed
you in aught, nor have supported anyone
against you. So fulfill their treaty to
them for the end of their term. Surely
Allâh loves Al- Mattaqûn (the pious – see
V.2:2).
[5] ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺍﻧﺴَﻠَﺦَ ﺍﻷَﺷﻬُﺮُ ﺍﻟﺤُﺮُﻡُ
ﻓَﺎﻗﺘُﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺣَﻴﺚُ
ﻭَﺟَﺪﺗُﻤﻮﻫُﻢ ﻭَﺧُﺬﻭﻫُﻢ
ﻭَﺍﺣﺼُﺮﻭﻫُﻢ ﻭَﺍﻗﻌُﺪﻭﺍ ﻟَﻬُﻢ
ﻛُﻞَّ ﻣَﺮﺻَﺪٍ ۚ ﻓَﺈِﻥ ﺗﺎﺑﻮﺍ
ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻮُﺍ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻓَﺨَﻠّﻮﺍ ﺳَﺒﻴﻠَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[5] অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে
মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও,
তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর
প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ
পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে,
নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে
তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[5] Then when the Sacred Months (the
Ist, 7th, 11th, and 12th months of the
Islâmic calendar) have passed, then kill
the Mushrikûn (see V.2:105) wherever
you find them, and capture them and
besiege them, and lie in wait for them in
each and every ambush. But if they
repent and perform As-Salât (Iqâmat-as-
Salât), and give Zakât, then leave their
way free. Verily, Allâh is Oft-Forgiving,
Most Merciful.
[6] ﻭَﺇِﻥ ﺃَﺣَﺪٌ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
ﺍﺳﺘَﺠﺎﺭَﻙَ ﻓَﺄَﺟِﺮﻩُ ﺣَﺘّﻰٰ
ﻳَﺴﻤَﻊَ ﻛَﻠٰﻢَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛُﻢَّ ﺃَﺑﻠِﻐﻪُ
ﻣَﺄﻣَﻨَﻪُ ۚ ﺫٰﻟِﻚَ ﺑِﺄَﻧَّﻬُﻢ ﻗَﻮﻡٌ ﻻ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[6] আর মুশরিকদের কেউ যদি তোমার কাছে
আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে তাকে আশ্রয়
দেবে, যাতে সে আল্লাহর কালাম শুনতে
পায়, অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে
পৌছে দেবে। এটি এজন্যে যে এরা
জ্ঞান রাখে না।
[6] And if anyone of the Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh)
seeks your protection then grant him
protection, so that he may hear the Word
of Allâh (the Qur’ân), and then escort
him to where he can be secure, that is
because they are men who know not.
[7] ﻛَﻴﻒَ ﻳَﻜﻮﻥُ ﻟِﻠﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ
ﻋَﻬﺪٌ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻋِﻨﺪَ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ
ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻋٰﻬَﺪﺗُﻢ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡِ ۖ ﻓَﻤَﺎ
ﺍﺳﺘَﻘٰﻤﻮﺍ ﻟَﻜُﻢ ﻓَﺎﺳﺘَﻘﻴﻤﻮﺍ
ﻟَﻬُﻢ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳُﺤِﺐُّ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[7] মুশরিকদের চুক্তি আল্লাহর নিকট ও তাঁর
রসূলের নিকট কিরূপে বলবৎ থাকবে। তবে
যাদের সাথে তোমরা চুক্তি সম্পাদন করেছ
মসজিদুল-হারামের নিকট। অতএব, যে পর্যন্ত
তারা তোমাদের জন্যে সরল থাকে, তোমরাও
তাদের জন্য সরল থাক। নিঃসন্দেহের আল্লাহ
সাবধানীদের পছন্দ করেন।
[7] How can there be a covenant with
Allâh and with His Messenger for the
Mushrikûn (polytheists, idolaters,
pagans, disbelievers in the Oneness of
Allâh) except those with whom you made
a covenant near Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah)? So long, as they are true to
you, stand you true to them. Verily, Allâh
loves Al-Muttaqûn (the pious – see V.2:2)
[8] ﻛَﻴﻒَ ﻭَﺇِﻥ ﻳَﻈﻬَﺮﻭﺍ ﻋَﻠَﻴﻜُﻢ
ﻻ ﻳَﺮﻗُﺒﻮﺍ ﻓﻴﻜُﻢ ﺇِﻟًّﺎ ﻭَﻻ ﺫِﻣَّﺔً ۚ
ﻳُﺮﺿﻮﻧَﻜُﻢ ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ﻭَﺗَﺄﺑﻰٰ
ﻗُﻠﻮﺑُﻬُﻢ ﻭَﺃَﻛﺜَﺮُﻫُﻢ ﻓٰﺴِﻘﻮﻥَ
[8] কিরূপে? তারা তোমাদের উপর জয়ী
হলে তোমাদের আত্নীয়তার ও
অঙ্গীকারের কোন মর্যাদা দেবে না। তারা
মুখে তোমাদের সন্তুষ্ট করে, কিন্তু
তাদের অন্তরসমূহ তা অস্বীকার করে, আর
তাদের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী।
[8] How (can there be such a covenant
with them) that when you are
overpowered by them, they regard not
the ties, either of kinship or of covenant
with you? With (good words from) their
mouths they please you, but their hearts
are averse to you, and most of them are
Fâsiqûn (rebellious, disobedient to
Allâh).
[9] ﺍﺷﺘَﺮَﻭﺍ ﺑِـٔﺎﻳٰﺖِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺛَﻤَﻨًﺎ
ﻗَﻠﻴﻠًﺎ ﻓَﺼَﺪّﻭﺍ ﻋَﻦ ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ۚ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﺳﺎﺀَ ﻣﺎ ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[9] তারা আল্লাহর আয়াত সমূহ নগন্য মুল্যে
বিক্রয় করে, অতঃপর লোকদের নিবৃত রাখে
তাঁর পথ থেকে, তারা যা করে চলছে, তা অতি
নিকৃষ্ট।
[9] They have purchased with the Ayât
(proofs, evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) of Allâh a little gain,
and they hindered men from His Way;
evil indeed is that which they used to do.
[10] ﻻ ﻳَﺮﻗُﺒﻮﻥَ ﻓﻰ ﻣُﺆﻣِﻦٍ ﺇِﻟًّﺎ
ﻭَﻻ ﺫِﻣَّﺔً ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻤُﻌﺘَﺪﻭﻥَ
[10] তারা মর্যাদা দেয় না কোন মুসলমানের
ক্ষেত্রে আত্নীয়তার, আর না
অঙ্গীকারের। আর তারাই সীমালংঘনকারী।
[10] With regard to a believer, they
respect not the ties, either of kinship or
of covenant! It is they who are the
transgressors.
[11] ﻓَﺈِﻥ ﺗﺎﺑﻮﺍ ﻭَﺃَﻗﺎﻣُﻮﺍ
ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻮُﺍ ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ
ﻓَﺈِﺧﻮٰﻧُﻜُﻢ ﻓِﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ۗ
ﻭَﻧُﻔَﺼِّﻞُ ﺍﻝﺀﺍﻳٰﺖِ ﻟِﻘَﻮﻡٍ
ﻳَﻌﻠَﻤﻮﻥَ
[11] অবশ্য তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম
করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা
তোমাদের দ্বীনী ভাই। আর আমি
বিধানসমূহে জ্ঞানী লোকদের জন্যে
সর্বস্তরে র্বণনা করে থাকি।
[11] But if they repent, perform As-Salât
(Iqâmat-as-Salât) and give Zakât, then
they are your brethren in religion. (In
this way) We explain the Ayât (proofs,
evidences, verses, lessons, signs,
revelations, etc.) in detail for a people
who know.
[12] ﻭَﺇِﻥ ﻧَﻜَﺜﻮﺍ ﺃَﻳﻤٰﻨَﻬُﻢ ﻣِﻦ
ﺑَﻌﺪِ ﻋَﻬﺪِﻫِﻢ ﻭَﻃَﻌَﻨﻮﺍ ﻓﻰ
ﺩﻳﻨِﻜُﻢ ﻓَﻘٰﺘِﻠﻮﺍ ﺃَﺋِﻤَّﺔَ ﺍﻟﻜُﻔﺮِ ۙ
ﺇِﻧَّﻬُﻢ ﻻ ﺃَﻳﻤٰﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﻟَﻌَﻠَّﻬُﻢ
ﻳَﻨﺘَﻬﻮﻥَ
[12] আর যদি ভঙ্গ করে তারা তাদের শপথ
প্রতিশ্রুতির পর এবং বিদ্রুপ করে তোমাদের
দ্বীন সম্পর্কে, তবে কুফর প্রধানদের
সাথে যুদ্ধ কর। কারণ, এদের কেন শপথ
নেই যাতে তারা ফিরে আসে।
[12] But if they violate their oaths after
their covenant, and attack your religion
with disapproval and criticism then fight
(you) the leaders of disbelief (chiefs of
Quraish – pagans of Makkah) – for surely
their oaths are nothing to them – so that
they may stop (evil actions).
[13] ﺃَﻻ ﺗُﻘٰﺘِﻠﻮﻥَ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻧَﻜَﺜﻮﺍ
ﺃَﻳﻤٰﻨَﻬُﻢ ﻭَﻫَﻤّﻮﺍ ﺑِﺈِﺧﺮﺍﺝِ
ﺍﻟﺮَّﺳﻮﻝِ ﻭَﻫُﻢ ﺑَﺪَﺀﻭﻛُﻢ ﺃَﻭَّﻝَ
ﻣَﺮَّﺓٍ ۚ ﺃَﺗَﺨﺸَﻮﻧَﻬُﻢ ۚ ﻓَﺎﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺣَﻖُّ
ﺃَﻥ ﺗَﺨﺸَﻮﻩُ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[13] তোমরা কি সেই দলের সাথে যুদ্ধ
করবে না; যারা ভঙ্গ করেছে নিজেদের
শপথ এবং সঙ্কল্প নিয়েছে রসূলকে
বহিস্কারের? আর এরাই প্রথম তোমাদের
সাথে বিবাদের সূত্রপাত করেছে। তোমরা কি
তাদের ভয় কর? অথচ তোমাদের ভয়ের
অধিকতর যোগ্য হলেন আল্লাহ, যদি তোমরা
মুমিন হও।
[13] Will you not fight a people who have
violated their oaths (pagans of Makkah)
and intended to expel the Messenger,
while they did attack you first? Do you
fear them? Allâh has more right that you
should fear Him, if you are believers.
[14] ﻗٰﺘِﻠﻮﻫُﻢ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻬُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺑِﺄَﻳﺪﻳﻜُﻢ ﻭَﻳُﺨﺰِﻫِﻢ
ﻭَﻳَﻨﺼُﺮﻛُﻢ ﻋَﻠَﻴﻬِﻢ ﻭَﻳَﺸﻒِ
ﺻُﺪﻭﺭَ ﻗَﻮﻡٍ ﻣُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
[14] যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ
তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন।
তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে
তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের
অন্তরসমূহ শান্ত করবেন।
[14] Fight against them so that Allâh will
punish them by your hands and disgrace
them and give you victory over them
and heal the breasts of a believing
people,
[15] ﻭَﻳُﺬﻫِﺐ ﻏَﻴﻆَ ﻗُﻠﻮﺑِﻬِﻢ ۗ
ﻭَﻳَﺘﻮﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۗ
ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻴﻢٌ ﺣَﻜﻴﻢٌ
[15] এবং তাদের মনের ক্ষোভ দূর করবেন।
আর আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা ক্ষমাশীল হবে,
আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[15] And remove the anger of their
(believers’) hearts. Allâh accepts the
repentance of whom He wills. Allâh is
All-Knowing, All-Wise.
[16] ﺃَﻡ ﺣَﺴِﺒﺘُﻢ ﺃَﻥ ﺗُﺘﺮَﻛﻮﺍ
ﻭَﻟَﻤّﺎ ﻳَﻌﻠَﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺟٰﻬَﺪﻭﺍ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ
ﻭَﻟﻴﺠَﺔً ۚ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺧَﺒﻴﺮٌ ﺑِﻤﺎ
ﺗَﻌﻤَﻠﻮﻥَ
[16] তোমরা কি মনে কর যে, তোমাদের
ছেড়ে দেয়া হবে এমনি, যতক্ষণ না আল্লাহ
জেনে নেবেন তোমাদের কে যুদ্ধ
করেছে এবং কে আল্লাহ, তাঁর রসূল ও
মুসলমানদের ব্যতীত অন্য কাউকে
অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করা থেকে বিরত
রয়েছে। আর তোমরা যা কর সে বিষয়ে
আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।
[16] Do you think that you shall be left
alone while Allâh has not yet tested those
among you who have striven hard and
fought and have not taken Walîjah
[(Batanah – helpers, advisors and
consultants from disbelievers, pagans)
giving openly to them their secrets]
besides Allâh and His Messenger, and the
believers. Allâh is Well-Acquainted with
what you do.
[17] ﻣﺎ ﻛﺎﻥَ ﻟِﻠﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﺃَﻥ
ﻳَﻌﻤُﺮﻭﺍ ﻣَﺴٰﺠِﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺷٰﻬِﺪﻳﻦَ
ﻋَﻠﻰٰ ﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺑِﺎﻟﻜُﻔﺮِ ۚ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ
ﺣَﺒِﻄَﺖ ﺃَﻋﻤٰﻠُﻬُﻢ ﻭَﻓِﻰ ﺍﻟﻨّﺎﺭِ
ﻫُﻢ ﺧٰﻠِﺪﻭﻥَ
[17] মুশরিকরা যোগ্যতা রাখে না আল্লাহর
মসজিদ আবাদ করার, যখন তারা নিজেরাই
নিজেদের কুফরীর স্বীকৃতি দিচ্ছে।
এদের আমল বরবাদ হবে এবং এরা আগুনে
স্থায়ীভাবে বসবাস করবে।
[17] It is not for the Mushrikûn
(polytheists, idolaters, pagans,
disbelievers in the Oneness of Allâh), to
maintain the Mosques of Allâh (i.e. to
pray and worship Allâh therein, to look
after their cleanliness and their
building), while they witness against
their ownselves of disbelief. The works
of such are in vain and in Fire shall they
abide.
[18] ﺇِﻧَّﻤﺎ ﻳَﻌﻤُﺮُ ﻣَﺴٰﺠِﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻣَﻦ
ﺀﺍﻣَﻦَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ
ﻭَﺃَﻗﺎﻡَ ﺍﻟﺼَّﻠﻮٰﺓَ ﻭَﺀﺍﺗَﻰ
ﺍﻟﺰَّﻛﻮٰﺓَ ﻭَﻟَﻢ ﻳَﺨﺶَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪَ ۖ
ﻓَﻌَﺴﻰٰ ﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﺃَﻥ ﻳَﻜﻮﻧﻮﺍ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻤُﻬﺘَﺪﻳﻦَ
[18] নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর মসজিদ আবাদ
করবে যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও
শেষ দিনের প্রতি এবং কায়েম করেছে
নামায ও আদায় করে যাকাত; আল্লাহ ব্যতীত
আর কাউকে ভয় করে না। অতএব, আশা করা
যায়, তারা হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত
হবে।
[18] The Mosques of Allâh shall be
maintained only by those who believe in
Allâh and the Last Day; perform As-Salât
(Iqâmat-as-Salât), and give Zakât and
fear none but Allâh. It is they who are
on true guidance.
[19] ۞ ﺃَﺟَﻌَﻠﺘُﻢ ﺳِﻘﺎﻳَﺔَ
ﺍﻟﺤﺎﺝِّ ﻭَﻋِﻤﺎﺭَﺓَ ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪِ
ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡِ ﻛَﻤَﻦ ﺀﺍﻣَﻦَ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺍﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﻭَﺟٰﻬَﺪَ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻻ ﻳَﺴﺘَﻮۥﻥَ ﻋِﻨﺪَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ
ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻴﻦَ
[19] তোমরা কি হাজীদের পানি সরবরাহ ও
মসজিদুল-হারাম আবাদকরণকে সেই লোকের
সমান মনে কর, যে ঈমান রাখে আল্লাহ ও
শেষ দিনের প্রতি এবং যুদ্ধ করেছে
আল্লাহর রাহে, এরা আল্লাহর দৃষ্টিতে সমান
নয়, আর আল্লাহ জালেম লোকদের
হেদায়েত করেন না।
[19] Do you consider the providing of
drinking water to the pilgrims and the
maintenance of Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah) as equal to the worth of those
who believe in Allâh and the Last Day,
and strive hard and fight in the Cause of
Allâh? They are not equal before Allâh.
And Allâh guides not those people who
are the Zâlimûn (polytheists and wrong-
doers).
[20] ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻭَﻫﺎﺟَﺮﻭﺍ
ﻭَﺟٰﻬَﺪﻭﺍ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺑِﺄَﻣﻮٰﻟِﻬِﻢ ﻭَﺃَﻧﻔُﺴِﻬِﻢ ﺃَﻋﻈَﻢُ
ﺩَﺭَﺟَﺔً ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۚ ﻭَﺃُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ
ﺍﻟﻔﺎﺋِﺰﻭﻥَ
[20] যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ
করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের
জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের
বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহর কাছে আর তারাই
সফলকাম।
[20] Those who believed (in the Oneness
of Allâh – Islâmic Monotheism) and
emigrated and strove hard and fought in
Allâh’s Cause with their wealth and their
lives are far higher in degree with Allâh.
They are the successful.
[21] ﻳُﺒَﺸِّﺮُﻫُﻢ ﺭَﺑُّﻬُﻢ ﺑِﺮَﺣﻤَﺔٍ
ﻣِﻨﻪُ ﻭَﺭِﺿﻮٰﻥٍ ﻭَﺟَﻨّٰﺖٍ ﻟَﻬُﻢ
ﻓﻴﻬﺎ ﻧَﻌﻴﻢٌ ﻣُﻘﻴﻢٌ
[21] তাদের সুসংবাদ দিচ্ছেন তাদের
পরওয়ারদেগার স্বীয় দয়া ও সন্তোষের
এবং জান্নাতের, সেখানে আছে তাদের
জন্য স্থায়ী শান্তি।
[21] Their Lord gives them glad tidings of
Mercy from Him, and that His being
pleased (with them), and of Gardens
(Paradise) for them wherein are
everlasting delights.
[22] ﺧٰﻠِﺪﻳﻦَ ﻓﻴﻬﺎ ﺃَﺑَﺪًﺍ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ
ﻋِﻨﺪَﻩُ ﺃَﺟﺮٌ ﻋَﻈﻴﻢٌ
[22] তথায় তারা থাকবে চিরদিন। নিঃসন্দেহে
আল্লাহর কাছে আছে মহাপুরস্কার।
[22] They will dwell therein forever.
Verily, with Allâh is a great reward.
[23] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻻ
ﺗَﺘَّﺨِﺬﻭﺍ ﺀﺍﺑﺎﺀَﻛُﻢ ﻭَﺇِﺧﻮٰﻧَﻜُﻢ
ﺃَﻭﻟِﻴﺎﺀَ ﺇِﻥِ ﺍﺳﺘَﺤَﺒُّﻮﺍ ﺍﻟﻜُﻔﺮَ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻹﻳﻤٰﻦِ ۚ ﻭَﻣَﻦ ﻳَﺘَﻮَﻟَّﻬُﻢ
ﻣِﻨﻜُﻢ ﻓَﺄُﻭﻟٰﺌِﻚَ ﻫُﻢُ ﺍﻟﻈّٰﻠِﻤﻮﻥَ
[23] হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও
ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি
তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর
তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ
করে তারা সীমালংঘনকারী।
[23] O you who believe! Take not for
Auliyâ’ (supporters and helpers) your
fathers and your brothers if they prefer
disbelief to Belief. And whoever of you
does so, then he is one of the Zâlimûn
(wrong-doers).
[24] ﻗُﻞ ﺇِﻥ ﻛﺎﻥَ ﺀﺍﺑﺎﺅُﻛُﻢ
ﻭَﺃَﺑﻨﺎﺅُﻛُﻢ ﻭَﺇِﺧﻮٰﻧُﻜُﻢ
ﻭَﺃَﺯﻭٰﺟُﻜُﻢ ﻭَﻋَﺸﻴﺮَﺗُﻜُﻢ
ﻭَﺃَﻣﻮٰﻝٌ ﺍﻗﺘَﺮَﻓﺘُﻤﻮﻫﺎ ﻭَﺗِﺠٰﺮَﺓٌ
ﺗَﺨﺸَﻮﻥَ ﻛَﺴﺎﺩَﻫﺎ ﻭَﻣَﺴٰﻜِﻦُ
ﺗَﺮﺿَﻮﻧَﻬﺎ ﺃَﺣَﺐَّ ﺇِﻟَﻴﻜُﻢ ﻣِﻦَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﺟِﻬﺎﺩٍ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻠِﻪِ ﻓَﺘَﺮَﺑَّﺼﻮﺍ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳَﺄﺗِﻰَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑِﺄَﻣﺮِﻩِ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ
ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻔٰﺴِﻘﻴﻦَ
[24] বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা
তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই
তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র
তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের
ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং
তোমাদের বাসস্থান-যাকে তোমরা পছন্দ কর-
আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা
থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর,
আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ
ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
[24] Say: If your fathers, your sons, your
brothers, your wives, your kindred, the
wealth that you have gained, the
commerce in which you fear a decline,
and the dwellings in which you delight
are dearer to you than Allâh and His
Messenger, and striving hard and
fighting in His Cause, then wait until
Allâh brings about His Decision
(torment). And Allâh guides not the
people who are Al-Fâsiqûn (the
rebellious, disobedient to Allâh)
[25] ﻟَﻘَﺪ ﻧَﺼَﺮَﻛُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓﻰ
ﻣَﻮﺍﻃِﻦَ ﻛَﺜﻴﺮَﺓٍ ۙ ﻭَﻳَﻮﻡَ ﺣُﻨَﻴﻦٍ ۙ
ﺇِﺫ ﺃَﻋﺠَﺒَﺘﻜُﻢ ﻛَﺜﺮَﺗُﻜُﻢ ﻓَﻠَﻢ
ﺗُﻐﻦِ ﻋَﻨﻜُﻢ ﺷَﻴـًٔﺎ ﻭَﺿﺎﻗَﺖ
ﻋَﻠَﻴﻜُﻢُ ﺍﻷَﺭﺽُ ﺑِﻤﺎ ﺭَﺣُﺒَﺖ ﺛُﻢَّ
ﻭَﻟَّﻴﺘُﻢ ﻣُﺪﺑِﺮﻳﻦَ
[25] আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করেছেন
অনেক ক্ষেত্রে এবং হোনাইনের দিনে,
যখন তোমাদের সংখ্যধিক্য তোমাদের
প্রফুল্ল করেছিল, কিন্তু তা তোমাদের কোন
কাজে আসেনি এবং পৃথিবী প্রশস্ত হওয়া
সত্তেও তোমাদের জন্য সংকুচিত হয়েছিল।
অতঃপর পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পলায়ন
করেছিলে।
[25] Truly Allâh has given you victory on
many battlefields, and on the Day of
Hunain (battle) when you rejoiced at
your great number but it availed you
naught and the earth, vast as it is, was
straitened for you, then you turned back
in flight.
[26] ﺛُﻢَّ ﺃَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺳَﻜﻴﻨَﺘَﻪُ
ﻋَﻠﻰٰ ﺭَﺳﻮﻟِﻪِ ﻭَﻋَﻠَﻰ
ﺍﻟﻤُﺆﻣِﻨﻴﻦَ ﻭَﺃَﻧﺰَﻝَ ﺟُﻨﻮﺩًﺍ ﻟَﻢ
ﺗَﺮَﻭﻫﺎ ﻭَﻋَﺬَّﺏَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ۚ
ﻭَﺫٰﻟِﻚَ ﺟَﺰﺍﺀُ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[26] তারপর আল্লাহ নাযিল করেন নিজের
পক্ষ থেকে সান্ত্বনা, তাঁর রসূল ও মুমিনদের
প্রতি এবং অবতীর্ণ করেন এমন
সেনাবাহিনী যাদের তোমরা দেখতে পাওনি।
আর শাস্তি প্রদান করেন কাফেরদের এবং এটি
হল কাফেরদের কর্মফল।
[26] Then Allâh did send down His
Sakînah (calmness, tranquillity and
reassurance, etc.) on the Messenger
(Muhammad SAW), and on the believers,
and sent down forces (angels) which you
saw not, and punished the disbelievers.
Such is the recompense of disbelievers.
[27] ﺛُﻢَّ ﻳَﺘﻮﺏُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ ﺑَﻌﺪِ
ﺫٰﻟِﻚَ ﻋَﻠﻰٰ ﻣَﻦ ﻳَﺸﺎﺀُ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻏَﻔﻮﺭٌ ﺭَﺣﻴﻢٌ
[27] এরপর আল্লাহ যাদের প্রতি ইচ্ছা তওবার
তওফীক দেবেন, আর আল্লাহ অতীব
ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[27] Then after that Allâh will accept the
repentance of whom He wills. And Allâh
is Oft-Forgiving, Most Merciful.
[28] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﺇِﻧَّﻤَﺎ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻮﻥَ ﻧَﺠَﺲٌ ﻓَﻼ ﻳَﻘﺮَﺑُﻮﺍ
ﺍﻟﻤَﺴﺠِﺪَ ﺍﻟﺤَﺮﺍﻡَ ﺑَﻌﺪَ ﻋﺎﻣِﻬِﻢ
ﻫٰﺬﺍ ۚ ﻭَﺇِﻥ ﺧِﻔﺘُﻢ ﻋَﻴﻠَﺔً
ﻓَﺴَﻮﻑَ ﻳُﻐﻨﻴﻜُﻢُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻣِﻦ
ﻓَﻀﻠِﻪِ ﺇِﻥ ﺷﺎﺀَ ۚ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠﻴﻢٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[28] হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র।
সুতরাং এ বছরের পর তারা যেন মসজিদুল-
হারামের নিকট না আসে। আর যদি তোমরা
দারিদ্রেøর আশংকা কর, তবে আল্লাহ চাইলে
নিজ করুনায় ভবিষ্যতে তোমাদের অভাবমুক্ত
করে দেবেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ
সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
[28] O you who believe (in Allâh’s
Oneness and in His Messenger
(Muhammad SAW)! Verily, the
Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh, and in the Message of Muhammad
SAW) are Najasun (impure). So let them
not come near Al-Masjid-al-Harâm (at
Makkah) after this year, and if you fear
poverty, Allâh will enrich you if He wills,
out of His Bounty. Surely, Allâh is All-
Knowing, All-Wise.
[29] ﻗٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻻ ﻳُﺆﻣِﻨﻮﻥَ
ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻻ ﺑِﺎﻟﻴَﻮﻡِ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮِ ﻭَﻻ
ﻳُﺤَﺮِّﻣﻮﻥَ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻭَﺭَﺳﻮﻟُﻪُ ﻭَﻻ ﻳَﺪﻳﻨﻮﻥَ ﺩﻳﻦَ
ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻣِﻦَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺃﻭﺗُﻮﺍ
ﺍﻟﻜِﺘٰﺐَ ﺣَﺘّﻰٰ ﻳُﻌﻄُﻮﺍ ﺍﻟﺠِﺰﻳَﺔَ
ﻋَﻦ ﻳَﺪٍ ﻭَﻫُﻢ ﺻٰﻐِﺮﻭﻥَ
[29] তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ
লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ
হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা
হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং
গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না
করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।
[29] Fight against those who (1) believe
not in Allâh, (2) nor in the Last Day, (3)
nor forbid that which has been
forbidden by Allâh and His Messenger
(Muhammad SAW) (4) and those who
acknowledge not the religion of truth
(i.e. Islâm) among the people of the
Scripture (Jews and Christians), until
they pay the Jizyah with willing
submission, and feel themselves
subdued.
[30] ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻟﻴَﻬﻮﺩُ ﻋُﺰَﻳﺮٌ ﺍﺑﻦُ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻗﺎﻟَﺖِ ﺍﻟﻨَّﺼٰﺮَﻯ ﺍﻟﻤَﺴﻴﺢُ
ﺍﺑﻦُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۖ ﺫٰﻟِﻚَ ﻗَﻮﻟُﻬُﻢ
ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ۖ ﻳُﻀٰﻬِـٔﻮﻥَ ﻗَﻮﻝَ
ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ ﻣِﻦ ﻗَﺒﻞُ ۚ ﻗٰﺘَﻠَﻬُﻢُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ ﺃَﻧّﻰٰ ﻳُﺆﻓَﻜﻮﻥَ
[30] ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহর পুত্র এবং
নাসারারা বলে ‘মসীহ আল্লাহর পুত্র’। এ
হচ্ছে তাদের মুখের কথা। এরা পূর্ববর্তী
কাফেরদের মত কথা বলে। আল্লাহ এদের
ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে
যাচ্ছে।
[30] And the Jews say: ‘Uzair (Ezra) is
the son of Allâh, and the Christians say:
Messiah is the son of Allâh. That is their
saying with their mouths, resembling the
saying of the those who disbelieved
aforetime. Allâh’s Curse be on them, how
they are deluded away from the truth!
[31] ﺍﺗَّﺨَﺬﻭﺍ ﺃَﺣﺒﺎﺭَﻫُﻢ
ﻭَﺭُﻫﺒٰﻨَﻬُﻢ ﺃَﺭﺑﺎﺑًﺎ ﻣِﻦ ﺩﻭﻥِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻭَﺍﻟﻤَﺴﻴﺢَ ﺍﺑﻦَ ﻣَﺮﻳَﻢَ ﻭَﻣﺎ
ﺃُﻣِﺮﻭﺍ ﺇِﻟّﺎ ﻟِﻴَﻌﺒُﺪﻭﺍ ﺇِﻟٰﻬًﺎ ﻭٰﺣِﺪًﺍ ۖ
ﻻ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟّﺎ ﻫُﻮَ ۚ ﺳُﺒﺤٰﻨَﻪُ ﻋَﻤّﺎ
ﻳُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[31] তারা তাদের পন্ডিত ও সংসার-
বিরাগীদিগকে তাদের পালনকর্তারূপে গ্রহণ
করেছে আল্লাহ ব্যতীত এবং মরিয়মের
পুত্রকেও। অথচ তারা আদিষ্ট ছিল একমাত্র
মাবুদের এবাদতের জন্য। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ
নেই, তারা তাঁর শরীক সাব্যস্ত করে, তার
থেকে তিনি পবিত্র।
[31] They (Jews and Christians) took
their rabbis and their monks to be their
lords besides Allâh (by obeying them in
things which they made lawful or
unlawful according to their own desires
without being ordered by Allâh), and
(they also took as their Lord) Messiah,
son of Maryam (Mary), while they (Jews
and Christians) were commanded [in the
Taurât (Torah) and the Injeel (Gospel)) to
worship none but One Ilâh (God – Allâh)
Lâ ilâha illa Huwa (none has the right to
be worshipped but He). Praise and glory
is to Him, (far above is He) from having
the partners they associate (with Him).”
[32] ﻳُﺮﻳﺪﻭﻥَ ﺃَﻥ ﻳُﻄﻔِـٔﻮﺍ ﻧﻮﺭَ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑِﺄَﻓﻮٰﻫِﻬِﻢ ﻭَﻳَﺄﺑَﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟّﺎ
ﺃَﻥ ﻳُﺘِﻢَّ ﻧﻮﺭَﻩُ ﻭَﻟَﻮ ﻛَﺮِﻩَ
ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻭﻥَ
[32] তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর
নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ
অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন,
যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে।
[32] They (the disbelievers, the Jews and
the Christians) want to extinguish Allâh’s
Light (with which Muhammad SAW has
been sent – Islâmic Monotheism) with
their mouths, but Allâh will not allow
except that His Light should be perfected
even though the Kâfirûn (disbelievers)
hate (it).
[33] ﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬﻯ ﺃَﺭﺳَﻞَ ﺭَﺳﻮﻟَﻪُ
ﺑِﺎﻟﻬُﺪﻯٰ ﻭَﺩﻳﻦِ ﺍﻟﺤَﻖِّ ﻟِﻴُﻈﻬِﺮَﻩُ
ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﺪّﻳﻦِ ﻛُﻠِّﻪِ ﻭَﻟَﻮ ﻛَﺮِﻩَ
ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻮﻥَ
[33] তিনিই প্রেরণ করেছেন আপন
রসূলকে হেদায়েত ও সত্য দ্বীন
সহকারে, যেন এ দ্বীনকে অপরাপর
দ্বীনের উপর জয়যুক্ত করেন, যদিও
মুশরিকরা তা অপ্রীতিকর মনে করে।
[33] It is He Who has sent His Messenger
(Muhammad SAW) with guidance and
the religion of truth (Islâm), to make it
superior over all religions even though
the Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh) hate (it).
[34] ۞ ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ
ﺇِﻥَّ ﻛَﺜﻴﺮًﺍ ﻣِﻦَ ﺍﻷَﺣﺒﺎﺭِ
ﻭَﺍﻟﺮُّﻫﺒﺎﻥِ ﻟَﻴَﺄﻛُﻠﻮﻥَ ﺃَﻣﻮٰﻝَ
ﺍﻟﻨّﺎﺱِ ﺑِﺎﻟﺒٰﻄِﻞِ ﻭَﻳَﺼُﺪّﻭﻥَ ﻋَﻦ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ۗ ﻭَﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻳَﻜﻨِﺰﻭﻥَ
ﺍﻟﺬَّﻫَﺐَ ﻭَﺍﻟﻔِﻀَّﺔَ ﻭَﻻ
ﻳُﻨﻔِﻘﻮﻧَﻬﺎ ﻓﻰ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻓَﺒَﺸِّﺮﻫُﻢ ﺑِﻌَﺬﺍﺏٍ ﺃَﻟﻴﻢٍ
[34] হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও
সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের
মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং
আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত
রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে
রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে,
তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
[34] O you who believe! Verily, there are
many of the (Jewish) rabbis and the
(Christian) monks who devour the wealth
of mankind in falsehood, and hinder
(them) from the Way of Allâh (i.e. Allâh’s
religion of Islâmic Monotheism). And
those who hoard up gold and silver [Al-
Kanz: the money, the Zakât of which has
not been paid], and spend them not in
the Way of Allâh, -announce unto them a
painful torment.
[35] ﻳَﻮﻡَ ﻳُﺤﻤﻰٰ ﻋَﻠَﻴﻬﺎ ﻓﻰ
ﻧﺎﺭِ ﺟَﻬَﻨَّﻢَ ﻓَﺘُﻜﻮﻯٰ ﺑِﻬﺎ
ﺟِﺒﺎﻫُﻬُﻢ ﻭَﺟُﻨﻮﺑُﻬُﻢ
ﻭَﻇُﻬﻮﺭُﻫُﻢ ۖ ﻫٰﺬﺍ ﻣﺎ ﻛَﻨَﺰﺗُﻢ
ﻟِﺄَﻧﻔُﺴِﻜُﻢ ﻓَﺬﻭﻗﻮﺍ ﻣﺎ ﻛُﻨﺘُﻢ
ﺗَﻜﻨِﺰﻭﻥَ
[35] সে দিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত
করা হবে এবং তার দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও
পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে (সেদিন বলা
হবে), এগুলো যা তোমরা নিজেদের
জন্যে জমা রেখেছিলে, সুতরাং এক্ষণে
আস্বাদ গ্রহণ কর জমা করে রাখার।
[35] On the Day when that (Al-Kanz:
money, gold and silver, the Zakât of
which has not been paid) will be heated
in the Fire of Hell and with it will be
branded their foreheads, their flanks,
and their backs, (and it will be said unto
them):-“This is the treasure which you
hoarded for yourselves. Now taste of
what you used to hoard.”
[36] ﺇِﻥَّ ﻋِﺪَّﺓَ ﺍﻟﺸُّﻬﻮﺭِ ﻋِﻨﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﺍﺛﻨﺎ ﻋَﺸَﺮَ ﺷَﻬﺮًﺍ ﻓﻰ ﻛِﺘٰﺐِ
ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻳَﻮﻡَ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤٰﻮٰﺕِ
ﻭَﺍﻷَﺭﺽَ ﻣِﻨﻬﺎ ﺃَﺭﺑَﻌَﺔٌ ﺣُﺮُﻡٌ ۚ
ﺫٰﻟِﻚَ ﺍﻟﺪّﻳﻦُ ﺍﻟﻘَﻴِّﻢُ ۚ ﻓَﻼ
ﺗَﻈﻠِﻤﻮﺍ ﻓﻴﻬِﻦَّ ﺃَﻧﻔُﺴَﻜُﻢ ۚ
ﻭَﻗٰﺘِﻠُﻮﺍ ﺍﻟﻤُﺸﺮِﻛﻴﻦَ ﻛﺎﻓَّﺔً ﻛَﻤﺎ
ﻳُﻘٰﺘِﻠﻮﻧَﻜُﻢ ﻛﺎﻓَّﺔً ۚ ﻭَﺍﻋﻠَﻤﻮﺍ ﺃَﻥَّ
ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻤُﺘَّﻘﻴﻦَ
[36] নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি,
আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে।
তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান;
সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি
অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে
তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও
তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে
সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ
মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।
[36] Verily, the number of months with
Allâh is twelve months (in a year), so
was it ordained by Allâh on the Day
when He created the heavens and the
earth; of them four are Sacred, (i.e. the
1st, the 7th, the 11th and the 12th
months of the Islâmic calendar). That is
the right religion, so wrong not
yourselves therein, and fight against the
Mushrikûn (polytheists, pagans,
idolaters, disbelievers in the Oneness of
Allâh) collectively, as they fight against
you collectively. But know that Allâh is
with those who are Al-Muttaqûn (the
pious – see V.2:2).
[37] ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﻨَّﺴﻲﺀُ ﺯِﻳﺎﺩَﺓٌ ﻓِﻰ
ﺍﻟﻜُﻔﺮِ ۖ ﻳُﻀَﻞُّ ﺑِﻪِ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﻳُﺤِﻠّﻮﻧَﻪُ ﻋﺎﻣًﺎ ﻭَﻳُﺤَﺮِّﻣﻮﻧَﻪُ
ﻋﺎﻣًﺎ ﻟِﻴُﻮﺍﻃِـٔﻮﺍ ﻋِﺪَّﺓَ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻓَﻴُﺤِﻠّﻮﺍ ﻣﺎ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ۚ
ﺯُﻳِّﻦَ ﻟَﻬُﻢ ﺳﻮﺀُ ﺃَﻋﻤٰﻠِﻬِﻢ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ
ﻻ ﻳَﻬﺪِﻯ ﺍﻟﻘَﻮﻡَ ﺍﻟﻜٰﻔِﺮﻳﻦَ
[37] এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল
কুফরীর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে
কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল
করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে
নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে
নেয় আল্লাহর নিষিদ্ধ মাসগুলোর। অতঃপর হালাল
করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে।
তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে
শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ
কাফের সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।
[37] The postponing (of a Sacred Month)
is indeed an addition to disbelief:
thereby the disbelievers are led astray,
for they make it lawful one year and
forbid it another year in order to adjust
the number of months forbidden by
Allâh, and make such forbidden ones
lawful. The evil of their deeds is made
fair-seeming pleasing to them. And Allâh
guides not the people, who disbelieve.
[38] ﻳٰﺄَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﺀﺍﻣَﻨﻮﺍ ﻣﺎ
ﻟَﻜُﻢ ﺇِﺫﺍ ﻗﻴﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻧﻔِﺮﻭﺍ ﻓﻰ
ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﺛّﺎﻗَﻠﺘُﻢ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻷَﺭﺽِ ۚ ﺃَﺭَﺿﻴﺘُﻢ ﺑِﺎﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ
ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻣِﻦَ ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ۚ ﻓَﻤﺎ
ﻣَﺘٰﻊُ ﺍﻟﺤَﻴﻮٰﺓِ ﺍﻟﺪُّﻧﻴﺎ ﻓِﻰ
ﺍﻝﺀﺍﺧِﺮَﺓِ ﺇِﻟّﺎ ﻗَﻠﻴﻞٌ
[38] হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন
আল্লাহর পথে বের হবার জন্যে
তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর,
তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার
জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ
আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের
উপকরণ অতি অল্প।
[38] O you who believe! What is the
matter with you, that when you are
asked to march forth in the Cause of
Allâh (i.e. Jihâd) you cling heavily to the
earth? Are you pleased with the life of
this world rather than the Hereafter? But
little is the enjoyment of the life of this
world as compared to the Hereafter.
[39] ﺇِﻟّﺎ ﺗَﻨﻔِﺮﻭﺍ ﻳُﻌَﺬِّﺑﻜُﻢ ﻋَﺬﺍﺑًﺎ
ﺃَﻟﻴﻤًﺎ ﻭَﻳَﺴﺘَﺒﺪِﻝ ﻗَﻮﻣًﺎ ﻏَﻴﺮَﻛُﻢ
ﻭَﻻ ﺗَﻀُﺮّﻭﻩُ ﺷَﻴـًٔﺎ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠﻰٰ
ﻛُﻞِّ ﺷَﻲﺀٍ ﻗَﺪﻳﺮٌ
[39] যদি বের না হও, তবে আল্লাহ
তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং
অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত
করবেন। তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে
পারবে না, আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।
[39] If you march not forth, He will
punish you with a painful torment and
will replace you by another people, and
you cannot harm Him at all, and Allâh is
Able to do all things
[40] ﺇِﻟّﺎ ﺗَﻨﺼُﺮﻭﻩُ ﻓَﻘَﺪ ﻧَﺼَﺮَﻩُ
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﺫ ﺃَﺧﺮَﺟَﻪُ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ ﻛَﻔَﺮﻭﺍ
ﺛﺎﻧِﻰَ ﺍﺛﻨَﻴﻦِ ﺇِﺫ ﻫُﻤﺎ ﻓِﻰ ﺍﻟﻐﺎﺭِ
ﺇِﺫ ﻳَﻘﻮﻝُ ﻟِﺼٰﺤِﺒِﻪِ ﻻ ﺗَﺤﺰَﻥ
ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻣَﻌَﻨﺎ ۖ ﻓَﺄَﻧﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ
ﺳَﻜﻴﻨَﺘَﻪُ ﻋَﻠَﻴﻪِ ﻭَﺃَﻳَّﺪَﻩُ ﺑِﺠُﻨﻮﺩٍ
ﻟَﻢ ﺗَﺮَﻭﻫﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻛَﻠِﻤَﺔَ ﺍﻟَّﺬﻳﻦَ
ﻛَﻔَﺮُﻭﺍ ﺍﻟﺴُّﻔﻠﻰٰ ۗ ﻭَﻛَﻠِﻤَﺔُ ﺍﻟﻠَّﻪِ
ﻫِﻰَ ﺍﻟﻌُﻠﻴﺎ ۗ ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰﻳﺰٌ
ﺣَﻜﻴﻢٌ
[40] যদি তোমরা তাকে (রসূলকে) সাহায্য না
কর, তবে মনে রেখো, আল্লাহ তার সাহায্য
করেছিলেন, যখন তাকে কাফেররা বহিষ্কার
করেছিল, তিনি ছিলেন দু’জনের একজন, যখন